শ্বশুরবাড়িতে কিশোরী গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ

শ্বশুরবাড়িতে কিশোরী গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ

স্থানীয়দের বরাতে ওসি জানান, অথৈর স্বামী কাজের জন্য ঢাকায় থাকেন। গ্রামে সে তার শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে থাকত। বুধবার বিকেলে মাঠের কাজ শেষে বাড়ি ফিরে তার শ্বশুর-শাশুড়ি ঘরের দরজা বন্ধ দেখে। দরজা ভেঙে ঘরের আড়ার সঙ্গে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখে।

ভোলার তজুমদ্দিনে শ্বশুরবাড়ি থেকে কিশোরী গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

উপজেলার শম্ভুপুর ইউনিয়নের গোলকপুর ৪ নম্বর ওয়ার্ডের একটি বাড়ি থেকে বুধবার সন্ধ্যায় মরদেহটি উদ্ধার করে বৃহস্পতিবার ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।

১৪ বছরের ওই কিশোরীর নাম অথৈ চক্রবর্তী। তার বাড়ি শম্ভুপুর গ্রামে। সে গোলকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিল। সাত মাস আগে পাশের গ্রামের সুজন চক্রবর্তীর সঙ্গে তার বিয়ে হয়।

তথ্যগুলো নিশ্চিত করেছেন তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম জিয়াউল হক।

স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, অথৈর স্বামী কাজের জন্য ঢাকায় থাকেন। গ্রামে সে তার শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে থাকত। বুধবার বিকেলে মাঠের কাজ শেষে বাড়ি ফিরে তার শ্বশুর-শাশুড়ি ঘরের দরজা বন্ধ দেখে। দরজা ভেঙে ঘরের আড়ার সঙ্গে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখে। পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

ওসি বলেন, শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে অথইয়ের মনোমালিন্য ছিল। এর জেরে সে আত্মহত্যা করে থাকতে পারে। মরদেহের ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।

আরও পড়ুন:
অভিমানী চিরকুট রেখে ‘আত্মহত্যা’
আইসোলেশনে করোনা রোগীর ‘আত্মহত্যা’
‘অভাবের তাড়নায়’ বিষপানে মৃত্যু
সুনামগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধার আত্মহত্যা
রুমমেটকে ভিডিও কলে রেখে আত্মহত্যা

শেয়ার করুন

সুখের সংসারে সুব্রত, ফাল্গুনী

সুখের সংসারে সুব্রত, ফাল্গুনী

মালাবদল করছেন সুব্রত ও ফাল্গুনী। ছবি: নিউজবাংলা

ছোটবেলায় এক দুর্ঘটনায় কনে ফাল্গুনীর দুই হাতই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সব কিছু জেনেই তার সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান সুব্রত। সামাজিক সব প্রতিবন্ধকতাকে পাশ কাটিয়ে প্রেমিকা ফাল্গুনীকে জীবনসঙ্গী করে নিয়েছেন তিনি।

সেই ছোট্টবেলা থেকে পরিচয়, তবে প্রেমের সম্পর্ক পাঁচ বছরের। এর পরিণয় ঘটে বুধবার রাতে। বরিশালের ঐতিহ্যবাহী শঙ্করমঠ চত্বরে হিন্দু রীতিতে বিয়ে হয় সুব্রত ও ফাল্গুনীর।

বর পটুয়াখালীর গলাচিপার সুব্রত মিত্র বেসরকারি সংস্থা কোডেক-এর মাঠ কর্মকর্তা। আর কনে ফাল্গুনী সাহা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মানবসম্পদ বিভাগে কাজ করেন।

তবে সব কিছু ছাপিয়ে এই বিয়ের অন্যতম আকর্ষণ ছিল গভীর প্রেম। তাই তো আয়োজনে আমন্ত্রণ ছাড়াই উপস্থিতি ছিল বহু মানুষের।

ছোটবেলায় এক দুর্ঘটনায় কনে ফাল্গুনীর দুই হাতই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সব কিছু জেনেই তার সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান সুব্রত। সামাজিক সব প্রতিবন্ধকতাকে পাশ কাটিয়ে প্রেমিকাকে জীবনসঙ্গী করে নিয়েছেন তিনি।

