রাস্তা পার হতে গিয়ে বাসচাপায় নিহত

রাস্তা পার হতে গিয়ে বাসচাপায় নিহত

প্রতীকী ছবি

বগুড়া সদর থানার ওসি সেলিম রেজা জানান, শহরের মাটিডালী মোড়ে ডলফিন নামের একটি বাস শ্রমিক নিয়ে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। এমন সময় আবু হাসান রাস্তা পার হতে গেলে ওই বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

বগুড়া সদরে বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে এক যুবক নিহত হয়েছেন।

উপজেলার বগুড়া-রংপুর মহাসড়কে মাটিডালী মোড় এলাকায় রোববার সকাল পৌনে ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে

নিহত আবু হাসানের বাড়ি জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার পূর্ব কোরিয়া এলাকায়। তিনি বগুড়ায় মওলানা ফ্যাশান লিমিটেড নামে একটি কোম্পানিতে সেলাই মেশিন অপারেটর হিসেবে কাজ করতেন।

বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম রেজা জানান, শহরের মাটিডালী মোড়ে ডলফিন নামের একটি বাস শ্রমিক নিয়ে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। এমন সময় আবু হাসান রাস্তা পার হতে গেলে ওই বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

পরে মরদেহ উদ্ধার করে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

এ ঘটনায় চালক ও হেলপার পালিয়ে গেলেও বাসটি জব্দ করা হয় বলে জানান ওসি।

আরও পড়ুন:
ফুটবল খেলতে বেরিয়ে সড়কে প্রাণ গেল ২ বন্ধুর
মোটরসাইকেলের ধাক্কায় ভিক্ষুকের মৃত্যু
মোটরসাইকেলে ধাক্কা, মরদেহ ৫ কিমি হেঁচড়ে নিল ট্রাক
খুঁটিতে মাইক্রোবাসের ধাক্কা, শিশু নিহত
অটো থেকে নামার সময় আরেক অটোর ধাক্কায় নিহত

শেয়ার করুন

মন্তব্য

প্রতিমার সঙ্গেই ভারত পালের ৫০ বছর

প্রতিমার সঙ্গেই ভারত পালের ৫০ বছর

প্রতিমার সঙ্গেই ভারত পালের ৫০ বছর। ছবি: নিউজবাংলা।

প্রতিমা শিল্পী ভারত পাল বলেন, ‘ছোটবেলায় বাবার কাছে প্রতিমা তৈরির কাজ শেখা। প্রতিমা তৈরি আমার আত্মার সঙ্গে মিশে আছে। মনের আবেগ আর ভালোবাসা দিয়েই কাজটি করি।’

‘বুঝতে শেখার পরই প্রতিমার সঙ্গে পথ চলা শুরু। হাতেখড়ি বাবার হাতে। ১০ বছর বয়স থেকেই প্রতিমা তৈরি করি। নিখুঁতভাবে মনের মাধুরী মিশিয়ে প্রতিমা তৈরি করতেন বাবা। যখন প্রতিমা বানানো শেখাতেন মনোযোগ দিয়ে শুনতাম ও দেখতাম। নিজেও এখন এরকম বানাতে পারি।’

কথাগুলো বলছিলেন টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার রাশড়া গ্রামের ভারত পাল।

৫০ বছর ধরে জেলার বিভিন্ন এলাকায় তৈরি করছেন প্রতিমা। শিল্পীর ছোঁয়ায় তৈরি করছেন দেবী দুর্গাকে।

কয়েক দিন বাদেই আসছেন দেবী। তাই বেশ ব্যস্ত ভারত। দুর্গার পাশাপাশি চলছে লক্ষ্মী, স্বরস্বতী, গণেশ ও কার্তিকের প্রতিমা তৈরির কাজ।

১১ অক্টোবর ষষ্ঠী পূজার মধ্যে দিয়ে শুরু হবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় শারদীয় দুর্গোৎসব।

সরেজমিন দেখা যায়, কোনো মণ্ডপে হচ্ছে কাঠামো তৈরি আবার কোথাও হচ্ছে মাটির কাজ। শিল্পীরা দেড় মাস আগে থেকেই শুরু করেন প্রতিমা তৈরির কাজ।

