পোশাকশ্রমিকের গাড়ি নেই, কারখানায় যেতে ভরসা দুই পা  

পোশাকশ্রমিকের গাড়ি নেই, কারখানায় যেতে ভরসা দুই পা  

চাকরি হারানোর শংকায় অনেক পোশাকশ্রমিক হেঁটে পাড়ি দিয়েছেন কিলোমিটারের দূরত্ব। আরও দূরের গন্তব্যের শ্রমিকেরা অল্প কিছু যানবাহন দেখলেই হুমড়ি খেয়ে পড়েন। কর্মস্থলে পৌঁছানোর তাড়ায় ছিল না কোনো স্বাস্থ্যবিধি।

শাটডাউনের আগে তিন দিনের সীমিত লকডাউনে রিকশা ছাড়া সব গণপরিবহন বন্ধ। তবে খোলা রয়েছে অফিস ও কলকারখানা। হুট করে আসা এই সিদ্ধান্তে সোমবার সকালে তীব্র ভোগান্তিতে পড়েন কর্মস্থলগামী হাজার হাজার মানুষ।

সাভারে বেশির ভাগ পোশাক শ্রমিক হেঁটেই রওনা হন কারখানার দিকে। দূরের গন্তব্যের শ্রমিকেরা দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থেকেছেন রাস্তায়। পরে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে গাদাগাদি করে চড়েছেন অনুমোদনহীন বিভিন্ন যানে।

ক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা প্রায় এক ঘণ্টা সড়ক অবরোধও করেছেন।

সোমবার ভোর ৬টা থেকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের হেমায়েতপুর, উলাইল, সাভার বাসস্ট্যান্ড, রেডিওকলোনি, নবীনগর এলাকায় গণপরিবহনের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা যায় পোশাকশ্রমিকদের। একই চিত্র ছিল আশুলিয়ার নবীনগর-চন্দ্রা ও টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেড সড়কে।

আশুলিয়ার বাইপাইল ত্রিমোড় এলাকায় দেখা গেছে, চাকরি হারানোর শংকায় অনেকেই হেঁটে পাড়ি দিয়েছেন কিলোমিটারের দূরত্ব। আরও দূরের গন্তব্যের শ্রমিকেরা অল্প কিছু যানবাহন দেখলেই হুমড়ি খেয়ে পড়েন। কর্মস্থলে পৌঁছানোর তাড়ায় ছিল না কোনো স্বাস্থ্যবিধি।

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের রেডিওকলোনি এলাকায় পার্টেক্স গার্মেন্টসের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শ্রমিক জানান, সকাল ৬টা থেকে তিনি দাঁড়িয়ে আছেন। অনেকক্ষণ পরপর এক-একটা গাড়ি আসে। ভিড়ের কারণে তাতে ওঠা যায় না। ভাড়াও নেয়া হচ্ছে বেশি।

তিনি বলেন, ‘গার্মেন্টসে এক দিন না গেলে বেতন কাটা যাবে। সব কিছু খোলা রেখে পরিবহন বন্ধ করে এ কেমন লকডাউন।’

পোশাকশ্রমিকের গাড়ি নেই, কারখানায় যেতে ভরসা দুই পা

সোহেল রানা নামের আরেক পোশাকশ্রমিক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘১০ টাকার ভাড়া ৫০ টাকা চায়। আমরা ব্যাতনি (বেতন) পাই ৮ হাজার ট্যাকা। পোষাইবো এত ট্যাকা গাড়ি ভাড়া, রিকশা ভাড়া দিয়া যাইয়্যা? দেরি কইরা গার্মেন্টসে গেলে আবার বাইর কইরা দেয়। কয় তোরা জাগা। সকাল ৬টা থাইকা ৮টা পর্যন্ত গাড়ির লাইগা রইছি। গাড়ি পাই নাই।’

জিকে গার্মেন্টসের পোশাকশ্রমিক আল আমিন বলেন, ‘পোশাক কারখানা খোলা। পরিবহন নাই। আমরা যামু কী দিয়া? এটা কোন ধরনের লকডাউন দিছে সরকার? অফিস-আদালত খুইলা, ব্যাংক খু্ইলা। সরকারি গাড়িঘোরা, প্রাইভেট সব চলে। খালি পরিবহন নাই। তাহলে অফিসে যামু আমরা কী দিয়া?’

বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সাংগঠনিক সম্পাদক খাইরুল মামুন মিন্টু নিউজবাংলাকে বলেন, ‘লকডাউন আসলে গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য নাটক। এটাকে নাটক বলব এই কারণে যে, যেখানে লাখ লাখ শ্রমিক কারখানায় কাজ করেন সেখানে স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য সরকারের আন্তরিকতা নেই। বিভিন্ন জায়গায় কিন্তু শ্রমিকরা করোনাতেও আক্রান্ত হচ্ছেন।

‘শ্রমিকদের করোনার টেস্ট এবং ভ্যাকসিনও দেয়া হয়নি। আবার এই লকডাউনের ঘোষণা দিছে এবং আগামী বৃহস্পতিবার থেকে শাটডাউন। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে আমরা মনে করছিলাম, সরকারের অন্তত এইবার বোধগম্য হবে। তারা শিল্প-কারখানাগুলো বন্ধ রাখবে। শ্রমিকরা স্বাস্থ্যবিধি যাতে মানে সেই ধরনের উদ্যোগ তারা নেবে।’

পোশাকশ্রমিকের গাড়ি নেই, কারখানায় যেতে ভরসা দুই পা

খাইরুল আরও বলেন, ‘স্পষ্টভাবে গার্মেন্টস মালিকদের কোনো নির্দেশনা দেয়া হলো না যে, তারা শ্রমিকদের কীভাবে আনা-নেয়া করবেন? যার কারণে কারখানা খোলা রেখে এই লকডাউন বাস্তবায়ন করা বা স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা কোনোভাবেই সম্ভব না।

‘আমি মনে করি, আগামী বৃহস্পতিবার থেকে সরকার যে কঠোর লকডাউন দেবে, সেই লকডাউনে কারখানা বন্ধ রাখতে হবে। আর না হলে কারখানায় শ্রমিকরা যাতে নিরাপদে মালিকদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় কাজে যেতে পারেন তার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা করতে হবে। যে মালিকরা এই ধরনের ব্যবস্থা নেবেন না, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।’

তিনি সতর্ক করে বলেন, শ্রমিকরা যেভাবে ক্ষিপ্ত হয়ে আছেন, তাতে তারা যেকোনো সময় লকডাউন ভেঙে রাজপথে নামবেন।

এর আগে সকালে কাজে যেতে ঘর থেকে বেরিয়ে কোনো পরিবহন না পাওয়ায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন সাভারের বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা।

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের রেডিওকলোনি এলাকায় সোমবার সকাল ৮টার দিকে সড়ক অবরোধ করেন তারা।

সাভার হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ করিম খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সকাল ৮টার দিকে কিছু শ্রমিক রেডিওকলোনি এলাকায় সড়কে বিক্ষোভ করেছেন। গণপরিবহন সংকট ও বেশি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ তাদের। পরে আমরা তাদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দিলে এক ঘণ্টা পর যানচলাচল স্বাভাবিক হয়।’

আরও পড়ুন:
‘যত ভোগান্তি সব আমাদের’
আংশিক লকডাউনে দীর্ঘ যানজট
লকডাউন: ট্রাক-বাইকে বাড়ি ফেরার ধুম
লকডাউন তামাশায় পরিণত হয়েছে: বিএনপি
শাটডাউনে মাঠে নামছে সেনাবাহিনী

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ব‌রিশালে এক ‌দি‌নে ৩২ মৃত্যু

ব‌রিশালে এক ‌দি‌নে ৩২ মৃত্যু

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক বাসুদেব কুমার দাস জানান, এক দিনে বিভাগে নতুন শনাক্তদের মধ্যে বরিশালের ৩৩৫ জন, ভোলার ১৮২ জন, পটুয়াখালী‌র ১৭৬ জন, পি‌রোজপু‌রের ৭৪ জন, বরগুনার ৬৪ ও ঝালকা‌ঠি‌র ২৭ জন রয়েছেন।

