কোপায় জয় আর্জেন্টিনার, নোয়াখালীতে বিতরণ সেভেন আপ

কোপায় জয় আর্জেন্টিনার, নোয়াখালীতে বিতরণ সেভেন আপ

নোয়াখালীর বিভিন্ন স্থানে সেভেন আপ বিতরণ করেছেন কোপা আমেরিকার ফাইনালে ব্রাজিলকে হারানো আর্জেন্টিনার সমর্থকরা। ছবি: সংগৃহীত

কোপা আমেরিকার ফাইনালে ব্রাজিলকে হারিয়ে ২৮ বছর পর কোনো আন্তর্জাতিক শিরোপা জিতল আর্জেন্টিনা। এই খুশিতে আর্জেন্টিনার সমর্থকেরা নোয়াখালীর বিভিন্ন স্থানে আনন্দ মিছিলসহ কোমল পানীয় সেভেন আপ বিতরণ করেছে।

কোপা আমেরিকার ফাইনালে ব্রাজিলকে হারানোয় আনন্দ মিছিলসহ কোমল পানীয় সেভেন আপ বিতরণ করেছেন নোয়াখালীর আর্জেন্টিনা সমর্থকরা।

সদর উপজেলার উত্তর ওয়াপদা এলাকায় রোববার সকালে এমন দৃশ্য দেখা যায়।

আকাশি-সাদা জার্সির পক্ষের লোকজন করোনার বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে নেমে আসেন রাস্তায়। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই আনন্দ মিছিল শেষ করে বাড়ি ফিরে যায় তারা।

আর্জেন্টিনা সমর্থক হারুন খান নিউজবাংলা বলেন, ‘ফাইনাল ম্যাচ শুরু হওয়ার আগে যারা নিজেদের চ্যাম্পিয়ন ভাবা শুরু করছিল তাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আর্জেন্টিনার এই অর্জনে আমরা সকলেই খুশি। আর্জেন্টিনা ফুটবল দলকে অভিনন্দন।’

সেভেন আপ (কোমল পানীয়) বিতরণের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা আনন্দ ভাগাভাগি করে নিয়েছি। সেভেন আপ খেলে এই আনন্দ ভাগাভাগিটা সুন্দর হয়।’

এ ছাড়াও জেলার কোম্পানীগঞ্জসহ বিভিন্ন উপজেলায় ছোট ছোট আনন্দ মিছিল হয়েছে। মাইজদী শহরে প্রশাসনের কড়াকড়ি আর করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেশি হওয়ায় সড়কে সমর্থকদের উপস্থিতি খুব একটা ছিল না।

কোপা আমেরিকার ফাইনালে ব্রাজিলকে হারিয়ে ২৮ বছর পর কোনো আন্তর্জাতিক শিরোপা জিতল আর্জেন্টিনা। মেসিও পেলেন প্রথম আন্তর্জাতিক শিরোপা।

আনহেল দি মারিয়ার করা একমাত্র গোলে কোপা আমেরিকার ফাইনালে লিড নেয় লিওনেল মেসির দল। আর এই এক গোলই নির্ধারণ করে দেয় ম্যাচের ফলাফল।

এর আগে ২০১৫ ও ২০১৬ সালে কোপা আমেরিকার টানা দুটি টুর্নামেন্টে আর্জেন্টিনা ফাইনালে গিয়েও হেরে যায়। শেষ পর্যন্ত সেই কোপা আমেরিকা দিয়েই প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক ট্রফি জয়ের স্বাদ পেলেন বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসি।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ভারতের হাতেই সাফের শিরোপা

ভারতের হাতেই সাফের শিরোপা

গোলের পর ভারতের উদযাপন। ফাইল ছবি

নেপালকে ৩-০ গোলে হারিয়ে অষ্টমবারের মতো শিরোপা জিতল ভারত। এর আগে ভারত শিরোপা জিতেছে ১৯৯৩, ১৯৯৭, ১৯৯৯, ২০০৫, ২০০৯, ২০১১ ও ২০১৫ সালে।

প্রথমবারের মতো সাফের শিরোপা হাতছানি দিচ্ছিল নেপালকে। কিন্তু তাদের ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে সেই স্বপ্ন ভেঙে দিল ভারত।

শনিবার রাতে সাফের ফাইনালে নেপালকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে অষ্টমবারের মতো শিরোপা ঘরে তুলে নেয় ভারত।

২০১৮ সাফের ফাইনালে মালদ্বীপের কাছে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করে ভারত। তিন বছর পর সেটি পুনরুদ্ধার করল তারা।

