দাফনের তিন দিন পর তোলা হলো সেই জসিমের লাশ

দাফনের তিন দিন পর তোলা হলো সেই জসিমের লাশ

দাফনের তিন দিন পর কবর থেকে তোলা হয় জসিমের মরদেহ। ছবি: নিউজবাংলা

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে গত শুক্রবার রাতে জসিমকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ ওঠে বড় ভাই আবদুর রউফের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বোনের করা মামলায় আবদুর রউফ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

যশোরের শার্শায় শ্বাসরোধে হত্যায় বড় ভাইয়ের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির পর সেই জসিম উদ্দিনের মরদেহ কবর থেকে তোলা হয়েছে।

দাফনের তিন দিন পর আদালতের নির্দেশে মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে উপজেলার জিরানগাছা গ্রামের কবর থেকে তার মরদেহ তোলে পুলিশ। এ সময় পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে গত শুক্রবার রাতে জসিমকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ ওঠে বড় ভাই আবদুর রউফের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বোনের করা মামলায় আবদুর রউফ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, বড় ভাই আবদুর রউফের সঙ্গে জসিমের দীর্ঘদিন ধরে বাড়ির জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। এ দ্বন্দ্বের জেরে তাকে হত্যার পর উঠানে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে বলে প্রচার করেন।

তাদের অভিযোগ, স্থানীয় এক জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে পুলিশকে হাত করে ময়নাতদন্ত ছাড়ায় জসিমের মরদেহ দাফন করেন রউফ।

ঘটনার পর তাদের বোন সুমি খাতুন থানায় অভিযোগ দিলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শনিবার বিকেলে রউফ, তার স্ত্রী ও কিশোরী মেয়েকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। পরে রউফের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।

রউফ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলে বিচারক জসিমের মরদেহ কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন।

মরদেহ তোলার সময় নাভারণ সার্কেলের এএসপি জুয়েল ইমরান, জেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান, শার্শা থানার ওসি বদরুল আলম খান, পিবিআই কর্মকর্তা মিজানুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
পুকুরে মুয়াজ্জিনের হাত-পা বাঁধা মরদেহ
পানিতে ভাসছিল ২ যুবকের মরদেহ
নিজ ঘরে দম্পতির ঝুলন্ত মরদেহ
নিজ ঘরে ব্যাংক কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ
বাসায় তত্ত্বাবধায়কের হাত-পা বাঁধা মরদেহ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

কক্সবাজারে নির্বাচনি সহিংসতায় নিহত বেড়ে ২

কক্সবাজারে নির্বাচনি সহিংসতায় নিহত বেড়ে ২

কক্সবাজারের মহেশখালী ও কুতুবদিয়ায় নির্বাচনি সহিংসতায় ২ জন নিহত হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার দুই কেন্দ্রে সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে সাতজন। দুই কেন্দ্রেই সংঘর্ষের পর বন্ধ রাখা হয়েছে ভোট গ্রহণ।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ভোট চলাকালীন কক্সবাজারের মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার দুই কেন্দ্রে সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছে। দুটি এলাকায় আহত হয়েছে সাতজন। দুই কেন্দ্রেই সংঘর্ষের পর বন্ধ রাখা হয়েছে ভোট গ্রহণ।

কুতুবদিয়ার বড় ঘোপ ইউনিয়নের পিলটকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সোমবার দুপুর ১২টার দিকে সংঘর্ষে নিহত হন আব্দুল হালিম। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন চারজন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জামশেদুল ইসলাম সিকদার।

এর আগে সকাল ১০টার দিকে মহেশখালীর কুতুবজোম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিতে একজন নিহত হন। গুলিবিদ্ধ হন তিন নারী।

কুতুবজোম ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াপাড়া এলাকায় কুতুবজোম দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তির নাম আবুল কালাম। তিনি স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মোশাররফ হোসেন খোকনের সমর্থক বলে খবর পাওয়া গেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাই।

স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, ভোট চলাকালীন ওই কেন্দ্রে নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ কামালের সমর্থকদের সঙ্গে চশমার প্রার্থী মোশাররফ হোসেনের সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়। সে সময় গুলিবিদ্ধ হন চারজন। হাসপাতালে নেয়ার পথেই মৃত্যু হয় কালামের।

