বিদেশি জাহাজের চোরাই তেলসহ গ্রেপ্তার ২

বিদেশি জাহাজের চোরাই তেলসহ গ্রেপ্তার ২

চট্টগ্রামে চোরাই জ্বালানি তেলসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। ছবি: নিউজবাংলা

‘বিমানবন্দর সড়কে বিক্রির উদ্দেশ্যে ডিজেল, অকেটন ও মবিলগুলো রাখার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব সদস্যরা অভিযান চালান। পরে উদ্ধার তেলসহ আসামিদের পতেঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। চক্রের অন্য সদস্যদের ধরতে অভিযান চলছে।’

চট্টগ্রাম বন্দরে আসা বিদেশি জাহাজ থেকে চোরাই ২ হাজার ৭৫ লিটার জ্বালানি তেলসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার দুপুরে র‌্যাব জানায়, সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর পতেঙ্গা থানার বিমানবন্দর সড়ক থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে তেল জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মিন্টু বড়ুয়া ও মো. শওকত।

র‌্যাব-৭-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) নুরুল আবছার জানান, জব্দ করা জ্বালানি তেলের মধ্যে ডিজেল, অকটেন ও মবিল আছে। চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে আসা বিদেশি জাহাজ থেকে একটি চক্র জ্বালানি তেলগুলো সংগ্রহ করে। আসামিরা সেই চক্রের সদস্য। মূলত শুল্ক ফাঁকি দিয়ে সেই তেল দেশের বাজারে সরবরাহ করে তারা। এতে সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘বিমানবন্দর সড়কে বিক্রির উদ্দেশ্যে ডিজেল, অকেটন ও মবিলগুলো রাখার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব সদস্যরা অভিযান চালান। পরে উদ্ধার তেলসহ আসামিদের পতেঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। চক্রের অন্য সদস্যদের ধরতে অভিযান চলছে।’

আরও পড়ুন:
চাকরির নামে প্রতারণা: ৩০ মামলার আসামি অবশেষে ধরা
ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হত্যা মামলার আসামি 
জীবননগর সীমান্তে গ্রেপ্তার ৪
অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার সাবেক যুবদল নেতা
‘বন্ধু’ খুনের আসামি গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ই-কমার্স গ্রাহকের লোভ কমাতে প্রচারণা চালান: হাইকোর্ট

ই-কমার্স গ্রাহকের লোভ কমাতে প্রচারণা চালান: হাইকোর্ট

প্রতীকী ছবি

আইনজীবী শিশির মনির বলেন, ‘আমাদের দেশে ই-কমার্স ব্যবসার নামে অনেক বেশি ফ্রি অফার থাকে, যা বিদেশি প্রতিষ্ঠান আলিবাবা, অ্যামাজনে থাকে না। আমাদের দেশের গ্রাহকেরা অতি লোভে পড়ে প্রতারণার শিকার হন।’ জবাবে আদালত বলে, ‘…গ্রাহকদের লোভ কমাতে জনস্বার্থে প্রচারণা চালান।’

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর নানা অফারে লোভে পড়ে গ্রাহকদের প্রতারিত হওয়া ঠেকাতে জনস্বার্থে প্রচারণা চালাতে পরামর্শ দিয়েছে হাইকোর্ট।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মুস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চে রোববার ফোনালাপে আড়ি পাতা নিয়ে রিট শুনানির একপর্যায়ে ই-কমার্স প্রসঙ্গও উঠে আসে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শিশির মনির। একপর্যায়ে আদালত তার কাছে ই-কমার্স ব্যবসার বিষয়ে জানতে চায়।

তখন শিশির মনির বলেন, ‘আমাদের দেশে ই-কমার্স ব্যবসার নামে অনেক বেশি ফ্রি অফার থাকে, যা বিদেশি প্রতিষ্ঠান আলিবাবা, অ্যামাজনে থাকে না। আমাদের দেশের গ্রাহকেরা অতি লোভে পড়ে প্রতারণার শিকার হন।’

তখন আদালত বলে, ‘হ্যাঁ, আমরা তো দেখি, একটা কিনলে আরেকটা ফ্রি। বিমানের টিকিট কিনলে হোটেল ফ্রি। এ জন্যই গ্রাহকদের লোভ কমাতে জনস্বার্থে প্রচারণা চালান।’

ই-কমার্সে টাকা কীভাবে লেনদেন হয়, আদালতের এমন প্রশ্নে শিশির মনির বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমেই টাকাটা ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের মালিকদের কাছে যায়।’

দেশে ই-কমার্স নিয়ে একটা অস্থির সময় যাচ্ছে। গ্রাহকদের কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জ ও ধামাকার মতো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।

এর মধ্যে অর্থ আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে রিমান্ডে আছেন ইভ্যালির সিইও মো. রাসেল ও তার স্ত্রী প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন।

প্রেপ্তার করা হয়েছে ই-অরেঞ্জের মালিক সোনিয়া মেহজাবিন, তার স্বামী মাসুকুর রহমান ও প্রতিষ্ঠানের চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) আমানউল্লাহ চৌধুরী ও সাবেক সিওও নাজমুল আলম রাসেলকে।

মামলা হয়েছে ধামাকার মালিকদের বিরুদ্ধেও।

ই-কমার্স নিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ই-কমার্স একটি সম্ভাবনায় খাত, গ্রাহকদের সুরক্ষায় একটি পরিপূর্ণ আইন করা দরকার। ক্ষতিগ্রস্থ গ্রাহকেরা দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইনে মামলা করতে পারেন।’

