প্রবাসীদের টিকার নিবন্ধন: কলম ‘ভাড়া’ ১০ টাকা

প্রবাসীদের টিকার নিবন্ধন: কলম ‘ভাড়া’ ১০ টাকা

টিকার নিবন্ধন করতে ফেনী জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের সামনের একটি দোকানে প্রবাসীদের ভিড়। ছবি: নিউজবাংলা

‘নিবন্ধন করতে আসা প্রবাসীদের থেকে স্থানীয় দালাল চক্র বাড়তি দামে জিনিসপত্র বিক্রি করছে। ফটোকপি দুই টাকার জায়গায় ১০ টাকা। প্রতিজনের কাগজে স্ট্যাপলিং করা ১০ টাকা। কাগজে মোবাইল নম্বর লিখতে কলম ভাড়া ১০ টাকা নিচ্ছে।’

কলম ভাড়া নিতে শুনেছেন কখনও? হ্যাঁ, ফেনী জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের সামনের দোকানে একটি মোবাইল নম্বর লেখার জন্য কলম ভাড়া দিতে হয় ১০ টাকা। কাগজে স্ট্যাপলার করার জন্য ১০ টাকা। ফটোকপিও প্রতিকপি ১০ টাকা।

রোববার দুপুরে কুয়েত প্রবাসী মিজানুর রহমান ও শহিদুল ইসলাম করোনার টিকার নিবন্ধন শেষে এভাবেই তাদের অভিজ্ঞতার কথা জানান।

লকডাউনে প্রবাসীদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে এভাবেই ব্যবসা করছেন জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি কার্যালয়ের সামনের দোকানগুলোর অসাধু ব্যবসায়ীরা। গত দুই দিনে এভাবেই করোনার টিকার নিবন্ধন করতে আসা প্রবাসীদের থেকে টাকা নিয়েছেন তারা।

প্রবাসীরা জানান, টিকার নিবন্ধন করতে এসে ফেনী জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসে এসে নানা ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে তাদের। ওয়েবসাইটে অফিসের যে ঠিকানা দেয়া হয়েছে তা কয়েক বছর আগের। এ কারণে ভুল ঠিকানায় গিয়ে আবার শহরের আরেকপ্রান্তে বর্তমান অফিসে আসতে হচ্ছে।

নতুন অফিসে আসার পরও ভোগান্তি শেষ হচ্ছে না। প্রবাসীদের অভিযোগ, সার্ভার জটিলতায় অফিস কর্তৃপক্ষ তাদের থেকে শুধুমাত্র কাগজপত্র রেখে ছেড়ে দিচ্ছে। তাদের কবে কখন কীভাবে রেজিস্ট্রেশন হবে? তারা কখন টিকা পাবেন অফিসের কর্মকর্তারা কিছুই বলছেন না।

তারা জানান, এ কারণে অনেকে অফিসের সামনের দোকানগুলোতে নিবন্ধন করতে যাচ্ছেন। কিন্তু সেখানে ব্যবসায়ীরা তাদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে একটা মোবাইল নম্বর লেখার জন্যও ১০ টাকা কলম ভাড়া নিচ্ছে। অন্য সবকিছুর জন্যও কয়েকগুণ টাকা বেশি নেয়া হচ্ছে।

প্রবাসী মিজানুর বলেন, ‘আমরা প্রবাসী। আমাদের বলা হয়, রেমিট্যান্সযোদ্ধা। দেশে বেকারত্বের অবসান ঘটিয়ে অর্থনীতির চাকা সচল রাখছি আমরা। মা-বাবা স্ত্রী ছেলে-মেয়েসহ নিকট আত্মীয়দের থেকে দূরে থেকে রেমিট্যান্স পাঠাই দেশে।

‘চলমান লকডাউনে দেশে এসে বেকায়দায় পড়েছি। আবার যাওয়ার আশায় টিকার জন্য কখনও রাজধানী, কখনও জেলা শহরে ছুটে হয়রানির শিকার হচ্ছি।’

প্রবাসীদের টিকার নিবন্ধন: কলম ‘ভাড়া’ ১০ টাকা
ফেনী জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের সামনে ভিড়

এর আগে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ৩ জুলাই থেকে ৮ জুলাই পর্যন্ত সৌদি আরব ও কুয়েতগামী কর্মীদের ডাটাবেজে নাম নিবন্ধন করা হবে। ফেনীতে নিবন্ধনের তারিখ দেয়া হয় ৩ ও ৪ জুলাই।

সেই অনুযায়ী, ফেনীর প্রবাসীরা করোনা টিকার নিবন্ধন করতে জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসে যান।

কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, স্বাস্থ্যবিধি মানার বালাই নেই নিবন্ধন করতে আসা প্রবাসীদের মধ্যে। ভিড় করে ফরম জমা দিচ্ছেন তারা। তাদের মধ্যে কেউ কেউ ওয়েবসাইটে আগের ঠিকানা দেয়া নিয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে তর্কে জড়াচ্ছেন।

প্রবাসীরা জানান, অনেকের টিকিটের মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে। আগে বিদেশ গিয়ে কোয়ারেন্টিনে থাকা যেত। সৌদি সরকার সেটাও বন্ধ করে দিয়েছে বলে শুনেছেন। এখন দেশেই কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে।

দ্রুত টিকা দিতে না পারলে তাদের বিদেশ যাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। এ কারণে টিকা পেতে তাদের তাড়া আছে।

সৌদি প্রবাসী শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘নিবন্ধন করতে আসা প্রবাসীদের থেকে স্থানীয় দালাল চক্র বাড়তি দামে জিনিসপত্র বিক্রি করছে। ফটোকপি দুই টাকার জায়গায় ১০ টাকা। প্রতিজনের কাগজে স্ট্যাপলিং করা ১০ টাকা। কাগজে মোবাইল নম্বর লিখতে কলম ভাড়া ১০ টাকা নিচ্ছে।

‘লকডাউনের কারণে দোকানপাট বন্ধ থাকায় বাড়তি দাম দিতে হচ্ছে প্রবাসীদের। এমন জঘন্য আচরণ, আমরা আর কখনও মুখোমুখি হইনি।’

ঈসা মিয়া বলেন, ‘ওয়েবসাইট দেখে লকডাউনের মধ্যে টাকা খরচ করে ফেনীর সেলিনা পারভিন সড়কে যাই। সেখানে গিয়ে আলাপ করলে মানুষজন বলেন, ২০১৭ সালে এখান থেকে অফিসটি স্থানান্তর হয়ে গেছে।

‘লকডাউনের মধ্যে বেশি টাকা খরচ করে এখানে এসেছি। এমনিতেই পকেটে টাকা নেই। আজ আবার বাড়তি ১২ শ টাকা খরচ হয়েছে।’

প্রবাসীদের টিকার নিবন্ধন: কলম ‘ভাড়া’ ১০ টাকা
সরকারি ওয়েবসাইটে দেয়া আগের ঠিকানা

জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের সহকারী পরিচালক নীহার কান্তি খীসা বলেন, ‘সার্ভার জটিলতা আছে। মানুষ কিন্তু সার্ভারে চেষ্টা না করে সোজা এখানে চলে আসে। আমরা এখন সব প্রবাসীর কাগজ নিচ্ছি।

‘এখান থেকে সৌদি ও কুয়েতকে আলাদা করে রেজিস্ট্রেশন করব। বাইরে বাড়তি টাকা আদায়ের কথা শুনেছি। এজন্য আমি সেখানে ১০টি কলম ঝুলিয়ে দিয়েছি। আর বাড়তি টাকা নিতে পারবে না।’

আরও পড়ুন:
প্রবাসী শ্রমিকদের টিকা নিবন্ধন শুরু
প্রবাসীদের টিকার সমস্যা মিটবে মঙ্গলবার থেকে
‘আমি প্রবাসী’ তে যুক্ত হলো ব্র্যাক-বাংলা ট্র্যাক
ইতালিতে ফিরতে সরকারের সহযোগিতা চান প্রবাসীরা
ডাকাতিতে নিঃস্ব সৌদিফেরত যুবকের বিয়ে থেমে গেছে

শেয়ার করুন

মন্তব্য

৩ ফার্মেসিকে জরিমানা ৪ লাখ

৩ ফার্মেসিকে জরিমানা ৪ লাখ

গুলশানে র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত তিন ফার্মেসিকে অর্থদণ্ড দেয়। ছবি: নিউজবাংলা

র‍্যাব-৪ এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আনিসুর রহমান জানান, ফার্মেসিগুলো অনুমোদনহীন ও আমদানি নিষিদ্ধ ওষুধ বিক্রি করছিল। সে জন্য ফার্মেসিগুলোর ম্যানেজারদের অর্থদণ্ড দেয়া হয়।

অনুমোদনহীন ও আমদানি নিষিদ্ধ ওষুধ রাখায় রাজধানীর গুলশানের তিন ফার্মেসিকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

গুলশান-২ এলাকায় বৃহস্পতিবার র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত এ অভিযান চালায়।

র‍্যাব-৪ এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আনিসুর রহমান জানান, ফার্মেসিগুলো অনুমোদনহীন ও আমদানি নিষিদ্ধ ওষুধ বিক্রি করছিল। সে জন্য ফার্মেসিগুলোর ম্যানেজারদের অর্থদণ্ড দেয়া হয়।

অভিযানের সময় ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। বেলা সাড়ে ১১টা থেকে ২টা পর্যন্ত চলা অভিযানে জান্নাত ফার্মার ম্যানেজার সাজ্জাদ হোসেন রিজবুকে ২ লাখ, ইউনাইটেড ফার্মা ব্রাঞ্চ-১ এর ম্যানেজার শাহাদাত আলমকে দেড় লাখ ও ইউনাইটেড ফার্মা ব্রাঞ্চ-২ এর ম্যানেজার আব্দুল হামিদকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

তিন ফার্মেসি থেকে জব্দ করা ওষুধ ধ্বংস করে দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত।

আরও পড়ুন:
প্রবাসী শ্রমিকদের টিকা নিবন্ধন শুরু
প্রবাসীদের টিকার সমস্যা মিটবে মঙ্গলবার থেকে
‘আমি প্রবাসী’ তে যুক্ত হলো ব্র্যাক-বাংলা ট্র্যাক
ইতালিতে ফিরতে সরকারের সহযোগিতা চান প্রবাসীরা
ডাকাতিতে নিঃস্ব সৌদিফেরত যুবকের বিয়ে থেমে গেছে

শেয়ার করুন

সহজ হলো ডলার এনডোর্সমেন্ট

সহজ হলো ডলার এনডোর্সমেন্ট

বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগের সার্কুলারে বলা হয়েছে, পাসপোর্টের মেয়াদ যত বছর থাকবে, তত বছরের জন্য একসঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রা এনডোর্সমেন্ট করা যাবে। তবে বাৎসরিক সীমা ১২ হাজার ডলার অতিক্রম করতে পারবে না। ভ্রমণ কোটার অব্যবহৃত অংশ পরবর্তী বছরে স্থানান্তর করা যাবে না।

বি‌দেশ ভ্রমণে ডলার এনডোর্সমেন্ট সহজ করে‌ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এখন থে‌কে পাসপোর্টের মেয়াদ যত‌ বছর থাক‌বে, তত বছ‌রের জন্য একস‌ঙ্গে বৈ‌দে‌শিক মুদ্রা এনডোর্সমেন্ট করা‌ যা‌বে। তবে নিয়ম অনুযায়ী বছরে ১২ হাজার ডলারের বেশি খরচ করতে পারবে না।

বৃহস্প‌তিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ এ সার্কুলার জারি করেছে।

সার্কুলারে বলা হ‌য়ে‌ছে, অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকসংশ্লিষ্ট নিবাসী বাংলাদেশি ব্যক্তির অনুকূলে তার পাসপোর্টের মেয়াদ থাকাকালীন আন্তর্জাতিক কার্ডে বৈদেশিক মুদ্রা ছাড় ও নির্ধারণ করতে পারবে। ত‌বে এডি ব্যাংককে নির্দিষ্ট কয়েকটি শর্ত মেনে চলতে হবে।

বাৎসরিক সীমা ১২ হাজার ডলার অতিক্রম কর‌তে পার‌বে না। ভ্রমণ কোটার অব্যবহৃত অংশ পরবর্তী বছরে স্থানান্তর করা যাবে না।

এ ছাড়া বিদেশে চাকরি ও ইমিগ্র্যান্ট হিসেবে কিংবা শিক্ষার জন্য বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে পাসপোর্টের মেয়াদকালীন এনডোর্সমেন্ট করা যাবে না বলে সার্কুলারে বলা হয়েছে।

তবে সম্পূরক কার্ডধারী ব্যক্তি তার ভ্রমণ কোটার আওতায় এ সুবিধা পাবে।

বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভ্রমণ কোটা প্রযোজ্য হয়ে থাকে। তবে নির্দিষ্ট ভ্রমণ পরবর্তী বছরের মধ্যে পড়লে ৩১ ডিসেম্বর সময় পর্যন্ত একটি কোটা এবং ১ জানুয়ারি থেকে অন্য বছরের কোটা ব্যবহার করতে হবে।

পাসপোর্টের মেয়াদ থাকাকালীন বৈদেশিক মুদ্রা ছাড় বা নির্ধারণ সুবিধা গ্রহণ করা না হলে কার্ডের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা ছাড়ের ক্ষেত্রে ঘটনাত্তর এনডোর্সমেন্ট করার সুবিধা রাখা হয়েছে।

যৌক্তিক কারণে কার্ডের মাধ্যমে ভ্রমণ ব্যয় বাৎসরিক কোটা সীমা অতিক্রম করলে ওই অর্থ গ্রাহকের নিবাসী বৈদেশিক মুদ্রা হিসাবের স্থিতি দ্বারা সমন্বয়ের সুযোগ রাখা হয়েছে। এ জাতীয় হিসাব না থাকলে পরবর্তী বছরের ভ্রমণ কোটার সঙ্গে সর্বোচ্চ ৫০০ ডলার সমন্বয় করা যাবে।

আরও পড়ুন:
প্রবাসী শ্রমিকদের টিকা নিবন্ধন শুরু
প্রবাসীদের টিকার সমস্যা মিটবে মঙ্গলবার থেকে
‘আমি প্রবাসী’ তে যুক্ত হলো ব্র্যাক-বাংলা ট্র্যাক
ইতালিতে ফিরতে সরকারের সহযোগিতা চান প্রবাসীরা
ডাকাতিতে নিঃস্ব সৌদিফেরত যুবকের বিয়ে থেমে গেছে

শেয়ার করুন

৬৭ কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকি: গ্রামীণ ব্যাংকের বিরুদ্ধে মামলা

৬৭ কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকি: গ্রামীণ ব্যাংকের বিরুদ্ধে মামলা

রাজধানীর মিরপুরে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়। ফাইল ছবি

২০১১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তদন্ত করে এই ফাঁকি উদঘাটন করা হয়। এই সময়ে প্রতিষ্ঠানটি সেবা থেকে প্রাপ্ত আয়ের বিপরীতে ৩৪ হাজার ৯১০ টাকা ভ্যাট পরিশোধ করেছে। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটির দেয়ার কথা ছিল ৩০ কোটি ৩৬ লাখ ৮৩ হাজার ৬০০ টাকা। উৎসে ভ্যাট বাবদ ৮ কোটি ৫৪ লাখ ২০ হাজার ৮১৯ কোটি টাকা ভ্যাট পরিশোধ করেছে। কিন্তু দেয়ার কথা ছিল প্রায় ২৪ কোটি টাকা।

গ্রামীণ ব্যাংকের বিরুদ্ধে ৬৭ কোটি টাকর মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ফাঁকি উদঘাটন করার পর তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তর।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন ভ্যাট গোয়েন্দা ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মইনুল খান।

তিনি জানান, ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজমুন নাহার কায়সারের নেতৃত্বে একটি দল ২০১১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তদন্ত করে এই ফাঁকি উদঘাটন করে।

তবে এ বিষয়ে গ্রামীণ ব্যাংকের ইউনূস সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক লামিয়া মোর্শেদ কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

গ্রামীণ ব্যাংক একটি নন-ব্যাকিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান। এটি বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়ন্ত্রণ করে না। নিজস্ব আইন দ্বারা পরিচালিত হয়। নোবেল বিজয়ী ড. মুহম্মদ ইউনূস এই ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।

গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলেছেন, প্রতিষ্ঠানটির কোনো ভ্যাট নিবন্ধন নেই, যা ভ্যাট আইনের পরিপন্থি।

রাজধানী ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পর হতেই ব্যাংকিং ও নন-ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে আসছে। কিন্তু ভ্যাট নিবন্ধন গ্রহণ করেনি।

এনবিআর বলেছে, গ্রামীণ ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা হিসেবে সেবার বিপরীতে কমিশন, ফি বা চার্জ গ্রহণ করে থাকে। যে কারণে ভ্যাট নিবন্ধন গ্রহণ বাধ্যতামূলক।

গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ঋণ দিয়ে থাকে। এসব ঋণের ক্ষেত্রে বিভিন্ন খরচের বিপরীতে চার্জ, ফি ও কমিশনের ওপর ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট প্রযোজ্য।

ভ্যাট গোয়েন্দারা বলেছেন, তদন্তকালে প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক অডিট প্রতিবেদন এবং অন্যান্য দলিল যাচাই করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের আত্মপক্ষ সমর্থনে বক্তব্য আমলে নেয়া হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি তদন্ত চলাকালে সেবা থেকে প্রাপ্ত আয়ের বিপরীতে ৩৪ হাজার ৯১০ টাকা ভ্যাট পরিশোধ করেছে।

কিন্তু প্রতিষ্ঠানটির দেয়ার কথা ছিল ৩০ কোটি ৩৬ লাখ ৮৩ হাজার ৬০০ টাকা। এ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির ফাঁকির পরিমাণ দাঁড়ায় ৩০ কোটি ৩৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬৯০ টাকা।

যথাসময়ে সরকারি কোষাগারে জমা না দেয়ায় জরিমানা দাঁড়ায় প্রায় ১৪ কোটি টাকা।

প্রতিষ্ঠানটি তদন্ত মেয়াদে বিভিন্ন খরচের বিপরীতে উৎসে ভ্যাট বাবদ ৮ কোটি ৫৪ লাখ ২০ হাজার ৮১৯ কোটি টাকা ভ্যাট পরিশোধ করেছে। কিন্তু দেয়ার কথা ছিল প্রায় ২৪ কোটি টাকা।

এ ক্ষেত্রে অপরিশোধিত ভ্যাট ১৫ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। যথাসময়ে পরিশোধ না করায় জরিমানা হিসেবে আসে ৭ কোটি ২৩ লাখ ২৬ হাজার ৯৭৭ টাকা।

অর্থাৎ সব মিলিয়ে অপরিশোধিত ভ্যাটের পরিমাণ ৪৫ কোটি ৭৫ লাখ ৩৭ হাজার ৯৪৬ টাকা এবং জরিমানা বাবদ ২১ কোটি ২৩ লাখ ২২ হাজার ৬৮৩ টাকা।

এ টাকা সরকারি কোষাগারে রাজস্ব হিসেবে আদায়যোগ্য বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

আরও পড়ুন:
প্রবাসী শ্রমিকদের টিকা নিবন্ধন শুরু
প্রবাসীদের টিকার সমস্যা মিটবে মঙ্গলবার থেকে
‘আমি প্রবাসী’ তে যুক্ত হলো ব্র্যাক-বাংলা ট্র্যাক
ইতালিতে ফিরতে সরকারের সহযোগিতা চান প্রবাসীরা
ডাকাতিতে নিঃস্ব সৌদিফেরত যুবকের বিয়ে থেমে গেছে

শেয়ার করুন

মাদক রোধে সংস্কৃতিকর্মীদের ভূমিকা প্রয়োজন: খাদ্যমন্ত্রী

মাদক রোধে সংস্কৃতিকর্মীদের ভূমিকা প্রয়োজন: খাদ্যমন্ত্রী

সাপাহারে বৃহস্পতিবার উন্নয়ন কর্মসূচির প্রণোদনা বিতরণ করেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। ছবি: নিউজবাংলা

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, নিজের চিন্তাচেতনা স্বচ্ছ রাখার পাশাপাশি বাল্যবিবাহ ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে সংস্কৃতিকর্মীদের ভূমিকা রাখা প্রয়োজন। সংস্কৃতিবান্ধব বর্তমান সরকার সংস্কৃতিকর্মীদের বিষয়ে আন্তরিক। সংস্কৃতিমনা প্রজন্ম গড়ে তুলতে হবে।

মাদক রোধে সংস্কৃতিকর্মীদের ভূমিকা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

বৃহস্পতিবার বিকেলে নওগাঁর সাপাহার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচির প্রণোদনা বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, নিজের চিন্তাচেতনা স্বচ্ছ রাখার পাশাপাশি বাল্যবিবাহ ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে সংস্কৃতিকর্মীদের ভূমিকা রাখা প্রয়োজন। সংস্কৃতিবান্ধব বর্তমান সরকার সংস্কৃতিকর্মীদের বিষয়ে আন্তরিক। সংস্কৃতিমনা প্রজন্ম গড়ে তুলতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে জনপ্রতিনিধি, বিবাহ রেজিস্ট্রার ও প্রশাসনকে সোচ্চার হতে হবে। বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন।

মাদকের ভয়াল থাবা সমাজকে পঙ্গু করে দিচ্ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, যুব সমাজকে রক্ষা করতে মাদক রুখতে হবে। বাল্যবিবাহ ও মাদকের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স ভূমিকা গ্রহণে প্রশাসনসহ সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

এ বিষয়ে প্রশাসনকে পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশনা দেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারিতে দেশে খাদ্যসংকট হয়নি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনাকালে ক্ষতিগ্রস্ত সব সেক্টরে প্রণোদনা দিয়েছেন। মানুষের জীবন-জীবিকা স্বাভাবিক রেখেছেন। খাদ্যের অভাব হলে ৩৩৩ নম্বরে ফোন দিলে দরিদ্রদের খাদ্য পৌঁছে দেয়া হয়েছে। দরিদ্রদের মোবাইলে সহায়তার টাকা পৌঁছে গেছে। এটাই বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ, শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্যাহ আল মামুন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান শাহাজান আলী মন্ডল, আওয়ামী লীগের সভাপতি শামসুল আলম চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী, সহকারী পুলিশ সুপার বিনয় কুমার সরকার ও উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা আমেনা খাতুন ।

পরে মন্ত্রী উপজেলা পরিষদ মুক্তমঞ্চ উদ্বোধন করেন।

আরও পড়ুন:
প্রবাসী শ্রমিকদের টিকা নিবন্ধন শুরু
প্রবাসীদের টিকার সমস্যা মিটবে মঙ্গলবার থেকে
‘আমি প্রবাসী’ তে যুক্ত হলো ব্র্যাক-বাংলা ট্র্যাক
ইতালিতে ফিরতে সরকারের সহযোগিতা চান প্রবাসীরা
ডাকাতিতে নিঃস্ব সৌদিফেরত যুবকের বিয়ে থেমে গেছে

শেয়ার করুন

জোয়ারে ভোট কেন্দ্রে হাঁটু পানি, সরানোর দাবি

জোয়ারে ভোট কেন্দ্রে হাঁটু পানি, সরানোর দাবি

বিদ্যালয়টির যোগাযোগ ব্যবস্থা বেহাল হওয়ায় ভোটকেন্দ্র সরিয়ে নেয়ার দাবি জানাচ্ছে এলাকাবাসী। ছবি: নিউজবাংলা

লোহালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কবির হোসেন তালুকদার বলেন, ‘কেন্দ্রটি সরাতে এলাকাবাসী আমাকে বারবার অনুরোধ করেছে। বিষয়টি নিয়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করেছি।’

বর্ষা বা জোয়ারের সময় পটুয়াখালী সদরের লোহালিয়া ইউনিয়নের পূর্ব কাকড়াবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হাঁটু পানিতে তলিয়ে যায়। যাতায়াতেও পোহাতে হয় অসহনীয় দুর্ভোগ। স্কুলটি ভোটকেন্দ্র হিসেবে সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সেখোন থেকে কেন্দ্রটি সরানোর দাবি উঠেছে।

এলাকাবাসীর লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই কেন্দ্রটি পরিদর্শন করেছেন নির্বাচন কর্মকর্তারা। জানিয়েছেন, শিগগিরই সিদ্ধান্ত দেবে নির্বাচন কমিশন।

দুই থেকে আড়াই শ ভোটারের সই করা আবেদনে বলা হয়, লোহালিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব কাকড়াবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র হিসেবে সম্পূর্ণ অনুপযোগী। বর্ষা বা জোয়ারের সময় বিদ্যালয়টির সামনে হাঁটু পানি জমে থাকে।

এ ছাড়া কেন্দ্রের দুই পাশের রাস্তা দুটি কর্দমাক্ত হয়ে থাকে। ওই কেন্দ্রে চলাচল করতে হয় হেঁটে। কেন্দ্রটি ওয়ার্ডের শেষ প্রান্তে হওয়ায় ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ার আশংকা রয়েছে।

এই পরিস্থিতি বিবেচনায় কেন্দ্রটি সরিয়ে ১৫৪ নম্বর মধ্য কাকড়াবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেয়ার আবেদন করা হয়েছে।

১ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার আজাহার উদ্দিন খান বলেন, ‘কেন্দ্রের এক পাশের রাস্তা ভাঙা। হেইহানে কলা ও সুবারি গাছ দিয়া বানানো হাক্কা দিয়ে চলাচল করতে হয়। এই কারণে স্কুলে ছাত্র-ছাত্রীদের আসা যাওয়া কম।’

জোয়ারে ভোট কেন্দ্রে হাঁটু পানি, সরানোর দাবি

জাকির হোসেন মোল্লা নামের একজন বলেন, ‘ভোটারদের যৌক্তিক দাবি নিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি জমা দেব। এরপরও কেন্দ্র পরিবর্তন না হলে, আন্দোলন ছাড়া উপায় থাকবে না।’

লোহালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কবির হোসেন তালুকদার বলেন, ‘কেন্দ্রটি সরাতে এলাকাবাসী বারবার অনুরোধ করেছে। বিষয়টি নিয়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। তাদের বলেছি, ভোটারদের সুবিধার জন্য কেন্দ্রটি যেন সরিয়ে নেয়া হয়।’

জোয়ারে ভোট কেন্দ্রে হাঁটু পানি, সরানোর দাবি

এ বিষয়ে জানতে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা খান আবি সাহানুরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা খালিদ বিন রউফ জানান, ভোটারদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রটি পরিদর্শন করেছি। জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে প্রতিবেদন পাঠাবো। সেখান থেকে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসবে।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আখতার মোর্শেদ বলেন, ‘চলাচলে সমস্যা এবং ঝুঁকিপূর্ণ হলে কেন্দ্র পরিবর্তনের সুপারিশ করবো। এরই মধ্যে অফিসারকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছি।’

গত মার্চে কয়েক ধাপে সবগুলো উপজেলায় নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশন। এরপর ৩ মার্চ প্রথম ধাপে ৩৭১টি ইউনিয়ন পরিষদের ভোটগ্রহণের তফসিল ঘোষণা হয়। ভোট হয় ২০ সেপ্টেম্বর।

আগামী সপ্তাহে এই উপজেলায় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন:
প্রবাসী শ্রমিকদের টিকা নিবন্ধন শুরু
প্রবাসীদের টিকার সমস্যা মিটবে মঙ্গলবার থেকে
‘আমি প্রবাসী’ তে যুক্ত হলো ব্র্যাক-বাংলা ট্র্যাক
ইতালিতে ফিরতে সরকারের সহযোগিতা চান প্রবাসীরা
ডাকাতিতে নিঃস্ব সৌদিফেরত যুবকের বিয়ে থেমে গেছে

শেয়ার করুন

দাখিল পরীক্ষা শুরু ১৪ নভেম্বর

দাখিল পরীক্ষা শুরু ১৪ নভেম্বর

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কায়সার আহমেদ বলেন, ‘১৪ নভেম্বর থেকে দাখিল পরীক্ষা শুরু হবে, চলবে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত। করোনার এ সময়ে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা নেয়া হবে।’

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আওতায় চলতি বছরের দাখিল পরীক্ষা শুরু হবে ১৪ নভেম্বর। চলবে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত। এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে শুধুমাত্র নৈর্বাচনিক বিষয়ে। নির্ধারিত দিনে সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কায়সার আহমেদ।

তিনি বলেন, ‘১৪ নভেম্বর থেকে দাখিল পরীক্ষা শুরু হবে, চলবে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত। করোনার এ সময়ে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা নেয়া হবে।’

কবে কোন পরীক্ষা

১৪ নভেম্বর কুরআন মাজিদ ও তাজভিদ ও পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়), ১৮ নভেম্বর হাদিস শরিফ এবং ২১ নভেম্বর ইসলামের ইতিহাস, রসায়ন, তাজভিদ নসর ও নজম (মুজাব্বিদ গ্রুপ) এবং তাজভিদের (হিফজুল গ্রুপ) পরীক্ষা হবে।

