বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে বোনেরও মৃত্যু

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে বোনেরও মৃত্যু

সিরাজগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মারা গেছে দুই ভাই-বোন। ছবি: নিউজবাংলা

ঘরের স্টিলের ট্রাংকে বিদ্যুতের তার লেগে সেটি বিদ্যুতায়িত হয়ে ছিল। বিকেলে ওই ট্রাংক থেকে কাপড় নিতে গেলে বিদ্যুতায়িত হয় তালহা। ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয় মুন্নিও।

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে ঘরের ভেতর বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ভাই বোনের মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার বিকেলে সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের চর দোগাছী গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।

পরিবারের লোকজন জানান, ঘরের বিদ্যুৎ সংযোগের তার লেগে ছিল কাপড় রাখার স্টিলের ট্রাংকে। ওই ট্রাংক থেকে কাপড় নিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় তালহা। ভাইয়ের চিৎকারে ছুটে যায় বোন মুন্নি।

ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয় মুন্নিও। তাদের সিরাজগঞ্জ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মৃত দুই শিশু হলো চর দোগাছী গ্রামের মোকলেছুর রহমানের ১৪ বছরের মেয়ে মুন্নী খাতুন ও পাঁচ বছরের ছেলে আবু তালহা।

কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল ইসলাম নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মরদেহ দুটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অনুমোদন পেলেই পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু
অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জে দিতে বিদ্যুৎস্পর্শে মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বাড্ডায় নির্মাণশ্রমিক, শনির আখড়ায় ইলেকট্রিশিয়ানের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই সহোদরের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আহত কলেজছাত্রের হাসপাতালে মৃত্যু

শেয়ার করুন

মন্তব্য

‘বিয়েতে গড়িমসি’, প্রেমিকের জিহ্বা কর্তন

‘বিয়েতে গড়িমসি’, প্রেমিকের জিহ্বা কর্তন

গ্রামবাসীর বরাতে পুলিশ জানায়, সাইফুলের সঙ্গে দীর্ঘদিনের প্রেম ওই তরুণীর। নানা অজুহাতে বিয়ে পেছাচ্ছিলেন তিনি। এতে ক্ষুব্ধ ছিলেন তরুণী। শনিবার সকালে সাইফুলকে নিজের বাড়িতে ডাকেন। একপর্যায়ে ব্লেড দিয়ে দ্বিখণ্ডিত করেন জিহ্বা।

ঢাকার ধামরাইয়ে বিয়েতে কালক্ষেপণ করায় প্রেমিকের জিহ্বা দ্বিখণ্ডিত করার অভিযোগ উঠেছে এক তরুণীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় হওয়া মামলায় ওই তরুণীকে তার পরিবারের তিন সদস্যসহ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আহত যুবক হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

উপজেলার রোয়াইল ইউনিয়নের ফড়িঙ্গা গ্রামে অভিযুক্ত তরুণীর বাড়িতে শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

আহত যুবকের নাম সাইফুল ইসলাম। ওই তরুণী ও সাইফুল একই গ্রামের বাসিন্দা।

সাইফুলের পরিবারের করা মামলায় শনিবার সন্ধ্যায় গ্রেপ্তার হয়েছেন তরুণী, তার বাবা, মা ও ভাই। তাদের রোববার আদালতে তোলা হবে।

নিউজবাংলাকে এসব নিশ্চিত করেছেন ধামরাই থানার পরিদর্শক (অপারেশন) নির্মল কুমার দাশ।

গ্রামবাসীর বরাতে তিনি জানান, সাইফুলের সঙ্গে দীর্ঘদিনের প্রেম ওই তরুণীর। নানা অজুহাতে বিয়ে পেছাচ্ছিলেন তিনি। এতে ক্ষুব্ধ ছিলেন তরুণী।

শনিবার সকালে সাইফুলকে নিজের বাড়িতে ডাকেন তরুণী। একপর্যায়ে ব্লেড দিয়ে দ্বিখণ্ডিত করেন জিহ্বা।

এরপর তরুণীর পরিবার যুবককে বেধড়ক পেটান। সাইফুল নিস্তেজ হয়ে পড়লে তাকে মৃত ভেবে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান সবাই।