চলতি বছরের সাফের আসরে প্রথমবারের মতো ফাইনালে ওঠে নেপাল। ম্যাচের শুরু থেকে তারা খেলছিল দুর্দান্ত ছন্দে। আক্রমণ পাল্টা আক্রমণে প্রথমার্ধ শেষ হলেও গোলের দেখা পায়নি কোনো দলই।

নেপালের প্রথম শিরোপা জয়ের স্বপ্নে ম্যাচের ৪৯তম মিনিটে বাঁধ সাধেন সুনিল ছেত্রি। দুর্দান্ত এক গোলে লিড এনে দেন সাত বারের চ্যাম্পিয়নদের।

এই গোল করে আন্তর্জাতিক গোলসংখ্যায় সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসিকে ছুঁয়ে ফেলেন ছেত্রি। মেসি ও ছেত্রি দুইজনেরই আন্তর্জাতিক গোল এখন ৮০টি।

এক মিনিট পরই ব্যবধান বাড়ান সুরেশ সিং। আর অতিরিক্ত সময়ের প্রথম মিনিটেই নেপালের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দিয়ে দলকে বড় জয় এনে দেন আবদুল সামাদ।

ম্যাচে ৬৫ শতাংশ বল নিজেদের দখলে রেখেছিল ভারত। নেপালের গোলপোস্টে নিয়েছে ১৯টি শট। যার ৮টি ছিল জাল বরাবর। অন্যদিকে ভারতের পোস্টে ৮টি শট নিয়েছে নেপাল।

সাফের শুরুতে যেই ভারতকে আটকে দিয়েছিল বাংলাদেশ, সেই ভারতের হাতেই উঠলো সাফের শিরোপা।

এর আগে ভারত শিরোপা জিতেছে ১৯৯৩, ১৯৯৭, ১৯৯৯, ২০০৫, ২০০৯, ২০১১ ও ২০১৫ সালে।

শেয়ার করুন

বীর মুক্তিযোদ্ধা দাদার জন্য দেশের হয়ে খেলতে চান ইউসুফ

বীর মুক্তিযোদ্ধা দাদার জন্য দেশের হয়ে খেলতে চান ইউসুফ

ট্রায়ালে লাল-সবুজ জার্সিতে ইউসুফ হক। ছবি: নিউজবাংলা

কোচ মারুফুল হকের অধীনে ট্রায়ালে আছেন ইউসুফ জুলকারনাইন হক। দেশকে নিয়ে স্বপ্ন, প্রত্যাশা আর ট্রায়াল অভিজ্ঞতার কথা ইউসুফ বলেছেন নিউজবাংলার সঙ্গে।

লাল-সবুজ জার্সিতে খেলার স্বপ্ন নিয়ে ইংল্যান্ড থেকে বাংলাদেশে ছুঁটে এসেছেন প্রবাসী ফুটবলার ইউসুফ জুলকারনাইন হক। কোচ মারুফুল হকের অধীনে ট্রায়ালে আছেন এই স্ট্রাইকার।

দেশকে নিয়ে স্বপ্ন, প্রত্যাশা আর ট্রায়াল অভিজ্ঞতার কথা ইউসুফ জানিয়েছেন নিউজবাংলাকে। দেশের ফুটবলে নতুন সেনসেশন ইউসুফের সঙ্গে সাক্ষাৎকারের চুম্বক তুলে ধরা হলো নিউজবাংলার পাঠকদের জন্য।

বাংলাদেশে এসে এবার অভিজ্ঞতা কেমন হচ্ছে?

১০ বছর পর দেশে এসেছি। ভালো লাগছে। আমি এই দেশকে ভালবাসি। দেশের জন্য খেলার সুযোগ পেয়ে এখন পর্যন্ত বেশ ভালই লাগছে।

যুব দলের জন্য যখন প্রথম যখন ডাক পান তখন কেমন অনুভূতি ছিল?

প্রথমেই আমার দাদার কথা মনে হয়েছে। উনাকে আমি গত বছর হারিয়েছি। উনি দেশের জন্য যুদ্ধ করেছিলেন। আমিও দেশের হয়ে খেলতে চাই।

দাদা মুক্তিযোদ্ধা, আপনি জাতীয় দলের হয়ে খেলতে এসেছেন সবমিলে বিষয়টা আপনার পরিবারের জন্য কতখানি আবেগের?

আমি আব্বুর সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি বলেছেন, দাদু বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন। তিনি সবসময় দেশের মানুষদের কথা বলতেন। আমি শুনে সরাসরি বলেছি, দাদুর জন্য বাংলাদেশের জার্সি গায়ে দিয়ে খেলতে চাই।

আরও আগেই আসতে পারতেন। দেরি হওয়ার কারণ কী ছিল?