ফোনালাপে আড়ি পাতা নিয়ে আদেশ ২৯ সেপ্টেম্বর

ফোনালাপে আড়ি পাতা বন্ধের নিশ্চয়তা ও ফাঁস হওয়া ঘটনাগুলোর তদন্ত চেয়ে দায়ের করা রিটের শুনানি নিয়ে আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর আদেশের জন্য রেখেছে হাইকোর্ট।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মুস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ দিন ঠিক করে দেয়।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

ফোনালাপে আড়ি পাতা বন্ধ চেয়ে গত ১০ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের ১০ আইনজীবী রিটটি করেন।

রিটে ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সচিব, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক সচিব, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের চেয়ারম্যানকে বিবাদী করা হয়েছে।

এর আগে গত ২২ জুন এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের আইনি নোটিশ দেয়া হয়েছিল। কোনো জবাব না পাওয়ায় রিট করা হয়।

আড়ি পাতার ঘটনা বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে বহুল প্রচারিত এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। অথচ সর্বজনীন মানবাধিকার সনদপত্র, নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুযায়ী পৃথিবীর সব আধুনিক ব্যবস্থায় ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকার স্বীকৃত ও সংরক্ষিত।

এমনকি বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৩ অনুচ্ছেদে চিঠিপত্র ও যোগাযোগের অন্যান্য উপায়ের গোপনীয়তা সংরক্ষণ নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এ অধিকার সংবিধানের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
চাকরির নামে প্রতারণা: ৩০ মামলার আসামি অবশেষে ধরা
ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হত্যা মামলার আসামি 
জীবননগর সীমান্তে গ্রেপ্তার ৪
অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার সাবেক যুবদল নেতা
‘বন্ধু’ খুনের আসামি গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে সুইজারল্যান্ডে রোড শো কাল

বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে সুইজারল্যান্ডে রোড শো কাল

যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকোর সান্তা ক্লারার হায়াত রিজেন্সিতে হয় ১০ দিনব্যাপী রোড শোর সমাপনী। বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে এমন রোড শো হচ্ছে সুইজার‌ল্যান্ডেও। ছবি: নিউজবাংলা

অর্থনীতি ও প্রযুক্তিগত দিক বিবেচনায় ইউরোপের অন্যতম প্রভাবশালী দেশটিতে বাংলাদেশকে তুলে ধরে বিদেশি এবং অনিবাসী বাংলাদেশিদের বিনিয়োগ আকর্ষণ এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। বিশেষ করে প্রবাসীরা যাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করে, সে বিষয়টি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে সুইজারল্যান্ডে তিন দিনব্যাপী রোড শো শুরু হচ্ছে সোমবার।

এ রোড শোতে বাংলাদেশের অর্থনীতির সক্ষমতা, বিনিয়োগ, বাণিজ্য, বাংলাদেশি পণ্য ও সেবা, পুঁজিবাজার ও বন্ড মার্কেটকে তুলে ধরা হবে।

অর্থনীতি ও প্রযুক্তিগত দিক বিবেচনায় ইউরোপের অন্যতম প্রভাবশালী দেশটিতে বাংলাদেশকে তুলে ধরে বিদেশি এবং অনিবাসী বাংলাদেশিদের বিনিয়োগ আকর্ষণ এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। বিশেষ করে প্রবাসীরা যাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করে, সে বিষয়টি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

পুরো কর্মসূচির নাম দেয়া হয়েছে ‘রেইজ অব বেঙ্গল টাইগার’। স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় জুরিখের ডোলডার গ্র্যান্ড হোটেলে ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন। আর ২২ সেপ্টেম্বর জেনেভার হোটেল প্রেসিডেন্ট উইলসনে সমাপনী অনুষ্ঠানে থাকবেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক ড. টেডরোস আধানম গেবরিয়েসুস।

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এ রোড শোর আয়োজন করেছে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের দুটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের প্রতিষ্ঠানের চুক্তি হবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের ফাইন্যান্স ডিভিশনের সিনিয়র সচিব আবদুর রউফ তালুকদার, বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম, তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এনএম জিয়াউল আলম পিএ, বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেপজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. নজরুল ইসলাম, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য মো. আলমগীর হোসেন এবং বিএসইসির কমিশনার শেখ শামসুদ্দীন আহমেদ এতে উপস্থিত থাকবেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বলেন, ‘গত ১০ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতির ঈর্ষণীয় অগ্রগতি হয়েছে। অর্থনীতির সবগুলো সূচকে আমরা এগিয়েছি। সামগ্রিকভাবে মূল্যায়ন করলে আগামীতে বাংলাদেশের অর্থনীতির সম্ভাবনা বিশাল। কিন্তু আমাদের অর্থনীতির যে অর্জন ও সম্ভাবনা রয়েছে, উন্নত দেশগুলোর বিনিয়োগকারীদের কাছে তা তুলে ধরা হয়নি, যে কারণে আমাদের ওইভাবে বিদেশি বিনিয়োগ আসেনি।

‘এ কারণে বিদেশি বিনিয়োগ আর্কষণের জন্য আমরা এ ধরনের রোড শোর উদ্যোগ নিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘এর আগে আমরা দুবাই এবং যুক্তরাষ্ট্রের চার শহরে রোড শো করেছি। সেখানে ব্যাপক সাড়া মিলেছে। আগামী ৩১ অক্টোবর ইংল্যান্ডে রোড শো শুরু হবে। পর্যায়েক্রমেই সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের লক্ষ্য রেখে বিভিন্ন দেশে এই ধরনের আরও আয়োজন থাকবে।’

বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৫০ সালে বিশ্বের ২৩তম অর্থনীতির দেশ হবে বাংলাদেশ। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ায় দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ হলো বাংলাদেশ।

একই পূর্বাভাস দিয়েছে আরেক আর্ন্তজাতিক প্রতিষ্ঠান হংকং সাংহাই ব্যাংকিং করপোরেশন (এইচএসবিসি)।

গত ১০ বছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশ। আর মোট জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩১ শতাংশ। প্রবৃদ্ধিকে সাপোর্ট দিতে ২০২০ সালে বাংলাদেশের অবকাঠামো খাতে ৪০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করা হয়েছে।

২০১১ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ছিল ৮৬০ ডলার। বর্তমানে তা ২ হাজার ২২৭ ডলারে উন্নীত হয়েছে। এ ছাড়াও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

করোনার মধ্যেও ২০২০ সালে প্রবাসী আয়ে (রেমিট্যান্স) ১০ দশমিক ৮৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ছিল। আইএমএফের পূর্বাভাস অনুসারে, করোনার মধ্যে ২৩ দেশ অর্থনৈতিকভাবে ইতিবাচক অবস্থানে থাকবে। সংস্থাটি বলছে, এর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম।

বাংলাদেশে মোট শ্রমশক্তি ৭ কোটি। এর মধ্যে সাড়ে ৫ কোটিই বয়সে তরুণ।

রোড শোতে উল্লিখিত বিষয়গুলো তুলে ধরা হবে। এর বিভিন্ন সেশনে বিদেশি ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের নিয়ে বিনিয়োগকারী সম্মেলন, হোল্ডার্স মিটিং বা অংশীজন বৈঠক এবং প্রযুক্তি ও অন্যান্য খাতে বিনিয়োগের বিষয়টি গুরুত্ব পাবে।

সম্মেলনে বাংলাদেশের সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ের কর্মকর্তা, বেসরকারি উদ্যোক্তা, অনিবাসী বাংলাদেশি এবং বিদেশি উদ্যোক্তারা অংশ নেবেন।

আয়োজকরা ধারণা করছেন, রোড শোর মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতি নতুন করে পরিচিতি পাবে।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত থাকবেন হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকর্ন কুমার ঘোষ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মফিজ উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শেখ কবির হোসেন, বিএসইসির সাবেক কমিশনার আরিফ খান, সুইজারল্যান্ড বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মোহাম্মদ নকিব উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক সাদ ওমর ফাহিম, বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান, মোহাম্মদ মাহবুবুল আলম এবং বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ছায়েদুর রহমানসহ অনেকে।

অনুষ্ঠানে স্পন্সর হিসেবে রয়েছে সুইজারল্যান্ড বাংলাদেশ চেম্বার ও ওয়ালটন।

ইউরোপের অন্যতম প্রভাবশালী দেশ সুইজারল্যান্ড। পৃথিবীর অধিকাংশের কাছে এটি স্বপ্নের দেশ। প্রাকৃতিকভাবে সুন্দর এই দেশকে অত্যাধুনিক শিল্পের দক্ষতায় সাজানো হয়েছে।

বিশ্বে উদ্ভাবন সূচকে শীর্ষে রয়েছে এই দেশ। সাড়ে ১৫ হাজার বর্গমাইলের এই দেশটির জনসংখ্যা প্রায় ১ কোটি। আর মাথাপিছু আয় ৭০ হাজার ডলারের বেশি, যা বাংলাদেশের ৩৫ গুণ।

ঘড়ি, চকলেট ও ট্রেনের জন্য বিখ্যাত এই দেশ। অর্থপাচারকারীদের নিরাপদ স্থান হিসেবে দেশটির ব্যাংকগুলো ব্যাপক পরিচিত।

আরও পড়ুন:
চাকরির নামে প্রতারণা: ৩০ মামলার আসামি অবশেষে ধরা
ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হত্যা মামলার আসামি 
জীবননগর সীমান্তে গ্রেপ্তার ৪
অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার সাবেক যুবদল নেতা
‘বন্ধু’ খুনের আসামি গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

ইচ্ছাকৃত ঋণ খেলাপিই বেশি: আরফান আলী

ইচ্ছাকৃত ঋণ খেলাপিই বেশি: আরফান আলী

যেকোনো উন্নয়নশীল অর্থনীতিতে খেলাপি ঋণ বাড়ার সম্ভাবনা থাকে। নতুন বিনিয়োগ করলে কোনো কারণে ব্যবসা যদি লোকসান করে, তখন তারা খেলাপি হয়ে যায়। তবে আমাদের দেশে ইচ্ছাকৃত খেলাপির সংখ্যা বেশি। কারণ, আমাদের আইনি কাঠামো থেকে শুরু করে ব্যাংকিং কাঠামোতে দেখা যায়, ভালো ঋণগ্রহীতার চেয়ে খেলাপি গ্রাহকের দিকে সবার মনযোগ বেশি থাকে।

ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পাহাড়সম যে খেলাপি ঋণ, তার পেছনে উদ্যোক্তাদের টাকা ফেরত না দেয়ার ইচ্ছাকেই দায়ী করেছেন ব্যাংক এশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আরফান আলী। তার মতে, খেলাপি ঋণদাতাদের মধ্যে ইচ্ছাকৃত খেলাপিই বেশি।

