সীমান্তে শিশুসহ নাইজেরিয়ান দম্পতি আটক

সীমান্তে শিশুসহ নাইজেরিয়ান দম্পতি আটক

গোয়াইনঘাট থানার ওসি পরিমল দেব জানান, তামাবিল সীমান্ত এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। ওই দম্পতির শিশুর পাসপোর্টে জাতীয়তা নাইজেরিয়ান উল্লেখ থাকলেও ঠিকানা দেয়া রয়েছে নয়াদিল্লির।

অনুপ্রবেশের অভিযোগে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলা থেকে শিশুসহ এক নাইজেরিয়ান দম্পতিকে আটক করা হয়েছে।

ভারত সীমান্তবর্তী গোয়াইনঘাটের তামাবিল সীমান্ত দিয়ে তারা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সীমান্ত এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার সকালে তাদের আটক করা হয়।

তারা হলেন ইমনানুল ননমেদি ওয়াগাওয়াম, তার স্ত্রী পাউল ইবুদি অকিচুকাও ও তাদের তিন বছরের মেয়ে।

গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পরিমল দেব এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সকালে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তামাবিল সীমান্তের দেড় কিলোমিটার ভেতর থেকে তাদের আটক করে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা। ওই দম্পতির শিশুর পাসপোর্টে জাতীয়তা নাইজেরিয়ান উল্লেখ থাকলেও ঠিকানা দেয়া রয়েছে নয়াদিল্লির।

ওসি আরও জানান, আটকের সময় তাদের কাছ থেকে একটি ল্যাপটপ, ৯টি মোবাইল ফোন, তিনটি পাসপোর্ট, একটি ড্রাইভিং লাইসেন্স, একটি ভারতীয় আধার কার্ড, একটি নাইজেরিয়ান এনআইডি কার্ড, ১৬০০ ইউএস ডলার ও ২৮০ ভারতীয় রুপি জব্দ করা হয়। থানায় রেখে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

এর আগে গত ২৮ জুন তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে অনুপ্রবেশের অভিযোগে ওনিবুচুকু স্ট্যালি ইজিডাব্লু নামে আরও এক নাইজেরিয়ানকে আটক করে পুলিশে দেয় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

আরও পড়ুন:
অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক ভারতীয় কিশোরী
সীমান্তে আটক ভারতীয় কুড়িগ্রাম কারাগারে
অনুপ্রবেশের দায়ে ভারতীয় তরুণী জেলহাজতে

শেয়ার করুন

মন্তব্য

‘ঢাকায় মহাসমাবেশ ডাকেন, আমরা ঢাকা অচল করে দেব’

‘ঢাকায় মহাসমাবেশ ডাকেন, আমরা ঢাকা অচল করে দেব’

রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশ। ছবি: নিউজবাংলা

সিলেটে সমাবেশে জাতীয় কমিটির সদস্য এম নাসের রহমান বলেন, ‘লিভার সিরোসিস সাধারণত পুরুষ মানুষের হয়। বেশি মদ খেলে লিভার সিরোসিস হয়, কিন্তু খালেদা জিয়া তো দীর্ঘদিন জেলে ছিলেন। তবে কি সরকার তার খাবারের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে দিয়েছে? বিদেশে চিকিৎসায় গেলে এইসব ধরা পরে যেতে পারে, তাই সরকার তাকে বিদেশ যেতে দিচ্ছে না।’

বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর দাবিতে রাজধানীর নয়াপল্টনের পাশপাশি বিভাগীয় শহরগুলোতে শুরু হয়েছে সমাবেশ। বিভিন্ন জেলার নেতাকর্মী নিজ নিজ বিভাগীয় শহরে সমাবেশস্থলে উপস্থিত হয়েছেন। সমাবেশস্থল ঘিরে পুলিশকে দেখা গেছে সতর্ক অবস্থায়।