ফাল্গুনী সাহা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘২০০২ সালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে হাত দুটি কেটে ফেলতে হয়। তবে নিজেকে কখনও দুর্বল ভাবিনি। স্কুল-কলেজের গণ্ডি পেরিয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স শেষ করি। তারপর শুরু চাকরিজীবন।

‘আমাদের সমাজব্যবস্থা সম্পর্কে আপনারা সবাই অবগত। দৃষ্টিভঙ্গী আর মানসিকতা ঠিক থাকলে প্রতিবন্ধকতা কোনো বিষয় নয়। আমাদের বিয়েটা দৃষ্টিভঙ্গী বদলানোর উদাহরণ হয়ে থাকবে। সবার আন্তরিকতা আর ভালোবাসায় এ পর্যন্ত পৌঁছতে পেরেছি।’

ফাল্গুনী আরও বলেন, ‘স্কুলজীবন থেকে কর্মজীবন… আমার হাত না থাকার বিষয়টি কেউ কোনোদিন বুঝতে দেননি। আসলে একেকজনের মানসিকতা একেক রকম। যার পক্ষে এমন মেয়েকে বিয়ে করা সম্ভব না, তার দূরে থাকাই ভালো। কারও ওপর কোনো কিছু চাপিয়ে দেয়া ঠিক না।’

সুব্রত মিত্র নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ফাল্গুনীকে আমি ছোটবেলা থেকে চিনি। ও যখন ভার্সিটিতে পড়ত, তখন ওর সঙ্গে আমার ফেসবুকে কথা হতো। একটা সময় বুঝতে পারি ও পড়াশোনায় অনেক ভালো করছে। তবে কোনো সম্পর্কে জড়ানোর মানসিকতা ছিল না। আমার কাছে ওর হাত না থাকাটা কোনো সমস্যা মনে হয়নি। একটা মানুষের হাত না থাকায় সে বিয়ে করতে পারবে না!

‘আমি ওকে স্বপ্ন দেখাই, ওকে ভালোবাসতে শেখাই। বিয়ে করার সিদ্ধান্ত জানাই। অবশেষে আমরা বিয়েও করেছি। আমাদের জন্য আশীর্বাদ করবেন।’

সুব্রত মিত্রর ছোট বোন শ্রাবন্তী বলেন, ‘আর পাঁচটা বিয়ে যেমন হয়, এখানেও তেমনিভাবে বিয়ে হয়েছে। অনেকেই বলতে পারে স্বাবলম্বী একটা ছেলে কেন দুই হাত ছাড়া একটি মেয়েকে বিয়ে করছে? আমি বলব, সবার মানসিকতা আমার ভাইয়ের মতো হওয়া উচিত। এটা উদাহরণ হয়ে থাকে।’

অতিথি ও স্বজনরা জানান, আয়োজনে কোনো ঘাটতি ছিল না। মঙ্গলবার গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান হয়েছে। বুধবার জাঁকজমকভাবে বিয়ে হয়েছে।

শ্রী শ্রী শংকর মঠের সাধারণ সম্পাদক বাসুদেব কর্মকার ভাষাই বলেন, ‘এই বিয়ে আমার কাছে একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। আমি অবাক হয়েছি। একটা মেয়ের দুটি হাত নেই, তাকে একটি সুস্থ ছেলে বিয়ে করেছে। ভালোবাসার জয় হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
অভিমানী চিরকুট রেখে ‘আত্মহত্যা’
আইসোলেশনে করোনা রোগীর ‘আত্মহত্যা’
‘অভাবের তাড়নায়’ বিষপানে মৃত্যু
সুনামগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধার আত্মহত্যা
রুমমেটকে ভিডিও কলে রেখে আত্মহত্যা

শেয়ার করুন

চকলেট দিতে ডেকে নিয়ে শিশুকে ‘বলাৎকার’

চকলেট দিতে ডেকে নিয়ে শিশুকে ‘বলাৎকার’

ওই শিশুর বাবা নিউজবাংলাকে জানান, হাকিম মিয়া ওই এলাকার কৃষিকাজ করেন। গত মঙ্গলবার বিকেলে চকলেটের লোভ দেখিয়ে তার ৭ বছরের ছেলেকে লঙ্গন নদীর পাড়ে নিয়ে বলাৎকার করেন হাকিম।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে ৭ বছরের শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

