বরগুনার আলোচিত সেই সাবেক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা

বরগুনার আলোচিত সেই সাবেক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা

সরিষামুড়ি ইউনিয়নের সাবেক সদস্য টিটু মরদেহ ঘিরে স্বজনদের আহাজারি। ছবি: নিউজবাংলা

‘ইলিকশন লইয়া বাজাবাজি আছিল, মোর স্বামীরে চেয়ারম্যান শিপনের ভাই টিটুর নেতৃত্বে মার্ডার কইরা ফালাইয়া রাখছে। মুই মোর স্বামী হত্যার বিচার চাই।’ 

বরগুনায় সাবেক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে বিকেল ৪টার দিকে আনারুল ইসলাম টিটু হাওলাদারকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

মৃত আনারুলের বাড়ি উপজেলার সরিষামুড়ি ইউনিয়নের ভোড়া এলাকায়।

তিনি ওই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য।

তার স্বজনদের দাবি, সরিষামুড়ি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইউসুফ শরীফ ও বর্তমান চেয়ারম্যান ইমাম হাসান শিপনের মধ্যে ইউপি নির্বাচন নিয়ে বিরোধের জেরে হামলা পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেছে। সেই সংঘর্ষের জেরেই এই হত্যার ঘটনা। টিটু সাবেক চেয়ারম্যান ইউসুফ শরীফের ঘনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বায়েজিদ হোসেন (টিটুর ভাইয়ের ছেলে) বলেন, সকাল ১০টার দিকে টিটু বেতাগীতে, ইউপি সদস্যর সম্মানিভাতার টাকা আনতে যান। দুপুর ১২টার দিকে বেতাগী সদর থেকে বাইকে করে সরিষামুড়ি ফিরছিলেন। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে তিনি কাজিরাবাদ ইউনিয়নের কাউনিয়া পোলেরহাট ইটভাটা এলাকায় পৌঁছলে ১৫-২০ জন দুর্বৃত্ত পথরোধ করে মারধর শুরু করে। হামলার শিকার হয়ে তিনি সড়কের পাশে খালে লাফ দেন।

খাল থেকে তুলে তার ঘাড়ের পেছনে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কোপ দেয়া হয় এবং ইট দিয়ে শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাত করা হয়। এ সময় টিটুর সঙ্গে থাকা কয়েকজন তাকে বাঁচাতে চাইলে দুর্বত্তরা তাদেরকে দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখায়। পরে সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা একটি কালো মাইক্রোবাসে টিটুকে তুলে নিয়ে বরগুনার দিকে চলে যায়।

হামলাকারী কয়েকজনকে মোরটসাইকেলে ওই মাইক্রোর পেছন পেছন যেতে দেখা যায়।

কালো মাইক্রোতে বর্তমান চেয়ারম্যান ইমাম হাসান শিপনের ছোট ভাই রেজাউল ইসলাম ছিলেন বলে অভিযোগ করেন বায়েজিদ।

বেলা আড়াইটার দিকে বরগুনা-বাকেরগঞ্জ-বরিশাল সড়কের ফুলঝুড়ি ইউনিয়নের ছোটগৌরীচন্না এলাকায় রাস্তার পাশে টিটুকে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বেতাগী থানা পুলিশের সহায়তায় তাকে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নেয়। পরে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের স্ত্রী শিল্পী বেগম বলেন, ‘ইলিকশন লইয়া বাজাবাজি আছিল, মোর স্বামীরে চেয়ারম্যান শিপনের ভাই টিটুর নেতৃত্বে মার্ডার কইরা ফালাইয়া রাখছে। মুই মোর স্বামী হত্যার বিচার চাই।’

টিটুর বিরুদ্ধে সরিষামুড়ি ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ইমাম হাসান শিপনকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ আছে।

সরিষামুড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইমাম হাসান শিপন বলেন, ‘টিটু মেম্বর কুখ্যাত ডাকাত ইউসুফ শরীফের ডান হাত। শুনেছি কাউনিয়া এলাকায় ডাকাতি করতে গিয়ে, গণপিটুনীর শিকার হয়ে সে মারা গেছে। এ ঘটনায় আমি বা আমার ভাই টিটুসহ আমার কোনো লোকজন জড়িত না। আমাদের বিরুদ্ধে যারা অভিযোগ করে এটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রনোদিত।’

বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন, ‘পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে জন্য বরগুনায় পাঠিয়েছে। খুনের সঙ্গে সম্পৃক্তদের খুঁজে বের করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

২০২১ সালের ১৯ মার্চ মনোনয়পত্র জমা দেয়া নিয়ে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থী শিপন ও ইউসুফ সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০জন আহত হন। ওই সংঘর্ষের ঘটনায় টিটু মেম্বর ইউসুফ শরীফের পক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন এমন অভিযোগ রয়েছে।

এরপর গত ২৪ মার্চ ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরিষামুড়ি ইউনিয়নের ভোড়া এলাকায় রাত ১০টার দিকে রফিক বিশ্বাস নামের এক যুবককে কুপিয়ে জখম করে ফেলে রাখা হয়। এর মধ্যে রফিককে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় করা মামলায় টিটুকে আসামি করে মামলা করা হয়।

ইউপি নির্বাচনের ঠিক আগের দিন ২০ জুন রাত ১০টার দিকে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ইউসুফ শরীফের স্ত্রীকে নিজ বাড়িতে কুপিয়ে জখম করা হয়।

আরও পড়ুন:
‘নির্বাচনকেন্দ্রিক’ বিরোধে কুপিয়ে হত্যা
আধিপত্য বিস্তারে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, মায়ের মামলা
স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, ঘরে তালা দিয়ে পালালেন স্বামী
দুর্বৃত্তদের হাতে কিশোরী খুন
মা-মেয়েকে ‘কুপিয়ে হত্যা’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

সাপ্তাহিক ক্যাম্পাস নিউজের যাত্রা শুরু

সাপ্তাহিক ক্যাম্পাস নিউজের যাত্রা শুরু

শিক্ষা সভ্যতার অগ্রযাত্রার মূল উপাদান বলে উল্লেখ করেন ক্যাম্পাস নিউজের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক নাহিদ হাসান। তিনি বলেন, ‘ক্যাম্পাস নিউজ রাষ্ট্রের ভবিষ্যত কর্ণধার শিক্ষার্থীদের মুখপাত্র হিসেবে আপোষহীনভাবে কাজ করে যাবে।’

ক্যাম্পাস আর ক্যারিয়ার বিষয়ক সকল সংবাদে পাঠকের চাহিদা পূরণের অঙ্গীকার নিয়ে যাত্রা শুরু করল সাপ্তাহিক ক্যাম্পাস নিউজ।

রাজধানীর পান্থপথে প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ে সীমিত পরিসরে সাপ্তাহিক ক্যাম্পাস নিউজের শুভ সূচনা করেন জনপ্রিয় সাহিত্যিক ও জাতীয় দৈনিক প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক আনিসুল হক এবং সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল আজিজ।

ক্যাম্পাস নিউজ শিক্ষাঙ্গন ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন আনিসুল হক। শিক্ষা নিয়ে এমন উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি ক্যাম্পাস নিউজ শিক্ষাক্ষেত্রের সঙ্গতি ও অসঙ্গতি তুলে ধরবে।’

ক্যাম্পাস নিউজ দেশ ও দেশের মানুষের জন্য সৎভাবে কাজ করবে বলে জানান আব্দুল আজিজ। ক্যাম্পাস নিউজকে সত্য প্রকাশে আপোষহীন থাকার নির্দেশনা দেন তিনি।

শিক্ষা সভ্যতার অগ্রযাত্রার মূল উপাদান বলে উল্লেখ করেন ক্যাম্পাস নিউজের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক নাহিদ হাসান। তিনি বলেন, ‘ক্যাম্পাস নিউজ রাষ্ট্রের ভবিষ্যত কর্ণধার শিক্ষার্থীদের মুখপাত্র হিসেবে আপোষহীনভাবে কাজ করে যাবে।’

ক্যাম্পাস নিউজের নির্বাহী সম্পাদক মাহমুদ কবীর উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

আরও পড়ুন:
‘নির্বাচনকেন্দ্রিক’ বিরোধে কুপিয়ে হত্যা
আধিপত্য বিস্তারে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, মায়ের মামলা
স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, ঘরে তালা দিয়ে পালালেন স্বামী
দুর্বৃত্তদের হাতে কিশোরী খুন
মা-মেয়েকে ‘কুপিয়ে হত্যা’