প্রতিমার সঙ্গেই ভারত পালের ৫০ বছর

প্রতিমা শিল্পী ভারত পাল বলেন, ‘প্রতিমা তৈরি আমার আত্মার সঙ্গে মিশে আছে। মনের আবেগ আর ভালোবাসা দিয়েই কাজটি করি।

‘৫০ বছর থেকে প্রতিমার সঙ্গে কাটছে জীবন। চলতি বছর এখন পর্যন্ত ১৪টি প্রতিমা তৈরির কাজ চলছে।’

এ বছর প্রতিমা তৈরির সরঞ্জামের দামটাও আগের চেয়ে বেশি বলে জানান ভারত পাল।

রাশড়া গ্রামের যাদব পাল জানান, ভারত ছোট থেকে প্রতিমা তৈরির কাজ করছে। বাসাইল ছাড়াও পাশের উপজেলা সখীপুরে প্রতিমা তৈরিতে ভারতের সুনাম রয়েছে।

উপজেলার জিকাতলী পাড়া গ্রামের শীতল চক্রবর্তী বলেন, ‘আমি মাঝে মাঝে কাকার প্রতিমা তৈরি দেখতে যেতাম। যতই দেখতাম কাকার দিকে মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকতাম। কী অসাধারণ, নিখুঁত কারুকাজ।’

প্রতিমার সঙ্গেই ভারত পালের ৫০ বছর


বাসাইল উপজেলার পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ সুনীল রায় স্বপন বলেন, ‘করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও মৃত্যু বাড়ার কারণে আমরা বড় দুশ্চিন্তায় ছিলাম। ঈশ্বরের কৃপায় প্রকোপ কিছুটা কমায় পূজার আয়োজন ও প্রতিমা তৈরির কাজ চলছে।

‘রাত-দিন কারিগররা পরিশ্রম করছেন। গত বছর ৪২টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এ বছর ৫৬টি মণ্ডপে পূজা হবে।’

এবার সরকারি সরকারি নির্দেশনায় কিছুটা ছাড় দেয়া হলেও স্বাস্থ্যবিধি মানতে কড়াকড়ির কথা বলা হয়েছে। সে অনুযায়ীই উৎসব অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান তিনি।

শারদীয় দুর্গা পূজা শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের জন্য উপজেলা প্রশাসন ও বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ সকলের সার্বিক সহযোগিতার কথাও বলেন তিনি।

আরও পড়ুন:
ফুটবল খেলতে বেরিয়ে সড়কে প্রাণ গেল ২ বন্ধুর
মোটরসাইকেলের ধাক্কায় ভিক্ষুকের মৃত্যু
মোটরসাইকেলে ধাক্কা, মরদেহ ৫ কিমি হেঁচড়ে নিল ট্রাক
খুঁটিতে মাইক্রোবাসের ধাক্কা, শিশু নিহত
অটো থেকে নামার সময় আরেক অটোর ধাক্কায় নিহত

শেয়ার করুন

খাগড়াছড়িতে দুই ট্রাক্টরে ট্রাকের ধাক্কা, আহত ৭

খাগড়াছড়িতে দুই ট্রাক্টরে ট্রাকের ধাক্কা, আহত ৭

স্থানীয় লোকজন জানায়, মাটিরাঙ্গা উপজেলা থেকে ইটবোঝাই দুটি ট্রাক্টর জেলা শহরে আসছিল। আলুটিলা পাহাড় থেকে নামার সময় শহরের প্রবেশমুখে একটি ট্রাক সামনে থাকা ট্রাক্টরকে ধাক্কা দেয়। ট্রাক্টরটি সড়কের বামে উল্টে যায়। এরপর এর সামনের ট্রাক্টরে ট্রাকের ধাক্কা লাগে।

খাগড়াছড়ি সদর উপজেলায় পাহাড় থেকে নামার সময় দুইটি ট্রাক্টরে ট্রাকের ধাক্কায় সাতজন আহত হয়েছে।