হাকিম মিয়া নামে ওই যুবককে বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার ভলাকুট ইউনিয়নের ভলাকুট গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

হাকিম মিয়া ইউনিয়নের বাইংলাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল্লাহ সরকার তথ্যগুলো নিশ্চিত করেছেন।

ওই শিশুর বাবা নিউজবাংলাকে জানান, হাকিম মিয়া ওই এলাকার কৃষিকাজ করেন। গত মঙ্গলবার বিকেলে চকলেটের লোভ দেখিয়ে তার ৭ বছরের ছেলেকে লঙ্গন নদীর পাড়ে নিয়ে বলাৎকার করেন হাকিম। শিশুর চিৎকারে এলাকার লোকজন এগিয়ে গেলে হাকিম পালিয়ে যান।

তিনি জানান, ছেলেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় সেদিন। বুধবার উন্নত চিকিৎসার জন্য নেয়া হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে।

নাসিরনগর থানার ওসি হাবিবুল্লাহ সরকার বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্ত হাকিমকে গ্রেপ্তার করে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাকে আদালতে সোপর্দ করে।
শিশুটি বর্তমানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

আরও পড়ুন:
অভিমানী চিরকুট রেখে ‘আত্মহত্যা’
আইসোলেশনে করোনা রোগীর ‘আত্মহত্যা’
‘অভাবের তাড়নায়’ বিষপানে মৃত্যু
সুনামগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধার আত্মহত্যা
রুমমেটকে ভিডিও কলে রেখে আত্মহত্যা

শেয়ার করুন

ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার দারাজের ডেলিভারি ম্যান-গা‌ড়িচালক

ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার দারাজের ডেলিভারি ম্যান-গা‌ড়িচালক

বরিশালে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার দারাজের গাড়িচালক ও ডেলিভারি ম্যান। ছবি: নিউজবাংলা

বাবুগঞ্জ থানার ওসি মাহাবুবুর রহমান বলেন, ‘গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারি যে দারাজের ডেলিভারি ভ্যানে ইয়াবা আছে... কাভার্ডভ্যান ব্রিজে উঠলে সেটি আটক করা হয়। গাড়ি তল্লাশি চালিয়ে চালকের আসনের সিট কভারের ভেতর থেকে কাগজে মোড়ানো ইয়াবা জব্দ করা হয়।’

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান দারাজের পণ্য সরবরাহের গাড়ি থেকে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে চালক ও ডেলিভারি ম্যানকে।

নগরীর বাবুগঞ্জের স্টিল ব্রিজ এলাকায় বৃহস্পতিবার দুপুরে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে থানায় নিয়ে মাদকের মামলা দেয়া হয় তাদের নামে।

আটক ব্যক্তিরা হলেন গাড়িচালক গকুল চন্দ্র ও ডেলিভারি ম্যান শাহাদাত হোসেন।

বাবুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুবুর রহমান তথ্যগুলো নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারি যে দারাজের ডেলিভারি ভ্যানে ইয়াবা আছে। আমরা ফোর্স নিয়ে রহমতপুর-মীরগঞ্জ সড়কের স্টিল ব্রিজে অবস্থান নিই।

‘কিছুক্ষণ পরই দারাজের ডেলিভারির একটি কাভার্ডভ্যান ব্রিজে উঠলে সেটি আটক করা হয়। গাড়ি তল্লাশি চালিয়ে চালকের আসনের সিট কভারের ভেতর থেকে কাগজে মোড়ানো ১০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।’

আরও পড়ুন:
অভিমানী চিরকুট রেখে ‘আত্মহত্যা’
আইসোলেশনে করোনা রোগীর ‘আত্মহত্যা’
‘অভাবের তাড়নায়’ বিষপানে মৃত্যু
সুনামগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধার আত্মহত্যা
রুমমেটকে ভিডিও কলে রেখে আত্মহত্যা

শেয়ার করুন

পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল, শিক্ষককে অব্যাহতি

পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল, শিক্ষককে অব্যাহতি

সাতকানিয়ার ইউএনও বলেন, ‘এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিন সকালে কর্নেল অলি আহমদ বীর বিক্রম কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে ওই শিক্ষকের কাছে একটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন পাওয়া যায়। এ ঘটনায় কেন্দ্র সচিবকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। তিনি ব্যবস্থা নিয়েছেন।’

