× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

সারা দেশ
Politics is banned in Chittagong Medical College
hear-news
player
print-icon

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজে রাজনীতি নিষিদ্ধ

চট্টগ্রাম-মেডিক্যাল-কলেজে-রাজনীতি-নিষিদ্ধ
‘কলেজে অনেকদিন দুইটা গ্রুপের বিরোধ চলছে। এই এক বছরে তারা সবাই ৩-৪ বার সংঘর্ষে জড়িয়েছে। এখন আগামী ১৬ তারিখ থেকে একটা প্রফ পরীক্ষা শুরু হবে। যদি আবার সংঘাত সংঘর্ষ করে তাহলে পরীক্ষাটা আটকে যাবে। এমনিতেই করোনার কারণে শিক্ষার্থীদের অনেক সময় নষ্ট হয়েছে। যাতে এই পরীক্ষা আটকে যাওয়ার পরিস্থিতি না হয় সেজন্যই এই বিষয়ে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে।’

রাজনীতি পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হল চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজে। কলেজ ক্যাম্পাসে সভা সেমিনার ছাড়াও মিছিল-শ্লোগান না করার নির্দেশনা দিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

শনিবার চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক সাহেনা আক্তারের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা দেয়া হয়।

বিবৃতিতে চলতি বছরের ৩ মার্চ চমেকের একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে কলেজ ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক সভা, সেমিনার, মিছিল শ্লোগানসহ সব রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলা হয়েছে, এমতাবস্থায় প্রফেশনাল পরীক্ষায় অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে ক্যাম্পাসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের জাতীয় দিবস বা অন্য কোন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ ও সংশ্লিষ্ট এলাকায় সভা সমাবেশ মিছিল শ্লোগান ইত্যাদি কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার পুনরায় নির্দেশ দেয়া হলো।

সংঘাতের আশংকায় এবং ১৬ আগস্ট থেকে আরম্ভ হতে যাওয়া প্রফেশনাল ফাইনাল পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে শেষ করার স্বার্থে শিক্ষার্থীদের জন্য এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অধ্যক্ষ অধ্যাপক সাহেনা আক্তার।

তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্ত শুধু শিক্ষার্থী ও রাজনৈতিক কর্মসূচির ক্ষেত্রে। না হলে জাতীয় দিবসে কলেজের যতরকম কার্যক্রম সবই নিয়ম অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি বলেন, ‘কলেজে অনেকদিন দুইটা গ্রুপের বিরোধ চলছে। এই এক বছরে তারা সবাই ৩-৪ বার সংঘর্ষে জড়িয়েছে। এখন আগামী ১৬ তারিখ থেকে একটা প্রফ পরীক্ষা শুরু হবে। যদি আবার সংঘাত সংঘর্ষ করে তাহলে পরীক্ষাটা আটকে যাবে। এমনিতেই করোনার কারণে শিক্ষার্থীদের অনেক সময় নষ্ট হয়েছে। যাতে এই পরীক্ষা আটকে যাওয়ার পরিস্থিতি না হয় সেজন্যই এই বিষয়ে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

সারা দেশ
Rifat murder in Mohakhali All accused acquitted of life sentence

মহাখালীতে রিফাত হত্যা: যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত সব আসামি খালাস

মহাখালীতে রিফাত হত্যা: যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত সব আসামি খালাস সুপ্রিম কোর্ট ভবনের একাংশ। ফাইল ছবি
১৯৯৭ সালের ১৭ জানুয়ারি ইফতার করানোর কথা বলে রিফাতকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরের দিন মহাখালীর রিফাত জাহাদ হোটেলের পেছনে রেললাইনে তার মরদেহ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ওই বছরের ১৮ জানুয়ারি রিফাতের ভাই মো. ইসমাইল হোসেন ক্যান্টনমেন্ট থানায় ৮ জনের নামে মামলা করেন।

চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এ কে আজাদের ছোট ভাই নুরুল ইসলাম রিফাত হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত সব আসামিকে খালাস দিয়েছে আপিল বিভাগ।

প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীসহ পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ বুধবার এ রায় দেয়।