জেলা সদরের প্রবেশমুখে ২০ নম্বর জিরোমাইল সংলগ্ন আলুটিলা পাহাড়ের রাস্তায় রোববার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন ট্রাক্টরচালক মইনুল হোসেন, ট্রাক্টরের শ্রমিক বাদশা মিয়া, রমজান আলী, মো. শাহাদাত, আবদুর রহিম, মো. করিম ও সুজন। বাদশা ও রমজানের অবস্থা অত্যন্ত গুরুতর।

স্থানীয় লোকজন জানায়, মাটিরাঙ্গা উপজেলা থেকে ইটবোঝাই দুটি ট্রাক্টর জেলা শহরে আসছিল। আলুটিলা পাহাড় থেকে নামার সময় শহরের প্রবেশমুখে একটি ট্রাক সামনে থাকা ট্রাক্টরকে ধাক্কা দেয়। ট্রাক্টরটি সড়কের বামে উল্টে যায়। এরপর এর সামনের ট্রাক্টরে ট্রাকের ধাক্কা লাগে।

স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে খাগড়াছড়ি আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রশিদ নিউজবাংলাকে জানান, ট্রাকটি জব্দ করে থানায় নেয়া হয়েছে। তবে চালককে আটক করা যায়নি। এ ঘটনায় এখনও কোনো মামলা হয়নি।

তিনি বলেন, ‘প্রবেশমুখের মোড়টি অনেক ঝুঁকিপূর্ণ। প্রায় সময়ই এখানে দুর্ঘটনা হয়। ট্রাকটি বেপরোয়া গতিতে আসায় দুর্ঘটনা ঘটেছে।’

আরও পড়ুন:
ফুটবল খেলতে বেরিয়ে সড়কে প্রাণ গেল ২ বন্ধুর
মোটরসাইকেলের ধাক্কায় ভিক্ষুকের মৃত্যু
মোটরসাইকেলে ধাক্কা, মরদেহ ৫ কিমি হেঁচড়ে নিল ট্রাক
খুঁটিতে মাইক্রোবাসের ধাক্কা, শিশু নিহত
অটো থেকে নামার সময় আরেক অটোর ধাক্কায় নিহত

শেয়ার করুন

সহায়তার টাকায় ঘুরে দাঁড়াতে চান বুধোই-রাজিয়া দম্পতি

সহায়তার টাকায় ঘুরে দাঁড়াতে চান বুধোই-রাজিয়া দম্পতি

রাজবাড়ী জেলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সৌমিত্র শীল চন্দন জানান, এক ব্যক্তি সাংবাদিকদের কাছ থেকে রাজিয়ার বিষয়টি জানতে পেরে তাকে ৫ হাজার টাকা দেন। নাম, পরিচয় প্রকাশ করতে নিষেধ করেন। এমন মহানুভবতার জন্য সবার পক্ষ থেকে সৌমিত্র তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

বুধোই মণ্ডল আর রাজিয়া বেগমের টানাটানির সংসার। স্বামী অন্যের ভ্যান ভাড়া নিয়ে চালান।

দুই ছেলের একজন কিডনি রোগে আক্রান্ত, আরেকজন শারীরিক প্রতিবন্ধী। আরও একটি ছেলে ছিল তাদের যে মারা গেছে কিডনি রোগে।

অন্যের বাড়িতে কাজ করে কিছু টাকা জমিয়ে রাজিয়া কিনেছিলেন একটি ছাগল। স্বপ্ন ছিল ছাগল পালনের মাধ্যমে সংসারের অভাব কিছুটা কমাবেন।

সেই স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল রাজবাড়ীর বালিয়াকন্দির ৫০ বছর বয়সী রাজিয়ার। শনিবার তার ছাগলটি বিনা চিকিৎসায় মারা গেছে।

বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর রাজবাড়ী শহরের এক ব্যক্তি এগিয়ে এসেছেন তাদের পাশে। নাম, পরিচয় গোপন রেখে ভ্যানচালক বুধোই মণ্ডল ও তার স্ত্রীর জন্য পাঠিয়ে দিয়েছেন ৫ হাজার টাকা।

রাজবাড়ী জেলা প্রেস ক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে রোববার দুপুরে তাদের হাতে এই টাকা তুলে দেন প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সৌমিত্র শীল চন্দন।