রাজশাহী মহানগরে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে বেলা ৩টার দিকে শুর হয়েছে সমাবেশ। তাতে যোগ দিতে আশপাশের জেলার নেতাকর্মীরা দুপুর থেকে সেখানে জড়ো হয়েছেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে আছেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি আমানউল্লাহ আমান। মহানগর বিএনপির সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল সমাবেশের সভাপতিত্বে আছেন। বিশেষ অতিথি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনুও সমাবেশে উপস্থিত হয়েছেন।

‘নেত্রীর মুক্তি চাই’- এই স্লোগানে সমাবেশস্থলে হাজির হয়েছেন নেতাকর্মীরা। সমাবেশস্থল ও আশপাশের সড়কগুলোতে দেখা গেছে বিপুল পুলিশ।

প্রায় একই সময় সিলেট নগরীর রেজিস্টারি মাঠে সমাবেশ শুরু হয়েছে। তাতে প্রধান অতিথির হিসেবে উপস্থিত হয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

সমাবেশ শুরুর পর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কামরুল হুদা জায়গীরদার কেন্দ্রিয় নেতাদের উদ্দ্যেশে বলেন, ‘আপনারা বিভাগে বিভাগে সমাবেশ না ডেকে ঢাকায় মহাসমাবেশ ডাকেন। আমরা ঢাকা অচল করে দেব। নয় মাস লড়াই করে দেশ স্বাধীন করেছি। মাসখানেক লড়াই করতে পারলেই এই সরকারের পতন ঘটাতে পারব।’

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘আইনী বাধা নয়, খালেদা জিয়ার সুচিকিতসায় সবচেয়ে বড় বাধা শেখ হাসিনা। তাকে সরাতে হবে। না হলে দেশ ও খালেদা জিয়াকে বাঁচানো যাবে না।’

জাতীয় কমিটির সদস্য এম নাসের রহমান বলেন, ‘লিভার সিরোসিস সাধারণত পুরুষ মানুষের হয়। বেশি মদ খেলে লিভার সিরোসিস হয়, কিন্তু খালেদা জিয়া তো দীর্ঘদিন জেলে ছিলেন। তবে কি সরকার তার খাবারের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে দিয়েছে? বিদেশে চিকিৎসায় গেলে এইসব ধরা পরে যেতে পারে, তাই সরকার তাকে বিদেশ যেতে দিচ্ছে না।’

সমাবেশে দেখা গেছে ভাইস চেয়ারম্যান জয়নুল আবেদীন, যুগ্ন মহাসচিব হাবিব উন নবী সুহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন জীবন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরসহ দলের কেন্দ্রিয় ও সিলেট জেলাসহ বিভাগের অন্য জেলার নেতারা। এর সভাপতিত্বে আছেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকী।

চট্টগ্রাম নগরীর কালামিয়া বাজার এলাকার কেবি কনভেনশন হলে দুপুরে সমাবেশ শুরুর পরপরই ভেঙে পড়ে মঞ্চ। সে সময় মঞ্চে দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম) মাহবুবের রহমান শামীম, মহানগরের আহ্বায়ক শাহাদাত হোসেন, সদস্যসচিব আবুল হাশেম বক্করসহ অন্যান্য নেতারা।

তবে সঙ্গে সঙ্গে নেমে যাওয়ায় কেউ আহত হননি। মঞ্চ ঠিকঠাক করে মিনিট দশেক পর আবার সমাবেশ শুরু হয়।

রংপুরে নগরীর দলীয় কার্যালয়ের সামনে সেখানকার সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা বিকালে।

তাতে যোগ দিতে দুপুর থেকেই আট জেলার নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে জড়ো হয়েছেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবার হাসান মাহমুদ টুকু, বিএনপির রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলুসহ জেলা ও নগর বিএনপির নেতাদের সমাবেশে থাকার কথা রয়েছে।

রংপুর নগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সামছুজ্জামান বলেন, ‘আমরা সমাবেশ করতে সব প্রস্তুতি নিয়েছি। নেতাকর্মীরা আসছেন। আমরা চাই, পুলিশ আমাদের নেতাকর্মীদের হয়রানি না করুক।’

