সুন্দরবনের খালে বিষ দিয়ে মাছ শিকার

সুন্দরবনের খালে বিষ দিয়ে মাছ শিকার

রোববার সকালে সলেমানকে পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের বরইতলা টহল ফাঁড়ি এলাকার উজানির ভাড়ানির খাল থেকে বিষ দিয়ে মাছ শিকারের সময় আটক করে বনবিভাগ। তবে সঙ্গে থাকা আরও দুইজনকে আটকানো যায়নি।

সুন্দরবনের একটি খালে বিষ দিয়ে মাছ শিকার করায় এক জেলেকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

বাগেরহাটের বন আদালতের এক বিচারক রোববার সলেমান ব্যাপারি নামে ওই জেলেকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন সুন্দরবনের জিউধারা স্টেশন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম।

সলেমান ব্যাপারির বাড়ি মোংলা উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নের ১নম্বর ওয়ার্ডে।

জিউধারা স্টেশন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানান, রোববার সকালে সলেমানকে পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের বরইতলা টহল ফাঁড়ি এলাকার উজানির ভাড়ানির খাল থেকে বিষ দিয়ে মাছ শিকারের সময় আটক করে বনবিভাগ।

এ সময় তার কাছ থেকে চার বোতল বিষ, পাঁচ কেজি বিষ মেশানো চিংড়ি, মাছ ধরার রোটেনন নামের বিষের প্যাকেট ও জাল জব্দ করা হয়। তবে সলেমানের সঙ্গে থাকা আরও দুই জনকে আটকানো যায়নি।

পরে ধরা পড়া সলেমান ও পালিয়ে যাওয়া সহযোগীদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা করা হয়।

আরও পড়ুন:
সাংবাদিক গ্রেপ্তারে আইনে বিচ্যুতি পেলে ব্যবস্থা: পুলিশ সদরদপ্তর
হাসপাতালের দুর্নীতি: সাংবাদিকের জামিন
হাসপাতালে দুর্নীতি: গ্রেপ্তার সাংবাদিক আদালতে
হাসপাতালে দুর্নীতি: গ্রেপ্তার সাংবাদিক হাতকড়াসহ হাসপাতালে
করোনা রোগীর খাদ্যে দুর্নীতি: প্রকাশের জেরে সাংবাদিক গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

মন্তব্য

তৈরি হচ্ছেন মৃন্ময়ী দুর্গা

তৈরি হচ্ছেন মৃন্ময়ী দুর্গা

লক্ষ্মী, গণেশ, সরস্বতী ও কার্তিককে নিয়ে স্বামী ভোলা মহেশ্বরের বাড়ি কৈলাশ থেকে মর্ত্যে বাপের বাড়ি আসবেন দশভুজা দুর্গা। সঙ্গে থাকবে তাদের প্রত্যেকের বাহন এবং মহিষাসুর।

দশভুজা দুর্গার মর্ত্যে আসতে বাকি আর ২০ দিন। মণ্ডপে মণ্ডপে চলছে দেবীর আগমনের প্রস্তুতি।

এই দেবীর পূজা সাধারণত হয় বসন্তকালে। এ কারণে তাকে বাসন্তী নামেও ডাকা হয়।

তবে সনাতন ধর্মগ্রন্থ চণ্ডীতে উল্লেখ আছে, লঙ্কা জয়ের যুদ্ধের আগে শরৎকালে দেবীর অকালবোধন করেন শ্রী রামচন্দ্র। এ সময় ১০৮ নীলপদ্ম দিয়ে দেবীকে মর্ত্যে আবাহন করে তার কৃপাদৃষ্টি লাভ করেন রাম। সেই থেকেই বাঙালি হিন্দুদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব হয়ে ওঠে শারদীয় দুর্গোৎসব।

