বছর না যেতেই বাঁধে ফাটল

বছর না যেতেই বাঁধে ফাটল

হাজীগঞ্জ বাজার বণিক সমিতির সভাপতি কবির হোসেন বলেন, ‘সরকার বিপুল পরিমাণ অর্থ দিয়ে এই অঞ্চলের মানুষের জন্য পদ্মার তীর সংরক্ষণ বাঁধ করে দিয়েছিল। কিন্তু এখনই কোনো জায়গা দেবে গেছে; কোনো জায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছে। ভরা বর্ষায় আরও বড় বিপদ হবে।’

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে নির্মাণের এক বছর না যেতেই একটি বাঁধের কিছু অংশ দেবে গেছে। কোথাও কোথাও দেখা গেছে ফাটল।

বাঁধটি ভাঙার আতঙ্ক দেখা দিয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বলছে, দ্রুতই এ সমস্যার সমাধান হবে।

পাউবো সূত্রে জানা যায়, ২০১৯-২০ অর্থবছরে পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙন কবলিত এমপিডাঙ্গী, চরহাজীগঞ্জ বাজার ও চরহোসেনপুরের সাড়ে তিন কিলোমিটার নদীশাসনের কাজ করা হয়। প্রথম পর্যায়ে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং ও এরপর সিসি ব্লক দিয়ে স্থায়ী বাঁধ তৈরি করা হয়।

১৪৪ কোটি টাকা ব্যয়ে সাত গ্রুপের তিনটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বাঁধের কাজ করে।

চরভদ্রাসন উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোতালেব হোসেন নিউজবাংলাকে জানান, হাজীগঞ্জ বাজার এই উপজেলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাজার। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির কারণে বাজার রক্ষায় স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হয়।

কিন্তু বাঁধ নির্মাণের এক বছর যেতে না যেতেই বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই এটি হুমকির মুখে পড়ল। নির্মাণে ত্রুটি থাকার কারণেই এমন হয়েছে।

হাজীগঞ্জ বাজার বণিক সমিতির সভাপতি কবির হোসেন বলেন, ‘সরকার বিপুল পরিমাণ অর্থ দিয়ে এই অঞ্চলের মানুষের জন্য পদ্মার তীর সংরক্ষণ বাঁধ করে দিয়েছিল।

‘কিন্তু এখনই কোনো জায়গা দেবে গেছে; কোনো জায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছে। ভরা বর্ষায় আরও বড় বিপদ হবে।’

এ বিষয়ে পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ জানান, চুক্তি অনুযায়ী বাঁধের কোথাও কিছু হলে ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানই ঠিক করে দেবে। ঠিকাদারকে ডেকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। শিগগিরই এর সমাধান হবে।

আরও পড়ুন:
ঢল এলেই তলিয়ে যায় ঝিনাইগাতী
কমেছে ঢলের পানি, কাটেনি আতংক

শেয়ার করুন

মন্তব্য

‘রংপুর অঞ্চলে বোমা তৈরি করত ওয়াহেদ’

‘রংপুর অঞ্চলে বোমা তৈরি করত ওয়াহেদ’

র‍্যাব কর্মকর্তা শেখ আল মঈন বলেন, ‘ওয়াহেদ আলীর নেতৃত্বে এই বাড়িতে বোমা তৈরি করা হতো বলে আমরা জেনেছি। রংপুর অঞ্চলে সেই এই কাজ করত।’

নীলফামারী সদরের সোনারায়ের একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে পাঁচ জঙ্গিকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে র‌্যাব।

শনিবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ১১টা পর্যন্ত এই বাড়িতে অভিযান চালানো হয়।

এ সময় ওহিদুল ইসলাম, ওয়াহেদ আলী, আব্দুল্লাহ আল মামুন, জাহিদুল ইসলাম ও নুরুল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযানে বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করার কথাও জানায় র‌্যাবের বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট।

সকাল ১০টার দিকে হেলিকপ্টারে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছান র‌্যাবের বম্ব ডিসপোজাল ইউনিটসহ র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক শেখ আল মঈন।

সাংবাদিকদের তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার রাতে নীলফামারীর বিভিন্ন জায়গা থেকে ওই পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে আজ সকাল থেকে সোনারায় ইউনিয়নের পুটিহারীর শরিফুল ইসলামের বাড়িটি ঘিরে রাখা হয়। পরে বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট অভিযান চালিয়ে বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার করে।

