টয়লেটে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ

টয়লেটে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ

রাহিমার স্বজনদের বরাতে ওসি বলেন, ১২ বছর বয়সে রাহিমাকে রওশন আলীর বাসায় কাজে পাঠানো হয়। বছরে দুইবার রাহিমা বাড়ি ফিরত। তবে গত ছয় মাসে তাকে বাড়িতে আসতে দেননি রওশন আলীর স্ত্রী। প্রায়ই রাহিমাকে তিনি তুচ্ছ বিষয় নিয়ে মারধর করতেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে একটি বাড়ির টয়লেট থেকে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পৌর এলাকার পশ্চিম পাইকপাড়ায় রওশন আলীর বাড়ি থেকে সোমবার রাত পৌনে ১২টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।

মৃত গৃহকর্মীর নাম রাহিমা। তার বাড়ি সিলেটে।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমরানুল ইসলাম এই তথ্যগুলো নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, রাহিমা গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তবে রাহিমার পরিবার বলছে, তাকে হত্যা করা হয়েছে।

রাহিমার স্বজনদের বরাতে ওসি বলেন, ১২ বছর বয়সে রাহিমাকে রওশন আলীর বাসায় কাজে পাঠানো হয়। বছরে দুইবার রাহিমা বাড়ি ফিরত। তবে গত ছয় মাসে তাকে বাড়িতে আসতে দেননি রওশন আলীর স্ত্রী। প্রায়ই রাহিমাকে তিনি তুচ্ছ বিষয় নিয়ে মারধর করতেন।

স্বজনদের অভিযোগ, কয়েক দিন আগে রাহিমাকে মারধর করায় সে রাগ করে নানার বাড়িতে চলে আসে। তার নানার বাড়ির উপজেলার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের ভাটপাড়া গ্রামে। পরে আবার রওশন আলী গিয়ে রাহিমাকে ফিরিয়ে নিয়ে যান। এরপর সোমবার রাতে তারা খবর পান যে রাহিমা আত্মহত্যা করেছে।

ওসি জানান, হত্যা না আত্মহত্যা, তা জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসাপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

টয়লেটে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ

আরও পড়ুন:
গৃহকর্মীর গায়ে ফুটন্ত ভাত: জেলে বাড়িওয়ালার মেয়ে
সন্তান হিসেবে নিয়ে গৃহকর্মী, দুই মাস ধরে নির্যাতন
গৃহকর্মী নির্যাতন, স্বামী-স্ত্রী রিমান্ডে
উদ্ধার সেই শিশু গৃহকর্মী
মেয়েটির সারা শরীরে নির্যাতনের ক্ষত

শেয়ার করুন

মন্তব্য