সাধারণত আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষের ষষ্ঠ দিন অর্থাৎ ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত পালন করা হয় শারদীয় দুর্গোৎসব। এই পাঁচ দিন যথাক্রমে দুর্গা ষষ্ঠী, মহাসপ্তমী, মহাষ্টমী, মহানবমী ও বিজয়া দশমী নামে পরিচিত। এই পক্ষটিকে দেবীপক্ষ নামেও জানা যায়। পূর্ববর্তী অমাবস্যার দিন এই দেবীপক্ষের সূচনা হয়, একে মহালয়াও বলা হয়ে থাকে।

লক্ষ্মী, গণেশ, সরস্বতী ও কার্তিককে নিয়ে স্বামী ভোলা মহেশ্বরের বাড়ি কৈলাশ থেকে মর্ত্যে বাপের বাড়ি আসবেন দশভুজা দুর্গা। সঙ্গে থাকবে তাদের প্রত্যেকের বাহন এবং মহিষাসুর।

ষষ্ঠী থেকে দশমী, এই পাঁচ দিনে ফুল-বেলপাতা, ধান-দূর্বাসহ নানা উপকরণে এবং নানা আচার-উপাচার মেনে পূজিত হবেন দেবী। দশমীর দিন সিঁদুর পরিয়ে, মিষ্টি খাইয়ে, ঢাক-কাঁসর-ঘণ্টা বাজিয়ে তাকে বিদায় দেবেন ভক্তরা।

তৈরি হচ্ছেন মৃন্ময়ী দুর্গা

জেলার মণ্ডপগুলো ঘুরে দেখা যায়, শিল্পীর নিপুণ শৈলীতে বাঁশ, খড়ের কাঠামোতে মাটির আস্তরণে দেবীর অবয়ব তৈরির কাজ প্রায় শেষ। আর কিছুদিন পরেই রং-তুলির আঁচড়ে মৃন্ময়ী রূপ ফুটে উঠবে চিন্ময়ী দুর্গার।

প্রতিমা কারিগর পরান পাল বলেন, ‘২৫ বছর ধরে এই কাজ করছি। এবার ৯টা মণ্ডপের প্রতিমা তৈরির কাজ পেয়েছি। সময়মতো এসব প্রতিমা পূজা উদযাপন কমিটির কাছে হস্তান্তর করতে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছি।

‘করোনার আগে প্রতিটি প্রতিমা তৈরি করতে ৫০ হাজার টাকা পাওয়া যেত, কিন্তু চলমান পরিস্থিতির কারণে মজুরি ২৫-৩০ হাজার টাকায় নেমে এসেছে।’

হরিসভা রাধাগোবিন্দ মন্দিরে প্রতিমা তৈরি করছেন কারিগর উত্তম পাল।

তিনি বলেন, ‘বাপ-দাদার ঐতিহ্যকে ধরে রাখার জন্য এই পেশার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছি। আমার সন্তানরা অন্য পেশায় চলে গেছে। বর্তমানে জিনিসপত্রের দাম বেশি হওয়ায় আমাদের আগের মতো পোষায় না।

‘আমি এবার ১৪ খানা প্রতিমা বানানোর কাজ পেয়েছি। বাড়িতেও কিছু প্রতিমা বানিয়ে রেখেছি কম দামে রেডিমেইড বিক্রি করার জন্য।’

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া থেকে ঝালকাঠির মদনমোহন আখড়াবাড়ি মণ্ডপে প্রতিমা বানাতে এসেছেন ভাস্কর শ্রীবাস গাইন।

তিনি বলেন, ‘হাতে সময় আছে ২০ দিন। এর মধ্যে মাটির কাজ, রং, পোশাক এবং অলংকার পরানোর কাজ শেষ করে মন্দির কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিমা বুঝিয়ে দিতে হবে। তাই পাঁচজন মিলে দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছি।’