শেয়ার করুন

গ্রামের সব স্থানে মিলছে সাপ, আতঙ্ক

গ্রামের সব স্থানে মিলছে সাপ, আতঙ্ক

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার দক্ষিণ সারোয়াতলী গ্রামে পাওয়া একটি সাপ। ছবি: নিউজবাংলা

আকবর হোসেন নামের এক কৃষক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘জমিতে কাজ করছিলাম। হঠাৎ পেছন থেকে কী যেন কামড় দিল, বুঝতে পারিনি। পরে হাসপাতালে নেয়ার পর ডাক্তার বললেন বিষধর সাপে কামড়েছে। আট দিন হাসপাতালে ছিলাম।’

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার দক্ষিণ সারোয়াতলী গ্রামে হঠাৎ বেড়েছে সাপের উপদ্রব। শীতল রক্তের প্রাণীটির এখন শীতনিদ্রার সময়, অথচ সেই সময়েই গ্রামের ঘরে-বাইরে সবখানেই দেখা মিলছে তাদের।

ঘর, বিছানা থেকে শুরু করে ক্ষেত-খামার, পুকুর, রাস্তা কোনো স্থানই বাদ নেই। এরই মধ্যে গ্রামের ১০-১২ জনকে সাপে কামড়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান।

এলাকাবাসী নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন, প্রায় মাসখানেক ধরে গ্রামে হঠাৎ বেড়েছে সাপের উপদ্রব। এতে তাদের অনেকটা নির্ঘুম রাত কাটাতে হচ্ছে। আবার ক্ষেতে সাপ পাওয়ায় ফসল তোলার মানুষ পাওয়া যাচ্ছে না। এতে ক্ষেতেই ফসল নষ্ট হওয়ায় আর্থিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তারা।

তাদের অভিযোগ, স্থানীয় একটি খাল খননের সময় ঝোপ-জঙ্গল কেটে ফেলার পর সাপের উপদ্রব বেড়েছে।

সারোয়াতলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বেলাল হোসেন বলেন, ‘গ্রামে একটি প্রাচীন খাল ছিল। কৃষি জমিতে সেচের পানি সরবরাহ ঠিক রাখতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (বিএডিসি) খালটি খনন করছে। এর অংশ হিসেবে কয়েক মাস আগে তাদের গ্রামের পাশের রায়খালী খালপাড়ের জঙ্গল কেটে ফেলা হয়।

‘এরপর থেকে বিভিন্ন প্রজাতির সাপ কৃষি জমিতে, উঠানে, রাস্তায় ও বাড়িঘরে ঢুকে পড়ছে। চারদিকে সাপ আতঙ্ক বিরাজ করছে। অবশ্য আগের তুলনায় এখন কিছুটা কমে এসেছে। আমরা ব্যাপারটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।’

গ্রামের সব স্থানে মিলছে সাপ, আতঙ্ক

বাবুল চৌধুরী নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘রাতে ঘুমাতে গিয়ে ঘরের চাল থেকে বিছানায় পড়ে বিষধর এক সাপ। রাতভর ঘরের কেউ ঘুমাতে পারিনি।’

তাপস নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘সকালে ঘুম থেকে উঠে পড়ার টেবিলে গিয়ে দেখি চেয়ারের নিচে ফনা তুলে আছে একটি সাপ। চিৎকার দিতেই বাড়ির অন্যরা ছুটে এসে পিটিয়ে মারার পর স্বস্তি পাই।’

আকবর হোসেন নামের এক কৃষক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘জমিতে কাজ করছিলাম। হঠাৎ পেছন থেকে কী যেন কামড় দিল, বুঝতে পারিনি। পরে হাসপাতালে নেয়ার পর ডাক্তার বললেন বিষধর সাপে কামড়েছে। আট দিন হাসপাতালে ছিলাম। এখন ক্ষেতে যেতে ভয় পাচ্ছি। শুধু আমি না, সাপের ভয়ে এখন কেউ জমিতে নামতে চাচ্ছে না।’