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘সমাবেশকে ঘিরে যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না হয় সেদিকে আমরা কঠোর অবস্থানে রয়েছি।’

আরও পড়ুন:
অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক ভারতীয় কিশোরী
সীমান্তে আটক ভারতীয় কুড়িগ্রাম কারাগারে
অনুপ্রবেশের দায়ে ভারতীয় তরুণী জেলহাজতে

শেয়ার করুন

জেল্লা হারাচ্ছে গনি মিঞার গামছা

জেল্লা হারাচ্ছে গনি মিঞার গামছা

‘গোটা কলকাতায় ছিল ঝালকাঠির গনি মিঞার তাঁতের গামছার কদর। কলকাতার বিধাননগর থেকে কৃষ্ণনগর-লালগোলা যাত্রীবাহী ট্রেনে হকাররা “বাংলার গামছা” নামে ঝালকাঠির গামছা বিক্রি করত। বাংলাদেশ থেকে কেউ এলে আমরা এখনও বলি আমাদের জন্য ঝালকাঠির গামছা নিয়ে আসতে।’

ঝালকাঠির তাঁতের গামছার কদর একসময় দেশের বাইরেও ছড়িয়ে পড়েছিল। মেশিনচালিত তাঁতের কাছে ধীরে ধীরে হার মানছে এ ঐতিহ্য।

ঝালকাঠির বাসন্ডা নদীর পশ্চিম পাড়ের এলাকাটি পশ্চিম ঝালকাঠি নামে পরিচিত, কাগজে যার বর্তমান নাম বাসন্ডা। এক শতাব্দী আগে এই বাসন্ডার পুরো এলাকাজুড়ে প্রায় ২০০ তাঁতি পরিবার ছিল, যারা হস্তচালিত তাঁতে রঙিন সুতায় শাড়ি, লুঙ্গি এবং গামছা বুনত।

মহাজনদের পদচারণে এবং তাঁতের খটাস খটাস শব্দে মুখরিত থাকত কারিগরবাড়ি। তখন গোটা দেশে ঝালকাঠির তাঁতপণ্যের গৌরব ছিল। বর্তমানে বাসন্ডা কারিগরবাড়িতে দু-চারটি তাঁতি পরিবার তাদের এই পেশা ধরে রেখেছে, বাকিরা চলে গেছে অন্য পেশায়। আধুনিকতার ছোঁয়ায় তাঁতের শাড়ি, লুঙ্গির চাহিদা কমেছে।

৭৫ বছরের পুরোনো ঝালকাঠির গনি মিঞার গামছা একসময় ছিল দেশসেরা। বছর সাতেক আগে গনি মিঞা বার্ধক্যে মৃত্যুবরণ করেছেন। ঐতিহ্য রক্ষার খাতিরে লোকসান দিয়েও এখনও বাবার তাঁত মেশিনে গামছা বোনেন গনি মিয়ার ছেলে নাসির উদ্দিন মিঞা।

৪০ বছর বয়সী নাসির উদ্দিন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বাবার মৃত্যুর পরেও আমি ও আমার মা হালিমা বেগম প্রতি সাড়ে ৩ ঘণ্টায় দুটি তাঁতের গামছা তৈরি করতাম। মা এখন সুতা টানতে পারেন না।’

নাসির জানান, গামছাপ্রতি তাদের খরচ হয় ২৫০ টাকা। পাইকারি দর ৩০০ টাকা আর খুচরা মূল্য ৩৫০ টাকা। এত অল্প লাভে এখন টিকে থাকাই দায় হয়ে পড়েছে। পারিশ্রমিক ধরলে লোকসানই গুনতে হয়।

দেশ এবং দেশের বাইরে এখনও ঝালকাঠির গনি মিঞার গামছার চাহিদা আছে, কিন্তু পুঁজি ও লোকবল অভাবে উৎপাদন কমে গেছে। ঐতিহ্য ধরে রাখতেই কেবল এখনও তাঁতের গামছা বুনে যাচ্ছেন তারা।