তিনি এও মনে করেন যে, করোনাকালে বিনিয়োগের যে খরা তৈরি হয়েছে, সেটি কেটে যাবে সহসাই।

করোনার ধাক্কার পর বিশ্ব অর্থনীতির মতো বাংলাদেশের অর্থনীতিও গভীর সংকটে পড়ে গত বছরের শুরুর দিকে। সেই ধাক্কা সামলে অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড় করাতে সোয়া লাখ কোটি টাকার ২৩টি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করে সরকার। বর্তমানে সেই প্রণোদনার অঙ্ক বেড়ে ১ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকায় ঠেকেছে।

এই প্রণোদনা ঋণের পুরোটাই বিতরণ করছে ব্যাংকগুলো। গত বছর প্রণোদনা ছাড়া ঋণ বিতরণ খুব একটা ছিল না। তবে এখন মহামারির ধকল কমতে শুরু করেছে। মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা কমতির দিকে। ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে দেশের অর্থনীতি। ঋণ বিতরণও বেড়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে ‘কেমন চলছে ব্যাংক খাত’ এ শিরোনামে নিউজবাংলার ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করছে। সাক্ষাৎকারভিত্তিক এই প্রতিবেদনের দ্বিতীয় পর্বে দেশের ব্যাংকিং খাতের হালচাল নিয়ে কথা বলেছেন ব্যাংক এশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আরফান আলী।

খেলাপি ঋণ দেশের ব্যাংক খাতের এখনও অন্যতম সমস্যা। এ সমস্যা থেকে বের হতে কী করা দরকার?

যেকোনো উন্নয়নশীল অর্থনীতিতে খেলাপি ঋণ বাড়ার আশঙ্কা থাকে। নতুন বিনিয়োগ করলে কোনো কারণে ব্যবসায় লোকসান করে, তখন খেলাপি হয়ে যায়। এটা হতেই পারে।

তবে আমাদের দেশে ইচ্ছাকৃত খেলাপির সংখ্যা বেশি। কারণ, আমাদের আইনি কাঠামো থেকে শুরু করে ব্যাংকিং কাঠামোতেও দেখা যায়, ভালো ঋণগ্রহীতার চেয়ে খেলাপি গ্রাহকের দিকে সবার মনযোগ বেশি থাকে।

যারা ভালো ঋণগ্রহীতা তাদের দিকে বেশি খেয়াল রাখা হয় না। যারা নিয়মিত ঋণ শোধ করেন তাদের কিছু সুবিধা দেয়া উচিত। কিন্তু এখানে হয়েছে উল্টো। যারা টাকা-পয়সা আটকে রাখে তাদের এক সময় ডিসকাউন্ট দেয়া হয়, ছাড় দেয়া হয়। কিন্তু তাদের সুযোগ-সুবিধাগুলো কমিয়ে দেয়া উচিত। প্রকাশ্যে ঘোষণা দেয়া উচিত যে, তারা ঋণ শোধ করছে না।

ঋণ নিয়ে এক হিসেব থেকে অন্য হিসেবে ব্যবহার করার প্রবণতা রয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে সম্পদ দীর্ঘমেয়াদে দায় দিয়ে ব্যবস্থাপনা করতে হবে। ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল (চলতি মূলধন) দিয়ে অনেকে দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগে চলে গেছে। ফলে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বাড়ছে।

তাহলে বিষয়টি কি এমন যে, খেলাপিদের প্রশয় দেয়া হয়, ভালো ঋণগ্রহীতাদের বঞ্চিত করা হয়?

অনেকটা সেরকমই। আমার কাছে মনে হয়েছে ভালো ঋণগ্রহীতার চেয়ে খেলাপিদের প্রভাবটা বেশি। অনেক করপোরেট হাউজ আছে যারা নিয়মিত ঋণ পরিশোধ করছেন, ব্যাংকের শর্ত সব পূরণ করছেন। তাদের জন্য বিশেষ সুযোগ সুবিধা থাকা দরকার। তাদের জন্য আরও বেশি সুযোগ তৈরি করা উচিত বলে আমি মনে করি।

করোনার ধাক্কায় যেখানে সবদিক দিয়েই স্থবিরতা তৈরি হয়েছে, সেখানে তথ্য বলছে, ব্যাংকগুলো ভালো পরিচালন মুনাফা করেছে। কীভাবে এটা সম্ভব হয়েছে?

২০২০ সালের ডিসেম্বরে ব্যালেন্স শিটে সব ব্যাংকের পরিচালন মুনাফা কম ছিল। ঋণের সর্বোচ্চ ৯ শতাংশের সুদহারের সুফল কিন্তু ওই বছর পাওয়া যায়নি।

চলতি বছর আমানতের সুদহার যখন সমন্বয় করতে পারলাম তখন সুদের আয়টা একটু বেশি ছিল। খেলাপি ঋণেরও ছাড় দেয়া হয়েছে। ফলে ব্যাংকগুলো সঞ্চিতিতে কিছুটা ছাড় পেয়েছে। এ কারণেও মুনাফা হয়েছে বেশি। চলতি ডিসেম্বরে যখন সুবিধাগুলো আরও কমে যাবে তখন ব্যাংকের প্রকৃত মুনাফা বোঝা যাবে।

বর্তমানে ব্যাংক খাতে আলোচিত বিষয় আমানতের সুদহার। আমানতের সুদ হার বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বলেছে, সুদহার মূল্যস্ফীতির চেয়ে কম হতে পারবে না। এতে আপনাদের আপত্তি আছে, যা গভর্নরের সঙ্গে বৈঠকে স্পষ্ট করেছেন। এই নির্দেশনা পরিপালনে ব্যাংক খাতের চ্যালেঞ্জ কী?

