হুমায়ূন আহমেদ স্মরণে নেত্রকোণায় নানা আয়োজন

হুমায়ূন আহমেদ স্মরণে নেত্রকোণায় নানা আয়োজন

কর্মসূচির মধ্যে ছিল হুমায়ূন আহমেদের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, শোক র‍্যালি, মিলাদ মাহফিল ও স্মরণসভা।

করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নেত্রকোণায় নানা আয়োজনে পালন করা হয়েছে নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের নবম মৃত্যুবার্ষিকী।

জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রামে লেখকের স্থাপিত শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠে সোমবার সকাল থেকে এসব কর্মসূচি পালন করা হয়।

কর্মসূচির মধ্যে ছিল হুমায়ূন আহমেদের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, শোক র‌্যালি, মিলাদ মাহফিল ও স্মরণসভা।

সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্কুল প্রাঙ্গণে লেখকের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান শিক্ষক, শিক্ষার্থী, এলাকাবাসীসহ লেখকের স্বজনরা।

পরে সেখান থেকে একটি র‌্যালি বের হয়। র‍্যালিটি স্থানীয় বঙ্গবাজার ঘুরে আবার স্কুলে এসে শেষ হয়।

এরপর স্কুলের মিলনায়তনে মিলাদ মাহফিল ও স্মরণসভা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষক মো. আসাদুজ্জামান। বক্তব্য রাখেন হুমায়ূন আহমেদের চাচা আলতাফুর রহমান আহমেদ, চাচাতো ভাই বখতিয়ার আহমেদ আযম, স্কুলের শিক্ষক শরীফ আনিস, তুহিন সরকারসহ আরও অনেকে।

বক্তব্যে শিক্ষা বিস্তারে হুমায়ূন আহমেদের আগ্রহ, মুক্তিযুদ্ধের আলোকে নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলার স্বপ্নসহ তার জীবনকর্ম ও আদর্শের নানা দিক তুলে ধরেন আলতাফুর রহমান আহমেদ।

তিনি হুমায়ূন আহমেদের আদর্শে শিক্ষার্থীদের জীবন গঠনে ভূমিকা রাখতে শিক্ষকদের প্রতিও আহ্বান জানান।

প্রধান শিক্ষক মো. আসাদুজ্জামান জানান, হুমায়ূন আহমেদ ২০০৬ সালে তিন একর জমিতে শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠটি গড়ে তোলেন। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত এই স্কুলে পাঠদান করা হয়। বর্তমানে এর শিক্ষার্থী সংখ্যা ৩৫৯। বিদ্যালয়টি ২০১৯ সালে এমপিওভুক্তি হয়।

এ ছাড়া উপজেলার হুমায়ূন আহমেদ স্মৃতি সংসদ, কেন্দুয়া উপজেলা প্রেস ক্লাব ভবনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে দোয়া মাহফিল ও স্মরণসভা হয়।

আরও পড়ুন:
শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় হুমায়ূন আহমেদকে স্মরণ
গল্প, গান, সিনেমায় বেঁচে থাকার ৯ বছর
হাজারো মোমবাতিতে হুমায়ূন স্মরণ

শেয়ার করুন

মন্তব্য