ভ্রাম্যমাণ আদালতের ওপর হামলা, আহত ৪

ভ্রাম্যমাণ আদালতের ওপর হামলা, আহত ৪

ভ্রাম্যমাণ আদালতের ওপর হামলার পর জোরদার করা হয় নিরাপত্তা। ছবি: নিউজবাংলা

অভিযোগ রয়েছে, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় বাজারের কাপড় ব্যবসায়ী মো. লিটন মিয়ার সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে বিজিবির এক সদস্য লিটনকে মারধর করেন।

শেরপুরের শ্রীবরদীতে কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় প্রশাসনের ওপর হামলা হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন বিজিবি ও পুলিশের দুজন করে সদস্য।

উপজেলার ঝগড়ারচর বাজারে বুধবার বেলা ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন ময়মনসিংহের বিজিবি ৩৯ ব্যাটালিয়নের সদস্য মো. রুবেল খন্দকার ও মো. সবুজ। পুলিশের সদস্যরা হলেন শ্রীবরদী থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. আজহারুল হক ও কনস্টেবল মো. জান্নাত।

আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, বুধবার বেলা ১টার দিকে লকডাউন বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম আল আমীন ও সানাউল মোর্শেদের নেতৃত্বে উপজেলার ঝগড়ারচর বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

এ সময় বাজারের কাপড় ব্যবসায়ী মো. লিটন মিয়ার সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে বিজিবির এক সদস্য লিটনকে মারধর করেন।

লিটনের অভিযোগ, ভ্রাম্যমাণ আদালত চলাকালে তার দোকান বন্ধ ছিল। তিনি দোকানের সামনে বসে মাস্ক বিক্রি করছিলেন। বিনা কারণে বিজিবির সদস্যরা তাকে মারধর করেন।

ঝগড়ারচর বাজার বণিক সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আলমাছ আলী বলেন, কাপড় ব্যবসায়ী লিটনকে মারধর করার খবরে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন।

শ্রীবরদীর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিলুফা আক্তার অবশ্য লিটনকে মারধরের কথা অস্বীকার করেছেন।

তিনি বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় কাউকে মারধর করা হয়নি। বরং প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অত্যন্ত সহনশীল আচরণ করেন। যারা ভ্রাম্যমাণ আদালতের ওপর হামলা চালিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার বিশ্বাস বলেন, ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। থানায় একটি নিয়মিত মামলা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।

আরও পড়ুন:
কারেন্ট জাল ধ্বংস, চায়না জাল তৈরির কারখানা বন্ধ
ভ্রাম্যমাণ আদালত: কাজ ছাড়া পথে নেই মানুষ  
পটোল ক্ষেতে গাঁজা চাষ, এক বছরের সাজা
৪ কোম্পানিকে ২৪ লাখ টাকা জরিমানা
বগুড়ায় হাসপাতালে অভিযান, ৭ দালালের কারাদণ্ড

শেয়ার করুন

মন্তব্য

কলেজে অস্ত্র নিয়ে ছাত্রলীগের মহড়া

কলেজে অস্ত্র নিয়ে ছাত্রলীগের মহড়া

দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহড়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ছবি: নিউজবাংলা

শনিবার সকাল পৌনে ১১টার দিকে কলেজ প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। এই মহড়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে দেখা গেছে, মহড়ায় থাকা সবার হাতে দেশীয় অস্ত্র। তারা বিএনপি-জামায়াতবিরোধী শ্লোগান দিচ্ছে।

গাজীপুরের শ্রীপুরে মুক্তিযোদ্ধা রহমত আলী সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহড়া দেয়ায় অভিযোগ উঠেছে। এ সময় ছাত্রলীগ কর্মীদের হামলায় ৫ ছাত্রদল কর্মী আহত হয় বলে দাবি করেছে কলেজ শাখা ছাত্রদল।

শনিবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে কলেজ প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে।

মহড়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে দেখা গেছে, মহড়ায় সবার হাতে দেশীয় অস্ত্র। তারা বিএনপি-জামায়াতবিরোধী শ্লোগান দিচ্ছে।

ছাত্রদল নেতাকর্মীদের অভিযোগ, ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হামলায় কলেজ শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ইমরান মৃধা, সদস্য সচিব নাজমুল হোসাইন, যুগ্ম আহ্বায়ক খোরশেদ আলমসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন।

কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব নাজমুল হোসাইন বলেন, ‘সকালে ছাত্রদলের কয়েকজন কলেজে আসামাত্র ছাত্রলীগ নেতা সাইফ হাসানের নেতৃত্বে ২০-২৫ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। এতে ৫ জন আহত হয়। এ সময় ছাত্রদলের কাউকে কলেজে ঢুকতে দেয়া হবে না বলে ঘোষণা দেন ছাত্রলীগ নেতারা।’

অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কলেজ ছাত্রলীগ নেতা সাইফ হাসান। তার দাবি, প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর শ্লোগান দিচ্ছিলেন ছাত্রদল নেতারা। তাদের কেবল বাধা দেয়া হয়েছে। হামলার অভিযোগ বানোয়াট।

কলেজের অধ্যক্ষ নুরুন্নবী আকন্দ বলেন, ‘ক্যাম্পাসে অস্ত্রসহ মহড়ার ঘটনা ঘটেছে। তারা মহড়া দিয়ে চলে গেছে। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তবে যারা মহড়া দিয়েছে তারা কলেজের শিক্ষার্থী কিনা তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ ঘটনায় কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্টাফ কাউন্সিলের সেক্রেটারি ও ইতিহাস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সেলিম মোল্লাকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোন্দকার ইমাম হোসেন জানান, বিষয়টি শুনেছি। তবে এ ঘটনায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
কারেন্ট জাল ধ্বংস, চায়না জাল তৈরির কারখানা বন্ধ
ভ্রাম্যমাণ আদালত: কাজ ছাড়া পথে নেই মানুষ  
পটোল ক্ষেতে গাঁজা চাষ, এক বছরের সাজা
৪ কোম্পানিকে ২৪ লাখ টাকা জরিমানা
বগুড়ায় হাসপাতালে অভিযান, ৭ দালালের কারাদণ্ড

শেয়ার করুন

জন্মনিরোধক পিলও নকল

জন্মনিরোধক পিলও নকল

প্রতীকী ছবি

নকল জন্মনিরোধক পিলের মধ্যে আছে আইপিল। অরক্ষিত শারীরিক সম্পর্কের পর এটি জরুরি ভিত্তিতে হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এই ধরনের পিলের দাম স্বাভাবিক জন্মনিরোধক পিলের তুলনায় বেশি।

ভেজাল ওষুধ হিসেবে এবার জব্দ হলো জন্মনিরোধক পিল।

শনিবার রাজধানীর বাবুবাজারে সুরেশ্বরী মেডিসিন প্লাজায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নকল ওষুধ জব্দ করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। এর মধ্যে জন্মনিরোধক পিলও রয়েছে।

নকল ওষুধ উৎপাদন ও বিক্রির অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। তারা হলেন- মেডিসিন ওয়ার্ল্ডের ফয়সাল আহমেদ, লোকনাথ ড্রাগের সুমন চন্দ্র মল্লিক ও রাফসান ফার্মেসির লিটন গাজী।

গোয়েন্দা পুলিশের লাগবাগ বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার সাইফুর রহমান আজাদ নিউজাবাংলাকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, নকল জন্মনিরোধক পিলের মধ্যে আছে আইপিল। অরক্ষিত শারীরিক সম্পর্কের পর এটি জরুরি ভিত্তিতে হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এই ধরনের পিলের দাম স্বাভাবিক জন্মবিরোধ পিলের তুলনায় বেশি।।

ডিবির অতিরিক্ত উপ কমিশনার সাইফুর রহমান আজাদ বলেন, ‘জড়িতরা অধিক লাভের আশায় দীর্ঘদিন ধরে এসব দেশি ও বিদেশি নামিদামি ব্র্যান্ডের ওষধ ও ক্রিম উৎপাদন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত। পলাতক কয়েকজন আসামির কাছ থেকে এগুলো সংগ্রহ করে মিটফোর্ড এলাকায় বাজারজাত করত।’

গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে ডিএমপির কোতোয়ালি থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
কারেন্ট জাল ধ্বংস, চায়না জাল তৈরির কারখানা বন্ধ
ভ্রাম্যমাণ আদালত: কাজ ছাড়া পথে নেই মানুষ  
পটোল ক্ষেতে গাঁজা চাষ, এক বছরের সাজা
৪ কোম্পানিকে ২৪ লাখ টাকা জরিমানা
বগুড়ায় হাসপাতালে অভিযান, ৭ দালালের কারাদণ্ড