দক্ষিণ সারোয়াতলীর স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সুরেষ চৌধুরী বলেন, ‘কৃষি জমির পাশাপাশি বাড়িঘরেও সাপ দেখা যাচ্ছে। এরই মধ্যে এখানকার ১০ থেকে ১২ জনকে সাপ কামড়েছে। কৃষকরা ধান কাটতে জমিতে যেতে ভয় পাচ্ছে।’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহেদ জানান, আবাসস্থলে আঘাত আসার কারণেই সাপগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে যাচ্ছে। উষ্ণ স্থানে আশ্রয় পাওয়ার আশায় তারা এখন বাড়িঘরে ঢুকে পড়ছে।

বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুন নাহার জানান, তিনি খোঁজ নিয়েছেন। ওই এলাকার ঝোপ-জঙ্গল কাটা বন্ধ রাখতেও বলেছেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, দেশে প্রতি বছর বর্ষায় প্রায় ৫ লাখ ৮০ হাজার মানুষ সাপের কামড়ের শিকার হন। এর মধ্যে অন্তত ৬ হাজার মানুষের মৃত্যু হয় বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০১৯ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
‘নির্বাচনকেন্দ্রিক’ বিরোধে কুপিয়ে হত্যা
আধিপত্য বিস্তারে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, মায়ের মামলা
স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, ঘরে তালা দিয়ে পালালেন স্বামী
দুর্বৃত্তদের হাতে কিশোরী খুন
মা-মেয়েকে ‘কুপিয়ে হত্যা’

শেয়ার করুন

বরিশালে সড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

বরিশালে সড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

বরিশালে হাফ ভাড়া ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ। ছবি: নিউজবাংলা

আ‌লিসা মুনতাজ নামের এক শিক্ষার্থী ব‌লেন, ‘আমাদের কাছ থে‌কে জুলুম ক‌রে পুরো ভাড়া রাখা হ‌চ্ছে। এটা অ‌নৈ‌তিক। দাবি না মানা হ‌লে ক‌ঠোর আ‌ন্দোল‌নে যাবো।’

নৌপথসহ সব ধরনের গণপরিবহনে হাফ ভাড়া ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে বরিশালে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে শিক্ষার্থীরা।

নগরীর অশ্বিনী কুমার হলের সামনের সড়কে রোববার দুপু‌র ১২টার দিকে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় প্রতীকী মরদেহ সামনে রেখে নিরাপদ সড়কের দাবি জানায় বিক্ষুব্ধরা।

এক পর্যায়ে উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে থাকে। পরে তারা নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

কর্মসূচীতে অংশ নেয়া শিক্ষার্থী আ‌লিসা মুনতাজ ব‌লেন, ‘শিক্ষার্থীদের কাছ থে‌কে জুলুম ক‌রে পুরো ভাড়া রাখা হ‌চ্ছে। এটা অ‌নৈ‌তিক। দাবি না মানা হ‌লে ক‌ঠোর আ‌ন্দোল‌নে যাবো।’

আরও পড়ুন:
‘নির্বাচনকেন্দ্রিক’ বিরোধে কুপিয়ে হত্যা
আধিপত্য বিস্তারে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, মায়ের মামলা
স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, ঘরে তালা দিয়ে পালালেন স্বামী
দুর্বৃত্তদের হাতে কিশোরী খুন
মা-মেয়েকে ‘কুপিয়ে হত্যা’

শেয়ার করুন

মানুষকে ‘ভুল পথে নিয়ে যাচ্ছেন’ রাজারবাগ পির

মানুষকে ‘ভুল পথে নিয়ে যাচ্ছেন’ রাজারবাগ পির

পির মো. দিল্লুর রহমান থাকেন রাজারবাগের এ দরবার শরিফে। ছবি: নিউজবাংলা

রাজারবাগ দরবার শরিফের পির দিল্লুর রহমান ধর্মের নামে মানুষকে ভুল পথে পরিচালনা করছেন বলে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনটি রোববার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চে জমা হয়েছে।

বিস্তারিত আসছে...