‘রংপুর অঞ্চলে বোমা তৈরি করত ওয়াহেদ’

র‌্যাব কর্মকর্তা শেখ আল মঈন বলেন, ‘ওয়াহেদ আলীর নেতৃত্বে এই বাড়িতে বোমা তৈরি করা হতো বলে আমরা জেনেছি। রংপুর অঞ্চলে সেই এই কাজ করত।’

আটকের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র‌্যাব ১৩ রংপুর কার্যালয়ে নেয়া হয়েছে। বিকেলে রংপুরে অভিযানে বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে সব জানানো হবে বলে জানান তিনি।

অভিযানের সময় র‍্যাব একটি আইইডি সদৃশ বিস্ফোরক শনাক্ত করে। বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট এটি নিষ্ক্রিয় করেছে।

জঙ্গিদের কোন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে তা জানাননি এই কর্মকর্তা। অভিযানের সময় ঘিরে রাখা বাড়ির আশপাশে হাজারও মানুষ ভিড় করেন।

আরও পড়ুন:
ঢল এলেই তলিয়ে যায় ঝিনাইগাতী
কমেছে ঢলের পানি, কাটেনি আতংক

শেয়ার করুন

ভেঙে ফেলা হলো মেয়র আব্বাসের অবৈধ মার্কেট

ভেঙে ফেলা হলো মেয়র আব্বাসের অবৈধ মার্কেট

কাটাখালী বাজারের বাসস্ট্যান্ডের পাশে সরকারি খালের ওপর নির্মাণাধীন দোতলা মার্কেটে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। ছবি: নিউজবাংলা

পবা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শেখ এহসান উদ্দীন জানান, সরকারি জায়গা দখলমুক্ত করার জন্য এই অভিযান। খালের ওপর নির্মাণাধীন ভবনটি উচ্ছেদের জন্য ২৫ আগস্ট নোটিশ দেয়া হয়েছিল।

সরকারি খালের ওপর নির্মিত কাটাখালী পৌরসভার মেয়র আব্বাস আলীর মার্কেট ভেঙে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

শনিবার সকাল ৯টার দিকে পবা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শেখ এহসান উদ্দীন কাটাখালী বাজারের বাসস্ট্যান্ডের পাশে সরকারি খালের ওপর নির্মাণাধীন দোতলা মার্কেটে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেন।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘সরকারি জায়গা দখলমুক্ত করার জন্য এই অভিযান। খালের ওপর নির্মাণাধীন ভবনটি উচ্ছেদের জন্য ২৫ আগস্ট নোটিশ দেয়া হয়েছিল।’

স্থানীয়দের অভিযোগ, দ্বিতীয়বার নৌকার মনোনয়ন নিয়ে মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর আব্বাস আলী কাটাখালি বাজারের পানি নিষ্কাশনের প্রধান খালটি দখল করে তার ওপর দোতলা মার্কেটের নির্মাণকাজ শুরু করেন।

সম্প্রতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল বসানো নিয়ে আপত্তি তোলা মেয়র আব্বাসের একটি অডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়।

১ মিনিট ৫১ সেকেন্ডের ওই অডিওতে তিনি বলেন, ‘সিটি গেট আমার অংশে। ... ফার্মকে দিয়েছে তারা বিদেশি স্টাইলে সাজিয়ে দিবে; ফুটপাত, সাইকেল লেন টোটাল আমার অংশটা। কিন্তু একটু থেমে গেছি, গেটটা নিয়ে। একটু চেঞ্জ করতে হচ্ছে যে ম্যুরালটা দিয়েছে বঙ্গবন্ধুর, সেটা ইসলামি শরিয়ত মতে সঠিক নয়। এ জন্য আমি ওটা থুব না (রাখব না), সব করব তবে শেষ মাথাতে যেটা ওটা (ম্যুরাল)।’

তিনি বলেন, ‘আমি দেখতে পাচ্ছি, ম্যুরালটা ঠিক হবে না দিলে। আমার পাপ হবে; তো কেন দিব, দিব না। আমি তো কানা না, যেভাবে বুঝাইছে তাতে আমার মনে হয়েছে, ম্যুরালটা হলে আমার ভুল করা হবে।

