ইউপি সদস্যের কার্যালয় থেকে মরদেহ উদ্ধার

ইউপি সদস্যের কার্যালয় থেকে মরদেহ উদ্ধার

উপজেলার ইছাখালী ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নারী ইউপি সদস্য আছিয়া বেগমের কার্যালয় থেকে মঙ্গলবার বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে এক নারী ইউপি সদস্যের কার্যালয় থেকে নূর আলম নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।

উপজেলার ইছাখালী ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের নারী ইউপি সদস্য আছিয়া বেগমের কার্যালয় থেকে মঙ্গলবার বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে মরদেহটি উদ্ধার হয়।

নিহত নূর আলম ইছাখালী এলাকার মৃত সারাফাত আলীর ছেলে।

কর্ণফুলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোশাররফ হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বিকেলে খবর পেয়ে ইউপি সদস্য আছিয়া বেগমের কার্যালয় থেকে নূর আলমের মরদেহটি উদ্ধার হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে কুরবান আলী ও পারভেজ নামের দুজনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে কুরবান আলী মৃত ব্যক্তির কাছে ৫০ হাজার টাকা পেতেন। তা নিয়ে বিরোধ থেকে নূর আলমকে খুন করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।’

নিহত নূর আলমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান এসআই মোশাররফ হোসেন।

আরও পড়ুন:
দাফনের তিন দিন পর তোলা হলো সেই জসিমের লাশ
পুকুরে মুয়াজ্জিনের হাত-পা বাঁধা মরদেহ
পানিতে ভাসছিল ২ যুবকের মরদেহ
নিজ ঘরে দম্পতির ঝুলন্ত মরদেহ
নিজ ঘরে ব্যাংক কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

মেয়ে ধর্ষণের মামলায় বাবা গ্রেপ্তার

মেয়ে ধর্ষণের মামলায় বাবা গ্রেপ্তার

গত বছরের ১০ আগস্ট ওই কিশোরীর মা তার দুই মেয়েকে রেখে বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান। এ সুযোগে ওই দিন রাতে কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণ করেন তার স্বামী। মেয়ে লজ্জা ও ভয়ে পরিবারের সবার কাছ থেকে বিষয়টি গোপন করে।

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় ১৩ বছরের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে বাবার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্ত্রীর করা মামলায় ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার বিকেল ৫টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। দুপুর ২টার দিকে মামলাটি করেন ওই কিশোরীর মা।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন মুক্তাগাছা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) চাঁদ মিয়া।

মামলার বরাত দিয়ে তিনি জানান, গত বছরের ১০ আগস্ট ওই কিশোরীর মা তার দুই মেয়েকে রেখে বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান। এ সুযোগে ওই দিন রাতে কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণ করেন তার স্বামী। মেয়ে লজ্জা ও ভয়ে পরিবারের সবার কাছ থেকে বিষয়টি গোপন করে।

এরপর চলতি বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর ওই গৃহবধূ ফের বাবার বাড়িতে গেলে রাতে মেয়ের ঘরে ঢুকে তার স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন স্বামী। মেয়ে টের পেয়ে চিৎকার করলে তিনি ঘর থেকে পালিয়ে যান।

পর দিন বাবার বাড়ি থেকে ফিরে আসলে মেয়ে তাকে সব খুলে জানায়। পরে স্বজনদের সঙ্গে পরামর্শ করে মামলাটি করেন কিশোরীর মা।

মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান জানান, মামলা হওয়ার পর দ্রুত অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার তাকে ময়মনসিংহ মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে পাঠানো হবে।

কিশোরীর মামা জানান, তার বোনের প্রথম দুই মেয়ের জন্ম হওয়ার পর তাকে তাড়িয়ে দিয়ে পাঁচ বছর আগে আরেকটি বিয়ে করেন তার স্বামী। ওই স্ত্রীর সঙ্গে মানিয়ে নিতে না পেরে পরে তার বোনকে ফিরিয়ে নেন আসামি৷

তিনি আসামির উপযুক্ত শাস্তির দাবিও জানান।

আরও পড়ুন:
দাফনের তিন দিন পর তোলা হলো সেই জসিমের লাশ
পুকুরে মুয়াজ্জিনের হাত-পা বাঁধা মরদেহ
পানিতে ভাসছিল ২ যুবকের মরদেহ
নিজ ঘরে দম্পতির ঝুলন্ত মরদেহ
নিজ ঘরে ব্যাংক কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ

শেয়ার করুন

সাউন্ডবক্সে ওয়াজ ছেড়ে স্ত্রীকে ‘হত্যাচেষ্টা’ ইমামের

সাউন্ডবক্সে ওয়াজ ছেড়ে স্ত্রীকে ‘হত্যাচেষ্টা’ ইমামের

রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন খুশি আকতার। ছবি: নিউজবাংলা

গৃহবধূর পরিবারের অভিযোগ, অর্থনৈতিক সংকট ও বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে কিছু দিন ধরে স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছিলেন শরিফ। গত শনিবার রাতে স্ত্রীর কাছে এক লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন তিনি। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তোলায় ওই সময় খুশিকে মারধর করেন শরিফ। পরে রাত ৩টার দিকে সাউন্ডবক্সে উচ্চস্বরে ওয়াজ বাজিয়ে খুশির শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন।

গাজীপুরের শ্রীপুরে যৌতুকের দাবিতে গভীর রাতে সাউন্ডবক্সে উচ্চস্বরে ওয়াজ বাজিয়ে স্ত্রীকে নির্যাতন ও পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক ইমামের বিরুদ্ধে।

শ্রীপুর থানায় বুধবার রাতে গৃহবধূ খুশি আকতারের বাবা হাসেন আলী এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দেন।

খুশির বাড়ি গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের বদলাগাড়ি গ্রামে। তিনি স্বামী মাওলানা শরিফ মাহমুদের সঙ্গে শ্রীপুরের নতুনবাজারের আনছার রোড এলাকার বয়রাসালায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। শনিবার রাত ৩টার দিকে ওই বাসায় তাকে নির্যাতন করা হয়।

খুশির পরিবার জানায়, পারিবারিকভাবে ২০১৯ সালের জুনে গাইবান্ধা সদর উপজেলার বল্লমঝাড় এলাকায় শরিফের সঙ্গে বিয়ে হয় খুশির। বিয়ের পর স্ত্রীকে নিয়ে শ্রীপুরে যান শরিফ। সেখানে স্থানীয় ইয়াকুব আলী জামে মসজিদে ইমামতি শুরু করেন তিনি।

তাদের অভিযোগ, অর্থনৈতিক সংকট ও বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে কিছু দিন ধরে স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছিলেন শরিফ। গত শনিবার রাতে স্ত্রীর কাছে এক লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন তিনি। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তোলায় ওই সময় খুশিকে মারধর করেন শরিফ।

পরে রাত ৩টার দিকে সাউন্ডবক্সে উচ্চস্বরে ওয়াজ বাজিয়ে খুশির শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন শরীফ। ওই সময় খুশির চিৎকারে প্রতিবেশীরা গিয়ে তাকে উদ্ধার করে।

গুরুতর আহত খুশি এখন রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন। চিকিৎসকরা জানিয়েছে, আগুনে খুশির শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়ে গেছে। তবে বর্তমানে তিনি শঙ্কামুক্ত।

খুশির বাবা হাসেন আলী বলেন, ‘টেকার জন্যে ছোলটাক (খুশি) আগুনত ফেলে মারবের চাছিল। বহুত টেকা দিছি এই দুই বছরে। তাও ছোলটেক মারডাং করতো সে (শরিফ)।’

খুশি আকতার বলেন, ‘অন্য মেয়েদের সাথে ইয়ে করত; কথা বলত। সেগুলো আমি সহ্য করতে পাই নাই। অনেক মারধর করছে ওই রাতে।

‘সেদিন খাটে শুইতেও দেয়নি। পরে মেঝেতে ঘুমাই। হুট করে ঘুম থেকে উঠে দেখি দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে; আর ওয়াজ বাজছে।’

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমাম হোসেন বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তের পর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
দাফনের তিন দিন পর তোলা হলো সেই জসিমের লাশ
পুকুরে মুয়াজ্জিনের হাত-পা বাঁধা মরদেহ
পানিতে ভাসছিল ২ যুবকের মরদেহ
নিজ ঘরে দম্পতির ঝুলন্ত মরদেহ
নিজ ঘরে ব্যাংক কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ

শেয়ার করুন

গাড়ি ‘সাইড’ না দেয়ায় ছাত্রলীগ নেতাকে সাংসদের মারধর

গাড়ি ‘সাইড’ না দেয়ায় ছাত্রলীগ নেতাকে সাংসদের মারধর

বরগুনা-২ আসনের সাংসদ শওকত হাচানুর রহমান রিমন ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নজরুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নজরুল ইসলাম বলেন, ‘সাংসদ রিমন আমাকে গাড়িতে দেখেই ক্ষিপ্ত হন। তিনি তখন মাইক্রোবাস চালককে কিছু না বলে আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়েছিলেন। মূলত আমি প্রয়াত সাংসদ গোলাম সবুর টুলুর স্ত্রী ও বর্তমান সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ নাদিরা সবুরের হয়ে শোকদিবস উপলক্ষে ব্যানার ও পোস্টার লাগিয়েছিলাম। এতেই তিনি ক্ষিপ্ত ছিলেন এবং আমাকে মেরে তিনি রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের জের মিটিয়েছেন।’