চাহিদা ও যোগানের উপর ভিত্তি করে ব্যাংকিং পরিচালনা করা হয়। এখন ঋণে সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ সুদ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। কিন্তু সেটা ৯ শতাংশেরও নিচে চলে এসেছে। ৭ থেকে ৮ শতাংশ সুদেও ঋণ বিতরণ করা হচ্ছে। করপোরেট ঋণে কোনো কোনো ঋণে সেটা আরও কম।

ঋণ ও আমানতে সুদহারের যে ব্যবধান (স্প্রেড) থাকে ব্যাংক সেটা দিয়ে ব্যাংক চলে। সুতরাং ঋণে সুদ বাড়ানোর যেহেতু কোনো সুযোগ নেই, ব্যাংক গ্রাহকের সঙ্গে এটা সমন্বয় করে ফেলছে।

তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের এ নির্দেশনার ফলে ব্যক্তি আমানতকারীদের সুবিধা হবে। তাদের টাকার মান যেন নষ্ট না করে, বিনিয়োগ যেন নিরাপদ থাকে এ কারণে মূল্যস্ফীতির কম সুদ না দেয়ার বিষয়ের নির্দেশনা সঠিকভাবে পরিপালন করা হবে। এর ফলে টাকার মান নষ্ট হচ্ছে না। কারণ, সঞ্চয় বিষয়টা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ব্যক্তি বিশেষ সঞ্চয় না করলে বড় বড় করপোরেটরা এত টাকা ঋণ পাবে না।

মহামারি করোনাভাইরাসের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে বড় ভূমিকা রাখছে ব্যাংক খাত। জরুরি সেবার আওতায় লকডাউনের মধ্যেও বন্ধ থাকেনি এ খাতের সেবা। সেই ব্যাংক খাতের সার্বিক অবস্থা এখন কেমন?

করোনার মধ্যে ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করতে নিজেদের প্রস্তুত করেছি। কারণ ব্যক্তি থেকে শুরু করে করপোরেট, সবারই আর্থিক খাতের সেবা দরকার পড়ে। আমাদের দেশে অনলাইন ও ডিজিটাল ব্যাংকিং এখনও সেভাবে প্রসার লাভ করেনি। সে কারণে ব্যাংকের শাখা বা এজেন্ট বুথে এসে গ্রাহদের সেবা নেয়ার প্রবণতা এখনও আছে। আমরা করোনার সময়েও সীমিত পরিসরে সব খোলা রেখে গ্রাহকদের সেবা দেয়ার সর্বোত্তম চেষ্টা করেছি।

বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সরকারের ভাতাসহ সব ধরনের সেবা দেয়ার জন্য নিজেদের সেভাবে তৈরি রেখেছি।

ক্ষতি পোষাতে বিশাল অংকের প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে সরকার। কিন্তু অভিযোগ আছে বড় বড় ব্যবসায়ীদেরই প্রণোদনার অর্থ দেয়া হচ্ছে, বঞ্চিত হচ্ছে ক্ষুদ্র এবং মাঝারি শিল্প। প্রকৃত চিত্র কী?

ছোটরা বঞ্চিত হচ্ছে বিষয়টি তেমন নয়। কর্মাশিয়াল কোনো ব্যাংকের হেড অফিস কিন্তু গ্রামাঞ্চলে নেই। শহরভিত্তিক কার্যক্রম বেশি করা হয়। ব্যাংকগুলো প্রত্যন্ত অঞ্চলে এ ধরনের সেবার জন্য তেমন প্রস্তুত ছিল না। এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের কারণে ওইসব জায়গায় সেবা দেয়ার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। সব ব্যাংক এখন চেষ্টা করছে।

প্রণোদনার ক্ষুদ্র ঋণ দেরি হয়েছে। কিন্তু এরপরেও অনেকাংশে ঋণ বিতরণ হয়েছে। করপোরেট ঋণগুলো ঢাকা, চট্রগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেটসহ এমন কিছু শহরে ছিল। কিন্তু ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের কাজ তো পুরো দেশজুড়ে ছড়িয়ে আছে। সেজন্য সময় বেশি লেগেছে।

ব্যাংক ঋণের সুদের সর্বোচ্চ হার এখন ৯ শতাংশ। যখন এই সুদ হার কার্যকর হয়, তারপরই হানা দেয় করোনা। সুবিধা দেয়ার পরও দিন দিন কমছে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ। তাহলে কি বিনিয়োগ বাড়ার ক্ষেত্রে কম সুদ কোনো ভূমিকা রাখে না?

ঋণের ক্ষেত্রে ডিমান্ড-সাপ্লাই এর একটা বিষয় আছে। ঋণের সুদ ৯ শতাংশ হলেই যে সব ধরনের ঋণ বিতরণ হবে বিষয়টি তেমন না।

করোনাকালে বেসরকারি ঋণ প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যমাত্রার অনেক নিচে। কারণ, উদ্যোক্তারা নতুন বিনেয়াগের ব্যাপারে খুব একটা সাহসী ছিল না। করোনা পরিস্থিতিতে অনেকের জন্য নতুন বিনিয়োগ করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া কস্টকর ছিল। বিনিয়োগে করলে রিটার্ন কেমন পাবে বা পরিস্থিতি কেমন হবে-এসব কারণে তাদের মধ্যে ‘ওয়েট অ্যান্ড সি’ পলিসি কাজ করেছে। সে কারণে নতুন কোনো প্রজেক্ট আমরা তেমন দেখতে পাইনি।

তবে আশার কথা হলো, এখন আবার পুরোদমে কাজ শুরু হয়েছে। অনেকে নতুন নতুন প্রকল্প নিয়ে আমাদের সামনে আসছেন। সুতরাং, এতদিন যে স্থবিরতা গেছে, এখন সেটা কেটে যেতে শুরু করেছে। বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়বে। বিনিয়োগে স্থবিরতা কেটে যাবে।

করোনাকে সঙ্গে নিয়েই বিশ্ব পরিস্থিতি পাল্টাতে শুরু করেছে। সবকিছু স্বাভাবিক হচ্ছে। মহামারির এই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ব্যাংক খাত কী ধরনের কর্মপরিকল্পনা নিতে পারে?

