× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

google_news print-icon

টেন্ডুলকার-ওয়াকারের অভিষেক: উদযাপনের উপলক্ষ, আফসোসেরও!

টেন্ডুলকার-ওয়াকারের-অভিষেক-উদযাপনের-উপলক্ষ-আফসোসেরও
শচীন টেন্ডুলকার আর ওয়াকার ইউনিসের টেস্ট অভিষেক শুধু একই দিনে নয়, একই টেস্টে। আজ থেকে ৩১ বছর আগে করাচিতে একই সঙ্গে অমরত্বের দিকে যাত্রা শুরু হয়েছিল এক ব্যাটসম্যান আর এক ফাস্ট বোলারের।

বিশেষ কোনো উপলক্ষের দশক পূর্তির উদযাপন করাই যায় বা বিভিন্ন জয়ন্তীর - রজত, সুবর্ণ....। কিন্তু ৩১ বছর পূর্তি মোটেই স্মৃতিচারণা করার মতো উপলক্ষ নয়। তবে সেই বিশেষ উপলক্ষটা বিশেষ কারও হলে এই নিয়ম আর খাটে না। এই যেমন শচীন টেন্ডুলকার।

প্রতি বছর ১৫ নভেম্বর দিনটি এলেই ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম অবধারিতভাবে মনে করিয়ে দেবে, এত বছর আগে এই দিনে শচীন টেন্ডুকারের টেস্ট অভিষেক হয়েছিল। ‘এত’ শব্দটার জায়গায় যে শুধু সংখ্যাটা বদল হয়, তা তো বুঝতেই পারছেন। শুধু ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমই বা বলছি কেন, আজ বিশ্বের যেকোনো ক্রিকেট পোর্টালে গেলেই দেখবেন, নিয়মকে প্রমাণ করা দুয়েকটা ব্যতিক্রম বাদ দিলে ১৫ নভেম্বর দিনটির এই আলাদা মহিমার কথা বলা আছে। সঙ্গে পাদটীকার মতো করে আরেকটা তথ্যও, একই দিনে টেস্ট অভিষেক আধুনিক ক্রিকেটের আরেক ‘গ্রেট’ ওয়াকার ইউনিসের।

শুধুই দিনটিকে হিসাবে নিলে অনেক গ্রেটের টেস্ট অভিষেকই মিলে যাবে। শচীন টেন্ডুলকার আর ওয়াকার ইউনিসের ব্যাপারটা সম্ভবত অনন্যতাই দাবি করে। এই দুজনের টেস্ট অভিষেক তো শুধু একই দিনে নয়, একই টেস্টে। আজ থেকে ৩১ বছর আগে করাচিতে একই সঙ্গে অমরত্বের দিকে যাত্রা শুরু হয়েছিল এক ব্যাটসম্যান আর এক ফাস্ট বোলারের।

দুজনই তখন টিন এজার। করাচি টেস্ট শুরুর দিন টেন্ডুলকারের বয়স ১৬ বছর ২০৫ দিন। ওয়াকারের ১৭ বছর ৩৬৪ দিন। ব্যাটসম্যান-বোলার বলে অভিষেকে দুজন সরাসরি প্রতিপক্ষও। সেই লড়াইয়ে জয়ীর নাম ওয়াকার ইউনিস। টেস্টে প্রথম ব্যাটিং করতে নেমে চোখেমুখে কেমন আঁধার দেখেছিলেন, তা টেন্ডুকার নিজেই অনেকবার বলেছেন। ২৪ বছর পর যাঁর ক্যারিয়ার শেষ হবে টেস্ট খেলার ডাবল সেঞ্চুরি করার অবিশ্বাস্য এক কীর্তি গড়ে, তাঁর নাকি মনে হয়েছিল, জীবনের প্রথম টেস্টটাই না শেষ টেস্ট হয়ে যায়! সেই ‘যন্ত্রণা’ থেকে টেন্ডুলকারকে মুক্তি দিয়েছিলেন ওয়াকার। খুব দ্রুতই ব্যাটসম্যানদের দুঃস্বপ্ন হয়ে ওঠা ইনসুইঙ্গারে টেন্ডুলকারকে বোল্ড করে। ২৪ বলে ১৫ রানের ইনিংসেও অবশ্য টেন্ডুলকারীয় অন ড্রাইভে দুটি চার ছিল।

টেস্ট অভিষেক একই সঙ্গে, তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সঙ্গে পরিচয় ধরলে ওয়াকার মাসখানেকের সিনিয়র। বাবার কর্মসূত্রে যে শারজায় কৈশোরের অনেকটা সময় কেটেছে তাঁর, সেখানেই ওয়ানডে অভিষেক হয়েছে। এমনই গতির ঝড় তুলে যে, আম্পায়ার ডিক বার্ড তাঁকে দিয়ে দিয়েছেন বিশ্বের দ্রুততম বোলারের স্বীকৃতি। দাবানলের মতো যা ছড়িয়ে পড়েছে ক্রিকেট বিশ্বে। সবচেয়ে বড় কারণ, সেই টুর্নামেন্টেরই এক দল ওয়েস্ট ইন্ডিজে তখন খেলছেন ম্যালকম মার্শাল, ইয়ান বিশপ, কার্টলি অ্যামব্রোস ও কোর্টনি ওয়ালশ।

