কোম্পানীগঞ্জে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৯

কোম্পানীগঞ্জে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৯

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহতদের হাসপাতালে নেয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার রাতে গণির অনুসারীরা চরএলাহী বাজারে অবস্থান নিলে চেয়ারম্যান রাজ্জাকের অনুসারীদের সঙ্গে বাকবিতন্ডা হয়। পরে রাজ্জাকের অনুসারীরা সংঘবব্ধ হয়ে গণির অনুসারীদের ওপর হামলা চালালে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, গুলি ও ককটেল ছোঁড়ার ঘটনা ঘটে।

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নয়জন আহত হয়েছেন।

উপজেলার চরএলাহী বাজার থেকে বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

স্থানীয়রা জানান, চরএলাহী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল গণি ও চরএলাহী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাকের সমর্থকদের রাজনৈতিক কোন্দলের জেরে এ সংঘর্ষ হয়।

বৃহস্পতিবার রাতে গণির অনুসারীরা চরএলাহী বাজারে অবস্থান নিলে চেয়ারম্যান রাজ্জাকের অনুসারীদের সঙ্গে বাকবিতন্ডা হয়। পরে রাজ্জাকের অনুসারীরা সংঘবব্ধ হয়ে গণির অনুসারীদের ওপর হামলা চালালে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া, গুলি ও ককটেল ছোঁড়ার ঘটনা ঘটে।

এ সময় দুই গ্রুপের অনন্ত নয় নেতাকর্মী আহত হয়। আহতদের মধ্যে ছয়জনকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

আব্দুল গণি বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার অনুসারী ও আব্দুর রাজ্জাক সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের অনুসারী।

গণির অনুসারী চরএলাহী ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হেলাল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ‘চেয়ারম্যান রাজ্জাক, তার ভাই খোকন, জব্বর, শাহীন ও কালামের নেতৃত্বে আমার বাড়িসহ আরও তিনটি বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা আমাদের উদ্দেশ্য করে গুলি চালালে সাতজন গুলিবিদ্ধ হয়।’

তার ভাষ্যমতে গুলিবিদ্ধরা হলেন, হেলাল মেম্বারের ছেলে মো. রুবেল, বাহার উদ্দিন, মো. সবুজ, মো. ইউসুফ, মো. ফিরোজ, ইলিয়াছ। এদের সবার বাড়ি চরএলাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে।

ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক দাবি করে বলেন, ‘আমি এলাকাতেই নাই। এই হামলার সঙ্গে আমি বা আমার কোনো অনুসারী জড়িত নয়। আব্দুল গণির নির্দেশে তার অনুসারীরা পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে।

‘হামলাকারীরা আমার অনুসারী ধনু নামে একজনের বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়। আরও কয়েকটা বাড়িতে হামলা চালিয়ে লুটপাট করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার তিন অনুসারী আহত হয়েছে। তারা হলেন, মহরম আলী চেয়াম্যানের ছেলে রিয়াদুল ইসলাম রাজু, আবদুর রহিম, মো. রানা।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুদ্দিন আনোয়ার বলেন, ‘সংঘর্ষের ঘটনায় ৬ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে একজনের মাথা ফাটা, দুইজনের শরীরে স্প্লিন্টারের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

‘বিষয়টি পুরোপুরি ডাক্তার বলতে পারবেন। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়া চলছে।’

শেয়ার করুন

মন্তব্য