হ্যাঁ তা হয়তো পারতাম। তবে পাসপোর্ট ইস্যু ছিল। সবকিছু হাতে পেয়ে আসার ব্যাপার ছিল।

বাংলাদেশের ফুটবল ভক্তরা স্ট্রাইকার হিসেবে আপনাকে জাতীয় দলে দেখতে চায়। তার প্রথম ধাপ হিসেবে আপনি অনূর্ধ্ব ২৩ দলে ডাক পেয়েছেন। কেমন লাগছে?

আমি খুশি। জাতীয় দল হোক অথবা বয়সভিত্তিক দল হোক, বাংলাদেশের হয়ে খেলাটাই আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমি খুশি বাংলাদেশে আসতে পেরেছি। এই জার্সিটা পড়তে পারছি। হাসতে পারছি। আমি অনেক খুশি।

খেলার প্রসঙ্গে আসি। ট্রায়াল কেমন যাচ্ছে?

সামান্য চাপ কাজ করছে। তবে চাপ নিয়ে কাজ করতে আমি ভালোবাসি। কারণ এটা আপনাকে আরও পরিশ্রম করতে সাহায্য করবে। এই দেশের গরম, আবহাওয়া একটু ভিন্ন। তবে আমি কিছু মনে করছি না। আমি খেলতে ভালোবাসি।

বাংলাদেশে আপনার প্রিয় খেলোয়াড় কে?

এটা বলা আমার জন্য কিছুটা কঠিন, কেননা সবার খেলা এক ধরনের নয়। জামাল ভূঁইয়ার খেলা আমার খুব ভালো লাগে। তিনি দলকে যেভাবে লিড দেন ভালো লাগে। তিনি অনেক দক্ষ খেলোয়াড়। খুব গুরুত্বপূর্ণ একজন ফুটবলার।

আপনি তো অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার অথবা লেফট উইঙ্গার পজিশনে খেলেন। ট্রায়ালে দেরি করে অংশ নেয়ার ফলে পজিশন, দল ও কন্ডিশনের সাথে মানিয়ে নিতে পারাটা কেমন ছিল?

এটা কঠিন। পুরো দল বেশ কিছুদিন ধরেই অনুশীলন করছে এখানে। অবশ্যই আপনাকে এসে তাদের পর্যায়ে যেতে হবে। আশা করছি দ্রুত মানিয়ে নিব। পুরো দল আমাকে সাহায্য করছে। ক্যাম্পেও যেন আমি সহজ হতে পারি সে জন্য সবাই সাহায্য করেছেন।

আপনার রুমমেট কে?

জামিল।

আপনার কোচ মারুফুল হকের সাথে আপনার কথা হয়েছে ব্যক্তিগতভাবে?

হ্যাঁ। দেশে আসার আগে থেকেই তার সঙ্গে আমার কথা হচ্ছে। তিনি বলেছেন, আমরা একসাথে কাজ করার জন্য ‍মুখিয়ে আছি। আমি কখন আসছি সে বিষয়ে জানতে চেয়েছিলেন। এখন এসেছি। তিনি আমাকে দেশের হয়ে সেরাটা খেলাতে আমরা কাজ করছি।

আপনার কোচ আলাদা করে কোনো পরামর্শ দিয়েছে?

তিনি সবসময়ই আমাকে পরামর্শ দিচ্ছেন। তার বলার পদ্ধতি আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে। আমি যেখানে ভুল করছি সেখানে তিনি কথা শোনাচ্ছেন না। বলছেন, ‘আবার যাও। আমি চাই না তুমি বলো যে আমি তোমার আত্মবিশ্বাস শেষ করে দিয়েছি। আমি তাকে পছন্দ করেছি অনেক’।

আপনার সবথেকে বড় শক্তি আপনার ড্রিবলিং ও ড্রিবলিং থেকে গোলে শট নেয়া। কিন্তু আমাদের দেশের ফুটবলাররা ফিজিক্যালি খেলতে পছন্দ করেন। এই ব্যাপারটি আপনি কিভাবে দেখছেন?

আমি যখন ফিজিক্যালি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারব না তখন আমাকে স্মার্ট হতে হবে। যদি ইচ্ছা থাকে তাহলে উপায় থাকবে। সুতরাং তারা ফিজিক্যাল খেললে আমি বুদ্ধি দিয়ে খেলব।

ফুটবলে এখন আপনার আইডল কে?

নেইমার। সে আমার স্বপ্নের ফুটবলার।

তাহলে আপনি নেইমার থেকে অনুপ্রাণিত?

তার খেলার কৌশলে আমি মুগ্ধ। তাছাড়া রোনালডোও আমাকে অনুপ্রাণিত করেন। কারণ তার মানসিকতা ও তিনি কঠোর পরিশ্রম করেন।

আপনি তো ইংলিশ জায়ান্ট চেলসির ট্রায়ালে গিয়েছেন। কেমন ছিল সেই গল্পটা?