টেস্ট অভিষেকের আগে ওয়াকারের ৮টি ওয়ানডে খেলা হয়ে গেছে। শারজার ওই টুর্নামেন্টের পর নেহরু কাপ খেলতে ঘুরে এসেছেন ভারতও। এক্সপ্রেস ফাস্ট বোলারদের ছায়াসঙ্গী ইনজুরিও উঁকিঝুঁকি দিতে শুরু করেছে। যে কারণে টেস্ট অভিষেকের পর সেই সিরিজের পরের দুই টেস্টে দর্শক হয়ে থাকতে হয়েছে। টেন্ডুলকার সেই দুটি টেস্টেই খেলেছেন এবং দ্বিতীয় টেস্টে প্রথম হাফ সেঞ্চুরিও করে ফেলেছেন। টেন্ডুলকারের সঙ্গে ওয়াকারের আবার দেখা শিয়ালকোটে সিরিজের শেষ টেস্টে। প্রথম তিন টেস্ট ড্র হয়েছে বলে নিজেদের পেস আক্রমণকে লেলিয়ে দিতে পাকিস্তান যেখানে তৈরি করেছে ঘাসে ঢাকা সবুজ উইকেট। শচীন টেন্ডুলকার নামের অত্যাশ্চর্য গল্পের প্রথম অধ্যায়টাও সেখানেই লেখা। যাতে আছেন ওয়াকার ইউনিসও। যাঁর বাউন্সার টেন্ডুলকারের নাকে ছোবল দিয়ে রীতিমতো রক্তারক্তি কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলেছে। সেই রক্ত মুছে ব্যাটিং চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন টেন্ডুলকার এবং পরের বলটিতেই মেরেছেন বাউন্ডারি!

ওয়াকারও বুঝে গেছেন, প্রথম দর্শনে যাঁকে মোটেই 'বিশেষ কিছু' মনে হয়নি, মুখে বেবি ফ্যাটের চিহ্ন বয়ে বেড়ানো সেই ব্যাটসম্যান অন্য ধাতুতে গড়া। ভবিষ্যতে আরও অনেকবারই এর সঙ্গে লড়াইয়ে নামতে হবে। কেই-বা তখন ভেবেছিল, টেস্ট ম্যাচে দুজনের আবার দেখা হবে দশ বছর পর!

আধুনিক ক্রিকেটের সবচেয়ে আফসোসটার কথা বলার সময় হলো এখন। ফর্মের তুঙ্গে থাকা অবস্থায় শচীন টেন্ডুলকার বনাম দুই ডব্লিউ, ওয়াসিম আকরাম আর ওয়াকার ইউনিস। যে লড়াইয়ের কথা ভাবলেই জিভে জল চলে আসে। ওই সিরিজের পরই আরও অনেকবারের মতো দুই দেশের সম্পর্ক ভেঙে পড়ায় যা আসলে কখনো আমাদের দেখাই হয়নি। শচীন টেন্ডুলকারের ব্যাটে যখন রানের ফল্গুধারা বইছে, একই সময়ে রিভার্স সুইংয়ে ব্যাটসম্যানদের বুকে কাঁপন তুলছেন দুই ডব্লিউ; কিন্তু টেস্ট ক্রিকেটে তাঁদের দেখাই হচ্ছে না। আবার যখন তা হলো, টেন্ডুলকার তখনো দেদীপ্যমান, কিন্তু ওয়াকারের ক্যারিয়ার-সূর্য পশ্চিমাকাশে ঢলে পড়েছে। প্রতিবাদ জানাতে শুরু করেছে দিনের পর দিন গতির ঝড় তোলার ধকল নিতে নিতে ক্লান্ত শরীর, যেটির ছাপ পড়ছে বোলিংয়েও। এমনই যে, ১৯৯৯ সালের সেই ভারত সফরে প্রথম দুই টেস্টে মাত্র ২ উইকেট নেওয়ার পর তৃতীয় টেস্টে দল থেকেই বাদ পড়ে গেছেন ওয়াকার।

ওয়াকারের বাউন্সারে টেন্ডুলকারের রক্তাপ্লুত নাকের সেই শিয়ালকোটের পর চেন্নাইয়ে আবার যখন দুজনের দেখা হয়েছে টেস্টে, আরও ৫৩টি টেস্ট খেলে ফেলেছেন ওয়াকার, টেন্ডুলকার খেলেছেন ৬৪টি। ৫৫ টেস্টে ২১.৫৭ গড়ে ২৭৫ উইকেট ওয়াকারকে সর্বকালের সেরা ফাস্ট বোলারদের দলে ঢোকার ছাড়পত্র একরকম দিয়েই দিয়েছে। ৬৪ টেস্টে ৫৪.৭৭ গড়ে ৪৮২০ রান শচীন টেন্ডুলকারকেও তুলে দিয়েছে অমরত্বের হাইওয়েতে।

কিন্তু ওই যে আফসোসটা, একই সঙ্গে শুরুর পর সমান্তরালভাবে এগিয়ে চলা দুই গ্রেটের টেস্ট ক্যারিয়ার পরস্পরকে ছেদ করেছে কিনা আর মাত্রই একবার! ১৯৮৯ সালে দুই টেস্টের পর ১৯৯৯ সালেও দুই টেস্ট- মাত্র এই চার টেস্টেই শেষ টেন্ডুলকার-ওয়াকারের টেস্ট লড়াইয়ের গল্প। এত সব অর্জনের পরও টেন্ডুলকারেরও তাই হয়তো আফসোস হয়, সেরা ফর্মের দুই ডব্লিউকে তাঁর জয় করা হয়নি। গত শতকের নয়ের দশকে টেন্ডুলকার-লারা দ্বৈরথে ক্রিকেট বিশ্ব যখন দ্বিধাবিভক্ত, পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের যে তখন ব্রায়ান লারাকেই এগিয়ে রাখতে দেখেছি, এর কারণও হয়তো এটাই। সঙ্গে আরেকটি নাম এসেছে, সেটিও রিভার্স সুইং সামলানোর দক্ষতাকে মানদণ্ড ধরেই। নিউজিল্যান্ডের মার্টিন ক্রো। যে পরীক্ষা টেন্ডুলকারকে দিতেই হয়নি, সেটিতে তাঁকে 'ফেল' বলে দেওয়াটা অন্যায়, আবার পাসই বা করাবেন কিভাবে!

