সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী রুহুল হককে হত্যার হুমকি

হত্যার হুমকি

সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য আ ফ ম রুহুল হক। ছবি: নিউজবাংলা

এসপি মোস্তাফিজুর রহমান জানান, প্রথমে ‘আজরায়িল জান নেই‘ নামে একটি আইডি থেকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়। এরপর একই ধরনের প্রোফাইল পিকচার দিয়ে খোলা ‘কালিমা মা‘ নামের আরেকটি আইডি থেকে হুমকির পোস্টটি শেয়ার করা হয়। দুদিন আগে খোলা হয় ওই আইডি। 

সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য আ ফ ম রুহুল হকসহ দুজন আওয়ামী লীগ নেতাকে হত্যার হুমকি দিয়ে একটি ফেসবুক আইডি থেকে পোস্ট দেয়া হয়েছে।

‘আজরায়িল জান নেই‘ নামের একটি আইডি থেকে রোববার রুহুল হক ও সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবিকে হত্যার বিনিময়ে পুরস্কার দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়।

বিষয়টি নিয়ে সোমবার বেলা ১১টার দিকে জেলা প্রশাসক হুমায়ুন কবিরের নেতৃত্বে ভার্চুয়াল সভা হয়।

জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, প্রথমে ‘আজরায়িল জান নেই‘ নামে একটি আইডি থেকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়। এরপর একই ধরনের প্রোফাইল পিকচার দিয়ে খোলা ‘কালিমা মা‘ নামের আরেকটি আইডি থেকে হুমকির পোস্টটি শেয়ার করা হয়। দুদিন আগে খোলা হয় ওই আইডি।

এ বিষয়ে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী রুহুল হক ও সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবির পক্ষ থেকে সদর থানায় মামলা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হুসেন নিউজবাংলাকে জানান, জড়িতদের খুঁজে বের করতে পুলিশ কাজ করছে।

আরও পড়ুন:
আপনারা এবার অফ যান: সাংবাদিকদের ইউএনও
ভারতে পাঠানোর হুমকি দেয়া সেই ইউএনও বদলি
‘পিটিয়ে ভারত পাঠিয়ে দেয়ার’ হুমকি ইউএনওর
জীবন নিয়ে ‘শঙ্কায়’ রাবির আরাফাত
হত্যার হুমকির অভিযোগ বাউফল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

শেয়ার করুন

মন্তব্য

করের টাকা যেন অপব্যবহার না হয়: আইনমন্ত্রী

করের টাকা যেন অপব্যবহার না হয়: আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক

এনবিআরের এক সেমিনারে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘করের টাকা জনগণ দেয়। এই টাকা যাতে মিসইউজ না হয়। যেজন্য কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকতে হবে। জনগণের দেয়া করের টাকা শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ জনগণের কল্যাণেই ব্যয় হয়।’

জনগণের করের টাকা যাতে অপব্যবহার না হয় সেজন্য প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। পাশাপাশি তিনি সবাইকে কর দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

জাতীয় আয়কর দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আয়োজিত এক সেমিনারে এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘করের টাকা জনগণ দেয়। এই টাকা যাতে মিসইউজ না হয়। যেজন্য কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকতে হবে।’

করের টাকা সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের দেয়া করের টাকা শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ জনগণের কল্যাণেই ব্যয় হয়। উন্নয়নের চাহিদা মেটানোর জন্য যোগ্য সবাইকে কর দেয়া দরকার। যত বেশি আয়কর দেয়া যাবে, দেশ তত বেশি উন্নত হবে।’

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মোঃ রহমাতুল মুনিম। ‘রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়ন ও আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে আয়করের ভূমিকা’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এনবিআরের সদস্য শামসুদ্দিন আহমেদ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি জসিম উদ্দিন বলেন, কর আহরণ বৃদ্ধির জন্য নতুন নতুন খাত চিহ্নিত করতে হবে। অডিটের নামে হয়রানি বন্ধ করতে হবে। এখানে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আমদানিনির্ভর দেশ থাকতে চাই না। মেড ইন বাংলাদেশের কার্যক্রমকে আরও জোরদার করতে হবে।’

ভুয়া অডিট রিপোর্ট বন্ধ হওয়ায় খেলাপি ঋণ হার কমে যাবে বলে জানালেন আইসিএবির মাহমুদুল হাসান খসরু। ন্যূনতম কর হার তুলে দেয়ারও প্রস্তাব করেন তিনি।