আমি চেলসিতে যাই ট্রায়াল দিতে। যখন আমি ছোট ছিলাম ইপসউইচ এফসি আমার সঙ্গে চুক্তি করতে চাওয়ার পর আমি তাদের সঙ্গে খেলতে রাজি হই।

নিজেকে আগামী ৫ বছর পর কোথায় দেখতে চান?

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলতে চাই। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে খেলতে চাই।

আপনি তো ইংল্যান্ডে খেলেছেন, ওই জায়গার ফুটবল থেকে এসে এখানে কীভাবে মানিয়ে নিচ্ছেন?

ভিন্ন দুইটা ধরন। বাংলাদেশে কাউন্টার অ্যাটাক ফুটবল খেলে। আমি এই ধরনের খেলা পছন্দ করি। ইংল্যান্ডে সব ধরনের খেলাই হয়। স্কিল, স্পিড, স্ট্যামিনা সব। বাংলাদেশে ফিজিক্যাল, স্পিড এসব। আমি এই স্টাইলের সঙ্গে মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছি। যদি সুযোগ পাই তাহলে ভবিষ্যতে ট্রফি উপহার দিতে চাই।

বাংলাদেশের ফুটবলে মাঠে বল পেতে হলে অনেক জোরে ডাকতে হয়। এক্ষেত্রে কিছুটা কমতি দেখছেন নিজের?

বল পেতে হলে আমাকেও ডাকতে হবে। চেষ্টা করছি এভাবে ডাকতে। ট্রেনিং শেষে এগুলো নিয়ে কাজ হয়। এটা নিয়ে প্রথম কাজ করছি।

চূড়ান্ত দলে সুযোগ পাওয়া ব্যাপারে কতটা আশাবাদী?

আমার সেরাটা দিতে চাই। বাকিটা আল্লাহর উপরে ছেড়ে দিতে চাই। তিনি যদি চান আমি বাংলাদেশের হয়ে খেলি আমি খেলব।

শেয়ার করুন

বাংলাদেশের যুব দল থেকে ছিটকে গেলেন ৪ ফুটবলার

বাংলাদেশের যুব দল থেকে ছিটকে গেলেন ৪ ফুটবলার

ছবি: সংগৃহীত

দলের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সদস্য নিউজবাংলাকে জানান, পাসপোর্ট জটিলতায় বাদ পড়েন নিহাত জামান উচ্ছ্বাস। দলে যোগ দেননি জাফর ইকবাল। বাদ পড়েছেন ফাহিম মোর্শেদ ও ইনজুরিতে ছিটকে গেছে আমির হাকিম বাপ্পি।

এএফসি অনূর্ধ্ব-২৩ এশিয়ান কাপ সামনে রেখে চলমান বাংলাদেশের ক্যাম্প থেকে ছিটকে গেলেন চার ফুটবলার। তারা হলেন নিহাত জামাল উচ্ছ্বাস, ফাহিম মোর্শেদ, জাফর ইকবাল ও আমির হাকিম বাপ্পি।

দলীয় সূত্রে বিষয়টি জানা গেছে।

দলের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সদস্য নিউজবাংলাকে জানান, পাসপোর্ট জটিলতায় বাদ পড়েন নিহাত জামান উচ্ছ্বাস। দলে যোগ দেননি জাফর ইকবাল। বাদ পড়েছেন ফাহিম মোর্শেদ ও ইনজুরিতে ছিটকে গেছে আমির হাকিম বাপ্পি।

এদের চার জনই জাতীয় বয়সভিত্তিক দলে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

বাপ্পি আর জাফর গত বিপিএল আসরে খেলেছেন মোহামেডানের জার্সিতে। ফাহিম খেলেছেন বসুন্ধরায় ও উচ্ছ্বাস আরামবাগের হয়ে। ওই আসরে সেরা উদীয়মান ফুটবলার নির্বাচিত হন উচ্ছ্বাস।

গত আড়াই সপ্তাহধরে অনূর্ধ্ব-২৩ এশিয়ান কাপ সামনে রেখে অনুশীলন করছে যুব দল। মারুফুল হকের নেতৃত্বে এই দলে সম্প্রতি যোগ দিয়েছেন ইংল্যান্ড প্রবাসী বাংলাদেশি ফুটবলার ইউসুফ ‍জুলকারনাইন হক।

সাফে জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন তারিক কাজীসহ নয়জন যোগ দেবেন এই দলে।