আরও পড়ুন:
‘নির্বাচনকেন্দ্রিক’ বিরোধে কুপিয়ে হত্যা
আধিপত্য বিস্তারে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, মায়ের মামলা
স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, ঘরে তালা দিয়ে পালালেন স্বামী
দুর্বৃত্তদের হাতে কিশোরী খুন
মা-মেয়েকে ‘কুপিয়ে হত্যা’

শেয়ার করুন

কর রেয়াতে চলে যায় জিডিপির ২.২৮ শতাংশ

কর রেয়াতে চলে যায় জিডিপির ২.২৮ শতাংশ

ক্ষুদ্র ও কুঠির শিল্পসহ বিভিন্ন খাতকে করমুক্ত রেখেছে সরকার। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা

এনবিআরের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশেষ খাতগুলোকে স্বল্প কর হার সুবিধা, কর অব্যাহতি এবং কর অবকাশ সুবিধা দেয়ায় কর ভিত্তি সংকুচিত হয়েছে। যদি এসব খাতে সুবিধা বাতিল করা হয়, তা হলে কর আহরণ বর্তমানের চেয়ে বাড়বে।

কৃষি, শিল্প, সেবা, অবকাঠমোসহ বিভিন্ন খাতে কর সুবিধা দেয়ার ফলে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) কমপক্ষে ২ দশমিক ২৮ শতাংশ আয়কর কম আদায় হয়।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণা প্রতিবেদনটি জাতীয় আয়কর দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সম্প্রতি উপস্থাপন করেন রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (আয়কর নীতি) সামসুদ্দীন আহমেদ।

কম আহরণের কারণ হিসেবে করের ভিত্তি সংকুচিত হওয়াকে অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয় প্রতিবেদনে।

রাজস্ব বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আয়কর বিভাগে পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন অভাব, কর ফাঁকি, জটিল আইন-কানুন ও অর্থনীতির বড় একটি অংশ হিসাবের বাহিরে থাকার কারণেও কাঙ্খিত কর আদায় হচ্ছে না।

এনবিআরের প্রতিবেদনে বলা হয়, শিল্পায়ন, বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণ এবং জনগুরুত্বপূর্ণ বিশেষ খাতগুলোকে স্বল্প কর হার সুবিধা, কর অব্যাহতি এবং কর অবকাশ সুবিধা দেয়ায় কর ভিত্তি সংকুচিত হয়েছে। যদি এসব খাতে সুবিধা বাতিল করা হয়, তা হলে কর আহরণ বর্তমানের চেয়ে বাড়বে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

সবশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আয়কর আদয়ের পরিমাণ প্রায় ৮৫ হাজার কোটি টাকা। এটি এনবিআরের মাধ্যমে সংগৃহীত রাজস্বের শতকরা ৩৫ ভাগ।

রাজস্ব বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, আমাদের অর্থনীতির যে আকার তার সঙ্গে কর আহরণের সামাঞ্জস্য নেই। এর মূল কারণ প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ আয়ের তথ্য গোপন করে কর ফাঁকি দেয়া হয়।

জিডিপির হিসাবে বছরে কত পরিমাণ কর ফাঁকি হয়, তার কোনো গবেষণালব্ধ তথ্য এনবিআরের কাছে নেই। তবে রাজস্ব বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, আদায়যোগ্য করের কমপক্ষে ৪০ থেকে ৫০ ভাগ কম আদায় হয়।

এনবিআরের সাবেক সদস্য আমিনুর রহমান বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যা, মাথাপিছু আয়, মোট দেশজ উৎপাদন ইত্যাদি বিবেচনা করলে করদাতার সংখ্যা এবং আদায় বর্তমানের চেয়ে কমপক্ষে দ্বিগুণ হওয়া উচিত।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আয়কর সংগ্রহে ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হলেও আমাদের কর বনাম জিডিপি অনুপাত এখনও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি।

এক দশক আগে ২০১১-১২ অর্থবছরে আয়কর আদায়ে প্রবৃদ্ধির হার ছিল প্রায় ১১ শতাংশ। গত অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ শতাংশের বেশি।