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় এইচএসসি পরীক্ষা চলার সময় কেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে যাওয়ায় পর্যবেক্ষক নূর উদ্দিনকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার বাজালিয়া কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম কলেজে এ ঘটনা ঘটে। অব্যাহতি পাওয়া নূর উদ্দিন ওই কলেজের গণিত বিভাগের শিক্ষক।

সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতেমা তুজ জোহরা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রথম দিন সকালে কর্নেল অলি আহমদ বীর বিক্রম কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে ওই শিক্ষকের কাছে একটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন পাওয়া যায়। এ ঘটনায় কেন্দ্র সচিবকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। তিনি ব্যবস্থা নিয়েছেন।’

পরীক্ষা চলার সময় কেন্দ্রে মোবাইল ফোন না নেয়ার নির্দেশনা রয়েছে বলেও জানান ইউএনও।

আরও পড়ুন:
অভিমানী চিরকুট রেখে ‘আত্মহত্যা’
আইসোলেশনে করোনা রোগীর ‘আত্মহত্যা’
‘অভাবের তাড়নায়’ বিষপানে মৃত্যু
সুনামগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধার আত্মহত্যা
রুমমেটকে ভিডিও কলে রেখে আত্মহত্যা

শেয়ার করুন

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান

বেতবাড়িয়া ইউনিয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান হয়েছেন বাবুল আকতার। ছবি: সংগৃহীত

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা রশিদুল আলম জানান, খোকসার বেতবাড়িয়া ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল আজম খান বুধবার বিকেলে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিলে একক প্রার্থী হন বাবুল আকতার।

কুষ্টিয়ার খোকসার বেতবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বাবুল আকতার।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা রশিদুল আলম বৃহস্পতিবার বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, খোকসা উপজেলার বেতবাড়িয়া ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী ইউনিয়ন কৃষক লীগ নেতা নুরুল আজম খান বুধবার বিকালে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিলে একক প্রার্থী হন বাবুল আকতার। নুরুল আজম ইউনিয়ন কৃষক লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।

বাবুল এর আগেও দুবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ইউপি চেয়ারম্যান হয়েছিলেন।

চতুর্থ ধাপে ৬ ডিসেম্বর কুষ্টিয়ার কুমারখালী ও খোকসা উপজেলায় বিভিন্ন ইউপিতে ভোট।

এ ছাড়া খোকসা উপজেলার বেতবাড়িয়া ও জানিপুর ইউনিয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চারজন সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন বেতবাড়িয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে মো. সায়েদুজ্জামান, ৯ নম্বর ওয়ার্ডে আকাম উদ্দিন, সংরক্ষিত নারী সদস্য জহুরা খাতুন এবং জানিপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে নজরুল ইসলাম মণ্ডল।

আরও পড়ুন:
অভিমানী চিরকুট রেখে ‘আত্মহত্যা’
আইসোলেশনে করোনা রোগীর ‘আত্মহত্যা’
‘অভাবের তাড়নায়’ বিষপানে মৃত্যু
সুনামগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধার আত্মহত্যা
রুমমেটকে ভিডিও কলে রেখে আত্মহত্যা

শেয়ার করুন

ভাইকে শেষবার দেখতে গিয়ে নিহত

ভাইকে শেষবার দেখতে গিয়ে নিহত

পরিবারের সদস্যরা জানান, দীপক ফুফাতো ভাইয়ের মৃত্যুর খবরে দুপুরে নিজ কর্মস্থল থেকে মোটরসাইকেলে চরফ্যাশনের উদ্দেশে রওনা হন। সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি নিহত হয়েছেন বলে সন্ধ্যায় পুলিশ খবর দেয়।

ভোলার লালমোহনে ফুফাতো ভাইয়ের মৃত্যুর খবরে শেষবারের মতো দেখতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন দীপক চন্দ্র দে নামে এক ব্যক্তি।

উপজেলার আবুগঞ্জ বাজার এলাকায় ইঞ্জিনচালিত নসিমনের সঙ্গে সংঘর্ষে মোটরসাইকেলের আরোহী দীপক নিহত হন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে ভোলা-চরফ্যাশন হাইওয়ে সড়কের আবুগঞ্জ বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