গুলিবিদ্ধ তিনজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

কুতুবজোম দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রের রিটার্নিং কর্মকর্তা জালাল উদ্দীন ইসলামাবাদী জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় কুতুবজোম দাখিল মাদ্রাসা ও কুতুবজোম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট নেয়া বন্ধ আছে।

আরও পড়ুন:
পুকুরে মুয়াজ্জিনের হাত-পা বাঁধা মরদেহ
পানিতে ভাসছিল ২ যুবকের মরদেহ
নিজ ঘরে দম্পতির ঝুলন্ত মরদেহ
নিজ ঘরে ব্যাংক কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ
বাসায় তত্ত্বাবধায়কের হাত-পা বাঁধা মরদেহ

শেয়ার করুন

‘জুয়ার আসরে’ অভিযান, ইউপি চেয়ারম্যানসহ গ্রেপ্তার ৬

‘জুয়ার আসরে’ অভিযান, ইউপি চেয়ারম্যানসহ গ্রেপ্তার ৬

ওসি আবু হাসান কবির বলেন, ‘আমরা জুয়া খেলার বিভিন্ন সরঞ্জাম, ৩ লাখ ৯৪ হাজার টাকা, ৩টি মোটরসাইকেল ও ৫টি মোবাইল ফোন জব্দ করেছি।'

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে অভিযান চালিয়ে ‘জুয়ার আসর’ থেকে ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

উপজেলার নারায়নপুর গ্রামের একটি বাড়ী থেকে রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তাদের আটক করা হয়।

নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু হাসান কবির।

তিনি বলেন, তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে। সেই মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে তোলা হবে।

যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তারা হলেন গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার ১ নম্বর কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম রিন্টু, ঘোড়াঘাট শামীম মিয়া, রাইনুর ইসলাম রানু সরকার, বকুল সরকার, হুমায়ুন কবীর এবং শহিদুল ইসলাম।

ওসি আবু হাসান কবির বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে আমরা জুয়া খেলার বিভিন্ন সরঞ্জাম, ৩লাখ ৯৪ হাজার টাকা, ৩টি মোটরসাইকেল ও ৫টি মোবাইল ফোন জব্দ করেছি।'

আরও পড়ুন:
পুকুরে মুয়াজ্জিনের হাত-পা বাঁধা মরদেহ
পানিতে ভাসছিল ২ যুবকের মরদেহ
নিজ ঘরে দম্পতির ঝুলন্ত মরদেহ
নিজ ঘরে ব্যাংক কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ
বাসায় তত্ত্বাবধায়কের হাত-পা বাঁধা মরদেহ

শেয়ার করুন

কিশোরী ধর্ষণ মামলায় জাপা নেতা গ্রেপ্তার

কিশোরী ধর্ষণ মামলায় জাপা নেতা গ্রেপ্তার

মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন বলেন, ধর্ষণের ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে ওই কিশোরীকে টানা পাঁচ মাস ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে ঘটনাটি কিশোরী তার মাকে জানালে মান-সম্মানের ভয়ে তারা ভাড়া বাসা ছেড়ে অন্যত্র চলে যান। কিন্তু হোসেন আলী সেখানেও সন্ত্রাসীদের নিয়ে মহড়া দেন। পরে কিশোরীকে অপহরণ করে হত‍্যার হুমকি দেন।

ময়মনসিংহে কিশোরীকে ধর্ষণ মামলায় জাতীয় পার্টির এক নেতাকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার হোসেন আলী জাতীয় পার্টির সহযোগী সংগঠন ময়মনসিংহ জেলা জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টির সভাপতি।

রোববার রাত ১২টার দিকে নগরীর কৃষ্টপুর এলাকা থেকে র‍্যাব-১৪ এর একটি দল তাকে আটক করে। পরে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের কাছে তাকে হস্তান্তর করা হয়। এর আগে র‍্যাবের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন ওই কিশোরীর বাবা।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা রোববার রাত সাড়ে ১২টার দিকে ধর্ষণ মামলা করেছেন। ওই মামলায় হোসেন আলী ও তার তৃতীয়