জেল্লা হারাচ্ছে গনি মিঞার গামছা

শহরের অনেক পরিবার কলকাতায় তাদের স্বজনদের এই গামছা পাঠায়। সেখান থেকেও কিছু অর্ডার আসে আর মহাজনদের কাছেও পাইকারি দরে কিছু গামছা দেয়া হয়।

গনি মিঞার দূর সম্পর্কের আত্মীয় আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী পারভীন বেগম হস্তচালিত তাঁত মেশিনে ১৭ বছর ধরে গামছা বোনেন। নিউজবাংলাকে পারভীন বেগম জানান, তার তাঁত মেশিন ছোট। তাই তার তৈরি গামছার সাইজও একটু ছোট। সোয়া চার হাত দৈর্ঘ্য ও আড়াই হাত বহরের গামছা বুনতে পারেন, যার পাইকারি দর ২০০ টাকা এবং খুচরা দাম আড়াইশ টাকা। তিনি গামছা বুনে গনি মিয়ার সিল লাগিয়ে বাজারে বিক্রি করেন।

স্থানীয়রা বলেন, একসময় দিন-রাত খটাস খটাস শব্দ হতো বাসন্ডার তাঁতি পল্লিতে। গনি মিয়ার বাড়িসহ আশপাশের বাড়িগুলোতে মহাজনদের ভিড় লেগেই থাকত। বাসন্ডা এলাকার লাল মিয়া জানান, একসময় গামছা কেনার সিরিয়াল আগে পাওয়ার জন্য তাঁতিদের সুতা কেনা বাবদ অগ্রিম টাকা দিয়ে যেতেন মহাজনরা। তাঁতিবাড়ির সেই সুদিন কমে গেছে। তবে এখনও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে গামছা কিনতে গনি মিয়ার বাড়িতে মহাজনেরা আসেন।

সত্তরোর্ধ্ব স্থানীয় বাসিন্দা নুরুল ইসলাম মিঞা জানান, গনি মিয়ার ছেলে নাসির এবং আনোয়ারের স্ত্রী পারভীন বেগমের মতো জেলার আরও তিনটি উপজেলায় এখনও ১০ থেকে ১৫টি পরিবার এ তাঁতশিল্পকে আঁকড়ে আছে। ব্যবসায়ীদের কেউ কেউ পাওয়ার লুমে গামছা বুনে ঝালকাঠির তাঁতের গামছার লেভেল নকল করে বাজারজাত করছেন। ফলে তাঁতে তৈরি প্রকৃত গামছা ব্যবসায়ীরা বাজার হারাচ্ছেন। কারণ পাওয়ার লুমের কাছে হস্তচালিত তাঁত মেশিন খরচের প্রতিযোগিতায় টিকতে পারে না।

ব্যবসায়ী জানে আলম জনি বলেন, ‘এখনও সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ঝালকাঠি সফরে এলে তাদের শীতল পাটি এবং গনি মিয়ার গামছা উপহার দেয়া হয়। প্রবাসী সন্তানদের জন্য এই গামছা এখনও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাঠান তাদের মা-বাবারা। আমি জাপানে অনেক গামছা উপহার হিসেবে পাঠিয়েছি। গনি মিঞার গামছা আমাদের ঝালকাঠির ইতিহাসের মাইলফলক।’

কলকাতার দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ এলাকার কাপড় ব্যবসায়ী উত্তম দেবনাথ বলেন, ‘গোটা কলকাতায় ছিল ঝালকাঠির গনি মিয়ার তাঁতের গামছার কদর। কলকাতার বিধাননগর থেকে কৃষ্ণনগর-লালগোলা যাত্রীবাহী ট্রেনে হকাররা “বাংলার গামছা” নামে ঝালকাঠির গামছা বিক্রি করত। বাংলাদেশ থেকে কেউ এলে আমরা এখনও বলি আমাদের জন্য ঝালকাঠির গামছা নিয়ে আসতে।’

