‘এভাবে ভোগান্তিতে ফেলার কোনো মানে হয় না’

‘এভাবে ভোগান্তিতে ফেলার কোনো মানে হয় না’

গণপরিবহন বন্ধ থাকায় ময়মনসিংহ থেকে যে গাড়ি পেয়েছেন তাতেই চেপে বসেন পোশাক শ্রমিকরা। ছবি: নিউজবাংলা

‘চাকরি বাঁচাতে গার্মেন্টসে যাচ্ছি। ৫৫ টাকার ভাড়া ৩৮০ টাকা দিয়ে পাটগুদাম পর্যন্ত এসেছি। গার্মেন্টস পর্যন্ত যেতে কয়েক হাজার টাকা খরচ করে পকেট খালি হয়ে যাবে। আমাদেরকে এভাবে ভোগান্তিতে ফেলার কোনো মানে হয় না।’

পোশাক শ্রমিক আসাদুলের বাড়ি ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলায়। কোরবানির ঈদের ছুটিতে গিয়েছিলেন গ্রামের বাড়িতে। ঈদ ভালোই কেটেছে। তবে দুর্ভোগের পড়েছেন হঠাৎ কারখানা খোলায়।

শাটডাউন হিসেবে পরিচিতি পাওয়া চলমান কঠোর লকডাউনে রোববার থেকে শিল্পমুখী কারখানার খোলার অনুমতি দিয়েছে সরকার। এরপরই ডাক পড়েছে আসাদুলের মতো পোশাক শ্রমিকদের।

শাটডাউনে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় ঢাকায় আসতে যেমন দ্বিগুণ তিনগুণ ভাড়া গুনতে হচ্ছে, গাড়ি না পাওয়ায় অন্য নানা ভোগান্তিও পোহাতে হচ্ছে।

ময়মনসিংহের পাটগুদাম এলাকায় কাঁধে ভারী ব্যাগ নিয়ে আসাদুল বলেন, ‘চাকরি বাঁচাতে গার্মেন্টসে যাচ্ছি। ৫৫ টাকার ভাড়া ৩৮০ টাকা দিয়ে পাটগুদাম পর্যন্ত এসেছি।

‘গার্মেন্টস পর্যন্ত যেতে কয়েক হাজার টাকা খরচ করে পকেট খালি হয়ে যাবে। আমাদেরকে এভাবে ভোগান্তিতে ফেলার কোনো মানে হয় না।’

গার্মেন্টস খোলার সময় তাদের যাওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে গণপরিবহন চলতে দেয়ার দরকার ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।

নেত্রকোণার দূর্গাপুর উপজেলার মারুফ ও লায়লা দম্পতির দুজনই গাজীপুরে পোশাক কারখানায় কাজ করেন।

শুক্রবার সন্ধ্যায় তাদের কারখানা থেকে মোবাইল ফোনে এসএমএস আসে রোববার যেতে হবে।

এসএমএস পেয়ে শনিবার সকালে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন তারা। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় হেঁটে ও তিন চাকার যানে বিকেল সোয়া ৩টার দিকে পৌঁছান ময়মনসিংহের পাটগুদাম ব্রিজ পর্যন্ত।

‘এভাবে ভোগান্তিতে ফেলার কোনো মানে হয় না’
হেঁটেও রওনা হন অনেকে। ছবি: নিউজবাংলা

তারা জানান, সকাল ১০টার দিকে রওনা দিয়ে ভ্যান, রিকশা, অটোরিকশা ও সবশেষ সিএনজি দিয়ে পাটগুদাম পর্যন্ত এসেছেন। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা করবে এমন অজুহাতে প্রত্যেকটি যানে তিন থেকে চারগুণ বেশি ভাড়া নিয়েছে। তবুও বাধ্য হয়ে ভাড়া দিতে হয়েছে।

রেহেনা, মারুফ ও আসাদুলের মতো ময়মনসিংহ এলাকার হাজারও পোশাক শ্রমিক শনিবার সকালে ঢাকায় কারখানায় উদ্দেশে রওনা হন। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় যে যেই গাড়ি পেয়েছেন তা দিয়েই কোনোরকম গন্তব্যে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন।