সৌমিত্র নিউজবাংলাকে জানান, ওই ব্যক্তি সাংবাদিকদের কাছ থেকে রাজিয়ার বিষয়টি জানতে পেরে তাকে ৫ হাজার টাকা দেন। নাম, পরিচয় প্রকাশ করতে নিষেধ করেন। এমন মহানুভবতার জন্য সবার পক্ষ থেকে সৌমিত্র তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

এভাবে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে আর্থিক সহায়তা পেয়ে কেঁদে ফেলেন ওই দম্পতি।

বুধোই জানান, দুই ছেলেকে নিয়ে খুবই কষ্টে তাদের দিন যায়। এ অবস্থায় শনিবার একমাত্র ছাগলটা অসুস্থ হয়ে পড়লে বালিয়াকান্দি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে নেয়া হয়।

শনিবার অফিস ছুটির দিন হওয়ায় একজন ডাক্তারকে ফোন দিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করেন। ডাক্তার আসতে আসতে তার ছাগলটি মারা যায়।

তিনি জানান, এই টাকা তাদের আবার ভরসা জুগিয়েছে। দ্রুতই তারা ছাগল কিনবেন। যে ব্যক্তি এভাবে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তার প্রতি আজীবন কৃতজ্ঞ থাকবেন।

আরও পড়ুন:
ফুটবল খেলতে বেরিয়ে সড়কে প্রাণ গেল ২ বন্ধুর
মোটরসাইকেলের ধাক্কায় ভিক্ষুকের মৃত্যু
মোটরসাইকেলে ধাক্কা, মরদেহ ৫ কিমি হেঁচড়ে নিল ট্রাক
খুঁটিতে মাইক্রোবাসের ধাক্কা, শিশু নিহত
অটো থেকে নামার সময় আরেক অটোর ধাক্কায় নিহত

শেয়ার করুন

‘অধিক যাত্রীতে’ ট্রেনে নিরাপত্তায় হযবরল

‘অধিক যাত্রীতে’ ট্রেনে নিরাপত্তায় হযবরল

নজরদারি না থাকায় অতিরিক্ত যাত্রী উঠছে ট্রেনে। ছবি: নিউজবাংলা।

ময়মনসিংহ রেল কর্তৃপক্ষও নিরাপত্তা নিয়ে তাদের ব্যর্থতার কথা স্বীকার করেছে। তারা জানিয়েছে, ট্রেনের যাত্রীদের চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। বগিতে জায়গা না পেয়ে অনেক যাত্রী ছাদে উঠে পড়ে। রেলওয়ের কর্মকর্তারা বাধা দিলেও তারা মানে না। অরক্ষিত সেই ছাদেই অনেকে ছিনতাইয়ের শিকার হয়।

জামালপুরগামী কমিউটার ট্রেনের ছাদে আঘাতে দুই যাত্রীর মৃত্যুর পর শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। উঠে আসছে ট্রেনে যাত্রীদের নিরাপত্তায় রেল কর্তৃপক্ষের নানা ব্যর্থতার কথা।

ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জগামী কমিউটার ট্রেনটি বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে ময়মনসিংহ শহর পার হওয়ার পর ছাদে ওই দুই যাত্রীর মৃত্যু হয়।

ছিনতাইকারীদের মারধরে ওই দুজনের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি প্রত্যক্ষদর্শী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের। রেল পুলিশ প্রথমে ছিনতাইয়ের বিষয়টি অস্বীকার করে রেল সেতুতে আঘাতের প্রসঙ্গ আনলেও পরে জানিয়েছে, দুষ্কৃতকারীদের আঘাতে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে তাদের ধারণা।

‘অধিক যাত্রীতে’ ট্রেনে নিরাপত্তায় হযবরল


এ মৃত্যুর পর ময়মনসিংহ এলাকায় ট্রেনের নিরাপত্তা নিয়ে শুরু হয়েছে সমালোচনা। জেলার বাসিন্দা ও যাত্রীদের অভিযোগ, ময়মনসিংহ এলাকায় ট্রেনের যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যর্থ রেল কর্তৃপক্ষ। এখানে ছিনতাই ও পকেটমারির মতো ঘটনা অহরহই হয়।