আদালতে আসামিদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী ও এসএম শাহজাহান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মুহাম্মদ মোর্শেদ।

খালাসপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন সাজাপ্রাপ্ত শামছু হাবিব বিদ্যুৎ, রুমান কার্জন, মানিক ও রাসেল কবীর।

এর আগে ২০১৪ সালে এ মামলায় একবার রায় দিয়েছিল আপিল বিভাগ। সে সময় আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বে তিন বেঞ্চ এ রায় দিয়েছিল, তবে আসামিরা রিভিউ আবেদন করলে মামলাটি ফের আপিল শুনানির জন্য পাঠায় আপিল বিভাগ।

১৯৯৭ সালের ১৭ জানুয়ারি ইফতার করানোর কথা বলে রিফাতকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরের দিন মহাখালীর রিফাত জাহাদ হোটেলের পেছনে রেললাইনে তার মরদেহ পাওয়া যায়।

এ ঘটনায় ওই বছরের ১৮ জানুয়ারি রিফাতের ভাই মো. ইসমাইল হোসেন ক্যান্টনমেন্ট থানায় ৮ জনের নামে মামলা করেন। পরের বছরের ৭ জানুয়ারি ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেয়া হয়।

২০০৭ সালের ২১ জুন বিচারিক আদালত আটজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়ে রায় দেন।

এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের পর ২০১০ সালের ১০ নভেম্বর হাইকোর্ট পাঁচজনের সাজা বহাল রেখে তিনজনকে খালাস দেয়।

হাইকোর্টে সাজাপ্রাপ্তরা আপিল করলে বুধবার আপিল বিভাগ সবাইকে খালাস দিয়ে রায় ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন:
হাইকোর্টে ৩০৫২ নতুন আইনজীবী
সুইস ব্যাংকের কাছে কেন তথ্য চায়নি সরকার: হাইকোর্ট
রাজশাহীর ৯৫২ পুকুর ভরাট-দখলমুক্ত রাখতে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ
চট্টগ্রামে পাহাড়ে ঘর-বাড়ি, স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ
সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত সাতজনকে ক্ষতিপূরণ প্রশ্নে রুল

মন্তব্য

সারা দেশ
DU bus injured 10 in island due to tire burst

চাকা ফেটে আইল্যান্ডে ঢাবির বাস, আহত ১০

চাকা ফেটে আইল্যান্ডে ঢাবির বাস, আহত ১০ সামনের চাকা ফেটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরিবহনকারী মৈত্রী বাস।
বাসে থাকা রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থবর্ষের শিক্ষার্থী শিশির চন্দ্র দাস বলেন, ‘আমাদের মৈত্রী বাসটি নারায়ণগঞ্জ থেকে যাত্রাবাড়ী হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে। বাস যখন যাত্রাবাড়ীতে তখন এটির একটা চাকা পাংচার হয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আইল্যান্ডের ওপরে উঠে যায়। এই ঘটনায় দুই-চারজন গুরুতর আহত আর ৭ জন সামান্য আঘাত পেয়েছে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরিবহনকারী মৈত্রী বাসের চাকা পাংচার হয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আইল্যান্ডের ওপর উঠে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

এতে তিনজন গুরুতর আহত আর ৭ জন কিছুটা আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে বলে দাবি ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এক শিক্ষার্থীর। আহতদের চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় যাত্রাবাড়ীতে এই ঘটনা ঘটে।

বাসে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থবর্ষের শিক্ষার্থী শিশির চন্দ্র দাস বলেন, ‘আমাদের মৈত্রী বাসটি নারায়ণগঞ্জ থেকে যাত্রাবাড়ী হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে। বাস যখন যাত্রাবাড়ীতে তখন এটির সামনের একটা চাকা পাংচার হয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আইল্যান্ডের ওপরে উঠে যায়। এই ঘটনায় দুই-চারজন গুরুতর আহত আর ৭ জন সামান্য আঘাত পেয়েছে।’

চাকা ফেটে আইল্যান্ডে ঢাবির বাস, আহত ১০
সামনের চাকা ফেটে নিয়ন্ত্রণ হারায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরিবহনকারী মৈত্রী বাস। ছবি:নিউজবাংলা

