সিআরবিতে হাসপাতাল নয়, সচিবসহ ৮ জনকে নোটিশ

সিআরবিতে হাসপাতাল নয়, সচিবসহ ৮ জনকে নোটিশ

নোটিশে সাত দিনের মধ্যে সিআরবিকে বাদ দিয়ে রেলওয়ের অন্য কোনো খালি জায়গায় হাসপাতাল নির্মাণে সাত দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাতে বলা হয়েছে।

চট্টগ্রাম নগরীর ফুসফুসখ্যাত সিআরবিকে বাদ দিয়ে অন্য কোথাও হাসপাতাল নির্মাণ করতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ আটজনকে আইনি নোটিশ দেয়া হয়েছে। নোটিশে সাত দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাতে বিবাদীদের বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টি আইনজীবী জিয়া হাবীব আহসানের পক্ষে বুধবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার হাসান এম এস আজিম মন্ত্রিপরিষদ সচিব, রেলসচিব, রেলওয়ের ডিজি, রেলওয়ের পূর্বাঞ্চল জোনের জিএম, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ অথরিটির সিইও, পরিবেশ অধিদপ্তরের ডিজি, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যন ও চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের কমিশনার বরাবর এ নোটিশ পাঠান।

এ বিষয়ে আইনজীবী জিয়া হাবীব আহসান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মন্ত্রিপরিষদ সচিব, রেলসচিব, রেলওয়ের ডিজি, রেলওয়ের পূর্বাঞ্চল জোনের জিএম, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ অথরিটির সিইও, পরিবেশ অধিদপ্তরের ডিজি, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যন ও চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের কমিশনার বরাবর এ নোটিশ পাঠিয়েছি।

‘নোটিশে হাসপাতাল সিআরবি থেকে সরিয়ে অন্য কোথাও নির্মাণের কথা বলা হয়েছে। যদি বিবাদীরা সাত দিনের মধ্যে তাদের সিদ্ধান্তের কথা আমাদের জানাতে না পারেন, তাহলে আমরা বাংলাদেশ সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মহামান্য হাইকোর্টে রিট করব।’

আইনজীবী জিয়া হাবীব আরও বলেন, ‘চট্টগ্রাম শহরের ফুসফুসখ্যাত সিআরবি ও এর পাশের টাইগারপাস এলাকায় এখনো ১৪৫ প্রজাতির পাখিসহ বিভিন্ন প্রাণী রয়েছে। একসময় এখানে বাঘও ছিল। এমন একটি জায়গায় হাসপাতাল হলে স্বাভাবিকভাবেই সেখানে তুলনামূলক বেশি জনসমাগম হবে। সব মিলিয়ে বাস্তুতান্ত্রিক একটা বিপর্যয় ঘটবে। তা ছাড়া মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে সিআরবিতে অসংখ্য মানুষ শহীদ হয়েছেন। সেখানে একটা স্মৃতিস্তম্ভ আছে।

সিআরবিতে হাসপাতাল নয়, সচিবসহ ৮ জনকে নোটিশ

‘আমরা সিআরবি-টাইগারপাস এলাকাকে ঢাকার ধানমন্ডি লেকের মতো সম্ভাব্য বাস্তুতান্ত্রিক বিপর্যয় রোধে পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করার অনুরোধ করেছি। যেন পরিবেশ অধিদপ্তর এলাকাটি সংরক্ষণ করে।’

শেয়ার করুন

মন্তব্য