ওয়ানডেতে অবশ্য সেরা ফর্মের দুই ডব্লুর সঙ্গে টেন্ডুলকারের মাঝে মধ্যেই দেখা হয়েছে। তাতে আফসোসটা বরং আরও বেড়েছে। ওয়ানডে কি আর ব্যাটসম্যান-বোলারের ক্ল্যাসিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার মঞ্চ হতে পারে! টেস্ট ক্রিকেট, একমাত্র টেস্ট ক্রিকেটই যেটি ধারণ করার মতো কলোসিয়াম। তারপরও নিছক কৌতুহল মেটানোর জন্য হলেও পরিসংখ্যানের আয়নায় ওয়ানডেতে টেন্ডুলকার-ওয়াকার লড়াইটা দেখে নেওয়া যেতেই পারে। টেস্টের মতো ওয়ানডেতেও দুজনের প্রথম লড়াইয়েও জিতেছিলেন ওয়াকার। টেস্ট ক্রিকেটে টেন্ডুলকারকে প্রথম আউট করেছিলেন, ওয়ানডেতেও তা-ই। ১৯৮৯ সালের সেই সিরিজেই ওয়ানডে অভিষেকে শূন্য রানে আউট হওয়ার যন্ত্রনা উপহার দিয়েছিলেন টেন্ডুলকারকে। প্রায় সাত বছর পর ওয়াকারকে দ্বিতীয়বারের মতো উইকেট দেওয়ার পর অবশ্য টেন্ডুলকার খুব বেশি কষ্ট পেয়েছিলেন বলে মনে হয় না। কারণ ১৯৯৬ সালে শারজায় পেপসি কাপের ওই ম্যাচে এর আগেই ১১৪ রান করা হয়ে গেছে তাঁর।

২৩টি ওয়ানডে ম্যাচে প্রতিপক্ষ দলে টেন্ডুলকারকে পেয়েছেন ওয়াকার। আউট করেছেন চারবার। এই হিসাবটা সহজেই পাওয়া যায়, কিন্তু ওয়াকারের বলে টেন্ডুলকার কত রান নিয়েছেন, তা জানার কোনো উপায় নেই। তবে ওই ২৩ ম্যাচে দুজনের পারফরম্যান্স তো জানাই যায়। ২টি সেঞ্চুরি ও ৪টি হাফ সেঞ্চুরিসহ টেন্ডুলকারের রান ৭৮০। ওই ২৩ ম্যাচের স্ট্রাইক রেট আর ক্যারিয়ার স্ট্রাইক রেট প্রায় সমান (৮৬.৩৭/৮৬.২৩), তবে অ্যাভারেজ প্রায় সাড়ে সাত কম (৩৭.১৪/৪৪.৮৩)।

প্রতিপক্ষ দলে টেন্ডুলকার, এমন ম্যাচের একটিতে ৫ উইকেট নিয়েছেন ওয়াকার, একটিতে ৪ উইকেট, মোট উইকেট ৩৬। ওই ২৩ ম্যাচের অ্যাভারেজ-স্ট্রাইক রেট-ইকনমি রেটের সঙ্গে ক্যারিয়ার রেকর্ডের আশ্চর্য সমতা (২৩.৯১/২৩.৮৪, ৩০.৫/৩০.৫ ও ৪.৭০/৪.৬৮)। নিছক তথ্য হিসাবেই সংখ্যার এই কচকচানি। প্রতিপক্ষ দলে ওয়াকার থাকলে টেন্ডুলকারের পারফরম্যান্স একটু খারাপ হয়েছে আর ওয়াকারের একই থেকেছে- এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে যতই প্ররোচনা থাকুক এতে, তা হবে অতি সরলীকরণ।

এ সবের দরকারই কি! ৩১ বছর আগে আজকের এই দিনে টেস্ট ক্রিকেটে একই সঙ্গে আবির্ভূত হয়েছিলেন দুই ক্ষণজন্মা ক্রিকেটার- আমরা বরং সেটিরই উদযাপন করি।

লাইনটা লিখতে লিখতে ওই আফসোসটা আবারও হচ্ছে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

ক্রিকেট
Congratulations to all rounder Rishad

অলরাউন্ডার রিশাদকে সংবর্ধনা

অলরাউন্ডার রিশাদকে সংবর্ধনা অলরাউন্ডার রিশাদকে সোমবার নীলফামারী কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্যোগে সংবর্ধনা দেয়া হয়। ছবি: নিউজবাংলা
জাতীয় দলের অলরাউন্ডার রিশাদ ইসলাম বলেন, কষ্ট করলে কোনো কিছু বৃথা যায় না। দেশে অনেক ক্ষেত্র রয়েছে- যেখানে মেধা, শ্রম আর লেগে থাকলে সফল হওয়া যায়; আলোকিত মানুষ হওয়া যায়।’