শিশির বলেন, ‘আমাদের যিনি ড্রাইভার উনার হাত হয়ত ভেঙে গেছে। শিক্ষার্থীরা তাকে এক্সরে করানোর জন্য ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে গেছে।’

শিশির দাস বলেন, ‘আমাদের ড্রাইভার চাকা চেঞ্জ করে দেয়ার জন্য পরিবহন অফিসে তিনবার আবেদন করছেন। কিন্তু এটা গুরুত্ব দিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের যেখানে এক্সিডেন্ট হইছে সেখানে মাওয়ার ইলিশ বাসের কাউন্টার। তারা বলেছে, এই চাকাটা তিন থেকে চার বছর আগে ব্যবহারের অনুপযুক্ত হয়ে গেছে। চাকাটার খাঁচ ক্ষয় হয়ে গেছে ক্রিজ ছিল না। এজন্যই এক্সিডেন্টটা ঘটেছে।’

আরও পড়ুন:
পাঁচ প্রাণ ঝরার পর নিরাপত্তায় জোর বিআরটি এমডির
মন্ত্রণালয়ের তদন্তে দায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের

মন্তব্য

সারা দেশ
BNPs support for the strike of the left

বাম জোটের হরতালে বিএনপির সমর্থন

বাম জোটের হরতালে বিএনপির সমর্থন মঙ্গলবার দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: নিউজবাংল
লিখিত বক্তব্যের পর তার কাছে সাংবাদিকদের প্রশ্ন ছিল, বামদের হরতালে বিএনপি সমর্থন দেবে কি না। জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা তো আগেই বলেছি যে কোনো দলের ন্যায়সঙ্গত দাবির আন্দোলন আমরা সবসময় সমর্থন করি।’

জ্বালানি তেল, সারের বর্ধিত দাম ও বাস ভাড়া বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে গণতান্ত্রিক বাম জোটের ডাকা হরতালে সমর্থন দিয়েছে বিএনপি। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, যে কোনো দলের ন্যায়সঙ্গত দাবির পক্ষে আছেন তারা।

মঙ্গলবার দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

আগামী ২৫ আগস্ট বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত আধাবেলা হরতালের ডাক দিয়েছে বাম জোট। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে এই ঘোষণা দেয়া হয়।

জ্বালানি তেলের দামবৃদ্ধিসহ দেশে নিত্যপণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে বিএনপির বক্তব্য তুলে ধরতে গণমাধ্যমের সামনে আসেন ফখরুল।

লিখিত বক্তব্যের পর তার কাছে সাংবাদিকদের প্রশ্ন ছিল, বামদের হরতালে বিএনপি সমর্থন দেবে কি না। জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা তো আগেই বলেছি যে কোনো দলের ন্যায়সঙ্গত দাবির আন্দোলন আমরা সবসময় সমর্থন করি।’

এর আগে লিখিত বক্তব্যে বিএনপি নেতা বলেন, মাসাধিককাল থেকে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের নেতিবাচক প্রভাবে এমনিতেই নিত্যপ্রয়োজনীয় চাল, ডাল ও ভোগ্যপণ্যসহ সকল পণ্যের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়ে গেছে। এ অবস্থায় ভোক্তারা যখন দিশেহারা তখন হঠাৎ করে বিনা নোটিশে রাতের অন্ধকারে জ্বালানি তেলের দাম নজিরবিহীন বৃদ্ধি ‘মরার ওপর খাড়ার ঘাঁ’ হয়ে এসেছে সাধারণ ভোক্তাদের ওপর।

তিনি বলেন, ডিজেল, পেট্রল, অকটেন ও কেরোসিনের দাম একবারে ৪৫ থেকে ৫১ শতাংশ বাড়ানোর মধ্য দিয়ে দেশের মুখ থুবড়ে পড়া অর্থনীতির কফিনে শেষ পেরেকটুকু ঠুকে দেয়া হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে সর্বক্ষেত্রে।