ময়মনসিংহ রেল কর্তৃপক্ষও নিরাপত্তা নিয়ে তাদের ব্যর্থতার কথা স্বীকার করেছে। তারা জানিয়েছে, ট্রেনের যাত্রীদের চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। বিশেষ করে লোকাল ট্রেনগুলোর বগিতে জায়গা দেওয়া যাচ্ছে না।

বগিতে জায়গা না পেয়ে অনেক যাত্রী ছাদে উঠে পড়ে। রেলওয়ের কর্মকর্তারা বাধা দিলেও তারা মানেন না। লাফিয়ে ওঠে ছাদে। অরক্ষিত সেই ছাদেই অনেকে ছিনতাইয়ের শিকার হন।

‘অধিক যাত্রীতে’ ট্রেনে নিরাপত্তায় হযবরল


বৃহস্পতিবারের মৃত্যুই অবশ্য এ রেলপথে প্রথম নয়। এর আগে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে নেত্রকোণা থেকে আসা হাওর এক্সপ্রেস থেকে রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানা পুলিশ। ওই সময় এক ছিনতাইকারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়। ময়মনসিংহের গৌরীপুর স্টেশন থেকে শম্ভুগঞ্জ স্টেশনের মাঝামাঝি স্থানে ছিনতাইয়ের ওই ঘটনাটি ঘটেছিল।

নিয়মিত ট্রেনে চলাচলকারী বেশ কয়েকজন যাত্রী জানান, ছিনতাইয়ের সময় মৃত্যুর ঘটনা ঘটলেই শুধু নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। তবে ট্রেনে ছিনতাই ও চুরি এখন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে বিভিন্ন স্টেশনে ট্রেন থামার পর পকেট থেকে মানিব্যাগ নিয়ে দৌড়ের ঘটনা ঘটে হরহামেশাই।

‘জন-উদ্যোগ’ ময়মনসিংহের আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম চুন্নু নিউজবাংলাকে বলেন, ‘যাত্রীদের নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব রেল কর্তৃপক্ষের। ট্রেনের ছাদে যাত্রী ওঠার প্রক্রিয়াটা বন্ধ করা প্রয়োজন। আর যদি সেটা না হয়, তাহলে যাত্রীদের নিরাপত্তা শতভাগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। আমরা ট্রেনে আতঙ্ক নিয়ে চলাচল করতে চাই না।’

‘অধিক যাত্রীতে’ ট্রেনে নিরাপত্তায় হযবরল


যাত্রীদের আইন মানাতে নিজেদের অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরে ময়মনসিংহ রেলওয়ের সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী নারায়ণ প্রসাদ সরকার বলেন, ‘বাংলাদেশে জনসংখ্যা বেশি হওয়ায় ট্রেনে যাত্রীর চাপ বেশি। ট্রেনগুলোতে যাত্রী হুমড়ি খেয়ে পড়ে। বিশেষ করে লোকাল ট্রেনগুলোতে তিল ধারণের জায়গা থাকে না।

‘রেলওয়ের কর্মকর্তারা বাধা দিলেও কেউ মানে না। ফলে অরক্ষিত ছাদে মাঝেমধ্যেই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে।’

তিনি জানান, ট্রেনের ছাদে ওঠার ব্যবস্থা পরিকল্পনা বন্ধ করে দেওয়া প্রয়োজন। যাতে কোনো যাত্রী ছাদে উঠতে না পারে। মৃত্যুর ঝুঁকি ছাদেই সবচেয়ে বেশি থাকে।

আরও পড়ুন:
ফুটবল খেলতে বেরিয়ে সড়কে প্রাণ গেল ২ বন্ধুর
মোটরসাইকেলের ধাক্কায় ভিক্ষুকের মৃত্যু
মোটরসাইকেলে ধাক্কা, মরদেহ ৫ কিমি হেঁচড়ে নিল ট্রাক
খুঁটিতে মাইক্রোবাসের ধাক্কা, শিশু নিহত
অটো থেকে নামার সময় আরেক অটোর ধাক্কায় নিহত