কষ্ট করলে কোনো কিছু বৃথা যায় না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের অলরাউন্ডার রিশাদ ইসলাম। বলেছেন, ‘শুধু যে পড়াশোনা করেই সফল হওয়া যায় তা নয়। বাংলাদেশে অনেক ক্ষেত্র রয়েছে- যেখানে মেধা, শ্রম আর লেগে থাকলে সফল হওয়া যায়, আলোকিত মানুষ হওয়া যায়।’

সোমবার নীলফামারী কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) উদ্যোগে সংবর্ধনা গ্রহণ শেষে এক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেছেন।

রিশাদ বলেন, ‘নীলফামারী টিটিসি একটি বড় ক্ষেত্র। প্রশিক্ষণ নিয়ে বিদেশে গিয়ে পরিবর্তন ঘটানো সম্ভব। দক্ষ জনশক্তির মূল্য রয়েছে বিদেশে। এখানে যেসব ট্রেড রয়েছে এগুলোতে প্রশিক্ষণ নেয়া হলে নিজেকে সফল হিসেবে গড়তে পারবে যুবারা।’

টিটিসি সভাকক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যক্ষ প্রকৌশলী জিয়াউর রহমান। এতে চিফ ইনস্ট্রাকটর মশিউর রহমান, প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম ও নীলফামারী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নুর আলম বক্তব্য দেন।

তারকা ক্রিকেটার রিশাদকে সম্মাননা স্মারক এবং শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পক্ষ থেকে উপহার প্রদান করা হয়। এর আগে টিটিসির বিভিন্ন ট্রেডের প্রশিক্ষণ ক্লাস ঘুরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি।

টিটিসি অধ্যক্ষ জিয়াউর রহমান বলেন, ‘রিশাদ শুধু নীলফামারী নয়, বাংলাদেশের সম্পদ। একজন তারকা। আমাদের গর্ব। তাকে দেখে অনুপ্রাণিত হবে তরুণ প্রজন্ম। টিটিসিতে এসে রিশাদ শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন দেখিয়েছে, উৎসাহ দিয়েছে।’

আরও পড়ুন:
ছাত্রলীগ আয়োজিত আন্তবিশ্ববিদ্যালয় ইনডোর ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন বিইউ
১৭ বছরের অপেক্ষার অবসান, টি-টোয়েন্টি চ্যাম্পিয়ন ভারত
ঘুরে দাঁড়িয়ে প্রোটিয়াদের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিল ভারত
শিরোপার লড়াইয়ে ব্যাটিংয়ে ভারত
ইংল্যান্ডকে সহজে হারিয়ে ফাইনালে ভারত

মন্তব্য

ক্রিকেট
Two Tests Bangladesh tour of Pakistan final

দুই টেস্ট: বাংলাদেশের পাকিস্তান সফর চূড়ান্ত

দুই টেস্ট: বাংলাদেশের পাকিস্তান সফর চূড়ান্ত বিসিবি ও পিসিবির লোগো। কোলাজ: ইউএনবি
ইউএনবির প্রতিবেদনে জানানো হয, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট দিয়ে নতুন মৌসুম শুরু করতে যাচ্ছে টাইগাররা।

দুই টেস্ট খেলতে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের পাকিস্তান সফর চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউএনবি।

বার্তা সংস্থাটির প্রতিবেদনে জানানো হয, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট দিয়ে নতুন মৌসুম শুরু করতে যাচ্ছে টাইগাররা।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ এ সিরিজের প্রথম টেস্ট রাওয়ালপিন্ডিতে শুরু হবে ২১ আগস্ট। এরপর করাচিতে ৩০ আগস্ট শুরু হবে দ্বিতীয় টেস্ট।

সিরিজটি খেলতে বাংলাদেশ দল কবে পাকিস্তান যাবে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ইউএনবি জানায়, বাংলাদেশ সর্বশেষ ২০২৩ সালে এশিয়া কাপে অংশ নিতে পাকিস্তান সফর করেছিল। ওই টুর্নামেন্টের ভেন্যু পাকিস্তানের পাশাপাশি শ্রীলঙ্কাতেও ছিল।

আরও পড়ুন:
টাইগারদের বড় লক্ষ্য দিল ভারত
তিস্তা নিয়ে আলোচনা করতে ঢাকায় আসছে ভারতের কারিগরি দল
এক পরিবর্তন নিয়ে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ
পারস্পরিক সহযোগিতায় ঢাকা-দিল্লির মধ্যে ১০ চুক্তি সই
এক সপ্তাহে রিজার্ভ বেড়েছে ৩১ কোটি ৮০ লাখ ডলার

মন্তব্য

ক্রিকেট
BU is champion in inter university indoor cricket organized by Chhatra League

ছাত্রলীগ আয়োজিত আন্তবিশ্ববিদ্যালয় ইনডোর ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন বিইউ

ছাত্রলীগ আয়োজিত আন্তবিশ্ববিদ্যালয় ইনডোর ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন বিইউ মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে বুধবার পুরস্কার বিতরণী ও সমাপনী অনুষ্ঠানে এক জমকালো আয়োজনের মাধ্যমে বিজয়ী ও রানারআপ টিমকে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়। ছবি: ছাত্রলীগ
‘মাদক, বাল্যবিবাহ, যৌতুক রুখবোই, আগামীর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়বোই’ প্রতিপাদ্য নিয়ে ছাত্রলীগ আন্তবিশ্ববিদ্যালয় ইনডোর ক্রিকেট-২০২৪-এর আয়োজন করে। সমাপনী অনুষ্ঠানে দুই ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠানের হাতে সম্মাননা তুলে দেয়া হয়।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আয়োজিত আন্তবিশ্ববিদ্যালয় ইনডোর ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি (বিইউ)।