‘এ খবরটা যদি যায় তাহলে আমার রাজনীতির বারোটা বাজবে যে এই ম্যুরাল দিছে না। তাহলে বঙ্গবন্ধুকে খুশি করতে গিয়ে আল্লাহকে নারাজ করব নাকি। এ জন্য কিছু করার নাই। মানুষকে সন্তুষ্ট করতে গিয়ে আল্লাহকে অসন্তুষ্ট করা যাবে না।’

এ ঘটনায় ২৪ নভেম্বর আব্বাসের বিরুদ্ধে বোয়ালিয়া থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়। ১ ডিসেম্বর ভোরে রাজধানীর হোটেল রাজমনি ইশা খাঁ থেকে গ্রেপ্তার করে তাকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

পুলিশ তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেছে। আগামী রোববার রিমান্ডের শুনানি হবে।

আরও পড়ুন:
ঢল এলেই তলিয়ে যায় ঝিনাইগাতী
কমেছে ঢলের পানি, কাটেনি আতংক

শেয়ার করুন

বঙ্গবন্ধুর সহচর গোলাম হাসনায়েন আর নেই

বঙ্গবন্ধুর সহচর গোলাম হাসনায়েন আর নেই

একুশে পদক প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম হাসনায়েন।

গোলাম হাসনায়েন উল্লাপাড়ায় জন্ম গ্রহণ করেন। আইন বিষয়ে লেখাপড়া শেষে তিনি পাবনা জেলা জজ আদালতে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী হিসেবে কাজ করেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর গোলাম হাসনায়েন আজীবন আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন।

একুশে পদক প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক গণপরিষদ সদস্য, ৭২ এর সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য পাবনার জ্যেষ্ঠ আইনজীবী গোলাম হাসনায়েন মারা গেছেন।

শনিবার ভোরে শহরের পৌর এলাকার নিজ বাড়িতে মারা যান তিনি। গোলাম হাসনায়েন বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।

পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল রহিম লাল তার মৃত্যুর তথ্য নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বিকেলে ভোকেশনাল স্কুল মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

গোলাম হাসনায়েন উল্লাপাড়ায় জন্ম গ্রহণ করেন। আইন বিষয়ে লেখাপড়া শেষে তিনি পাবনা জেলা জজ আদালতে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী হিসেবে কাজ করেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর গোলাম হাসনায়েন আজীবন আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন।

ভাষা আন্দোলনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৭০ সালে জাতীয় নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদে উল্লাপাড়া আসন থেকে সদস্য (এমসিএ) নির্বাচিত হন।

তিনি ’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক হিসেবে মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করা, প্রশিক্ষণ, অস্ত্র সংগ্রহসহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধের পরে ১৯৭২ সালের দেশের প্রথম সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য ছিলেন তিনি।

আজীবন পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে দায়িত্ব পালন করেছেন। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ২০২১ সাল তাকে একুশে পদক দেয়া হয়।

গোলাম হাসনায়েনের মৃত্যুতে পাবনার মুক্তিযোদ্ধা, আইনজীবী ও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আরও পড়ুন:
ঢল এলেই তলিয়ে যায় ঝিনাইগাতী
কমেছে ঢলের পানি, কাটেনি আতংক

শেয়ার করুন

ক্যাম্প থেকে অস্ত্র, ইয়াবাসহ যুবক আটক

ক্যাম্প থেকে অস্ত্র, ইয়াবাসহ যুবক আটক

কামরান হোসেন জানান, রবিনের কাছ থেকে একটি রিভলবার, চারটি গুলি ও ২ হাসার ২৭২ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনিব্যবস্থা শেষে টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হবে।

কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ের রোহিঙ্গা শিবির থেকে অস্ত্র, ইয়াবাসহ এক যুবককে আটক করা হয়েছে।

শনিবার ভোররাতে ১৫ নম্বর ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে রবিন লেতটিয়াকে আটক করা হয়।

নিউজবাংলাকে এদিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) কামরান হোসেন।

আটক রবিন টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের হরিণখোলা এলাকার ক্যাচচিং চাকমার ছেলে।

কামরান হোসেন আরও জানান, রবিনের কাছ থেকে একটি রিভলবার, চারটি গুলি ও ২ হাসার ২৭২ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনিব্যবস্থা শেষে টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হবে।

