এ‌ ‌বছর‌ ‌হচ্ছে‌ ‌না‌ ‌ঢাকা‌ ‌প্রিমিয়ার‌ ‌লিগ

এ‌ ‌বছর‌ ‌হচ্ছে‌ ‌না‌ ‌ঢাকা‌ ‌প্রিমিয়ার‌ ‌লিগ

জানুয়ারিতে বাংলাদেশের সফরে আসছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তবে তাদের সিরিজ ডিপিএলের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে না মনে করছে বিসিবি।

করোনাভাইরাসের কারণে মার্চ মাসের প্রথম রাউন্ডের পরই স্থগিত হয়ে যায় ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল)। সাত মাসেরও বেশি সময় পর প্রেসিডেন্টস কাপ দিয়ে মাঠে ক্রিকেট ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি। তবে, নিশ্চয়তা পাওয়া যাছে না ডিপিএল নিয়ে।

বিসিবি জানিয়েছে ২০২০ সালে হচ্ছে না ঘরোয়া ক্রিকেটের এই আসর। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) গেম ডেভেলপমেন্ট চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ সোমবার গণমাধ্যমকে জানান জানুয়ারিতে হতে পারে ডিপিএল।

তিনি বলেন, ‘এ বছর তো আসলে সম্ভব না। আমরা শুরু করলে জানুয়ারিতে করতে পারি। কারণ টি টোয়েন্টি লিগ নিয়ে আমরা অলরেডি কমিটেড। এটা নভেম্বরে শুরু করলে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি শেষ হবে। সে পর্যন্ত তো আগে যাই আমরা। তারপর ক্লাবগুলোকে ট্রেনিং করার সুযোগের ব্যবস্থা করতে হবে। তাদের খেলোয়াড়দের একত্রিত করতে হবে। সে হিসেবে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ বা ১০ তারিখের আগে মনে হয়না সম্ভব হবে’।

জানুয়ারিতে বাংলাদেশের সফরে আসছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তবে তাদের সিরিজ ডিপিএলের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে না মনে করছে বিসিবি। নিউজবাংলাকে খালেদ বলেন, ‘ওয়েস্ট ইন্ডিজ আসলে প্রিমিয়ার লিগের ক্রিকেটাররা প্রিমিয়ার লিগ খেলবে। এটা আগেও হয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের মত হবে, ঘরোয়া ঘরোয়ার মত হবে। সেক্ষেত্রে যারা আন্তর্জাতিক খেলবে তারা হয়তো ঘরোয়া খেলতে পারবে না। দুটাতো কখনই এক সাথে করা যাবেনা। যদি ক্লাবগুলো চিন্তা করে আমরা আমাদের প্লেয়ার ছাড়া খেলবো না সে ক্ষেত্রে ওয়েস্ট ইন্ডিজ যাওয়ার পর হয়ত আমাদের চিন্তা করতে হবে।’

ডিপিএল_২০২০

খালেদ মাহমুদ আরও জানান যে আগামী বছর ব্যস্ত সূচির মধ্যে এক সঙ্গে ঘরোয়া এবং আন্তর্জাতিক সিরিজ চালানো ছাড়া ডিপিএল হওয়া কঠিন। ডিপিএল আয়োজনের আগে বিসিবির সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা ও আবাসন। বিকেএসপির সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনা করছে জানিয়ে খালেদ বলেন, ‘প্রিমিয়ার লিগ আপনি দেখেন ১২ টি দল। প্রায় ২৭০ জনের মত লোককে একসাথে আবাসনের ব্যবস্থা করার মত জায়গা কোথায় আছে এটা একটা বড় প্রশ্ন আমাদের জন্য। এটা নিয়ে কাজ করছি, বিকেএসপির সাথে কথা বলছি। বায়ো-বাবলের ব্যাপার আছে। যদি সিঙ্গেল লিগও করি আরও ১০ টা করে ম্যাচ বাকি আছে। ক্লাবগুলো যেহেতু একটা বড় স্টেকহোল্ডার সিসিডিএম যতক্ষণ পর্যন্ত না বসে। তাদের একটা সিদ্ধান্তও জরুরী।’

ডিপিএল হলে করোনা পরীক্ষা ও বায়ো-বাবলের খরচ বিসিবি বহন করবে। খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিকের বিষয়টি দেখতে হবে ক্লাবগুলোকেই। খালেদ বলেন, ‘বিসিবি তো ক্লাবকে টাকা দেবে না। বিসিবি খুব বেশি হলে লোনের ব্যবস্থা করতে পারে ক্লাবের জন্য। ক্লাবগুলো পারবে না এটা বিশ্বাস করি না। সবইতো চলছে। ব্যবসা বানিজ্য আঁটকে নেই। আমি জানি টাফ হবে ক্লাবগুলোর জন্য। কিন্তু এমন টাফও হবে না যে প্রিমিয়ার লিগও চালাতে পারবেনা।’

শেয়ার করুন

মন্তব্য