নদীতে লাফাতে গিয়ে কলেজছাত্রের মৃত্যু

নদীতে লাফাতে গিয়ে কলেজছাত্রের মৃত্যু

ভিডিওতে ধরা পড়ে কলেজছাত্রের নদীতে লাফ দেয়ার দৃশ্য

ইউএনও আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, মঙ্গলবার দুপুরে ইমন বন্ধুদের সঙ্গে বারনই নদীর পানিতে লাফালাফি করছিল। হঠাৎ একবার লাফ দিয়ে ইমন পানিতে তলিয়ে যায়।

নাটোরের নলডাঙ্গায় নদীতে লাফালাফি করার সময় পানিতে ডুবে এক কলেজছাত্রের মৃত্যু হয়েছে।

উপজেলার সোনাপাতিল এলাকার বারনই নদী থেকে বুধবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে ওই কলেজছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করে নলডাঙ্গা ফায়ার সার্ভিস ও রাজশাহীর ডুবুরি দল।

১৭ বছর বয়সী ওই কলেজছাত্রের নাম ইমন আলী। সে নলডাঙ্গা উপজেলার হলুদঘর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে। সে সাধনপুর বিএম কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিল।

নলডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, মঙ্গলবার দুপুরে ইমন বন্ধুদের সঙ্গে বারনই নদীর পানিতে লাফালাফি করছিল। হঠাৎ একবার লাফ দিয়ে ইমন পানিতে তলিয়ে যায়। স্থানীয় এক যুবক ওই কিশোরদের লাফালাফির ভিডিও করছিল।

তিনি জানান, ভিডিও করলেও ঘটনাটি তিনি তখন খেয়াল করেননি। একপর্যায়ে সবাই নদী থেকে উঠে এলেও ইমন আসে না। পরে তাকে আশপাশে খোঁজাখুঁজি করে তার পরিবার। পরে ভিডিওটি ভালো করে খেয়াল করে সবাই দেখতে পান, ইমন লাফ দিয়ে পানিতে তলিয়ে যায়।

তিনি আরও জানান, মঙ্গলবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত এলাকাবাসী খুঁজলেও ইমনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। বুধবার সকালে এলাকাবাসীকে নিয়ে নলডাঙ্গা ফায়ার সার্ভিস ও রাজশাহী থেকে আসা ডুবুরিরা নদীর ভাটির দিকে নৌকা নিয়ে ইমনের খোঁজ শুরু করে। বিকেলে নিখোঁজের প্রায় ২৬ ঘণ্টা পর তার মরদেহ পাওয়া যায়।

কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই ইমনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান ইউএনও।

আরও পড়ুন:
রূপগঞ্জের ডোবায় অজ্ঞাতপরিচয় মরদেহ
পরিত্যক্ত জমিতে যুবকের মরদেহ
ব্যাংকে নৈশপ্রহরীর মরদেহ
১৩ বছরে বিয়ে, পরদিনই মৃত্যু
পরিত্যক্ত দোকানে মিলল তরুণের ঝুলন্ত মরদেহ

শেয়ার করুন

মন্তব্য