চূড়ান্ত দল এই সপ্তাহের মধ্যেই প্রকাশ করা হবে বলে জানায় বাফুফে।

২৫ অক্টোবর থেকে মাঠে গড়াতে যাচ্ছে এএফসি অনূর্ধ্ব ২৩ এশিয়ান কাপের বাছাইপর্ব। কুয়েতে অনুষ্ঠিত হবে বাছাইপর্বের ম্যাচগুলো। বাছাইপর্বে বাংলাদেশ লড়বে সৌদি আরব, উজবেকিস্তান ও স্বাগতিক কুয়েতের বিপক্ষে।

বাছাইপর্বে অংশ নিতে ২১ অক্টোবর দেশ ছাড়বে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা।

শেয়ার করুন

দর্শক মেসি-নেইমারদের জয় উপহার দিলেন এমবাপেরা

দর্শক মেসি-নেইমারদের জয় উপহার দিলেন এমবাপেরা

গোলের পর উদযাপনে এমবাপেরা। ছবি: এএফপি

এক গোলে পিছিয়ে থেকে ঘরের মাঠে দারুণ প্রত্যাবর্তনে জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি)। পার্ক দে প্রিন্সেসে অঁজিকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছে এমবাপেরা। 

বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব খেলে প্যারিসে ফিরেছেন মেসি-নেইমাররা। তবে লিগের ম্যাচে থাকতে হয়েছে দর্শক হয়ে। এমন ম্যাচে এক গোলে পিছিয়ে থেকে ঘরের মাঠে দারুণ প্রত্যাবর্তনে জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি)।

ঘরের মাঠ পার্ক দে প্রিন্সেসে অঁজিকে ২-১ গোলে হারিয়েছে এমবাপেরা।

জাতীয় দলের হয়ে লাতিন আমেরিকার বিশ্বকাপ বাছাইয়ে ব্যস্ত থাকায় এই ম্যাচে দর্শক হয়ে ছিলেন পিএসজির সুপারস্টার লিওনেল মেসি, আনহেল দি মারিয়া, লিয়ান্দ্রো পারেদেস, নেইমার ও মারকিনিয়োস।

লিগ ওয়ানের ম্যাচে তাই গ্যালারিতে বসে ম্যাচ উপভোগ করা ছাড়া কোনো উপায় ছিল না তাদের।

তবে অর্ধশক্তির দলটা যে ভুগতে পারে সেটা বুঝতে পারা গেছে ম্যাচে।

অঁজির বিপক্ষে প্রথমার্ধে হোঁচট খেয়ে বসে পিএসজি। বিরতির ১০ মিনিট আগে সোফিয়ানে বাউফালের দুর্দান্ত নিচু ক্রসে ট্যাপ ইন করে গোল করে দলকে লিড এনে দেন অঁজির আনহেলো ফুলগিনি।

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের রং পাল্টেছে। কিলিয়ান এমবাপের অ্যাসিস্ট থেকে হেডে পিএসজিকে সমতায় ফেরান দানিলো পেরেইরা।

সমতার স্বস্তির পর ম্যাচের একেবারে অন্তিম মুহূর্তে পেনাল্টিতে আরও বড় স্বস্তি ফিরিয়ে দেয় মরিসিও পচেত্তিনোর দলকে।

গোল করে গেল ইউয়েফা নেশনস লিগ ফাইনালের মতো এ ম্যাচেরও নায়ক বনে যান এমবাপে।

শেষ পর্যন্ত জয়ের হাসি নিয়ে মাঠ ছাড়ে পিএসজি।

শেয়ার করুন

নেইমার, রাফিনিয়ার নৈপুণ্যে বড় জয় ব্রাজিলের

নেইমার, রাফিনিয়ার নৈপুণ্যে বড় জয়  ব্রাজিলের

ব্রাজিলকে লিড এনে দেয়ার পর উচ্ছ্বসিত নেইমার। ছবি: টুইটার

উরুগুয়েকে ৪-১ গোলে হারিয়ে জয়ের ধারায় ফিরেছে সেলেকাওরা। নেইমারের পা থেকে এসেছে এক গোল। জোড়া গোল করেন রাফিনিয়া। এক গোল এসেছে গাব্রিয়েল বারবোসার পা থেকে। উরুগুয়ের পক্ষে এক গোল শোধ করেন লুইস সুয়ারেস।

দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের (কনমেবোল) বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে ৯ ম্যাচে ৯ জয়ের পর কলম্বিয়ার বিপক্ষে পয়েন্ট খোয়ায় ব্রাজিল। সেই ধাক্কা সামাল দিতে বেশি সময় লাগেনি পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।

অক্টোবর পর্বের শেষ ম্যাচে উরুগুয়েকে ৪-১ গোলে হারিয়ে জয়ের ধারায় ফিরেছে সেলেকাওরা। এর সঙ্গে ধরে রেখেছে কনমেবোল অঞ্চলের শীর্ষস্থান।

