× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

সারা দেশ
আইসিইউর জন্য হাহাকার রংপুরে
google_news print-icon

আইসিইউর জন্য হাহাকার রংপুরে

আইসিইউর-জন্য-হাহাকার-রংপুরে
রংপুরে করোনা চিকিৎসার জন্য বিশেষায়িত হাসপাতালে গত বছরের এপ্রিলে ৫০টি আইসিইউ শয্যা স্থাপনের বরাদ্দ দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তবে এক বছর পেরিয়ে গেলেও শুরুর ১০টি শয্যায় রয়ে গেছে। মাঝে আরও ১০টি শয্যা বাড়ানোর কথা থাকলেও আর বাড়েনি। 

রংপুর বিভাগে গত কয়েকদিন ধরেই বাড়ছে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) নেয়া প্রয়োজন এমন রোগী।

তবে বিভাগের করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালগুলোতে কোনো আইসিইউ শয্যা খালি নেই। স্বজনরা আইসিইউ শয্যার জন্য ছোটাছুটি করেও না পেয়ে মৃত্যুর বিষয়টি ছেড়ে দিচ্ছে নিয়তির উপর।

এর মধ্যে শুক্রবার সকালে রংপুর করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালের সামনে ঝুঁলিয়ে দেয়া হয় সাইনবোর্ড। তাতে লেখা হয়, ‘আইসিইউতে কোনো বেড ফাঁকা নাই’।

বর্তমানে ১০০ শয্যার এই হাসপাতালে আইসিইউ শয্যা রয়েছে ১০টি। তবে ভেন্টিলেটর সুবিধা আছে আটটিতে। এখানে ভর্তি ৮৩ রোগীর মধ্যে আরও ২০ জনের আইসিইউ নেয়া প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

অন্যদিকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউ শয্যা রয়েছে মাত্র ২০টি। সবমিলিয়ে জেলায় আইসিইউ শয্যা রয়েছে ৩০টি।

এ ছাড়া দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের একটি অংশে ৮টি আইসিইউ শয্যা নিয়ে করোনা চিকিৎসা শুরু হয়। পরে আরও ৩০টি শয্যা বাড়ানোর কথা থাকলে। তবে তা আর হয়নি; সব মিলে এই হাসপাতালে আইসিইউ শয্যায় আছে ১৮টি।

রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য অফিসের তথ্য অনুযায়ী, বিভাগে সব থেকে বেশি সংক্রমণ হচ্ছে দিনাজপুরে। দ্বিতীয় অবস্থানে রংপুর আর তৃতীয় ঠাকুরগাঁও।

কিন্তু বিভাগের আট জেলায় আইসিইউ সুবিধা আছে শুধু এই দুই হাসপাতালে। এতে প্রতিনিয়ত এখানে বাড়ছে চাপ।

আইসিইউর জন্য হাহাকার রংপুরে
রংপুরে করোনা চিকিৎসার জন্য বিশেষায়িত হাসপাতাল

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, রংপুরে করোনা চিকিৎসার জন্য বিশেষায়িত হাসপাতালে গত বছরের এপ্রিলে ৫০টি আইসিইউ শয্যা স্থাপনের বরাদ্দ দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তবে এক বছর পেরিয়ে গেলেও শুরুর ১০টি শয্যায় রয়ে গেছে। মাঝে আরও ১০টি শয্যা বাড়ানোর কথা থাকলেও আর বাড়েনি।

দিনাজপুরের সিভিল সার্জন আব্দুল কুদ্দুস নিউজবাংলাকে জানান, করোনা চিকিৎসায় দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের একটি অংশ ছেড়ে দেয়া হয়েছে। ১০০ শয্যার হাসপাতালটিতে রয়েছে ৮টি আইসিইউ শয্যা। পুরো হাসপাতালে আইসিইউ শয্যা আছে ১৮টি।

পুরো বিভাগে করোনা চিকিৎসায় মাত্র ১৮টি আইসিইউ শয্যা থাকায় গুরুতর রোগীদের নিয়ে মারাত্মক সংকটে পড়েছেন স্বজনরা। মুমূর্ষু রোগী নিয়ে এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতাল দৌঁড়ালেও মিলছে না আইসিইউ। নিরুপায় হয়ে তাদের চিকিৎসা নিতে হচ্ছে সাধারণ শয্যায়।