ময়মনসিংহ জেলা ট্রাফিক পুলিশের ইন্সপেক্টর (প্রশাসন) সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘গার্মেন্টস খুলে দেয়ায় শ্রমিকরা জটলা করেন পাটগ্রাম ব্রিজ মোড়ে। সেখান থেকে ছোট যানবাহনে গার্মেন্টসে যাওয়ার চেষ্টা করেন তারা।

‘যেহেতু গার্মেন্টস খোলা, তাই শ্রমিকদের যাতায়াতে ভোগান্তির বিষয়টি চিন্তা করে আমরা কঠোর হয়নি। তবে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানাসহ মাস্ক পরতে বলা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
‘পশু পরিবহনের চেয়েও গাদাগাদি করে যেতে হচ্ছে’
৫ আগস্টের পর কী হবে
‘ট্রা‌কে ভাড়া ৮০০, মোটরসাই‌কে‌লে ৪ হাজার’
পণ্যের গাড়ি আনছে শ্রমিক
পরিবহন চালুর দাবিতে সড়কে শ্রমিকরা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

মেয়ে ধর্ষণের মামলায় বাবা গ্রেপ্তার

মেয়ে ধর্ষণের মামলায় বাবা গ্রেপ্তার

গত বছরের ১০ আগস্ট ওই কিশোরীর মা তার দুই মেয়েকে রেখে বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান। এ সুযোগে ওই দিন রাতে কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণ করেন তার স্বামী। মেয়ে লজ্জা ও ভয়ে পরিবারের সবার কাছ থেকে বিষয়টি গোপন করে।

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় ১৩ বছরের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে বাবার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্ত্রীর করা মামলায় ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার বিকেল ৫টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। দুপুর ২টার দিকে মামলাটি করেন ওই কিশোরীর মা।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন মুক্তাগাছা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) চাঁদ মিয়া।

মামলার বরাত দিয়ে তিনি জানান, গত বছরের ১০ আগস্ট ওই কিশোরীর মা তার দুই মেয়েকে রেখে বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান। এ সুযোগে ওই দিন রাতে কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণ করেন তার স্বামী। মেয়ে লজ্জা ও ভয়ে পরিবারের সবার কাছ থেকে বিষয়টি গোপন করে।

এরপর চলতি বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর ওই গৃহবধূ ফের বাবার বাড়িতে গেলে রাতে মেয়ের ঘরে ঢুকে তার স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন স্বামী। মেয়ে টের পেয়ে চিৎকার করলে তিনি ঘর থেকে পালিয়ে যান।

পর দিন বাবার বাড়ি থেকে ফিরে আসলে মেয়ে তাকে সব খুলে জানায়। পরে স্বজনদের সঙ্গে পরামর্শ করে মামলাটি করেন কিশোরীর মা।

মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান জানান, মামলা হওয়ার পর দ্রুত অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার তাকে ময়মনসিংহ মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে পাঠানো হবে।

কিশোরীর মামা জানান, তার বোনের প্রথম দুই মেয়ের জন্ম হওয়ার পর তাকে তাড়িয়ে দিয়ে পাঁচ বছর আগে আরেকটি বিয়ে করেন তার স্বামী। ওই স্ত্রীর সঙ্গে মানিয়ে নিতে না পেরে পরে তার বোনকে ফিরিয়ে নেন আসামি৷

তিনি আসামির উপযুক্ত শাস্তির দাবিও জানান।

আরও পড়ুন:
‘পশু পরিবহনের চেয়েও গাদাগাদি করে যেতে হচ্ছে’
৫ আগস্টের পর কী হবে
‘ট্রা‌কে ভাড়া ৮০০, মোটরসাই‌কে‌লে ৪ হাজার’
পণ্যের গাড়ি আনছে শ্রমিক
পরিবহন চালুর দাবিতে সড়কে শ্রমিকরা