স্ত্রী তামান্না বেগমকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

মামলার বরাত দিয়ে তিনি বলেন, নগরীর কৃষ্টপুর এলাকায় হোসেন আলীর বাড়ি। তার বাড়ির পাশে ভাড়া থাকত কিশোরীর পরিবার। প্রতিবেশী হওয়ার সুবাদে হোসেন প্রায়ই কিশোরীর বাসায় আসা-যাওয়া করতেন। এ সময় কিশোরীর সঙ্গে তার কথাবার্তা হতো। চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি সকালে হোসেনের তৃতীয় স্ত্রী তামান্না বেগম কিশোরীকে তাদের ঘরে ডেকে নেন। পরে পরিকল্পিতভাবে কোমল পানীয়র সঙ্গে নেশাজাতীয় ওষুধ সেবন করান। পরে তাকে ধর্ষণ করে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন হোসেন।

তিনি আরও বলেন, ধর্ষণের ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে ওই কিশোরীকে টানা পাঁচ মাস ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে ঘটনাটি কিশোরী তার মাকে জানালে মান-সম্মানের ভয়ে তারা ভাড়া বাসা ছেড়ে অন্যত্র চলে যান। কিন্তু হোসেন আলী সেখানেও সন্ত্রাসীদের নিয়ে মহড়া দেন। পরে কিশোরীকে অপহরণ করে হত‍্যার হুমকি দেন।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ্ কামাল আকন্দ বলেন, গ্রেপ্তার হোসেন আলীকে ময়মনসিংহ মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। মামলার অন্য আসামিকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন:
পুকুরে মুয়াজ্জিনের হাত-পা বাঁধা মরদেহ
পানিতে ভাসছিল ২ যুবকের মরদেহ
নিজ ঘরে দম্পতির ঝুলন্ত মরদেহ
নিজ ঘরে ব্যাংক কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ
বাসায় তত্ত্বাবধায়কের হাত-পা বাঁধা মরদেহ

শেয়ার করুন

কৃষক লীগ নেতাকে বাড়ির সামনে গুলি করে হত্যা

কৃষক লীগ নেতাকে বাড়ির সামনে গুলি করে হত্যা

ফাইল ছবি

স্থানীয়দের বরাতে ওসি জানান, সোমবার ভোরে বাসা বের হলে সরওয়ারকে গুলি করে আগে থেকে ওত পেতে থাকা কয়েক যুবক। স্থানীয়রা তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

কক্সবাজারের চকরিয়ায় স্থানীয় কৃষক লীগ নেতা সরওয়ার কামালকে নিজ বাড়ির সামনে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ঘোনাপাড়া এলাকায় সোমবার সকালে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত সরওয়ার ছিলেন ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাকের মোহাম্মদ জুবায়ের।

স্থানীয়দের বরাতে ওসি জানান, সোমবার ভোরে বাসা বের হলে সরওয়ারকে লক্ষ্য করে দুই থেকে তিন রাউন্ড গুলি ছোড়ে আগে থেকে ওত পেতে থাকা কয়েক যুবক। স্থানীয়রা তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তাকে হত্যার কারণ বা এর সঙ্গে কারা জড়িত তা নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

ওসি শাকের বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন:
পুকুরে মুয়াজ্জিনের হাত-পা বাঁধা মরদেহ
পানিতে ভাসছিল ২ যুবকের মরদেহ
নিজ ঘরে দম্পতির ঝুলন্ত মরদেহ
নিজ ঘরে ব্যাংক কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ
বাসায় তত্ত্বাবধায়কের হাত-পা বাঁধা মরদেহ

শেয়ার করুন

এক দশক পর পলাতক তিন আসামি গ্রেপ্তার

এক দশক পর পলাতক তিন আসামি গ্রেপ্তার

পুলিশের অভিযানে গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার তিন আসামি। ছবি: নিউজবাংলা

ওসি রাশেদুজ্জামান জানান, ২০১১ সালে ফিরোজ ঢালীর বিরুদ্ধে দুইটি হত্যা মামলা হয়। আর তার ভাই ফজলু ঢালী বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতির মামলা হওয়ার পর দুইভাই পালিয়ে যান। একই বছর পারিবারিক বিরোধের জেরে মারামারির ঘটনায় করা মামলায় পলাতক ছিলেন সোহাগ মিয়া।

