বিষপান করে হাসপাতালে ‘ব্রাজিল সমর্থক’

বিষপান করে হাসপাতালে ‘ব্রাজিল সমর্থক’

প্রতিবেশী কফিল উদ্দিন জানান, কামাল ব্রাজিলের কট্টর সমর্থক। রোববার সকালে কোপা আমেরিকার ফাইনাল খেলায় আর্জেন্টিনার কাছে এক গোলে হেরে যায় ব্রাজিল। এতে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। একপর্যায়ে করেন বিষপান।

কক্সবাজারের রামুতে বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করা যুবককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় লোকজন জানান, ওই যুবক ব্রাজিল ফুটবল দলের সমর্থক। কোপা আমেরিকার ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনার কাছে দলটির পরাজয়ের পর তিনি বিষপান করেন।

ওই যুবকের নাম মো. কামাল। তিনি রামুর চাকমারকুল ইউনিয়নের উত্তর চাকমারকুল গ্রামের বাসিন্দা।

প্রতিবেশী কফিল উদ্দিন জানান, কামাল ব্রাজিলের কট্টর সমর্থক। রোববার সকালে কোপা আমেরিকার ফাইনাল খেলায় আর্জেন্টিনার কাছে এক গোলে হেরে যায় ব্রাজিল। এতে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। একপর্যায়ে করেন বিষপান। বাড়ির লোকজন তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় প্রথমে রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়।

রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা এফাজুল হক বিষপানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, কামালকে হাসপাতালে আনা হলে প্রাথমিকভাবে তার পাকস্থলি পরিষ্কার করা হয়। পরে তাকে দ্রুত সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে কামালের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা মন্তব্য করতে রাজি হননি।

আরও পড়ুন:
আর্জেন্টিনার জয়ের পর শান্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
টুর্নামেন্টে সেরা মেসি, ফাইনালে সেরা দি মারিয়া
অবশেষে তিনি ‘আর্জেন্টিনার মেসি’
দি মারিয়ার গোলে মেসির হাতে শিরোপা
ফাইনালের মহাযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বৃষ্টিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে তীব্র যানজট

বৃষ্টিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে তীব্র যানজট

জলাবদ্ধতার কারণে যানবাহন স্বাভাবিক গতিতে চলতে না পারায় মহাসড়কে দেখা দিয়েছে যানজট। ছবি: নিউজবাংলা

‘লকডাউনে মহাসড়ক ফাঁকা থাকার কথা, কিন্তু বৃষ্টির কারণে মহাসড়কে তীব্র যানজটে আটকা পড়ে টঙ্গী স্টেশন রোড পার হতেই সময় লেগেছে দেড় ঘণ্টা।’

গাজীপুরে এক ঘণ্টার বৃষ্টিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে যানবাহন স্বাভাবিক গতিতে চলতে না পারায় মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে দেখা দিয়েছে যানজট। চরম দুর্ভোগে পড়েছে এ সড়কে চলাচলকারীরা।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত মুষলধারে বৃষ্টিতে নগরীর অধিকাংশ সড়ক পানিতে তলিয়ে যায়। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী থেকে গাজীপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন জায়গায় পানি জমে থাকতে দেখা গেছে।

এর মধ্যে গাজীপুরের টঙ্গী স্টেশন রোড এলাকায় টঙ্গী পূর্ব থানার সামনে এবং শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালের সামনের সড়ক তলিয়ে যায়। এ ছাড়া নগরীর চেরাগআলি, বোর্ডবাজার, বাসন সড়ক, কোনাবাড়ির আমবাগ, গাছা, পূবাইল, টঙ্গীর মাছিমপুর, শিলমুন, দত্তপাড়া, দেওড়াসহ অর্ধশতাধিক এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।

জলাবদ্ধতার জন্য মহাসড়কে অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থাকে দায়ী করেছে নগরবাসী।