শেয়ার করুন

রপ্তানির খবরে দাম বাড়ল ইলিশের

রপ্তানির খবরে দাম বাড়ল ইলিশের

চাঁদপুর বড়স্টেশন মাছ ঘাটে ইলিশের জোগান বাড়ায় কর্মচাঞ্চল্য ফিরে আসে শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের মাঝে। ছবি: নিউজবাংলা

দামের বিষয়ে জেলা মৎস্য বণিক সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শবে বরাত বলেন, ‘ভারতে ইলিশ রপ্তানির ঘোষণার পর থেকে বড় ইলিশের দাম কিছুটা বেড়েছে। এই মৌসুমে ইলিশের দাম আর কমার সম্ভাবনা নেই।’ তবে সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সুদীপ ভট্টাচার্যের আশা, ভারতে রপ্তানির সিদ্ধান্তের কারণে দাম বাড়লেও ইলিশের সরবরাহ বাড়লে এই মাছ সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে চলে আসবে।

মৌসুমের শেষ দিকে চাঁদপুরের বাজারে ইলিশের সরবরাহ বাড়লেও কমেনি দাম। এতে হতাশ ক্রেতারা।

বিক্রেতারা বলছেন, ভারতে ইলিশ রপ্তানির সিদ্ধান্তে চাহিদা বাড়ায় দামও কিছুটা বাড়তি।

এ বছর ইলিশের মৌসুম এলেও পদ্মা-মেঘনায় জেলেদের জালে দেখা মিলছিল না রূপালি এই মাছের। মৌসুমের শেষ দিকে সেপ্টেম্বরে পূর্ণিমার সময় দক্ষিণাঞ্চলে ও সমুদ্র উপকূলে ধরা পড়ে প্রচুর ইলিশ।

জেলেরা এসব ইলিশ নৌকা ও ট্রাকে করে নিয়ে আসেন চাঁদপুর বড়স্টেশন মাছ ঘাটে। বাজারে ইলিশের জোগান বাড়ায় কর্মচাঞ্চল্য ফিরে আসে শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের মাঝে। কম দামে ইলিশ কেনার আশা করেন ক্রেতারা।

এই মাছ ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, ডাকাতিয়া নদীতে ৮ থেকে ১০টি ফিশিং বোট ভেড়ানো। ইলিশ বোঝাই ট্রাকও এসেছে বেশ কয়েকটা। সারা দিনে এই বাজারে প্রায় ৪ হাজার মণ ইলিশ কেনাবেচা হয়েছে।

রপ্তানির খবরে দাম বাড়ল ইলিশের

ইলিশ ব্যবসায়ী সম্রাট বেপারী জানান, বরিশাল, ভোলা, লক্ষ্মীপুর, আলেকজান্ডার, সন্দ্বীপ, হাতিয়া থেকে প্রতিদিন ইলিশ আসছে। এসব জায়গা থেকে ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার মণ ইলিশ আসে। স্থানীয় পদ্মা-মেঘনা নদী থেকে আসে ৪ শ থেকে ৫ শ মণ।

আরেক ইলিশ ব্যবসায়ী বিপ্লব খান জানান, স্থানীয় পদ্মা-মেঘনা নদীর ৫ শ থেকে ৭ শ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি ৭ থেকে সাড়ে ৭ শ টাকায়, ৭ শ থেকে ৯ শ গ্রামের ইলিশ প্রতি কেজি ৯ শ থেকে সাড়ে ৯ শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

১ কেজি থেকে ১২ শ গ্রামের ইলিশ সাড়ে ১২ শ থেকে ১৩ শ টাকায় এবং দেড় কেজি থেকে ১৮ শ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১৪ শ থেকে ১৫ শ টাকা কেজি দরে।

রপ্তানির খবরে দাম বাড়ল ইলিশের

সমুদ্র ও দক্ষিণাঞ্চলের নদীর ইলিশ প্রকার ভেদে ১ থেকে ২ শ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে।

তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, সরবরাহ বাড়ার পরও দাম কমেনি বরং বেড়েছে। নিম্ন ও নিম্ন মধ্যবিত্তদের নাগালের বাইরে থেকে গেছে ইলিশ। এ ছাড়া গত বছরের চেয়ে ইলিশের দাম কেজি প্রতি ৫০ থেকে ১০০ টাকা বেশি।

কুমিল্লা থেকে এই বাজারে ইলিশ কিনতে এসেছেন আশিকুর রহমান।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘চাঁদপুর ইলিশের জন্য বিখ্যাত। তাই প্রতি বছরই ইলিশের মৌসুমে এখানে কিনতে আসি। আজকে দেখলাম কেজি প্রতি ইলিশের দাম আগের চেয়ে দেড় থেকে দুইশ টাকা বেশি চাচ্ছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় তো বেশিই।’

স্থানীয় একটি স্কুলের শিক্ষক নাজির আহমেদ বাদল বলেন, ‘অন্যান্য বছর ৬ শ থেকে ৭ শ গ্রামের ইলিশ সাড়ে ৪ শ থেকে ৫ শ টাকা কেজি দরে কিনেছি। এ বছর কিনলাম ৫৭০ টাকায়।’

ক্রেতারা দাম বাড়ার অভিযোগ করলেও ব্যবসায়ীরা বলছেন চাহিদার চেয়ে জোগান কম থাকায় দাম কিছুটা বেড়েছে।রপ্তানির খবরে দাম বাড়ল ইলিশের

চাঁদপুর কান্ট্রি বোট ফিশিং মালিক সমিতির সভাপতি শাহ আলম মল্লিক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গত বছরের চেয়ে এবার অনেক কম ইলিশ ধরা পড়ছে। যে পরিমাণ ইলিশ উঠছে তাতে কোনোমতে নৌকার খরচ উঠছে। লাভের মুখ দেখতে পারছি না। মা ইলিশ ধরা বন্ধ করে দিলে জেলেদের মহাবিপদে পড়তে হবে।’

দামের বিষয়ে জেলা মৎস্য বণিক সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শবে বরাত বলেন, ‘ভারতে ইলিশ রপ্তানির ঘোষণার পর থেকে বড় ইলিশের দাম কিছুটা বেড়েছে। এই মৌসুমে ইলিশের দাম আর কমার সম্ভাবনা নেই।’

রপ্তানির খবরে দাম বাড়ল ইলিশের

তবে সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সুদীপ ভট্টাচার্যের আশা, ভারতে রপ্তানির সিদ্ধান্তের কারণে দাম বাড়লেও ইলিশের সরবরাহ বাড়লে এই মাছ সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে চলে আসবে।

আরও পড়ুন:
‘পশু পরিবহনের চেয়েও গাদাগাদি করে যেতে হচ্ছে’
৫ আগস্টের পর কী হবে
‘ট্রা‌কে ভাড়া ৮০০, মোটরসাই‌কে‌লে ৪ হাজার’
পণ্যের গাড়ি আনছে শ্রমিক
পরিবহন চালুর দাবিতে সড়কে শ্রমিকরা

শেয়ার করুন

সেন্টমার্টিনে জালে লাল কোরালের ঝাঁক 

সেন্টমার্টিনে জালে লাল কোরালের ঝাঁক 

আইয়ুব নামে একজনের মালিকানাধীন এফবি রিয়াজ নামে ট্রলারটি নিয়ে সোমবার মাছ ধরতে যান জেলেরা। সেন্টমার্টিনের কাছে শাহপরীর দ্বীপ এলাকায় মঙ্গলবার জাল ফেললে মাছগুলো ধরা পড়ে। বুধবার সকালে মাছগুলো নিয়ে শাহপরীর দ্বীপ মিস্ত্রিপাড়া ঘাটে যান জেলেরা।

কক্সবাজার সেন্টমার্টিন এলাকায় এক সঙ্গে জালে ধরা পড়েছে ১৭৮টি লাল কোরাল। এসব মাছের ওজন প্রায় ৬০০ কেজি। প্রতিটি মাছের ওজন গড়ে ৩-৪ কেজি।