তৈরি হচ্ছেন মৃন্ময়ী দুর্গা

প্রতিমাশিল্পী সৈকত বিশ্বাস বলেন, ‘করোনায় গত বছর বাড়িতে বসা ছিলাম। এ বছর কাজ করতে পেরে আমি আনন্দিত, কারণ আমার আর্থিক জোগান হচ্ছে। আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে, করোনার টিকা নিয়েই কাজে নেমেছি।’

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের ঝালকাঠি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক তরুণ কুমার কর্মকার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতির কারণে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত রাখতে ১৬৯টি মণ্ডপেই মণ্ডপ কমিটি প্রধানদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

‘সব মণ্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজ চলায় রাতে নিরাপত্তার জন্য নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বয়ে পাহারার ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পরিবেশের মাধ্যমে এবারের শারদীয় উৎসব বর্ণিলভাবে পালন হবে বলে আশাবাদী তিনি।

তরুণ কুমার আরও বলেন, ‘পঞ্জিকা মতে এ বছর দেবী দুর্গা আসবেন গজে (হাতি), আর গমন করবেন দোলায়। এ বছর মায়ের কাছে মহামারি থেকে মুক্তির জন্য বিশেষ প্রার্থনা করা হবে।’

আরও পড়ুন:
সাংবাদিক গ্রেপ্তারে আইনে বিচ্যুতি পেলে ব্যবস্থা: পুলিশ সদরদপ্তর
হাসপাতালের দুর্নীতি: সাংবাদিকের জামিন
হাসপাতালে দুর্নীতি: গ্রেপ্তার সাংবাদিক আদালতে
হাসপাতালে দুর্নীতি: গ্রেপ্তার সাংবাদিক হাতকড়াসহ হাসপাতালে
করোনা রোগীর খাদ্যে দুর্নীতি: প্রকাশের জেরে সাংবাদিক গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

শ্রেণিকক্ষই প্রধান শিক্ষকের ‘আবাস’

শ্রেণিকক্ষই প্রধান শিক্ষকের ‘আবাস’

বরগুনার পাথরঘাটায় শ্রেণিকক্ষকেই আবাস হিসেবে ব্যবহার করছেন প্রধান শিক্ষক। ছবি: নিউজবাংলা

পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হোসাইন মোহাম্মদ আল মুজাহিদ বলেন, ‘বিষয়টি আমারও জানা নেই। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বলছি সরেজমিনে দেখে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য।’

বরগুনার পাথরঘাটার জালিয়াঘাটা এসইএসডিপি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের দুটি শ্রেণিকক্ষকে আবাসস্থল হিসেবে ব্যবহার করছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক।

তবে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার দাবি, পরিবার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষক মো. ফিরদৌস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে বসবাস করলেও বিষয়টি তার জানা নেই।

স্থানীয়দের অভিযোগ, শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তাদের মাধ্যমেই তিনি সেখানে বসবাস করছেন।

সোমবার ওই বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, তিনতলা বিদ্যালয় ভবনটির দ্বিতীয় তলায় দুটি শ্রেণিকক্ষে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বসবাস করছেন ফিরদৌস। শ্রেণিকক্ষের কয়েকটি বেঞ্চ দিয়ে খাটিয়ার মতো তৈরি করে নিয়েছেন তারা।

ছাত্রীদের ব্যবহারের টয়লেটও দখলে নিয়েছেন তারা। এ ছাড়া বঙ্গবন্ধুর ছবি সম্বলিত ব্যানার দিয়ে রান্নাঘরে ঘের দেয়া হয়েছে।

শ্রেণিকক্ষই প্রধান শিক্ষকের ‘আবাস’
বরগুনার পাথরঘাটার জালিয়াঘাটা এসইএসডিপি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের দুটি শ্রেণিকক্ষ নিয়েই থাকছেন এর প্রধান শিক্ষক

