সেনাসদস্য পরিচয়ে ‘চাঁদা দাবি’, আটক এক

সেনাসদস্য পরিচয়ে ‘চাঁদা দাবি’, আটক এক

টিংকু সেনাবাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে রাস্তায় মোটরসাইকেল আটকে কাগজপত্র দেখতে চান। পরে মোটরসাইকেল মালিকের বাসায় গিয়ে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। ওই সময় বাদীর সন্দেহ হলে তিনি ডিবি পুলিশকে জানান। পরে ওই বাসা থেকেই তাকে আটক করা হয়।

মৌলভীবাজারে সেনাসদস্য পরিচয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগে একজনকে আটক করেছে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

সোমবার বিকেল ৪টার দিকে পৌর শহরের দরগা মহল্লার সালাহ্ উদ্দিন আহমদের অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়। আটক দেবাশীষ ভট্টাচার্য টিংকুর বাড়ি সিলেট সিটি করপোরেশনের আগলপাড়া গ্রামে।

ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ বদিউজ্জামান নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, টিংকু সেনাবাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে রাস্তায় মোটরসাইকেল আটকে কাগজপত্র দেখতে চান। পরে মোটরসাইকেল মালিকের বাসায় গিয়ে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। ওই সময় বাদীর সন্দেহ হলে তিনি ডিবি পুলিশকে জানান। পরে ওই বাসা থেকেই তাকে আটক করা হয়।

এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান বদিউজ্জামান।

আরও পড়ুন:
জরিমানা আদায়ের সময় ভুয়া পুলিশ আটক
বিদেশি ব্র্যান্ডের নকল ওষুধ তৈরি, আটক ৫
ব্যবসা নিয়ে বিরোধে চাপাতির কোপ, আটক ১
৯ ঘণ্টায় আটক ১৮ ছিনতাইকারী
ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা, আটক ৮

শেয়ার করুন

মন্তব্য

কিশোরী ধর্ষণ মামলায় জাপা নেতা গ্রেপ্তার

কিশোরী ধর্ষণ মামলায় জাপা নেতা গ্রেপ্তার

মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন বলেন, ধর্ষণের ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে ওই কিশোরীকে টানা পাঁচ মাস ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে ঘটনাটি কিশোরী তার মাকে জানালে মান-সম্মানের ভয়ে তারা ভাড়া বাসা ছেড়ে অন্যত্র চলে যান। কিন্তু হোসেন আলী সেখানেও সন্ত্রাসীদের নিয়ে মহড়া দেন। পরে কিশোরীকে অপহরণ করে হত‍্যার হুমকি দেন।

ময়মনসিংহে কিশোরীকে ধর্ষণ মামলায় জাতীয় পার্টির এক নেতাকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার হোসেন আলী জাতীয় পার্টির সহযোগী সংগঠন ময়মনসিংহ জেলা জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টির সভাপতি।

রোববার রাত ১২টার দিকে নগরীর কৃষ্টপুর এলাকা থেকে র‍্যাব-১৪ এর একটি দল তাকে আটক করে। পরে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের কাছে তাকে হস্তান্তর করা হয়। এর আগে র‍্যাবের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন ওই কিশোরীর বাবা।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা রোববার রাত সাড়ে ১২টার দিকে ধর্ষণ মামলা করেছেন। ওই মামলায় হোসেন আলী ও তার তৃতীয়

স্ত্রী তামান্না বেগমকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

মামলার বরাত দিয়ে তিনি বলেন, নগরীর কৃষ্টপুর এলাকায় হোসেন আলীর বাড়ি। তার বাড়ির পাশে ভাড়া থাকত কিশোরীর পরিবার। প্রতিবেশী হওয়ার সুবাদে হোসেন প্রায়ই কিশোরীর বাসায় আসা-যাওয়া করতেন। এ সময় কিশোরীর সঙ্গে তার কথাবার্তা হতো। চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি সকালে হোসেনের তৃতীয় স্ত্রী তামান্না বেগম কিশোরীকে তাদের ঘরে ডেকে নেন। পরে পরিকল্পিতভাবে কোমল পানীয়র সঙ্গে নেশাজাতীয় ওষুধ সেবন করান। পরে তাকে ধর্ষণ করে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন হোসেন।