নির্মল কুমার দাশ বলেন, ‘ স্থানীয়রা টের পেয়ে সাইফুলকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করে। খবর পেয়ে পুলিশ তরুণীর বাড়ি থেকে খণ্ডিত জিহ্বা উদ্ধার করে। এদিন সন্ধ্যার দিকে ফড়িঙ্গা গ্রামে অভিযান চালিয়ে তরুণী ও তার পরিবারের তিন সদস্যকে আটক করা হয়। এর কিছু পর মামলা করে সাইফুলের পরিবার।’

আরও পড়ুন:
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু
অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জে দিতে বিদ্যুৎস্পর্শে মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বাড্ডায় নির্মাণশ্রমিক, শনির আখড়ায় ইলেকট্রিশিয়ানের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই সহোদরের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আহত কলেজছাত্রের হাসপাতালে মৃত্যু

শেয়ার করুন

ধর্মীয় উসকানিমূলক পোস্টের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

ধর্মীয় উসকানিমূলক পোস্টের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

ফেসবুকে ধর্মীয় উসকানি ও গুজব ছাড়ানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার শোভন কুমার দাস। ছবি: নিউজবাংলা

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র‍্যাব জানায়, গত ১৫ থেকে ২২ অক্টোবর সকাল থেকে পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে শোভন তার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে বেশ কিছু ধর্মীয় উসকানিমূলক পোস্ট ও লিংক শেয়ার করেন। এ ঘটনায় আরও ৪ থেকে ৫ জন জড়িত। শিগিগিরই তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।  

ফেসবুকে ধর্মীয় উসকানি ও গুজব ছাড়ানোর অভিযোগে এক যুবক গ্রেপ্তার হয়েছে যশোরে।

সদরের বকচর হুশতলা এলাকা থেকে শুক্রবার বিকেলে তাকে আটক করে র‍্যাব।

পরে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দিয়ে তাকে যশোর কোতয়ালি থানায় হস্তান্তর করা হয়।

গ্রেপ্তার যুবকের নাম শোভন কুমার দাস। ২৭ বছরের শোভনের বাড়ি নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার জোকারচর গ্রামে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার দুপুরে এসব নিশ্চিত করেছেন র‍্যাব যশোর ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার লে. মো. নাজিউর রহমান।

এতে বলা হয়, গত ১৫ থেকে ২২ অক্টোবর সকাল থেকে পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে শোভন তার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে বেশ কিছু ধর্মীয় উসকানিমূলক পোস্ট ও লিংক শেয়ার করেন। এ ঘটনায় আরও ৪ থেকে ৫ জন জড়িত। শিগিগিরই তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

আরও পড়ুন:
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু
অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জে দিতে বিদ্যুৎস্পর্শে মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বাড্ডায় নির্মাণশ্রমিক, শনির আখড়ায় ইলেকট্রিশিয়ানের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই সহোদরের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আহত কলেজছাত্রের হাসপাতালে মৃত্যু

শেয়ার করুন

ফেলে গেছে সন্তান, তুলে নিলেন ইউএনও

ফেলে গেছে সন্তান, তুলে নিলেন ইউএনও

শনিবার বৃদ্ধকে হাসপাতালে দেখতে যান বেড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সবুর আলী। ছবি- নিউজবাংলা

বর্তমানে খুব অসুস্থ হওয়ায় কথা বলতে পারছেন না বৃদ্ধ। সে জন্য এখনও তার বিষয়ে বিস্তারিত জানা সম্ভব হচ্ছে না।

গত কয়েকদিন ধরেই বেড়া উপজেলার কাজির হাট এলাকায় রাস্তায় পড়েছিলেন এক বৃদ্ধ। ৯০ বছর পার হয়েছে তার। পচন ধরেছে পায়ে। অসুস্থতার জন্য কথাও বলতে পারছিলেন না ঠিকমতো।

তবে স্থানীয়দের কাছে নাম-ঠিকানা দিতে সক্ষম হন সেই বৃদ্ধ। তিনি জানান, তার নাম সৈয়দ শামসুর রহমান। নাটোর জেলার লালপুর উপজেলার দয়ারামপুর গ্রামে তার বাড়ি। সন্তানরা চিকিৎসা না করে ফেলে গেছে তাকে।