বরিশাল বিভাগে এক দিনে করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিভাগে এক দিনে এটিই স‌র্বোচ্চ মৃত্যু। এ নিয়ে বরিশাল বিভাগে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ৫১৪ জ‌নে দাঁড়িয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক বাসুদেব কুমার দাস বৃহস্পতিবার সকালে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগে করোনা শনাক্ত হয়ে ১৫ ও উপসর্গ নিয়ে ১৭ জন মারা গেছেন। বুধব‌ার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্প‌তিবার সকাল ৮টার মধ্যে তাদের মৃত্যু হয়েছে। তাদের ম‌ধ্যে ১৯ জন বরিশাল শের-ই-বাংলা মে‌ডিক্যাল ক‌লেজ হাসপাতা‌লে চি‌কিৎসা নিচ্ছিলেন।

তিনি আরও জানান, এক দিনে বিভাগে নতুন করে ৮৫৮ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে বরিশালের ৩৩৫ জন, ভোলার ১৮২ জন, পটুয়াখালী‌র ১৭৬ জন, পি‌রোজপু‌রের ৭৪ জন, বরগুনার ৬৪ ও ঝালকা‌ঠি‌র ২৭ জন রয়েছেন।

এ নিয়ে ব‌রিশাল বিভা‌গে মোট ক‌রোনা শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ৩৬ হাজার ৯৯৮ জনে।

এ‌দি‌কে ব‌রিশাল শের-ই-বাংলা মে‌ডি‌ক্যাল ক‌লেজ হাসপাতা‌লে ৩০০ শয্যার ক‌রোনা ইউ‌নি‌টে বৃহস্প‌তিবার সকাল পর্যন্ত ৩৪৩ জন ভ‌র্তি রয়েছেন। যার ম‌ধ্যে ১২০ জনের ক‌রোনা প‌জি‌টিভ। গত ২৪ ঘণ্টায় এ ইউ‌নি‌টে ৪১ জন নতুন রোগী ভ‌র্তি হ‌য়ে‌ছেন।

আরও পড়ুন:
‘যত ভোগান্তি সব আমাদের’
আংশিক লকডাউনে দীর্ঘ যানজট
লকডাউন: ট্রাক-বাইকে বাড়ি ফেরার ধুম
লকডাউন তামাশায় পরিণত হয়েছে: বিএনপি
শাটডাউনে মাঠে নামছে সেনাবাহিনী

শেয়ার করুন

বাঁধের ভাঙন রোধে আবারও পদ্মায় ডিজিটাল সার্ভে

বাঁধের ভাঙন রোধে আবারও পদ্মায় ডিজিটাল সার্ভে

পদ্মা নদীর বাঁধের ভাঙন রোধে চলছে ডিজিটাল সার্ভে। ছবি: নিউজবাংলা

মাল্টিভিম যন্ত্র নদীর তলদেশের স্রোতের গতি, পানির লেভেল, গভীরতা, তলদেশের মাটির স্তরের তথ্য কম্পিউটারে পাঠায়। সঙ্গে ছবি ও ভিডিও পাঠানো হয়। প্রকৌশলীরা তা বিশ্লেষণ করে কোথায় ও কী সমস্যা তা চিহ্নিত করেন।

প্রতি বছর পদ্মার ভাঙনে গৃহহারা হন এর দুই পারের মানুষ। বর্ষা মৌসুমে বাঁধের ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে শুরু হয়েছে ডিজিটার সার্ভে।

নদীর ডান তীর রক্ষা বাঁধ এলাকার ১০ কিলোমিটারজুড়ে বুধবার থেকে দুইদিনের সার্ভে শুরু হয়েছে।

পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ট্রাস্টি প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিং (টিডব্লিউএম) স্পিডবোটে মাল্টিভিম যন্ত্রের সাহায্যে এই সার্ভে করছে। স্পিডবোটের সঙ্গে পানির ১ মিটার নিচে এটি বাঁধা থাকে। নদীর তীর থেকে ৩০০ মিটার পর্যন্ত যন্ত্রটি নিয়ে যাওয়া যায়।