বিএনপি নেতা বলেন, ‘গরিব ও সীমিত আয়ের মানুষেরা দুর্বিষহ অবস্থার মধ্যে পড়েছেন। মধ্যবিত্ত মানুষের পক্ষেও টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়ছে। এতে জনগণের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

‘গণপরিবহন থেকে কাঁচাবাজার- সর্বক্ষেত্রে কয়েকগুণ মূল্য বাড়িয়ে দিয়েছে সবাই। প্রতিবাদে মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছে, তারা মিছিল করছে।’

দাম যদি বাড়াতেই হতো, তাহলে সহনীয়ভাবে ধাপে ধাপে বাড়াতে পারত বলেও মন্তব্য করেন বিএনপি নেতা। বলেন, ‘হঠাৎ করে রাতের আঁধারে একবারে এত বেশি দাম বৃদ্ধিতে জ্বালানি ব্যবহার সংশ্লিষ্ট সকলেই হতচকিত হয়ে পড়েছে। যাত্রী, ক্রেতা-বিক্রেতা সকলেই হতবাক।’

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের বর্ধিত দাম কমে আসার মধ্যে বাংলাদেশে দাম এক লাফে এত বেশি বাড়ানোর পেছনে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে আসাই কারণ বলেও মনে করেন ফখরুল। বলেন, ‘সরকারের বেপরোয়া দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা ও অপরিণামদর্শিতার দায় পুরোপুরি সাধারণ মানুষের কাঁধে চাপিয়ে দেয়া হলো।’

তেলে প্রতি লিটারে সরকার ৩৪ টাকা করে কর আদায় করছে উল্লেখ করে বিএনপি নেতা বলেন, সরকার ইচ্ছা করলে সেই কর প্রত্যাহার করতে পারত। তাতে জনগণ স্বস্তি পেত।

বিএনপি নেতার অভিযোগ, সরকার কয়েকজন ব্যবসায়ীকে আর্থিকভাবে লাভবান করার লক্ষ্যে দেশে নতুন গ্যাসক্ষত্র আবিষ্কারের চেষ্টা না করে বিদেশ থেকে গ্যাস আমদানির সুযোগ করে দিয়েছে।

গ্যাস, বিদ্যুতের দাম আবার বাড়ানোর প্রস্তুতি নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেন বিএনপি নেতা। বলেন, গত ১২ বছরে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ৯০ শতাংশ বেড়েছে। এখন আবার ৫৮ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। মাসখানেক আগেও গ্যাসের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। এবার আবার বাড়লে শিল্প উৎপাদনও কঠিন পরিস্থিতিতে পড়বে। জীবনযাপনে আরও বেশি বিপর্যয় নেমে আসবে।

বিএনপি শাসনামলে দেশের মানুষের প্রকৃত আয় অনেক বেশি ছিল দাবি করে ফখরুল সে সময়ে গ্যাস-বিদ্যুত ও পণ্যমূল্যের দামের একটি তথ্যও সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খানও সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে মানবাধিকার পরিস্থিতির তদন্ত চান ফখরুল
খালেদার ৭৭তম জন্মবার্ষিকীতে ১৬ আগস্ট দোয়া মাহফিল
ক্ষমতায় গেলে রেন্টাল চুক্তি বাতিল: বিএনপি
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য জনগণের সঙ্গে তামাশা: ফখরুল
আ.লীগের চেয়ে বড় আন্দোলনকারী আর নেই: শাজাহান খান

মন্তব্য

সারা দেশ
Mobile court fines Hoteliers on strike in Kuakata

কুয়াকাটায় হোটেল মালিকদের হঠাৎ ধর্মঘটে বিপাকে পর্যটকরা

কুয়াকাটায় হোটেল মালিকদের হঠাৎ ধর্মঘটে বিপাকে পর্যটকরা কুয়াকাটায় সব খাবার হোটেল বন্ধ রেখেছেন মালিকরা। ছবি: নিউজবাংলা
হোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. কলিম মিয়া বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে ভ্রাম্যমাণ আদালত এসে খাবারের মান নিয়ে অভিযোগ তুলে জরিমানাসহ বিভিন্নভাবে হয়রানি করছে। ছোট ছোট হোটেল মালিককেও ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এমনকি একেক জনকে মাসের মধ্যে তিন-চারবার জরিমানা করা হয়েছে। তাই সব হোটেল ও রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী বসে অনির্দিষ্টকালের জন্য হোটেল ও রেস্টুরেন্ট বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।’

