২৪ ঘণ্টায় ১০ মৃত্যু, কঠোর লকডাউনে যশোর

টেস্ট

দেশে করোনার সংক্রমণ বাড়ছে; বাড়ছে টেস্ট করতে আসা রোগীর সংখ্যাও। ছবি: নিউজবাংলা

যশোরের ডিসি তমিজুল ইসলামের সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জেলার সব গরুর হাট, আন্তজেলা বাস, ট্রেনসহ সব গণপরিবহন, সিএনজি, রিকশা, ভ্যান, অটোরিকশা, মোটরসাইকেল, থ্রি হুইলার, হিউম্যান হলার চলাচল বন্ধ থাকবে।

যশোরে করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ১০ জন। জেনারেল হাসপাতাল ভরে গেছে করোনা রোগীতে। বেড সংকুলান না হওয়ায় রোগীর ঠাঁই হয়েছে মেঝেতে। সংক্রমণ দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় সাত দিনের কঠোর লকডাউন দিয়েছে প্রশাসন।

বুধবার রাত ১২টা থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত যশোর জেলায় কঠোর লকডাউনের বিধিনিষেধ জারি থাকবে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে জেলা প্রশাসক (ডিসি) তমিজুল ইসলাম খানের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

যশোরে করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে মঙ্গলবার মারা গেছেন ১০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ২৫৩ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিভিল সার্জন শেখ আবু শাহীন।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটের ৮০ শয্যা রোগীতে ভরে গেছে। অন্তত ৩০ জনকে হাসপাতালের মেঝেতে রাখা হয়েছে। এখন হাসপাতালের মেঝেতেও জায়গা নেই।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক কর্মকর্তা আরিফ আহমেদ বলেন, ‘যশোরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী। কঠোর লকডাউন ছাড়া এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। হাসপাতালে করোনা রোগীদের জায়গা দেয়া যাচ্ছে না। চাপ কমানোর জন্য মঙ্গলবার থেকে বেসরকারি জনতা হাসপাতালে ভারতফেরত রোগীদের রাখা হচ্ছে।’

জেলার সব গরুর হাট বন্ধ রাখাসহ ডিসির সই করা কঠোর লকডাউন প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আন্তজেলা বাস, ট্রেনসহ সব গণপরিবহন, সিএনজি, রিকশা, ভ্যান, অটোরিকশা, মোটরসাইকেল, থ্রি হুইলার, হিউম্যান হলার চলাচল বন্ধ থাকবে।

তবে অ্যাম্বুলেন্স, জরুরি পণ্য বহনকারী ট্রাক এবং জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না।

কাঁচাবাজার, ফুল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান দুপুর ১২টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। এ ছাড়া সব ধরনের দোকান, শপিংমল, হোটেল, রেস্তোরাঁ, চায়ের দোকান, বিপণিবিতান বন্ধ থাকবে। ওষুধের দোকান সার্বক্ষণিক খোলা রাখা যাবে।

আইনশৃঙ্খলা ও কৃষি উপকরণসহ জরুরি পরিষেবার যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।

সবাইকে অবশ্যই ঘরে অবস্থান করতে হবে। অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। জরুরি প্রয়োজনে চলাচলকারী সবাইকে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরতে হবে।

শিল্প-কলকারখানা স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু থাকবে।

পর্যটনস্থল, পার্ক, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে। জনসমাবেশ হয় এমন সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় জমায়েত বন্ধ থাকবে।

স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে ওয়াক্তের নামাজ মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ সর্বোচ্চ ৫ জন ও জুমার নামাজ সর্বোচ্চ ২০ জন জামাতে আদায় করা যাবে। অন্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানেও এর বেশি জমায়েত হওয়া যাবে না।

আরও পড়ুন:
৪ ঘণ্টার ব্যবধানে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু
যশোরে করোনায় ও উপসর্গে মৃত্যু ১০
করোনায় শনাক্ত বেড়ে ৪৮৪৬, মৃত্যু ৭৬
দেড় মাসের শিশুর করোনা
শঙ্কা এখন খুলনা বিভাগ নিয়ে, এক দিনে মৃত্যু ২৭

শেয়ার করুন

মন্তব্য

নারীকে ছুরিকাঘাত, সাবেক স্বামী আটক

নারীকে ছুরিকাঘাত, সাবেক স্বামী আটক

হাসপাতালে আহত ফাহমিদাকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। ছবি: নিউজবাংলা