রংপুর মহানগরীর বাসিন্দা সাফিউল ইসলাম বলেন, ‘আমার ভাই সুমন করোনার উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। তখন তার অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। তাকে দেখেই করোনার চিকিৎসা ও অক্সিজেন দেয়া হয়।

‘পরবর্তী চিকিৎসকরা আইসিইউতে নিতে বলেন। পরে অনেক অনুরোধ করে দুই দিন পর একটি বেড পেয়েছিলাম। ওই বেড না পেলে দুর্ঘটনা ঘটতে পারত।’

লালমনিরহাটের মিশন মোড়ের শাজাহান সাজু বলেন, ‘আমার বড় ভাই হারুন অর রশীদ করোনায় আক্রান্ত হয়ে রংপুর করোনা ডেডিকেটেট হাসপাতালে ভর্তি হন। পরবর্তীতে অবস্থা খারাপ হলে তাকে জরুরি ভিত্তিতে আইসিইউতে নেয়ার প্রয়োজন পরে। কিন্তু কোনোভাবেই তা পাওয়া যাচ্ছিল না।

‘পরে সেখানে চিকিৎসাধীন এক রোগীর মৃত্যু হলে সেখানে আমার ভাইকে স্থানান্তর করেন চিকিৎসকরা। ফলে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাই আমরা।’

একজনের মৃত্যুর পর আইসিইউ শয্যা পাওয়া দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন তিনি।

রংপুর স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, নীলফামারী, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলার কোনো হাসপাতালে এখন পর্যন্ত আইসিইউ শয্যা নেই। স্থাপনের কোনো পরিকল্পনাও হয়নি। এই জেলাগুলোর মুমূর্ষু রোগীদের ভরসা এখন রংপুর আর দিনাজপুরের হাসপাতাল।

রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালকের কার্যালয় থেকে জানা গেছে, রংপুর বিভাগে করোনা সংক্রমণ ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। সংক্রমণের হার ৪০ শতাংশের উপরে।

শুক্রবার পর্যন্ত এ বিভাগে ৫৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। শনাক্তের সংখ্যা ২৭ হাজার ১৬০। এই অবস্থায় প্রতিদিনই নতুন নতুন রোগীকে আইসিইউতে নেয়ার প্রয়োজন দেখা দিচ্ছে।

রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) আবু মোহাম্মদ জাকিরুল ইসলাম বলেন, ‘করোনা আক্রান্তের সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বেড়ে চলেছে। অনেক রোগী হাসপাতালগুলোতে আসছেন। আইসিইউ বেডের সংকটের কারণে কোথাও কোথাও চিকিৎসা দিতে সমস্যা হচ্ছে।

‘আমরা আইসিইউ বেড সংখ্যা বাড়ানোসহ করোনা রোগীদের চিকিৎসার সব সুযোগ সুবিধার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

সারা দেশ
1 more person died of dengue new cases are 350

ডেঙ্গুতে আরও ১ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৩৫০

ডেঙ্গুতে আরও ১ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৩৫০ ছবি: সংগৃহীত

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ২৫ জনের। রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৫০ জন। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৫৮ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩১ জন, খুলনা বিভাগে ৭০ জন, বরিশালে বিভাগে ৯৫ জন এবং সিলেট বিভাগে ৪ জন রয়েছেন।

এ পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮ হাজার ৩২৩ জন। ৭ হাজার ৫৭০ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালে ৭২৮ জন চিকিৎসাধীন আছেন।

২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয় ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়।

মন্তব্য

সারা দেশ
In 117 days 750 children died of measles and symptoms across the country

১১৭ দিনে হাম ও উপসর্গে সারা দেশে ৭৫০ শিশুর প্রাণহানি

১১৭ দিনে হাম ও উপসর্গে সারা দেশে ৭৫০ শিশুর প্রাণহানি ছবি: সংগৃহীত

গত ১৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া হাম ও এর উপসর্গজনিত প্রাদুর্ভাবে গত ১১৭ দিনে সারা দেশে মোট ৭৫০ জন শিশুর প্রাণহানি ঘটেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিন থেকে শুক্রবার এই আশঙ্কাজনক তথ্য পাওয়া গেছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় এই রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সময়ে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হওয়া কারও মৃত্যু না হলেও ৩ জন মারা গেছে হামের উপসর্গে।