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় খাবার হোটেল ও রেস্টুরেন্ট মালিকদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট চলছে। আকস্মিক এ ধর্মঘটের কারণে বিপাকে পড়েছেন এখানকার পর্যটকরা।

খাবারের নিম্ন মান এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের অভিযোগে বিভিন্ন সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানার প্রতিবাদে মঙ্গলবার রাতে এ ঘোষণা দেয় খাবার হোটেল মালিক সমিতি। বুধবার সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য হোটেল-রেস্টুরেন্ট বন্ধ রেখেছেন মালিকেরা।

সংগঠনের সভাপতি মো. সেলিম মুন্সি নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘প্রতিদিন ম্যাজিস্ট্রেট খাবার হেটেলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে; আবার একই হোটেলে একাধিকবার জরিমানা করা হয়। মোবাইল কোর্টের নামে আমাদের হয়রানি করা হচ্ছে। তাই সব হোটেল মালিক এক হয়ে আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

সংগঠনের এই নেতা আরও বলেন, ‘গত ১১ আগস্ট আল-মদিনা নামের একটি হোটেলে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তখন ওই হোটেল মালিক তার সমস্যা সমাধানে ১৫ দিন সময় চেয়ে নেন; কিন্তু গতকাল (মঙ্গলবার) আবার ওই হোটেলেই ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

‘মালিক জরিমানা না দিতে পারায় তাকে বেশ কিছুক্ষণ আটকে রাখা হয়। পরে তার পরিবারের সদস্যরা ধার করে টাকা এনে তাকে ছাড়িয়ে নেয়।’

বিষয়টি সমাধানে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, ‘খাবার হোটেল বন্ধ থাকলে পর্যটকরা বড় সমস্যায় পড়বেন। তাই আশা করব, প্রশাসন আমাদের বিষয়টি সহজ করে দেখবে। তাহলে আমরা হোটেল খুলে দিব।’

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পচা-বাসি ও ভেজাল খাবার পরিবেশন এবং অধিকমূল্য আদায় নিয়ে পর্যটকদের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে- এ বিষয়ে মালিক সমিতির সভাপতি বলেন, ‘মোবাইল কোর্ট অবশ্যই হবে, কিন্তু যার যার সাধ্য মোতাবেক জরিমানা করা উচিত। আর পর্যটকদের যাতে খাবার, পরিবেশের কোনো অভিযোগ না থাকে, সে দিকে আমি আমার সংগঠনের সবাইকে কড়া নির্দেশনা দিয়েছি।’

জরিমানার নামে হয়রানির অভিযোগ করে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. কলিম মিয়া বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে ভ্রাম্যমাণ আদালত এসে খাবারের মান নিয়ে অভিযোগ তুলে জরিমানাসহ বিভিন্নভাবে হয়রানি করছে। ছোট ছোট হোটেল মালিককেও ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এমনকি একেক জনকে মাসের মধ্যে তিন-চারবার জরিমানা করা হয়েছে।

‘এতে ব্যবসায়ীদের এখন পথে বসার উপক্রম। তাই হোটেল ও রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ীদের নিয়ে মঙ্গলবার রাতে জরুরি সভা করা হয়েছে। এতে সবার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বুধবার সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য হোটেল ও রেস্টুরেন্ট বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।’

এর প্রতিকারে জেলা প্রশাসক ব্যবস্থা না নেয়া পর্যন্ত সব হোটেল ও রেস্টুরেন্ট বন্ধ থাকবে বলেও তিনি জানান।

এদিকে হঠাৎ ধর্মঘট ডাকায় বিপাকে পড়েছেন পর্যটকেরা।

খুলনা থে‌কে আসা পর্যটক হান্নান মিয়া নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মঙ্গলবার পরিবার নি‌য়ে আস‌ছি বেড়াতে। রাতে হো‌টে‌লেই খে‌য়ে‌ছি। সকা‌লে দে‌খি সব বন্ধ। যেখা‌নে ওঠেছি, সেখানকার বয়‌কে ব‌লে‌ছি দুপু‌রের খাবা‌রের ব্যবস্থা কর‌তে।’