ময়মনসিংহে হত্যা, ডাকাতিসহ একাধিক মামলায় পলাতক থাকার এক দশক পর তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সোমবার ভোর রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

সোমবার দুপুরে আসামিদের ময়মনসিংহ মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে তোলা হবে বলে নিশ্চিত করেছেন পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুজ্জামান।

গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন, ফজলু ঢালী, ফিরোজ ঢালী ও সোহাগ মিয়া। তাদের মধ্যে ফজলু ও ফিরোজ আপন দুই ভাই। তাদের বাড়ি ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার বেলদিয়া গামে। আর সোহাগ একই উপজেলার পাল্টীপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

ওসি রাশেদুজ্জামান জানান, ২০১১ সালে ফিরোজ ঢালীর বিরুদ্ধে দুইটি হত্যা মামলা হয়। আর তার ভাই ফজলু ঢালী ডাকাত ছিলেন। তার বিরুদ্ধেও বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতির মামলা হওয়ার পর দুইভাই পালিয়ে যান।

ওই বছর পাল্টীপাড়া গ্রামে পারিবারিক বিরোধের জেরে মারামারির ঘটনায় প্রতিপক্ষ সোহাগের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এরপর তিনিও পালিয়ে যান।

ওসি আরও বলেন, ‘রোববার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় তারা তিনজন গাজীপুরের বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করছে। পরে অভিযান চালিয়ে ভোররাতে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।’

আরও পড়ুন:
পুকুরে মুয়াজ্জিনের হাত-পা বাঁধা মরদেহ
পানিতে ভাসছিল ২ যুবকের মরদেহ
নিজ ঘরে দম্পতির ঝুলন্ত মরদেহ
নিজ ঘরে ব্যাংক কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ
বাসায় তত্ত্বাবধায়কের হাত-পা বাঁধা মরদেহ

শেয়ার করুন

নির্বাচনি সহিংসতায় কক্সবাজারে প্রাণহানি

নির্বাচনি সহিংসতায় কক্সবাজারে প্রাণহানি

মহেশখালীর কুতুবজোম ইউনিয়ন পরিষদের একটি কেন্দ্রে নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ওসি আব্দুল হাই।

কক্সবাজারের মহেশখালীর কুতুবজোম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দুইপক্ষের সংঘর্ষে গুলিতে একজন নিহত হয়েছেন। গুলিবিদ্ধ হয়েছে তিন নারী।

কুতুবজোম ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াপাড়া এলাকায় কুতুবজোম দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। সেই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে।

নিহত ব্যক্তির নাম আবুল কালাম। তিনি স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মোশাররফ হোসেন খোকনের সমর্থক বলে জানা গেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাই।

স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, ভোট চলাকালীন ওই কেন্দ্রে নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ কামালের সমর্থকদের সঙ্গে চশমার প্রার্থী মোশাররফ হোসেনের সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়। সে সময় গুলিবিদ্ধ হন চারজন। তাদের হাসপাতালে নেয়ার সময় পথেই মৃত্যু হয় কালামের।

গুলিবিদ্ধ তিনজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

আরও পড়ুন:
পুকুরে মুয়াজ্জিনের হাত-পা বাঁধা মরদেহ
পানিতে ভাসছিল ২ যুবকের মরদেহ
নিজ ঘরে দম্পতির ঝুলন্ত মরদেহ
নিজ ঘরে ব্যাংক কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ
বাসায় তত্ত্বাবধায়কের হাত-পা বাঁধা মরদেহ

শেয়ার করুন

প্রত্যাশা ছাপিয়ে আমনের আবাদ

প্রত্যাশা ছাপিয়ে আমনের আবাদ

আবাদি জমি ছেয়ে আছে ধানের সবুজ গাছে। ছবি: নিউজবাংলা

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, অনুকূল আবহাওয়া ও সার-বীজের পর্যাপ্ত জোগানের কারণে এ বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে দুই হাজার হেক্টর বেশি জমিতে আমনের চাষ হচ্ছে।

