মোটরপার্টসের সঙ্গে ভায়াগ্রা আনার অভিযোগ

মোটরপার্টসের সঙ্গে ভায়াগ্রা আনার অভিযোগ

বেনাপোল কাস্টম হাউসের ‍উপকমিশনার অনুপম চাকমা জানান, মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে ভায়াগ্রার চালানটি আমদানি করে যশোরের মামনি এন্টারপ্রাইজ। পণ্যটি বন্দর থেকে ছাড় করানোর চেষ্টা করছিল বেনাপোলের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট আমিন ইমপোর্টস অ্যান্ড এক্সপোর্টস।

যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে মোটরপার্টসের সঙ্গে আনা ২৬ কেজি যৌন উত্তেজক ওষুধ ভায়াগ্রার চালান আটক করেছেন কাস্টমস সদস্যরা।

বুধবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল বন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবীর তরফদার।

তিনি জানান, রোববার বিকালে বেনাপোল বন্দরের ৪২ নম্বর পণ্যাগার থেকে ভায়াগ্রা চালানটি জব্দ করা হয়। পড়ে কাস্টমসের ল্যাবে প্রাথমিক পরীক্ষায় এটি ভায়াগ্রা হিসেবে শনাক্ত করা হয়।

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের ‍উপকমিশনার অনুপম চাকমা জানান, মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে ভায়াগ্রার চালানটি আমদানি করে যশোরের মামনি এন্টারপ্রাইজ। পণ্যটি বন্দর থেকে ছাড় করানোর চেষ্টা করছিলেন বেনাপোলের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট আমিন ইমপোর্টস অ্যান্ড এক্সপোর্টস।

তিনি বলেন, ‘৩১ মে ওই আমদানিকারক মোটরপার্টস অ্যান্ড আদার্স ঘোষণায় ভারত থেকে ৩০১ প্যাকেজ পণ্য আমদানি করে বেনাপোল বন্দরের ৪২ নম্বর পণ্যাগারে রাখেন। পরে পরীক্ষায় দেখা যায়, ৩০১ প্যাকেজের মধ্যে ১১৪ নম্বর প্যাকেজে পাউডার জাতীয় ২৬.২১ কেজি পণ্য রয়েছে। সেটি কাস্টমস হাউজের রাসায়নিক পরীক্ষাগারে নমুনা পরীক্ষা করে ভায়াগ্রা হিসেবে শনাক্ত হয়।’

বেনাপোল কাস্টমসের অতিরিক্ত কমিশনার ড. নেয়ামুল ইসলাম বলেন, ‘কাস্টমস হাউজে প্রাথমিক পরীক্ষায় ভায়াগ্রা শনাক্ত হয়েছে। আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

২০১৯ সালে বেনাপোল বন্দরে সাড়ে ১২ কোটি টাকা দামের আড়াই মেট্রিক টন ভায়াগ্রা আটক করে কাস্টমস। তবে আটকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা দুর্বল হওয়ায় বৈধ পথে থামেনি ভায়াগ্রা আমদানি।

শেয়ার করুন

মন্তব্য