ডিমলায় বেড়িবাঁধে ভাঙন, আতঙ্কে চার শ পরিবার

ডিমলায় বেড়িবাঁধে ভাঙন, আতঙ্কে চার শ পরিবার

স্থানীয় বাসিন্দা জামাল উদ্দিন বলেন, ‘ভাঙনে প্রায় এক সপ্তাহ হয়ে গেলেও কেউ খোঁজ খবর রাখেনি। এমনকি কেউ দেখতেও আসেননি। বর্তমানে বাঁধটির বিভিন্ন স্থানে ভাঙার পাশাপাশি একটি অংশে এক শ ফিট নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। আতঙ্কে দিন কাটছে আমাদের।’

তিস্তার পানি বৃদ্ধিতে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার খগাখড়িবাড়ি ইউনিয়নে বেড়িবাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে আতঙ্ক ছড়িয়েছে দোহলপাড়া, পাগলপাড়া গ্রামসহ আশপাশের জনপদে।

খগাখড়িবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম লিথন বলেন, সপ্তাহ খানেক আগে উজানের ঢলে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বেড়িবাঁধে ভাঙন দেখা দেয়। দু’একদিন পর পানি কমতে শুরু করলে ভাঙনের তীব্রতা বাড়তে থাকে।

স্থানীয় বাসিন্দা জামাল উদ্দিন বলেন, ‘ভাঙনে প্রায় এক সপ্তাহ হয়ে গেলেও কেউ খোঁজ খবর রাখেনি। এমনকি কেউ দেখতেও আসেননি। বর্তমানে বাঁধটির বিভিন্ন স্থানে ভাঙার পাশাপাশি একটি অংশে এক শ ফিট নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। আতঙ্কে দিন কাটছে আমাদের।’

আবু তালেব নামে আরেকজন বলেন, ‘পানি বৃদ্ধি পেলে এলাকার শত শত পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়বে। সেই সঙ্গে নদীতে বিলীন হবে হাজার হাজার একর জমির ফসল। দ্রুত বাঁধটি রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া দরকার।’

চেয়ারম্যান রবিউল বলেন, ‘আপাতত আমরা স্থানীয়ভাবে বাঁশ ও বালু দিয়ে ভাঙন রক্ষার কাজ শুরু করছি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহযোগিতা বিশেষ দরকার। বাঁধ রক্ষার পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানাচ্ছি কর্তৃপক্ষের কাছে।’

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া ডিভিশনের দায়িত্বে থাকা নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, বিষয়টি জানার পর রোববার সেখানে উপবিভাগীয় একজন প্রকৌশলীকে পাঠানো হয়েছে। পর্যবেক্ষণ রিপোর্ট অনুসারে বাঁধ রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
বর্ষার শুরুতেই যমুনায় ঘরবাড়ি ফসলি জমি
নদীভাঙনপ্রবণ ১৩ জেলা রক্ষায় পদক্ষেপ দাবি
বর্ষার আগেই ভাঙনে দিশেহারা নদীপাড়ের মানুষ
যমুনাপাড়ে মিষ্টি বিতরণ
যমুনার ভাঙন: নিঃস্ব নদীপাড়ের মানুষ

শেয়ার করুন

মন্তব্য