শেয়ার করুন

থাকার কথা কলেজে, হাজিরা স্কুলে

থাকার কথা কলেজে, হাজিরা স্কুলে

এসএসসি পরীক্ষার্থী ফাহমিদা খাতুন বলে, ‘আমার বোন কলেজে এখন দ্বিতীয় বর্ষে পড়ে। ও যখন কলেজে যায় তখন আমার স্কুলের পোশাক পরে আসতে হচ্ছে। অথচ আমরা দুইবোন এক বছরের ছোট-বড়। শিক্ষাবর্ষ পিছিয়ে আমাদের মাঝে প্রায় দুই বছরের ব্যবধান করে দিয়েছে। যা মন থেকে মেনে নিতে পারছি না।’

স্কুলের পোশাক পরে বিষণ্ণ মুখে বিদ্যালয়ের সামনে বসে আছে রিমন। আটসাট জামাটি বলে দিচ্ছে এটি বেশ পুরোনো।

রিমনের এখন থাকার কথা কলেজে। এবার এসএসসি পরীক্ষা না হওয়ায় সে আর কলেজে উঠতে পারেনি। করোনার পর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ায় তাকে আসতে হয়েছে স্কুলে।

মাগুরা শিবরামপুর স্কুলের রিমনের মতো প্রায় সব হাইস্কুল পর্যায়ে এই চিত্র উঠে এসেছে। করোনার কারণে এসএসসি পিছিয়ে যাওয়ায় বিমর্ষ পরীক্ষার্থীরা।

রিমন বিশ্বাস বলে, ‘আমার আগের ব্যাচ অটোপাসে এখন কলেজের সেকেন্ড ইয়ারে পড়ছে। কদিন পর তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে যাবে। অথচ আমরা অটোপাস পাইনি, আবার এসএসসি পরীক্ষাটাও সময়মতো পেলাম না। স্কুল খোলার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের এখানে আসতে হলো হাজিরা দিতে। আমরা প্রস্তুতি ক্লাস পাচ্ছি। তবু মনের ভেতরে কলেজের ওঠার ইচ্ছা ভর করে আছে।’

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানিয়েছেন, সব ঠিক থাকলে চলতি বছরের মধ্য নভেম্বরে এসএসসি ও ডিসেম্বরের শুরুতে এইচএসসি পরীক্ষা হবে। আপাতত সেই লক্ষ্য নিয়ে এগুচ্ছে মাগুরার হাইস্কুল পর্যায়ের বিদ্যালয়গুলো। তবে এ বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থীরা এই ব্যবধান নিয়ে অস্বস্তিতে রয়েছে।

মাগুরা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী অর্পিতা জানায়, স্কুলে গেলেও পড়ায় মন বসছে না। বছরের শুরুতে পরীক্ষার প্রস্তুতি ভালো ছিল। সেই পরীক্ষাটা বছর শেষের দিকেও না হওয়ায় সে হতাশ।

অর্পিতা বলে, ‘যেখানে এতদিনে আমাদের কলেজে পড়ার করার কথা, নতুন করে ক্যারিয়ার গড়ার পরিকল্পনা করার কথা, সেখানে আমরা স্কুলেই পড়ে আছি। এটা খুবই বিব্রতকর।’

ফাহমিদা খাতুন নামে আরেক এসএসসি পরীক্ষার্থী বলে, ‘আমাদের কলেজে যাওয়ার কথা এখন থেকে তিন মাস আগে। অন্তত শিক্ষাবর্ষ অনুযায়ী ধরলে এটাই সময়। কলেজে এখন প্রথম বর্ষ নামে কোনো বিভাগ নাই। কারণ আমরাই এই প্রথম বর্ষ।

‘আমার বোন কলেজে এখন দ্বিতীয় বর্ষে পড়ে। ও যখন কলেজে যায় তখন আমার স্কুলের পোশাক পড়ে আসতে হচ্ছে। অথচ আমরা দুইবোন এক বছরের ছোট-বড়। শিক্ষাবর্ষ পিছিয়ে আমাদের মাঝে প্রায় দুই বছরের ব্যবধান করে দিয়েছে। যা মন থেকে মেনে নিতে পারছি না।’

