মা ডেকে ঘরে, পরে লুট

মা ডেকে ঘরে, পরে লুট

প্রায় ৬ মাস আগে মাদারীপুর জেলা কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় ওই এলাকার মিন্টু তপাদারের সঙ্গে পরিচয় হয় গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার বাগাইদিয়া গ্রামের মিরন শিকদারের। পরে বাড়ে ঘনিষ্ঠতা। দুইজনে জামিনে মুক্ত হলে স্ত্রী মিতা মজুমদারকে সঙ্গে নিয়ে মিন্টুর বাড়িতে বেড়াতে আসেন মিরন। মিন্টুর মা আমেনা বেগমকে মিরনের স্ত্রী ‘মা’ ডাকতে শুরু করেন।

মাদারীপুরে মা ডেকে ঘরে আশ্রয় নিয়েছিল দুই জন। পরে লুট করে নিয়ে গেছে সব কিছু। এতে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে পরিবারটি।

গত বুধবার জেলার রাজৈর উপজেলার বাজিতপুর ইউনিয়নের গঙ্গাবর্দী এলাকার মিন্টু তপাদারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে বলে ভুক্তভোগী পরিবারটি জানিয়েছে রোববার।

প্রায় ৬ মাস আগে মাদারীপুর জেলা কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় ওই এলাকার মিন্টু তপাদারের সঙ্গে পরিচয় হয় গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার বাগাইদিয়া গ্রামের মিরন শিকদারের। পরে বাড়ে ঘনিষ্ঠতা।

দুইজনে জামিনে মুক্ত হলে স্ত্রী মিতা মজুমদারকে সঙ্গে নিয়ে মিন্টুর বাড়িতে বেড়াতে আসেন মিরন। তার মিন্টুর মা আমেনা বেগমকে মিরনের স্ত্রী ‘মা’ ডাকতে শুরু করেন। এরপর দুই পরিবারের মধ্যে শুরু হয় যাতায়াত, বাড়ে ঘনিষ্ঠতা।

গত মঙ্গলবারও মিরন এবং মিতা বেড়াতে আসেন মিন্টুদের বাড়ি। বুধবার সকালে সবার অগোচরে ঘরে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে কৌশলে পালিয়ে যান তারা।

পরে তাদের মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগ করে তা বন্ধ পায় ভুক্তভোগীর পরিবার।

এ ব্যাপারে রাজৈর থানায় অভিযোগ করেছেন তারা। বিষয়টি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

ভুক্তভোগী আমেনা বেগম বলেন, ‘মেয়ে হিসেবে আশ্রয় দেয়ায় কপাল পুড়ল আমার।’

মিন্টু তপাদার অভিযোগ করে বলেন, ‘থানায় লিখিত জানালেও ব্যবস্থা নিচ্ছে না পুলিশ। ঘটনার তদন্ত করে সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।’

রাজৈর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন জানান, ‘প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে আরও তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

শেয়ার করুন

মন্তব্য