মহাসড়কে পানি জমায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় গাজীপুরমুখী মহাসড়কের টঙ্গী বাজার থেকে কলেজ গেট পর্যন্ত। এ ছাড়া বড়বাড়ি, বাসন সড়কেও ধীরে চলছে যানবাহন।

মহাসড়কের অপর পাশে ঢাকামুখী লেনের বড়বাড়ি থেকে স্টেশন রোড পর্যন্ত রয়েছে তীব্র যানজট। এ ছাড়া টঙ্গী-কালিগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের স্টেশন রোড থেকে মিরের বাজার ও বাইপাস সড়কের ভোগরা থেকে কাঞ্চনব্রিজ পর্যন্ত যানবাহনের দীর্ঘ সারি রয়েছে।

সন্ধ্যা ৭টায় চান্দনা চৌরাস্তা থেকে টঙ্গীর উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন পোশাক শ্রমিক মাহমুদ হাসান। লকডাউনে গণপরিবহন না থাকায় অটোরিকশায় রওনা হন তিনি। মহাসড়কে যানজটে আটকা পড়ে টঙ্গীতে পৌঁছান রাত সাড়ে ১০টায়।

গাজীপুরা এলাকা থেকে মোটরসাইকেলে করে উত্তরার উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন আব্দুর রহমান। বৃষ্টির কারণে মহাসড়কে মোটরসাইকেল বন্ধ করে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকতে হয়েছে তাকে।

তিনি বলেন, ‘লকডাউনে মহাসড়ক ফাঁকা থাকার কথা, কিন্তু বৃষ্টির কারণে মহাসড়কে তীব্র যানজটে আটকা পড়ে টঙ্গী স্টেশন রোড পার হতেই সময় লেগেছে দেড় ঘণ্টা।’

বেসরকারি চাকরিজীবী খোকন জানান, রাজধানীর খিলক্ষেত থেকে রাত ৮টায় রওনা তিনি হন। ভেঙে ভেঙে রিকশা ও খোলা পিকআপে টঙ্গী আসতে তার সময় লেগেছে দুই ঘণ্টার বেশি। আব্দুল্লাহপুর থেকে স্টেশন রোড আসতেই সময় লেগেছে এক ঘণ্টা।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (ট্রাফিক) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘লকডাউনে গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও মহাসড়কে পণ্যবাহী গাড়ি, প্রাইভেটকার ও অটোরিকশা চলছে। সেই সঙ্গে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিমানবন্দর থেকে চান্দনা চৌরাস্তা পর্যন্ত বিআরটি প্রকল্পের কাজ চলমান।

‘এ কারণে বৃষ্টিতে সড়কের এই অংশে বিভিন্ন জায়গায় খানাখন্দে পানি জমে যানবাহনে ধীর গতি দেখা দিয়েছে। ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা কাজ করছেন। খুব দ্রুত যান চলাচল স্বাভাবিক হবে।’

আরও পড়ুন:
আর্জেন্টিনার জয়ের পর শান্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
টুর্নামেন্টে সেরা মেসি, ফাইনালে সেরা দি মারিয়া
অবশেষে তিনি ‘আর্জেন্টিনার মেসি’
দি মারিয়ার গোলে মেসির হাতে শিরোপা
ফাইনালের মহাযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা

শেয়ার করুন

শিশু নোহার আত্মহত্যা, শিক্ষকের বিরুদ্ধে চার্জশিট

শিশু নোহার আত্মহত্যা, শিক্ষকের বিরুদ্ধে চার্জশিট

নুশরাত জাহান নোহা। ফাইল ছবি

আগৈলঝাড়া থানার ওসি জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান প্রায় এক বছর তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছেন। চার্জশিটে নোহার স্কুলের শ্রেণি শিক্ষক উজিরপুর উপজেলার সাতলা গ্রামের শফিকুল ইসলাম সুমন পাইককে নোহার আত্মহত্যায় প্ররোচনায় অভিযুক্ত করা হয়েছে।