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন আহমেদ ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে এনবিআরের সংস্কার জরুরি বলে মত দেন।

অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণে আরও বিনিয়োগের প্রস্তাব করে এনবিআরের সদস্য আলমগীর হোসেন বলেন, এখন ১০০ টাকা রাজস্ব আদায়ের জন্য খবর হয় ৪০ পয়সা। এখানে আরও বিনিয়োগ করলে দীর্ঘ মেয়াদে রিটার্ন আরও ভালো পাওয়া যাবে।

এনবিআরের আরেক সদস্য মাসুদ সাদিক জানান, এবার ৫০ হাজার করদাতা ই-রিটার্ন দাখিল করেছেন। আগামীতে লক্ষ্য হবে ৮০ শতাংশ উন্নীত করা।

সভাপতির বক্তব্যে এনবিআরের চেয়ারম্যান আবু হেনা বলেন, ‘টেক্স নেট বৃদ্ধি করা জরুরি হয়ে পড়েছে। এটার জন্য কিছু চ্যালেঞ্জ আছে। আমরা চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিল করছি।’

আরও পড়ুন:
আপনারা এবার অফ যান: সাংবাদিকদের ইউএনও
ভারতে পাঠানোর হুমকি দেয়া সেই ইউএনও বদলি
‘পিটিয়ে ভারত পাঠিয়ে দেয়ার’ হুমকি ইউএনওর
জীবন নিয়ে ‘শঙ্কায়’ রাবির আরাফাত
হত্যার হুমকির অভিযোগ বাউফল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

শেয়ার করুন

রামপুরায় বাস চাপায় নিহত মাইনুদ্দীনের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন

রামপুরায় বাস চাপায় নিহত মাইনুদ্দীনের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন

বাস চাপায় নিহত শিক্ষার্থী মাইনুদ্দীন।

রামপুরা থানা সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল ছয়টার দিকে মাইনুদ্দীনের মরদেহ ঢামেক হাসপাতালের মর্গে নিয়ে আসা হয়। সুরতহাল শেষে, দুপুরে ফরেনসিক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জান্নাতুল নাঈমা মরদেহ ময়নাতদন্ত করেন।

রাজধানীর রামপুরায় বাস চাপায় নিহত শিক্ষার্থী মো. মাইনুদ্দীন ইসলামের (দুর্জয়) মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ রামপুরা তিতাস রোডে তার বাড়িতে নেয়া হয়েছে।

রামপুরা থানা সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল ছয়টার দিকে মাইনুদ্দীনের মরদেহ ঢামেক হাসপাতালের মর্গে নিয়ে আসা হয়। সুরতহাল শেষে, দুপুরে ফরেনসিক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জান্নাতুল নাঈমা মরদেহ ময়নাতদন্ত করেন।

নিহতের ভাই মনির জানান, তিতাস রোড এলাকায় জানাজা শেষে তার ভাইকে গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানার হালুয়াপাড়া গ্রামে নেয়া হচ্ছে। সেখানে দ্বিতীয় বার জানাজা শেষে এলাকার কবরস্থানে ভাইকে দাফন করা হবে।

তিনি বলেন, সোমবার তার ভাইয়ের ১৮ তম জন্মদিন ছিল। রাতে সে রামপুরার পলাশবাগে এক শিক্ষকের বাসায় যায় দেখা করতে। এর কিছুক্ষণ পরেই তাদের কাছে ফোন করে একজন জানান, মাইনুদ্দীন সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে। এরপর দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে রাস্তার ওপর ভাইয়ের রক্তাক্ত নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। তিনি জানান, দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে মাইনুদ্দীন ছিল সবার ছোট।

রাজধানীর রামপুরায় অনাবিল পরিবহনের একটি বাসের ধাক্কায় নিহত মাইনুদ্দীন একরামুন্নেসা স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রামপুরা বাজারে সোনালী ব্যাংকের সামনের রাস্তায় ওই দুর্ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় স্থানীয় মানুষের মাঝে উত্তেজনার সৃষ্টি হলে তারা বেশ কয়েকটি বাসে আগুন দেয় এবং ভাঙচুর করে।