এনবিআর বলেছে, আয়কর আদায় বাড়লেও জিডিপি বনাম কর অনুপাত সেভাবে বাড়েনি।

এক দশক আগে জিডিপির বিপরিতে কর সংগ্রহ ছিল ১০ শতাংশ। এক দশক পর গত অর্থবছরে তা সামান্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২ শতাংশ।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সাবেক কর্মকর্তা ও গবেষণা সংস্থা পিআরআই-এর নিবার্হী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘বাংলাদেশের কর ব্যবস্থার যথেষ্ঠ দুর্বলতা আছে। এখানে বড় ধরনের সংস্কার দরকার। এনবিআরকে ঢেলে সাজাতে হবে। এখন যে এনবিআর আছে, তা দিয়ে প্রত্যাশিত রাজস্ব আয় সম্ভব নয়। এর আমূল পরিবর্তন দরকার।’

যেসব খাতে কর অব্যাহতি সুবিধা দেয়া হয়েছে

এনবিআরের প্রতিবেদন অনুযায়ী যেসব খাতে কর অব্যাহতি সুবিধা দেয়া হয়েছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ভৌত অবকাঠামো, তথ্য প্রযুক্তি, রপ্তানিমুখী পোশাক ও বস্ত্র, হস্তজাত, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ও কৃষি খাত।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও পরিবহনসহ সরকার এ পর্যন্ত ১৮টি ভৌত অবকাঠামো খাতে কর অব্যাহতি সুবিধা দিয়েছে। প্রোডাক্টশন শেয়ারিং কনট্রাক্ট বা পিএসসির আওতায় বিদেশি তেল গ্যাস কোম্পানিকে কর সুবিধা দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশে যেসব বিদেশি পরামর্শক কাজ করছেন, তারা কর সুবিধা ভোগ করছেন।

জিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে বর্তমানে ২২টি তথ্যপ্রযুক্তি খাত শতভাগ কর অব্যাহতি সুবিধা পাচ্ছে। বিশ্ব প্রতিযোগিতার সক্ষমতা অর্জনে তৈরি পোশাক খাতকে কম হারে (১২ শতাংশ) কর সুবিধা দেয়া হয়েছে।

হস্তজাত, কুটির শিল্প ও মাঝারি শিল্প যাদের বছরে লেনদেন বা টার্নওভার ৫০ লাখ টাকা, তাদের কর মওকুফ করে দেয়া হয়েছে। কম উন্নত এলাকায় শিল্প স্থাপন উৎসাহিত করতে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পকে কর রেয়াত দেয়া হয়েছে।

বর্তমানে পাটজাত দ্রব্য উৎপাদন করলে কম হারে কর আদায় করা হয়। কৃষিজাত উৎপাদন থেকে অর্জিত আয়ের ওপর ১০ বছর পর্যন্ত করমুক্ত সুবিধা ভোগ করা যায়।

আরও পড়ুন:
‘নির্বাচনকেন্দ্রিক’ বিরোধে কুপিয়ে হত্যা
আধিপত্য বিস্তারে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, মায়ের মামলা
স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, ঘরে তালা দিয়ে পালালেন স্বামী
দুর্বৃত্তদের হাতে কিশোরী খুন
মা-মেয়েকে ‘কুপিয়ে হত্যা’

শেয়ার করুন

৮ দফা দাবিতে দলিত সম্প্রদায়ের মানববন্ধন

৮ দফা দাবিতে দলিত সম্প্রদায়ের মানববন্ধন

রোববার দুপুরে মাগুরা প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠী অধিকার আন্দোলন এবং দলিত সমাজ কল্যাণ ফাউন্ডেশন আয়োজিত মানববন্ধন। ছবি: নিউজবাংলা

ডা. তাসুকুজ্জামান বলেন, “জাত-পাত ও পেশাভিত্তিক বৈষম্য প্রতিরোধে প্রস্তাবিত 'বৈষম্য বিলোপ আইন' দ্রুত প্রণয়ন করতে হবে। সরকারি চাকরিতে দলিত জনগোষ্ঠীর জন্য কোটা ব্যবস্থা চালু ও জাতীয় বাজেটে দলিত জনগোষ্ঠীর জন্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বরাদ্দসহ আট দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানাচ্ছি।'

মাগুরায় বিশ্ব মর্যাদা দিবসে আট দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছেন দলিত সম্প্রদায়ের সদস্যরা।

রোববার দুপুরে মাগুরা প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠী অধিকার আন্দোলন এবং দলিত সমাজ কল্যাণ ফাউন্ডেশন এ মানববন্ধনের আয়োজন করে ।