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় শিশু শিক্ষার্থী নুশরাত জাহান নোহার আত্মহত্যার ঘটনায় মামলায় দারুল ফালাহ প্রি-ক্যাডেট একাডেমির শিক্ষক শফিকুল ইসলাম সুমন পাইকের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা আগৈলঝাড়া থানার এসআই মনিরুজ্জামান।

পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে শিক্ষকের বেত্রাঘাত ও প্ররোচনায় আত্মহত্যা করে দারুল ফালাহ প্রি-ক্যাডেট একাডেমির তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী নুশরাত।

অভিযোগপত্রে শিক্ষক শফিকুলকে একমাত্র আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম ছরোয়ার জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান প্রায় এক বছর তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট দেন।

চার্জশিটে নোহার স্কুলের শ্রেণি শিক্ষক উজিরপুর উপজেলার সাতলা গ্রামের শফিকুল ইসলাম সুমন পাইককে নোহার আত্মহত্যায় প্ররোচনায় অভিযুক্ত করা হয়েছে।

২০২০ সালের ৫ সেপ্টেম্বর নোহা নিজ বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। সে ওই উপজেলার খাজুরিয়া গ্রামের সুমন মিয়ার মেয়ে এবং দারুল ফালাহ প্রি-ক্যাডেট একাডেমির তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী ছিল। এ ঘটনায় শিক্ষক সুমন পাইককে অভিযুক্ত করে মামলা করেন তার বাবা।

পুলিশ জানায়, ২০২০ সালের ৫ সেপ্টেম্বর করোনার মধ্যে সরকারের আইন অমান্য করে নোহার স্কুলের মাসিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। শ্রেণি কক্ষে পরীক্ষার ফল ঘোষণা হয় ৯ সেপ্টেম্বর। ওই পরীক্ষার ফলে নোহা ৩০ নম্বর পেয়ে অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষক শফিকুল নোহাসহ কয়েকজন শিক্ষার্থীকে ক্লাশ রুমে গালিগালাজ করে এলোপাতাড়ি বেত্রাঘাতে আহত করেন।

শিক্ষকের মারধর ও গালমন্দ সইতে না পেরে নোহা স্কুল থেকে বাড়ি গিয়ে ঘরের দোতলায় আড়ায় নিজের ওড়নার সঙ্গে গামছা জোড়া লাগিয়ে গলায় ফাঁস দেয়। নোহাকে তার বাবা উদ্ধার করে তাৎক্ষণিক পয়সা আদর্শ জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে নোহার বাবা সুমন মিয়া স্কুল শিক্ষক শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ১০ সেপ্টেম্বর আগৈলঝাড়া থানায় মামলা করেন। মামলা পরেই আত্মগোপনে চলে যান অভিযুক্ত শিক্ষক শফিকুল।

নোহার স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন ১২ সেপ্টেম্বর পরিচালনা কমিটির এক জরুরি সভায় শফিকুলকে চাকরি থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

একই বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর শিশু নোহাকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগ এনে তার মা তানিয়া বেগম আদালতে একটি মামলা করেছিলেন। যেখানে নোহার বাবা ও বাদীর সাবেক স্বামী সুমন মিয়া, নোহার সৎ মা ঝুমুর জামান এবং সুমনের বোন লিপি বেগমকে আসামি করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন:
আর্জেন্টিনার জয়ের পর শান্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
টুর্নামেন্টে সেরা মেসি, ফাইনালে সেরা দি মারিয়া
অবশেষে তিনি ‘আর্জেন্টিনার মেসি’
দি মারিয়ার গোলে মেসির হাতে শিরোপা
ফাইনালের মহাযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা

শেয়ার করুন

দুই মাসেই ভেঙে পড়া সেতু সংস্কার হয়নি ১ বছরেও

দুই মাসেই ভেঙে পড়া সেতু সংস্কার হয়নি ১ বছরেও

মুন্সিগঞ্জের হাসাইল নগরজোয়ার খালের উপর নির্মিত সেতুটি ভেঙে পড়ে দুই মাসেই। ছবি: নিউজবাংলা

এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রশাসনের সুদৃষ্টির অভাব আর অবহেলার কারণকেই এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সেতুটি সংস্কার করা যেমন হয়নি, নতুন সেতু নির্মাণেও নেয়া হয়নি কোনো উদ্যোগ।

মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলায় হাসাইল নগরজোয়ার খালের ওপর ২০২০ সালে নির্মিত সেতুটি দুই মাস না যেতেই পানির স্রোতে হেলে পড়েছিল। ৩২ লাখ টাকার সেতুটি এর এক বছরের বেশি সময়েও সংস্কার করতে পারেনি প্রশাসন।

সেতু ভেঙে পড়ায় স্থানীয় হাসাইল চরাঞ্চলের ১৫টি ও শরীয়তপুরের চরাঞ্চলের পাঁচ গ্রামের বাসিন্দাদের উপজেলার সদরে যাতায়াতের প্রধান সড়কই হয়ে পড়েছে বিচ্ছিন্ন। প্রতিদিনের ও জরুরি প্রয়োজনে এখন হাজার হাজার মানুষকে পোহাতে হচ্ছে দুর্ভোগ।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রশাসনের সুদৃষ্টির অভাব আর অবহেলার কারণকেই এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সেতুটি সংস্কার করা যেমন হয়নি, নতুন সেতু নির্মাণেও নেয়া হয়নি কোনো উদ্যোগ।

তারা জানান, গত বছরের এপ্রিলে সেতুটি নির্মাণে উপজেলার নগজোয়ার, পাচঁনখোলা, মান্দ্রা, আটিগাঁও, ডাইনগাঁও, হাসাইল, বানারীসহ ১৫ গ্রাম এবং শরিয়তপুরের নওপাড়া, জয়বাংলা, চিডারচর, বাবুরচর, ভানাদেশ গ্রামের মানুষের চলাচল সুগম হয়।

তবে নির্মাণের দুই মাস না যেতেই দেখা দেয় বিপত্তি। জুনে বর্ষার পানির স্রোতে ভেঙে এক পাশে হেলে পড়ে সেতুটি। ভেঙে যায় সেতুর অ্যাপ্রোচ সড়কও। এখন পুরোপুরিই সংস্কারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে ভাঙা সেতুটি হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের পথের কাঁটা।

দুই মাসেই ভেঙে পড়া সেতু সংস্কার হয়নি ১ বছরেও

স্থানীয় বাসিন্দা শেখ রাসেল ফখরুদ্দিন জানান, শুষ্ক মৌসুমে এলাকাবাসী পাশের জমি দিয়ে হেঁটে গন্তব্যে যেতে পারলেও বর্ষা মৌসুমে পড়েছে চরম দুর্ভোগে। সেতু ভেঙে যাওয়ায় প্রধান সড়কেও যান চলছে না। বিচ্ছিন্ন সড়কের এক পাশ থেকে অন্য পাশে যেতে হচ্ছে নৌকায়। গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া।

আরেক বাসিন্দা জানান, সেতু ভেঙে যাওয়ায় বন্ধ হয়ে গেছে স্থানীয় ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেলে চলাচল। এতে বেকার হয়ে পড়েছে অর্ধশতাধিক মোটরসাইকেলচালক। তাদের কষ্টে দিন পার করতে হচ্ছে।

কহিনুর নামের এক নারী জানান, চিকিৎসার প্রয়োজনের উপজেলায় যেতে-আসতে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদের। বিশেষ করে প্রবীণ ও অন্তঃসত্ত্বা নারীদের জন্য খুবই কষ্ট হয়ে পড়েছে।

কৃষিপণ্য দিয়েও বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। এখন উৎপাদিত কৃষিপণ্য উপজেলা বা অন্য এলাকায় পাঠাতে পারছেন না তারা। যে পণ্য পাঠানো হচ্ছে তাও অনেক দুর্ভোগের পর পাঠাতে হয়।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস থেকে জানা যায়, সেতুটি নির্মাণ করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেঘলা এন্টারপ্রাইজ। নির্মাণকাজ শেষ হলেও আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের আগেই বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় সেতুটি। এরপর দুই মাসের মাথায় ভেঙে পড়ে সেতুটি।

