সৈকতে রোহিঙ্গা শিশুর মরদেহ

সৈকতে রোহিঙ্গা শিশুর মরদেহ

সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক সুমন বণিক জানান, বৃহস্পতিবার রাতে সৈয়দপুরের কেওড়াবন এলাকায় আট বছরের ওই শিশুর মরদেহ জোয়ারে ভেসে তীরে এলে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে কোস্ট গার্ডকে হস্তান্তর করে।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বঙ্গোপসাগরের সৈকত থেকে এক রোহিঙ্গা শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

কোস্ট গার্ডের কাছে শুক্রবার সকালে মরদেহটি হস্তান্তর করা হয়।

বৃহস্পতিবার রাতে সৈয়দপুরে বঙ্গোপসাগরের সৈকতে থেকে শিশুকে মৃত উদ্ধার করা হয়।

এসব তথ্য নিউজবাংলাকে শুক্রবার রাতে ‍নিশ্চিত করেন সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (এসআই) সুমন বণিক।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার রাতে সৈয়দপুরের কেওড়াবন এলাকায় আট বছরের ওই শিশুর মরদেহ জোয়ারে ভেসে তীরে এলে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে শুক্রবার সকাল দশটার দিকে কোস্ট গার্ডকে হস্তান্তর করে।’

এদিকে শুক্রবার রাত পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় ১৪ রোহিঙ্গার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্পের ক্যাম্প ইনচার্জ সহকারী কমিশনার শামীমা আক্তার জাহান।

তিনি জানান, ১৩ আগস্ট মধ্যরাতে বঙ্গোপসাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৪ রোহিঙ্গার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে অন্তত নয় শিশু রয়েছে। উদ্ধার অভিযান চলছে। এ ঘটনায় ঠিক কতজন নিখোঁজ রয়েছে সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য কারো কাছে নেই। তবে নৌকাডুবির পর ১৫ জন জীবিত অবস্থায় ক্যাম্পে ফিরেছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

পতাকা অবমাননা: বেরোবির শিক্ষকসহ ১৯ জনের বিচার শুরু

পতাকা অবমাননা: বেরোবির শিক্ষকসহ ১৯ জনের বিচার শুরু

বিজয় দিবসে জাতীয় পতাকা বিকৃত করে ছবি তুলে সমালোচিত হয়েছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক। ছবি: সংগৃহীত

আসামিপক্ষের আইনজীবী জিহরুল ইসলাম জানান, যেহেতু আসামিরা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্মকর্তা, এটি অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল ছিল। তাই তাদের মামলা থেকে অব্যহতি দিতে, আদালতে আবেদন করেছিলাম। কিন্তু আদালত নাকচ করেছে। 

জাতীয় পতাকা বিকৃত করে প্রদর্শন এবং অবমাননার অভিযোগে করা মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯ শিক্ষক-কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেছে আদালত। এর মাধ্যমে এই মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো।

রংপুর মেট্রোপলিটন আমল আদালত-২ এর হাকিম আল-মেহবুব মঙ্গলবার দুপুরে এই আদেশ দেন। এর আগে

আসামিদের মামলা থেকে অব্যহতি দিতে আবেদন করে আইনজীবী জহিরুল আলম।

মামলার আসামিরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের তাবিউর রহমান প্রধান, গণিত বিভাগের আর এম হাফিজুর রহমান, বাংলা বিভাগের পরিমল চন্দ্র বর্মণ, অর্থনীতি বিভাগের মোরশেদ হোসেন, পরিসংখ্যান বিভাগের রশিদুল ইসলাম ও শাহ জামান, ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের নুর আলম সিদ্দিক, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের কামরুজ্জামান, মার্কেটিং বিভাগের মাসুদ উল হাসান, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সদরুল ইসলাম সরকার, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রদীপ কুমার সরকার।

পরিসংখ্যান বিভাগের চার্লস ডারউইন, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের রামপ্রসাদ বর্মণ, ভুগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শামীম হোসেন, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের মো. রহমতউল্লাহ, রসায়ন বিভাগের মোস্তফা কাইয়ুম শারাফাত, ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সোহাগ আলী, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের আবু সায়েদ এবং পরিসংখ্যান বিভাগের সেকশন অফিসার শুভঙ্কর চন্দ্র সরকার।

