ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের মামলা

ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের মামলা

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল। ছবি: সংগৃহীত

নাহিদ আরও জানান, গত ২৮ জুন বিকেলে ছোট বোনের বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্যে নবীয়াবাদ মোড় পৌঁছলে শাওন, আবদুল্লাহ, শাহ পরাণ ও রুবেল তার পথ আটকে মারধর শুরু করেন। তারা নাহিদকে গুরুতর জখম করে রাস্তায় ফেলে চলে যান।

নরসিংদী জেলা বিএনপির এক কর্মীকে মারধর ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামলসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে রায়পুরা থানায় মামলা হয়েছে।

রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে রায়পুরা পৌর ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্বাস আলী নাহিদ মামলা করেন।

ইকবাল হোসেন শ্যামলের বাড়ি নরসিংদী জেলার রায়পুরা পৌরসভায়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন মাস আগে কেন্দ্র থেকে নরসিংদী জেলা ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা করা হয়।

তৃণমূলের যোগ্য ছাত্রনেতাদের বঞ্চিত করে হত্যা মামলার আসামিসহ বিতর্কিতদের ওই কমিটিতে স্থান দেয়া হয় বলে তৃণমূলের বঞ্চিত ছাত্রনেতারা কেন্দ্রীয় ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক শ্যামলকে নরসিংদী জেলায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে। এতে শ্যামল ও তার অনুসারীরা ক্ষুব্ধ হয়।

এ ঘটনায় অন্যদের মতো নাহিদও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে শ্যামলের সমালোচনা করে বেশ কিছু পোস্ট দেন। এর জের ধরে বিভিন্ন সময় শ্যামল ও তার অনুসারীরা নাহিদকে হুমকি দিয়ে আসছিলেন।

নাহিদ আরও জানান, গত ২৮ জুন বিকেলে ছোট বোনের বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্যে নবীয়াবাদ মোড় পৌঁছলে শাওন, আবদুল্লাহ, শাহ পরাণ ও রুবেল তার পথ আটকে মারধর শুরু করেন। তারা নাহিদকে গুরুতর জখম করে রাস্তায় ফেলে চলে যান।

নাহিদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে নরসিংদী সদর হাসপাতাল ভর্তি করা হয়।

গত ১০ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর কিছুটা সুস্থ হয়ে রায়পুরা থানায় এসে ওই পাঁচ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন নাহিদ।

শেয়ার করুন

মন্তব্য