একই সময়ে নতুন করে ১২৮ জনের শরীরে রোগটি নিশ্চিতভাবে ধরা পড়েছে এবং হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে আরও ৯০১ জনের। প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে ১ লাখ ৯ হাজার ৮৯৯ জন শিশু হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে পরিস্থিতির ওপর নিবিড় পর্যবেক্ষণ বজায় রাখা হচ্ছে।

মন্তব্য

সারা দেশ
3 more children died of measles The death toll rose to 741

হামে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু প্রাণহানি বেড়ে ৭৪১

হামে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু
প্রাণহানি বেড়ে ৭৪১
ছবি: সংগৃহীত

দেশে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে দেশে হাম ও হামের উপসর্গে মোট ৭৪১টি শিশু মারা গেছে। সোমবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১০৬টি শিশু।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৪৮টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৩টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭৪১টি শিশু মারা গেছে।

বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫৯টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৪৭। এই সময়ে ৮৯০টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯৪০টি শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৬ হাজার ৫৬৫, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১২ হাজার ৭৯১। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৮৯ হাজার ৭৩৪ রোগী, যাদের মধ্যে ৮৬ হাজার ৬২ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।

মন্তব্য

সারা দেশ
Setting up of labor rooms in private hospitals is mandatory Health Minister

বেসরকারি হাসপাতালে লেবার রুম স্থাপন বাধ্যতামূলক: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বেসরকারি হাসপাতালে লেবার রুম স্থাপন বাধ্যতামূলক: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছবি: সংগৃহীত

দেশের প্রতিটি প্রসূতি মায়ের নিরাপদ প্রসব নিশ্চিত করতে দেশের সকল বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালকে আগামী ১১ জুলাইয়ের মধ্যে বাধ্যতামূলকভাবে লেবার রুম স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানীর বিজয়নগরে বাংলাদেশ মিডওয়াইফারি সোসাইটি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন। মন্ত্রী হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লেবার রুম স্থাপনে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল করা হবে। নরমাল ডেলিভারি উৎসাহিত করতে এবং নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করতে বেসরকারি পর্যায়ের ক্লিনিকগুলোর জন্য এটি একটি চূড়ান্ত নির্দেশনা।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে স্বাস্থ্য খাতের বর্তমান পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি জানান, নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করতে মিডওয়াইফারি কর্মীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তাই স্বাস্থ্য খাতে আসন্ন ১ লাখ নতুন জনবল নিয়োগের মধ্যে ৮০ হাজারই হবে নারী এবং তাঁদের অধিকাংশই হবেন মিডওয়াইফারি কর্মী। ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে মন্ত্রী বলেন, গত দুই মাস ধরে উপজেলা পর্যায়ে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে। আগামী সাত দিনের মধ্যে মশার লার্ভা ধ্বংস করার প্রয়োজনীয় ট্যাবলেট সরবরাহ করা হবে এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পর্যাপ্ত শয্যা ও মোবাইল সেবার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। ওষুধের সরবরাহ নিয়ে মন্ত্রী বলেন, "কিছুদিন স্যালাইনের ঘাটতি থাকলেও এখন পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।" চিকিৎসকদের প্রতি বিশেষ নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, রোগীর জ্বর কমে গেলেও চিকিৎসকের চূড়ান্ত সন্তুষ্টি ছাড়া কাউকে ছাড়পত্র দেওয়া যাবে না। বিশেষ করে প্লাজমা লিকেজের মতো জটিলতা মোকাবিলায় নিবিড় নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন আরও দাবি করেন, গত বছরের তুলনায় চলতি বছর ডেঙ্গু পরিস্থিতি তুলনামূলক ভালো এবং সরকার হাম প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচিতে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে। স্বাস্থ্য খাতের মানোন্নয়নে সরকারের এই কঠোর পদক্ষেপগুলো সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবা প্রাপ্তিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। নিরাপদ মাতৃত্ব ও শিশু স্বাস্থ্য রক্ষায় বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে দ্রুত এই সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়েছে।

মন্তব্য

সারা দেশ
5 more children died of measles symptoms in 24 hours

হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ শিশুর প্রাণহানি

হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ শিশুর প্রাণহানি ছবি: সংগৃহীত