তিনি আরও বলেন, ধর্ষণের ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে ওই কিশোরীকে টানা পাঁচ মাস ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে ঘটনাটি কিশোরী তার মাকে জানালে মান-সম্মানের ভয়ে তারা ভাড়া বাসা ছেড়ে অন্যত্র চলে যান। কিন্তু হোসেন আলী সেখানেও সন্ত্রাসীদের নিয়ে মহড়া দেন। পরে কিশোরীকে অপহরণ করে হত‍্যার হুমকি দেন।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ্ কামাল আকন্দ বলেন, গ্রেপ্তার হোসেন আলীকে ময়মনসিংহ মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। মামলার অন্য আসামিকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন:
জরিমানা আদায়ের সময় ভুয়া পুলিশ আটক
বিদেশি ব্র্যান্ডের নকল ওষুধ তৈরি, আটক ৫
ব্যবসা নিয়ে বিরোধে চাপাতির কোপ, আটক ১
৯ ঘণ্টায় আটক ১৮ ছিনতাইকারী
ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা, আটক ৮

শেয়ার করুন

কৃষক লীগ নেতাকে বাড়ির সামনে গুলি করে হত্যা

কৃষক লীগ নেতাকে বাড়ির সামনে গুলি করে হত্যা

ফাইল ছবি

স্থানীয়দের বরাতে ওসি জানান, সোমবার ভোরে বাসা বের হলে সরওয়ারকে গুলি করে আগে থেকে ওত পেতে থাকা কয়েক যুবক। স্থানীয়রা তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

কক্সবাজারের চকরিয়ায় স্থানীয় কৃষক লীগ নেতা সরওয়ার কামালকে নিজ বাড়ির সামনে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ঘোনাপাড়া এলাকায় সোমবার সকালে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত সরওয়ার ছিলেন ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাকের মোহাম্মদ জুবায়ের।

স্থানীয়দের বরাতে ওসি জানান, সোমবার ভোরে বাসা বের হলে সরওয়ারকে লক্ষ্য করে দুই থেকে তিন রাউন্ড গুলি ছোড়ে আগে থেকে ওত পেতে থাকা কয়েক যুবক। স্থানীয়রা তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তাকে হত্যার কারণ বা এর সঙ্গে কারা জড়িত তা নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

ওসি শাকের বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন:
জরিমানা আদায়ের সময় ভুয়া পুলিশ আটক
বিদেশি ব্র্যান্ডের নকল ওষুধ তৈরি, আটক ৫
ব্যবসা নিয়ে বিরোধে চাপাতির কোপ, আটক ১
৯ ঘণ্টায় আটক ১৮ ছিনতাইকারী
ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা, আটক ৮

শেয়ার করুন

এক দশক পর পলাতক তিন আসামি গ্রেপ্তার

এক দশক পর পলাতক তিন আসামি গ্রেপ্তার

পুলিশের অভিযানে গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার তিন আসামি। ছবি: নিউজবাংলা

ওসি রাশেদুজ্জামান জানান, ২০১১ সালে ফিরোজ ঢালীর বিরুদ্ধে দুইটি হত্যা মামলা হয়। আর তার ভাই ফজলু ঢালী বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতির মামলা হওয়ার পর দুইভাই পালিয়ে যান। একই বছর পারিবারিক বিরোধের জেরে মারামারির ঘটনায় করা মামলায় পলাতক ছিলেন সোহাগ মিয়া।

ময়মনসিংহে হত্যা, ডাকাতিসহ একাধিক মামলায় পলাতক থাকার এক দশক পর তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সোমবার ভোর রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

সোমবার দুপুরে আসামিদের ময়মনসিংহ মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে তোলা হবে বলে নিশ্চিত করেছেন পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুজ্জামান।

গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন, ফজলু ঢালী, ফিরোজ ঢালী ও সোহাগ মিয়া। তাদের মধ্যে ফজলু ও ফিরোজ আপন দুই ভাই। তাদের বাড়ি ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার বেলদিয়া গামে। আর সোহাগ একই উপজেলার পাল্টীপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

ওসি রাশেদুজ্জামান জানান, ২০১১ সালে ফিরোজ ঢালীর বিরুদ্ধে দুইটি হত্যা মামলা হয়। আর তার ভাই ফজলু ঢালী ডাকাত ছিলেন। তার বিরুদ্ধেও বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতির মামলা হওয়ার পর দুইভাই পালিয়ে যান।

ওই বছর পাল্টীপাড়া গ্রামে পারিবারিক বিরোধের জেরে মারামারির ঘটনায় প্রতিপক্ষ সোহাগের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এরপর তিনিও পালিয়ে যান।

ওসি আরও বলেন, ‘রোববার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় তারা তিনজন গাজীপুরের বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করছে। পরে অভিযান চালিয়ে ভোররাতে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।’

আরও পড়ুন:
জরিমানা আদায়ের সময় ভুয়া পুলিশ আটক
বিদেশি ব্র্যান্ডের নকল ওষুধ তৈরি, আটক ৫
ব্যবসা নিয়ে বিরোধে চাপাতির কোপ, আটক ১
৯ ঘণ্টায় আটক ১৮ ছিনতাইকারী
ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা, আটক ৮

শেয়ার করুন

নির্বাচনি সহিংসতায় কক্সবাজারে প্রাণহানি

নির্বাচনি সহিংসতায় কক্সবাজারে প্রাণহানি

মহেশখালীর কুতুবজোম ইউনিয়ন পরিষদের একটি কেন্দ্রে নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ওসি আব্দুল হাই।

কক্সবাজারের মহেশখালীর কুতুবজোম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দুইপক্ষের সংঘর্ষে গুলিতে একজন নিহত হয়েছেন। গুলিবিদ্ধ হয়েছে তিন নারী।

কুতুবজোম ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াপাড়া এলাকায় কুতুবজোম দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। সেই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে।

নিহত ব্যক্তির নাম আবুল কালাম। তিনি স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মোশাররফ হোসেন খোকনের সমর্থক বলে জানা গেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাই।

স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, ভোট চলাকালীন ওই কেন্দ্রে নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ কামালের সমর্থকদের সঙ্গে চশমার প্রার্থী মোশাররফ হোসেনের সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়। সে সময় গুলিবিদ্ধ হন চারজন। তাদের হাসপাতালে নেয়ার সময় পথেই মৃত্যু হয় কালামের।

গুলিবিদ্ধ তিনজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

আরও পড়ুন:
জরিমানা আদায়ের সময় ভুয়া পুলিশ আটক
বিদেশি ব্র্যান্ডের নকল ওষুধ তৈরি, আটক ৫
ব্যবসা নিয়ে বিরোধে চাপাতির কোপ, আটক ১
৯ ঘণ্টায় আটক ১৮ ছিনতাইকারী
ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা, আটক ৮

শেয়ার করুন

প্রত্যাশা ছাপিয়ে আমনের আবাদ

প্রত্যাশা ছাপিয়ে আমনের আবাদ

আবাদি জমি ছেয়ে আছে ধানের সবুজ গাছে। ছবি: নিউজবাংলা

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, অনুকূল আবহাওয়া ও সার-বীজের পর্যাপ্ত জোগানের কারণে এ বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে দুই হাজার হেক্টর বেশি জমিতে আমনের চাষ হচ্ছে।

নেত্রকোণার আবাদি জমিগুলো গত বছরও ছিল পানিতে থইথই। টানা বৃষ্টি হওয়ায় ধান চাষে খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি চাষিরা। এ বছর সেগুলো ছেয়ে আছে ধানের সবুজ গাছে। কিছু কিছু জমিতে এখনও চলছে আমনের রোপণ।