এ প্রতিযোগিতায় রানারআপ হয় সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটি।

মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে বুধবার পুরস্কার বিতরণী ও সমাপনী অনুষ্ঠানে এক জমকালো আয়োজনের মাধ্যমে বিজয়ী ও রানারআপ টিমকে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়।

‘মাদক, বাল্যবিবাহ, যৌতুক রুখবোই, আগামীর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়বোই’ প্রতিপাদ্য নিয়ে ছাত্রলীগ আন্তবিশ্ববিদ্যালয় ইনডোর ক্রিকেট-২০২৪-এর আয়োজন করে। সমাপনী অনুষ্ঠানে দুই ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠানের হাতে সম্মাননা তুলে দেয়া হয়।

ব্যক্তি পর্যায়ে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ভূমিকা রাখায় ফেনীর মাহবুবা তাবাচ্ছুম ইমাকে সম্মাননা দেয়া হয়। আর যৌতুক ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ভূমিকা রাখায় লালমনিরহাটের মো. স্বাধীন ইসলামকে সম্মাননা দেয়া হয়। এ ছাড়া প্রাতিষ্ঠানিকভাবে মাদক প্রতিরোধে মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্র ‘বাঁধন’কে সম্মাননা দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের সঞ্চালনায় বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, সংসদ সদস্য মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা উপস্থিত ছিলেন।

গত ২৬ জুন থেকে রাজধানীর মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে দেশের পাবলিক ও বেসরকারি ৬৪টি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আন্তবিশ্ববিদ্যালয় ক্রিকেট প্রতিযোগিতা শুরু হয়।

আরও পড়ুন:
১৭ বছরের অপেক্ষার অবসান, টি-টোয়েন্টি চ্যাম্পিয়ন ভারত
ঘুরে দাঁড়িয়ে প্রোটিয়াদের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিল ভারত
শিরোপার লড়াইয়ে ব্যাটিংয়ে ভারত
ইংল্যান্ডকে সহজে হারিয়ে ফাইনালে ভারত
টস হেরে ব্যাটিংয়ে ভারত

মন্তব্য

ক্রিকেট
17 years of waiting is over for T20 champion India

১৭ বছরের অপেক্ষার অবসান, টি-টোয়েন্টি চ্যাম্পিয়ন ভারত

১৭ বছরের অপেক্ষার অবসান, টি-টোয়েন্টি চ্যাম্পিয়ন ভারত
টস জিতে এদিন শুরুতে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১৭৬ রান করে ভারত। জবাবে খেলতে নেমে নাটকের পর নাটক, ম্যাচে একের পর এক পালাবদলের পর মাত্র ৭ রানে হেরেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর প্রথম আসরেই ফাইনালে ওঠে ভারত। সেবার পাকিস্তানকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় দলটি। এরপর আরও একবার ফাইনালে উঠলেও শ্রীলঙ্কা কাঁদায় তাদের। ১৭ বছর পর ফের ফাইনালে কাঁদল ভারত। তবে এবার আর হতাশা নয়, শিরোপা জয়ের আনন্দে কাঁদলেন রোহিত-হার্দিকরা।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ২০২৪ সালের আসরে এসে অবশেষে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ততম এ সংস্করণে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে রোহিত শর্মার দল।

টস জিতে এদিন শুরুতে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১৭৬ রান করে ভারত। জবাবে খেলতে নেমে নাটকের পর নাটক, ম্যাচে একের পর এক পালাবদলের পর মাত্র ৭ রানে হেরেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

দুই দলই তুমূল লড়াইয়ের স্মরণীয় এক ফাইনাল উপহার দেয়ার পর প্রথমবার কোনো বিশ্ব আসরের ফাইনালে উঠেও সামান্য ব্যবধানে হেরে হতাশ হলো প্রোটিয়ারা। আর প্রায় দেড় যুগের অপেক্ষা শেষে শিরোপা উঁচিয়ে ধরল ভারত।

প্রোটিয়াদের হয়ে ব্যাট হাতে হাইনরিখ ক্লাসেন করেন সর্বোচ্চ ৫২ রান। এছাড়া কুইন্টন ডি কক ৩৯ এবং ডেভিড মিলার ২১ রান করেন।

অন্যদিকে, বল হাতে সর্বোচ্চ তিন উইকেট শিকার করেন হার্দিক পান্ডিয়া। তবে ব্যক্তিগত চার ওভারে ১৮ ও ২০ রান দিয়ে দুটি করে উইকেট তুলে নেন যথাক্রমে জসপ্রিত বুমরাহ ও আর্শদীপ সিং। প্রথম ইনিংসে বিরাট কোহলির ৭৬ রানের পর এই দুই পেসারের দুর্দান্ত বোলিংয়ের কারণেই দক্ষিণ আফ্রিকাকে চেপে ধরে হারিয়েছে ভারত।

প্রথম ইনিংসে দলের সংগ্রহ বড় করে দেয়ায় ফাইনাল ম্যাচের রাজা বিরাট কোহলি। আর আসরজুড়ে বোলিংয়ে ঝলক দেখানো জসপ্রিত বুমরাহ হয়েছেন টুর্নামেন্ট সেরা।