সাতক্ষীরা থে‌কে এসেছেন ক‌লেজ শিক্ষার্থী আবু রায়হান। তিনি বলেন, ‘খাবার হো‌টেল সব বন্ধ, তাই কলাপাড়ার এক প‌রি‌চিতজন‌কে ফোন দি‌ছি। দুপু‌রে তাদের ওখা‌নে খে‌য়ে বিকেলেই চ‌লে যাব।’

এ বিষয়ে কুয়াকাটা পৌরসভার মেয়র আনোয়ার হোসেন বলেন, বিষয়টি সকালেই আমি জেনেছি। জেলা প্রশাসনকেও জানিয়েছি। আমি হোটেল মালিক কর্তৃপক্ষকে বলেছি যে, খাবারের মানও ঠিক রাখাতে হবে, আবার মোবাইল কোর্টও চালাতে হবে। দুটিই বিষয়ই একে অপরের সাথে জড়িত।

‘আগে পর্যটকদের সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে। তারপর আন্দোলন সংগ্রাম। ভাল মানের খাবার পরিবেশন না করতে পারলে কুয়াকাটার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হবে। কুয়াকাটার বদনাম হয় এমন কোনো কাজ এখানকার কারও করা উচিত নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আশা করি এর একটি সমাধান হয়ে যাবে। কারণ এখানে এখনও বেশ কিছু পর্যটক আছেন। তাদের যেন খাবারে কোনো রকমের সমস্যা না হয়, সে বিষয়টিও দেখভাল করতে হবে।’

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু হাসনাত শহীদুল্লাহ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পদ্মা সেতু চালুর পর কুয়াকাটায় পর্যট‌কের উপ‌স্থি‌তি বাড়‌ছে। এখানকার হো‌টেলগু‌লোর খাবা‌রের মান নি‌য়ে পর্যটকরা প্রশ্ন তুলেছেন। পচা-বাসি খাবার দেয়া, অ‌তি‌রিক্ত দাম রাখার অভিযোগ তুলেছেন।’

তাই জেলা প্রশাসকের নির্দেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত প‌রিচালনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, পর্যটক‌দের সেবার মান অক্ষুন্ন রাখ‌তে, খাবার হো‌টেল গু‌লো‌তে মানসম্মত খাবার পরিবেশন, তাদের সঙ্গে পর্যটকবান্ধব আচরণ করতে হবে। মূলত আমরা এসব নিয়েই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছি।

কিছু কাজ সম্পন্ন করতে ওনারা (হোটেল মালিক) কিছু দিন সময় নিয়েছেন। এ ছাড়া আজকের আজ হোটেল বন্ধ রাখার বিষয়ে তারা জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলবেন।’

আরও পড়ুন:
এক মাসেই ভেসে এলো ৮ ডলফিন
পর্যটকদের হাতছানি দিচ্ছে ‘সাগরকন্যা’
করোনা: কুয়াকাটা ১৫ দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা
স্বতন্ত্র ঠেকাতে আ. লীগ-বিএনপি ভাই ভাই
সাগরকন্যায় সাত মাসে ৬ পর্যটকের লাশ

মন্তব্য

সারা দেশ
Arrested for storing and selling porn videos 4

পর্ন ভিডিও সংরক্ষণ ও বিক্রির অভিযোগে গ্রেপ্তার ৪

পর্ন ভিডিও সংরক্ষণ ও বিক্রির অভিযোগে গ্রেপ্তার ৪
নাটোর র‍্যাব ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন জানান, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পর্নো ভিডিও সংরক্ষণ ও বিক্রির অভিযোগে চারজনকে আটক করা হয়। এরপর রাতেই বড়াইগ্রাম থানায় মামলা করে তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