কৌতুহলী কেউ এগিয়ে গেলেই বলছিলেন, ‘আমাকে আপনারা চিকিৎসা করান, আমাকে বাঁচান।’

বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নজরে আসে বেড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার।

গত শুক্রবার রাত নয়টার দিকে ওই বৃদ্ধকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন তিনি।

শনিবার সকালে তিনি কিছু নতুন জামা কাপড় নিয়ে হাসপাতালে দেখতে যান ওই বৃদ্ধকে। এ সময় বৃদ্ধের শরীর ও পায়ের অবস্থা বিবেচনা করে ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠান।

অসুস্থতার ব্যাপারে বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. ফাতেমা তুয-যোহরা বলেন, ‘তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। বৃদ্ধের পায়ে পচন ও পোকা ধরেছে। আর ডায়বেটিস উচ্চ মাত্রা থাকায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

এ বিষয়ে বেড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সবুর আলীও জানান, পায়ে পচন দেখা দেয়ায় বৃদ্ধকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের উপ-পরিচালকের সঙ্গে কথা বলে সেখানে পাঠানো হয়েছে।

বৃদ্ধের সব চিকিৎসার খরচ বেড়া উপজেলা প্রশাসন বহন করবে বলেও জানান তিনি।

আরও জানান, বর্তমানে খুব অসুস্থ হওয়ায় কথা বলতে পারছেন না বৃদ্ধ। সে জন্য এখনও তার বিষয়ে বিস্তারিত জানা সম্ভব হচ্ছে না। একটু সুস্থ হলেই সব তথ্য পাওয়া যাবে। পরে তার পরিবারে কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আরও পড়ুন:
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু
অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জে দিতে বিদ্যুৎস্পর্শে মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বাড্ডায় নির্মাণশ্রমিক, শনির আখড়ায় ইলেকট্রিশিয়ানের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই সহোদরের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আহত কলেজছাত্রের হাসপাতালে মৃত্যু

শেয়ার করুন

চাপের মুখে জমা দিয়ে প্রকল্পের টাকা ফের উত্তোলন

চাপের মুখে জমা দিয়ে প্রকল্পের টাকা ফের উত্তোলন

অভিযুক্ত চেয়ারম্যান এজেডএম সাজেদুল ইসলাম স্বাধীন।

গোপনে সাড়ে ১৮ লাখ টাকা তুলে আত্মসাৎ চেষ্টা ফাঁস হওয়ার পর চেয়ারম্যান স্বাধীনের বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন ইউপি সদস্য ও দলের নেতাকর্মীরাও।

প্রকল্প ছাড়াই গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে ভূমি হস্তান্তর কর বরাদ্দের সাড়ে ১৮ লাখ টাকা তুলে ফেলেছিলেন দামোদরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। পরে এই নিয়ে শোকজ করে স্থানীয় সরকার। নানাবিধ চাপে পরে সেই টাকা ব্যাংকে জমা দেয়া হয়। এ খবর প্রকাশিত হয় নিউজবাংলায়ও।

কিন্তু জমা দেয়ার পরদিনই ব্যাংক থেকে আবারও ওই টাকা তুলে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। দামোদরপুর ইউপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগসাজসে টাকা জমা ও তুলে নেয়ার ঘটনায় এবার ইউপি সচিব নুরজামান মিয়াকে শোকজ করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

এর আগে, একই অভিযোগে চেয়ারম্যান এ জেড এম সাজেদুল ইসলাম স্বাধীনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিলে তিনি এর জবাবে ভুল স্বীকার করেছিলেন।

কারণ দর্শানোর নোটিশ পেয়ে উন্নয়ন প্রকল্পে ইউনিয়ন পরিষদের ভূমি হস্তান্তর কর (১ শতাংশ) বরাদ্দের ব্যাংক হিসাব নম্বরে সাড়ে ১৮ লাখ টাকা জমা করেন চেয়ারম্যান।