আরও পড়ুন:
আপনারা এবার অফ যান: সাংবাদিকদের ইউএনও
ভারতে পাঠানোর হুমকি দেয়া সেই ইউএনও বদলি
‘পিটিয়ে ভারত পাঠিয়ে দেয়ার’ হুমকি ইউএনওর
জীবন নিয়ে ‘শঙ্কায়’ রাবির আরাফাত
হত্যার হুমকির অভিযোগ বাউফল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

শেয়ার করুন

আশুলিয়ায় স্বপ্নের আউটলেট

আশুলিয়ায় স্বপ্নের আউটলেট

স্বপ্ন সুপারশপের নতুন শাখা চালু হয়েছে সাভারের আশুলিয়ায়। ছবি: সৌজন্যে

মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে নতুন আউটলেটটি আশুলিয়ার মেইন রাস্তার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় উদ্বোধন করা হয়।

দেশের জনপ্রিয় রিটেইল চেইন শপ ‘স্বপ্ন’ এবার সাভারের আশুলিয়া তাদের শাখা চালু করেছে।

মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে নতুন আউটলেটটি আশুলিয়ার মেইন রাস্তার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় উদ্বোধন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইনভেস্টর মাসুদ রানা, সুমাইয়া লিজা, ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম, ইসহাক মোল্লা, স্বপ্নের জোনাল অপারেশন ম্যানেজার সাজিদ আহমেদ ও স্বপ্নের হেড অফ বিজনেস ডেভেলপমেন্ট রাজিবুল হাসান প্রমুখ।

আউটলেটের উদ্বোধন উপলক্ষে গ্রাহকদের জন্য মাসব্যাপী আকর্ষণীয় অফার ঘোষণা করেছে স্বপ্ন। শাখাটি থেকে হোম ডেলিভারির জন্য যোগাযোগ করা যাবে এই নম্বরে ০১৭৩১-৬৬৪৯১১।

আরও পড়ুন:
আপনারা এবার অফ যান: সাংবাদিকদের ইউএনও
ভারতে পাঠানোর হুমকি দেয়া সেই ইউএনও বদলি
‘পিটিয়ে ভারত পাঠিয়ে দেয়ার’ হুমকি ইউএনওর
জীবন নিয়ে ‘শঙ্কায়’ রাবির আরাফাত
হত্যার হুমকির অভিযোগ বাউফল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

শেয়ার করুন

জেল্লা হারাচ্ছে গণি মিঞার গামছা

জেল্লা হারাচ্ছে গণি মিঞার গামছা

‘গোটা কলকাতায় ছিল ঝালকাঠির গনি মিঞার তাঁতের গামছার কদর। কলকাতার বিধান নগর থেকে কৃষ্ণনগর-লালগোলা যাত্রীবাহী ট্রেনে হকাররা “বাংলার গামছা” নামে ঝালকাঠির গামছা বিক্রি করত। বাংলাদেশ থেকে কেউ এলে আমরা এখনও বলি আমাদের জন্য ঝালকাঠির গামছা নিয়ে আসতে।’

ঝালকাঠির তাঁতের গামছার কদর এক সময় দেশের বাইরেও ছড়িয়ে পড়েছিল। মেশিনচালিত তাঁতের কাছে ধীরে ধীরে হার মানছে এ ঐতিহ্য।

ঝালকাঠির বাসন্ডা নদীর পশ্চিম পাড়ের এলাকাটি পশ্চিম ঝালকাঠি নামে পরিচিত, কাগজে যার বর্তমান নাম বাসন্ডা। এক শতাব্দী আগে এই বাসন্ডার পুরো এলাকা জুড়ে প্রায় দুইশ তাঁতী পরিবার ছিল, যারা হস্তচালিত তাঁতে রঙিন সুতায় শাড়ি, লুঙ্গি এবং গামছা বুনত।

মহাজনদের পদচারণা এবং তাঁতের খটাস খটাস শব্দে মুখরিত থাকত কারিগরবাড়ি। তখন গোটা দেশে ঝালকাঠির তাঁত পণ্যের গৌরব ছিল। বর্তমানে বাসন্ডা কারিগরবাড়িতে দু-চারটি তাঁতী পরিবার তাদের এই পেশা ধরে রেখেছে, বাকিরা চলে গেছে অন্য পেশায়। আধুনিকতার ছোঁয়ায় তাঁতের শাড়ি লুঙ্গির চাহিদা কমেছে।