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক ফিরদৌস বলেন, ‘এটা হেডমাস্টারের স্পেশাল রুম। সরকার এটাকে করেছেই শিক্ষকরা রান্না করবে, থাকবে এই জন্য। বিদ্যালয়ে কাজ চলছে, নির্মাণ শ্রমিকদের খাওয়ানোর জন্য রান্না করতে হয়। আমি বিদ্যালয়ের অব্যহৃত কক্ষেই বসবাস করি, এটা সবাই জানে। আপনি শিক্ষা অফিসারকে জিজ্ঞাস করেন।’

একপর্যায়ে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিনিধিকে বলেন, ‘আমি এইখানে থাকি, আপনাদের সমস্যা কী? আপনারা যা পারেন করেন।’

ওই এলাকার একাধিক অভিভাবক জানান, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সাহায্য নিয়েই দীর্ঘদিন ধরে ফিরদৌস বিদ্যালয়ের কক্ষ দুটি দখল করে বসবাস করছেন। স্কুলের প্রধান শিক্ষক হওয়ায় কেউ তাকে কিছু বলার সাহস পায় না।

ওই ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘ওই প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে পরিবার নিয়ে থাকছেন। তার জন্য আসলে আলাদা করেও বাসভবনের ব্যবস্থা নেই। তবে বিষয়টি ম্যানেজিং কমিটিকে জানিয়ে অনুমতি নেয়া উচিত। আমার জানামতে, তিনি সেটি না করেই ওই কক্ষ দুটি ব্যবহার করেছেন।’

বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সাবেক সভাপতি জালাল আহমেদ বলেন, ‘বিদ্যালয়টির বর্তমানে কোনো ব্যবস্থাপনা কমিটি নেই। এডহক কমিটি দিয়েই চলছে সব ধরনের কার্যক্রম। প্রধান শিক্ষকের থাকার জন্য বিদ্যালয়ে কোনো কক্ষ বরাদ্দ দেয়া নেই। ওই শিক্ষক অনেক আগে একবার বিদ্যলয়ে বসবাস শুরু করেছিলেন। পরে আমরা তাকে নেমে যেতে বলার পর তিনি কক্ষ ছেড়েছিলেন। এরপর আবারও উঠেছেন শুনছি।’

পাথরঘাটা উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মুহাম্মদ মুনিরুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। যদি তিনি পরিবার নিয়ে স্কুলের শ্রেণিকক্ষ দখল করে বসবাস করে থাকেন তবে বিষয়টি আমরা দেখব।’

এ বিষয়ে জেলার ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘আমার জানামতে প্রধান শিক্ষক নিজস্ব বাসা নিয়ে থাকেন। শ্রেণিকক্ষ দখল করে থাকার বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে এ ব্যপারে খোঁজ নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হোসাইন মোহাম্মদ আল মুজাহিদ বলেন, ‘বিষয়টি আমারও জানা নেই। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বলছি সরেজমিনে দেখে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য।’

আরও পড়ুন:
সাংবাদিক গ্রেপ্তারে আইনে বিচ্যুতি পেলে ব্যবস্থা: পুলিশ সদরদপ্তর
হাসপাতালের দুর্নীতি: সাংবাদিকের জামিন
হাসপাতালে দুর্নীতি: গ্রেপ্তার সাংবাদিক আদালতে
হাসপাতালে দুর্নীতি: গ্রেপ্তার সাংবাদিক হাতকড়াসহ হাসপাতালে
করোনা রোগীর খাদ্যে দুর্নীতি: প্রকাশের জেরে সাংবাদিক গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

ক্লাসে টিকটক ভিডিও, অভিভাবক ডেকে সতর্ক

ক্লাসে টিকটক ভিডিও, অভিভাবক ডেকে সতর্ক

কুমিল্লায় ক্লাসরুমে টিকটক ভিডিও করায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সতর্ক করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। ছবি: সংগৃহীত

