পদ্মায় ধরা পড়ল মহাশোল

পদ্মায় ধরা পড়ল মহাশোল

পদ্মায় ধরা পড়া প্রায় ২০ কেজি ওজনের মহাশোল

মুন্সীগঞ্জের একতা মৎস্য আড়তের শাওন দাস বলেন, ‘মাছটির ওজন প্রায় ২০ কেজি হবে। আমি প্রতি কেজি মাছ বিক্রি করব এক হাজার টাকা দরে। সকাল থেকে কোনো ক্রেতা পাইনি।’

মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে পদ্মা নদীতে এবার ধরা পড়ল মহাশোল মাছ। মাওয়া মৎস্য আড়তে বৃহস্পতিবার সকাল ৬টার দিকে জেলেদের থেকে ১২ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নেন একতা মৎস্য আড়তের শাওন দাস (মরু)।

মহাশোল দেখতে অনেকটা মৃগেল মাছের মতো। তবে এর আঁশগুলো আরও বড়।

বিলুপ্তপ্রায় এই মাছ সর্বাধিক ১৫ মিটার গভীর পানিতে চলাচল করতে পারে। পানির উষ্ণতা ১৫ থেকে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত এদের জীবনধারণের পক্ষে সহায়ক।

দেশে এই মাছের সোনালি মহাশোল ও লালপাখনা মহাশোল নামে দুটি প্রজাতি আছে। ২০১২ সালের বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনের বন্য প্রাণীর তালিকা অনুযায়ী প্রজাতি দুটি সংরক্ষিত।

মুন্সীগঞ্জের একতা মৎস্য আড়তের শাওন দাস বলেন, ‘মাছটির ওজন প্রায় ২০ কেজি হবে। আমি প্রতি কেজি মাছ বিক্রি করব এক হাজার টাকা দরে। সকাল থেকে কোনো ক্রেতা পাইনি।’

নেত্রকোণার দুর্গাপুরে কংস নদ ও সোমেশ্বরী নদী মহাশোলের আবাস। এই নদ-নদীর উৎসমুখ এখন প্রায় বন্ধ। শুকনো মৌসুমে নদী দুটি প্রায় শুকিয়ে যায়। বসবাস ও বংশবৃদ্ধির স্থান নষ্ট হয়ে যাওয়ায় মহাশোল সংখ্যায় ধীরে ধীরে কমতে থাকে।

সোমেশ্বরী ও কংস ছাড়াও বিচ্ছিন্নভাবে দু-একবার সাঙ্গু নদেও মহাশোল পাওয়া গেছে। এবার মাছটি পাওয়া গেল পদ্মা নদীতে।

আরও পড়ুন:
বড়শিতে ৮০ কেজির ‘ভুল মাছ’
বড়শিতে ধরা পড়ল ১৬ কেজির কাতল
ঘের ভেসে মৎস্য খাত তছনছ, ক্ষতি ৪ কোটি টাকার বেশি
জালে ১৮ কেজির পাঙাশ
পুকুরে ‘বিষ’, ভাসল মরা মাছ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

১৬ কেজির কাতল বিক্রি ২৩৭০০ টাকায়

১৬ কেজির কাতল বিক্রি ২৩৭০০ টাকায়

সাগর হালদারের জালে ১৬ কেজি ওজনের কাতল মাছটি ধরা পড়ে। ছবি: নিউজবাংলা

মাছ ব্যবসায়ী শাজাহান শেখ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘জেলে সাগর হালদার মাছটি দুপুরে বিক্রির জন্য আনলে আমি মাছটি কিনে নিই। পরে ঢাকার এক ব্যবসায়ীর কাছে মাছটি দেড় হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি করি।’

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে পদ্মা নদীতে প্রায় ১৬ কেজি ওজনের একটি কাতল মাছ ধরা পড়েছে।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের কাছে পদ্মা নদী থেকে সোমবার দুপুর ১টার দিকে জেলে সাগর হালদারের জালে মাছটি ধরা পড়ে।

তিনি জানান, দুপুর ১টার দিকে ১৫ কেজি ৮০০ গ্রামের মাছটি পেয়ে বিক্রির জন্য দৌলতদিয়া বাইপাস সড়কে শাকিল সোহান মৎস্য আড়তে নিয়ে আসেন। আড়ত মালিক শাজাহান শেখ মাছটি ১ হাজার ৪৫০ টাকা কেজি দরে কিনে নেন।