দুই মাসেই ভেঙে পড়া সেতু সংস্কার হয়নি ১ বছরেও

হাসাইল-বানারী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য কুদ্দুস মুন্সি বলেন, ‘এলাকার লোকজন বলে আমরা চেয়ারম্যান-মেম্বাররা ব্রিজ ঠিক করি না কেন? কিন্তু এসব কাজ তো আমাদের না; আমরা কী করব?’

হাসাইল বানারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন হালদার বলেন, ‘এ বছরও ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কিছু টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল। তবে সংস্কার করা যায়নি।’

এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলেও কথা বলতে রাজি হননি টঙ্গীবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা পারভীন।

টঙ্গীবাড়ী ও লৌহজং উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাজেদা সরকার বলেন, ‘আমি নতুন দায়িত্বে এসেছি। সেতু তৈরি কিংবা ভেঙে যাওয়ার সময় আমি এখানে দায়িত্বে ছিলাম না। বন্যায় পানির স্রোতে সেতুটি ভেঙে পড়েছিল।

‘সেতুর বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
আর্জেন্টিনার জয়ের পর শান্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
টুর্নামেন্টে সেরা মেসি, ফাইনালে সেরা দি মারিয়া
অবশেষে তিনি ‘আর্জেন্টিনার মেসি’
দি মারিয়ার গোলে মেসির হাতে শিরোপা
ফাইনালের মহাযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা

শেয়ার করুন

শিল্পীদের অনুদানে অনিয়মের অভিযোগ, প্রকৃতরা পাচ্ছেন না

শিল্পীদের অনুদানে অনিয়মের অভিযোগ, প্রকৃতরা পাচ্ছেন না

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সভা কক্ষে বৃহস্পতিবার শিল্পীদের অনুদানের অর্থ প্রদান করেন সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদার। ছবি: নিউজবাংলা

নৃত্য শিক্ষক এলিন চাকমা বলেন, ‘তালিকা প্রস্তুতকারীরা প্রতিবারেই অনিয়ম করেন। প্রকৃত সংস্কৃতিসেবীরা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন। কখন এবং কারা তালিকা করেছে আমরা কেউ জানি না। করোনার কারণে নৃত্য প্রশিক্ষণও বন্ধ করা হয়েছে। যার কারণে কোনোমতে চলতে হচ্ছে।’

করোনা মহামারিতে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন ক্যাটাগরির ১৩৩ সংস্কৃতিসেবীকে অনুদান দিয়েছে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ।

প্রকৃত কণ্ঠ ও নৃত্যশিল্পীদের বেশির ভাগ এবারও অনুদান পাননি। তালিকায় প্রণয়নের ক্ষেত্রে প্রতিবারই অনিয়ম করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন সংস্কৃতিসেবীরা।

বৃহস্পতিবার সকালে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সভাকক্ষে সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদার শিল্পীদের অনুদানের অর্থ প্রদান করেন।

নৃত্য শিক্ষক এলিন চাকমা বলেন, ‘তালিকা প্রস্তুতকারীরা প্রতিবারেই অনিয়ম করেন। প্রকৃত সংস্কৃতিসেবীরা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন। কখন এবং কারা তালিকা করেছে আমরা কেউ জানি না। করোনার কারণে নৃত্য প্রশিক্ষণও বন্ধ করা হয়েছে। যার কারণে কোনোমতে চলতে হচ্ছে।’

সংগীতশিল্পী পূন্য শংকর চাকমা বলেন, ‘এ পর্যন্ত বিভিন্ন ক্যাটাগরির সংস্কৃতিসেবীদের অনেকবার আর্থিক অনুদান দেয়া হয়েছে। দুঃখের বিষয়, একবারও আর্থিক অনুদান পাইনি।’

জেলা পরিষদ সূত্র জানায়, যাদের নামের তালিকা দেয়া হয়েছে তারাই আর্থিক অনুদান পেয়েছেন। সংস্কৃতিসেবীদের নামের তালিকা প্রণয়নে সাংস্কৃতিক কর্মী বিদ্যুৎ ত্রিপুরাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। বিস্তারিত তিনি জানেন কারা পেয়েছে কারা পায়নি।

এ বিষয়ে বিদ্যুৎ ত্রিপুরা বলেন, ‘কয়েকজন বাদ পড়েছেন, এমনটা আমিও শুনেছি। যার কারণে পরে এ বিষয়ে আমি আলোচনাও করেছি। পরে হয়তো তাদের আর্থিক অনুদান দিতে পারে। তবে এতে আমার কোনো লাভ নেই। সাংস্কৃতিক কাজ ভালোবাসি বলেই সংস্কৃতিসেবীদের বিষয়টি ভেবে মন্ত্রীকে আর্থিক অনুদানের বিষয়ে অবগত করেছিলাম।’

দীপংকর তালুকদার বলেন, ‘রাঙ্গামাটিতে করোনায় বিভিন্ন পেশার মানুষের মধ্যে নরসুন্দররা আগে কাজ হারিয়েছেন। এরপর পর্যটনসংশ্লিষ্ট বোটচালকরা। আমরা সরকারের সাহায্য তাদের হাতে পৌঁছে দিয়েছি। পরিষদের পক্ষ থেকে জেলায় করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন ক্যাটাগরির ১৩৩ সংস্কৃতিসেবীকে আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে।’

অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অংসুইপ্রু চৌধুরী।

জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম, পরিষদ সদস্য বিপুল ত্রিপুরা, রেমলিয়ানা পাংখোয়া, সবির কুমার চাকমা, প্রবর্তক চাকমা, ঝর্ণা খীসা, প্রিয়নন্দ চাকমাসহ শিল্পীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
আর্জেন্টিনার জয়ের পর শান্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
টুর্নামেন্টে সেরা মেসি, ফাইনালে সেরা দি মারিয়া
অবশেষে তিনি ‘আর্জেন্টিনার মেসি’
দি মারিয়ার গোলে মেসির হাতে শিরোপা
ফাইনালের মহাযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা

শেয়ার করুন

কুকুরের কামড়ে প্রাণ হারানো চিত্রা হরিণকে মাটিচাপা

কুকুরের কামড়ে প্রাণ হারানো চিত্রা হরিণকে মাটিচাপা

সীতাকুণ্ডের মুরাদপুর ইউনিয়নের গুলিয়াখালী সাগরপাড়ে হরিণটিকে কামড়ে মেরে ফেলে একদল কুকুর। ছবি: নিউজবাংলা

সীতাকুণ্ডের মুরাদপুর ইউনিয়নের গুলিয়াখালী সাগরপাড়ে বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে হরিণটিকে কামড়ে মেরে ফেলে একদল কুকুর। বৃহস্পতিবার প্রাণীটিকে মাটিচাপা দেয়া হয়।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে কুকুরের কামড়ে মারা যাওয়া হরিণটিকে মাটিচাপা দেয়া হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সীতাকুণ্ড উপকূলীয় রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. কামাল হোসেন।

তিনি বলেন, ‘হরিণের মৃত্যুর খবর আমরা একটু দেরিতে পেয়েছি। খবর পেয়েই সেখানে আমার একজন বিট অফিসারকে পাঠিয়ে মৃত হরিণটি উদ্ধার করেছি। বৃহস্পতিবার সকালে হরিণটিকে মাটিচাপা দেয়া হয়েছে।’

সীতাকুণ্ডের মুরাদপুর ইউনিয়নের গুলিয়াখালী সাগরপাড়ে বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে হরিণটিকে কামড়ে মেরে ফেলে একদল কুকুর।