প্রকল্প ছাড়াই টাকা তোলার ঘটনাটি ধরা পড়ে গত ১৪ সেপ্টেম্বর ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শনে নথিপত্র যাচাইয়ে। ২৯ সেপ্টেম্বর কারণ দর্শানোর নোটিশে চেয়ারম্যানকে এক সপ্তাহের মধ্যে লিখিত জবাব দেয়ার নির্দেশ দেন গাইবান্ধা স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক রোখছানা বেগম। ৭ অক্টোবর লিখিত জবাব দেন ইউপি চেয়ারম্যান স্বাধীন। এর আগের দিন তুলে নেওয়া সাড়ে ১৮ লাখ টাকা পরিষদের ব্যাংক হিসাবে জমা করা হয়।

এবার জমা করা টাকা আবারও তুলে নেয়ার ঘটনায় গত ১৯ অক্টোবর স্থানীয় সরকার বিভাগ গাইবান্ধার উপ-পরিচালক (উপ-সচিব) মোছা. রোখছানা বেগম ইউনিয়নের সচিব নুরজামান মিয়াকে সাত দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলেছেন।

ইউনিয়ন পরিষদের ব্যাংক স্টেটমেন্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় গত ৩ অক্টোবর ওই সাড়ে ১৮ লাখ টাকা জমার পরদিনই দুটি চেকে আবারও পুরো টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।

এদিকে, গোপনে সাড়ে ১৮ লাখ টাকা তুলে আত্মসাৎ চেষ্টা ফাঁস হওয়ার পর চেয়ারম্যান স্বাধীনের বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন ইউপি সদস্য ও দলের নেতাকর্মীরা। ইউপি সদস্য এস এম ওয়াহেদ মুরাদ, নুরুন্নবী আকন্দ, খোরশেদ আলম, রশিদুল ইসলাম ও নারী সদস্য মিনারা বেগম অভিযোগ করেন, চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই স্বাধীন ক্ষমতার অপব্যবহার করে নানা অনিয়ম-দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতা করে আসছেন। সদস্যদের উপেক্ষা করে একক সিন্ধান্তে তিনি বিভিন্ন প্রকল্প এবং সদস্যদের স্বাক্ষর জাল করেও লাখ-লাখ টাকা তুলে আত্মসাত করেছেন।

ট্রেড লাইসেন্স, হাট-বাজার ও ট্র্যাক্স আদায়ের টাকাও ব্যাংকে জমা না করার অভিযোগ আছে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। গত ৫ বছরে তিনি বাড়ি, গাড়িসহ বিপুল অর্থ সম্পদের মালিক হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন ইউপি সদস্যরা।

আরও পড়ুন:
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু
অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জে দিতে বিদ্যুৎস্পর্শে মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বাড্ডায় নির্মাণশ্রমিক, শনির আখড়ায় ইলেকট্রিশিয়ানের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই সহোদরের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আহত কলেজছাত্রের হাসপাতালে মৃত্যু

শেয়ার করুন

নাশকতার মামলায় ১২ জামায়াত-শিবির সদস্য কারাগারে

নাশকতার মামলায় ১২ জামায়াত-শিবির সদস্য কারাগারে

রাজশাহীর পবা থেকে গ্রেপ্তার জামায়াত-শিবিরের ১২ সদস্যকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। ছবি: নিউজবাংলা

এজাহারের বরাতে আদালত পরিদর্শক আবুল হাশেম জানান, সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র ও নাশকতার লক্ষ্যে বৈঠক চলছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার সন্ধ্যায় পালোপাড়া মধ্যপাড়া গ্রামের একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় জব্দ হয় বেশকিছু জিহাদি বই, ব্যানার, কর্মী সংগ্রহের ফরম ও চাঁদা আদায়ের রশিদ।

রাজশাহীর পবা থেকে গ্রেপ্তার জামায়াত-শিবিরের ১২ সদস্যকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

রাজাশাহীর মুখ্য মহানগর হাকিম রেজাউল করিমের আদালতে শনিবার বিকেলে তোলা হলে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়া হয়।

যাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে তারা হলেন, ৫০ বছরের মনিরুল ইসলাম, ৬৮ বছরের কলিম উদ্দিন, ২৫ বছরের আব্দুল মতিন ও আব্দুল মমিন, ২০ বছরের ফয়সাল আহমেদ, ৩৫ বছরের আজাহার আলী, ৪২ বছরের আবু বক্কর, ৩০ বছরের আব্দুর রব, ৩৪ বছরের উজ্জ্বল হোসেন, ৩৫ বছরের আব্দুল হালিম, ৫০ বছরের ওবেদ আলী ও ৬১ বছরের আবুল হোসেন। তারা সবার বাড়ি পবা উপজেলায়।

এসব নিশ্চিত করেছেন আদালত পরিদর্শক আবুল হাশেম।

মামলার এজাহারের বরাতে তিনি জানান, সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র ও নাশকতার লক্ষ্যে বৈঠক চলছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার সন্ধ্যায় পালোপাড়া মধ্যপাড়া গ্রামের একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় জব্দ হয় বেশকিছু জিহাদি বই, ব্যানার, কর্মী সংগ্রহের ফরম ও চাঁদা আদায়ের রশিদ।

পরে নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে শনিবার বিকেলে তাদের আদালতে তোলা হলে বিচারক রেজাউল করিম কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন:
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু
অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জে দিতে বিদ্যুৎস্পর্শে মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বাড্ডায় নির্মাণশ্রমিক, শনির আখড়ায় ইলেকট্রিশিয়ানের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই সহোদরের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আহত কলেজছাত্রের হাসপাতালে মৃত্যু

শেয়ার করুন

জেএমসেন মণ্ডপে ভাঙচুর: দায় স্বীকার নুরের সংগঠনের নেতার

জেএমসেন মণ্ডপে ভাঙচুর: দায় স্বীকার নুরের সংগঠনের নেতার

চট্টগ্রামের জেএমসেন হলের পূজামণ্ডপে হামলার দায় স্বীকার যুব অধিকার পরিষদের নেতার। ছবি: নিউজবাংলা

তদন্ত কর্মকর্তা বাবলু কুমার বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেপ্তার ১০ জনের মধ্যে সাত জনকে শুক্রবার ১ দিন করে রিমান্ডে পাই আমরা। রিমান্ড শেষে শনিবার তাদের আদালতে তোলা হলে হাবিবুল্লাহ মিজান স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।’

চট্টগ্রামে জেএমসেন হলের পূজামণ্ডপে হামলায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি ও তার সংগঠন যুব অধিকার পরিষদের নেতা হাবিবুল্লাহ মিজান।

শনিবার এক দিনের রিমান্ড শেষে মিজানসহ সাতজনকে আদালতে হাজির করলে চট্টগ্রামের মহানগর হাকিম শফিউদ্দিনের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন তিনি।

জবানবন্দির বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বাবলু কুমার।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেপ্তার ১০ জনের মধ্যে সাত জনকে শুক্রবার ১ দিন করে রিমান্ডে পাই আমরা। রিমান্ড শেষে শনিবার তাদের আদালতে তোলা হলে হাবিবুল্লাহ মিজান স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।’

বাবুল কুমার আরও বলেন, ‘জবানবন্দিতে তিনি জানান, ঘটনার আগের দিন শ্রমিক অধিকার পরিষদের নেতা মোক্তার হোসেনের বাসায় মিটিং করেন সবাই। মিটিংয়ে আন্দরকিল্লা মসজিদ থেকে জুমার নামাজের পর মিছিল বের করার পরিকল্পনা করা হয়।’

মিজান আগে ছাত্র অধিকার পরিষদের বন্দর থানার আহ্বায়ক ছিলেন। পরে যুব অধিকার পরিষদে যোগ দেন তিনি।

বৃহস্পতিবার রাতে নগরীর বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে যুব অধিকার পরিষদের ৯ নেতাকর্মীসহ ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগরের আহ্বায়ক মো. নাছির, সদস্য সচিব মিজানুর রহমান, বায়েজিদ থানার আহ্বায়ক ডা. রাসেল, ইয়ার মোহাম্মদ, কর্মী মো. মিজান, গিয়াস উদ্দিন, ইয়াসিন আরাফাত, হাবিবুল্লাহ মিজান, ইমন ও ইমরান হোসেন।