নেত্রকোণার আবাদি জমিগুলো গত বছরও ছিল পানিতে থইথই। টানা বৃষ্টি হওয়ায় ধান চাষে খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি চাষিরা। এ বছর সেগুলো ছেয়ে আছে ধানের সবুজ গাছে। কিছু কিছু জমিতে এখনও চলছে আমনের রোপণ।

প্রত্যাশার চেয়ে আবাদ বেশি হওয়ায় এবার বাড়তি ধান ঘরে তোলার স্বপ্ন দেখছেন এ জেলার চাষিরা।

কলমাকান্দা উপজেলার কৈলাটি ইউনিয়নের কনুরা গ্রামের কৃষক মনতোষ বিশ্বশর্মা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দুই একর জমিতে রোপা আমন লাগায়াম। ৭০ ভাগ জমি লাগায়া শেষ কইরালছি। টানের জমি আগেই লাগাইছি। অহন নিচের জমি থেইক্যা পানি নাইম্যা গেছে। হেইহানে লাগাইতাছি। আবহায়াডা এইবার ভালা আছিল। গতবারের থেইক্যা ৩ কাটা জমিতে বেশি ধান লাগাইছি।’

মদনের কাইটাইল গ্রামের কৃষক আইন উদ্দিন বলেন, ‘গত দুই-তিন বছর ধইর‌্যা পানির লাইগ্যা নামার জমিতে ধান লাগাইতে পারি না। এবার জমি তেইক্যা পানি নাইম্যা গেছে তাড়াতাড়ি। তাছাড়া কৃষি অপিসের বীজ, সার পাইছি। ভালাই লাগাইতাছি। আল্লায় দেয়তো ভালাই ধান অইব।’

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, অনুকূল আবহাওয়া ও সার-বীজের পর্যাপ্ত জোগানের কারণে এ বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে দুই হাজার হেক্টর বেশি জমিতে আমনের চাষ হচ্ছে।

প্রত্যাশা ছাপিয়ে আমনের আবাদ
কিছু কিছু জমিতে এখনও চলছে আমনের রোপণ। ছবি: নিউজবাংলা

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোবারক আলী জানান, চলতি মৌসুমে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ১ লাখ ৩০ হাজার ৭৬০ হেক্টর জমি। তবে চাষ হয়েছে ১ লাখ ৩১ হাজার ১৬০ হেক্টর জমিতে।

এর মধ্যে ১ লাখ ৮ হাজার ৭৫৫ হেক্টরে উফশী জাতের, ৫ হাজার ৮৫০ হেক্টরে হাইব্রিড ও ১৬ হাজার ৫৫৫ হেক্টরে স্থানীয় জাতের ধান চাষ করা হয়েছে।

এসব জমিতে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫ লাখ ২৮ হাজার ৪১০ টন ধান।

মোবারক জানান, গত বছর ১ লাখ ২৬ হাজার ৬৭৬ হেক্টর জমিতে আমনের চাষ হয়। এতে ৫ লাখ ৫ হাজার ৫৩০ টন ধান উৎপাদিত হয়। এবার আবাদ বেশি হওয়ায় গত বছরের চেয়ে কম করে হলেও ৩১ হাজার টন বেশি ধান উৎপাদিত হতে পারে।

মোবারক আরও বলেন, এ বছর ধাপে ধাপে বৃষ্টি হওয়ায় নিচু জমি থেকে পানি দ্রুত নেমে গেছে। অতিবৃষ্টি বা বন্যা হয়নি। এতে কৃষকরা বাড়তি জমিতে আবাদ করতে পেরেছেন। তা ছাড়া সরকারিভাবে প্রণোদনাও কৃষকদের উৎসাহিত করেছে। এ কারণে ভালো ফলনের আশা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
পুকুরে মুয়াজ্জিনের হাত-পা বাঁধা মরদেহ
পানিতে ভাসছিল ২ যুবকের মরদেহ
নিজ ঘরে দম্পতির ঝুলন্ত মরদেহ
নিজ ঘরে ব্যাংক কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ
বাসায় তত্ত্বাবধায়কের হাত-পা বাঁধা মরদেহ

শেয়ার করুন