সদর হাসপাতালের চিকিৎসক সাজিদ হাসান জানান, ফাহমিদার দুই হাতসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গায় পূর্ব বিরোধের জেরে এক নারীকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগে সাবেক স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ বলছে, পৌর এলাকার শেখপাড়ায় সোমবার দুপুর ১২টার দিকে ওই হামলার ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসী তাকে আটক করে পুলিশে দেয়।

আহত ফাহমিদা ফাইম শেখপাড়ার আবু কাউসার মধুর মেয়ে। আটক জসিম উদ্দিনের বাড়ি সদর উপজেলার আলুকদিয়া গ্রামে।

ফাহমিদার বাবা আবু কাউসার মধু জানান, বেশ কয়েক বছর আগে জসিমের সঙ্গে তার মেয়ের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে কলহ বাড়তে থাকে।

সম্পর্কের অবনতি হওয়ায় ১ বছর আগে তাদের বিচ্ছেদ হয়। কিন্তু এর পরও জসিম তার মেয়েকে নানাভাবে উত্যক্ত করত।

তিনি বলেন, ‘আজ হঠাৎ জসিম আমার বাড়িতে আসে। হঠাৎ মেয়ের ঘরে ঢুকে তাকে চাকু দিয়ে আঘাত করে। তার চিৎকারে ছুটে আসেন প্রতিবেশীরা। জসিমকে আটক করেন তারা। মেয়েকে ভর্তি করা হয় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে।’

সদর হাসপাতালের চিকিৎসক সাজিদ হাসান জানান, ফাহমিদার দুই হাতসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মাসুদুর রহমান জানান, অভিযুক্ত জসিমকে আটক করা হয়েছে। তবে এখনও থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
৪ ঘণ্টার ব্যবধানে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু
যশোরে করোনায় ও উপসর্গে মৃত্যু ১০
করোনায় শনাক্ত বেড়ে ৪৮৪৬, মৃত্যু ৭৬
দেড় মাসের শিশুর করোনা
শঙ্কা এখন খুলনা বিভাগ নিয়ে, এক দিনে মৃত্যু ২৭

শেয়ার করুন

কক্সবাজারে নির্বাচনি সহিংসতায় নিহত বেড়ে ২

কক্সবাজারে নির্বাচনি সহিংসতায় নিহত বেড়ে ২

কক্সবাজারের মহেশখালী ও কুতুবদিয়ায় নির্বাচনি সহিংসতায় ২ জন নিহত হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার দুই কেন্দ্রে সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে সাতজন। দুই কেন্দ্রেই সংঘর্ষের পর বন্ধ রাখা হয়েছে ভোট গ্রহণ।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ভোট চলাকালীন কক্সবাজারের মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার দুই কেন্দ্রে সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছে। দুটি এলাকায় আহত হয়েছে সাতজন। দুই কেন্দ্রেই সংঘর্ষের পর বন্ধ রাখা হয়েছে ভোট গ্রহণ।

কুতুবদিয়ার বড় ঘোপ ইউনিয়নের পিলটকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সোমবার দুপুর ১২টার দিকে সংঘর্ষে নিহত হন আব্দুল হালিম। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন চারজন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জামশেদুল ইসলাম সিকদার।

এর আগে সকাল ১০টার দিকে মহেশখালীর কুতুবজোম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিতে একজন নিহত হন। গুলিবিদ্ধ হন তিন নারী।

কুতুবজোম ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াপাড়া এলাকায় কুতুবজোম দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তির নাম আবুল কালাম। তিনি স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মোশাররফ হোসেন খোকনের সমর্থক বলে খবর পাওয়া গেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাই।

স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, ভোট চলাকালীন ওই কেন্দ্রে নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ কামালের সমর্থকদের সঙ্গে চশমার প্রার্থী মোশাররফ হোসেনের সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়। সে সময় গুলিবিদ্ধ হন চারজন। হাসপাতালে নেয়ার পথেই মৃত্যু হয় কালামের।

গুলিবিদ্ধ তিনজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

কুতুবজোম দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রের রিটার্নিং কর্মকর্তা জালাল উদ্দীন ইসলামাবাদী জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় কুতুবজোম দাখিল মাদ্রাসা ও কুতুবজোম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট নেয়া বন্ধ আছে।

আরও পড়ুন:
৪ ঘণ্টার ব্যবধানে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু
যশোরে করোনায় ও উপসর্গে মৃত্যু ১০
করোনায় শনাক্ত বেড়ে ৪৮৪৬, মৃত্যু ৭৬
দেড় মাসের শিশুর করোনা
শঙ্কা এখন খুলনা বিভাগ নিয়ে, এক দিনে মৃত্যু ২৭