যন্ত্রটি নদীর তলদেশের স্রোতের গতি, পানির লেভেল, গভীরতা, তলদেশের মাটির স্তরের তথ্য কম্পিউটারে পাঠায়। সঙ্গে ছবি ও ভিডিও পাঠানো হয়। প্রকৌশলীরা তা বিশ্লেষণ করে কোথায় ও কী সমস্যা তা চিহ্নিত করেন।

২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত শরীয়তপুরের নড়িয়া ও জাজিরা উপজেলায় পদ্মার তীর ভাঙনে গৃহহীন হয় অন্তত ২০ হাজার পরিবার।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানায়, ২০১৮ সালে তারা নড়িয়া-জাজিরায় পদ্মা নদীর ডান তীর রক্ষা প্রকল্প নামে একটি প্রকল্পের কাজ শুরু করে। এর আওতায় নড়িয়ার সুরেশ্বর লঞ্চঘাট থেকে জাজিরার সফি কাজির মোড় পর্যন্ত ৯ দশমিক ৩ কিলোমিটার এলাকায় তীর রক্ষা বাঁধ তৈরি হচ্ছে। তীরের বিপরীতে ১১ দশমিক ৮ কিলোমিটার নদীর চর খনন কাজ চলছে।

তীর রক্ষা বাঁধে ব্যয় হচ্ছে ৮৩০ কোটি টাকা ও নদীর চর খননে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৮৭ কোটি টাকা।

বাঁধ নির্মাণে বালুভর্তি ৬২ লাখ জিও ব্যাগ ও ৪২ লাখ সিসি ব্লক ফেলা হবে। এর মধ্যে ৫২ লাখ জিও ব্যাগ ও ২১ লাখ সিসি ব্লক ফেলা হয়েছে। বাঁধের ৩ দশমিক ৭ কিলোমিটারের কাজ শেষ হয়েছে। নদীর চর খনন কাজ শেষ হয়েছে ৭ দশমিক ৩ কিলোমিটার।

এই প্রকল্পের কাজ চলমান অবস্থাতেও ২০১৯ ও ২০২০ সালে ভাঙন দেখা দেয়। ২০১৯ সালে সাধুর বাজার এলাকায় দুটি স্থানে ও গত বছর সুরেশ্বর দরবার শরিফ এলাকায় তিন দফায় ভাঙন সৃষ্টি হয়। জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলে ভাঙন রোধ করে পাউবো।

পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী এসএম আহসান হাবীব নিউজবাংলাকে জানান, গত বছর প্রথম ডিজিটাল সার্ভে করে আটটি ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেয়ায় ক্ষতি কম হয়। এ বছর জানুয়ারিতে একবার সার্ভে করে তলদেশের অবস্থা যাচাই করা হয়েছিল। বর্ষা মৌসুমে আবার করা হচ্ছে।

পানি সম্পদ উপমন্ত্রী ও শরীয়তপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম এনামুল হক শামীম বলেন, ‘শরীয়তপুর জেলা দিয়ে পদ্মা, মেঘনা ও কীর্তিনাশা নদী প্রবাহিত হয়েছে। নদী ভাঙনের কারণে বহু বছর ধরে এ জনপথের মানুষ নিঃস্ব হচ্ছে। তাদের সুরক্ষা দেয়ার জন্য শরীয়তপুর জেলায় অনেকগুলো প্রকল্প চলছে।

‘বর্ষায় ভাঙন হতে পারে। এ কারণে সর্তকতামূলক নানা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে যেন কোথাও ভাঙন দেখা দিলে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া যায়।’

আরও পড়ুন:
‘যত ভোগান্তি সব আমাদের’
আংশিক লকডাউনে দীর্ঘ যানজট
লকডাউন: ট্রাক-বাইকে বাড়ি ফেরার ধুম
লকডাউন তামাশায় পরিণত হয়েছে: বিএনপি
শাটডাউনে মাঠে নামছে সেনাবাহিনী