সারাদেশে গত এক দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ের মধ্যে নতুন করে ১ হাজার ১০৭ জন এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত নিয়মিত প্রতিবেদনে এই আশঙ্কাজনক তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে ৯৬৮ জন সন্দেহজনক হামের রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত এই সম্ভাব্য রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩ হাজার ৯৬১ জনে। এর মধ্যে শেষ ২৪ ঘণ্টায় ১৩৯ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম ধরা পড়েছে। ফলে ১৫ মার্চ থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে ১২ হাজার ৪২৫ জনে।

প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, গত ১৫ মার্চ থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত সময়কালে সন্দেহজনক হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ৮৭ হাজার ২৬২ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৮৩ হাজার ৫৪৩ জন।

মৃত্যুর হিসাব অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ৬৩৬টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। যদিও শেষ ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি, তবে ১৫ মার্চ থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ৯৩ জন।

মন্তব্য

সারা দেশ
2 more people died due to measles symptoms

হাম উপসর্গে আরও ২ জনের মৃত্যু

হাম উপসর্গে আরও ২ জনের মৃত্যু ছবি: সংগৃহীত

সারাদেশে গত সোমবার সকাল আটটা থেকে মঙ্গলবার সকাল আটটা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় হাম আক্রান্ত সন্দেহে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হামে আক্রান্ত হয়েছেন ১১৪ জন। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বর্ণিত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম আক্রান্ত হিসেবে সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা ৮৬৬ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত হাম আক্রান্ত হিসেবে সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ১ হাজার ৭৭ জন। নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১১৪ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ৯৬৫ জন।

গত ১৫ মার্চ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত হাম আক্রান্ত সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৮৪ হাজার ৬২৭ জন। একই সময় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৮০ হাজার ৯৭৪ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম আক্রান্ত সন্দেহে দুজনের মৃত্যু হয়েছে এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে ৬২৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারো মৃত্যু হয়নি এবং গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মন্তব্য

সারা দেশ
139 people diagnosed with AIDS in Rajshahi district

রাজশাহী জেলায় ১৩৯ জনের এইডস শনাক্ত

রাজশাহী জেলায় ১৩৯ জনের এইডস শনাক্ত ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহী বিভাগে বাড়ছে এইডস (এইচআইভি) আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। গত ৬ বছরে বিভাগের আট জেলায় ৭৯৪ জনের এইচআইভি শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে শুধু রাজশাহী জেলাতেই শনাক্ত হয়েছে ১৩৯ জন, যাদের বেশির ভাগের বয়স ১৮ থেকে ২৬ বছরের মধ্যে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, বিষয়টি নিয়ে তাদের কার্যক্রম চলছে।

২০১৯ সাল থেকে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত রাজশাহী জেলায় এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন মোট ১৩৯ জন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য বলছে, আক্রান্তদের মধ্যে ৯২ জন সমকামী, যা মোট আক্রান্তের প্রায় ৬৬ শতাংশ। একই সময়ে রাজশাহী বিভাগের আট জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৭৯৪। জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আক্রান্তের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে সিরাজগঞ্জ, এরপরই রাজশাহীর অবস্থান। আর সবচেয়ে কম আক্রান্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জে।

রামেকে কর্মরত এইডস সংক্রমণ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ইব্রাহিম মোহাম্মদ শারৎ বলেন, ‘প্রতিদিন এই সংখ্যা বাড়ছে। এখানে দুটি বিষয় কাজ করছে। একটা হলো, এরা আগে থেকেই পজিটিভ (আক্রান্ত) ছিল কিন্তু পরীক্ষা করতে আসত না। মনে করত, পরীক্ষা করার পর চিকিৎসা নেই। এর ফলে সংক্রমণটা বৃদ্ধি পেয়েছে।’

রাজশাহী বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) চিকিৎসক মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘অবাধে মেলামেশা, অনিরাপদ রক্ত সঞ্চালন বা সিরিঞ্জের মাধ্যমে এবং মাদকসেবীদের মাধ্যমে রোগীর সংখ্যা বাড়তে পারে। রাজশাহী বিভাগেও সারা দেশের মতো আমাদের এইডস স্ক্রিনিং কার্যক্রম চালু আছে।’

মন্তব্য

p
উপরে