শেয়ার করুন

ভোট বর্জন, সংঘাতের মধ্যে বাগেরহাটে চলছে ভোট

ভোট বর্জন, সংঘাতের মধ্যে বাগেরহাটে চলছে ভোট

বাগেরহাটে ইউপি নির্বাচনে ২ স্বতন্ত্র প্রার্থীর ভোট বর্জন করেছেন। ছবি: নিউজবাংলা

ভোটের আগেরদিন রোববার রাতে নির্বাচনি সহিংসতায় মোংলায় এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।

নির্বাচন পূর্ব সহিংসতা, সংঘর্ষসহ বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে বাগেরহাটে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৬৫টি ইউনিয়নে ভোট চলছে।

মোরেলগঞ্জ উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদে সোমবার বেলা ১২টার দিকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে একজন আহত হয়েছেন।

আওয়ামী লীগ প্রার্থী রিপন চন্দ্র দাশ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পরিকল্পিতভাবে প্রতিপক্ষের সমর্থকরা আমার ভাইয়ের ওপর হামলা চালিয়েছে।’

এই অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল জব্বার মোল্লা বলেন, ‘আমার জয় নিশ্চিত জেনে তারা নিজেদের মধ্যে গণ্ডগোল করে দোষ চাপাচ্ছে।’

এই অভিযোগ পাল্টা অভিযোগের মধ্যে কচুয়া উপজেলার ধোপাখালী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাসুদ রানা লালন ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। এর আগে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি তার এজেন্টদের বের করে দেয়ার অভিযোগ আনেন।

মাসুদ রানা লালন বলেন, ‘সকাল থেকেই আমার কর্মী-সমর্থকদের চাপ দিচ্ছিল নৌকার সমর্থকরা। পরে আমার এজেন্টদের বুথ থেকে জোর করে বের করে দেয়া হয়। ভেবেছিলাম নির্বাচন সুষ্ঠু হবে, ভাবাই সারা হল আমাদের।’

ফকিরহাট উপজেলার শুভদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল প্রকাশ্যে ব্যালট পেপারে সিল দেয়া, ব্যালট পেপার ছিঁড়ে ফেলাসহ এজেন্টদের বের করে দেয়ার অভিযোগ এনে ভোট বর্জন করেছেন।

এ ছাড়া চিতলমারী উপজেলার কলাতলা ইউনিয়নের বিভিন্ন কেন্দ্রে সদস্য প্রার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। কয়েকটি জায়গায় হাতাহাতির ঘটনাও ঘটেছে।

ভোটের আগেরদিন রোববার রাতে নির্বাচনি সহিংসতায় মোংলায় এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।

জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে, বাগেরহাটের ৯ উপজেলার মোট ৬৬টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন হচ্ছে। তবে ভোট হচ্ছে ৬৫টি ইউনিয়নে। কারণ কচুয়া উপজেলার রাঢ়ীপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান, সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্যের ১৩টি পদের সব কয়টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন প্রার্থীরা।

আরও পড়ুন:
৪ ঘণ্টার ব্যবধানে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু
যশোরে করোনায় ও উপসর্গে মৃত্যু ১০
করোনায় শনাক্ত বেড়ে ৪৮৪৬, মৃত্যু ৭৬
দেড় মাসের শিশুর করোনা
শঙ্কা এখন খুলনা বিভাগ নিয়ে, এক দিনে মৃত্যু ২৭

শেয়ার করুন

কৃষককে মারধরের ভিডিও ফেসবুকে, গ্রেপ্তার ১

কৃষককে মারধরের ভিডিও ফেসবুকে, গ্রেপ্তার ১

ওসি জানান, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ওই কৃষককে মারধর করা হয়। সেই ভিডিও ফেসবুকে ভাইরালও হয়। পরে কৃষকের পরিবারের পক্ষ থেকে ১৫ জনকে আসামি করে মামলা হলে গ্রেপ্তার করা হয় একজনকে।

নেত্রকোণার দুর্গাপুরে কৃষককে প্রকাশ্যে মারধরের অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

দুর্গাপুরের কাকৈরগড়া ইউনিয়ন থেকে সোমবার সকালে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মারধরের ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হলে ঘটনাটি এলাকায় আলোচনায় আসে। এরপর ওই কৃষকের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা হলে গ্রেপ্তার করা হয় ছোবহান ফকির নামের ওই ব্যক্তিকে।

দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহনুর-এ আলম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, রোববার ওই কৃষকের ছোট ভাই ১৫ জনকে আসামী করে মামলা করেন। এরপর অভিযান চালিয়ে সোমবার সকালে গ্রেপ্তার করা হয় শুকনাকুড়ি গ্রামের ছোবহানকে।

মারধরের ঘটনাটি ঘটে উপজেলার কাকৈরগড়া ইউনিয়নে গত বৃহস্পতিবার বিকালে।

মামলার বরাতে ওসি জানান, জমি নিয়ে অনেকদিন ধরেই ওই কৃষকের সঙ্গে এলাকার আব্দুল হামিদ ফকির ও তার ভাইদের বিরোধ চলছিল। জমিটি নিয়ে আদালতে মামলাও চলছে। এর জেরেই গত বৃহস্পতিবার বিকালে শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি আঞ্চলিক মহাসড়কে শুকনাকুড়ি এলাকায় ওই কৃষককে মাটিতে ফেলে রেখে মারধর করা হয়।

ওই কৃষকের ভাতিজা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আসামিরা আমাদের জমি দখল করে রাখায় আমার চাচা মামলা করেন। ঘটনার দিন আমার চাচা দুর্গাপুর থেকে মোটরসাইকেলে বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন। তখন তাকে মোবাইল ফোনে কল দিয়ে নিরিবিলি হোটেলের সামনে যেতে বলা হয়।

‘চাচা সেখানে গেলে আসামিরা মারতে থাকে। মারধরে চাচা মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তার বাম পা ভেঙে গেছে। আমরা এর বিচার চাই।’

তিনি জানান, আহত কৃষককে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
৪ ঘণ্টার ব্যবধানে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু
যশোরে করোনায় ও উপসর্গে মৃত্যু ১০
করোনায় শনাক্ত বেড়ে ৪৮৪৬, মৃত্যু ৭৬
দেড় মাসের শিশুর করোনা
শঙ্কা এখন খুলনা বিভাগ নিয়ে, এক দিনে মৃত্যু ২৭

শেয়ার করুন

‘জুয়ার আসরে’ অভিযান, ইউপি চেয়ারম্যানসহ গ্রেপ্তার ৬

‘জুয়ার আসরে’ অভিযান, ইউপি চেয়ারম্যানসহ গ্রেপ্তার ৬

ওসি আবু হাসান কবির বলেন, ‘আমরা জুয়া খেলার বিভিন্ন সরঞ্জাম, ৩ লাখ ৯৪ হাজার টাকা, ৩টি মোটরসাইকেল ও ৫টি মোবাইল ফোনসেট জব্দ করেছি।'

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে অভিযান চালিয়ে ‘জুয়ার আসর’ থেকে ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামের একটি বাড়ি থেকে রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তাদের আটক করা হয়।

নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু হাসান কবির।

তিনি বলেন, তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে। সেই মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে তোলা হবে।

যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তারা হলেন গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার ১ নম্বর কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম রিন্টু, ঘোড়াঘাটের শামীম মিয়া, রাইনুর ইসলাম রানু সরকার, বকুল সরকার, হুমায়ুন কবীর ও শহিদুল ইসলাম।

ওসি আবু হাসান কবির বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে আমরা জুয়া খেলার বিভিন্ন সরঞ্জাম, ৩ লাখ ৯৪ হাজার টাকা, ৩টি মোটরসাইকেল ও ৫টি মোবাইল ফোনসেট জব্দ করেছি।'

আরও পড়ুন:
৪ ঘণ্টার ব্যবধানে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু
যশোরে করোনায় ও উপসর্গে মৃত্যু ১০
করোনায় শনাক্ত বেড়ে ৪৮৪৬, মৃত্যু ৭৬
দেড় মাসের শিশুর করোনা
শঙ্কা এখন খুলনা বিভাগ নিয়ে, এক দিনে মৃত্যু ২৭

শেয়ার করুন

কিশোরী ধর্ষণ মামলায় জাপা নেতা গ্রেপ্তার

কিশোরী ধর্ষণ মামলায় জাপা নেতা গ্রেপ্তার

মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন বলেন, ধর্ষণের ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে ওই কিশোরীকে টানা পাঁচ মাস ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে ঘটনাটি কিশোরী তার মাকে জানালে মান-সম্মানের ভয়ে তারা ভাড়া বাসা ছেড়ে অন্যত্র চলে যান। কিন্তু হোসেন আলী সেখানেও সন্ত্রাসীদের নিয়ে মহড়া দেন। পরে কিশোরীকে অপহরণ করে হত‍্যার হুমকি দেন।