থাকার কথা কলেজে, হাজিরা স্কুলে


মাগুরা সরকারি মডেল স্কুলের এসএসসি পরীক্ষার্থী নিরব বলে, ‘এসএসসি পরীক্ষা সময় মতো না নেয়ায় আমাদের বয়সের সময় তো আর থেমে নেই। আমার বন্ধুরা দেখেন সবাই বড় হয়ে গেছে। আমাদের আর স্কুলের মতো আচার-আচরণ নেই। স্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে আমরা কলেজে যেতে চাই। ঠিক সময় পরীক্ষা এবার না হলে স্কুল ছেড়ে দেব ভাবছি।’

শিক্ষাবর্ষের এই জটে জটিলতা দেখা দিতে পারে বলে শঙ্কা শিক্ষকদেরও।

মাগুরা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক শাহাদত হোসেন বলেন, ‘করোনার কারণে প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকায় আমাদের শিক্ষার্থীদের বয়স অনুসারে ক্লাসে পড়াশোনা নিয়ে কিছুটা ব্যবধান তৈরি হয়েছে। যেমন এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কলেজে যাবার কথা আগেই। হয়তো সামনেই পরীক্ষা। এরপর ফল বের হয়ে কলেজে যেতে সামনের বছর হয়ে যেতে পারে। তখন আবার আর একটি এসএসসি ব্যাচ আমরা পেয়ে যাব। এভাবে কলেজে গিয়েও একটা জটিলতা তৈরি হতে পারে।’

মাগুরা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নির্মল কুমার জোর্য়াদ্দার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এবার এসএসসি ব্যাচ নিয়ে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তবু আমরা শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে শক্ত থাকার পরামর্শ দিচ্ছি।

‘প্রাণঘাতী করোনা থেকে বেঁচে থাকাটাই আসলে আমাদের প্রধান কাজ হয়ে গেছে। সেখানে শিক্ষা জীবনে একটু পরিবির্তন মেনে নিতে হবে।’

আরও পড়ুন:
ফুটবল খেলতে বেরিয়ে সড়কে প্রাণ গেল ২ বন্ধুর
মোটরসাইকেলের ধাক্কায় ভিক্ষুকের মৃত্যু
মোটরসাইকেলে ধাক্কা, মরদেহ ৫ কিমি হেঁচড়ে নিল ট্রাক
খুঁটিতে মাইক্রোবাসের ধাক্কা, শিশু নিহত
অটো থেকে নামার সময় আরেক অটোর ধাক্কায় নিহত

শেয়ার করুন

আঙিনায় খেলতে থাকা দুই বোনের নিথর দেহ পুকুরে

আঙিনায় খেলতে থাকা দুই বোনের নিথর দেহ পুকুরে

হবিগঞ্জে পানিতে ডুবে মারা গেছে মাহী ও তিশা নামের দুই বোন। ছবি: সংগৃহীত

মৃত আট বছরের মাহী ও ছয় বছরের তিশা উপজেলার বামৈ পশ্চিম গ্রামের উজ্জ্বল মিয়ার মেয়ে। পরিবারের লোকজন তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

বাড়ির আঙিনায় খেলছিল দুই শিশু মাহী ও তিশা। একপর্যায়ে তাদের আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে একটি পুকুরে তাদের মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা।

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় রোববার দুপুরের দিকে ঘটে এই প্রাণহানির ঘটনা।

মৃত আট বছরের মাহী ও ছয় বছরের তিশা উপজেলার বামৈ পশ্চিম গ্রামের উজ্জ্বল মিয়ার মেয়ে।

নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল ইসলাম।

তিনি জানান, পরিবারের লোকজন ওই দুই শিশুকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি সাইদুল জানান, কোনো অভিযোগ না থাকায় শিশুদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
ফুটবল খেলতে বেরিয়ে সড়কে প্রাণ গেল ২ বন্ধুর
মোটরসাইকেলের ধাক্কায় ভিক্ষুকের মৃত্যু
মোটরসাইকেলে ধাক্কা, মরদেহ ৫ কিমি হেঁচড়ে নিল ট্রাক
খুঁটিতে মাইক্রোবাসের ধাক্কা, শিশু নিহত
অটো থেকে নামার সময় আরেক অটোর ধাক্কায় নিহত

শেয়ার করুন

চিপসের প্যাকেটে ‘হাজার টাকার নোট’

চিপসের প্যাকেটে ‘হাজার টাকার নোট’

