নিষেধাজ্ঞায় খোলা কওমি মাদ্রাসা, শিশু নির্যাতনের অভিযোগ

নিষেধাজ্ঞায় খোলা কওমি মাদ্রাসা, শিশু নির্যাতনের অভিযোগ

মাদ্রাসার মোহতামিম আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ‘আমি মাদ্রাসায় ছিলাম না। একটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে গেছে। ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মাদ্রাসা কমিটির পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

ফরিদপুরের নগরকান্দায় মাদ্রাসাশিক্ষকের নির্যাতনে দুই শিক্ষার্থী আহত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

উপজেলার কাইচাইল ইউনিয়নের সুতারকান্দা দারুস সালাম ইসলামিয়া মাদ্রাসায় বুধবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে।

আহত এক ছাত্রের বাবার অভিযোগ, তার ছেলে ওই মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের ছাত্র। ফজরের নামাজের পর তারা বসে তালিম শুনছিল। এ সময় ওই দুই ছাত্র ঝিমানো শুরু করলে হাফেজ রকিবুল ইসলাম তাদের মাথা একসঙ্গে বাড়ি দেন।

এতে দুজনের মাথা ফেটে রক্ত বের হয়। তখন পার্শ্ববর্তী পোড়াদিয়া বাজারের গ্রাম্য চিকিৎসককে ডেকে তাদের মাথায় সেলাই দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়া হয়।

ছেলের মাথায় চারটি সেলাই পড়েছে বলে ওই বাবা জানান। তিনি স্থানীয় মাতব্বরদের বিষয়টি জানিয়েছেন। তারা সিদ্ধান্ত দেবেন মামলা হবে কি না।

এখনও কোনো মামলা হয়নি বলে জানিয়েছেন নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম রেজা বিপ্লব।

মাদ্রাসার মোহতামিম আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ‘আমি মাদ্রাসায় ছিলাম না। একটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে গেছে। ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মাদ্রাসা কমিটির পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

তবে এ ঘটনার পর থেকে রকিবুল ইসলাম পলাতক।

এ বিষয়ে নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেতী প্রু জানান, দুই শিক্ষার্থীর উন্নত চিকিৎসার জন্য অভিভাবকদের পরামর্শ দেয়া হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
ভাতিজার মাথায় ফুটন্ত ভাত: চাচা গ্রেপ্তার
দুই শিশুকে যৌন নির্যাতন, তিন লাখ টাকায় মীমাংসার অভিযোগ
শিশু গৃহকর্মী নির্যাতন: স্ত্রীসহ ব্যাংক কর্মকর্তা গ্রেপ্তার
নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা: দ্রুত নিষ্পত্তিতে প্রয়োজন সমন্বয়

শেয়ার করুন

মন্তব্য