৭৫ বছরের পুরোনো ঝালকাঠির গনি মিঞার গামছা এক সময় ছিল দেশসেরা। বছর সাতেক আগে গনি মিঞা বার্ধক্যে মৃত্যুবরণ করেছেন। ঐতিহ্য রক্ষার খাতিরে লোকসান দিয়েও এখনও বাবার তাঁত মেশিনে গামছা বোনেন গনি মিয়ার ছেলে নাসির উদ্দিন মিঞা।

৪০ বছর বয়সী নাসির উদ্দিন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বাবার মৃত্যুর পরেও আমি ও আমার মা হালিমা বেগম প্রতি সাড়ে ৩ ঘণ্টায় দুটি তাঁতের গামছা তৈরি করতাম। মা এখন সুতা টানতে পারেন না।’

নাসির জানান, গামছাপ্রতি তাদের খরচ হয় ২৫০ টাকা। পাইকারি দর ৩০০ টাকা আর খুচরা মূল্য ৩৫০ টাকা। এতো অল্প লাভে এখন টিকে থাকাই দায় হয়ে পড়েছে। পারিশ্রমিক ধরলে লোকসানই গুণতে হয়।

দেশ এবং দেশের বাইরে এখনও ঝালকাঠির গনি মিঞার গামছার চাহিদা আছে, কিন্তু পুঁজি ও লোকবল অভাবে উৎপাদন কমে গেছে। ঐতিহ্য ধরে রাখতেই কেবল এখনও তাঁতের গামছা বুনে যাচ্ছেন তারা।

জেল্লা হারাচ্ছে গণি মিঞার গামছা

শহরের অনেক পরিবার কলকাতায় তাদের স্বজনদের এই গামছা পাঠায়। সেখান থেকেও কিছু অর্ডার আসে আর মহাজনদের কাছেও পাইকারি দরে কিছু গামছা দেয়া হয়।

গনি মিঞার দূর সম্পর্কের আত্মীয় আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী পারভীন বেগম হস্তচালিত তাঁত মেশিনে ১৭ বছর ধরে গামছা বোনেন। নিউজবাংলাকে পারভীন বেগম জানান, তার তাঁত মেশিন ছোট। তাই তার তৈরি গামছার সাইজও একটু ছোট। সোয়া চার হাত দৈর্ঘ্য ও আড়াই হাত বহরের গামছা বুনতে পারেন, যার পাইকারি দর ২০০ টাকা এবং খুচরা দাম আড়াইশ টাকা। তিনি গামছা বুনে গনি মিয়ার সিল লাগিয়ে বাজারে বিক্রি করেন।

স্থানীয়রা বলেন, এক সময় দিন-রাত খটাস খটাস শব্দ হতো বাসন্ডার তাঁতী পল্লীতে। গনি মিয়ার বাড়িসহ আশপাশের বাড়িগুলোতে মহাজনদের ভিড় লেগেই থাকত। বাসন্ডা এলাকার লাল মিয়া জানান, এক সময় গামছা কেনার সিরিয়াল আগে পাওয়ার জন্য তাঁতীদের সুতা কেনা বাবদ অগ্রিম টাকা দিয়ে যেত মহাজনরা। তাঁতী বাড়ির সেই সুদিন কমে গেছে। তবে এখনও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে গামছা কিনতে গনি মিয়ার বাড়িতে মহাজনেরা আসেন।

সত্তরোর্ধ স্থানীয় বাসিন্দা নুরুল ইসলাম মিঞা জানান, গনি মিয়ার ছেলে নাসির এবং আনোয়ারের স্ত্রী পারভীন বেগমের মতো জেলার আরও তিনটি উপজেলায় এখনও ১০ থেকে ১৫টি পরিবার এ তাঁত শিল্পকে আঁকড়ে আছে। ব্যবসায়ীদের কেউ কেউ পাওয়ার লুমে গামছা বুনো ঝালকাঠির তাঁতের গামছার লেভেল নকল করে বাজারজাত করছে। ফলে তাঁতে তৈরি প্রকৃত গামছা ব্যবসায়ীরা বাজার হারাচ্ছে। কারণ পাওয়ার লুমের কাছে হস্তচালিত তাঁত মেশিন খরচের প্রতিযোগিতায় টিকতে পারে না।