আরও পড়ুন:
ঢল এলেই তলিয়ে যায় ঝিনাইগাতী
কমেছে ঢলের পানি, কাটেনি আতংক

শেয়ার করুন

আশ্বাসে টঙ্গীতে মহাসড়ক ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা

আশ্বাসে টঙ্গীতে মহাসড়ক ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা

টঙ্গীতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেন। ছবি: নিউজবাংলা

আন্দোলনরত শিক্ষার্থী রাকিবুল হাসান বলেন, ‘ঢাকার শিক্ষার্থীদের জন্য হাফ পাস, অথচ সারা দেশের শিক্ষার্থীরা পূর্ণ ভাড়া দেবে, এটা হতে পারে না। এক দেশে দুই নীতি কেন? ঢাকার মতো সারা দেশেও গণপরিবহনে হাফ ভাড়া কার্যকর করতে হবে।’

সারা দেশে গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া নিশ্চিতের দাবিতে গাজীপুরের টঙ্গীতে মহাসড়ক অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। পরে পুলিশের আশ্বাসে সড়ক ছাড়েন তারা।

শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় কলেজ গেইট এলাকায় সফিউদ্দিন সরকার একাডেমি অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুরমুখী সড়ক অবরোধ করেন।

এসময় ওই সড়কে যানচলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। পরে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে বেলা ১১টার দিকে মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেন। তবে শিক্ষার্থীরা মহাসড়কের পাশেই অবস্থান নিয়ে হাফ ভাড়ার দাবিতে বিক্ষোভ করে। দুপুর ১২টার দিকে সেখান থেকেও সরে যায় শিক্ষার্থীরা।

টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ আলম বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা সারা দেশের গণপরিবহনে হাফ ভাড়া নিশ্চিত করার দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। আমরা তাদেরকে আশ্বাস দিয়েছি বিষয়টি সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে সমাধান করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেয়ার পর যানচলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।’

আন্দোলনরত শিক্ষার্থী রাকিবুল হাসান বলেন, ‘ঢাকার শিক্ষার্থীদের জন্য হাফ পাস, অথচ সারা দেশের শিক্ষার্থীরা পূর্ণ ভাড়া দেবে, এটা হতে পারে না। এক দেশে দুই নীতি কেন? ঢাকার মতো সারা দেশেও গণপরিবহনে হাফ ভাড়া কার্যকর করতে হবে।’

রাজধানী ঢাকায় নিরাপদ সড়ক, গণপরিবহনে হাফ ভাড়ার দাবিতে দীর্ঘদিন থেকেই বিক্ষোভ চলছে। দাবির মুখে সরকার বিটিআরসির সব বাসে হাফ ভাড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করার কথা জানায়।

পরে বাস মালিক সমিতিও রাজধানীতে বাসে শিক্ষার্থীদের পরিচয়পত্র দেখানোসহ কয়েকটি শর্তে হাফ ভাড়া কার্যকর করে। তবে সারা দেশের শিক্ষার্থীদের জন্যই হাফ ভাড়া দাবিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে তারপর থেকেই বিক্ষোভ চলছে।

আরও পড়ুন:
ঢল এলেই তলিয়ে যায় ঝিনাইগাতী
কমেছে ঢলের পানি, কাটেনি আতংক

শেয়ার করুন

কুয়েটে শিক্ষকের মৃত্যু: ফের তদন্ত কমিটি

কুয়েটে শিক্ষকের মৃত্যু: ফের তদন্ত কমিটি

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক মো. সেলিম হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

কুয়েটের সহকারী রেজিস্ট্রার আক্কাস আলী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আগের কমিটি অপারগতা প্রকাশ করায় তা বাতিল করে শুক্রবার রাতে নতুন কমিটি করা হয়েছে।’

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) শিক্ষক অধ্যাপক সেলিম হোসেনের মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কুয়েটের সিন্ডিকেট সভায় শুক্রবার রাতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এ নিয়ে মৃত্যুর ঘটনায় দ্বিতীয় দফায় কমিটি গঠন করল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সেলিম হোসেনের মৃত্যুর পর গঠিত প্রথম তদন্ত কমিটিটি বাতিল করা হয়েছে।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কুয়েটের সহকারী রেজিস্ট্রার আক্কাস আলী। তিনি বলেন বলেন, ‘আগের কমিটি অপারগতা প্রকাশ করায় তা বাতিল করে শুক্রবার রাতে নতুন এই কমিটি করা হয়েছে।’

