‘এমপি হেলাল সাহেব গরু দিছে, ঈদের দিনোত গোশত দিয়া ভাত খামু’

‘এমপি হেলাল সাহেব গরু দিছে, ঈদের দিনোত গোশত দিয়া ভাত খামু’

নওগাঁর রাণীনগরে আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দাদের কোরবানির গরু উপহার দিয়েছেন এমপি আনোয়ার হোসেন হেলাল। ছবি: নিউজবাংলা

ডলি বেগম নামের এক সুবিধাভোগী বলেন, ‘হামি অন্ধ বাপো, স্বামী-সন্তান কেউ নাই হামার। হাসিনা আপা ঘর দিছে সেডাই বড় কথা। আজক্যা আবার হামাকে এমপি সাহেব একটা সেই বড় দেকা গরু দিয়া গেল। যাতে হামরা ঈদের দিনোত গোশত দিয়া ভাত খাবার পারি।’

ঈদুল আজহা উদযাপন উপলক্ষে নওগাঁর রাণীনগরে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের কোরবানির গরু উপহার দিয়েছেন নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ মো. আনোয়ার হোসেন হেলাল।

ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে উপজেলার একডালা ইউনিয়নের চৌধুরী পুকুর আশ্রয়ণ প্রকল্প প্রাঙ্গণে মঙ্গলবার দুপুরে এমপি আনোয়ার হোসেন হেলাল নিজ উদ্যোগে গরুটি উপহার দেন। এরপর তিনি প্রথম ও দ্বিতীয় ফেজে উপজেলায় মোট ১২৩টি আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের ঘরগুলো পরিদর্শন করেন।

এ সময় রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুশান্ত কুমার মাহাতো, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান, একডালা ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল ইসলাম, কালীগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম বাবলুসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

সুবিধাভোগী ভিক্ষুক আলেয়া বেগম বলেন, ‘আজক্যা এমপি সাহেব আস্যা হামাকোক একটা গরু দিছে। সবাই কুরবানি দিয়া যান খাবার পারি। ঘর আছলো না ঘর পাছি, সেডাই হামার জন্নি অনেক বড় বিষয়। আবার গরু দিলো, এ্যানা গোশত দিয়া ভাত খাবার পারুমু ঈদের দিনোত। হামাকের মতন গরিব মানুষের এ্যানা খোঁজখবর লিবে এমন এমপিই হামরা চাছনু, তা হামরা পাছি বাপো।’

ডলি বেগম নামের আরেক সুবিধাভোগী বলেন, ‘হামি অন্ধ বাপো, স্বামী-সন্তান কেউ নাই হামার। হাসিনা আপা ঘর দিছে সেডাই বড় কথা। আজক্যা আবার হামাকে এমপি সাহেব একটা সেই বড় দেকা গরু দিয়া গেল। যাতে হামরা ঈদের দিনোত গোশত দিয়া ভাত খাবার পারি।’

তিনি আরও বলেন, ‘সব ঘর ঘুরা ঘুরা দেকলো হামাকে সাথে সুন্দর করা কতা কলো। কোনো সমস্যা হচ্ছে কিনা জানলো। ঘরের কোনো সমস্যা হলে এমপি সাহেবের কাছে সরাসরি যায়া যেন তাক জানায়।’

সংসদ সদস্য আনোয়ার হোসেন হেলাল বলেন, ‘মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার এই আশ্রয়ণ প্রকল্প সারা বিশ্বে মডেল হিসেবে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তারই সুবিধা পাচ্ছে আমার এলাকার গৃহহীনরা। তারা সেমিপাকা ঘরে সুখে-শান্তিতে বসবাস করছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঈদুল আজহার আনন্দ সবাই ভাগাভাগি করে নিতেই গরুটি উপহার দিয়েছি। সেই সঙ্গে সবাই এবারের ঈদ স্বাস্থ্যবিধি মেনে উদযাপন করবে এমনটাই প্রত্যাশা করছি।’

আরও পড়ুন:
বাড়ির সামনে পশুর বর্জ্য ফেললে ডিএনসিসির অভিনব ব্যবস্থা
কোরবানির জন্য ২৪ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আড়াই হাজার পশু
মাংস কাটার সরঞ্জাম বিক্রির ধুম
ঢাকায় পশু কোরবানিতে খরচ কেমন?
যে পীরের অনুসারীরা গরু কোরবানি দেন না

শেয়ার করুন

মন্তব্য