উপজেলার গোপালপুর গ্রামের আনিস কাজী বলেন, ‘আমাদের বাড়ির বাচ্চারা খেলনা টাকার নোটের লোভে খোলা প্যাকেটের এই চিপস কিনতে দোকানে যাচ্ছে বারবার। বারণ করলেও শুনতে চায় না। এটা খেয়ে বাচ্চাদের পেটে ব্যথা হচ্ছে, গ্যাসের সমস্যাও হচ্ছে।’

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় পাঁচ টাকার চিপসের প্যাকেটের মধ্যে মিলছে ১০০০, ৫০০ টাকাসহ নানা মূল্যমানের নোট। তবে এগুলো আসল টাকা নয়, নমুনা টাকা।

শিশুদের প্রলুব্ধ করে নিম্নমানের চিপস বিক্রি করতে অভিনব এ পন্থা নিয়েছে উপজেলার অননুমোদিত একাধিক প্রতিষ্ঠান। উপজেলার বিভিন্ন বাজার ও গ্রামাঞ্চলের দোকানগুলোতে মিলছে এসব চিপস।

স্থানীয় লোকজন জানান, এসব কোম্পানির কোনো নাম নেই, বিএসটিআইয়ের অনুমোদনও নেই। সাদা মোড়কে পাঁচ টাকার চিপসের প্যাকেট কিনলেই বঙ্গবন্ধুর ছবিসংবলিত নমুনা ১০০০, ৫০০ ও ২০০ টাকার নোট পাওয়া যাচ্ছে।

তারা আরও জানান, এই খেলনা টাকার লোভে শিশুরা পরিবারের কাছ থেকে টাকা নিয়ে দোকানে গিয়ে নিম্নমানের চিপসগুলো কিনছে। আবার অনেক শিশু পরিবারের কাউকে না জানিয়ে টাকা পেলেই দোকানে গিয়ে এই চিপস কিনছে।

উপজেলার কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন দোকানে ঠিকানা ছাড়া সাদা পলিথিনে মোড়ানো গোলাকার এ চিপস বিক্রি করা হচ্ছে। শিশুরা দোকান থেকে সেই চিপস কিনে খেতে খেতেই বাড়ি ফিরছে।

ওই সময় তাদের হাতে দেখা যায় ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট। সেগুলো দেখতে আসল টাকার মতো হলেও টাকার ডান পাশে ছোট অক্ষরে লেখা ‘খেলনা টাকার নমুনা’।

উপজেলা সদরের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাদ বলে, ‘চিপসগুলো খেতে তেমন ভালো না। খেলনা টাকার জন্যই চিপস কিনি। প্রতিদিন ৪-৫ প্যাকেট চিপস কিনি। কয়েক দিনে অনেক টাকা জমিয়েছি।’

চিপসের প্যাকেটে ‘হাজার টাকার নোট’

উপজেলার গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা আনিস কাজী বলেন, ‘আমাদের বাড়ির বাচ্চারা খেলনা টাকার নোটের লোভে খোলা প্যাকেটের এই চিপস কিনতে দোকানে যাচ্ছে বারবার। বারণ করলেও শুনতে চায় না। এটা খেয়ে বাচ্চাদের পেটে ব্যথা হচ্ছে, গ্যাসের সমস্যাও হচ্ছে।’

আলফাডাঙ্গা পৌরসভার বাকাইল গ্রামের মুদি দোকানি তৌয়েব আলী বলেন, ‘বোয়ালমারী উপজেলার একটি দোকান থেকে আমরা এই চিপস কিনি। কোম্পানির ঠিকানা বলতে পারব না।’

আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তৌহিদ এলাহী জানান, নাম-ঠিকানাহীন এই কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
ফুটবল খেলতে বেরিয়ে সড়কে প্রাণ গেল ২ বন্ধুর
মোটরসাইকেলের ধাক্কায় ভিক্ষুকের মৃত্যু
মোটরসাইকেলে ধাক্কা, মরদেহ ৫ কিমি হেঁচড়ে নিল ট্রাক
খুঁটিতে মাইক্রোবাসের ধাক্কা, শিশু নিহত
অটো থেকে নামার সময় আরেক অটোর ধাক্কায় নিহত

শেয়ার করুন