20201002104319.jpg
20201003015625.jpg
মাহমুদুল্লাহ একাদশের লক্ষ্য ২২২

মাহমুদুল্লাহ একাদশের লক্ষ্য ২২২

তামিম একাদশের ব্যাটিং শেষ হতে না হতেই শুরু হয় বৃষ্টি। সংক্ষিপ্ত স্কোর: তামিম একাদশ ২২১/৮, ৫০ ওভার (ইয়াসির ৬২, অঙ্কন ৫৭, মোসাদ্দেক ৪০, রুবেল ৪/৩৪, এবাদত ২/৬০, রনি ১/৪০)

ইনিংসের শুরুতে ১৭ রানে চার উইকেট হারিয়ে ফেলে তামিম একাদশ। ব্যাটিং বিপর্যয়ের সম্ভাবনা দেখা দিলেও শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। ইয়াসির আলি চৌধুরী ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের ফিফটি এবং মোসাদ্দেক হোসেন ও মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের ৭৫ রানের জুটিতে শেষ পর্যন্ত তামিমের দল সংগ্রহ করে ২২১ রান।

৬২ রান করেন ইয়াসির। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫৭ অঙ্কনের। মোসাদ্দেক এবং সাইফুদ্দিন করেন যথাক্রমে ৪০ ও ৩৮।

মাহমুদুল্লাহ একাদশের হয়ে সেরা বোলার ছিলেন রুবেল হোসেন। টপ অর্ডারের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন তিনি শুরুতে তিন উইকেট শিকার করে। শেষ ওভারে দুই উইকেট নেন এবাদত হোসেন। ইনিংস শেষ হতেই আঘাত হানে বৃষ্টি। ঢেকে দেওয়া হয় পুরো মাঠ। তার আগেই ২২২ রানের লক্ষ্য দিয়ে ইনিংস শেষ করেছে তামিম একাদশ।

রুবেল_হোসেন

টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় তামিম একাদশ। টুর্নামেন্ট টস জিতে ফিল্ডিং নেওয়ার ধারা ভেঙে প্রথমবার ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত ছিলো এটি।

দুই দলই একাদশে আনে পরিবর্তন। তামিম একাদশে আগের ম্যাচ থেকে বাদ পড়েন শরিফুল ইসলাম, আকবর আলি ও শাহাদাত হোসেন। তাদের বদলে ডাক পান খালেদ আহমেদ, ইয়াসির আলি চৌধুরী ও মাহিদুল ইসলাম। মাহমুদুল্লাহ একাদশ থেকে বাদ পড়েন মুমিনুল হক ও সুমন খান। সুযোগ পান নাইম শেখ ও আবু হায়দার রনি।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে টুর্নামেন্ট জুড়ে চলে আসা বাজে ব্যাটিং এর ধারা বজায় রাখে তামিম একাদশ। অফ স্টাম্পের বাইরের বল খেলতে গিয়ে আউট হন প্রথম চার ব্যাটসম্যান। তামিম ইকবাল, তানজিদ হাসান তামিম, এনামুল হক বিজয় ও মোহাম্মদ মিথুন চারজনই ফিরে যান দুই অংক ছোঁয়ার আগেই।

ব্যাটিং ধ্বসের পর দলের হাল ধরেন ইয়াসির আলি ও মাহিদুল অঙ্কন। রানের গতি না বাড়লেও, দুইজনে মিলে বিপর্যয় সামাল দেন। তাদের জুটিতে তামিম একাদশ পেরিয়ে যায় শতরান। এ সময় ভাগ্যের ছোঁয়াও পায় তামিম একাদশ। উড়িয়ে মারতে গিয়ে সুযোগ দিলে ইয়াসিরের ক্যাচ ধরতে ব্যর্থ হন ইমরুল কায়েস।

ইয়াসির_অঙ্কন

তিন চার ও এক ছয়ে ৭৩ বলে অর্ধশতক তুলে নেন ইয়াসির। এরপর রানের গতি বাড়ানোয় মনোযোগ দেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। তখনই অঙ্কনের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে লিটন দাসের থ্রোয়ে ৬২ রানে রান আউট হতে হয় তাকে।

ফিফটি তুলে নেন অঙ্কনও। ১০৩ বলে ফিফটি তুলে নেবার পর বেশিক্ষণ টেকেননি তিনি। ৫৭ রানে রুবেল হোসেনকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ডিপ মিড উইকেটে ধরা পড়েন সাব্বির রহমানের হাতে।

শেষদিকে মোসাদ্দেক ও সাইফুদ্দিন গড়েন ৫১ বলে গড়েন ৭৫ রানের জুটি। শেষ ওভারে আউট হন দুইজন তবে তার আগেই দলকে নিয়ে যান সম্মানজনক অবস্থানে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য