শাহপরীর দ্বীপ এলাকায় জাল ফেললে মঙ্গলবার রাতে কোরালের ঝাঁকটি ধরা পড়ে। পরে মাছগুলো প্রতি মণ ২০ হাজার টাকা হিসাবে কিনে নেন ওই এলাকার ব্যবসায়ী হামিদ হোসেন ও ছাব্বির আহমদ।

স্থানীয়রা জানান, আইয়ুব নামে একজনের মালিকানাধীন এফবি রিয়াজ নামে ট্রলারটি নিয়ে সোমবার মাছ ধরতে যান জেলেরা। সেন্টমার্টিনের কাছে শাহপরীর দ্বীপ এলাকায় মঙ্গলবার জাল ফেললে মাছগুলো ধরা পড়ে। বুধবার সকালে মাছগুলো নিয়ে শাহপরীর দ্বীপ মিস্ত্রিপাড়া ঘাটে যান জেলেরা।

ট্রলার মালিক আইয়ুব জানান, মাঝি সৈয়দের নেতৃত্বে জেলেরা মঙ্গলবার রাতে জাল তুলে লাল কোরালগুলো পান। প্রায় ১৫ মণ মাছগুলো বিক্রি হয়েছে তিন লাখ টাকায়।

টেকনাফ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন জানান, সেন্টমার্টিনে সম্প্রতি ভালোই মাছ পাওয়া যাচ্ছে। কয়েক মাস আগেও এক জেলের বড়শিতে ৬০ কেজি ওজনের বোল মাছ ধরা পড়ে। মঙ্গলবার রাতে এক জেলের জালে ১৫ মণ লাল কোরাল ধরা পড়ার খবর পেয়েছেন।

আরও পড়ুন:
‘পশু পরিবহনের চেয়েও গাদাগাদি করে যেতে হচ্ছে’
৫ আগস্টের পর কী হবে
‘ট্রা‌কে ভাড়া ৮০০, মোটরসাই‌কে‌লে ৪ হাজার’
পণ্যের গাড়ি আনছে শ্রমিক
পরিবহন চালুর দাবিতে সড়কে শ্রমিকরা

শেয়ার করুন

স্ত্রীর মামলায় সিআইডির উপপরিদর্শক কারাগারে

স্ত্রীর মামলায় সিআইডির উপপরিদর্শক কারাগারে

অভিযোগ, স্ত্রী তিথিকে নিজ বাড়িতে তুলে নেয়ার জন্য দুই বিঘা জমি, ১০ ভরি স্বর্ণ ও ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন সিআইডি কর্মকর্তা মিঠুন। এর জন্য তিথিকে শারীরিক নির্যাতন করে আসছিলেন মিঠুন।

যৌতুক চেয়ে স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) এক উপপরিদর্শককে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-১-এ বুধবার আত্মসমর্পন করে জামিন চাইলে বিচারক দিলরুবা আক্তার তা নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আসামি সিআইডি কর্মকর্তা মিঠুন রায়ের বাড়ি খুলনার ডুমুরিয়া থানা এলাকার বান্দার গ্রামে। তিনি রাজধানীর মালিবাগ সিআইডির সাইবার জোনে রয়েছেন।

এজাহারে বলা হয়, খুলনার বটিয়াঘাটা দেবীতলা গ্রামের তিথী বিশ্বাসের সঙ্গে ২০১৫ সালে পরিচয় হয় মিঠুনের। পরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠলে ২০১৯ সালে তারা গোপনে বিয়ে করেন। এরপর স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বিভিন্ন স্থানে ভাড়া বাসা থেকেছেন তারা। সম্প্রতি স্ত্রী হিসেবে নিজ বাড়িতে তুলে নেয়ার জন্য দুই বিঘা জমি, ১০ ভরি স্বর্ণ ও ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন মিঠুন। এর জন্য তিথিকে শারীরিক নির্যাতন করে আসছিলেন মিঠুন।

