প্রতারণার অভিযোগে আটক, স্ট্যাম্পে সই দিয়ে মুক্তি

প্রতারণার অভিযোগে আটক, স্ট্যাম্পে সই দিয়ে মুক্তি

‘আমি ও আমার পরিবারের তিনজনের কাছ থেকে ২ লাখ ৭ হাজার টাকা করে নেয় জয় নারায়ণ। ওই অফিসে চাকরি দিয়েছে আমাদের, কিন্তু কোনো বেতন-ভাতা দেয়নি। প্রতারণা করেছে আমাদের সঙ্গে।’

নীলফামারীর ডোমারে টাকার বিনিময়ে চাকরি ও বেতন না দেয়ার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটকে পুলিশে দিয়েছেন এলাকাবাসী। তবে টাকা ফিরিয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করলে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।

জয় নারায়ণ নামের ওই ব্যক্তি দিনাজপুরের চিরিরবন্দরের অমরপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা। নীলফামারীর ডোমারে ফিজিওথেরাপি সেন্টার নামে একটি প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড টাঙানো অফিসে বসেন তিনি।

স্থানীয়রা জানান, ফিজিওথেরাপি সেন্টার নামের ওই প্রতিষ্ঠান খুলে সেখানে বিভিন্ন পদে লোক নিয়োগের কথা বলে লোকজনের কাছ থেকে কয়েক লাখ টাকা নেন জয় নারায়ণ। জলঢাকায় আরও একটি অফিস খোলার পাঁয়তারা করছিলেন তিনি।

ডিমলার খগাখড়িবাড়ি এলাকার মনোয়ারা বেগম মুন্নি বলেন, ‘আমি ও আমার পরিবারের তিনজনের কাছ থেকে ২ লাখ ৭ হাজার টাকা করে নেয় জয় নারায়ণ। ওই অফিসে চাকরি দিয়েছে আমাদের, কিন্তু কোনো বেতন-ভাতা দেয়নি। প্রতারণা করেছে আমাদের সঙ্গে।’

ডোমার থানার উপপরিদর্শক মহাদেব রায় জানান, এলাকার কয়েকজন লোক মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাকে রাস্তায় আটকে রেখে পুলিশ খবর দেন। পুলিশ গেলে অভিযোগ করা হয়, ওই ব্যক্তি ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৯০০ টাকা বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে বিভিন্ন সময় নিয়েছেন। সেগুলো নিয়ে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে পালিয়ে যাচ্ছিলেন।

মহাদেব বলেন, স্থানীয়দের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জয় নারায়ণকে থানায় নেয়া হয়। খবর পেয়ে তার মা থানায় গিয়ে ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে দিয়েছেন। সেখানে লেখা আছে, পয়লা আগস্টের মধ্যে টাকা পরিশোধ করা হবে। তা না হলে পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

এরপর জয় নারায়ণকে ছেড়ে দেয়া হয় বলে জানান উপপরিদর্শক।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে জয়কে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

শেয়ার করুন

মন্তব্য