সমাবেশে জেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা ডা. তাসুকুজ্জামান বলেন, “জাত-পাত ও পেশাভিত্তিক বৈষম্য প্রতিরোধে প্রস্তাবিত ‘বৈষম্য বিলোপ আইন’ দ্রুত প্রণয়ন করতে হবে। সরকারি চাকরিতে দলিত জনগোষ্ঠীর জন্য কোটা ব্যবস্থা চালু ও জাতীয় বাজেটে দলিত জনগোষ্ঠীর জন্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বরাদ্দসহ আট দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানাচ্ছি।”

মানববন্ধনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বিডিআরএম জেলা শাখার আহ্বায়ক ও দলিত সমাজ কল্যাণ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক উত্তম কুমার দাস মন্টুর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন অ্যাড. সঞ্জয় রায় চৌধুরী, শামীম শরীফ, যুগ্ম-আহবায়ক অসীত কুমার দাস, সুবোধ বাগচি, এস এম তামিম হাসান, দেবেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, মিন্টু কুমার দাস, কমলেশ চন্দ্র ঘোষ, প্রভাত কুমার বিশ্বাস ও অধ্যাপক তপন বিশ্বাস ।

মানববন্ধন ও সমাবেশে বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠী অধিকার আন্দোলন এবং দলিত সমাজ কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ৪০ জন সদস্য অংশ নেয়।

আরও পড়ুন:
‘নির্বাচনকেন্দ্রিক’ বিরোধে কুপিয়ে হত্যা
আধিপত্য বিস্তারে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, মায়ের মামলা
স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, ঘরে তালা দিয়ে পালালেন স্বামী
দুর্বৃত্তদের হাতে কিশোরী খুন
মা-মেয়েকে ‘কুপিয়ে হত্যা’

শেয়ার করুন

এসপির ‘আপত্তিকর’ মন্তব্য: প্রত্যাহার চেয়ে স্মারকলিপি

এসপির ‘আপত্তিকর’ মন্তব্য: প্রত্যাহার চেয়ে স্মারকলিপি

জামালপুর জেলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শোয়েব হোসেন জানান, শুক্রবার রাতে পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতির (পুনাক) মেলা সম্পর্কে জানানোর জন্য সাংবাদিকদের ডাকেন এসপি নাছির। এ সময় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত না হওয়ায় এসপি ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের ধরে এনে পিটিয়ে চামড়া তুলে নেয়ার হুমকি দেন।

সাংবাদিকদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে হুমকির অভিযোগে জামালপুরের পুলিশ সুপারের প্রত্যাহার চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন জেলার সাংবাদিকরা।

জামালপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাফিজ রায়হান সাদার নেতৃত্বে সাংবাদিকরা প্রথমে রোববার দুপুর ১২টার দিকে সার্কিট হাউসে তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসানের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন।

এরপর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে সমাবেশ করে পুলিশ সুপার নাছির উদ্দীন আহমেদের প্রত্যাহার চেয়ে বেলা ১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি জমা দেন সাংবাদিকরা।

এর আগে তারা নাছির উদ্দীন আহমেদের প্রত্যাহার চেয়ে শনিবার বেলা ১১টার দিকে শহরের দয়াময়ী চত্বরে মানববন্ধন করেন।

এতে যোগ দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম ও ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি।

মানববন্ধনে জামালপুর জেলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শোয়েব হোসেন জানান, শুক্রবার রাতে পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতির (পুনাক) মেলা সম্পর্কে জানানোর জন্য সাংবাদিকদের ডাকেন এসপি নাছির। এ সময় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত না হওয়ায় এসপি ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের ধরে এনে পিটিয়ে চামড়া তুলে নেয়ার হুমকি দেন।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য এসপিকে একাধিকবার কল দেয়া হলেও তিনি ধরেননি।

আরও পড়ুন:
‘নির্বাচনকেন্দ্রিক’ বিরোধে কুপিয়ে হত্যা
আধিপত্য বিস্তারে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, মায়ের মামলা
স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, ঘরে তালা দিয়ে পালালেন স্বামী
দুর্বৃত্তদের হাতে কিশোরী খুন
মা-মেয়েকে ‘কুপিয়ে হত্যা’

শেয়ার করুন