সংসদ সদস্যের মোটরসাইকেল বহরকে সাইড না দেয়ার অজুহাতে বরগুনা-২ আসনের সাংসদ শওকত হাচানুর রহমান রিমনের বিরুদ্ধে নজরুল ইসলাম নামের সাবেক এক ছাত্রলীগ নেতাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার বিকেল ৪টার দিকে বরগুনার পাথরঘাটা পৌর শহরের স্টেডিয়াম মাঠ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

নজরুল ইসলাম পাথরঘাটা পৌর ছাত্রলীগের ৮ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও বিএফডিসি মৎস্য পাইকার সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক।

নজরুল বলেন, ‘পাথরঘাটা স্টেডিয়াম মাঠে ফুটবল টুর্নামেন্ট চলছিল। বিকেল চারটার দিকে বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য শওকত হাচানুর রহমান রিমনসহ উপজেলা ছাত্রলীগের বেশ কিছু নেতাকর্মী মোটরসাইকেল যোগে মাঠে খেলা দেখতে যাচ্ছিলেন। মাঠের কাছাকাছি পৌঁছাতেই খেলোয়ারবাহী একটি মাইক্রোবাস সংসদ সদস্যের মোটরসাইকেল বহরের সামনে পড়ে। মাইক্রোবাসটিতে আমিও ছিলাম।

‘এসময় মাইক্রোবাসটিকে সরে যেতে সাংসদকে বহনকারি মোটরসাইকেল থেকে হর্ন বাজানো হয়। কিন্ত সড়ক সরু হওয়ায় মাইক্রোবাসটির চালক জায়গা পাচ্ছিলেন না। এতেই বিরক্ত ও ক্ষিপ্ত হন সাংসদ। পরে কিছুটা সামনে গিয়ে জায়গা পেয়ে মোটরসাইকেল বহরকে সাইড দেয় খেলোয়ারবাহী মাইক্রোবাসের চালক। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত সাংসদ রিমন মঞ্চে বসে আমাকে ডেকে পাঠান। সাংসদের সামনে আসতেই পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন মধু আমাকে এমপির পা ধরে মাফ চাইতে বলেন। সামনে এগিয়ে যেতেই এমপি রিমন মাঠভর্তি দর্শক, খেলোয়ার ও অতিথিদের সামনেই আমাকে চড়-থাপ্পর দিতে শুরু করেন।’

নজরুল ইসলাম আরও বলেন, ‘সাংসদ রিমন আমাকে গাড়িতে দেখেই ক্ষিপ্ত হন। তিনি তখন মাইক্রোবাস চালককে কিছু না বলে আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়েছিলেন। মূলত, আমি প্রয়াত সাংসদ গোলাম সবুর টুলুর স্ত্রী ও বর্তমান সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ নাদিরা সবুরের হয়ে শোকদিবস উপলক্ষে ব্যানার ও পোস্টার লাগিয়েছিলাম। এতেই তিনি ক্ষিপ্ত ছিলেন এবং আমাকে মেরে তিনি রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের জের মিটিয়েছেন।’

এ বিষয়ে জানতে বরগুনা ২ আসনের সংসদ সদস্য শওকত হাচানুর রহমান রিমনকে একাধিকবার কল এবং পরে মুঠোফোনে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েও সাড়া পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:
দাফনের তিন দিন পর তোলা হলো সেই জসিমের লাশ
পুকুরে মুয়াজ্জিনের হাত-পা বাঁধা মরদেহ
পানিতে ভাসছিল ২ যুবকের মরদেহ
নিজ ঘরে দম্পতির ঝুলন্ত মরদেহ
নিজ ঘরে ব্যাংক কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ

শেয়ার করুন

সাজেকে মাইক্রোবাস খাদে পড়ে আহত ১২ 

সাজেকে মাইক্রোবাস খাদে পড়ে আহত ১২ 

সাজেকে মাইক্রোবাস খাদে পড়ে আহত একজনের চিকিৎসা চলছে। ছবি: নিউজবাংলা

সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল আনোয়ার বলেন, ‘আহতদের মধ্যে ১১ পর্যটক রাজশাহী থেকে সাজেকে ঘুরতে এসেছিল বলে জেনেছি। অন্য আহত পুলিশ সদস্য সাজেক রুইলুই পাড়া ক্যাম্পে দায়িত্বরত।’