স্থানীয় বাসিন্দা রায়হান উদ্দিন জানান, বুধবার সন্ধ্যায় উপকূলীয় বন থেকে একটি চিত্রা হরিণ মুরাদপুর গুলিয়াখালী সাগরপাড়ে চলে আসে। এ সময় সাগরপাড়ে থাকা একদল কুকুর হরিণটিকে দেখে আক্রমণ করে।

তিনি আরও জানান, কুকুরের ধাওয়ায় দিশেহারা হরিণটি সাগরপাড়ের চারদিকে ছুটতে থাকে। একপর্যায়ে কুকুরগুলো হরিণটিকে ধরে কামড়াতে থাকে। এতে ঘটনাস্থলেই হরিণটির মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন:
আর্জেন্টিনার জয়ের পর শান্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
টুর্নামেন্টে সেরা মেসি, ফাইনালে সেরা দি মারিয়া
অবশেষে তিনি ‘আর্জেন্টিনার মেসি’
দি মারিয়ার গোলে মেসির হাতে শিরোপা
ফাইনালের মহাযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা

শেয়ার করুন

পার্কে রাতের আড্ডা জমজমাট

পার্কে রাতের আড্ডা জমজমাট

প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে চলছে আড্ডা। ছবি: নিউজবাংলা

‘সপ্তাহে অন্তত এক দিন এই পার্কে আসি। দিনের বেলায় পার্কে এলে পুলিশ চলে যেতে বলে। মোটরসাইকেল নিয়ে এলে পার্কের দারোয়ান ঢুকতে বাধা দেয়। সন্ধ্যার দিকে পুলিশ এসে সবাইকে তাড়িয়ে দেয়। তবে রাতে আড্ডা দেয়া যায়।’

ঘড়িতে রাত সাড়ে ৯টা। ময়মনসিংহ শহরের জয়নুল আবেদিন পার্কে আড্ডা দিচ্ছেন অসংখ্য মানুষ।

তাদের বেশির ভাগেরই মুখে নেই মাস্ক। এত সমাগমে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা কঠিন।

সন্ধ্যায় হঠাৎ করেই পার্কে হাজির জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। তাদের দেখে পার্কে থাকা লোকজন যে যেভাবে পারেন পার্ক থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত চলে যাওয়ার আধা ঘণ্টা পর আবারও পার্কে বাড়তে থাকে মানুষের আনাগোনা।

এবার গাড়িতে হুইসেল বাজিয়ে আসে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের টিম। ফলাফল আবারও পার্ক খালি।

পার্কে বন্ধুদের নিয়ে আড্ডা দিচ্ছিলেন আরাফাত নামে এক যুবক। কথা হয় তার সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘সপ্তাহে অন্তত এক দিন এই পার্কে আসি। দিনের বেলায় পার্কে এলে পুলিশ চলে যেতে বলে। মোটরসাইকেল নিয়ে এলে পার্কের দারোয়ান ঢুকতে বাধা দেয়। সন্ধ্যার দিকে পুলিশ এসে সবাইকে তাড়িয়ে দেয়। তবে রাতে আড্ডা দেয়া যায়।’

পাশে থাকা নজমুল নামে আরেক যুবক বলেন, ‘করোনার জন্য কলেজ বন্ধ। অলস সময় কাটাতে কষ্ট হয়। রাস্তায় বের হলে মাস্ক পরতে হয়। না হলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের সামনে পড়লে প্রশ্নের মুখোমুখি অথবা জরিমানা। তাই পার্কে মাস্ক খুলে হওয়া খাচ্ছি।’

পার্কে রাতের আড্ডা জমজমাট

মাস্ক পরে বসে ছিলেন সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘জয়নুল পার্কের পাশে চা খেতে এসেছিলাম। দেখে মনে হচ্ছে পার্কে মানুষের ঢল নেমেছে। যে যার মতো বসে আড্ডায় ব্যস্ত। আমিও ভেতরে প্রবেশ করে হাওয়া খাচ্ছি।’

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন বলেন, ‘একটু আগেও সবাইকে বলে এসেছি পার্ক থেকে চলে যেতে। তখন সবাই চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। ২ নম্বর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যদের বলে এসেছি পার্কে যেন লোকজন জড়ো না হয়।’