প্রত্যাশার চেয়ে আবাদ বেশি হওয়ায় এবার বাড়তি ধান ঘরে তোলার স্বপ্ন দেখছেন এ জেলার চাষিরা।

কলমাকান্দা উপজেলার কৈলাটি ইউনিয়নের কনুরা গ্রামের কৃষক মনতোষ বিশ্বশর্মা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দুই একর জমিতে রোপা আমন লাগায়াম। ৭০ ভাগ জমি লাগায়া শেষ কইরালছি। টানের জমি আগেই লাগাইছি। অহন নিচের জমি থেইক্যা পানি নাইম্যা গেছে। হেইহানে লাগাইতাছি। আবহায়াডা এইবার ভালা আছিল। গতবারের থেইক্যা ৩ কাটা জমিতে বেশি ধান লাগাইছি।’

মদনের কাইটাইল গ্রামের কৃষক আইন উদ্দিন বলেন, ‘গত দুই-তিন বছর ধইর‌্যা পানির লাইগ্যা নামার জমিতে ধান লাগাইতে পারি না। এবার জমি তেইক্যা পানি নাইম্যা গেছে তাড়াতাড়ি। তাছাড়া কৃষি অপিসের বীজ, সার পাইছি। ভালাই লাগাইতাছি। আল্লায় দেয়তো ভালাই ধান অইব।’

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, অনুকূল আবহাওয়া ও সার-বীজের পর্যাপ্ত জোগানের কারণে এ বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে দুই হাজার হেক্টর বেশি জমিতে আমনের চাষ হচ্ছে।

প্রত্যাশা ছাপিয়ে আমনের আবাদ
কিছু কিছু জমিতে এখনও চলছে আমনের রোপণ। ছবি: নিউজবাংলা

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোবারক আলী জানান, চলতি মৌসুমে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ১ লাখ ৩০ হাজার ৭৬০ হেক্টর জমি। তবে চাষ হয়েছে ১ লাখ ৩১ হাজার ১৬০ হেক্টর জমিতে।

এর মধ্যে ১ লাখ ৮ হাজার ৭৫৫ হেক্টরে উফশী জাতের, ৫ হাজার ৮৫০ হেক্টরে হাইব্রিড ও ১৬ হাজার ৫৫৫ হেক্টরে স্থানীয় জাতের ধান চাষ করা হয়েছে।

এসব জমিতে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫ লাখ ২৮ হাজার ৪১০ টন ধান।

মোবারক জানান, গত বছর ১ লাখ ২৬ হাজার ৬৭৬ হেক্টর জমিতে আমনের চাষ হয়। এতে ৫ লাখ ৫ হাজার ৫৩০ টন ধান উৎপাদিত হয়। এবার আবাদ বেশি হওয়ায় গত বছরের চেয়ে কম করে হলেও ৩১ হাজার টন বেশি ধান উৎপাদিত হতে পারে।

মোবারক আরও বলেন, এ বছর ধাপে ধাপে বৃষ্টি হওয়ায় নিচু জমি থেকে পানি দ্রুত নেমে গেছে। অতিবৃষ্টি বা বন্যা হয়নি। এতে কৃষকরা বাড়তি জমিতে আবাদ করতে পেরেছেন। তা ছাড়া সরকারিভাবে প্রণোদনাও কৃষকদের উৎসাহিত করেছে। এ কারণে ভালো ফলনের আশা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
জরিমানা আদায়ের সময় ভুয়া পুলিশ আটক
বিদেশি ব্র্যান্ডের নকল ওষুধ তৈরি, আটক ৫
ব্যবসা নিয়ে বিরোধে চাপাতির কোপ, আটক ১
৯ ঘণ্টায় আটক ১৮ ছিনতাইকারী
ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা, আটক ৮