খাগড়াছড়ি থেকে সাজেক যাওয়ার পথে একটি মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে ১২ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক নারীও রয়েছেন।

বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সাজেকের শিজকছড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর। অন্যরা আশঙ্কামুক্ত।

দুর্ঘটনার পরপরই বাঘাইহাট সেনা জোনের একটি দল আহতদের উদ্ধার করে খাগড়াছড়ি আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে পাঠায়।

হাসপাতাল থেকে জানা গেছে, গুরুতর আহত তিনজন হলেন পুলিশ সদস্য রাইসুল ইসলাম, মোছা. দুলালী ও অন্তঃসত্ত্বা নারী খাদিজা বেগম।

সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল আনোয়ার বলেন, ‘আহতদের মধ্যে ১১ পর্যটক রাজশাহী থেকে সাজেকে ঘুরতে এসেছিল বলে জেনেছি। অন্য আহত পুলিশ সদস্য সাজেক রুইলুই পাড়া ক্যাম্পে দায়িত্বরত। তিনি গাড়িটি স্কটের দায়িত্বে ছিলেন।’

আরও পড়ুন:
দাফনের তিন দিন পর তোলা হলো সেই জসিমের লাশ
পুকুরে মুয়াজ্জিনের হাত-পা বাঁধা মরদেহ
পানিতে ভাসছিল ২ যুবকের মরদেহ
নিজ ঘরে দম্পতির ঝুলন্ত মরদেহ
নিজ ঘরে ব্যাংক কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ

শেয়ার করুন

স্ত্রীর মামলায় সিআইডির উপপরিদর্শক কারাগারে

স্ত্রীর মামলায় সিআইডির উপপরিদর্শক কারাগারে

অভিযোগ, স্ত্রী তিথিকে নিজ বাড়িতে তুলে নেয়ার জন্য দুই বিঘা জমি, ১০ ভরি স্বর্ণ ও ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন সিআইডি কর্মকর্তা মিঠুন। এর জন্য তিথিকে শারীরিক নির্যাতন করে আসছিলেন মিঠুন।

যৌতুক চেয়ে স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) এক উপপরিদর্শককে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-১-এ বুধবার আত্মসমর্পন করে জামিন চাইলে বিচারক দিলরুবা আক্তার তা নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আসামি সিআইডি কর্মকর্তা মিঠুন রায়ের বাড়ি খুলনার ডুমুরিয়া থানা এলাকার বান্দার গ্রামে। তিনি রাজধানীর মালিবাগ সিআইডির সাইবার জোনে রয়েছেন।

এজাহারে বলা হয়, খুলনার বটিয়াঘাটা দেবীতলা গ্রামের তিথী বিশ্বাসের সঙ্গে ২০১৫ সালে পরিচয় হয় মিঠুনের। পরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠলে ২০১৯ সালে তারা গোপনে বিয়ে করেন। এরপর স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বিভিন্ন স্থানে ভাড়া বাসা থেকেছেন তারা। সম্প্রতি স্ত্রী হিসেবে নিজ বাড়িতে তুলে নেয়ার জন্য দুই বিঘা জমি, ১০ ভরি স্বর্ণ ও ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন মিঠুন। এর জন্য তিথিকে শারীরিক নির্যাতন করে আসছিলেন মিঠুন।

নির্যাতনের অভিযোগে খুলনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-১-এ মিঠুনের বিরুদ্ধে পরে মামলাটি করেন তিথি। সেই মামলায় বুধবার আদালতে আত্মসমর্পণ করেন মিঠুন।

মিঠুনের বিরুদ্ধে মামলা তুলে নিতে পুলিশের ক্ষমতার অপব্যবহার, বাদির পরিবারকে ভয়ভীতি দেখানো এবং সামাজিকভাবে পরিবারটিকে একঘরে করে রাখার অভিযোগও উঠেছে।

আরও পড়ুন:
দাফনের তিন দিন পর তোলা হলো সেই জসিমের লাশ
পুকুরে মুয়াজ্জিনের হাত-পা বাঁধা মরদেহ
পানিতে ভাসছিল ২ যুবকের মরদেহ
নিজ ঘরে দম্পতির ঝুলন্ত মরদেহ
নিজ ঘরে ব্যাংক কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ

শেয়ার করুন

সেন্টমার্টিনে জালে লাল কোরালের ঝাঁক 

সেন্টমার্টিনে জালে লাল কোরালের ঝাঁক 

আইয়ুব নামে একজনের মালিকানাধীন এফবি রিয়াজ নামে ট্রলারটি নিয়ে সোমবার মাছ ধরতে যান জেলেরা। সেন্টমার্টিনের কাছে শাহপরীর দ্বীপ এলাকায় মঙ্গলবার জাল ফেললে মাছগুলো ধরা পড়ে। বুধবার সকালে মাছগুলো নিয়ে শাহপরীর দ্বীপ মিস্ত্রিপাড়া ঘাটে যান জেলেরা।

কক্সবাজার সেন্টমার্টিন এলাকায় এক সঙ্গে জালে ধরা পড়েছে ১৭৮টি লাল কোরাল। এসব মাছের ওজন প্রায় ৬০০ কেজি। প্রতিটি মাছের ওজন গড়ে ৩-৪ কেজি।

শাহপরীর দ্বীপ এলাকায় জাল ফেললে মঙ্গলবার রাতে কোরালের ঝাঁকটি ধরা পড়ে। পরে মাছগুলো প্রতি মণ ২০ হাজার টাকা হিসাবে কিনে নেন ওই এলাকার ব্যবসায়ী হামিদ হোসেন ও ছাব্বির আহমদ।

স্থানীয়রা জানান, আইয়ুব নামে একজনের মালিকানাধীন এফবি রিয়াজ নামে ট্রলারটি নিয়ে সোমবার মাছ ধরতে যান জেলেরা। সেন্টমার্টিনের কাছে শাহপরীর দ্বীপ এলাকায় মঙ্গলবার জাল ফেললে মাছগুলো ধরা পড়ে। বুধবার সকালে মাছগুলো নিয়ে শাহপরীর দ্বীপ মিস্ত্রিপাড়া ঘাটে যান জেলেরা।

ট্রলার মালিক আইয়ুব জানান, মাঝি সৈয়দের নেতৃত্বে জেলেরা মঙ্গলবার রাতে জাল তুলে লাল কোরালগুলো পান। প্রায় ১৫ মণ মাছগুলো বিক্রি হয়েছে তিন লাখ টাকায়।

টেকনাফ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন জানান, সেন্টমার্টিনে সম্প্রতি ভালোই মাছ পাওয়া যাচ্ছে। কয়েক মাস আগেও এক জেলের বড়শিতে ৬০ কেজি ওজনের বোল মাছ ধরা পড়ে। মঙ্গলবার রাতে এক জেলের জালে ১৫ মণ লাল কোরাল ধরা পড়ার খবর পেয়েছেন।

আরও পড়ুন:
দাফনের তিন দিন পর তোলা হলো সেই জসিমের লাশ
পুকুরে মুয়াজ্জিনের হাত-পা বাঁধা মরদেহ
পানিতে ভাসছিল ২ যুবকের মরদেহ
নিজ ঘরে দম্পতির ঝুলন্ত মরদেহ
নিজ ঘরে ব্যাংক কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ

শেয়ার করুন

পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা

পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা

মামলার এজাহারে বলা হয়, বিয়ের প্রলোভনে গত ২১ মে বাদিকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন সাদ্দাম। একই প্রলোভনে ২ জুলাই তাকে ফের ধর্ষণ করা হয়। পরে বিয়ের কথা বললে সাদ্দাম বারবার এড়িয়ে যান।

ময়মনসিংহে ধর্ষণের অভিযোগে এক পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বুধবার বিকেলে মামলাটি করেন এক তরুণী। মামলায় আসামি করা হয়েছে পুলিশ কনস্টেবল সাদ্দাম হোসেনকে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মতিউর রহমান ফয়সাল জানান, সাদ্দামের বিরুদ্ধে ওই তরুণী মামলার আবেদন করলে আদালত তা গ্রহণ করে। পরে বিচারক রাসিজুল ইসলাম জেলা পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) মামলাটি দ্রুত তদন্ত করে প্রতিবেদন দেয়ার আদেশ দেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, বিয়ের প্রলোভনে গত ২১ মে ওই তরুণীকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন সাদ্দাম। একই প্রলোভনে ২ জুলাই তাকে ফের ধর্ষণ করা হয়। পরে বিয়ের কথা বললে সাদ্দাম বারবার এড়িয়ে যান।

এ বিষয়ে জানতে আসামি পুলিশ সদস্য সাদ্দামের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন:
দাফনের তিন দিন পর তোলা হলো সেই জসিমের লাশ
পুকুরে মুয়াজ্জিনের হাত-পা বাঁধা মরদেহ
পানিতে ভাসছিল ২ যুবকের মরদেহ
নিজ ঘরে দম্পতির ঝুলন্ত মরদেহ
নিজ ঘরে ব্যাংক কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ

শেয়ার করুন