এর আগে চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি পুলিশের প্রতিবেদনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহকে মামলা থেকে বাদ দিয়ে অভিযোগপত্র দিয়েছিল পুলিশ।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রফিক হাসনাইন বলেন, আদালত চার্জ গঠন করেছেন। এখন এই মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে।

আসামিপক্ষের আইনজীবী জিহরুল ইসলাম জানান, যেহেতু আসামিরা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্মকর্তা, এটি অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল ছিল। তাই তাদের মামলা থেকে অব্যহতি দিতে, আদালতে আবেদন করেছিলাম। কিন্তু আদালত নাকচ করেছে।

গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান শেষে বিকৃত নকশার জাতীয় পতাকা নিয়ে ছবি তোলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯ শিক্ষক কর্মকর্তা। পরদিন ১৭ ডিসেম্বর জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগ এনে মেট্রোপলিটন তাজহাট থানায় লিখিত অভিযোগ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের শিক্ষক মশিউর রহমান ও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি আরিফুল ইসলাম। পরে এই অভিযোগ মামলা হিসেবে নেয়া হয়।

শেয়ার করুন

সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় যুবক কারাগারে

সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় যুবক কারাগারে

ভুজপুর থানার ওসি আসহাব উদ্দিন জানান, সোমবার রাত ৮টার দিকে ওই তরুণী চারজনকে আসামি করে ধর্ষণ মামলা করে। রাতেই প্রধান আসামি আরিফকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় একজনকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

জেলা জজ আদালতের মাধ্যমে মঙ্গলবার দুপুরে আসামি মো. আরিফকে কারাগারে পাঠানো হয়।

আরিফ উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের পূর্ব সোনাই এলাকার বাসিন্দা।

ভুজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, সোমবার রাতে ওই তরুণী মামলা করেন। এর পরপরই অভিযান চালিয়ে আরিফকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এজাহারে বলা হয়, গত ১০ সেপ্টেম্বর উপজেলার হেঁয়াকো এলাকায় এক বান্ধবীর বাসায় বেড়াতে যান ওই তরুণী। সেখানে স্থানীয় যুবক আরিফের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

সোমবার বিকেলে আরিফ তার মায়ের সঙ্গে দেখা ও পরিচয় করিয়ে দেয়ার কথা বলে ওই তরুণীকে ডেকে নেন। পরে নিজ মোটরসাইকেলে করে তাকে রাবার বাগানে নেয়া হয়। সেখানে তাকে আরিফ ও তার দুই বন্ধু ধর্ষণ করেন।

ওসি আসহাব উদ্দিন নিউজবাংলাকে জানান, এ ঘটনায় সোমবার রাত ৮টার দিকে ওই তরুণী চারজনকে আসামি করে ধর্ষণ মামলা করেন। পরে রাতেই আরিফকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন জাকির হোসেন, মো. মহিবুল ও নূর মিয়া।

বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান ওসি।

শেয়ার করুন

বাবার ‘উল্টো সাক্ষ্যে’ সন্তান হত্যা মামলার সব আসামি খালাস!

বাবার ‘উল্টো সাক্ষ্যে’ সন্তান হত্যা মামলার সব আসামি খালাস!

আসামিপক্ষের আইনজীবী সিদ্দিকুর জানান, সাক্ষ্য গ্রহণের সময় মামলার বাদী শিশুটির বাবা আশেক আলী দাবি করেন, এ ঘটনায় তার ভাই রাজ্জাক জড়িত নন। আরেক আসামি কবিরের কাছ থেকে পুলিশ জোর করে জবানবন্দি আদায় করেছে। তবে আসামি পক্ষের আইনজীবীর এই বক্তব্য ঠিক নয় বলে দাবি করছেন বাদীর আইনজীবী শাহিন গুলসান।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে সাত বছর আগের শিশু অপহরণ ও হত্যা মামলার রায়ে ১০ আসামির সবাইকে খালাস দিয়েছে আদালত।

জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক কে এম শহীদ আহমেদ মঙ্গলবার দুপুরে এই রায় দেন। এ সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন আসামিরা।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) শাহিন গুলসান নাহার মুনমুন। এই রায়ে অসন্তোষ জানিয়ে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

তবে আসামিপক্ষের আইনজীবী আবু আলা মো. সিদ্দিকুর ইসলাম বলেন, সাক্ষ্য গ্রহণের সময় বাদী মূল আসামিকে নির্দোষ বলে দাবি করেন। পরে রায় আসামিদের পক্ষে যায়।

মূল আসামি আবদুর রাজ্জাক বাদী আশেক আলী মাস্টারের ভাই। আর আশেক আলী হলেন নিহত শিশুর বাবা।

এজাহারে বলা হয়, ২০১৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার মীরগঞ্জ বালাপাড়ার আশেক আলী মাস্টারের পাঁচ বছরে ছেলে সাকিবুল ইসলাম শুভকে বাড়ির সামনে থেকে অপহরণ করা হয়। অপহরণকারীরা মোবাইল ফোনে ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এর পর শিশুটিকে হত্যা করা হয়।

ঘটনার দুইদিন পর সন্দেহভাজন নয়জনকে আটক করে পুলিশ। তাদের দেয়া তথ্যে ওই রাতেই গ্রামের ঈদগাঁ মাঠের কাছে একটি নালা থেকে শুভর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

শুভর বাবা আশেক আলী মাস্টার পরদিন ৯ জনকে আসামি করে সুন্দরগঞ্জ থানায় মামলা করেন।

গ্রেপ্তারের পর আসামি কবির মিয়া হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে তিনি জানান, অপহরণ ও হত্যার পরিকল্পনাকারী ওই শিশুর চাচা আবদুর রাজ্জাক। এরপর গ্রেপ্তার করা হয় রাজ্জাককেও।

তদন্ত কর্মকর্তা সুন্দরগঞ্জ থানার তৎকালীন ওসি (তদন্ত) জিন্নাত আলী সে বছরের ডিসেম্বরে ১০ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। তবে দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বিচারক মঙ্গলবার সবাইকে খালাস দেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী সিদ্দিকুর জানান, সাক্ষ্য গ্রহণের সময় মামলার বাদী শিশুটির বাবা আশেক আলী দাবি করেন, এ ঘটনায় তার ভাই রাজ্জাক জড়িত নন। আরেক আসামি কবিরের কাছ থেকে পুলিশ জোর করে জবানবন্দি আদায় করেছে।

তবে আসামি পক্ষের আইনজীবীর বক্তব্য ঠিক নয় বলে দাবি করেছেন বাদীর আইনজীবী শাহিন গুলসান।

নিউজবাংলাকে তিনি জানান, জেরার সময় আশেক আলী বলেছেন, তার ভাই রাজ্জাক এই হত্যার পরিকল্পনাকারী- এমনটা তিনি সন্দেহ করেন না। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক এই রায় দিলেন কি না তা জানতে রায়ের কপি হাতে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

শেয়ার করুন

ট্রেন লাইনচ্যুত: উদ্ধার কার্যক্রম শুরু

ট্রেন লাইনচ্যুত: উদ্ধার কার্যক্রম শুরু

স্টেশন কর্মকর্তা রাকিবুর রহমান বলেন, ‘ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করতে কাজ চলছে। কখন উদ্ধার কার্যক্রম শেষ হবে ও ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না।’

গাজীপুরের টঙ্গীতে মালবাহী ট্রেনের তিনটি বগি লাইনচ্যুত হওয়ার তিন ঘণ্টা পর উদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে।

রেলওয়ে কর্মকর্তারা মঙ্গলবার দুপুর পৌনে দুইটার দিকে উদ্ধার কাজ শুরু করেন। এরপর ২টা ৪০ মিনিটে তাদের সঙ্গে যোগ দেয় রেলওয়ের উদ্ধারকারী ক্রেন।