ইবনে তাইমিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোহা. শফিকুল আলম হেলাল বলেন, ‘আমাদের স্কুলের পাঁচ শিক্ষার্থী ক্লাসে টিকটক ভিডিও তৈরি করেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে সেটি। বিষয়টি নিয়ে প্রতিষ্ঠানপ্রধান হিসেবে আমি খুব বিব্রত। তবে আমরা ওই শিক্ষার্থীদের বহিষ্কার করিনি। সর্বোচ্চ সতর্ক করেছি।’

খালি ক্লাশরুম। স্কুলের পোশাকে কয়েকজন ছাত্রী, চোখে কালো চশমা। সেখানে হিন্দি গানের সঙ্গে নানান অঙ্গভঙ্গি করে তৈরি করেছেন টিকটক ভিডিও। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পরে ভিডিওটি হয়েছে ভাইরাল।

এমন টিকটক ভিডিও তৈরি করেছে কুমিল্লা নগরীর টমসমব্রিজ এলাকার ইবনে তাইমিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের একদল শিক্ষার্থী।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নজরে আসলে হতবাক স্কুল কর্তৃপক্ষ।

টিকটক ভিডিও তৈরি করা পাঁচ ছাত্রী এসএসসি পরীক্ষার্থী।

ভাইরাল ভিডিওটি আবার অনেকেই শেয়ার করে লিখেছেন, ভিডিও করা পাঁচ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিতে গেলে ইবনে তাইমিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোহা. শফিকুল আলম হেলাল বলেন, ‘আমাদের স্কুলের পাঁচ শিক্ষার্থী ক্লাসে টিকটক ভিডিও তৈরি করেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে সেটি। বিষয়টি নিয়ে প্রতিষ্ঠানপ্রধান হিসেবে আমি খুব বিব্রত। তবে আমরা ওই শিক্ষার্থীদের বহিষ্কার করিনি। সর্বোচ্চ সতর্ক করেছি।’

তিনি বলেন, ‘রোববার ওই পাঁচ শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের ডেকে এনেছি। আমরা অভিভাবকদের সতর্ক করেছি। শিক্ষার্থীদেরও সতর্ক করেছি।

‘অভিভাবকরা জানিয়েছে, আবার এমন কাজ করলে স্কুল কর্তৃপক্ষ যে কোনো কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে।’

আরও পড়ুন:
সাংবাদিক গ্রেপ্তারে আইনে বিচ্যুতি পেলে ব্যবস্থা: পুলিশ সদরদপ্তর
হাসপাতালের দুর্নীতি: সাংবাদিকের জামিন
হাসপাতালে দুর্নীতি: গ্রেপ্তার সাংবাদিক আদালতে
হাসপাতালে দুর্নীতি: গ্রেপ্তার সাংবাদিক হাতকড়াসহ হাসপাতালে
করোনা রোগীর খাদ্যে দুর্নীতি: প্রকাশের জেরে সাংবাদিক গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

স্বর্ণের দোকানে ডাকাতি: গ্রেপ্তার ৮, উদ্ধার ৬৯ ভরি

স্বর্ণের দোকানে ডাকাতি: গ্রেপ্তার ৮, উদ্ধার ৬৯ ভরি

মুন্সিগঞ্জ সদরের চিতলিয়া বাজারে স্বর্ণের দোকানে ডাকাতির মামলায় গ্রেপ্তার ৮ জন। ছবি: নিউজবাংলা

পুলিশ সুপার আব্দুল মোমেন জানান, জেলা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের যৌথ দল চার জেলায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় ৬৯ ভরি স্বর্ণ ও ১৫ হাজার টাকা। জব্দ হয় ম্যাগজিনসহ একটি পিস্তল, ৪ রাউন্ড শটগানের গুলি, একটি চাপাতি ও ডাকাতিতে ব্যবহৃত একটি স্পিডবোট।