ময়মনসিংহে কিশোরীকে ধর্ষণ মামলায় জাতীয় পার্টির এক নেতাকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার হোসেন আলী জাতীয় পার্টির সহযোগী সংগঠন ময়মনসিংহ জেলা জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টির সভাপতি।

রোববার রাত ১২টার দিকে নগরীর কৃষ্টপুর এলাকা থেকে র‍্যাব-১৪ এর একটি দল তাকে আটক করে। পরে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের কাছে তাকে হস্তান্তর করা হয়। এর আগে র‍্যাবের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন ওই কিশোরীর বাবা।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা রোববার রাত সাড়ে ১২টার দিকে ধর্ষণ মামলা করেছেন। ওই মামলায় হোসেন আলী ও তার তৃতীয়

স্ত্রী তামান্না বেগমকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

মামলার বরাত দিয়ে তিনি বলেন, নগরীর কৃষ্টপুর এলাকায় হোসেন আলীর বাড়ি। তার বাড়ির পাশে ভাড়া থাকত কিশোরীর পরিবার। প্রতিবেশী হওয়ার সুবাদে হোসেন প্রায়ই কিশোরীর বাসায় আসা-যাওয়া করতেন। এ সময় কিশোরীর সঙ্গে তার কথাবার্তা হতো। চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি সকালে হোসেনের তৃতীয় স্ত্রী তামান্না বেগম কিশোরীকে তাদের ঘরে ডেকে নেন। পরে পরিকল্পিতভাবে কোমল পানীয়র সঙ্গে নেশাজাতীয় ওষুধ সেবন করান। পরে তাকে ধর্ষণ করে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন হোসেন।

তিনি আরও বলেন, ধর্ষণের ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে ওই কিশোরীকে টানা পাঁচ মাস ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে ঘটনাটি কিশোরী তার মাকে জানালে মান-সম্মানের ভয়ে তারা ভাড়া বাসা ছেড়ে অন্যত্র চলে যান। কিন্তু হোসেন আলী সেখানেও সন্ত্রাসীদের নিয়ে মহড়া দেন। পরে কিশোরীকে অপহরণ করে হত‍্যার হুমকি দেন।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ্ কামাল আকন্দ বলেন, গ্রেপ্তার হোসেন আলীকে ময়মনসিংহ মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। মামলার অন্য আসামিকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন:
৪ ঘণ্টার ব্যবধানে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু
যশোরে করোনায় ও উপসর্গে মৃত্যু ১০
করোনায় শনাক্ত বেড়ে ৪৮৪৬, মৃত্যু ৭৬
দেড় মাসের শিশুর করোনা
শঙ্কা এখন খুলনা বিভাগ নিয়ে, এক দিনে মৃত্যু ২৭

শেয়ার করুন

কৃষক লীগ নেতাকে বাড়ির সামনে গুলি করে হত্যা

কৃষক লীগ নেতাকে বাড়ির সামনে গুলি করে হত্যা

ফাইল ছবি

স্থানীয়দের বরাতে ওসি জানান, সোমবার ভোরে বাসা বের হলে সরওয়ারকে গুলি করে আগে থেকে ওত পেতে থাকা কয়েক যুবক। স্থানীয়রা তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

কক্সবাজারের চকরিয়ায় স্থানীয় কৃষক লীগ নেতা সরওয়ার কামালকে নিজ বাড়ির সামনে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ঘোনাপাড়া এলাকায় সোমবার সকালে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত সরওয়ার ছিলেন ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাকের মোহাম্মদ জুবায়ের।

স্থানীয়দের বরাতে ওসি জানান, সোমবার ভোরে বাসা বের হলে সরওয়ারকে লক্ষ্য করে দুই থেকে তিন রাউন্ড গুলি ছোড়ে আগে থেকে ওত পেতে থাকা কয়েক যুবক। স্থানীয়রা তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তাকে হত্যার কারণ বা এর সঙ্গে কারা জড়িত তা নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

ওসি শাকের বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন:
৪ ঘণ্টার ব্যবধানে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু
যশোরে করোনায় ও উপসর্গে মৃত্যু ১০
করোনায় শনাক্ত বেড়ে ৪৮৪৬, মৃত্যু ৭৬
দেড় মাসের শিশুর করোনা
শঙ্কা এখন খুলনা বিভাগ নিয়ে, এক দিনে মৃত্যু ২৭

শেয়ার করুন