যারা ক্ষতিগ্রস্ত উদ্যোক্তা তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে। তারা আমাদের চালিকাশক্তি। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তা দেশের সর্বত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। করোনার মধ্যে এসব শিল্পে কাজ চলমান ছিল। ব্যাংকারদের এসব উদ্যোক্তার পাশে দাঁড়াতে হবে। ঋণ প্রবৃদ্ধি যেন বাড়ে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

আগে আমাদের ব্যাংকগুলো শহরভিত্তিক ছিল। কিন্তু এখন প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ব্যংকের সেবা পৌঁছে গেছে। এটা আরও ছড়িয়ে দিতে হবে। করোনার সময়েও অনেক ব্যবসা চালু ছিল। কাজ চালু রাখার কারণে অর্থনীতিতে তেমন নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি।

করোনা পরবর্তী ব্যাংক খাত আরও ভালো করবে বলে আমি আশা করি। সম্পদের সমৃদ্ধি আরও ভালো হবে। ক্যারিয়ার ব্যাংকিংও ভালো হবে। ব্যাংক খাতে কাজ করার সক্ষমতা আরও বাড়বে।

আরও পড়ুন:
চাকরির নামে প্রতারণা: ৩০ মামলার আসামি অবশেষে ধরা
ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হত্যা মামলার আসামি 
জীবননগর সীমান্তে গ্রেপ্তার ৪
অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার সাবেক যুবদল নেতা
‘বন্ধু’ খুনের আসামি গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

সৌদিতে শুল্ক ছাড়াই ১৩৭ পণ্য রপ্তানি চায় বাংলাদেশ

সৌদিতে শুল্ক ছাড়াই ১৩৭ পণ্য রপ্তানি চায় বাংলাদেশ

সালমান এফ রহমানের নেতৃত্বে সৌদি আরবে সফররত বাংলাদেশি দল

সৌদি পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের (পিআইএফ) আওতায় দেশটির বাণিজ্যমন্ত্রীর কাছে বাংলাদেশের বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে বিনিয়োগের বিষয়েও অনুরোধ সালমান এফ রহমান।

সৌদি আরবে ১৩৭টি পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা চেয়েছে বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী আল কাসাবির কাছে এই অনুরোধ করেন।

শনিবার আল কাসাবির সঙ্গে এক ভার্চুয়াল বৈঠকে মিলিত হন সালমান এফ রহমান। সরকারি সফরে তিনি এখন সৌদি আরবে অবস্থান করছেন।

বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরব বর্তমানে তৈরি পোশাক, চামড়াজাত ও প্লাস্টিক পণ্য, হিমায়িত মাছ ও ওষুধ আমদানি করে উল্লেখ করে সালমান এফ রহমান হালাল মাংস রপ্তানিতেও আগ্রহ প্রকাশ করেন। এ সময় দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ককে জোরদার করতে সৌদি আরবে রপ্তানি হয় এমন ১৩৭টি পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা চান তিনি। এ ছাড়া সৌদিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ব্যাবসা করার সুযোগ দেওয়ারও অনুরোধ করেন।

সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী দাবি করেন, তার দেশ বিদেশিদের বৈধভাবে ব্যবসা করার সুযোগ দেয়। বাংলাদেশিরা এ ব্যপারে সৌদি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে সব ধরনের সহায়তা পাবে।

সৌদি আরব চাইলে বাংলাদেশ সৌদি বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ ইকোনমিক জোন প্রতিষ্ঠা করে বিশেষ সুবিধা দিতে প্রস্তুত রয়েছে বলেও আল কাসাবিকে জানান সালমান এফ রহমান। সৌদি পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের (পিআইএফ) আওতায় বাংলাদেশের বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে বিনিয়োগের বিষয়েও অনুরোধ জানান তিনি। এ ব্যপারে ইতিবাচক মনোভব দেখান সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রীও।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, সৌদি আরব বাংলাদেশের ঢাকা থেকে পায়রা বন্দর পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ এবং কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে বিনিয়োগ করতে পারে।

এ ছাড়া ২০১৯ সালে সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের সরকারি ও বেসরকারি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফরের সময় দুই বাণিজ্য সম্পর্ক নিয়ে স্বাক্ষরিত বিভিন্ন সমঝোতা দ্রুত কার্যকর করারও অনুরোধ জানান তিনি। এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস দেন কাসাবি।

সালমান এফ রহমান সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রীকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরেরও আমন্ত্রণ জানান। এই আমন্ত্রণ সাদরে গ্রহণ করেন আল কাসাবি।

এর আগে বৈঠকের শুরুতেই সৌদি বাদশাহ ও যুবরাজের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শুভেচ্ছা বার্তা পৌঁছে দেন সালমান এফ রহমান। শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্ব ও দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে সৌদি সরকার অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় বলে জানান সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী।