ব্যবসায়ী জানে আলম জনি বলেন, ‘এখনও সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ঝালকাঠি সফরে এলে তাদেরকে শীতল পাটি এবং গনি মিয়ার গামছা উপহার দেয়া হয়। প্রবাসী সন্তানদের জন্য এই গামছা এখনও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাঠায় তাদের মা-বাবারা। আমি জাপানে অনেক গামছা উপহার হিসেবে পাঠিয়েছি। গনি মিঞার গামছা আমাদের ঝালকাঠির ইতিহাসের মাইল ফলক।’

কলকাতার দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার বনগাঁ এলাকার কাপড় ব্যবসায়ী উত্তম দেবনাথ বলেন, ‘গোটা কলকাতায় ছিল ঝালকাঠির গনি মিয়ার তাঁতের গামছার কদর। কলকাতার বিধান নগর থেকে কৃষ্ণনগর-লালগোলা যাত্রীবাহী ট্রেনে হকাররা “বাংলার গামছা” নামে ঝালকাঠির গামছা বিক্রি করত। বাংলাদেশ থেকে কেউ এলে আমরা এখনও বলি আমাদের জন্য ঝালকাঠির গামছা নিয়ে আসতে।’

ঝালকাঠির তাঁত কারিগররা জানান, হস্তচালিত একটি তাঁত চালিয়ে প্রতিদিন দুটির বেশি গামছা তৈরি করা সম্ভব হয় না। এক বান্ডেল সুতা বরিশালের মহাজনের দোকান থেকে ২ হাজার টাকায় কিনতে হয়। ৬ বান্ডেল সুতা দিয়ে সর্বোচ্চ দেড়শ পিস গামছা তৈরি করা যায়। এ গামছার সাইজ ২ থেকে ৩ হাত। প্রতিটি গামছা তৈরির মজুরি পড়ে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। সুতা ও মজুরি মিলিয়ে প্রায় ২৫ হাজার টাকা পুঁজি খাটিয়ে আয় আসে সর্বোচ্চ ৩৫ হাজার টাকা। দুই মাসে ১০ হাজার টাকা আয় দিয়ে বর্তমান বাজারে একটি পরিবার চালানো অসম্ভব।

এ ব্যাপারে কথা হয় ঝালকাঠি চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আলহাজ সালাহ উদ্দীন আহমেদ সালেকের সঙ্গে। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গামছা ঝালকাঠির একটি শিল্প। এ শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে আমাদের চেষ্টা থাকবে। সংসদ সদস্য আমির হোসেন আমুর নির্দেশ রয়েছে, কোনো ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী কোনো ব্যাংক কিংবা বিসিকে ঋণের আবেদন করলে তাকে ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। আমাদের কাছে কেউ এলে চেম্বারের পক্ষ থেকে তাদের সহযোগিতা করা হবে।’

আরও পড়ুন:
আপনারা এবার অফ যান: সাংবাদিকদের ইউএনও
ভারতে পাঠানোর হুমকি দেয়া সেই ইউএনও বদলি
‘পিটিয়ে ভারত পাঠিয়ে দেয়ার’ হুমকি ইউএনওর
জীবন নিয়ে ‘শঙ্কায়’ রাবির আরাফাত
হত্যার হুমকির অভিযোগ বাউফল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

শেয়ার করুন

আন্দোলন করার সময় এসেছে: ছাত্রদল

আন্দোলন করার সময় এসেছে: ছাত্রদল

ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল বলেন, ‘এখন সময় এসেছে আন্দোলন করার, দেশ নেত্রী‌কে মুক্ত করার এবং দে‌শে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার।’

দলের হাইকমান্ডকে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করার আহ্বান জানিয়েছে ছাত্রদল। বিএনপির এই ছাত্র সংগঠনটি বলছে, আন্দোলন করে দলীয় প্রধান বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার এখনই সময়।

রাজধানীর নয়া পল্টনে মঙ্গলবার দুপুরে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশে এসব কথা বলেন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল। তিনি বলেন, ‘এখন সময় এসেছে আন্দোলন করার, দেশ নেত্রী‌কে মুক্ত করার এবং দে‌শে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার।’