নতুন কমিটিতে কুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক মহিউদ্দিন আহমেদকে সভাপতি ও গণিত বিভাগের অধ্যাপক আলহাজ উদ্দিনকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। এ ছাড়া কমিটিতে সদস্য করা হয়েছে কুয়েটের অধ্যাপক খন্দকার মাহবুব, খুলনা জেলা প্রশাসকের একজন প্রতিনিধি ও খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের একজন প্রতিনিধিকে।

কমিটিকে আগামী ১০ দিনের মধ্যে সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

গত ৩০ নভেম্বর দুপুরে কুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক সেলিম হোসেনের মৃত্যু হয়।

কিছু ছাত্রের কারণে এই শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে এমন দাবি তুলে বৃহস্পতিবার প্রতিবাদ র‍্যালি ও সমাবেশ করে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।

শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে বলা হয়, উচ্ছৃঙ্খল কিছু ছাত্রের অপমান, অবরুদ্ধ ও মানসিক নির্যাতনে অধ্যাপক সেলিমের মৃত্যু হয়েছে।

সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের আওতায় এনে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার না করা পর্যন্ত শিক্ষকরা সব ধরনের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকবেন বলেও ঘোষণা দেন তারা।

এই প্রেক্ষাপটে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত কুয়েট বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পর শিক্ষার্থীরা ই‌তিম‌ধ্যে হল ছে‌ড়ে‌ছেন। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পু‌লিশ মোতা‌য়েন র‌য়ে‌ছে।

আরও পড়ুন:
ঢল এলেই তলিয়ে যায় ঝিনাইগাতী
কমেছে ঢলের পানি, কাটেনি আতংক

শেয়ার করুন

ডেমু ট্রেন-বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষ, পুলিশসহ নিহত ২

ডেমু ট্রেন-বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষ, পুলিশসহ নিহত ২

চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানার ওসি সরোয়ার আলম জানান, লেভেল ক্রসিংয়ের দুই গেট আটকানো অবস্থায় একটি অটোরিকশা উল্টোপথে রেললাইন অতিক্রম করার চেষ্টা করে। এর পেছনে একটি বাসও লাইনের ওপর উঠে যায়। এ সময় ট্রেনটি এসে বাস ও অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়।

চট্টগ্রাম নগরের খুলশীতে ডেমু ট্রেন, বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে ট্রাফিক পুলিশের কনস্টেবলসহ দুজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ছয়জন।

খুলশী থানার ঝাউতলা এলাকায় লেভেল ক্রসিংয়ে শনিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।

খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীনুজ্জামান জানান, নিহতরা হলেন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের ট্রাফিক উত্তর বিভাগের কনস্টেবল মনির হোসেন। তার বাড়ি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে। নিহত আরেকজন হলেন পাঁচলাইশ থানার হামজারবাগ এলাকার সৈয়দ বাহাউদ্দিন আহমেদ।

চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানার ওসি সরোয়ার আলম জানান, একটি ডেমু ট্রেন ষোলশহর থেকে চট্টগ্রাম স্টেশনে যাচ্ছিল। এ সময় জাকির হোসেন রোডের ওই লেভেল ক্রসিংয়ের দুই দিকের গেট আটকানো ছিল।

তবে এর মধ্যেও একটি অটোরিকশা উল্টোপথে লাইন অতিক্রম করার চেষ্টা করে। এর পেছনে একটি বাসও লাইনের ওপর উঠে যায়। এ সময় ট্রেনটি এসে বাস ও অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই বাসচালক সৈয়দ বাহাউদ্দিন আহমেদের মৃত্যু হয়।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক মনিরকে মৃত ঘোষণা করেন।

চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আলাউদ্দিন তালুকদার জানান, আহত ছয়জনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যালে ভর্তি করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম রেলস্টেশন ব্যবস্থাপক রতন কুমার চৌধুরী বলেন, ‘লাইন থেকে গাড়িগুলো সরানো হয়েছে। এই দুর্ঘটনার কারণে ট্রেন চলাচলে কোনো সমস্যা হচ্ছে না।’

আরও পড়ুন:
ঢল এলেই তলিয়ে যায় ঝিনাইগাতী
কমেছে ঢলের পানি, কাটেনি আতংক

শেয়ার করুন