মুন্সিগঞ্জ সদরের চিতলিয়া বাজারে স্বর্ণের দোকানে ডাকাতির মামলায় গ্রেপ্তার ৮ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সোমবার বেলা ৩টার দিকে মুন্সিগঞ্জের ১ নম্বর আমলী আদালতে তোলা হলে, বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

যাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে তারা হলেন, ডাকাত দলের প্রধান সাব্বির ওরফে হাতকাটা স্বপন, আরিফ হাওলাদার, মোহাম্মদ আলী, বিল্লাল মোল্লা, আনোয়ার হোসেন, ফারুক খান, আফজাল হোসেন ও আক্তার হোসেন। তাদের বাড়ি শরীয়তপুর, চাঁদপুর ও মাদারীপুর জেলায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিদ্দিকুর রহমান।

জেলা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের যৌথ অভিযানে রোববার মুন্সিগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও ঢাকা থেকে ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ সময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় খোয়া যাওয়া স্বর্ণের ৬৯ ভরি।

জব্দ করা হয় ম্যাগজিনসহ একটি পিস্তল, ৪ রাউন্ড শটগানের গুলি, একটি চাপাতি ও ডাকাতিতে ব্যবহৃত একটি স্পিডবোট।

স্বর্ণের দোকানে ডাকাতি: গ্রেপ্তার ৮, উদ্ধার ৬৯ ভরি
অভিযানে উদ্ধার হওয়া স্বর্ণ ও অস্ত্র। ছবি: নিউজবাংলা

মুন্সিগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সোমবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার আব্দুল মোমেন।

তিনি জানান, জেলা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের যৌথ দল চার জেলায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় ৬৯ ভরি স্বর্ণ ও ১৫ হাজার টাকা। জব্দ হয় ম্যাগজিনসহ একটি পিস্তল, ৪ রাউন্ড শটগানের গুলি, একটি চাপাতি ও ডাকাতিতে ব্যবহৃত একটি স্পিডবোট।

স্বর্ণের দোকানে ডাকাতি: গ্রেপ্তার ৮, উদ্ধার ৬৯ ভরি
সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন পুলিশ সুপার আব্দুল মোমেন। ছবি: নিউজবাংলা

১৫ সেপ্টেম্বর রাত আড়াইটার দিকে মুন্সিগঞ্জের চিতলিয়া বাজারের দুটি স্বর্ণের দোকানে ডাকাতি হয়। দোকান মালিকদের দাবি, আনুমানিক ১০০ ভরি স্বর্ণ ও ৪০ লাখ টাকা ডাকাতি হয়েছে।

এ ঘটনায় ১৬ সেপ্টেম্বর ক্ষতিগ্রস্থ এক দোকানের মালিক রিপন বণিক মুন্সিগঞ্জ থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ১৮ থেকে ২০ জনের নামে মামলা করেন।

আরও পড়ুন:
সাংবাদিক গ্রেপ্তারে আইনে বিচ্যুতি পেলে ব্যবস্থা: পুলিশ সদরদপ্তর
হাসপাতালের দুর্নীতি: সাংবাদিকের জামিন
হাসপাতালে দুর্নীতি: গ্রেপ্তার সাংবাদিক আদালতে
হাসপাতালে দুর্নীতি: গ্রেপ্তার সাংবাদিক হাতকড়াসহ হাসপাতালে
করোনা রোগীর খাদ্যে দুর্নীতি: প্রকাশের জেরে সাংবাদিক গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

৪৮ ঘণ্টায় রেফার কন্টেইনারের পণ্য খালাসের নির্দেশ

৪৮ ঘণ্টায়  রেফার কন্টেইনারের পণ্য খালাসের নির্দেশ

চট্টগ্রাম বন্দর। ছবি: নিউজবাংলা

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, নৌ ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (রেফার) কন্টেইনার সংকটে পণ্য রপ্তানি ব্যাহত হওয়ায় পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে চিঠি দিয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইয়ার্ডে থাকা রেফার কন্টেইনার পণ্য নামিয়ে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বেসরকারি কন্টেইনার ডিপোতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পণ্য নামিয়ে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (রেফার) কন্টেইনার বেসরকারি ডিপােতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর।