ছাত্রদলের এই নেতা বলেন, ‘দেশ নেত্রী বেগম খা‌লেদা জিয়া ভীষণ অসুস্থ‌ অথচ এই স্বৈরশাসক আইনের দোহাই দি‌য়ে তা‌কে বি‌দে‌শে সু‌চি‌কিৎসার জন‌্য যে‌তে দি‌চ্ছে না। তারা নি‌জেরা আইন মা‌নে না, অথচ আইনের দোহাই দেয়।

আগামী দিনের আন্দোলনে ছাত্রদল সামনের কাতারে থাকবে জানিয়ে শ্যামল বলেন, ‘সাম‌নে আন্দোল‌নের ঘোষণা আস‌বে, সেই আন্দোলনে বাংলা‌দেশ জাতীয়তাবা‌দী ছাত্রদল অগ্রণী ভূ‌মিকা রাখ‌বে।’

ঢাকসুর সাবেক ভিপি ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আব্দুস সালাম, শহিদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, রফিকুল আলম মজনু, আমিনুল ইসলাম, সাইফুল আলম নীরব, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন, শহিদুল ইসলাম বাবুল, ফজলুর রহমান খোকন, মোস্তাফিজুর রহমান, আব্দুল কাদের ভূইয়া জুয়েল, আফরোজা আব্বাস, সুলতানা আহমেদ, হেলাল খান, জাকির হোসেন রোকন, আব্দুর রহিমসহ আরও অনেকে।

বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে নয়াপল্টন ও এর আশপাশের এলাকায় বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়ন করা হয়।

আরও পড়ুন:
আপনারা এবার অফ যান: সাংবাদিকদের ইউএনও
ভারতে পাঠানোর হুমকি দেয়া সেই ইউএনও বদলি
‘পিটিয়ে ভারত পাঠিয়ে দেয়ার’ হুমকি ইউএনওর
জীবন নিয়ে ‘শঙ্কায়’ রাবির আরাফাত
হত্যার হুমকির অভিযোগ বাউফল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

শেয়ার করুন

দুই ঘণ্টার চেষ্টায় নিভল পোশাক কারখানার আগুন

দুই ঘণ্টার চেষ্টায় নিভল পোশাক কারখানার আগুন

স্টেশন অফিসার তাশারুফ হোসেন বলেন, পাঁচ তলা ভবনের নিচ তলার ফেব্রিকস ও এক্সেসরিজের গুদামে আগুনের সূত্রপাত। প্রথমে কাশিমপুর ডিবিএলের একটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে জয়দেবপুর ও কালিয়াকৈরের থেকে আরও ছয়টি ইউনিট যোগ দেয়। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। তবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্তের পর জানা যাবে।

গাজীপুরের কোনাবাড়িতে পোশাক কারখানায় লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

জরুন এলাকার রিপন গার্মেন্টসে মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১২টার দিকে আগুন লাগে, নিয়ন্ত্রণে আসে দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জয়দেবপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার তাশারুফ হোসেন।

তিনি বলেন, পাঁচ তলা ভবনের নিচ তলার ফেব্রিকস ও এক্সেসরিজের গুদামে আগুনের সূত্রপাত। প্রথমে কাশিমপুর ডিবিএলের একটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে জয়দেবপুর ও কালিয়াকৈরের থেকে আরও ছয়টি ইউনিট যোগ দেয়। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। তবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্তের পর জানা যাবে।

কারখানার নিরাপত্তাকর্মী কাজল কুমার ও বিপ্লব বলেন, দুপুর সোয়া ১২ টার দিকে হঠাৎ নিচতলার গুদামে আগুন লাগে। পরে ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

শ্রমিক হাবিব বলেন, ‘কারখানায় প্রায় ৩ হাজার শ্রমিক কাজ করেন। হঠাৎ নিচতলায় আগুন লাগলে আমরা সবাই নিরাপদে বের হয়ে যাই।’

এ বিষয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:
আপনারা এবার অফ যান: সাংবাদিকদের ইউএনও
ভারতে পাঠানোর হুমকি দেয়া সেই ইউএনও বদলি
‘পিটিয়ে ভারত পাঠিয়ে দেয়ার’ হুমকি ইউএনওর
জীবন নিয়ে ‘শঙ্কায়’ রাবির আরাফাত
হত্যার হুমকির অভিযোগ বাউফল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

