গৃহবধূ ধর্ষণ মামলায় ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার

গৃহবধূ ধর্ষণ মামলায় ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার

প্রতীকী ছবি।

ঈদে গরু বিক্রির করতে গৃহবধূর বাবা ঢাকায় গেলে বুধবার রাত ২টার দিকে কৌশলে ঘরের দরজা খুলে ভেতরে ঢুকেন মনির। পরে ঘুমন্ত অবস্থায় তার মুখে গামছা বেঁধে ধর্ষণ করেন।

শেরপুরের শ্রীবরদীতে গৃহবধূ ধর্ষণে অভিযুক্তকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতার অভিযোগে স্থানীয় ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম আন্ডাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ তাকে পৌরসভার তাতিহাটী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। রফিকুল উপজেলার তাতিহাটী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য।
পুলিশ জানায়, দুটি শিশু সন্তান নিয়ে ওই নারী বাবার বাড়ি বসবাস করেন। তার স্বামী ঢাকায় দ্বিতীয় স্ত্রী নিয়ে থাকেন। একা থাকায় দীর্ঘদিন ধরে তাকে মনি মুক্তা ওরফে মনির নামে এক যুবক উত্ত্যক্ত করে আসছিল।
নির্যাতনের শিকার নারী জানান, ঈদে গরু বিক্রির করতে তার বাবা ঢাকায় যাওয়ার সুযোগে বুধবার রাত ২টার দিকে কৌশলে মনির তার ঘরের দরজা খুলে ভেতরে ঢুকেন। পরে ঘুমন্ত অবস্থায় তার মুখে গামছা বেঁধে ধর্ষণ করেন।

এক পর্যায়ে তার চিৎকারে প্রতিবেশীরা গিয়ে মনিরকে আটক করে। পরে রাতেই স্থানীয় ইউপি সদস্য রফিকুলসহ প্রভাবশালীরা সালিশে বসেন। তবে ওই সময় রফিকুল ও নিজের বড় ভাইদের সহযোগিতায় পালিয়ে যান মনির।
এ ঘটনায় মনির ও তাকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতার অভিযোগে ইউপি সদস্য রফিকুলসহ ৬ জনকে আসামি করে সকালে শ্রীবরদী থানায় মামলা করেন ওই নারী। দুপুরে রফিকুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে শেরপুর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ওই গৃহবধূকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য শেরপুর জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার বিশ্বাস বলেন, খবর পাবার পরপরই তারা ওই নারী উদ্ধার করেন। পরে মামলা নিয়ে এজাহারভূক্ত আসামি রফিকুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

আরও পড়ুন:
সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৩
‘ধর্ষণে’ অন্তঃসত্ত্বা স্কুলছাত্রী, আসামি কারাগারে
তরুণী ধর্ষণ মামলায় জেলে আসামি
‘বিয়ের প্রলোভনে’ সিলেটে নিয়ে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৪
কাউন্টারে অপেক্ষায় থাকা কিশোরীকে ‘ধর্ষণ’

শেয়ার করুন

মন্তব্য