শেয়ার করুন

বাইকে ট্রাকের ধাক্কায় কাস্টমস পরিদর্শক নিহত

বাইকে ট্রাকের ধাক্কায় কাস্টমস পরিদর্শক নিহত

ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আশ্রাফুল ইসলাম জানান, সাহাজত আরও দুই জন নিয়ে হিলি থেকে বাইকে সৈয়দপুর বিমানবন্দর যাচ্ছিলেন। ফুলবাড়ী শহরের রেলক্রসিংয়ের সামনে একটি ট্রাক তাদের ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে সাহাজত নিহত হন।

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে বাইকে ট্রাকের ধাক্কায় কাস্টমস পরিদর্শক সাহাজত আলী নিহত হয়েছেন।

ফুলবাড়ী পৌর শহরের রেলক্রসিংয়ের সামনে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

সাহাজত আলী ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলের নেকমরদ গ্রামের বাসিন্দা। তিনি দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলা কাস্টমসের পরিদর্শক ছিলেন।

ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশ্রাফুল ইসলাম জানান, সাহাজত হিলি থেকে মোটরসাইকেলে সৈয়দপুর বিমানবন্দর যাচ্ছিলেন। একই বাইকে ছিলেন আমিনুর রহমান ও হরিশ চন্দ্র রায় নামের আরও দুই জন।

শহরের রেলক্রসিংয়ের সামনে বিপরীত দিক থেকে আসা বালুবোঝাই একটি ট্রাক তাদের ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে সাহাজত নিহত হন। দুর্ঘটনায় বাইকের অপর দুই যাত্রী গুরুতর আহত হন। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

ওসি আরও জানান, ট্রাকচালক হাফিজুর রহমান রাজুকে আটক করেছে পুলিশ। এ ব্যাপারে থানায় ইউডি মামলা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
কারেন্ট জাল ধ্বংস, চায়না জাল তৈরির কারখানা বন্ধ
ভ্রাম্যমাণ আদালত: কাজ ছাড়া পথে নেই মানুষ  
পটোল ক্ষেতে গাঁজা চাষ, এক বছরের সাজা
৪ কোম্পানিকে ২৪ লাখ টাকা জরিমানা
বগুড়ায় হাসপাতালে অভিযান, ৭ দালালের কারাদণ্ড

শেয়ার করুন

পাহাড়ে ১০ কোটি টাকার কাজ বাগাতে ঠিকাদারদের সিন্ডিকেট

পাহাড়ে ১০ কোটি টাকার কাজ বাগাতে ঠিকাদারদের সিন্ডিকেট

রাঙামাটির বিভিন্ন উপজেলায় রিংওয়েল ও গভীর নলকূপ স্থাপনের জন্য ১৩ গ্রুপে ১০ কোটি টাকার কাজের টেন্ডার আহ্বান করে রাঙামাটি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ। ই-জিপি টেন্ডারের দরপত্র আহ্বান করে দেশের দুটি দৈনিকে বিজ্ঞাপন দেয় প্রকৌশল বিভাগ।

অনলাইনে টেন্ডার হলেও জালিয়াতি করে রাঙামাটিতে ১০ কোটি টাকার কাজ ভাগাভাগি করে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। রাঙামাটি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের স্থানীয় ঠিকাদারদের একটি সিন্ডিকেট এই কাজ বাগিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ। এই সিন্ডিকেটের সঙ্গে নাম উঠেছে জেলার নির্বাহী প্রকৌশলীর।

সাধারণ ঠিকাদারদের অভিযোগ, তারা অনলাইনে নিয়ন্ত্রিত টেন্ডার জমা দিতে পারেননি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাঙামাটির বিভিন্ন উপজেলায় রিংওয়েল ও গভীর নলকূপ স্থাপনের জন্য ১৩ গ্রুপে ১০ কোটি টাকার কাজের টেন্ডার আহ্বান করে রাঙামাটি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ। ই-জিপি টেন্ডারের দরপত্র আহ্বান করে দেশের দুটি দৈনিকে বিজ্ঞাপন দেয় প্রকৌশল বিভাগ।