শেয়ার করুন

শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে জেলা প্রশাসকের শ্রদ্ধা

শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে জেলা প্রশাসকের শ্রদ্ধা

শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো শেষে জেলা যুব উন্নয়ন অফিসের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষের মাঝে শতাধিক গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা।

গোপালগঞ্জে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামালের ৭২তম জন্মবার্ষিকী পালন করা হচ্ছে।

শেখ রাসেল উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা।

এরপর জেলা যুব উন্নয়ন অফিসের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষের মাঝে শতাধিক গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক।

এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলী খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইলিয়াছুর রহমান, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মিজানুর রহমান সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

বিকেলে শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে টুঙ্গিপাড়ায় আলোচনা সভা হবে।

আরও পড়ুন:
‘যত ভোগান্তি সব আমাদের’
আংশিক লকডাউনে দীর্ঘ যানজট
লকডাউন: ট্রাক-বাইকে বাড়ি ফেরার ধুম
লকডাউন তামাশায় পরিণত হয়েছে: বিএনপি
শাটডাউনে মাঠে নামছে সেনাবাহিনী

শেয়ার করুন

পিসিআর মেশিনে ভাইরাস, বন্ধ নমুনা পরীক্ষা

পিসিআর মেশিনে ভাইরাস, বন্ধ নমুনা পরীক্ষা

শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল কাদের জানান, পিসিআর মেশিন বন্ধ থাকায় করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে। ল্যাবটি সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত করে শুক্রবার থেকে হয়তো আবার নমুনা পরীক্ষা শুরু করা যাবে।

গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আরটিপিসিআর মেশিনে করোনাভাইরাস পাওয়ায় বন্ধ রয়েছে নমুনা পরীক্ষা।

হাসপাতালের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও ল্যাবপ্রধান সাইফুল ইসলাম বৃহস্পতিবার সকালে নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গত ২ আগস্ট বিকেলে ১২৩টি নমুনা পরীক্ষার জন্য মেশিনে দেয়া হয়। এতে ১১৫ জনের পজিটিভ ফল এলে বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হয়।

এরপর মঙ্গলবার পরীক্ষা করে মেশিনের টিউবে ভাইরাসের নমুনা পাওয়া গেলে করোনা পরীক্ষা বন্ধ করে দেয়া হয়। এ ছাড়া ওই ১২৩টি নমুনা আবারও পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল কাদের জানান, পিসিআর মেশিন বন্ধ থাকায় করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে। ল্যাবটি সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত করে শুক্রবার থেকে হয়তো আবার নমুনা পরীক্ষা শুরু করা যাবে।

আরও পড়ুন:
‘যত ভোগান্তি সব আমাদের’
আংশিক লকডাউনে দীর্ঘ যানজট
লকডাউন: ট্রাক-বাইকে বাড়ি ফেরার ধুম
লকডাউন তামাশায় পরিণত হয়েছে: বিএনপি
শাটডাউনে মাঠে নামছে সেনাবাহিনী

শেয়ার করুন

বর্ষায় জমেনি নৌকা কেনাবেচা

বর্ষায় জমেনি নৌকা কেনাবেচা

মানিকগঞ্জের ঘিওরের ঐতিহ্যবাহী নৌকার হাটে এ বছর বেচা-কেনা কম হচ্ছে। ছবি: নিউজবাংলা

নৌকা বিক্রেতা কৃষ্ণ রায় বলেন, ‘গত বছর যে নৌকা বিক্রি করছি সাড়ে ৪ হাজার টাকায়, এ বছর সেই নৌকা সাড়ে ৩ হাজার টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। শুধু পানি না হওয়ায় প্রতিটা নৌকায় ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকা ধরা।’

মানিকগঞ্জের ঘিওরে ধলেশ্বরী নদীর পাশে মাঠজুড়ে দেখা মিলবে বিভিন্ন আকারের শ শ বাহারি কাঠের নৌকা। প্রতিবছর বর্ষায় এখানে বসে ঐতিহ্যবাহী নৌকার হাট।