তাদের গ্রেপ্তারের পর জেএমসেন হলের পূজামণ্ডপের প্রবেশ পথ ও তোরণ ভাঙচুর এবং ব্যানার ছেঁড়ার পরিকল্পনায় যুব অধিকার পরিষদের নেতারা জড়িত বলে জানায় পুলিশ।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নেজাম উদ্দিন শুক্রবার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলের আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে ঘটনায় সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় তাদের গ্রেপ্তার করেছি। তারা ঘটনার পরিকল্পনায় ছিলেন। সাধারণ মুসল্লিদের ব্যবহার করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে হামলার নেতৃত্বও দিয়েছেন।’

আরও পড়ুন:
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু
অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জে দিতে বিদ্যুৎস্পর্শে মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বাড্ডায় নির্মাণশ্রমিক, শনির আখড়ায় ইলেকট্রিশিয়ানের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই সহোদরের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আহত কলেজছাত্রের হাসপাতালে মৃত্যু

শেয়ার করুন

জমি নিয়ে বিরোধ, চাচাতো ভাইদের হাতে ‘খুন’

জমি নিয়ে বিরোধ, চাচাতো ভাইদের হাতে ‘খুন’

স্থানীয়রা জানান, আবু জাফর তার চাচাতো ভাইদের কাছে কিছু জমি বিক্রি করেন। ২১ অক্টোবর সেই জমির দলিল করা হয়। চাচাতো ভাইয়েরা কৌশলে জাফরের বাড়ির দাগের জমি ভেন্ডারের মাধ্যমে দলিলে যুক্ত করে নেন। ঘটনা জানতে পেরে শনিবার দুপুরে দুই পরিবারের লোকজন বৈঠকে বসেন। সেই বৈঠককে কেন্দ্র করেই হত্যার ঘটনা ঘটে।

বরিশালের বাকেরগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে আবু জাফর শরীফ নামের এক যুবক চাচাতো ভাইদের হাতে খুন হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

উপজেলার কলসকাঠি ইউনিয়নের গুড়িয়া গ্রামে শনিবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, ৩৮ বছর বয়সী আবু জাফর তার চাচাতো ভাইদের কাছে কিছু জমি বিক্রি করেন। ২১ অক্টোবর সেই জমির দলিল করা হয়। চাচাতো ভাইয়েরা কৌশলে জাফরের বাড়ির দাগের জমি ভেন্ডারের মাধ্যমে দলিলে যুক্ত করে নেন। ঘটনা জানতে পেরে শনিবার দুপুরে দুই পরিবারের লোকজন বৈঠকে বসেন। সেই বৈঠককে কেন্দ্র করেই হত্যার ঘটনা ঘটে।

জাফরের ভাই তোফাজ্জেল শরীফ বলেন, ‘চাচাতো ভাই জামাল শরীফ ও আবুল শরীফের কাছে আমার ভাই জাফর কিছু জমি বিক্রয় করে। সেই জমি দলিল করার সময় তারা ভেন্ডারের মাধ্যমে বাড়ির দাগের জমি দলিলে অন্তর্ভুক্ত করে নেয়। সবকিছু জেনে আবু জাফর বাড়ির দুই পরিবারের লোকদের সঙ্গে আলোচনায় বসলে একপর্যায়ে কথা-কাটাকাটি হয়। তখন চাচাতো ভাইয়েরা জাফরকে তাদের ঘরের নিয়ে আটকে রাখে। কিছুক্ষণ পরে রক্তাক্ত অবস্থায় জাফরকে বৈঠকের রুমে ফেলে তারা পালিয়ে যায়। তাকে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’

বাকেরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সত্যরঞ্জন খাসকেল এ ঘটনা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু
অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জে দিতে বিদ্যুৎস্পর্শে মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বাড্ডায় নির্মাণশ্রমিক, শনির আখড়ায় ইলেকট্রিশিয়ানের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই সহোদরের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আহত কলেজছাত্রের হাসপাতালে মৃত্যু

শেয়ার করুন