দরপত্রে শর্ত ছিল, ৮ সেপ্টেম্বর মধ্যে তা জমা দিতে হবে। তবে তার এক দিন আগেই নিজেদের সাজানো দরপত্র দিয়ে অনলাইনে টেন্ডার নিয়ন্ত্রণে নেয়ার অভিযোগ ওঠে ওই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে।

চেষ্টা করেও অনলাইনে দরপত্র জমা দিতে না পারায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন কয়েকজন সাধারণ ঠিকাদার।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ঠিকাদার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সিন্ডিকেটটির ঠিকাদাররা প্রত্যেক গ্রুপের কাজে নিজের সিডিউলের (দরপত্র) সমর্থনে তাদের নিয়ন্ত্রিত ঠিকাদারি লাইসেন্সের নামে আরও ৪-৫টি করে ত্রুটিযুক্ত সিডিউল সাজিয়ে অনলাইনে জমা দেন, যাতে করে বাছাইয়ে নিজের সিডিউল টিকিয়ে কাজ পাওয়ার শতভাগ নিশ্চিত করা হয়।’

তার দাবির সঙ্গে অন্য কয়েকজন ঠিকাদারও সমর্থন জানান।

তাদের ভাষ্য, এই কাজ করতে নির্দিষ্ট অংকের কমিশন নিয়েছেন রাঙামাটি স্বাস্থ্য বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী অনুপম দে।

অনুপম দে এমন অভিযোগের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা নেই বলে দাবি করে।

অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ‘প্রচারবহুল পত্রিকায় প্রকাশ করে প্রকাশ্য ই-জিপি টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। যে কোনো জায়গা থেকে বৈধ ঠিকাদাররা অনলাইনে দরপত্র জমা দিতে পেরেছেন।

‘কাজেই এখানে কোনো রকম অনিয়ম বা দুর্নীতির সুযোগ নেই। যারা ইচ্ছুক, সেসব ঠিকাদার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অনলাইনে টেন্ডার জমা দিয়েছেন।’

অনুপম দে বলেন, ‘প্রত্যেক গ্রুপ কাজে ৪-৬টি সিডিউল পাওয়া গেছে। সিডিউলগুলো অনলাইন থেকে নামিয়ে জমা করা হয়েছে। এখনও বাছাই করা হয়নি। যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ ও সঠিক দরদাতাকে কাজ দেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
কারেন্ট জাল ধ্বংস, চায়না জাল তৈরির কারখানা বন্ধ
ভ্রাম্যমাণ আদালত: কাজ ছাড়া পথে নেই মানুষ  
পটোল ক্ষেতে গাঁজা চাষ, এক বছরের সাজা
৪ কোম্পানিকে ২৪ লাখ টাকা জরিমানা
বগুড়ায় হাসপাতালে অভিযান, ৭ দালালের কারাদণ্ড

শেয়ার করুন

ট্রেনে বাচ্চা প্রসবে এগিয়ে আসা সেই চিকিৎসক

ট্রেনে বাচ্চা প্রসবে এগিয়ে আসা সেই চিকিৎসক

ফারজানা তাসনিম।

ট্রেনে সন্তান প্রসব করা সাবিনাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী জানিয়েছেন, মা-মেয়ে দুজনই এখন ভালো আছে।

রাত তখন সাড়ে ৯টা। গত বৃহস্পতিবার এই সময়টাতে খুলনা থেকে রাজশাহীগামী ট্রেনে নিজের আসনেই বসেছিলেন ফারজানা তাসনিম। যাচ্ছিলেন বাড়ি। রাজশাহী নগরীর উপশহরেই তার বাসা।

হঠাৎ করেই ট্রেনের মাইকে একটি জরুরি ঘোষণা ভেসে এল। প্রসবব্যথা শুরু হয়েছে এক নারীর! এ অবস্থায় ট্রেনে কোনো চিকিৎসক আছেন কি না, জানতে চাইছিলেন একজন।

৪২তম বিসিএসে উত্তীর্ণ ফারজানা তাসনিম সহকারী সার্জন হিসেবে যোগদানের অপেক্ষা করছেন। তাই মাইকের ঘোষণাটি শুনে তিনি আর বসে থাকতে পারেননি। দৌড়ে গেলেন ব্যথায় কাতর সেই নারীর কাছে।