টঙ্গী জংশনের স্টেশন কর্মকর্তা রাকিবুর রহমান নিউজবাংলাকে বিষয়টি জানান।

তিনি জানান, টঙ্গীর তিস্তারগেট এলাকায় পুবাইল হোমলাইনের ৪ নম্বর সিগন্যালে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকামুখী মালবাহী ট্রেনের তিনটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এতে বগি ও লাইনের স্লিপার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বন্ধ হয়ে যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট রুটের ট্রেন চলাচল।

স্টেশন কর্মকর্তা রাকিবুর রহমান বলেন, ‘ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করতে কাজ চলছে। কখন উদ্ধার কার্যক্রম শেষ হবে ও ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। তবে ১ নম্বর লাইন দিয়ে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকার রেল চলাচল স্বাভাবিক আছে।’

শেয়ার করুন

রেস্টহাউসে ‘ধর্ষণ’, রেল কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা

রেস্টহাউসে ‘ধর্ষণ’, রেল কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা

ছাত্রী ধর্ষণ মামলার আসামি মাহমুদুল হাসান সাগর। ছবি: নিউজবাংলা

ওসি ইমদাদুল হক জানান, পুলিশ দরজা ভেঙে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মেয়েটিকে উদ্ধার করে। আর পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জানালা ভেঙে পালিয়ে যান সাগর। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য মেয়েটিকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

কিশোরগঞ্জে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে রেলওয়ের এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

ছাত্রীর ভাই সোমবার রাতে কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি করেন। ঘটনার পর থেকে আসামি মাহমুদুল হাসান সাগর পলাতক।

মাহমুদুল রেলওয়ে কলোনির বাসিন্দা। তিনি রেলও‌য়ের প্র‌কৌশল বিভা‌গে মাস্টাররোলে চাকরি করেন।

কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমদাদুল হক নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার বাদী জানান, সোমবার সন্ধ্যার দিকে কিছু বেলুন নিয়ে তাদের বাসায় আসেন সাগর। তার এক বন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে রুম সাজাতে হবে বলে বাসা থেকে নিয়ে যান তার বোনকে।

বাসায় ফিরতে দেরি হওয়ায় মেয়েটিকে খুঁজতে বের হন পরিবারের সদস্যরা। সে সময় সাগরের মোবাইল বন্ধ পেয়ে আরও দুশ্চিন্তায় পড়ে যান তারা। স্টেশনের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে তারা বুঝতে পারেন মেয়েটিকে স্টেশনের দ্বিতীয় তলায় ভিআইপি রেস্টহাউসের একটি কক্ষে নেয়া হয়েছে।

সেখানে গিয়ে একটি দরজা ভেতরে থেকে বন্ধ দেখে কক্ষের পাশে যেতেই মেয়েটির চিৎকার শুনতে পান তারা। পরে দরজা অনেকক্ষণ ধাক্কাধাক্কির পরে উপায় না পেয়ে তারা পুলিশে খবর দেন।

ওসি ইমদাদুল হক জানান, পুলিশ দরজা ভেঙে ভেতরে গিয়ে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মেয়েটিকে উদ্ধার করে। আর পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জানালা ভেঙে পালিয়ে যান সাগর।

এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য মেয়েটিকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

‌কি‌শোরগঞ্জ রেলও‌য়ে স্টেশ‌নের সহকা‌রী স্টেশনমাস্টার জয়নাল বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেই আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তা ছাড়া সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে সাগরের সম্পৃক্তার সত্যতা পেয়েছি। এ ছাড়া বিষয়‌টি আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ‌কে জানিয়েছি।’

শেয়ার করুন

অর্ধগলিত সেই মরদেহ ‘বগুড়ার রেজাউলের’

অর্ধগলিত সেই মরদেহ ‘বগুড়ার রেজাউলের’

শিবচরে উদ্ধার হওয়া হাত-পা বাঁধা অর্ধগলিত মরদেহ। ছবি: নিউজবাংলা

শিবচর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনিচুর রহমান বলেন, ‘মরদেহের পা ও শরীর রশি দিয়ে বাঁধা ছিল। আমরা বিভিন্ন থানায় ও গণমাধ্যমে বিষয়টি জানালে বগুড়ার কিছু লোক তাদের স্বজন বলে দাবি করেন। পরে তাদের ডিএনএ টেস্টের নমুনা নেয়া হয়। রিপোর্টে মিলে গেলে তাদের কাছে মরদেহ দেয়া হবে।’