শেয়ার করুন

বিশ্বরোডের বিষফোড়া ঝিনাইদহের ৫২ কিলোমিটার সড়ক

বিশ্বরোডের বিষফোড়া ঝিনাইদহের ৫২ কিলোমিটার সড়ক

যশোর-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া মহাসড়কের ৫২ কিলোমিটার অংশের অবস্থা বেহাল। ছবি: নিউজবাংলা

বাসযাত্রী সাধন সরকার বলেন, ‘এক বছর আগেও রাস্তা সারা (সংস্কার) হয়েছে। আগে যা ছিল, এখন আবার তা-ই হয়ে গেছে। রাস্তা খারাপের কারণে প্রায়ই অ্যাক্সিডেন্ট হয়। রাস্তা সারলি ভালো করে সারুক, না হলি আর সরকারের টাকা নষ্ট করার দরকার নেই।’

দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের সড়কপথে যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম বিশ্বরোড। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের বিষফোড়া হয়ে উঠেছে যশোর-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া মহাসড়কের ৫২ কিলোমিটার অংশ।

মোংলা নৌবন্দর ও বেনাপোল স্থলবন্দর থেকে মালপত্র প্রধানত এ পথেই উত্তরবঙ্গসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আনা-নেয়া করা হয়। তবে মহাসড়কটির অধিকাংশ স্থানে সৃষ্টি হওয়া বড় বড় গর্ত আর খানাখন্দের কারণে প্রায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ঝিনাইদহ-যশোর সড়কের পিরোজপুর, বারোবাজার, কেয়াবাগান, কালীগঞ্জ শহরের মেইন বাসস্ট্যান্ড, নিমতলা বাসস্ট্যান্ড, সদর উপজেলার বিষয়খালী, চুটলিয়া মোড়, লাউদিয়া, মুজিব চত্বর এবং ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া সড়কের আমতলা, ভাটই বাজার, দুধসর, বড়দাহ চাঁদপুর, গাড়াগঞ্জ, শেখপাড়াসহ বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত আর খানাখন্দ।

বিশ্বরোডের বিষফোড়া ঝিনাইদহের ৫২ কিলোমিটার সড়ক

এতে সড়কের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিদিনই যানজটের পাশাপাশি হচ্ছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। গর্তে পড়ে নষ্ট হচ্ছে যানবাহন। চলাচলে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন যাত্রী ও পথচারীরা।

সড়ক বিভাগ মাঝেমধ্যে খানাখন্দে ইট ও বালু ফেলে প্রাথমিক সংস্কার করলেও কয়েক দিন পরই তা আগের অবস্থায় ফিরে যাচ্ছে।

আব্দুস সবুর নামে এক ট্রাকচালক বলেন, ‘রাস্তা খুব খারাপ। রাস্তায় গাড়ি চালানো খুব কষ্ট। কুষ্টিয়াতে একদম বারোবাজার পর্যন্ত সব জায়গা ভাঙা।'

রাশেদুর রহমান নামের আরেক চালক বলেন, ‘আসলে ভাই রাস্তা যে রকম করে ভাঙছে, তাতে গাড়ি চালানো খুব কষ্ট। ভাঙার কারণে অনেক সময় গাড়ি ভেঙেচুরে পড়ে থাকে। যে কারণে রাস্তায় জ্যাম বেঁধেই থাকে।’

মশিউর রহমান বলেন, ‘ভাঙার কারণে গাড়ির পাতি ভাঙছে। খুব সমস্যা গাড়ি চালানো। দ্রুত এই রাস্তা ঠিক করুক। নইলে এই রাস্তা দিয়ে গাড়ি চালানো সম্ভব হচ্ছে না।’

বিশ্বরোডের বিষফোড়া ঝিনাইদহের ৫২ কিলোমিটার সড়ক

শৈলকুপা উপজেলার গাড়াগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা হারুন মিয়া বলেন, ‘আমি সপ্তাহে চার দিন ঝিনেদা যাই। আসা-যাওয়া যে এত কষ্ট তা বলে বোঝানো যাবে না। আর বৃষ্টি হলে তো চলাচল করা যায় না, রাস্তা এত খারাপ।’