নির্যাতনের অভিযোগে খুলনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-১-এ মিঠুনের বিরুদ্ধে পরে মামলাটি করেন তিথি। সেই মামলায় বুধবার আদালতে আত্মসমর্পণ করেন মিঠুন।

মিঠুনের বিরুদ্ধে মামলা তুলে নিতে পুলিশের ক্ষমতার অপব্যবহার, বাদির পরিবারকে ভয়ভীতি দেখানো এবং সামাজিকভাবে পরিবারটিকে একঘরে করে রাখার অভিযোগও উঠেছে।

আরও পড়ুন:
‘পশু পরিবহনের চেয়েও গাদাগাদি করে যেতে হচ্ছে’
৫ আগস্টের পর কী হবে
‘ট্রা‌কে ভাড়া ৮০০, মোটরসাই‌কে‌লে ৪ হাজার’
পণ্যের গাড়ি আনছে শ্রমিক
পরিবহন চালুর দাবিতে সড়কে শ্রমিকরা

শেয়ার করুন

সাউন্ডবক্সে ওয়াজ ছেড়ে স্ত্রীকে ‘হত্যাচেষ্টা’ ইমামের

সাউন্ডবক্সে ওয়াজ ছেড়ে স্ত্রীকে ‘হত্যাচেষ্টা’ ইমামের

রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন খুশি আকতার। ছবি: নিউজবাংলা

গৃহবধূর পরিবারের অভিযোগ, অর্থনৈতিক সংকট ও বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে কিছু দিন ধরে স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছিলেন শরিফ। গত শনিবার রাতে স্ত্রীর কাছে এক লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন তিনি। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তোলায় ওই সময় খুশিকে মারধর করেন শরিফ। পরে রাত ৩টার দিকে সাউন্ডবক্সে উচ্চস্বরে ওয়াজ বাজিয়ে খুশির শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন।

গাজীপুরের শ্রীপুরে যৌতুকের দাবিতে গভীর রাতে সাউন্ডবক্সে উচ্চস্বরে ওয়াজ বাজিয়ে স্ত্রীকে নির্যাতন ও পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক ইমামের বিরুদ্ধে।

শ্রীপুর থানায় বুধবার রাতে গৃহবধূ খুশি আকতারের বাবা হাসেন আলী এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দেন।

খুশির বাড়ি গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের বদলাগাড়ি গ্রামে। তিনি স্বামী মাওলানা শরিফ মাহমুদের সঙ্গে শ্রীপুরের নতুনবাজারের আনছার রোড এলাকার বয়রাসালায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। শনিবার রাত ৩টার দিকে ওই বাসায় তাকে নির্যাতন করা হয়।

খুশির পরিবার জানায়, পারিবারিকভাবে ২০১৯ সালের জুনে গাইবান্ধা সদর উপজেলার বল্লমঝাড় এলাকায় শরিফের সঙ্গে বিয়ে হয় খুশির। বিয়ের পর স্ত্রীকে নিয়ে শ্রীপুরে যান শরিফ। সেখানে স্থানীয় ইয়াকুব আলী জামে মসজিদে ইমামতি শুরু করেন তিনি।

তাদের অভিযোগ, অর্থনৈতিক সংকট ও বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে কিছু দিন ধরে স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছিলেন শরিফ। গত শনিবার রাতে স্ত্রীর কাছে এক লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন তিনি। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তোলায় ওই সময় খুশিকে মারধর করেন শরিফ।

পরে রাত ৩টার দিকে সাউন্ডবক্সে উচ্চস্বরে ওয়াজ বাজিয়ে খুশির শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন শরীফ। ওই সময় খুশির চিৎকারে প্রতিবেশীরা গিয়ে তাকে উদ্ধার করে।

গুরুতর আহত খুশি এখন রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন। চিকিৎসকরা জানিয়েছে, আগুনে খুশির শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়ে গেছে। তবে বর্তমানে তিনি শঙ্কামুক্ত।