পরে মাছ ব্যবসায়ী শাজাহান শেখ মোবাইলের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে যোগাযোগ করে ঢাকায় ১ হাজার ৫০০ টাকা কেজি দরে ২৩ হাজার ৭০০ টাকায় মাছটি বিক্রি করেন।

মাছ ব্যবসায়ী শাজাহান শেখ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘জেলে সাগর হালদার মাছটি দুপুরে বিক্রির জন্য আনলে আমি মাছটি কিনে নিই। পরে ঢাকার এক ব্যবসায়ীর কাছে মাছটি দেড় হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি করি।’

আরও পড়ুন:
বড়শিতে ৮০ কেজির ‘ভুল মাছ’
বড়শিতে ধরা পড়ল ১৬ কেজির কাতল
ঘের ভেসে মৎস্য খাত তছনছ, ক্ষতি ৪ কোটি টাকার বেশি
জালে ১৮ কেজির পাঙাশ
পুকুরে ‘বিষ’, ভাসল মরা মাছ

শেয়ার করুন

নিজ বাড়ির সামনে কৃষককে কুপিয়ে হত্যা

নিজ বাড়ির সামনে কৃষককে কুপিয়ে হত্যা

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় কৃষককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। ছবি: নিউজবাংলা

লালমনিরহাট সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) তাপস সরকার নিউজবাংলাকে জানান, আব্দুল মালেক রোববার রাতে বাড়ির সামনে একটু অন্ধকারে একা বসে ছিলেন। এ সময় পেছন দিক থেকে দুর্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় এক কৃষককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

উপজেলার তিস্তা ব্যারাজের পাশে দোয়ানী এলাকায় নিজ বাড়ির সামনে রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আব্দুল মালেকের বাড়ি গড্ডিমারী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের দোয়ানী এলাকাতেই।

মালেকের পরিবারের দাবি জমিসংক্রান্ত মামলার জেরে তাকে হত‌্যা করা হয়েছে।

লালমনিরহাট সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) তাপস সরকার নিউজবাংলাকে জানান, আব্দুল মালেক রোববার রাতে বাড়ির সামনে একটু অন্ধকারে একা বসে ছিলেন। এ সময় পেছন দিক থেকে দুর্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

হত্যার কারণ জানতে চাইলে পুলিশ সুপার জানান, মালেকের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।

পাশাপাশি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
বড়শিতে ৮০ কেজির ‘ভুল মাছ’
বড়শিতে ধরা পড়ল ১৬ কেজির কাতল
ঘের ভেসে মৎস্য খাত তছনছ, ক্ষতি ৪ কোটি টাকার বেশি
জালে ১৮ কেজির পাঙাশ
পুকুরে ‘বিষ’, ভাসল মরা মাছ

শেয়ার করুন

বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে দুই শিশুসহ নিহত ৩

বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে দুই শিশুসহ নিহত ৩

হবিগঞ্জের মাধবপুরে বাসচাপায় অটোরিকশার তিনজন নিহত হয়েছেন। ছবি: নিউজবাংলা

শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসি মাইনুল ইসলাম জানান, অসুস্থ্য শিশু মোশারফকে নিয়ে একই পরিবারের তিনজন অটোরিকশায় করে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাচ্ছিলেন। পথে অটোরিকশাটি আন্দিউড়া এলাকায় পৌঁছলে ঢাকা থেকে সিলেটগামী সাগরিকা বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই শিশু মোশারফ ও জব্বার মিয়া মারা যান।

হবিগঞ্জের মাধবপুরে অসুস্থ্য ছেলেকে হাসপাতালে নেয়ার পথে বাসচাপায় অটোরিকশার তিনজন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও দুইজন।

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে উপজেলার আন্দিউড়া এলাকায় উম্মেতুনেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে সোমবার দুপুর ১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুল ইসলাম নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহতরা হলেন, ৩ বছর বয়সী শিশু মোশারফ মিয়া, ৮ বছর বয়সী রূপা আক্তার ও জব্বার মিয়া। তারা সবাই একই পরিবারের সদস্য।