ঝালকাঠির তাঁত কারিগররা জানান, হস্তচালিত একটি তাঁত চালিয়ে প্রতিদিন দুটির বেশি গামছা তৈরি করা সম্ভব হয় না। এক বান্ডেল সুতা বরিশালের মহাজনের দোকান থেকে ২ হাজার টাকায় কিনতে হয়। ৬ বান্ডেল সুতা দিয়ে সর্বোচ্চ দেড় শ পিস গামছা তৈরি করা যায়। এ গামছার সাইজ ২ থেকে ৩ হাত। প্রতিটি গামছা তৈরির মজুরি পড়ে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। সুতা ও মজুরি মিলিয়ে প্রায় ২৫ হাজার টাকা পুঁজি খাটিয়ে আয় আসে সর্বোচ্চ ৩৫ হাজার টাকা। দুই মাসে ১০ হাজার টাকা আয় দিয়ে বর্তমান বাজারে একটি পরিবার চালানো অসম্ভব।

এ ব্যাপারে কথা হয় ঝালকাঠি চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আলহাজ সালাহ উদ্দীন আহমেদ সালেকের সঙ্গে। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গামছা ঝালকাঠির একটি শিল্প। এ শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে আমাদের চেষ্টা থাকবে। সংসদ সদস্য আমির হোসেন আমুর নির্দেশ রয়েছে, কোনো ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী কোনো ব্যাংক কিংবা বিসিকে ঋণের আবেদন করলে তাকে ঋণ দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। আমাদের কাছে কেউ এলে চেম্বারের পক্ষ থেকে তাদের সহযোগিতা করা হবে।’

আরও পড়ুন:
অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক ভারতীয় কিশোরী
সীমান্তে আটক ভারতীয় কুড়িগ্রাম কারাগারে
অনুপ্রবেশের দায়ে ভারতীয় তরুণী জেলহাজতে

শেয়ার করুন

দুই ঘণ্টার চেষ্টায় নিভল পোশাক কারখানার আগুন

দুই ঘণ্টার চেষ্টায় নিভল পোশাক কারখানার আগুন

স্টেশন অফিসার তাশারুফ হোসেন বলেন, পাঁচ তলা ভবনের নিচ তলার ফেব্রিকস ও এক্সেসরিজের গুদামে আগুনের সূত্রপাত। প্রথমে কাশিমপুর ডিবিএলের একটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে জয়দেবপুর ও কালিয়াকৈরের থেকে আরও ছয়টি ইউনিট যোগ দেয়। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। তবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্তের পর জানা যাবে।

গাজীপুরের কোনাবাড়িতে পোশাক কারখানায় লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

জরুন এলাকার রিপন গার্মেন্টসে মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১২টার দিকে আগুন লাগে, নিয়ন্ত্রণে আসে দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জয়দেবপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার তাশারুফ হোসেন।

তিনি বলেন, পাঁচ তলা ভবনের নিচ তলার ফেব্রিকস ও এক্সেসরিজের গুদামে আগুনের সূত্রপাত। প্রথমে কাশিমপুর ডিবিএলের একটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে জয়দেবপুর ও কালিয়াকৈরের থেকে আরও ছয়টি ইউনিট যোগ দেয়। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। তবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্তের পর জানা যাবে।

কারখানার নিরাপত্তাকর্মী কাজল কুমার ও বিপ্লব বলেন, দুপুর সোয়া ১২ টার দিকে হঠাৎ নিচতলার গুদামে আগুন লাগে। পরে ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

শ্রমিক হাবিব বলেন, ‘কারখানায় প্রায় ৩ হাজার শ্রমিক কাজ করেন। হঠাৎ নিচতলায় আগুন লাগলে আমরা সবাই নিরাপদে বের হয়ে যাই।’

এ বিষয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:
অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক ভারতীয় কিশোরী
সীমান্তে আটক ভারতীয় কুড়িগ্রাম কারাগারে
অনুপ্রবেশের দায়ে ভারতীয় তরুণী জেলহাজতে