খুশির বাবা হাসেন আলী বলেন, ‘টেকার জন্যে ছোলটাক (খুশি) আগুনত ফেলে মারবের চাছিল। বহুত টেকা দিছি এই দুই বছরে। তাও ছোলটেক মারডাং করতো সে (শরিফ)।’

খুশি আকতার বলেন, ‘অন্য মেয়েদের সাথে ইয়ে করত; কথা বলত। সেগুলো আমি সহ্য করতে পাই নাই। অনেক মারধর করছে ওই রাতে।

‘সেদিন খাটে শুইতেও দেয়নি। পরে মেঝেতে ঘুমাই। হুট করে ঘুম থেকে উঠে দেখি দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে; আর ওয়াজ বাজছে।’

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমাম হোসেন বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তের পর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
‘পশু পরিবহনের চেয়েও গাদাগাদি করে যেতে হচ্ছে’
৫ আগস্টের পর কী হবে
‘ট্রা‌কে ভাড়া ৮০০, মোটরসাই‌কে‌লে ৪ হাজার’
পণ্যের গাড়ি আনছে শ্রমিক
পরিবহন চালুর দাবিতে সড়কে শ্রমিকরা

শেয়ার করুন

গাড়ি ‘সাইড’ না দেয়ায় ছাত্রলীগ নেতাকে সাংসদের মারধর

গাড়ি ‘সাইড’ না দেয়ায় ছাত্রলীগ নেতাকে সাংসদের মারধর

বরগুনা-২ আসনের সাংসদ শওকত হাচানুর রহমান রিমন ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নজরুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নজরুল ইসলাম বলেন, ‘সাংসদ রিমন আমাকে গাড়িতে দেখেই ক্ষিপ্ত হন। তিনি তখন মাইক্রোবাস চালককে কিছু না বলে আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়েছিলেন। মূলত আমি প্রয়াত সাংসদ গোলাম সবুর টুলুর স্ত্রী ও বর্তমান সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ নাদিরা সবুরের হয়ে শোকদিবস উপলক্ষে ব্যানার ও পোস্টার লাগিয়েছিলাম। এতেই তিনি ক্ষিপ্ত ছিলেন এবং আমাকে মেরে তিনি রাজনৈতিক দ্বন্দের জের মিটিয়েছেন।’

সংসদ সদস্যের মোটরসাইকেল বহরকে সাইড না দেয়ার অজুহাতে বরগুনা ২ আসনের সাংসদ শওকত হাচানুর রহমান রিমনের বিরুদ্ধে নজরুল ইসলাম নামের সাবেক এক ছাত্রলীগ নেতাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার বিকেল চারটার দিকে বরগুনার পাথরঘাটা পৌর শহরের স্টেডিয়াম মাঠ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

নজরুল ইসলাম পাথরঘাটা পৌর ছাত্রলীগের ৮নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও বিএফডিসি মৎস্য পাইকার সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক।

নজরুল বলেন, ‘পাথরঘাটা স্টেডিয়াম মাঠে ফুটবল টুর্নামেন্ট চলছিল। বিকেল চারটার দিকে বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য শওকত হাচানুর রহমান রিমনসহ উপজেলা ছাত্রলীগের বেশ কিছু নেতাকর্মী মোটরসাইকেল যোগে মাঠে খেলা দেখতে যাচ্ছিলেন। মাঠের কাছাকাছি পৌঁছতেই খেলোয়ারবাহী একটি মাইক্রোবাস সংসদ সদস্যের মোটরসাইকেল বহরের সামনে পড়ে। মাইক্রোবাসটিতে আমিও ছিলাম।