বিল্লাল হোসেন নামের এক বাসচালক বলেন, ‘গাড়াগঞ্জ থেকে ঝিনেদা যাতি ১ ঘণ্টা সময় লাগে ভাঙা রাস্তার কারণে। রাস্তা ভালো থাকলি সুমায় লাগত ৩০ মিনিট।’

বাসযাত্রী সাধন সরকার বলেন, ‘এক বছর আগেও রাস্তা সারা (সংস্কার) হয়েছে। আগে যা ছিল, এখন আবার তা-ই হয়ে গেছে। রাস্তা খারাপের কারণে প্রায়ই অ্যাক্সিডেন্ট হয়। রাস্তা সারলি ভালো করে সারুক, না হলি আর সরকারের টাকা নষ্ট করার দরকার নেই।’

বিশ্বরোডের বিষফোড়া ঝিনাইদহের ৫২ কিলোমিটার সড়ক

ঝিনাইদহ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আনোয়ার পারভেজ জানান, ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ-যশোর সড়ক সংস্কারের জন্য মন্ত্রণালয়ে কাগজপত্র পাঠানো হয়েছে। সংস্কারের অনুমোদনও পাওয়া গেছে।

তিনি আরও জানান, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে দরপত্র আহ্বান করে দ্রুত সংস্কারকাজ শুরু করা হবে। সড়ক সংস্কার যেন সঠিকভাবে করা হয়, সে জন্য কঠোর নজরদারিও থাকবে।

আরও পড়ুন:
জরিমানা আদায়ের সময় ভুয়া পুলিশ আটক
বিদেশি ব্র্যান্ডের নকল ওষুধ তৈরি, আটক ৫
ব্যবসা নিয়ে বিরোধে চাপাতির কোপ, আটক ১
৯ ঘণ্টায় আটক ১৮ ছিনতাইকারী
ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা, আটক ৮

শেয়ার করুন

ভালো রাস্তা না থাকায় ভেঙে যাচ্ছে বিয়ে 

ভালো রাস্তা না থাকায় ভেঙে যাচ্ছে বিয়ে 

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে সেতু না থাকায় বাঁশ ও কাঠের সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে স্থানীয়দের। ছবি: নিউজবাংলা

রৌমারীর বাসিন্দা মোজাম্মেল হক বলেন, ‘যোগাযোগব্যবস্থা না থাকার কারণে আমাদের এলাকায় অনেকের বিয়েযোগ্য মেয়ের বিয়ে ভেঙে যাচ্ছে। ছেলেপক্ষ মেয়ে পছন্দ করলেও রাস্তার দুর্দশা দেখে আর সম্বন্ধ করে না। আমরা চাই সরকার প্রত্যন্ত এলাকার রাস্তাঘাট ঠিক করে দেক।’

কুড়িগ্রামের প্রত্যন্ত উপজেলা রৌমারীতে যোগাযোগব্যবস্থার অবস্থা বেহাল। রাস্তা, সেতু, কালভার্ট না থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে উত্তরের সীমান্তবর্তী এই উপজেলার মানুষকে।

সেতু না থাকায় বছরের পর বছর বাঁশ ও কাঠের সাঁকো দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে স্থানীয় লোকজনকে। উপজেলা শহরের সঙ্গে সড়কপথে যোগাযোগব্যবস্থা না থাকায় চিকিৎসাসেবা থেকেও বঞ্চিত হতে হচ্ছে। প্রায় সময় প্রসূতি ও অসুস্থ রোগীদের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে বাড়িতেই কিংবা রাস্তায়।

সড়ক না থাকায় চলে না গণপরিবহন। এ কারণে চরম ভোগান্তি নিয়েই এখানকার মানুষের বসবাস। বিদ্যালয়ে যেতে কষ্টের শিকার হতে হয় শিক্ষার্থীদেরও। যানবাহন চলাচল না করায় ধান, চাল, পাট, ভুট্টাসহ শাক-সবজির ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন কৃষক। এতে অর্থনৈতিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে উত্তরের সবশেষ এই উপজেলার মানুষ।