মাদারীপুরের শিবচরে উদ্ধার হওয়া হাত-পা বাঁধা অর্ধগলিত মরদেহটির পরিচয় মিলেছে।

পুলিশ বলছে, মরদেহটি বগুড়া সদর উপজেলার রেজাউল করিমের বলে তারা জেনেছেন। এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে স্বজনদের ডিএনএ সংগ্রহ করা হয়েছে।

সোমবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার মাদবরেরচর ইউনিয়নের দক্ষিণ চরজানাজাত কালাই হাজিরকান্দি গ্রামের একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে শিবচর থানা পুলিশ।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিরাজ হোসাইন জানান, জেলার শিবচর উপজেলার পদ্মাসেতুর সংযোগ সড়ক থেকে খানিকটা দূরে গাছ ও ঝোপ-ঝাড়ের পাশে কয়েক মাস আগে তৈরি করা হয় মোশারফ চৌদিকারের চৌচালা টিনের ঘর। সোমবার রাতে সেখান থেকে তীব্র গন্ধ পান কয়েকজন যুবক।

পরে আশপাশের লোকজন গিয়ে ঘরের ভেতর থেকে প্রায় ৪০ বছর বয়সী ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ দেখতে পায়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।

ওসি আরও জানান, মরদেহের মুখ আগুন বা পেট্রোল জাতীয় দ্রব্য দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ৭ থেকে ৮ দিন আগে কেউ তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে সেখানে রেখে গেছে।

মরদেহ সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

শিবচর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনিচুর রহমান বলেন, ‘মরহের পা ও শরীর রশি দিয়ে বাঁধা ছিল। কেউ হত্যা করে রেখে গেছেন, এটা বোঝা যাচ্ছে।

‘আমরা বিভিন্ন থানায় ও গণমাধ্যমে বিষয়টি জানালে বগুড়ার কিছু লোক তাদের স্বজন বলে দাবি করেন। পরে তাদের ডিএনএ টেস্টের নমুনা নেয়া হয়। রিপোর্টে মিলে গেলে তাদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।’

শেয়ার করুন

ভারতে যাওয়ার সময় দালালসহ গ্রেপ্তার ১৬

ভারতে যাওয়ার সময় দালালসহ গ্রেপ্তার ১৬

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে বিজিবি। ছবি: নিউজবাংলা

৫৮ বিজিবির সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম খান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন বাংলাদেশ থেকে কয়েকজন অবৈধভাবে ভারতে যাচ্ছেন। এরপর অভিযান চালিয়ে সীমান্তবর্তী কানাইডাংগা গ্রামের একটি ব্রিজ থেকে সোমবার রাতে ১৬ জনকে আটক করা হয়।

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার চেষ্টা করায় এক দালাল ও শিশুসহ ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

উপজেলার সীমান্তবর্তী যাদবপুর বিওপির আওতাধীন কানাইডাংগা গ্রামের একটি ব্রিজ থেকে সোমবার রাতে তাদের আটক করা হয়।

মঙ্গলবার তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ১২ জন পুরুষ, একজন নারী ও দুইজন শিশু।

এদের বাড়ি নড়াইল, ফেনী, খুলনা, কুষ্টিয়া ও গোপালগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায়।

গ্রেপ্তার দালালের নাম আসাদুল ইসলাম। তার বাড়ি ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার পাতিবিলা গ্রামে।

মহেশপুর ব্যাটালিয়ন ৫৮ বিজিবির সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম খান মঙ্গলবার দুপুরে নিউজবাংলাকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন বাংলাদেশ থেকে কয়েকজন অবৈধভাবে ভারতে যাচ্ছেন। এরপর অভিযান চালিয়ে সীমান্তবর্তী কানাইডাংগা গ্রামের একটি ব্রিজ থেকে সোমবার রাতে ১৬ জনকে আটক করা হয়।

মহেশপুর থানায় বিজিবি তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে হস্তান্তর করেছে। পুলিশ তাদের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছে বলে জানান বিজিবির এই কর্মকর্তা।

শেয়ার করুন