৪৫ বছর বয়সী দীপক ভোলার পৌরকাচিয়া কলোনি এলাকার বাসিন্দা। তিনি ভোলা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর ছিলেন।

স্থানীরা জানায়, ভোলা থেকে মোটরসাইকেলে চরফ্যাশন যাচ্ছিলেন দীপক। আবুগঞ্জ বাজার এলাকায় বাইকের সঙ্গে ধানবোঝাই নসিমনের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন।

দীপকের পরিবারের সদস্যরা জানান, দীপক ফুফাতো ভাইয়ের মৃত্যুর খবরে দুপুরে নিজ কর্মস্থল থেকে মোটরসাইকেলে চরফ্যাশনের উদ্দেশে রওনা হন। সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি নিহত হয়েছেন বলে সন্ধ্যায় পুলিশ খবর দেয়।

লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাকসুদুর রহমান মুরাদ জানান, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নসিমনটি জব্দ করা গেলেও চালক পালিয়ে গেছেন।

তদন্ত করে এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান ওসি মুরাদ।

আরও পড়ুন:
অভিমানী চিরকুট রেখে ‘আত্মহত্যা’
আইসোলেশনে করোনা রোগীর ‘আত্মহত্যা’
‘অভাবের তাড়নায়’ বিষপানে মৃত্যু
সুনামগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধার আত্মহত্যা
রুমমেটকে ভিডিও কলে রেখে আত্মহত্যা

শেয়ার করুন

কক্সবাজার বিমানবন্দর: নিরাপত্তা নিয়ে অভিযোগ পাইলটদেরও

কক্সবাজার বিমানবন্দর: নিরাপত্তা নিয়ে অভিযোগ পাইলটদেরও

কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়েতে মঙ্গলবার বিকেলে উড়োজাহাজের ধাক্কায় দুটি গরু মারা যায়। ছবি: নিউজবাংলা

কক্সবাজার বিমানবন্দরে কর্মরত একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার অভিযোগ, বিমানবন্দরের রানওয়েতে অবতরণের সময় নানা সমস্যা নিয়ে মৌখিক ও লিখিতভাবে পাইলটরা অভিযোগ দিলেও তা আমলে নেয়নি কর্তৃপক্ষ।

কক্সবাজার বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক মর্যাদা পেলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা নিয়ে অভিযোগ দীর্ঘদিনের। দুই দিন আগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটের পাখার ধাক্কায় দুই গরুর মৃত্যুর পর তা ফের আলোচনায় উঠে এসেছে।

এ নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। উঠেছে নতুন অভিযোগও।

কক্সবাজার বিমানবন্দরে কর্মরত একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার অভিযোগ, বিমানবন্দরের রানওয়েতে অবতরণের সময় নানা সমস্যা নিয়ে মৌখিক ও লিখিতভাবে পাইলটরা অভিযোগ দিলেও তা আমলে নেয়নি কর্তৃপক্ষ।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি জানান, দুই সপ্তাহ আগেও অভিযোগ করা হয়েছিল গরু, ছাগলসহ বিভিন্ন প্রাণীর রানওয়েতে উঠে পড়ার কারণে পাইলটদের অবতরণে সমস্যা হচ্ছে। বিমানবন্দরের কাছে স্থানীয়দের অবাধ চলাচল এবং ভিড়ও বড় সমস্যা।

একাধিক পাইলট জানিয়েছিলেন, চারদিকে প্রচুর মানুষের মধ্যে শঙ্কা নিয়ে বিমান অবতরণ করতে হয় তাদের। বিকেল হলেই বিমানবন্দরের রানওয়ের পাশের সীমানাপ্রাচীর ঘেঁষে ভেতরে চলে ফুটবল খেলা। সেই খেলা দেখতে আবার ভিড় করে অন্তত দুই শতাধিক মানুষ।

তার অভিযোগ, বিভিন্ন সময় এসব বিষয় নিয়ে কক্সবাজার বিমানবন্দরের সিকিউরিটি ইনচার্জকে মৌখিক বা লিখিত অভিযোগ দিলেও কোনো সমাধান আসেনি।