ততক্ষণে অবশ্য সেই নারী এক কন্যাসন্তান প্রসব করে ফেলেছেন। কিন্তু এ নিয়ে মহা ফ্যাসাদে পড়েছেন তার কাছে থাকা স্বজনরা। কারণ সন্তান প্রসবের পরও আরও কিছু জটিলতা থেকে যায়। এ ব্যাপারে দক্ষ মানুষেরাই তার সমাধান করতে পারেন।

ফারজানা তাসনিম দেখতে পান শিশুটির নাড়ি তখনও মায়ের গর্ভের সঙ্গে আটকে আছে। সুদক্ষ চিকিৎসকের মতোই দ্রুততার সঙ্গে সদ্যোজাত শিশুর নাড়িটি কেটে দেন তিনি। তার আকস্মিক এমন আবির্ভাবে স্বস্তি ফিরে আসে স্বজনদের মধ্যে। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো, সন্তান প্রসব করা সেই নারীও সাহস ফিরে পান।

ট্রেনের মধ্যে সন্তান প্রসব করা সাবিনা ইয়াসমিনের বাড়ি কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায়। সন্তান প্রসবের জন্যই তাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তার আগেই ট্রেনের মধ্যে সন্তান প্রসব করায় মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে ছিলেন তিনি। ঝুঁকিতে ছিল তার সদ্যোজাত কন্যাসন্তানও। তবে চিকিৎসক ফারজানা তাসনিম দেবদূতের মতো হাজির হয়ে তাদের রক্ষা করেন।

ফারজানা বলেন, ‘সাধারণত বাচ্চা ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরই মায়ের সঙ্গে যে নাড়ি থাকে সেটি কেটে ফেলতে হয়। বেশি দেরি হলে মায়ের সমস্যা না হলেও বাচ্চার সমস্যা হতে পারে। সেই সমস্যা থেকে বাচ্চা মারাও যেতে পারে।’

সন্তান প্রসবের ঘটনায় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের প্রশংসা করেন ফারজানা। তিনি বলেন, ‘তারা একটা পরিবেশ করে দিয়েছেন। বগিটা ফাঁকা করেছে। যখন যা দরকার দিয়েছেন। এমনকি ফাস্ট এইড বক্সও তারাই সরবরাহ করেছেন। শুধু তা-ই নয়, ট্রেনটি দ্রুত গতিতে চালিয়ে তারা রাজশাহীতে নিয়ে এসেছেন।’

রাজশাহী নিউ গভ. ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করার পর বগুড়ার শহীদ জিয়াাউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন ফারজানা তাসনিম। ইন্টার্ন করেন সেখান থেকেই। এরপর রাজশাহী সিটি করপোরেশনের আরবান হেলথ কেয়ারে চাকরি করেছেন। তার বাবা সোলায়মান আলী গণপূর্ত বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত প্রকৌশলী।

সাবিনা ও তার কন্যাসন্তান এখনও রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আছে। সাবিনাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী জানান, মা-মেয়ে দুজনই এখন ভালো আছে।

আরও পড়ুন:
কারেন্ট জাল ধ্বংস, চায়না জাল তৈরির কারখানা বন্ধ
ভ্রাম্যমাণ আদালত: কাজ ছাড়া পথে নেই মানুষ  
পটোল ক্ষেতে গাঁজা চাষ, এক বছরের সাজা
৪ কোম্পানিকে ২৪ লাখ টাকা জরিমানা
বগুড়ায় হাসপাতালে অভিযান, ৭ দালালের কারাদণ্ড

শেয়ার করুন

নোয়াখালীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত কমিটি

নোয়াখালীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত কমিটি

পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড নোয়াখালীর জেনারেল ম্যানেজার গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবুল কাশেম সরদারকে প্রধান এবং উপপরিচালক আবদুল আলিমকে সদস্য করে দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছে। শিগগির তারা প্রতিবেদন দেবেন।’

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে তার ছিঁড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একসঙ্গে চারজনের মৃত্যুর ঘটনায় দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি করেছে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড।

বিদ্যুতায়ন বোর্ড নোয়াখালীর জেনারেল ম্যানেজার গোলাম মোস্তফা শনিবার বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ‘বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবুল কাশেম সরদারকে প্রধান এবং উপপরিচালক আবদুল আলিমকে সদস্য করে তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছে।’

তবে কত দিনের মধ্যে কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবে তা নির্দিষ্ট করে বলতে পারেননি গোলাম মোস্তফা। এ প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এসব ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন দ্রুত সময়ের মধ্যেই দেয়া হয়।’