নাটোরের বড়াইগ্রামে পৃথক অভিযানে পর্ন ভিডিও সংরক্ষণ ও বিক্রির অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। এ সময় জব্দ করা হয় ৪টি কম্পিউটার ও ১০টি হার্ডডিস্ক।

উপজেলার বাগডোব এবং জোনাইল বাজারে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, একই উপজেলার পাড় বাগডোব গ্রামের সিডি ব্যবসায়ী আজাদ হোসেন ও বাগডোব গ্রামের আল আমিন ও শামছুল হক এবং চাঁদপুর গ্রামের জসিম উদ্দিন।

নাটোর র‍্যাব ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বুধবার সকাল ৯টার দিকে এসব জানান।

তিনি জানান, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পর্নো ভিডিও সংরক্ষণ ও বিক্রির অভিযোগে চারজনকে আটক করা হয়। এরপর রাতেই বড়াইগ্রাম থানায় মামলা করে তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, জব্দকৃত আলামত পর্নোগ্রাফি সংরক্ষণ এবং টাকার বিনিময়ে এলাকার যুবক ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের কাছে অনেকদিন ধরে হস্তান্তর করে আসছে তারা।

তারা মূলত কম্পিউটারের দোকানে গান, সফটওয়ার লোড,মোবাইল মেকানিক্সের ব্যবসার আড়ালে পর্নোগ্রাফী সংরক্ষণ ও বিক্রি করত।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২ তে বলা হয়েছে, পর্নোগ্রাফি বিক্রয়, ভাড়া, বিতরণ, সরবরাহ, প্রকাশ্যে প্রদর্শন বা যেকোনো প্রকারে প্রচার করিলে অথবা উক্ত সকল বা যেকোনো উদ্দেশ্যে প্রস্তত, উৎপাদন, পরিবহন বা সংরক্ষণ করিলে তা অপরাধ বলে গণ্য হবে। উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি সর্বোচ্চ ২ (দুই) বৎসর সশ্রম কারাদন্ড এবং ১,০০,০০০ (এক লক্ষ) টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ডে দন্ডিত হইবেন।

আরও পড়ুন:
‘পর্নোগ্রাফি ভিডিও সরবরাহ’, ৬ যুবক গ্রেপ্তার
ইলন মাস্কের রকেটে পর্নোগ্রাফি হবে মহাকাশে
আপত্তিকর ছবি ভাইরাল করায় চকরিয়ায় যুবক গ্রেপ্তার
৪ পর্নোগ্রাফি ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার
পর্নো ভিডিও সংরক্ষণ ও বিক্রির দায়ে গ্রেপ্তার ৫

মন্তব্য

সারা দেশ
The hearing of the ruling on the cancellation of Dr Yunuss case is going on

ড. ইউনূসের মামলা বাতিল প্রশ্নে রুলের শুনানি চলছে

ড. ইউনূসের মামলা বাতিল প্রশ্নে রুলের শুনানি চলছে শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ টেলিকমের লোগো। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের শ্রম পরিদর্শক আরিফুজ্জামান বাদী হয়ে ড. ইউনূসসহ চারজনের নামে মামলা করেন। এ মামলা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন ড. ইউনূস।

শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে শান্তিতে নোবেলজয়ী ও গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নামে করা মামলা বাতিলে জারি করা রুলের শুনানি চলছে।

বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান ও বিচারপতি ফাহমিদা কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চে বুধবার এ শুনানি শুরু হয়।

ইউনূসের পক্ষে শুনানি করছেন আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল মামুন।

গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের শ্রম পরিদর্শক আরিফুজ্জামান বাদী হয়ে ড. ইউনূসসহ চারজনের নামে ওই মামলা করেন।

ড. ইউনূস ছাড়াও গ্রামীণ টেলিকমের এমডি আশরাফুল হাসান, পরিচালক নুরজাহান বেগম ও মো. শাহজাহানকে মামলায় বিবাদী করা হয়েছে।

মামলায় শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনে নির্দিষ্ট লভ্যাংশ জমা না দেয়া, শ্রমিকদের চাকরি স্থায়ী না করা, গণছুটি নগদায়ন না করায় শ্রম আইনের ৪ এর ৭, ৮, ১১৭ ও ২৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।