ঘিওর সরকারি কলেজ ও ঈদগাঁর মাঠে বর্ষাজুড়ে প্রতি বুধবার বসে এই হাট।

সেখানে মানিকগঞ্জ ছাড়াও আশপাশের জেলার মানুষ আসেন পছন্দের নৌকা কিনতে। বরাবরই জমজমাট থাকে এই হাট; বেচাকেনা হয় শ শ নৌকা।

হাটের পাশেই ধলেশ্বরী নদী থাকায় নৌকা কিনে সেই নৌকায় করেই বাড়ি ফেরেন ক্রেতারা। তবে এ বছর বেচাকেনা একেবারে কম বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

এর কারণ হিসেবে তারা বলছেন, বর্ষায় পানি কম হওয়ায় ঘোড়ার গাড়ি ও ভ্যানে করে নৌকা বাড়িতে নিতে হচ্ছে। পরিবহন ব্যয় বেশি হওয়ায় নৌকার ক্রেতা কমেছে।

শিবালয়ের শাহিলী এলাকার নৌকা ক্রেতা মোসলেম উদ্দিন বলেন, ‘শাহিলী এলাকা অনেক নিচা। টানা কয়েক দিন বৃষ্টি হইলেই পানি হইয়্যা যায়। আর বর্ষাকালে নৌকা ছাড়া বাড়ি থেকে বাইর হওয়া যায় না। এই কারণে হাটে আইস্যা ১৭০০ টাকা দিয়্যা ১১ হাতের একটা নৌকা কিনলাম।’

বর্ষায় জমেনি নৌকা কেনাবেচা

দৌলতপুরের আরেক ক্রেতা আজিজুল রহমান বলেন, ‘আমাগো বারোমাসই নৌকা লাগে। বিশেষ কইর‌্যা বর্ষাকালে নৌকা ছাড়া কোথাও যাওয়া যায় না। রাস্তাঘাট পানির তলায় থাকে। এইবার পানি না হওয়ায় নৌকার দাম একবারে সস্তা। আরেকটু সস্তায় পাইলে কয়েকটা কিনুম।’

হরিরামপুরের তবিজ উদ্দিন বলেন, বন্যা আইতেছে। তাই আগেই সস্তায় ভালো নৌকা কিনা রাখলাম। বন্যার সময় পানি বেশি হইলেই দাম বাড়ায় নৌকার কারিগররা।

নৌকা বিক্রেতা ঘিওরের কুস্তার ইকবাল হোসেন বলেন, ‘সাভার থেকে পাইকারি দরে নৌকা কিনে ঘিওরের হাটে বিক্রি করি। ঘিওর হাটে নৌকার অনেক চাহিদা। এই হাটে মানিকগঞ্জ ছাড়াও টাঙ্গাইল, নাগরপুর, সাভার, ধামরাইয়ের লোকজন নৌকা কিনতে আসেন। প্রতি হাটে শ শ নৌকা বেচাকেনা হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘পানির সঙ্গে নৌকার দামের একটা সম্পর্ক আছে। পানি হলে ভালো দাম পাই। আর না হলে মোটামুটি দামে বেচতে হয়। অনেক সময় লসও হয়।’

বর্ষায় জমেনি নৌকা কেনাবেচা

দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে নৌকা বিক্রেতা কৃষ্ণ রায় ঘিওর হাটে নৌকা বিক্রি করে আসছেন। তিনি এই হাটে চাম্বুল, স্টিলবডি, আকাশমনি, আম, জাম, কাঁঠাল গাছের কাঠ দিয়ে তৈরি বিভিন্ন আকারের বাহারি নৌকা বিক্রি করেছেন।

তিনি বলেন, ‘গত বছর যে নৌকা বিক্রি করছি সাড়ে ৪ হাজার টাকায়, এ বছর সেই নৌকা সাড়ে ৩ হাজার টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। শুধু পানি না হওয়ায় প্রতিটা নৌকায় ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকা ধরা।’