ভার্চুয়াল বৈঠকে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলাম, অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ হারুন, পিপিপি কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা আফরোজ এবং সৌদি আরবে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারি উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
চাকরির নামে প্রতারণা: ৩০ মামলার আসামি অবশেষে ধরা
ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হত্যা মামলার আসামি 
জীবননগর সীমান্তে গ্রেপ্তার ৪
অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার সাবেক যুবদল নেতা
‘বন্ধু’ খুনের আসামি গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

মালেতে ইউএস বাংলার ফ্লাইট নভেম্বর থেকে

মালেতে ইউএস বাংলার ফ্লাইট নভেম্বর থেকে

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পূর্ব পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে প্রাথমিকভাবে সপ্তাহে চারদিন ঢাকা-মালে-ঢাকা রুটে ফ্লাইট চলবে। দেশের পর্যটকদের ভ্রমণকে সাবলীল ও সাশ্রয়ী করতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম পর্যটন গন্তব্য মালদ্বীপের মালেতে ফ্লাইট শুরু করতে যাচ্ছে বেসরকারি বিমান পরিবহন প্রতিষ্ঠান ইউএস বাংলা এয়ারলাইনস।

শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আগামী নভেম্বর থেকে ফ্লাইট শুরুর ঘোষণা দিয়েছে এয়ারলাইনসটি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পূর্ব পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে প্রাথমিকভাবে সপ্তাহে চারদিন ঢাকা-মালে-ঢাকা রুটে ফ্লাইট চলবে। দেশের পর্যটকদের ভ্রমণকে সাবলীল ও সাশ্রয়ী করতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

ইউএস বাংলা জানিয়েছে, এই রুটে ফ্লাইট পরিচালনায় ১৬৪ আসনের বোয়িং সেভেন থ্রি সেভেন উড়োজাহাজ ব্যবহার করা হবে।

আরও পড়ুন:
চাকরির নামে প্রতারণা: ৩০ মামলার আসামি অবশেষে ধরা
ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হত্যা মামলার আসামি 
জীবননগর সীমান্তে গ্রেপ্তার ৪
অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার সাবেক যুবদল নেতা
‘বন্ধু’ খুনের আসামি গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

ধামাকার কাছে ২০০ কোটি টাকা ফেরত চান সেলাররা

ধামাকার কাছে ২০০ কোটি টাকা ফেরত চান সেলাররা

শনিবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে টাকা ফেরত চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ‘ধামাকা’ শপিং ডটকমের সেলাররা। ছবি: নিউজবাংলা

জাহিদুর ইসলাম বলেন, ‘সেলারদের পাওনা টাকা উদ্ধারে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও পরিচালকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেও মালিক পক্ষের কারও সাক্ষাৎ বা সমাধান পাইনি। সাড়ে ৬০০ সেলারের ধামাকার কাছে পাওনা টাকার পরিমাণ প্রায় ২০০ কোটি।’

বকেয়া ২০০ কোটি টাকা ফেরত চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ধামাকা শপিং ডটকমের সেলাররা।

শনিবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘ধামাকা’ শপিং ডটকম (ইনভেরিয়েন্ট টেলিকম বাংলাদেশ লিমিটেডের) সেলার অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারা এ দাবি জানান।

ধামাকা শপিং ডটকমের সেলার অ্যাসোসিয়েশনের গণযোগাযোগ বিষয়ক সমন্বয়ক জাহিদুর ইসলাম বলেন, ‘ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ধামাকা শপিং ডটকমের সেলার বা মার্চেন্ট হিসেবে প্রায় ৬৫০ জন এসএমই উদ্যোক্তা ২০২০ সালের ডিসেম্বর থেকে ধামাকা শপিং ডটকমের নির্দেশনা ও চুক্তি অনুযায়ী পণ্য সরবরাহ করে যাচ্ছিলাম।

‘ইনভেরিয়েন্ট টেলিকম বাংলাদেশ লিমিটেডের সঙ্গে পণ্য সরবরাহের জন্য সেলারদের সঙ্গে চুক্তিতে স্পষ্ট লেখা ছিল পণ্য সরবরাহের পর ১০ কার্যদিবসের মধ্যে পাওনা অর্থ পরিশোধ করবে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে ১৬০ কার্যদিবস পার হলেও পাওনা টাকা পরিশোধ করেননি তারা।’

তিনি বলেন, ‘সেলারদের পাওনা টাকা উদ্ধারে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও পরিচালকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেও মালিক পক্ষের কারও সাক্ষাৎ বা সমাধান পাইনি। সাড়ে ৬০০ সেলারের ধামাকার কাছে পাওনা টাকার পরিমাণ প্রায় ২০০ কোটি।’

সংবাদ সম্মেলনে ইনভেরিয়েন্ট টেলিকম বাংলাদেশ লিমিটেডের সেলার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘যুব ব্যবসায়ী হিসেবে আমরা শেষ সম্বল বিক্রি করে, স্বজনদের কাছ থেকে ও ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে এ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ব্যবসা করেছি। এখন রাস্তার ফকির ও নিঃস্ব হয়ে গেছি। আমরা সেলার ও তিন লাখ গ্রাহকের মানবিক দিক বিবেচনা করে ধামাকা শপিং ডটকমের ব্যাংক হিসাব খুলে দেয়াসহ এ বিষয়ে যথাযথ সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিশেষ অনুরোধ জানাচ্ছি।’