আহত তিনজনের পরিচয় এখনও জানতে পারেনি পুলিশ।

শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুল ইসলাম জানান, অসুস্থ্য শিশু মোশারফকে নিয়ে একই পরিবারের তিনজন অটোরিকশায় করে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাচ্ছিলেন। পথে অটোরিকশাটি আন্দিউড়া এলাকায় পৌঁছলে ঢাকা থেকে সিলেটগামী সাগরিকা বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই শিশু মোশারফ ও জব্বার মিয়া মারা যান।

পরে মাধবপুর থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আহত চারজনকে উদ্ধার করে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রূপা আক্তার মারা যান।

আরও পড়ুন:
বড়শিতে ৮০ কেজির ‘ভুল মাছ’
বড়শিতে ধরা পড়ল ১৬ কেজির কাতল
ঘের ভেসে মৎস্য খাত তছনছ, ক্ষতি ৪ কোটি টাকার বেশি
জালে ১৮ কেজির পাঙাশ
পুকুরে ‘বিষ’, ভাসল মরা মাছ

শেয়ার করুন

অটোরিকশায় ট্রাকের ধাক্কা, রাজমিস্ত্রি নিহত

অটোরিকশায় ট্রাকের ধাক্কা, রাজমিস্ত্রি নিহত

জামালপুরে দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা ট্রাকটি আটক করলেও পালিয়ে যায় ট্রাকের চালক ও হেলপার। ছবি: নিউজবাংলা

জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. অনিক জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত চারজনকে ভর্তি করার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরের দিকে রকিবুল মারা যান। বাকি তিনজন চিকিৎসাধীন।

জামালপুরের মেলান্দহে অটোরিকশায় ট্রাকের ধাক্কায় একজন নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন তিনজন।

উপজেলার চরবানি পাকুরিয়া ইউনিয়নের তালতলা এলাকায় সোমবার সকাল ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত রাজমিস্ত্রি রকিবুল টিকাদারের বাড়ি মেলান্দহ উপজেলার সাধুপুর গ্রামে।

আহতরা হলেন একই গ্রামের নুরু শেখ, সুরুজ মিয়া ও মিলন মিয়া। তারা সবাই জেলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) এম এম মঈনুল ইসলাম জানান, সকালে মেলান্দহের ঝিনাই ব্রিজের পরে দেওয়ানগঞ্জগামী একটি ট্রাক জামালপুরগামী অটোরিকশাটিকে সামনে থেকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশার চার যাত্রী গুরুতর আহত হন।

জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. অনিক জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত চারজনকে ভর্তি করার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরের দিকে রকিবুল মারা যান। বাকি তিনজন চিকিৎসাধীন।

ওসি মঈনুল জানান, দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা ট্রাকটি আটক করলেও পালিয়ে যান ট্রাকের চালক ও হেলপার।

এই ঘটনায় পুলিশ কোনো অভিযোগ পায়নি বলেও জানান ওসি।

আরও পড়ুন:
বড়শিতে ৮০ কেজির ‘ভুল মাছ’
বড়শিতে ধরা পড়ল ১৬ কেজির কাতল
ঘের ভেসে মৎস্য খাত তছনছ, ক্ষতি ৪ কোটি টাকার বেশি
জালে ১৮ কেজির পাঙাশ
পুকুরে ‘বিষ’, ভাসল মরা মাছ

শেয়ার করুন

সাপের কামড়ে নারীসহ মৃত ২

সাপের কামড়ে নারীসহ মৃত ২

মৃত মোকাদ্দেস হোসেনের ছোট ভাই হাবিবুর রহমান জানান, ভোররাত সাড়ে ৪টার দিকে তার ভাই প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে গেলে গোখড়া সাপ তাকে দংশন করে। আর দক্ষিণ মনোহরপুর গ্রামের গৃহবধূ রোকসানা বেগমকে গভীর রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় সাপ কামড় দেয়।

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় সাপের কামড়ে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

উপজেলার রঘুনন্দনপুর ও দক্ষিণ মনোহরপুর গ্রামে রোববার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

মৃতরা হলেন, রঘুনন্দনপুর গ্রামের মোকাদ্দেস হোসেন ও দক্ষিণ মনোহরপুর গ্রামের আজগার আলির স্ত্রী রোকসানা বেগম।

মৃত মোকাদ্দেস হোসেনের ছোট ভাই হাবিবুর রহমান জানান, ভোররাত সাড়ে ৪টার দিকে তার ভাই প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে গেলে গোখড়া সাপ তাকে দংশন করে। প্রথমে তাকে স্থানীয় ওঝার কাছে নিয়ে যাওয়া হয়।

সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সকাল ৮টার দিকে তাকে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে চিকিৎসক মোকাদ্দেসকে মৃত ঘোষণা করেন।

শৈলকুপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যালের অফিসার কনক জানান, তার পায়ে দুটি দংশনের চিহ্ন রয়েছে। স্থানীয় কবিরাজ দেখিয়ে রোগীকে অনেক দেরিতে হাসপাতালে আনা হয়েছে। হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে নিত্যানন্দপুর ইউনিয়নের ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য বলাই কুমার বিশ্বাস জানান, দক্ষিণ মনোহরপুর গ্রামের গৃহবধূ রোকসানা বেগম ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। গভীর রাতে তাকে সাপ কামড় দেয়।

পরে যন্ত্রণা শুরু হলে স্বজনরা তাকেও প্রথমে গ্রাম্য ওঝার কাছে নিয়ে যান। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান তিনি।

আরও পড়ুন:
বড়শিতে ৮০ কেজির ‘ভুল মাছ’
বড়শিতে ধরা পড়ল ১৬ কেজির কাতল
ঘের ভেসে মৎস্য খাত তছনছ, ক্ষতি ৪ কোটি টাকার বেশি
জালে ১৮ কেজির পাঙাশ
পুকুরে ‘বিষ’, ভাসল মরা মাছ

শেয়ার করুন

পানের বরজে বানের পানি, প্রণোদনা চান চাষিরা

পানের বরজে বানের পানি, প্রণোদনা চান চাষিরা

মাদারীপুরে পানের বরজ বৃষ্টির পানিতে ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় প্রণোদনা চেয়েছেন চাষিরা। ছবি: নিউজবাংলা

পানচাষি মজিবুর শেখ বলেন, ‘আমাদের পানের যে ক্ষতি হয়েছে তাতে সরকার যদি আমাদের দিকে না তাকায় তাইলে আমরা শেষ। আমাদের এলাকা পান চাষ করেই টিকে আছি। যদি আমরা আর চাষ না করতে পারি তাইলে এই অঞ্চলে আর পানচাষি থাকবে না।’

কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে মাদারীপুরে আড়িয়াল খাঁ নদে পানি বেড়ে বন্যার দেখা দিয়েছে। হঠাৎ বেড়ে যাওয়া পানি নদীর দুই তীর উপচে বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

এতে কালকিনি উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে পানের বরজে পানি ঢুকে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সরকারি প্রণোদনার দাবি পানচাষিদের। কিন্তু কৃষি কর্মকর্তা বলছেন, পানচাষিদের তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তবে খোঁজ নিয়ে দেখবেন এমন কোনো ঘটনা ঘটেছে নাকি।

পানচাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানান যায়, গেল কয়েক দিনের বৃষ্টি ও উজান থেকে আসা ঢলে কালকিনি পৌরসভার দক্ষিণ রাজদী, উত্তর রাজদী, পাতাবালি ঠেঙ্গামারা, বাশঁগাড়ি, এনায়েতনগর, রমজানপুরসহ অন্তত ১১টি ইউনিয়নে ফসলি জমিতে পানি উঠেছে।

এসব এলাকার পানের বরজে পানি ঢুকে গেছে। এ ছাড়া এসব এলাকার পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। রোপা আমন ধানের চারা এখন পানিতে তলিয়ে আছে। তবে এসব অঞ্চলের প্রধান কৃষি ফসল পানের বরজে পানি ঢুকে ক্ষতির পরিমাণটা বেশি হয়েছে বলে দাবি কৃষকদের।

কালকিনি পৌরসভার উত্তর রাজদী গ্রামের পানচাষি ইকবাল হাওলাদার বলেন, ‘কয়েক দিনের বৃষ্টিতে পানের বরজে উজানের পানি ঢুকছে। সেচ পাম্প দিয়া বরজ থেইকা পানি সরানোর চেষ্টা করছি। কিন্তু পানির চাপ অনেক বেশি।

‘আমার দুই বিঘা জমির পানের বরজ নষ্ট হয়েছে। কৃষি অফিস থেকে লোকজন এসেও দেখে যায় নাই। এমনিতে একটু উচুঁ জমিতে পান চাষ করা হলেও পানি বেশি হওয়ায় ক্ষতিটা হয়েছে।’

