মেঝে খুঁড়ে ২২ গোখরা সাপ

মেঝে খুঁড়ে ২২ গোখরা সাপ

জীবননগরে একটি বাড়ি থেকে উদ্ধারের পর ২২টি বিষধর সাপকে হত্যা করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা

বাড়ির মালিক মনি মিয়া জানান, ঘরের মেঝেতে ইঁদুরের গর্ত রয়েছে। সেখান থেকে সাপের আওয়াজ শুনতে পেয়ে বিকেলে কয়েকজন যুবককে নিয়ে ঘরের মেঝের মাটি খুঁড়তে শুরু করি।  এক পর্যায়ে গর্ত থেকে বেরিয়ে আসতে থাকে গোখরো সাপ। ঘরের অর্ধেক মাটি কাটা শেষ হতেই ২২টি গোখরো পাওয়া যায়। পরে সাপগুলোকে মেরে ফেলা হয়।

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে একটি বাড়ি থেকে উদ্ধারের পর ২২টি বিষধর সাপকে হত্যা করা হয়েছে।

জীবননগর উপজেলার উথলী গ্রামের কৃষক মনি মিয়ার বাড়ির একটি ঘর থেকে বুধবার বিকেল চারটার দিকে সাপগুলো উদ্ধার হয়।

বাড়ির মালিক মনি মিয়া জানান, ঘরের মেঝেতে ইঁদুরের গর্ত রয়েছে। সেখান থেকে সাপের আওয়াজ শুনতে পেয়ে বিকেলে কয়েকজন যুবককে নিয়ে ঘরের মেঝের মাটি খুঁড়তে শুরু করি। এক পর্যায়ে গর্ত থেকে বেরিয়ে আসতে থাকে গোখরা সাপ। ঘরের অর্ধেক মাটি কাটা শেষ হতেই ২২টি গোখরা পাওয়া যায়। পরে সাপগুলোকে মেরে ফেলা হয়।

তিনি আরও জানান, মা সাপটি ধরা পরেনি। তাই আতঙ্কে আছি। সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় খোঁড়ার কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। গর্তগুলোর মুখ বন্ধ করে রাখা হয়েছে। আগামীকাল সকালে আবার গর্ত খোঁড়া হবে।

স্থানীয় ওঝা রফিকুল ইসলাম বলেন, এগুলো গোখরা সাপ। বেশিরভাগ সময় এ সাপ ফসলের জমি, জলাভূমি, জঙ্গল অথবা মানুষের ঘরে বাস করে। সাধারণত জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে স্ত্রী সাপ ডিম পাড়ে। ডিম ফুটে বাচ্চা না হওয়া পর্যন্ত মা সাপ ডিমের সঙ্গেই থাকে। নিশাচর এই সাপটি মাছ, ইদুর, ব্যাঙ, টিকটিকি, ছোট সাপ ইত্যাদি খেয়ে থাকে।

উথলী ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বলেন, গ্রামের আমতলা পাড়ায় একটি বসতঘরের মেঝে থেকে ২২টি গোখরা সাপ উদ্ধার হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকেই ওই এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।

আরও পড়ুন:
সাপের কামড়ে ট্রাক হেলপারের মৃত্যু
হাঁস খেতে এসে লোকালয়ে ধরা গুইসাপ
বনে ফিরল লোকালয়ে পাওয়া অজগর
মুরগির খোপে গিয়ে ধরা অজগর
বাড়িতে মিলল ২টি গোখরো সাপ ও ৯২টি ডিম

শেয়ার করুন