ঘিওর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, ‘ঘিওরের ঐতিহ্যবাহী নৌকার হাটে প্রচুর নৌকা ওঠে। বিশেষ করে বন্যার আগে ও বন্যার মধ্যে হাটে ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড় দেখা যায় সবচেয়ে বেশি। নদীতে বর্ষার পানি ঢুকলেই মানিকগঞ্জের দৌলতপুর, শিবালয় ও হরিরামপুরসহ উপজেলার নিম্নাঞ্চল তলিয়ে যায়। যার ফলে বর্ষা মৌসুমে এসব এলাকার মানুষের একমাত্র ভরসা ডিঙি নৌকা।’

এই হাটে আসা ক্রেতা-বিক্রেতাদের যেকোনো সমস্যায় সার্বিক সহযোগিতা করা হয় বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
‘যত ভোগান্তি সব আমাদের’
আংশিক লকডাউনে দীর্ঘ যানজট
লকডাউন: ট্রাক-বাইকে বাড়ি ফেরার ধুম
লকডাউন তামাশায় পরিণত হয়েছে: বিএনপি
শাটডাউনে মাঠে নামছে সেনাবাহিনী

শেয়ার করুন

প্রেম নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে সেই হত্যা: সিআইডি

প্রেম নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে সেই হত্যা: সিআইডি

শাহ আলম হত্যায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ জুলহাস ওরফে জুলুকে গ্রেপ্তার করে। ছবি: নিউজবাংলা

সিরাজগঞ্জ সিআইডির পরিদর্শক সাখাওয়াত হোসেন জানান, বওড়া গ্রামের কাকলি বেগমের সঙ্গে শাহ আলমসহ তিনজনের প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। বাকি দুজনের সঙ্গে প্রেমের বিষয়টি নিয়ে কাকলির সঙ্গে শাহ আলমের দ্বন্দ্ব হয়। এর জেরে কাকলি ও তার ওই দুই প্রেমিক শাহ আলমকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।

সিরাজগঞ্জে বেকারি দোকানের কর্মচারী হত্যার প্রায় সাড়ে চার বছর পর হত্যার কারণ জানিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

তারা জানায়, প্রেমের সম্পর্কের জেরে ২০১৭ সালের ২৫ জানুয়ারি বেলকুচি উপজেলার বওড়া গ্রামের শাহ আলমকে হত্যা করা হয়।

সিরাজগঞ্জ সিআইডির পরিদর্শক সাখাওয়াত হোসেন বুধবার রাতে নিউজবাংলাকে বিষয়টি জানান।

তিনি জানান, বওড়া গ্রামের কাকলি বেগমের সঙ্গে শাহ আলমসহ তিনজনের প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। বাকি দুজনের সঙ্গে প্রেমের বিষয়টি নিয়ে কাকলির সঙ্গে শাহ আলমের দ্বন্দ্ব হয়। এর জেরে কাকলি ও তার ওই দুই প্রেমিক শাহ আলমকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।

২০১৭ সালের ২৫ জানুয়ারি রাতে কাকলির বাসায় আসেন শাহ আলম। তিনি ঘুমিয়ে পড়লে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। লাশ গুমের জন্য যমুনার চরে ফেলে দেয়া হয়।

দুদিন পর ২৭ জানুয়ারি পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় শাহ আলমের স্ত্রী শিরিনা বেগম অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে বেলকুচি থানায় হত্যা মামলা করেন। পুলিশ তদন্ত করে ব্যর্থ হওয়ায় মামলাটি সিআইডির কাছে হস্তান্তর করে।

এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ গত ৩ আগস্ট রাতে কামারখন্দ উপজেলার জামতৈল রেলস্টেশন এলাকা থেকে জুলহাস ওরফে জুলুকে গ্রেপ্তার করে। বুধবার বিকেলে তাকে আদালতে তোলা হলে জবানবন্দিতে হত্যায় সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন।

তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাকিদেরও গ্রেপ্তার করা হবে বলে জানান সিআইডির পরিদর্শক সাখাওয়াত হোসেন।

আরও পড়ুন:
‘যত ভোগান্তি সব আমাদের’
আংশিক লকডাউনে দীর্ঘ যানজট
লকডাউন: ট্রাক-বাইকে বাড়ি ফেরার ধুম
লকডাউন তামাশায় পরিণত হয়েছে: বিএনপি
শাটডাউনে মাঠে নামছে সেনাবাহিনী