উপজেলার বজরা ইউনিয়নের শিলমুদ গ্রামে আব্দুর রহিম সুপার মার্কেটের সামনে শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে চারজনের মৃত্যু হয়।

মৃত ব্যক্তিরা হলেন ওই মার্কেটের মালিক আব্দুর রহিম, মো. ইউসুফ, মো. সুমন ও মো. জুয়েল। তাদের সবার বাড়ি শিলমুদ গ্রামে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুপুরের দিকে বৃষ্টি হয়েছিল। পানিতে বৈদ্যুতিক খুঁটিটি বিদ্যুতায়িত হয়ে ছিল। খুঁটি লাগোয়া একটি গাছও বিদ্যুতায়িত ছিল। সেই গাছের ডালের সঙ্গে হাত লাগে আব্দুর রহিমের। তাকে বাঁচাতে এ সময় পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ইউসূফ, সুমন ও জুয়েল এগিয়ে যান। এতে তারাও বিদ্যুতায়িত হন।

শনিবার সকাল ১০টার দিকে প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে ময়নাতদন্ত ছাড়া শিলমুদ মধ্যপাড়া মসজিদ প্রাঙ্গণে তাদের দাফন করা হয়।

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একসঙ্গে চারজনের মৃত্যুর ঘটনায় পল্লী বিদ্যুতের অব্যবস্থাপনাকেই দায়ী করছেন স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, ঝুঁকিপূর্ণ এই খুঁটি সরাতে কর্মকর্তাদের অনুরোধ করলেও, তা আমলে নেয়া হয়নি।

স্থানীয় বাসিন্দা শহীদ উল্ল্যাহ্‌ বলেন, ‘প্রায় ৩৫ বছর আগে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এখানে খুঁটি স্থাপন করে সংযোগ দেয়। ১০ বছর আগে এলাকার বিদ্যুৎ সরবরাহের এখতিয়ার চলে যায় বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের অধীনে। তারা ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক খুঁটি সরাতে কোনো উদ্যোগ নেয়নি। বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানানো হলেও তারা কর্ণপাত করেননি।’

নিহত আব্দুর রহিমের শ্যালক মোরশেদ আলম বলেন, ‘অনেকবার তাদের খুঁটি সরাতে বলেছি। তারা সরায়নি। তাদের কাছে মানুষের জীবনের কোনো মূল্য নেই।’

পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড নোয়াখালীর জেনারেল ম্যানেজার গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘দুই মাস আগে ওই খুঁটিটি সরাতে গেলে মার্কেটের মালিক আব্দুর রহিম বাধা দেন। এজন্য খুঁটি সরানো হয়নি। দ্রুতই ঝুঁকিপূর্ণ সব খুঁটি সরিয়ে ফেলা হবে।’

সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘মরদেহগুলোর সুরতহাল শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।’

সোনাইমুড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলুর রহমান বলেন, ‘জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে মৃতদের তালিকা পাঠিয়েছি। সেখান থেকে তাদের পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা করা হবে।’

নোয়াখালী জেলায় গত এক সপ্তাহে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেলেন ৬ জন। গত বুধবার সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নে পল্লী বিদ্যুতের হেলে পড়া একটি খুঁটির তারে লেগে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান মফিজ উল্যাহ নামের এক ব্যক্তি।

মফিজ উল্যাহর পরিবারের অভিযোগ, খুঁটি সরাতে একাধিকবার আবেদন করা হলেও কর্তৃপক্ষ তা সরায়নি।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর কবিরহাট পৌর এলাকায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান সাজ্জাদ হোসেন রিফাত নামের আরও এক স্কুলছাত্র।

আরও পড়ুন:
কারেন্ট জাল ধ্বংস, চায়না জাল তৈরির কারখানা বন্ধ
ভ্রাম্যমাণ আদালত: কাজ ছাড়া পথে নেই মানুষ  
পটোল ক্ষেতে গাঁজা চাষ, এক বছরের সাজা
৪ কোম্পানিকে ২৪ লাখ টাকা জরিমানা
বগুড়ায় হাসপাতালে অভিযান, ৭ দালালের কারাদণ্ড