বন্দর কর্তৃপক্ষ সোমবার এক চিঠিতে সব আমদানিকারককে এ নির্দেশনা দেয়।

রেফার কন্টেইনার সংকটের কারণে দেশ থেকে মাছ-মাংস রপ্তানি ব্যাহত হচ্ছে। পর্যাপ্ত রেফার কন্টেইনার না থাকায় বিপাকে পড়েছেন বাংলাদেশি রপ্তানিকারকরা। পরিস্থিতি উত্তরণে বাণিজ্য ও নৌ মন্ত্রণালয় চট্টগ্রাম বন্দরকে পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়ে চিঠি দেয়।

চট্টগ্রাম বন্দর পরিচালক (পরিবহন) এনামুল করিম বলেন, ‘নৌ ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কন্টেইনার সংকটে পণ্য রপ্তানি ব্যাহত হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে পরিস্থিতি উত্তরণে চিঠি দিয়েছে। এরপরই আমরা ইয়ার্ডে থাকা রেফার কন্টেইনার পণ্য নামিয়ে ৪৮ ঘণ্টায় বেসরকারি কন্টেইনার ডিপোতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছি। আশা করি এক সপ্তাহের মধ্যে সুফল মিলবে।’

আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ছিদ্দিক ট্রেডার্সের মালিক ওমর ফারুক বলেন, ‘বন্দর কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা পেয়েছি। তবে সবক্ষেত্রে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে রেফার কন্টেইনার থেকে পণ্য খালি করা সম্ভব নয়। আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত খালাসের।’

বন্দর সূত্র জানায়, রেফার কন্টেইনারে সামুদ্রিক মাছ, মাংস, ফলমূল আমদানি হয়। জাহাজে সেই কন্টেইনার চট্টগ্রাম বন্দরের নির্দিষ্ট ইয়ার্ডে রাখার সময় থেকে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে হয়। আমদানিকারক তার সুবিধামতো কন্টেইনার চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ছাড় নেয়ায় ইয়ার্ডে জট লেগে যায়।

বেসরকারি ডিপােতে খালি রেফার কন্টেইনারে মাছ, ফলমুল, শাক-সবজিসহ বিভিন্ন পণ্য ভর্তি করে বন্দরে নিয়ে জাহাজীকরণ করা হয়।

আরও পড়ুন:
সাংবাদিক গ্রেপ্তারে আইনে বিচ্যুতি পেলে ব্যবস্থা: পুলিশ সদরদপ্তর
হাসপাতালের দুর্নীতি: সাংবাদিকের জামিন
হাসপাতালে দুর্নীতি: গ্রেপ্তার সাংবাদিক আদালতে
হাসপাতালে দুর্নীতি: গ্রেপ্তার সাংবাদিক হাতকড়াসহ হাসপাতালে
করোনা রোগীর খাদ্যে দুর্নীতি: প্রকাশের জেরে সাংবাদিক গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

ঋণ খেলাপ: ইলিয়াছ ব্রাদার্সের এমডির বিরুদ্ধে পরোয়ানা

ঋণ খেলাপ: ইলিয়াছ ব্রাদার্সের এমডির বিরুদ্ধে পরোয়ানা

গ্রেপ্তারের আদেশ পাওয়া অন্যরা হলেন মোহাম্মদ ইলিয়াছ ব্রাদার্স লিমিটেড কোম্পানি ও এডিবল ওয়েল রিফাইনারি ইউনিট-২ এর চেয়ারম্যান নুরুল আবছার, পরিচালক নুরুল আলম, কামরুন নাহার বেগম ও তাহমিনা বেগম।