আরও পড়ুন:
ঘুরে দাঁড়িয়ে প্রোটিয়াদের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিল ভারত
শিরোপার লড়াইয়ে ব্যাটিংয়ে ভারত

মন্তব্য

ক্রিকেট
India turned around and gave the Proteas a challenging target

ঘুরে দাঁড়িয়ে প্রোটিয়াদের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিল ভারত

ঘুরে দাঁড়িয়ে প্রোটিয়াদের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিল ভারত
টস জিতে আগে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১৭৬ রান করেছে ভারত। প্রথমবার ফাইনালে উঠেই শিরোপা ছুঁতে হলে এই লক্ষ্য পাড়ি দিতে হবে প্রোটিয়া ব্যাটারদের।

পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে রানখরা গেলেও ফাইনালে ঠিকই জ্বলে উঠল বিরাট কোহলির ব্যাট। তার ব্যাটের হাসিতে শুরুতে উইকেট হারিয়েও দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ালো ভারত, আর প্রোটিয়াদের দিল চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য।

বার্বাডোসের ব্রিজটাউনের কেনসিংটন ওভাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১৭৬ রান করেছে ভারত। প্রথমবার ফাইনালে উঠেই শিরোপা ছুঁতে হলে এই লক্ষ্য পাড়ি দিতে হবে প্রোটিয়া ব্যাটারদের।

এদিন দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৬ রান করেন কোহলি। ৫৯ বলে এই রান করতে গিয়ে তিনি দুটি ছক্কা ও ছয়টি চার মারেন। এছাড়া অক্ষর প্যাটেল ৩১ বলে ৪৭ এবং শেষের দিকে শিবম দুবে ১৬ বলে ২৭ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেন।

দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নেন কেশব মহারাজ। এছাড়া কাগিসো রাবাদা ও মার্কো ইয়ানসেনের ঝুলিতে গেছে একটি করে উইকেট।

আরও পড়ুন:
শিরোপার লড়াইয়ে ব্যাটিংয়ে ভারত

মন্তব্য

ক্রিকেট
India batting in the title fight

শিরোপার লড়াইয়ে ব্যাটিংয়ে ভারত

শিরোপার লড়াইয়ে ব্যাটিংয়ে ভারত
১৮ বছর আগে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণের বিশ্বসেরার প্রতিযোগিতা শুরু হলেও এখন পর্যন্ত শিরোপা অধরাই রয়ে গেছে ভারতের। অন্যদিকে, ক্রিকেটের সব সংস্করণ মিলিয়ে বিশ্ব আসরে বারবার সেমিফাইনাল খেললেও এই প্রথমবার কোনো ফাইনালে উঠেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

প্রথমবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা উঁচিয়ে ধরতে মাঠে নেমেছে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা। এদিন টস জিতে আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রোহিত শর্মা।

১৮ বছর আগে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণের বিশ্বসেরার প্রতিযোগিতা শুরু হলেও এখন পর্যন্ত শিরোপা অধরাই রয়ে গেছে ভারতের। এর আগে দুবার ফাইনালে উঠেও শিরোপার স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে তাদের।

অন্যদিকে, ক্রিকেটের সব সংস্করণ মিলিয়ে বিশ্ব আসরে বারবার সেমিফাইনাল খেললেও এই প্রথমবার কোনো ফাইনালে উঠেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। তাই ‘চোকার’ থেকে ‘উইনার’ হতে সব রকম চেষ্টাই করবে আইডেন মার্করামের দল।

টস জিতে রোহিত বলেন, ‘আগে ব্যাট করতে চাই। এখানে আগে একটি ম্যাচ খেলেছি। পিচ ভালোই। সেদিন রানও পেয়েছিলাম।

‘ফাইনালের চাপ বুঝতে পারছি। তবে আমরা মাথা ঠান্ডা রাখতে চাই। একটি সাধারণ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচের মতো করেই আজকের ম্যাচটিকে দেখতে চাই।’

‘দক্ষিণ আফ্রিকা (টুর্নামেন্টজুড়ে) অসাধারণ ক্রিকেট খেলেছে। আমাদের ক্ষেত্রেও বিষয়টি তাই। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন খেলোয়াড় (দলের) হাল ধরেছে। আজকেও সেরকম কিছু প্রত্যাশা করছি।’

সেমিফাইনালের অপরিবর্তিত একাদশ নিয়েই ভারত মাঠে নামছে বলে জানান তিনি।

অপরদিকে, মার্করাম বলেন, ‘(টস জিতলে) আমরাও আগে ব্যাট করতাম। তবে যাইহোক, শুরুতে বোলিং করছি, নতুন উইকেটের সুবিধা কাজে লাগানোর চেষ্টা করব।

‘কিছু কিছু সময় আমরা ভালো খেলিনি, তারপরও ম্যাচ বের করেছি। সেই আত্মবিশ্বাস ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর চেষ্টা করব। পারফেক্ট হওয়া তো সম্ভব নয়, তবে আমাদের তার যতটা কাছাকাছি পারা যায়, যাওয়ার চেষ্টা থাকবে।’

‘ফাইনালের উত্তেজনা অনুভব করলেও চাপ একেবারেই নিচ্ছি না। এটাই (বিশ্বকাপে) আমাদের প্রথম ফাইনাল। তাই খেলা উপভোগ করব।’

দক্ষিণ আফ্রিকাও অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে মাঠে নামছে বলে জানান তিনি।