শেয়ার করুন

কিশোরীর আত্মহত্যা: স্কুল কমিটির সদস্য গ্রেপ্তার

কিশোরীর আত্মহত্যা: স্কুল কমিটির সদস্য গ্রেপ্তার

কিশোরীকে যৌন নির্যাতন ও আত্মহত্যার প্ররোচনা দেয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার এই ব্যক্তি। ছবি: নিউজবাংলা

মামলার বরাত দিয়ে ওসি জানান, স্কুলের পরিত্যক্ত ভবনের ছাদে নিয়ে ওই কিশোরীর ওপর যৌন নির্যাতন চালায় রফিকুল ও সহযোগী শাহিনুর- এমন অভিযোগে তাদের আসামি করে গত ৮ নভেম্বর ক্ষেতলাল থানায় মামলা করেন কিশোরীর বাবা। এরপর গত ১৮ নভেম্বর দুপুরে ওই কিশোরীকে রফিকুল, শাহিনুর ও অন্য আসামিরা অপমান করেন। ওইদিন বিকেলে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে ওই স্কুলছাত্রী।

জয়পুরের ক্ষেতলালে এক স্কুলছাত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেয়ার অভিযোগে বড়তারা উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য রফিকুুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নীরেন্দ্র নাথ মণ্ডল জানান, রফিকুলকে সোমবার সন্ধ্যায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার নামে স্কুলছাত্রীকে যৌন নির্যাতন ও আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেয়ার অভিযোগে মামলা আছে।

ওই স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী গত ১৮ নভেম্বর নিজ ঘরে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার বরাত দিয়ে ওসি জানান, স্কুলের পরিত্যক্ত ভবনের ছাদে নিয়ে ওই কিশোরীর ওপর যৌন নির্যাতন চালায় রফিকুল ও সহযোগী শাহিনুর- এমন অভিযোগে তাদের আসামি করে গত ৮ নভেম্বর ক্ষেতলাল থানায় মামলা করেন কিশোরীর বাবা। মামলার পর থেকে মেয়েটির পরিবারকে হুমকি দিয়ে আসছিলেন আসামিরা।

এরপর গত ১৮ নভেম্বর দুপুরে নিজ বাড়ির সামনে ওই কিশোরীকে রফিকুল, শাহিনুর ও অন্য আসামিরা অপমান করেন। যৌন নির্যাতনের জন্য তাকেই দায়ী করে মামলা তুলে নেয়ার হুমকি দেন। মামলা প্রত্যাহার না করলে রফিকুল তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করারও হুমকি দেন তাকে। এ কারণে ওইদিন বিকেলে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে ওই স্কুলছাত্রী।

আত্মহত্যার পর ওই কিশোরীর সুইসাইড নোট পাওয়ার দাবি করে তার পরিবার। মামলার এজাহারেও সুইসাইড নোটের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর পর থেকেই রফিকুল পলাতক ছিলেন।

ওসি আরও জানান, রফিকুলের এক ছেলে ও এক মেয়ে ওই স্কুলেই পড়ে। যে স্কুলছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ তার বিরুদ্ধে, সে ওই স্কুলের অষ্টম শ্রেণিতে পড়ত। সে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী বলে মামলায় উল্লেখ করা আছে। তার মৃত্যুর পরদিন রফিকুল ও শাহিনুরসহ পাঁচজনের নামে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে আরেকটি মামলা করেন কিশোরীর বাবা।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহারুল আলম বলেন, ‘আসামি রফিকুল ওই কিশোরীকে এক বছর থেকে বিভিন্নভাবে যৌন নির্যাতন চালানোর বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তাকে মঙ্গলবার আদালতে তোলার কথা রয়েছে।’

ক্ষেতলাল থানার ওসি নীরেন্দ্র নাথ জানান, দুই মামলায় এখন পর্যন্ত দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে আরেকজন হলেন রফিকুলের মামা আব্দুর রাজ্জাক। অন্য তিন আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন:
অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক ভারতীয় কিশোরী
সীমান্তে আটক ভারতীয় কুড়িগ্রাম কারাগারে
অনুপ্রবেশের দায়ে ভারতীয় তরুণী জেলহাজতে