শুধু যোগাযোগব্যবস্থার এই অবস্থার কারণে অন্য এলাকার মানুষ একান্তই বাধ্য না হলে যেতে চান না রৌমারীতে। এমনকি এখানকার মেয়েদের বিয়ে না হওয়ার জন্যও দায়ী করা হচ্ছে এখানকার যোগাযোগব্যবস্থাকে।

ভালো রাস্তা না থাকায় ভেঙে যাচ্ছে বিয়ে

কুড়িগ্রাম সদরের সঙ্গে ব্রহ্মপুত্র নদে বিচ্ছিন্ন রৌমারী উপজেলা। এখানে প্রবাহিত রয়েছে ব্রহ্মপুত্র, জিঞ্জিরাম, হলহলিয়া, কালো, ধরনী, সোনাভরি ও জালছিড়া নদী। রয়েছে অসংখ্য জলাশয়, খাল-বিল। এসব খাল-বিলের ওপর সেতু নেই। বাঁশ ও কাঠের সাঁকোতেই তাদের ভরসা।

উপজেলা প্রশাসনের তথ্য মতে, উপজেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে কাঠ ও বাঁশের সাঁকো রয়েছে ৭৬টি। স্বাধীনতার পর থেকে দেশের অন্যান্য এলাকায় যোগাযোগব্যবস্থার ব্যাপক পরিবর্তন ঘটলেও উন্নয়ন ঘটেনি রৌমারী উপজেলার। ফলে দুর্ভোগ যেন নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে এই জনপদের মানুষের কাছে।

সরেজমিনে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, উপজেলার যাদুর চর ইউনিয়নের কর্তিমারী জিসি টু বড়াইবাড়ি বিওপি সড়কের কাশিয়াবাড়িয়া কুড়ায় একটি সেতু না থাকায় ১০ গ্রামের মানুষসহ তিনটি হাটবাজারের ব্যবসায়ীরা চরম দুর্ভোগে রয়েছেন। পারাপারের একমাত্র উপায় নৌকা। এতে পণ্য আনা-নেয়ায় কৃষকদের খরচ বেশি পড়ছে। ফলে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারছেন না প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষকরা। নারী, পুরুষ, শিশুসহ সব বয়সের মানুষকে চলাচল করতে হয় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে।

ভালো রাস্তা না থাকায় ভেঙে যাচ্ছে বিয়ে

ভাওয়াল গ্রামের প্রবীণ ওবায়দুর রহমান বলেন, ‘দেশ স্বাধীনের ৫০ বছর পার হইল, কিন্তু হামরা একটা সেতু পাইলং না। অন্য জায়গায় উন্নয়ন হইলেও হামরা এটির কোনো উন্নয়ন হয় না। আমরা যে জন্মের পর থেকে দ্যাখতাছি মানুষ এমন কষ্ট করি যাইতাছে। শুনি কাতি মাস, আগুন মাসে সেতু হবে, কিন্তু সেতু আর হয় না। আমার বয়সে এখানে সেতু দ্যাখপার পামো কি না জানি না?’

একই এলাকার বাসিন্দা মোজাম্মেল হক বলেন, ‘যোগাযোগব্যবস্থা না থাকার কারণে আমাদের এলাকায় অনেকের বিয়েযোগ্য মেয়ের বিয়ে ভেঙে যাচ্ছে। ছেলেপক্ষ মেয়ে পছন্দ করলেও রাস্তার দুর্দশা দেখে আর সম্বন্ধ করে না। আমরা চাই সরকার প্রত্যন্ত এলাকার রাস্তাঘাট ঠিক করে দেক।’

আছিরন বেগম বলেন, ‘বাবারে সেতু নাই, রাস্তা নাই, কী যে কষ্টে হামার দিন যায় ভাষায় বলা যাবে না। কিছুদিন আগেও ডেলিভারি করার জন্য একটি মহিলাকে হাসপাতাল নেবার পথে মারা গেছে। শুধু যোগাযোগব্যবস্থা না থাকায় সঠিক চিকিৎসা নিতেও পারছে না এই এলাকার মানুষ।’

দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের হরিণধরা গ্রামের বাসিন্দা এরশাদ আলী বলেন, ‘দাঁতভাঙ্গা বাজারের সাথে কাউয়ার চর, খেতার চর, ধর্মপুর, ছাটখড়িবাড়ি গ্রামের মানুষের চলাচলের রাস্তা এটি। গাড়ি-ঘোড়া চলবার পায় না। চিকন বাঁশের উপর দিয়ে মাল নিয়ে যাওয়া-আসা করা নাগে। মানুষজন পিছলি পড়ে। হাত-পা চামড়া ছিলে যায়, পানিতে পড়ে পণ্য নষ্ট হয়ে যায়।

ভালো রাস্তা না থাকায় ভেঙে যাচ্ছে বিয়ে

‘এই রাস্তা একে একে দুইবার বলে পাস হয়। হওয়ার পরে (উপরে) মন্ত্রী ওডি (উড়ে) যায়, মন্ত্রী কডি এলা ঘুতা পারে, কডি এলা যায় আল্লাহ জানে হামরা গরিব-মূর্খ মানুষ বুঝি না। এই রাস্তার কাজ আর পাস হয় না।’

রৌমারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী নাজমা আকতার বলেন, ‘দীর্ঘ করোনার ছুটি কাটিয়ে সবাই যখন আনন্দ নিয়ে স্কুলে যায়। আর আমাদের একটি সেতুর অভাবে ৪ থেকে ৫ কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে হেঁটে স্কুল যেতে হচ্ছে। এতে করে সময় নষ্ট হচ্ছে।’

রৌমারী টেকনিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ হুমায়ুন কবির বলেন, শৌলমারী কড়াকান্দা এলাকায় একটি সেতুর অভাবে প্রায় ১৫ গ্রামের মানুষ, পাঁচটি বিদ্যালয়ের প্রায় ৩ হাজার শিক্ষার্থী চরম দুর্ভোগে আছে। সেতু না থাকায় যোগাযোগব্যবস্থা একদম ভেঙে পড়েছে। প্রশাসনিক কার্যক্রমও পরিচালিত করতে পারে না উপজেলা প্রশাসন। এই দুর্ভোগ সীমাহীন হয়ে পড়েছে মানুষের জন্য।

ভালো রাস্তা না থাকায় ভেঙে যাচ্ছে বিয়ে

রৌমারী এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী যুবায়েত হোসেন বলেন, ‘বন্যাপ্রবণ এলাকা হওয়ায় এ এলাকায় ৩৭টি ছোট-বড় সেতুর প্রয়োজন। এর মধ্যে রংপুর বিভাগের অধীনে ৫৭ মিটার এবং ৪২ মিটার সেতুর টেন্ডার হয়েছে। অনূর্ধ্ব ১০০ মিটার প্রকল্পের আওতায় ৯৬ মিটার একটি সেতুর টেন্ডারও হয়েছে। এ ছাড়া জিওপি মেইনটেন্যান্স থেকে ছয়টি সেতুর তাড়াতাড়ি টেন্ডার হয়ে যাবে।’

রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল ইমরান বলেন, ‘উপজেলাতে ৭৬টি ছোট-বড় কাঠ ও বাঁশের সাঁকো রয়েছে। যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য এলজিইডি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাসহ অন্যান্য বিভাগ মিলে সমন্বয় করে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টের জন্য পরিকল্পনা করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
জরিমানা আদায়ের সময় ভুয়া পুলিশ আটক
বিদেশি ব্র্যান্ডের নকল ওষুধ তৈরি, আটক ৫
ব্যবসা নিয়ে বিরোধে চাপাতির কোপ, আটক ১
৯ ঘণ্টায় আটক ১৮ ছিনতাইকারী
ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা, আটক ৮

শেয়ার করুন