‘এসময় মাইক্রোবাসটিকে সরে যেতে সাংসদকে বহনকারি মোটরসাইকেল থেকে হর্ন বাজানো হয়। কিন্ত সড়ক সরু হওয়ায় মাইক্রোবাসটির চালক জায়গা পাচ্ছিলেন না। এতেই বিরক্ত ও ক্ষিপ্ত হন সাংসদ। পরে কিছুটা সামনে গিয়ে জায়গা পেয়ে মোটরসাইকেল বহরকে সাইড দেয় খেলোয়ারবাহী মাইক্রোবাসের চালক। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত সাংসদ রিমন মঞ্চে বসে আমাকে ডেকে পাঠান। সাংসদের সামনে আসতেই পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন মধু আমাকে এমপির পা ধরে মাফ চাইতে বলেন। সামনে এগিয়ে যেতেই এমপি রিমন মাঠভর্তি দর্শক, খেলোয়ার ও অতিথিদের সামনেই আমাকে চড়-থাপ্পর দিতে শুরু করেন।’

নজরুল ইসলাম আরও বলেন, ‘সাংসদ রিমন আমাকে গাড়িতে দেখেই ক্ষিপ্ত হন। তিনি তখন মাইক্রোবাস চালককে কিছু না বলে আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়েছিলেন। মূলত, আমি প্রয়াত সাংসদ গোলাম সবুর টুলুর স্ত্রী ও বর্তমান সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ নাদিরা সবুরের হয়ে শোকদিবস উপলক্ষে ব্যানার ও পোস্টার লাগিয়েছিলাম। এতেই তিনি ক্ষিপ্ত ছিলেন এবং আমাকে মেরে তিনি রাজনৈতিক দ্বন্দের জের মিটিয়েছেন।’

এ বিষয়ে জানতে বরগুনা ২ আসনের সংসদ সদস্য শওকত হাচানুর রহমান রিমনকে একাধিকবার কল এবং পরে মুঠোফোনে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েও সাড়া পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:
‘পশু পরিবহনের চেয়েও গাদাগাদি করে যেতে হচ্ছে’
৫ আগস্টের পর কী হবে
‘ট্রা‌কে ভাড়া ৮০০, মোটরসাই‌কে‌লে ৪ হাজার’
পণ্যের গাড়ি আনছে শ্রমিক
পরিবহন চালুর দাবিতে সড়কে শ্রমিকরা

শেয়ার করুন

মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসের নিচে, দম্পতি নিহত 

মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসের নিচে, দম্পতি নিহত 

সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে বনভোজন শেষে স্ত্রীকে নিয়ে মোটরসাইকেলে পাবনায় শ্বশুরবাড়ি যাচ্ছিলেন আব্দুল্লাহ। পথে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারালে ঢাকাগামী একটি বাসের নিচে চলে যায়।

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসের নিচে পড়ে এক দম্পতি নিহত হয়েছেন।

বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কের সীমান্ত বাজার এলাকায় বুধবার বিকেল ৪টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত দুজন হলেন স্বামী সৈয়দ আব্দুল্লাহ ও স্ত্রী কেয়া খাতুন। তাদের বাড়ি চট্টগ্রামে বলে জানা গেছে।

সিরাজগঞ্জ ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট সাইফুল ইসলাম জানান, সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে বনভোজন শেষে স্ত্রীকে নিয়ে মোটরসাইকেলে পাবনায় শ্বশুরবাড়ি যাচ্ছিলেন আব্দুল্লাহ। পথে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারালে ঢাকাগামী একটি বাসের নিচে চলে যায়।

এতে ঘটনাস্থলেই আব্দুল্লাহর মৃত্যু হয়। কেয়াকে উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া নেয়ার পথে রাত ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দুটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

সাইফুল জানান, দুর্ঘটনার পর বাসচালক ও তার সহকারী পালিয়ে গেছেন। বাস ও মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
‘পশু পরিবহনের চেয়েও গাদাগাদি করে যেতে হচ্ছে’
৫ আগস্টের পর কী হবে
‘ট্রা‌কে ভাড়া ৮০০, মোটরসাই‌কে‌লে ৪ হাজার’
পণ্যের গাড়ি আনছে শ্রমিক
পরিবহন চালুর দাবিতে সড়কে শ্রমিকরা

শেয়ার করুন