শেয়ার করুন

ছাত্রীকে ধর্ষণে মাদ্রাসাশিক্ষকের যাবজ্জীবন

ছাত্রীকে ধর্ষণে মাদ্রাসাশিক্ষকের যাবজ্জীবন

সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে এই মাদ্রাসাশিক্ষককে। ছবি: নিউজবাংলা

২০১৯ সালের ২০ জানুয়ারি দুপুরে গাইড বই দেয়ার কথা বলে ওই ছাত্রীকে মাদ্রাসায় ডেকে নেন সাইফুল। মাদ্রাসার কাছেই নিজ বাড়ির দোতলায় নিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঘরে রেখেই পালিয়ে যান তিনি।

বরগুনায় সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে মাদ্রাসাশিক্ষক সাইফুল ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস দেয়া হয়েছে মামলার আরেক আসামি সাইফুলের ভাবী রাশেদা বেগমকে।

বরগুনার জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক হাফিজুর রহমান মঙ্গলবার দুপুরে এই রায় দেন।

সাইফুল ইসলামের বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলার ফুলঝুরি ইউনিয়নের সাহেবের হাওলা গ্রামে।

২০১৯ সালের ২০ জানুয়ারি দুপুরে গাইড বই দেয়ার কথা বলে ওই ছাত্রীকে মাদ্রাসায় ডেকে নেন সাইফুল। মাদ্রাসার কাছেই নিজ বাড়ির দোতলায় নিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঘরে রেখেই পালিয়ে যান তিনি।

আশপাশের লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নেয়। সেখান থেকে পরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে তাকে চিকিৎসা দেয়া হয়।

ঘটনার দিন বিকেলেই সাইফুল ও তার ভাবীর বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা করেন ওই কিশোরীর বাবা। সে বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি সাইফুলকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

আরও পড়ুন:
অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক ভারতীয় কিশোরী
সীমান্তে আটক ভারতীয় কুড়িগ্রাম কারাগারে
অনুপ্রবেশের দায়ে ভারতীয় তরুণী জেলহাজতে

শেয়ার করুন

ট্রেনে কাটা পড়ে লাইনে বসে থাকা স্কুলছাত্রী নিহত

ট্রেনে কাটা পড়ে লাইনে বসে থাকা স্কুলছাত্রী নিহত

ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত স্কুলছাত্রী নুসরাত জাহান তোয়া। ছবি: নিউজবাংলা

তোয়ার মা শায়লা বেগম বলেন, ‘সকালে বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা বলে আমার মেয়ে বের হয়। আমি আর আমার ছোট মেয়ে তাকে খানিকটা এগিয়েও দিয়ে আসি। বান্ধবীর বাসা থেকে তার স্কুলে পরীক্ষা দিতে যাওয়ার কথা। ও রেললাইনে কীভাবে গেল বুঝতে পারছি না।’

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ট্রেনে কাটা পড়ে এক স্কুলছাত্রী নিহত হয়েছে।

কালিহাতী উপজেলার ধলাটেঙ্গর এলাকায় মঙ্গলবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত নুসরাত জাহান তোয়া এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। সে পরিবারের সঙ্গে এলেঙ্গা শামসুল হক কলেজের সামনে একটি ভাড়া বাসায় থাকত। তাদের বাড়ি চট্টগ্রামে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তারা স্কুলের পোশাক পরা দুটি ছেলেমেয়েকে রেললাইনে এসে বসে থাকতে দেখেন। মেয়েটি লাইনের ওপর আর ছেলেটি একটু নিচে পাথরের ওপর বসা ছিল। এ সময় উত্তরবঙ্গগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনে ওই স্কুলছাত্রী কাটা পড়ে। এরপর ছেলেটি দ্রুত সেখান থেকে চলে যায়।