এ মামলা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন ড. ইউনূস।

আরও পড়ুন:
আইনজীবীকে ইউনূসের প্রতিষ্ঠানের ‘১২ কোটি টাকা দেয়ার’ ঘটনা তদন্ত চেয়ে রিট
চাকরিচ্যুতদের আইনজীবীর সঙ্গে ইউনূসের প্রতিষ্ঠানের ‘সমঝোতা’, অ্যাকাউন্ট জব্দ
ইউনূস সেন্টারের বিবৃতি বিভ্রান্তিমূলক: সেলিম মাহমুদ
চাকরিচ্যুতদের ‘ঠকাতে’ ইউনূসের প্রতিষ্ঠানের অনিয়মে হাইকোর্টের বিস্ময়
পদ্মা সেতু নিয়ে ইউনূস সেন্টারের ব্যাখ্যা সত্যের অপলাপ: তথ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

সারা দেশ
Reserve Theft Case Investigation Report October 2

রিজার্ভ চুরির মামলা: তদন্ত প্রতিবেদন ২ অক্টোবর

রিজার্ভ চুরির মামলা: তদন্ত প্রতিবেদন ২ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ফটক। ফাইল ছবি
রিজার্ভ চুরির মামলায় প্রতিবেদন জমার দিন ছিল বুধবার, তবে তদন্ত সংস্থা সিআইডি প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরাফাতুল রাকিব নতুন দিন ঠিক করেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ আবারও পিছিয়েছে।

আগামী ২ অক্টোবর প্রতিবেদন জমার নতুন দিন ঠিক করেছে আদালত।

প্রতিবেদন জমার দিন ছিল বুধবার, তবে তদন্ত সংস্থা সিআইডি প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরাফাতুল রাকিব নতুন এ দিন ঠিক করেন।

২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে জালিয়াতি করে সুইফট কোডের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার হাতিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা। পরে ওই টাকা তারা ফিলিপাইনের রিজল ব্যাংকে পাঠিয়ে দেয়।

দেশীয় কোনো চক্রের সহায়তায় হ্যাকার গ্রুপ রিজার্ভের অর্থ পাচার করেছে বলে তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ধারণা করেন। এর পেছনে উত্তর কোরীয় হ্যাকারদের সংশ্লিষ্টতার তথ্যও এসেছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে।

এ ঘটনায় ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্টের উপপরিচালক জোবায়ের বিন হুদা অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মতিঝিল থানায় মামলা করেন।

ওই মামলার তদন্তে নামে সিআইডি। প্রতিবেদন জমা দিতে ২০১৬ সালের ১৯ এপ্রিল প্রথমবারের মতো দিন ঠিক করে দেয় আদালত। এর পর থেকে দফায় দফায় পিছিয়েছে প্রতিবেদন জমার তারিখ।

রিজার্ভ চুরির ঘটনায় ফিলিপাইনের রিজল কমার্শিয়াল ব্যাংকের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে মামলা করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। গত বছরের মার্চে সে মামলা খারিজ হয়ে যাওয়ার খবর আসে সংবাদমাধ্যমে।

রিজল ব্যাংক থেকে অর্থ তুলে একটি ক্যাসিনোতে নিয়ে যাওয়ার খবর প্রকাশের পর সেই ক্যাসিনো মালিকের কাছ থেকে দেড় কোটি ডলার উদ্ধার করে বাংলাদেশ সরকারকে বুঝিয়ে দেয় ফিলিপাইন। বাকি অর্থ উদ্ধারে তেমন অগ্রগতি নেই।

আরও পড়ুন:
ঋণ পুনঃতফসিল ও পুনর্গঠনে সংশোধনী আনল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
অনিবাসীদের বৈদেশিক মুদ্রা আমানতে সুদ বাড়ল
শিল্প ও সেবা খাতে ৩০ হাজার কোটি টাকার ঋণ
বাংলাদেশ ব্যাংকের পুঁজিবাজারবান্ধব আরেক সিদ্ধান্ত
ডলারের দাম নিয়ন্ত্রণে মাঠে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

মন্তব্য

p
উপরে