ফুলগাজী ও পরশুরামে ১০ গ্রামে এখনো পানি

ফুলগাজী ও পরশুরামে ১০ গ্রামে এখনো পানি

পাহাড়ি ঢলে মুহুরী ও কহুয়া নদীর বাঁধ ভেঙে ১০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জহির উদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার নদী দুটির পানি বিপৎসীমার প্রায় ১১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় পানির তোড়ে বাঁধ ভেঙে যায়। শুক্রবার সকাল থেকে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হলেও ভাঙা বাঁধ দিয়ে পানি ঢুকে গ্রামগুলো প্লাবিত হচ্ছে।

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ফুলগাজীতে মুহুরী নদী ও পরশুরামে কহুয়া নদীর বাঁধ ভেঙে ১০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানিতে আমনের বীজতলা, মাছের ঘেরসহ ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ফুলগাজী উপজেলায় ৯টি এবং পরশুরামে একটি গ্রাম প্লাবিত হয়।

গ্রামগুলো হচ্ছে, ফুলগাজী উপজেলার উত্তর দৌলতপুর, দক্ষিণ দৌলতপুর, পূর্ব ঘনিয়া মোড়া, পশ্চিম ঘনিয়া মোড়া, কিসমত ঘনিয়া মোড়া, জয়পুর, বৈরাগপুর, উত্তর বরইয়া, উত্তর শ্রীপুর এবং পরশুরামের সাতকুচিয়া গ্রাম।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জহির উদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার নদী দুটির পানি বিপৎসীমার প্রায় ১১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় পানির তোড়ে বাঁধ ভেঙে যায়। শুক্রবার সকাল থেকে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হলেও ভাঙা বাঁধ দিয়ে পানি ঢুকে গ্রামগুলো প্লাবিত হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা তপন বৈদ্য জানান, তার ঘর থেকে এখনো পানি নামেনি। প্রতিবছর বাঁধ ভেঙে এভাবেই ভেসে যায় ঘর, বাড়ি, ফসলি জমি। এর স্থায়ী সমাধান চান তারা।

জেলা প্রশাসক আবু সেলিম মাহমুদ উল হাসান জানান, বারবার বাঁধ ভাঙার বিষয়টি দুঃখজনক। স্থায়ীভাবে বাঁধ নির্মাণের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
৩৭৫ কোটি টাকার বাঁধ, সংস্কারেই গেছে ১৮০ কোটি
মুহুরী ও কহুয়া নদীর বাঁধের ৩ জায়গায় ভাঙন
২৩ বছরে পাঁচবার ধস শতবর্ষ স্থায়িত্বের বাঁধে
মেঘনায় চাঁদপুর শহর বিলীন হওয়ার শঙ্কা
ডিমলায় বেড়িবাঁধে ভাঙন, আতঙ্কে চার শ পরিবার

শেয়ার করুন

মন্তব্য