পুরো ম্যাচে অনবদ্য খেলা নেইমারের পা থেকে এসেছে এক গোল। জোড়া গোল করেন রাফিনিয়া। এক গোল এসেছে গাব্রিয়েল বারবোসার পা থেকে। উরুগুয়ের পক্ষে এক গোল শোধ করেন লুইস সুয়ারেস।

ব্রাজিলের মানাউসে অনুষ্ঠিত ম্যাচে উরুগুয়েকে শুরু থেকে চেপে ধরে স্বাগতিক দল। গোল পেতে খুব বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি ব্রাজিলের।

১০ মিনিটে উরুগুয়ের ডিফেন্সকে বোকা বানিয়ে বক্সে বল ছাড়েন ফ্রেড। ভেতরে থাকা নেইমার বল পেয়ে দুই ডিফেন্ডারকে ডজ দিয়ে ফাঁকি দেন উরুগুয়ে গোলকিপার ফার্নান্দো মুসলেরাকে। ১-০ গোলে এগিয়ে যায় ব্রাজিল।

উরুগুয়ে ধাতস্থ হওয়ার আগে আবারও গোল করে কোপা আমেরিকার ফাইনালিস্টরা। ১৭ মিনিটে বক্সে বিপজ্জনকভাবে বল নিয়ে ঢুকে যান নেইমার। তার শট মুসলেরা ফিরিয়ে দিলেও রিবাউন্ডে বল পেয়ে লিড বাড়িয়ে নেন রাফিনিয়া।

শুরুর ২০ মিনিটে জোড়া গোল পেয়ে যাওয়ায় অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠে ব্রাজিল। বল পজেশনে রেখে একের পর এক আক্রমণে ব্যস্ত রাখে উরুগুয়ের ডিফেন্সকে।

এর ফাঁকে রদ্রিগো বেন্তাকুর সুযোগ পান উরুগুয়েকে ম্যাচে ফেরানোর, কিন্তু বক্সে কিনারা থেকে নেয়া জোরালো শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি ইউভেন্তাসে খেলা এই মিডফিল্ডার।

বিরতির আগে পেনাল্টি বক্স থেকে করা নেইমারের ভলি ঠেকিয়ে দেন মুসলেরা; নিরাপদে রাখেন উরুগুয়েকে। ২-০ গোলে এগিয়ে থেকেই প্রথমার্ধ শেষ করে ব্রাজিল।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ম্যাচে ফিরে আসার মোক্ষম সুযোগ পায় উরুগুয়ে। ফেদেরিকো ভালভের্দের পাস থেকে ৫৬ মিনিটে বল জালে জড়ান এদিনসন কাভানি।

অফসাইডের দোষে সে গোল বাতিল করে দেন রেফারি। অন্য প্রান্তে কাউন্টার অ্যাটাক থেকে পরের মিনিটে গোল আদায় করে নেয় ব্রাজিল।

গাব্রিয়েল জেসুসের লম্বা পাস মাঠের বাঁ প্রান্তে পেয়ে যান নেইমার। বক্সের দিকে কয়েক পা এগিয়ে বল ছাড়েন রাফিনিয়ার উদ্দেশে।

পাশে থাকা দুজন ডিফেন্ডারকে পাত্তা না দিয়ে চমৎকার প্লেসিং শটে ম্যাচভাগ্য নিশ্চিত করে দেন রাফিনিয়া। ৩-০ গোলে এগিয়ে যায় ব্রাজিল।

২০ মিনিট পর উরুগুয়ের হয়ে এক গোল শোধ করেন লুইস সুয়ারেস। ফ্রি-কিক থেকে পাওয়া বলে শট নিয়ে ব্যবধান কমান অভিজ্ঞ এই স্ট্রাইকার।

ম্যাচের ৮৩ মিনিটে শেষ গোলটি হজম করে উরুগুয়ে। অ্যান্টনির কাছ থেকে আবারও বক্সের বাম দিকে বল পেয়ে যান নেইমার।

ফার পোস্টে ফাঁকা থাকা গাব্রিয়েল বারবোসার উদ্দেশে ক্রস ছাড়েন বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফুটবলার। বারবোসা হেড করে লক্ষ্যভেদ করেন। সঙ্গে সঙ্গে গোলের বৈধতা দেননি রেফারি।

ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্টের সাহায্য নিয়ে, বারবোসা অফসাইড নেই নিশ্চিত হওয়ার পর গোলের স্বীকৃতি দেন তিনি।