পার্কে রাতের আড্ডা জমজমাট

তিনি আরও বলেন, ‘সারা দেশে যেহেতু কঠোর বিধিনিষেধ চলছে, সেহেতু আমাদের সবারই উচিত তা মেনে চলা। তা না হলে প্রতিদিন যেভাবে করোনা আক্রান্ত বাড়ছে, তা ঠেকানো যাবে না।’

আরও পড়ুন:
আর্জেন্টিনার জয়ের পর শান্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
টুর্নামেন্টে সেরা মেসি, ফাইনালে সেরা দি মারিয়া
অবশেষে তিনি ‘আর্জেন্টিনার মেসি’
দি মারিয়ার গোলে মেসির হাতে শিরোপা
ফাইনালের মহাযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা

শেয়ার করুন

ফুফুর বাড়ি থেকে ফিরল তিন বোনের নিথর দেহ

ফুফুর বাড়ি থেকে ফিরল তিন বোনের নিথর দেহ

রংপুরে নদীতে ডুবে মারা গেছে একই বাড়ির তিন মেয়ে। ছবি: নিউজবাংলা

ওই তিন মেয়ের পরিবার জানায়, গত সপ্তাহে তারা নাটারাম শেখপাড়ায় তাদের ফুফু কোহিনুর বেগমের বাড়িতে বেড়াতে যায়। বৃহস্পতিবার বিকেলে তারা যমুনেশ্বরী নদীতে নামেন। এ সময় নদীর স্রোতে তলিয়ে যায় তারা। তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

করোনার কারণে বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এই সুযোগে গত সপ্তাহে ফুফুর বাড়ি বেড়াতে যায় তিন বোন। ওই বাড়ির পাশেই নদী। সাঁতার না জানা তিন বোন সাহস করে নেমে যায় নদীতে।

ওই সাহসই ডেকে আনে সর্বনাশ। নদীর স্রোতে তলিয়ে যায় তিনজনই। তাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে রংপুরের বদরগঞ্জে।

উপজেলার ওসমানপুর ইউনিয়নের নাটারাম শেখপাড়া গ্রামে যমুনেশ্বরী নদীতে নমেছিল তারা ।

নিহতরা হলো একই ইউনিয়িনের ওসমানপুর গ্রামের ১০ বছর বয়সী রাবেয়া বাশরী, তার বড় বোন ১৬ বছরের রুবিনা আক্তার এবং তাদের চাচাত বোন ১১ বছরের সাদিয়া আক্তর।

রাবেয়া ও রুবিনা ওই গ্রামের রবিউল ইসলামের মেয়ে। সাদিয়ার বাবার নাম সাইদুল ইসলাম। তারা একই বাড়ির বাসিন্দা।

ওই তিন মেয়ের পরিবার জানায়, গত সপ্তাহে তারা নাটারাম শেখপাড়ায় তাদের ফুফু কোহিনুর বেগমের বাড়িতে বেড়াতে যায়। বৃহস্পতিবার বিকেলে তারা যমুনেশ্বরী নদীতে নামেন। এ সময় নদীর স্রোতে তলিয়ে যায় তারা। তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

ওই তিন মেয়ের চাচা বাদশা মিয়া বলেন, ‘আমার কোনো ভাতিজিই সাঁতার জানত না।’

বদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক এ এইচ এম সানাউল হক বলেন, ‘হাসপাতালে আনার আগেই ওই তিন মেয়ের মৃত্যু হয়।’

বদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান বলেন, ‘কারো কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ তিনটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
আর্জেন্টিনার জয়ের পর শান্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
টুর্নামেন্টে সেরা মেসি, ফাইনালে সেরা দি মারিয়া
অবশেষে তিনি ‘আর্জেন্টিনার মেসি’
দি মারিয়ার গোলে মেসির হাতে শিরোপা
ফাইনালের মহাযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা

শেয়ার করুন