সব সেলারদের সঙ্গে ধাকামা একই চুক্তি করেনি জানিয়ে সেলার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘ব্যবসার প্রয়োজনে যে যার মতো করে চুক্তি করেছে। একসঙ্গে কোনো চুক্তি হয়নি। তবে চুক্তিতে পণ্য সরবরাহের ১০ দিনের মধ্যে টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও এখন টাকা দিচ্ছে না প্রতিষ্ঠানটি।’

পাওনা টাকা না পেলে মামলার পরিকল্পনা রয়েছে জানিয়ে অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বলেন, ‘আমরা এখনও এক সপ্তাহ সময় দিতে চাই। এরপরও যদি বকেয়া টাকা ফেরত না দেয়, তাহলে অবশ্যই সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায় করা হবে। এরপরও যদি দাবি আদায় না হয় তাহলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘ধামাকা শপিং ডটকমে পণ্য অর্ডার করে প্রায় এক লাখ গ্রাহক ডেলিভারির অপেক্ষায় রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি প্রায় দুই হাজার ধরনের পণ্য নিয়ে ব্যবসা করছিল।’

আরও পড়ুন:
চাকরির নামে প্রতারণা: ৩০ মামলার আসামি অবশেষে ধরা
ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হত্যা মামলার আসামি 
জীবননগর সীমান্তে গ্রেপ্তার ৪
অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার সাবেক যুবদল নেতা
‘বন্ধু’ খুনের আসামি গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

ইভ্যালির অফিসে কার্যক্রম বন্ধ

ইভ্যালির অফিসে কার্যক্রম বন্ধ

ইভ্যালির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেয়া জরুরি নোটিশ

ইভ্যালির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শনিবার সকালে জরুরি এক নোটিশে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত ইভ্যালির কর্মচারীরা বাসা থেকে অফিসের কার্যক্রম চালাবেন।

প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে গ্রেপ্তারের তৃতীয় দিন আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি তাদের অফিসে কার্যক্রম বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে।

ইভ্যালির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শনিবার সকালে জরুরি এক নোটিশে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত ইভ্যালির কর্মচারীরা বাসা থেকে অফিসের কার্যক্রম চালাবেন।

নোটিশে ইভ্যালি বলেছে, ‘সম্মানিত গ্রাহক এবং সেলার, আপনাদের জন্যই আমাদের সকল আয়োজন। আর তাই বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায়, আপনাদের সর্বোচ্চ সেবা দেয়ার লক্ষ্যে, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ রোজ শনিবার থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত ইভ্যালি এমপ্লয়িগণ নিজ নিজ বাসা থেকে অফিস কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

‘হোম অফিস পদ্ধতিতে ইভ্যালির সকল কার্যক্রম স্বাভাবিক নিয়মে চলমান থাকবে। আপনাদের আন্তরিক সহযোগিতা আমাদের একান্তভাবে কাম্য। আপনাদের ভালোবাসাই আমাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা।’

এই পোস্টের নিচে মন্তব্যের ঘরে একজন লিখেছেন, ‘দারুণ ভদ্রতার সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার ঘোষণাও দেয়া যেতে পারে। ইভ্যালি এই ঘোষণার সঙ্গে এটা শিখিয়ে দিলো। আপনারা সবাই বাসায় অফিস করেন। শুভ কামনা।’

আরেকজন লিখেছেন, ‘আস্তা না রেখে কি পারি! ৭-৪৫ দিনের মধ্যে প্রোডাক্ট ডেলিভারি দেবেন বলে অর্ডার নিয়ে ছয় মাস গেল কোনো খবর নাই। এখানেইতো আস্তা রাখার জায়গা। পুরা কপাল আমার কেন যে টাকাটা দিলাম!’

অর্থ আত্মসাতের মামলার পর বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের স্যার সৈয়দ রোডের বাসা থেকে রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে র‌্যাবের সদরদপ্তরের সংবাদ সম্মেলনের পর দুজনকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়। এরপর আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদের তিনদিনের রিমান্ডে পাঠায়।

ইভ্যালিতে ‘ওয়ান ম্যান শো’ চলত বলে দাবি করেছে র‍্যাব। শুক্রবার প্রেস ব্রিফিংয়ে র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক খন্দকার আল মঈন বলেন, “ইভ্যালি একটি পরিকল্পিত পারিবারিক প্রতিষ্ঠান। ইট ওয়াজ ‘ওয়ান ম্যান শো’। ইট ওয়াজ রাসেল ইটসেলফ। নিজস্ব বিচার-বিবেচনায় তিনি সব করতেন। তার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অন্য কারও সম্পৃক্ততা ছিল না।”

র‌্যাব জানায়, ইভ্যালি শুরু থেকেই লোকসানি প্রতিষ্ঠান ছিল। ২০১৭ সালে শিশুপণ্যের একটি প্রতিষ্ঠান বিক্রি করে রাসেল ১ কোটি টাকা পান। এই টাকা দিয়ে ইভ্যালি শুরু। অফিসসহ অন্যান্য ব্যয় মিলে প্রতি মাসে সাড়ে ৫ কোটি টাকা বহন করতে হয়েছে।

আরও পড়ুন:
চাকরির নামে প্রতারণা: ৩০ মামলার আসামি অবশেষে ধরা
ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হত্যা মামলার আসামি 
জীবননগর সীমান্তে গ্রেপ্তার ৪
অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার সাবেক যুবদল নেতা
‘বন্ধু’ খুনের আসামি গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন