গ্যাস্ট্রাইটিস নিয়ে হাসপাতালে, সব শেষ হাঁটতে বেরিয়ে

গ্যাস্ট্রাইটিস নিয়ে হাসপাতালে, সব শেষ হাঁটতে বেরিয়ে

মনিরুল নাশতা করেন শহরের স্টেশন এলাকায়। হাসপাতালে ফিরে আসার সময় অটোরিকশায় উঠতে গিয়ে পড়ে যান রাস্তার ওপর। কিন্তু আর উঠতে পারেননি। রাস্তাতেই মৃত্যু হয় তার।

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার বৃপাথুরিয়ার গ্রামের বাসিন্দা মনিরুল ইসলাম। কাজ করতেন স্থানীয় একটি স্কুলে নৈশপ্রহরী হিসেবে। দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস্ট্রাইটিসে ভুগছিলেন তিনি।

রোগের চিকিৎসা করাতে শুক্রবার নাটোর শহরের কানাইখালি এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন মনিরুল। সেখানে চিকিৎসা নেয়ার মধ্যেই শনিবার ভোরে কাউকে না জানিয়ে হাঁটতে বের হন তিনি।

মনিরুল নাশতা করেন শহরের স্টেশন এলাকায়। হাসপাতালে ফিরে আসার সময় অটোরিকশায় উঠতে গিয়ে পড়ে যান রাস্তার ওপর। কিন্তু আর উঠতে পারেননি। রাস্তাতেই মৃত্যু হয় তার।

নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নাটোর সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল মতিন।

তিনি জানান, মনিরুলের স্ত্রী সূচনা খাতুন হাসপাতাল থেকে গিয়ে স্বামীর মরদেহ শনাক্ত করেন।

সূচনা জানান, তার স্বামী বৃপাথুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নৈশপ্রহরী ছিলেন। তার শরীর অনেক দুর্বল ছিল। তিনি ঘুমিয়ে থাকায় সকালে তাকে না জানিয়েই মনিরুল বাইরে যান। পরে তার মৃত্যুর খবর শুনে স্টেশন এলাকায় যান।

স্টেশন বাজারের স্থানীয় আলমগীর হোসেন জানান, সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে নাশতা শেষে অটোরিকশায় ওঠার সময় মনিরুল রাস্তায় পড়ে যান। পরে লোকজন এগিয়ে এসে তার চোখে-মুখে পানি দিলেও তিনি সাড়া দেন না।

নাটোর সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল মতিন জানান, মনিরুলের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বাড়ির পাশের ডোবায় নিখোঁজ শিশুর মরদেহ
বিদ্যুতায়িত হয়ে কৃষক দম্পতির মৃত্যু
মাথায় কাঁঠাল ভেঙে সুন্দরীর মৃত্যু
কৃষি কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার, স্বামী আটক
গাড়ির ধাক্কায় স্কুলছাত্রের মৃত্যু

শেয়ার করুন

মন্তব্য