৪-১ গোলের দারুণ জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ব্রাজিল। এ জয়ে ১১ ম্যাচে ৩১ পয়েন্ট নিয়ে দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলে শীর্ষেই থাকল ব্রাজিল। তাদের চেয়ে ছয় পয়েন্ট পিছিয়ে দুইয়ে আছে আর্জেন্টিনা।

ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে ব্যস্ত থাকায় দলের অন্যতম দুই তারকা নেইমার ও মার্কিনিয়োস যোগ দিতে পারেননি প্যারিস সেইন্ট জার্মেইয়ের (পিএসজি) সঙ্গে। ফলে পিএসজির হয়ে ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ানে অঁজির বিপক্ষে ম্যাচ মিস করছেন এ দুজন।

শেয়ার করুন

লাউতারোর গোলে পেরুকে হারাল আর্জেন্টিনা

লাউতারোর গোলে পেরুকে হারাল আর্জেন্টিনা

পেরুর বিপক্ষে জয়সূচক গোল করার পর আর্জেন্টিনার লাউতারো মার্তিনেসের (ডানে) উদ্‌যাপন। ছবি: টুইটার

উরুগুয়েকে ৩-০ গোলে হারানোর পর তৃতীয় ম্যাচেও জয় তুলে নিয়েছে লিওনেল মেসির দল। নিজ মাঠে পেরুকে ১-০ গোলে হারায় আর্জেন্টিনা। ম্যাচের একমাত্র গোলটি আসে লাউতারো মার্তিনেসের পা থেকে।

অক্টোবরের বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব ড্রয়ে শুরু হয় আর্জেন্টিনার। প্যারাগুয়ের বিপক্ষে অ্যাওয়ে ম্যাচে গোলশূন্য ড্র করে কোপা আমেরিকা চ্যাম্পিয়নরা।

পরের ম্যাচে উরুগুয়েকে ৩-০ গোলে হারানোর পর তৃতীয় ম্যাচেও জয় তুলে নিয়েছে লিওনেল মেসির দল।

নিজ মাঠে পেরুকে ১-০ গোলে হারায় আর্জেন্টিনা। ম্যাচের একমাত্র গোলটি আসে লাউতারো মার্তিনেসের পা থেকে।

উরুগুয়েকে যে মাঠে ধরাশায়ী করে আর্জেন্টিনা, বুয়েনোস আইরেসের সেই মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে শুক্রবার আক্রমণাত্মকভাবে শুরু করে তারা।

বরাবরের মতো দলের চালিকাশক্তি ছিলেন বিশ্বসেরা লিওনেল মেসি। নবম মিনিটে তার ফ্রি-কিক থেকে হেড করে বল জালে জড়ান ক্রিস্টিয়ান রোমেরো।

অফসাইডের কারণে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্টের সাহায্য নিয়ে রেফারি গোল বাতিল করে দিলে লিড নেয়া হয়নি আর্জেন্টিনার।

হতাশ না হয়ে আর্জেন্টিনা আক্রমণ বজায় রাখে। পেরুর ডিফেন্ডাররা ফাউল করা শুরু করেন দি পল-মেসিদের রুখতে।

আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড লাইনও পেরুর শক্ত ডিফেন্স ভাঙতে পারছিল না। মেসি ড্রিবল করে বক্সের কাছাকাছি চলে গিয়েছিলেন ২০ মিনিটের সময়। তাকে ফাউল করে থামায় পেরুভিয়ান ডিফেন্স।

কাঙ্ক্ষিত গোল আসে প্রথমার্ধের একেবারে শেষ মুহূর্তে। ডান প্রান্ত দিয়ে চমৎকার ক্রস ছাড়েন নাউয়েল মলিনা।

বক্সে দাঁড়িয়ে থাকা লাউতারো মার্তিনেস লাফিয়ে উঠে জোরালো হেডে বল জালে জড়ান। ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা।

দ্বিতীয়ার্ধে সমতা ফেরানোর দারুণ সুযোগ পায় পেরু। ৬২ মিনিটে বক্সের ভেতর পেরুর ফরোয়ার্ড হেফারসন ফারফারনকে ফাউল করেন আর্জেন্টিনার গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্তিনেস।

রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দিলে স্পট থেকে লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি ফারাফান। তার শট বারে লেগে প্রতিহত হয়।

আর্জেন্টিনাও অন্য প্রান্তে সুযোগ তৈরি করতে থাকে। ৭০ মিনিটে ফ্রি-কিক পোস্টের বাইরে মারেন লিওনেল মেসি।

আর ম্যাচের ৮৮ মিনিটে আরেকটি গোল বাতিল হয় আর্জেন্টিনার। বদলি হিসেবে নামা গিদো রদ্রিগেস হেড করে বল জালে জড়ান।