মঙ্গলবার রাতের ওই ঘটনার পর নির্দিষ্ট সীমানাপ্রাচীরের কাছে দায়িত্বে থাকা চার আনসার সদস্যকে চাকরিচ্যুত করেছে কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া গঠন করা হয়েছে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি, তবে তাদের বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি কক্সবাজার বিমানবন্দরের দায়িত্বরতরা।

এ ছাড়া ওই ঘটনার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এভিয়েশনের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল। বুধবার বিকেলে তারা বিমানবন্দর পরিদর্শন করেন। বৃহস্পতিবার সকালে বিমানবন্দরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তারা ঢাকার উদ্দেশে কক্সবাজার ছাড়েন।

এ প্রতিনিধি দলে ছিলেন বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সদস্য (সিকিউরিটি) গ্রুপ ক্যাপ্টেন আবু সালেহ মাহমুদ মান্নাফি।

কক্সবাজার বিমানবন্দর: নিরাপত্তা নিয়ে অভিযোগ পাইলটদেরও
বিমানবন্দরের সীমানা প্রাচীরের ভাঙা অংশ দিয়ে অবাধে চলছে যাতায়াত, ঢুকে পড়ছে পশু

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কক্সবাজার বিমানবন্দরের এক জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে জানান, মূলত রানওয়েতে গরু ঢুকেছে সংস্কার কাজের জন্য অরক্ষিত হয়ে পড়া সীমানা প্রচীরের অংশ দিয়ে। পাইলটদের অভিযোগের বিষয়ে অবশ্য কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।

আকাশপথ ব্যবহার করে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতে বেড়াতে আসা পর্যটকরা শঙ্কা প্রকাশ না করলেও বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় প্রয়োজনে চারদিকে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের দাবি তুলেছেন।

ঢাকা থেকে আসা জাহিদুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মানের একটি বিমানবন্দরে এমন ঘটনা কখনও কাঙ্ক্ষিত হতে পারে না। শুধু চার আনসার নয়, দায়িত্ব অবহেলার দায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ওপরও পড়ে। প্রয়োজনে তাদেরও পরিবর্তন করা হোক।’

নাদিরা জামান নামে আরেক যাত্রী বলেন, ‘একটি বিদেশি এনজিও সংস্থায় কাজ করার কারণে নিয়মিতই বিমানে কক্সবাজার আসি, কিন্তু বিমানের ধাক্কায় গরুর মৃত্যুর বিষয়টি দেখে নিজের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি হয়েছে। ভাগ্য ভালো ওই বিমানযাত্রীদের। আমরা মনে করি এ বিমানবন্দরে আরও নিরাপত্তা বাড়ানো উচিত।

তবে বারবরের মতোই কক্সবাজার বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক গোলাম মোর্তজা হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কয়েকটি পয়েন্টে সীমানাপ্রাচীর সংস্কারের কাজ চলছে। দ্রুত তা শেষ হলে এসব গবাদিপশু বা বিমানবন্দরের নিরাপত্তাঝুঁকি কেটে যাবে।

কক্সবাজার বিমানবন্দর: নিরাপত্তা নিয়ে অভিযোগ পাইলটদেরও
কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়েতে মঙ্গলবার বিকালে উড়োজাহাজের ধাক্কায় দুটি গরু মারা গেছে

তার কাছেও পাইলটদের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

২০০৫ সালে কক্সবাজার বিমানবন্দরের উত্তরে বঙ্গোপসাগরে একটি কার্গো উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে বিদেশি পাইলটসহ তিনজনের মৃত্যু হয়। কার্গো উড়োজাহাজটি কক্সবাজার থেকে চিংড়ির পোনা নিয়ে যশোর যাচ্ছিল। এ ছাড়া ২০১৭ সালে একটি বেসরকারি উড়োজাহাজের চাকায় পিষ্ট হয়ে রানওয়েতে তিনটি কুকুরের মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন:
অভিমানী চিরকুট রেখে ‘আত্মহত্যা’
আইসোলেশনে করোনা রোগীর ‘আত্মহত্যা’
‘অভাবের তাড়নায়’ বিষপানে মৃত্যু
সুনামগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধার আত্মহত্যা
রুমমেটকে ভিডিও কলে রেখে আত্মহত্যা

শেয়ার করুন