১৮৩ কোটি টাকা ঋণ খেলাপি মামলায় মেসার্স ইলিয়াছ ব্রাদার্স (এমইবি) গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শামসুল আলমসহ ৫ পরিচালককে গ্রেপ্তারের আদেশ দিয়েছে আদালত।

সোমবার দুপুর ২টার দিকে চট্টগ্রাম অর্থঋণ আদালতের বিচারক মুজাহিদুর রহমান এ আদেশ দেন।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি নেতা শামসুল আলম সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী ছিলেন।

গ্রেপ্তারের আদেশ পাওয়া অন্যরা হলেন মোহাম্মদ ইলিয়াছ ব্রাদার্স লিমিটেড কোম্পানি ও এডিবল ওয়েল রিফাইনারি ইউনিট-২ এর চেয়ারম্যান নুরুল আবছার, পরিচালক নুরুল আলম, কামরুন নাহার বেগম ও তাহমিনা বেগম।

ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড খাতুনগঞ্জ শাখার করা মামলায় এ আদেশ দেয়া হয়।

তাদের বিরুদ্ধে ১৮৩ কোটি ৩ লাখ টাকা ঋণ খেলাপির অভিযোগে মামলা করে ব্যাংকটি।

চট্টগ্রাম অর্থঋণ আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চট্টগ্রাম অর্থঋণ আদালতে এমইবি গ্রুপের কাছ থেকে ঋণ আদায়ের আবেদন করে।
এমইবির এখন এক ডজন ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকার ঋণ আছে। প্রায় সব ঋণ এখন খেলাপি।

আরও পড়ুন:
সাংবাদিক গ্রেপ্তারে আইনে বিচ্যুতি পেলে ব্যবস্থা: পুলিশ সদরদপ্তর
হাসপাতালের দুর্নীতি: সাংবাদিকের জামিন
হাসপাতালে দুর্নীতি: গ্রেপ্তার সাংবাদিক আদালতে
হাসপাতালে দুর্নীতি: গ্রেপ্তার সাংবাদিক হাতকড়াসহ হাসপাতালে
করোনা রোগীর খাদ্যে দুর্নীতি: প্রকাশের জেরে সাংবাদিক গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

দেবীগঞ্জে নৌকার পরাজয়

দেবীগঞ্জে নৌকার পরাজয়

রেল ইঞ্জিন প্রতীকে ২ হাজার ৯৮১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আবু বক্কর আবু।

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আবু বক্কর আবু।

রেল ইঞ্জিন প্রতীকে ২ হাজার ৯৮১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী পেয়েছেন ২ হাজার ২৪৭ ভোট। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি।

এক হাজার ৩৯৮ ভোট পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে আওয়ামী লীগের আরেক বিদ্রোহী প্রার্থী আসাদুজ্জামান আসাদ। ক্যারাম বোর্ড প্রতীকে লড়েছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রত্যয় হাসান সোমবার রাত ৮টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, দেবীগঞ্জ পৌর এলাকার ৯ ওয়ার্ডে মোট ভোটার ১০ হাজার ৯১৪ জন। এবারের নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৮ হাজার ৫৯৮টি।

২০১৪ সালে দেবীগঞ্জ উপজেলার দেবীগঞ্জ সদর ইউনিয়ন ও দেবীডুবা ইউনিয়নের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত হয় দেবীগঞ্জ পৌরসভা।

আরও পড়ুন:
সাংবাদিক গ্রেপ্তারে আইনে বিচ্যুতি পেলে ব্যবস্থা: পুলিশ সদরদপ্তর
হাসপাতালের দুর্নীতি: সাংবাদিকের জামিন
হাসপাতালে দুর্নীতি: গ্রেপ্তার সাংবাদিক আদালতে
হাসপাতালে দুর্নীতি: গ্রেপ্তার সাংবাদিক হাতকড়াসহ হাসপাতালে
করোনা রোগীর খাদ্যে দুর্নীতি: প্রকাশের জেরে সাংবাদিক গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন