নানার বাড়িতে নাতনির ঝুলন্ত মরদেহ

নানার বাড়িতে নাতনির ঝুলন্ত মরদেহ

প্রতীকী ছবি।

সাপাহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তদন্ত আল মাহমুদ জানান, স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে সন্ধ্যায় ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে সঠিক ঘটনা জানা যাবে।

নওগাঁর সাপাহারে এক বাড়ি থেকে ১৩ বছরের এক স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

উপজেলার কোচকুড়িলিয়া দক্ষিণপাড়া গ্রাম থেকে রোববার বিকেলে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

মৃত ওই ছাত্রী নানার বাড়িতে থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ত।

স্থানীয় ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কোচকুড়িলিয়া দক্ষিণপাড়া গ্রামে ৬-৭ বছর ধরে নানার বাড়িতে থেকে লেখাপড়া করত মেয়েটি। ঘটনার দিন বেলা ৩টার দিকে বাড়ির সদর দরজায় তালা লাগিয়ে তার নানা স্থানীয় দিঘি পাহারা দেয়ার জন্য যান। আর তার নানি গবাদিপশুর ঘাস কাটার জন্য মাঠে যান। এ সময় জান্নাতুন বাড়ির পাশে খেলা করছিল।

একপর্যায়ে জান্নাতুন তার নানার কাছ থেকে বাড়ির চাবি নিয়ে আসে। এরপর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নানা বাড়িতে এলে দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখে জান্নাতুনকে কয়েকবার ডাকাডাকি করেন। সাড়াশব্দ না পেয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন নানা।

ঘরে ঢুকে তারা সিলিংয়ের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় জান্নাতুনকে ঝুলতে দেখেন। স্থানীয়রা মেয়েটিকে নিচে নামিয়ে পুলিশে খবর দিলে তারা এসে মরদেহ উদ্ধার করে নওগাঁ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

স্থানীয় গোয়ালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোকলেছুর রহমান মুকুল বলেন, ‘ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। তবে এলাকাবাসীর কাছে শুনলাম মেয়েটার কিছুটা মানসিক সমস্যা ছিল।’

সাপাহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তদন্ত আল মাহমুদ জানান, স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে সন্ধ্যায় ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে সঠিক ঘটনা জানা যাবে।

আরও পড়ুন:
বড়াল নদীতে যুবকের মরদেহ
নিখোঁজের পর কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার
কারামুক্তির ১২ দিন পর সড়কে সেই মিনুর মৃত্যু
নিজ ঘরে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ
মানসিক ভারসাম্যহীন যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ

শেয়ার করুন

মন্তব্য