শেয়ার করুন

কিশোরীর আত্মহত্যা: স্কুল কমিটির সদস্য গ্রেপ্তার

কিশোরীর আত্মহত্যা: স্কুল কমিটির সদস্য গ্রেপ্তার

কিশোরীকে যৌন নির্যাতন ও আত্মহত্যার প্ররোচনা দেয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার এই ব্যক্তি। ছবি: নিউজবাংলা

মামলার বরাত দিয়ে ওসি জানান, স্কুলের পরিত্যক্ত ভবনের ছাদে নিয়ে ওই কিশোরীর ওপর যৌন নির্যাতন চালায় রফিকুল ও সহযোগী শাহিনুর- এমন অভিযোগে তাদের আসামি করে গত ৮ নভেম্বর ক্ষেতলাল থানায় মামলা করেন কিশোরীর বাবা। এরপর গত ১৮ নভেম্বর দুপুরে ওই কিশোরীকে রফিকুল, শাহিনুর ও অন্য আসামিরা অপমান করেন। ওইদিন বিকেলে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে ওই স্কুলছাত্রী।

জয়পুরের ক্ষেতলালে এক স্কুলছাত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেয়ার অভিযোগে বড়তারা উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য রফিকুুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নীরেন্দ্র নাথ মণ্ডল জানান, রফিকুলকে সোমবার সন্ধ্যায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার নামে স্কুলছাত্রীকে যৌন নির্যাতন ও আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেয়ার অভিযোগে মামলা আছে।

ওই স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী গত ১৮ নভেম্বর নিজ ঘরে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার বরাত দিয়ে ওসি জানান, স্কুলের পরিত্যক্ত ভবনের ছাদে নিয়ে ওই কিশোরীর ওপর যৌন নির্যাতন চালায় রফিকুল ও সহযোগী শাহিনুর- এমন অভিযোগে তাদের আসামি করে গত ৮ নভেম্বর ক্ষেতলাল থানায় মামলা করেন কিশোরীর বাবা। মামলার পর থেকে মেয়েটির পরিবারকে হুমকি দিয়ে আসছিলেন আসামিরা।

এরপর গত ১৮ নভেম্বর দুপুরে নিজ বাড়ির সামনে ওই কিশোরীকে রফিকুল, শাহিনুর ও অন্য আসামিরা অপমান করেন। যৌন নির্যাতনের জন্য তাকেই দায়ী করে মামলা তুলে নেয়ার হুমকি দেন। মামলা প্রত্যাহার না করলে রফিকুল তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করারও হুমকি দেন তাকে। এ কারণে ওইদিন বিকেলে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে ওই স্কুলছাত্রী।

আত্মহত্যার পর ওই কিশোরীর সুইসাইড নোট পাওয়ার দাবি করে তার পরিবার। মামলার এজাহারেও সুইসাইড নোটের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর পর থেকেই রফিকুল পলাতক ছিলেন।

ওসি আরও জানান, রফিকুলের এক ছেলে ও এক মেয়ে ওই স্কুলেই পড়ে। যে স্কুলছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ তার বিরুদ্ধে, সে ওই স্কুলের অষ্টম শ্রেণিতে পড়ত। সে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী বলে মামলায় উল্লেখ করা আছে। তার মৃত্যুর পরদিন রফিকুল ও শাহিনুরসহ পাঁচজনের নামে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে আরেকটি মামলা করেন কিশোরীর বাবা।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহারুল আলম বলেন, ‘আসামি রফিকুল ওই কিশোরীকে এক বছর থেকে বিভিন্নভাবে যৌন নির্যাতন চালানোর বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তাকে মঙ্গলবার আদালতে তোলার কথা রয়েছে।’

ক্ষেতলাল থানার ওসি নীরেন্দ্র নাথ জানান, দুই মামলায় এখন পর্যন্ত দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে আরেকজন হলেন রফিকুলের মামা আব্দুর রাজ্জাক। অন্য তিন আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন:
আপনারা এবার অফ যান: সাংবাদিকদের ইউএনও
ভারতে পাঠানোর হুমকি দেয়া সেই ইউএনও বদলি
‘পিটিয়ে ভারত পাঠিয়ে দেয়ার’ হুমকি ইউএনওর
জীবন নিয়ে ‘শঙ্কায়’ রাবির আরাফাত
হত্যার হুমকির অভিযোগ বাউফল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

শেয়ার করুন