ভারত একাদশ: রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), বিরাট কোহলি, ঋষভ পান্ত (উইকেটরক্ষক), সূর্যকুমার যাদব, শিবম দুবে, হার্দিক পান্ডিয়া, অক্ষর প্যাটেল, রবীন্দ্র জাদেজা, আর্শদীপ সিং, জসপ্রিত বুমরাহ ও কুলদীপ যাদব।

দক্ষিণ আফ্রিকা একাদশ: কুইন্টন ডি কক (উইকেটরক্ষক), রিজা হেন্ড্রিক্স, আইডেন মার্করাম (অধিনায়ক), ডেভিড মিলার, হাইনরিখ ক্লাসেন, ট্রিস্টান স্টাবস, মার্কো ইয়ানসেন, কেশব মহারাজ, কাগিসো রাবাদা, আনরিখ নর্টকিয়া ও তাবরাইজ শামসি।

আরও পড়ুন:
ফাইনালে রাতে মুখোমুখি দক্ষিণ আফ্রিকা ও ভারত

মন্তব্য

ক্রিকেট
South Africa and India face each other in the final night
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

ফাইনালে রাতে মুখোমুখি দক্ষিণ আফ্রিকা ও ভারত

ফাইনালে রাতে মুখোমুখি দক্ষিণ আফ্রিকা ও ভারত
সেমিফাইনালে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সহজ জয় ফাইনালের আগে বাড়তি আত্মবিশ্বাস যোগাচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকাকে। অপরদিকে গ্রুপ পর্ব ও সুপার এইট মিলিয়ে দারুণ ক্রিকেট খেলেছে ভারত। সেমিফাইনালেও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শতভাগ উজাড় করে দিয়েছে ব্যাটার-বোলাররা।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নবম আসরের ব্লকবাস্টার ফাইনালে আজ শনিবার রাতে মুখোমুখি হচ্ছে টুর্নামেন্টের দুই অপরাজিত দল দক্ষিণ আফ্রিকা ও ভারত। বার্বাডোজের ব্রিজটাউনে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে ম্যাচটি।

প্রথমবারের মতো আইসিসি বিশ্বকাপ ইভেন্টের ফাইনালে উঠেই বাজিমাত করতে চায় প্রোটিয়ারা। প্রথম বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের লক্ষ্য দক্ষিণ আফ্রিকার। অন্যদিকে ২০০৭ সালে প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়া ভারতের চোখ দ্বিতীয় শিরোপা ঘরে তোলার দিকে।

গ্রুপ পর্বে ৪ ও সুপার এইটে ৩ ম্যাচ জিতে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠে দক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্তু সেমিতে উঠলেও চিন্তার ভাঁজ কপালে ছিলো প্রোটিয়াদের। কারণ ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে মোট সাতবার বিশ্বকাপের সেমি থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকাকে। এবার সেমি খড়া কাটিয়ে উঠেছে ‘চোকার্স’ খ্যাত দলটি। টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে বোলারদের অসাধারণ নৈপুণ্যে আফগানিস্তানকে ৯ উইকেটে উড়িয়ে প্রথমবারের এতা বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে প্রোটিয়ারা।

দক্ষিণ আফ্রিকার তিন পেসার ও এক স্পিনারের তোপে প্রথমে ব্যাট হাতে নেমে মাত্র ৫৬ রানে গুটিয়ে যায় আফগানিস্তান। ৫৭ রানের টার্গেট স্পর্শ করতে মাত্র ৮ দশমিক ৫ ওভার খরচ হয় প্রোটিয়াদের। গ্রুপ পর্ব ও সুপার এইটে প্রায় বেশিরভাগ ম্যাচে অগ্নিপরীক্ষা দিয়ে পাস করতে হয়েছিলো দক্ষিণ আফ্রিকাকে। কিন্তু সেমিফাইনালে তেমনটা করতে হয়নি তাদের।

সেমিফাইনালের এমন সহজ জয় ফাইনালের আগে বাড়তি আত্মবিশ্বাস যোগাচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকাকে। ফাইনাল নিয়ে দলের অধিনায়ক আইডেন মার্করাম বলেন, ‘ফাইনালে খেলার সুযোগ পাওয়া বিশাল অর্জন। আমরা যখন বিশ্বকাপের জন্য আসি, শুধু ফাইনালে খেলতে আসিনি। আমরা অন্য সব দলের মতো ফাইনাল জিততে এসেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাদা বলের দুই ফরম্যাটে দীর্ঘদিন ধরেই একসঙ্গে খেলছে দলটি। ফাইনালে উঠতে পারাটা দারুণ। বিশ্বের যেকোনো দলের সঙ্গেই লড়াই করতে পারি ও শিরোপা জিততে পারি বলে আমরা বিশ্বাস করি। সেই সুযোগ এখন সামনে আসায় ভালো লাগছে।’

দক্ষিণ আফ্রিকার মতো এবারের বিশ্বকাপে অপরাজিত দল ভারতও। তবে গ্রুপ ও সুপার এইট পর্ব মিলিয়ে একটি জয় কম পেয়েছে টিম ইন্ডিয়া। কারণ গ্রুপ পর্বে কানাডার বিপক্ষে ভারতের ম্যাচটি বৃষ্টিতে ভেস্তে যায়।

তাই এবারের বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকা ৮টি ও ভারত ৭টি ম্যাচে জিতেছে। এটা এই দু’দলের বিশ্বকাপ ইতিহাসে এক আসরে সর্বোচ্চ ম্যাচ জয়ের রেকর্ড।