পুলিশ তার মোবাইল চেক করে জানায়, দুর্ঘটনার আধ ঘণ্টা আগে সোহাগ আল হাসান জয় নামের এক ছেলের সঙ্গে মেয়েটির মেসেঞ্জারে কথা হয়। তারা রেললাইনে দেখা করতে আসে।

তবে তোয়ার মা শায়লা বেগম বলেন, ‘সকালে বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা বলে আমার মেয়ে বের হয়। আমি আর আমার ছোট মেয়ে তাকে খানিকটা এগিয়েও দিয়ে আসি। বান্ধবীর বাসা থেকে তার স্কুলে পরীক্ষা দিতে যাওয়ার কথা। ও রেললাইনে কীভাবে গেল বুঝতে পারছি না।’

এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমুল করিম বলেন, ‘আজকে তোয়াদের গণিত পরীক্ষা ছিল। সকালে খবর পাই সে ট্রেনে কাটা পড়ে মারা গেছে।’

ঘারিন্দা রেলওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ এএসআই আব্দুস সবুর জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক ভারতীয় কিশোরী
সীমান্তে আটক ভারতীয় কুড়িগ্রাম কারাগারে
অনুপ্রবেশের দায়ে ভারতীয় তরুণী জেলহাজতে

শেয়ার করুন

মা-মেয়েকে ধর্ষণ: তিনজনের যাবজ্জীবন

মা-মেয়েকে ধর্ষণ: তিনজনের যাবজ্জীবন

গাইবান্ধার আদালতে রায় ঘোষণার পর দণ্ডিত আসামিদের নেয়া হয় কারাগারে। ছবি: নিউজবাংলা

আইনজীবী ফারুক আহমেদ বলেন, ২০১৮ সালের ১২ মে মা-মেয়েকে অর্থ সম্পদ পাইয়ে দেয়ার কথা বলে জামালপুর থেকে গোবিন্দগঞ্জে ডেকে নেন আসামিরা। পরে তাদের উপজেলার আমনাথপুর বালুয়া এলাকায় নিয়ে ধর্ষণ করে তারা। এ ঘটনার পরদিন ওই নারী বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের আসামি করে ধর্ষণ মামলা করেন।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে মা-মেয়ে ধর্ষণ মামলায় তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। মামলায় দুই আসামিকে খালাস দেয়া হয়েছে।

গাইবান্ধা নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল-২ আদালতের বিচারক আবদুর রহমান মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে এ রায় দেন।

দণ্ডিতরা হলেন গাইবান্ধার গোবিন্দঞ্জ উপজেলার গোসাইপুর গ্রামের বেলাল হোসেন। একই গ্রামের এমদাদুল হক ও শ্যামপুর পারর্তীপুর গ্রামের খাজা মিয়া।

খালাস পাওয়া দুজন হলেন আজিজুল ইসলাম ও আসাদুল ইসলাম। আজিজুলের বাড়ি সাতগাছি হাতিয়াদহ গ্রামে এবং আসাদুলের বাড়ি সুন্দাইল গ্রামে।

নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফারুক আহমেদ প্রিন্স।

তিনি জানান, ২০১৮ সালের ১২ মে মা-মেয়েকে অর্থ-সম্পদ দেয়ার কথা বলে জামালপুর থেকে গোবিন্দগঞ্জে ডেকে নেন আসামিরা। পরে তাদের উপজেলার আমনাথপুর বালুয়া এলাকায় নিয়ে ধর্ষণ করে তারা।

এ ঘটনার পরদিন ওই নারী বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের আসামি করে গোবিন্দঞ্জ থানায় ধর্ষণ মামলা করেন। পরে পুলিশ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে।

রায় ঘোষণার সময় পাঁচ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক ভারতীয় কিশোরী
সীমান্তে আটক ভারতীয় কুড়িগ্রাম কারাগারে
অনুপ্রবেশের দায়ে ভারতীয় তরুণী জেলহাজতে

শেয়ার করুন