তার আগে পেরুর ডিফেন্ডার আলেক্সান্ডার কাজেনসকে ফাউল করেন তিনি। এ কারণে রেফারি গোল বাতিল করে দেন।

শেষ পর্যন্ত ওই এক গোলের ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আর্জেন্টিনা।

এ জয়ে দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলে দ্বিতীয় স্থানে থেকে অক্টোবর পর্ব শেষ করল আলবিসেলেস্তে। ১১ ম্যাচে তাদের সংগ্রহ ২৫ পয়েন্ট। শীর্ষে থাকা ব্রাজিলের চেয়ে তারা পিছিয়ে ছয় পয়েন্টে।

আর্জেন্টিনার হয়ে খেলার কারণে জাতীয় দলের তিন তারকা মেসি, আনহেল দি মারিয়া ও লিয়ান্দ্রো পারেদেস প্যারিস সেইন্ট জার্মেইয়ের (পিএসজি) হয়ে শুক্রবার রাতের ম্যাচ খেলতে পারছেন না।

ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ানের ম্যাচে শুক্রবার রাত একটায় অঁজির বিপক্ষে মাঠে নামছে পিএসজি। লিগ ওয়ানের ম্যাচে খেলতে না পারলেও মঙ্গলবার রাতে চ্যাম্পিয়নস লিগে লাইপসিগের বিপক্ষে খেলবেন তিন আর্জেন্টাইন।

শেয়ার করুন

পেদ্রিকে কিনতে বার্সাকে দিতে হবে ১ হাজার কোটি

পেদ্রিকে কিনতে বার্সাকে দিতে হবে ১ হাজার কোটি

বার্সেলোনার জার্সিতে পেদ্রি। ছবি: এএফপি

পেদ্রির রিলিজ ক্লজ রাখা হয়েছে এক বিলিয়ন ইউরোর বেশি। টাকার হিসেবে পেদ্রির দাম দাঁড়ায় এক হাজার কোটি টাকারও বেশি। এর মানে হলো- পেদ্রিকে বার্সা থেকে নিজের দলে নিতে খসাতে হবে এই বিশাল অংকের অর্থ!

তরুণ মিডফিল্ডার পেদ্রি গনসালেসের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করেছে বার্সেলোনা। ২০২৬ সাল পর্যন্ত এই স্প্যানিশ ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত করেছে লা লিগার জায়ান্টরা। পেদ্রির রিলিজ ক্লজ রাখা হয়েছে এক বিলিয়ন ইউরোর বেশি।

টাকার হিসেবে পেদ্রির দাম দাঁড়ায় এক হাজার কোটি টাকারও বেশি। এর মানে হলো- পেদ্রিকে বার্সা থেকে নিজের দলে নিতে খসাতে হবে এই বিশাল অংকের অর্থ!

বৃহস্পতিবার চুক্তির বিষয়টি ঘোষণা করে স্পেনের ক্লাব বার্সেলোনা।

২০২০ সালে যোগ দিয়ে বার্সার অন্যতম মূল্যবান ফুটবলারে পরিণত হয়েছেন ১৮ বছর বয়সী এই ফুটবলার। স্পেনের দ্বিতীয় স্তরের দল লাস পালমাস থেকে পাঁচ মিলিয়ন ইউরোতে পেদ্রিকে দলে ভেড়ায় বার্সা।

অভিষিক্ত মৌসুমে ৫৩টি ম্যাচে বার্সার জার্সিতে খেলেছেন পেদ্রি যা ক্লাবের অন্য ফুটবলারদের থেকে বেশি। এসময় ক্লাবটি কোপা দেলরে জেতে।

বার্সার হয়ে খেলার পাশাপাশি জাতীয় দল স্পেনের হয়ে গত ইউরো কাপে সেমি ফাইনাল খেলেছেন পেদ্রি। খেলেছেন অলিম্পিকও। ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের কারণে তিনি জায়গা করে নেন ইউয়েফার সেরা একাদশে ও পুরস্কৃত হোন সেরা উদীয়মান খেলোয়াড় হিসেবে।

বার্সার হয়ে খেলার পর, ইউরোতে সেমির পাশাপাশি অলিম্পিকেও তার অংশগ্রহণের সময় দল রৌপ্য পদক জেতে। ওই মৌসুমে সব মিলিয়ে ৭৪টি ম্যাচ খেলেন পেদ্রি। ইউরোপের কোনো খেলোয়াড় হিসেবে মৌসুমে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা ফুটবলার তিনি।

শুক্রবার পেদ্রির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক চুক্তির কার্যক্রম সারবেন বার্সেলোনার সভাপতি হুয়ান লাপোর্তা।

শেয়ার করুন