পানচাষি মজিবুর শেখ বলেন, ‘আমাদের পানের যে ক্ষতি হয়েছে তাতে সরকার যদি আমাদের দিকে না তাকায় তাইলে আমরা শেষ। আমাদের এলাকা পান চাষ করেই টিকে আছি। যদি আমরা আর চাষ না করতে পারি তাইলে এই অঞ্চলে আর পানচাষি থাকবে না।’

সরকারি সহযোগিতার জন্য একই কথা বলেন আরও কয়েকজন পানচাষি।

এ ব্যাপারে কালকিনি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মিল্টন বিশ্বাস জানান, কালকিনি উপজেলায় মূলত পান আবাদ করা হয়। উপজেলায় এ বছর ১৯০ হেক্টর জমিতে পান চাষ করা হয়েছে। সম্প্রতি বন্যায় পানের বরজসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

তবে পানের বরজ একটু উচুঁ জমিতে হওয়ায় তেমন প্রভাব পড়বে না। তারপরেও চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হলে তাদের সহযোগিতা করা হবে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
বড়শিতে ৮০ কেজির ‘ভুল মাছ’
বড়শিতে ধরা পড়ল ১৬ কেজির কাতল
ঘের ভেসে মৎস্য খাত তছনছ, ক্ষতি ৪ কোটি টাকার বেশি
জালে ১৮ কেজির পাঙাশ
পুকুরে ‘বিষ’, ভাসল মরা মাছ

শেয়ার করুন

করোনায় প্রধান শিক্ষকের মৃত্যু

করোনায় প্রধান শিক্ষকের মৃত্যু

হাটহাজারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সাইদা আলম জানান, ফেরদৌসি বেগম ছাড়াও উপজেলার আরও তিন সহকারী শিক্ষক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তারা সবাই এখন পর্যন্ত সুস্থ আছেন। তাদেরকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে।

হাটহাজারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সাইদা আলম বেলা ১টার দিকে বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।

ফেরদৌসি বেগম রোববার বিকেল ৪টার দিকে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

তিনি হাটহাজারীর ছিপাতলী আলী মোহাম্মদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। তার বাড়ি পটিয়ার ধলঘাট ইউনিয়নের সমুরা এলাকায়।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সাইদা আলম বলেন, ‘ফেরদৌসি বেগম ১৫ সেপ্টেম্বর করোনার উপসর্গ দেখা দিলে আমাকে জানান। আমরা তাকে স্কুলে না যাওয়ার পরামর্শ দিই। ২০ সেপ্টেম্বর তার করোনা পজিটিভ আসে। শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় এর আগেই হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। রোববার বিকেলে তার মৃত্যু হয়।’

তিনি আরও জানান, ফেরদৌসি বেগম ছাড়াও উপজেলার আরও তিন সহকারী শিক্ষক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

তারা হলেন হাটহাজারী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাহিনা আক্তার, উত্তর বুড়িশ্চর রশিদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক স্মৃতি দত্ত এবং উত্তর মাদার্শা মাহলুমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সঞ্চিতা বড়ুয়া।

তারা সবাই এখন পর্যন্ত সুস্থ আছেন। তাদেরকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।

শিক্ষকরা করোনা আক্রান্ত হওয়ার পরও স্কুল বন্ধ ঘোষণা না করার বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম সিরাজী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘স্কুল খোলার পর ফেরদৌসি বেগম সম্ভবত দুদিন স্কুলে এসেছিলেন। এরপর অসুস্থ হয়ে যাওয়ায় আর স্কুলে আসেননি।

‘তখন থেকে এখন পর্যন্ত স্কুল স্বাভাবিক নিয়মে চলছে। স্কুলের অন্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা সুস্থ আছেন। এ ছাড়া অন্য যে শিক্ষকরা করোনা আক্রান্ত হয়ে আইসোলেশনে আছেন, তাদের স্কুলও চলছে।’

আরও পড়ুন:
বড়শিতে ৮০ কেজির ‘ভুল মাছ’
বড়শিতে ধরা পড়ল ১৬ কেজির কাতল
ঘের ভেসে মৎস্য খাত তছনছ, ক্ষতি ৪ কোটি টাকার বেশি
জালে ১৮ কেজির পাঙাশ
পুকুরে ‘বিষ’, ভাসল মরা মাছ

শেয়ার করুন