শেয়ার করুন

প্রাইমারি ডিলারে সেরা ব্যাংক এনআরবিসি

প্রাইমারি ডিলারে সেরা ব্যাংক এনআরবিসি

সরকারি সিকিউরিটিজ ট্রেজারি বিল ও বন্ড ক্রয়ের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অনুমোদন প্রাপ্ত ব্যাংকগুলোকে প্রাইমারি ডিলার ব্যাংক বলা হয়। এই ব্যাংকগুলো বিল ও বন্ড ক্রয়ের জন্য সরাসরি নিলামে অংশগ্রহণ করতে পারে। দেশের ৬১টি ব্যাংকের মধ্যে ২০টি ব্যাংক প্রাইমারি ডিলার হিসেবে লাইসেন্স প্রাপ্ত। প্রাইমারি ডিলার ব্যাংকগুলোর সংগঠনের নাম ‘প্রাইমারি ডিলারস্ বাংলাদেশ লিমিটেড (পিডিবিএল)।

এনআরবি কমার্শিয়াল (এনআরবিসি) ব্যাংককে সেরা প্রাইমারি ডিলার ব্যাংক হিসেবে নির্বাচিত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

গত বছরের শেষ প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) সর্বোচ্চ সরকারি ট্রেজারি বিল ও বন্ড ক্রয় করায় ব্যাংকটিকে এই মনোনয়ন দেয়া হয়। পুরস্কার হিসেবে ব্যাংকটিকে নগদ কমিশন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক তার চিঠিতে উল্লেখ করেছে, এনআরবিসি ব্যাংককে অক্টোবর-ডিসেম্বর ত্রৈমাসিকে সেরা প্রাইমারি ডিলার নির্বাচন ও আন্ডাররাইটিং কমিশন হিসেবে ৫ লাখ ৩৫ হাজার ৪২০ টাকা দেয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, সরকারি সিকিউরিটিজ ট্রেজারি বিল ও বন্ড ক্রয়ের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অনুমোদন প্রাপ্ত ব্যাংকগুলোকে প্রাইমারি ডিলার ব্যাংক বলা হয়। এই ব্যাংকগুলো বিল ও বন্ড ক্রয়ের জন্য সরাসরি নিলামে অংশগ্রহণ করতে পারে। সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে এই নিলাম কার্যক্রম পরিচালনা করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

দেশের ৬১টি ব্যাংকের মধ্যে ২০টি ব্যাংক প্রাইমারি ডিলার হিসেবে লাইসেন্স প্রাপ্ত। প্রাইমারি ডিলার ব্যাংকগুলোর সংগঠনের নাম ‘প্রাইমারি ডিলারস্ বাংলাদেশ লিমিটেড (পিডিবিএল)।

এনআরবিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান এসএম পারভেজ তমাল বলেন, ‘স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রমের পাশাপাশি সরকারের সব ধরনের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত এনআরবিসি ব্যাংক। সরকার উন্নয়ন কাজ গতিশীল রাখতে দেশিয় উৎস থেকে ঋণ গ্রহণ করে। সেই ঋণ দিতে চুক্তিবদ্ধ হয়ে সক্রিয়ভাবে ঋণ কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছি আমরা। পাশাপাশি আয়কর, ভ্যাট, শুল্কসহ সব ধরনের রাজস্ব সংগ্রহ এবং বিআরটিএ, পল্লী বিদ্যুৎ, ভূমি রেজিস্ট্রেশন ফিসহ সরকারি বিভিন্ন সেবার ফি আদায় করছে এনআরবিসি ব্যাংক।’

উল্লেখ্য, এনআরবিসি ব্যাংকের ৮৩টি শাখার পাশাপাশি সারাদেশে প্রায় ৫৩০টি উপশাখা রয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে ভূমি রেজিস্ট্রেশন অফিস ও বিআরটিএ ফিস কালেকশন বুথ। এর বাইরে আছে ৫৯৫টি এজেন্ট পয়েন্ট।

আরও পড়ুন:
কারেন্ট জাল ধ্বংস, চায়না জাল তৈরির কারখানা বন্ধ
ভ্রাম্যমাণ আদালত: কাজ ছাড়া পথে নেই মানুষ  
পটোল ক্ষেতে গাঁজা চাষ, এক বছরের সাজা
৪ কোম্পানিকে ২৪ লাখ টাকা জরিমানা
বগুড়ায় হাসপাতালে অভিযান, ৭ দালালের কারাদণ্ড

শেয়ার করুন