শেয়ার করুন

র‍্যাবের সঙ্গে গোলাগুলিতে রোহিঙ্গা নিহত

র‍্যাবের সঙ্গে গোলাগুলিতে রোহিঙ্গা নিহত

কক্সবাজারের টেকনাফে র‌্যাবের সঙ্গে গোলাগুলিতে এক রোহিঙ্গা নিহত হয়েছেন। ছবি: নিউজবাংলা

র‍্যাব জানায়, ডাকাতির প্রস্তুতি চলছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ-কক্সবাজার সড়কের পাশে জঙ্গলে অভিযান পরিচালনা করেন র‍্যাবের টহল দলের সদস্যরা। এ সময় র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে ১০ থেকে ১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ রোহিঙ্গা ডাকাত দল। আত্মরক্ষার্থে র‍্যাবও পাল্টা গুলি ছোড়ে।

কক্সবাজারের টেকনাফে র‌্যাবের সঙ্গে গোলাগুলিতে এক রোহিঙ্গা নিহত হয়েছেন।

টেকনাফের দমদমিয়ায় টেকনাফ-কক্সবাজার সড়কের পাশে জঙ্গলে বুধবার রাত ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

র‌্যাবের দাবি, রোহিঙ্গা ডাকাত জকির গ্রুপের সক্রিয় সদস্য নুরু। এ ঘটনায় র‌্যাবের দুই সদস্য আহত হয়েছেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহত ৪০ বছর বয়সী নুরুল হক প্রকাশ নুরু ‍মিয়ার বাড়ি টেকনাফের হ্নীলা জাদিমুড়া ২৭ নম্বর ক্যাম্পের সি ব্লকে।

আহত র‌্যাব সদস্যরা হলেন, সিপিএ মো. ইয়াছিন ও কনস্টেবল মো. মাহফুজুল আলম।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-১৫ সিপিসি-১ টেকনাফ র‍্যাবের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিমান চন্দ্র কর্মকার।

তিনি জানান, ডাকাতির প্রস্তুতি চলছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ-কক্সবাজার সড়কের জঙ্গলে অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাবের টহল দলের সদস্যরা।

এ সময় র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে ১০ থেকে ১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল। আত্মরক্ষার্থে র‌্যাবও পাল্টা গুলি ছোড়ে। ১৫ মিনিট ধরে চলা গোলাগুলির একপর্যায়ে ডাকাত দলের সদস্যরা পিছু হটে।

টেকনাফ র‍্যাবের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও জানান, এ সময় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় অস্ত্রসহ নুরুকে উদ্ধার করে ক্যাম্পের টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

আহত র‍্যাব সদস্যদের টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডাক্তার শুভ্র দেব জানান, বুধবার রাত আড়াইটার দিকে এক ব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। সেখানে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়। তার শরীরে গুলির জখমের চিহ্ন রয়েছে।

এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ১টি বিদেশি পিস্তল, ২ রাউন্ড গুলিসহ ১টি ম্যাগাজিন ও ৩টি দেশীয় অস্ত্র, ২টি তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি।

এদিকে নুরুর মৃত্যুর খবরে ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের মাঝে স্বস্তি দেখা দিয়েছে।

ক্যাম্পের কয়েকজন রোহিঙ্গা জানান, ডাকাত জকির মারা যাওয়ার পর নুরুর নেতৃত্বে ক্যাম্প এলাকায় খুন, অপহরণ, ডাকাতি, মুক্তিপণ বাণিজ্য চলছিল।

আরও পড়ুন:
‘যত ভোগান্তি সব আমাদের’
আংশিক লকডাউনে দীর্ঘ যানজট
লকডাউন: ট্রাক-বাইকে বাড়ি ফেরার ধুম
লকডাউন তামাশায় পরিণত হয়েছে: বিএনপি
শাটডাউনে মাঠে নামছে সেনাবাহিনী

শেয়ার করুন