পরীক্ষার রুটিনটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্দেশনা

১. করোনা মহামারির কারণে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

২. পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে।

৩. পরীক্ষার সময় হবে ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। এমসিকিউ ও লিখিত পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না। পরীক্ষার দিন সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র এবং ওএমআর শিট বিতরণ করা হবে।

৪. পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর তিন দিন আগে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের কাছ থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হলে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। দেড় বছর পর ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেয়া হয়েছে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।

আরও পড়ুন:
প্রবাসী শ্রমিকদের টিকা নিবন্ধন শুরু
প্রবাসীদের টিকার সমস্যা মিটবে মঙ্গলবার থেকে
‘আমি প্রবাসী’ তে যুক্ত হলো ব্র্যাক-বাংলা ট্র্যাক
ইতালিতে ফিরতে সরকারের সহযোগিতা চান প্রবাসীরা
ডাকাতিতে নিঃস্ব সৌদিফেরত যুবকের বিয়ে থেমে গেছে

শেয়ার করুন

ভারতে আরও ইলিশ রপ্তানির অনুমতি

ভারতে আরও ইলিশ রপ্তানির অনুমতি

দুই দফায় মোট ৪ হাজার ৬০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এর আগে গত সোমবার ২ হাজার ৮০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেয়া হয়।

প্রথম দফা অনুমোদনের মাত্র চার দিনের মাথায় আরও ৬৩ প্রতিষ্ঠানকে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। দ্বিতীয় দফায় অনুমতি মিলেছে ২ হাজার ৫২০ টন ইলিশ রপ্তানির। অনুমোদিত রপ্তানিকারকদের প্রত্যেকে ৪০ টন করে ইলিশ রপ্তানি করতে পারবে।

বৃহস্পতিবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে দ্বিতীয় দফায় ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন জারি করা হয়। এতে বলা হয়, অনুমতির মেয়াদ কার্যকর থাকবে আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত। এর ফলে দুই দফায় মোট ৪ হাজার ৬০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এর আগে গত সোমবার ২ হাজার ৮০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেয়া হয়।

তবে ইলিশ রপ্তানির ক্ষেত্রে আগের মতোই ছয়টি শর্ত রপ্তানিকারকদের মেনে চলতে হবে। শর্তগুলো হচ্ছে, বিদ্যমান রপ্তানি নীতি ২০১৮-২১ এর বিধিবিধান মানতে হবে; শুল্ক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে রপ্তানি করা ইলিশের কায়িক পরীক্ষা করাতে হবে; প্রতিটি চালান (কনসাইনমেন্ট) শেষে রপ্তানিসংক্রান্ত কাগজপত্র দাখিল করতে হবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে; অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি ইলিশ রপ্তানি করা যাবে না, অনুমতির মেয়াদ কার্যকর থাকবে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত; অনুমতি কোনোভাবে হস্তান্তরযোগ্য নয় এবং অনুমোদিত রপ্তানিকারক ছাড়া ঠিকায় (সাব-কন্ট্রাক্ট) রপ্তানি করা যাবে না।

দেশের বাজারে ইলিশের জোগান কম থাকার কারণে ২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশ ইলিশ রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। এরপর গত ৯ বছরে এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়নি।

বিশ্বের মোট উৎপাদিত ইলিশের ৮৬ শতাংশই বাংলাদেশে উৎপাদিত হয়। বিশেষ করে মেঘনা ও পদ্মায় বর্ষাশেষে ধরা পড়া ইলিশ খুবই সুস্বাদু বলে মনে করা হয়। ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশের ইলিশের কদর বেশি।

বাংলাদেশে পোনা ইলিশ বা জাটকা ধরার ওপর বিধিনিষেধ আরোপসহ নানান উদ্যোগের কারণে গত দেড় দশকে ইলিশের উৎপাদন অনেক বেড়েছে।

আরও পড়ুন:
প্রবাসী শ্রমিকদের টিকা নিবন্ধন শুরু
প্রবাসীদের টিকার সমস্যা মিটবে মঙ্গলবার থেকে
‘আমি প্রবাসী’ তে যুক্ত হলো ব্র্যাক-বাংলা ট্র্যাক
ইতালিতে ফিরতে সরকারের সহযোগিতা চান প্রবাসীরা
ডাকাতিতে নিঃস্ব সৌদিফেরত যুবকের বিয়ে থেমে গেছে

শেয়ার করুন