গ্রুপ পর্ব ও সুপার এইট মিলিয়ে দারুণ ক্রিকেট খেলেছে ভারত। ব্যাটার-বোলাররা নিজেদের সেরাটা দিয়েছে। গত রাতে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় সেমিফাইনালেও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শতভাগ উজাড় করে দিয়েছে তারা।

অধিনায়ক রোহিত শর্মার হাফ-সেঞ্চুরির সঙ্গে সূর্যকুমার যাদবের ঝড়ো ইনিংসের পর দুই স্পিনার অক্ষর প্যাটেল ও কুলদীপ যাদবের ঘূর্ণিতে ইংল্যান্ডকে ৬৮ রানে হারিয়ে তৃতীয়বারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠে ভারত। এর আগে ২০০৭ ও ২০১৪ সালে বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলেছিল উপমহাদেশের দলটি।

২০০৭ সালে প্রথম বিশ্বকাপের শিরোপা জিতলেও ২০১৪ সালের ফাইনালে হেরে যায় ভারত। বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত ২০১৪ সালের বিশ্বকাপে শ্রীলংকার কাছে ৬ উইকেটে হেরেছিলো টিম ইন্ডিয়া। আর দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে প্রথম বিশ্বকাপে টান-টান উত্তেজনাপূর্ণ ফাইনালে পাকিস্তানকে ৫ রানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলো ভারত।

২০০৭ সালের সুখস্মৃতি বিশ্বকাপের নবম আসরে ফিরিয়ে আনতে চায় ভারত। দলের অধিনায়ক রোহিত শর্মা বলেন, ‘আমাদের সামনে ২০০৭ সালের সুখস্মৃতি ফিরিয়ে আনার সুবর্ণ সুযোগ। ১৭ বছর পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ট্রফি জিততে মুখিয়ে আছে দলের সবাই। ওই আসরের দলে আমি ছিলাম। আশা করছি আবারও শিরোপা জয়ের উৎসবে মেতে উঠতে পারব আমরা।’

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ফাইনাল নিয়ে রোহিত বলেন, ‘দল হএসবে আমাদের খুব শান্ত থাকতে হবে। কারণ মাথা ঠাণ্ডা থাকলে ও চাপ না নিলে সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়া যায়। ফাইনালে জিততে হলে ভালো ক্রিকেট খেলার বিকল্প নেই। আমরা এবার আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলছি। ফাইনালে একই পরিকল্পনায় খেলতে চাই।’

ফাইনালে উঠলেও দলের সেরা ব্যাটার বিরাট কোহলির ফর্ম নিয়ে আবারও প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে রোহিতকে। কিন্তু কোহলির ফর্ম নিয়ে চিন্তা নেই ভারতের।

রোহিত বলেন, ‘কোহলি কেমন ক্রিকেটার তা আমরা সবাই জানি। সবার ক্যারিয়ারেই খারাপ সময় আসে। আবার খারাপ সময় কেটে যায়। সে রানের জন্য মুখিয়ে আছে। ফাইনালেও সে ওপেন করবে। আমরা আশা করছি, ফাইনালে কোহলির ব্যাট কথা বলবে।’

এখন পর্যন্ত টি-টোয়েন্টিতে ২৬বার মুখোমুখি হয়েছে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা। এর মধ্যে ভারতের ১৪ ও দক্ষিণ আফ্রিকার জয় ১১ ম্যাচে। একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মোট ছয়বার মুখোমুখি হয়েছে দু’দল। এই মঞ্চেও জয়ের ক্ষেত্রে এগিয়ে ভারত। দক্ষিণ আফ্রিকার ২ জয়ের বিপরীতে ভারতের জয় ৪টিতে।

মুখোমুখি লড়াইয়ের ২০০৭, ২০১০, ২০১২ ও ২০১৪ সালের বিশ্বকাপে ভারত এবং ২০০৯ ও ২০২২ সালের আসরে জিতেছিলো দক্ষিণ আফ্রিকা।

ভারত দল: রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), হার্দিক পান্ডিয়া, যশস্বী জয়সওয়াল, বিরাট কোহলি, সূর্যকুমার যাদব, ঋষভ পান্থ (উইকেটরক্ষক), সঞ্জু স্যামসন, শিবম দুবে, রবীন্দ্র জাদেজা, অক্ষর প্যাটেল, কুলদীপ যাদব, যুজবেন্দ্রা চাহাল, আর্শদীপ সিং, জসপ্রিত বুমরাহ ও মোহাম্মদ সিরাজ।

দক্ষিণ আফ্রিকা দল: আইডেন মার্করাম (অধিনায়ক), অটনিল বার্টম্যান, জেরাল্ড কোয়েৎজি, কুইন্টন ডি কক, বিজর্ন ফরচুইন, রেজা হেনড্রিক্স, মার্কো জানসেন, হেনরিচ ক্লাসেন, কেশব মহারাজ, ডেভিড মিলার, এনরিচ নর্টি, কাগিসো রাবাদা, রায়ান রিকেলটন, তাবরাইজ শামসি, ট্রিস্টান স্টাবস।

আরও পড়ুন:
বৃষ্টির কারণে টসে দেরি, ম্যাচ পণ্ড হলেই ফাইনালে ভারত
আফগানিস্তানকে উড়িয়ে ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকা
রোহিতের তাণ্ডবে রান পাহাড়ে ভারত
সেমিতে ওঠার লক্ষ্যে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছে অস্ট্রেলিয়া
যুক্তরাষ্ট্রের স্বপ্নযাত্রা থামিয়ে সেমিতে ইংল্যান্ড

মন্তব্য

p
উপরে