দুই শিশু খেলতে গিয়ে কুড়িয়ে পেল গুলির প্যাকেট

দুই শিশু খেলতে গিয়ে কুড়িয়ে পেল গুলির প্যাকেট

বিকেলে জীবননগর উপজেলার কাঁটাপোল গ্রামের ১২ বছর বয়সী সাদিয়া খাতুন ও আট বছর বয়সী সিমু খাতুন বাড়ির পাশের একটি আম বাগানে খেলছিল। এ সময় তারা ওই বাগানের গর্তের ভিতর মাটির নিচে একটি প্যাকেট দেখতে পায়। প্যাকেটটি তারা বাড়ি নিয়ে যায়। পরে প্যাকেটটি খুলে বন্দুকের গুলি দেখে বিষয়টি তারা পরিবারের সদস্যদের জানায়।

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে দুই শিশু খেলতে গিয়ে একটি প্যাকেটে থ্রি নট থ্রি রাইফেলের ৬০ টি গুলি খুঁজে পাওয়ার পর সেগুলো নিয়ে এসেছে পুলিশ। দীর্ঘদিন ফেলে রাখায় সেগুলোতে মরিচা ধরে গিয়েছে।

সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে জীবননগর উপজেলার কাঁটাপোল গ্রাম থেকে গুলিগুলো উদ্ধার করা হয়। এগুলো মুক্তিযুদ্ধকালীন বলে ধারণা পুলিশের।

পুলিশ জানায়, বিকেলে জীবননগর উপজেলার কাঁটাপোল গ্রামের ১২ বছর বয়সী সাদিয়া খাতুন ও আট বছর বয়সী সিমু খাতুন বাড়ির পাশের একটি আম বাগানে খেলছিল।

এ সময় তারা ওই বাগানের গর্তের ভিতর মাটির নিচে একটি প্যাকেট দেখতে পায়। প্যাকেটটি তারা বাড়ি নিয়ে যায়। পরে প্যাকেটটি খুলে বন্দুকের গুলি দেখে বিষয়টি তারা পরিবারের সদস্যদের জানায়।

সাদিয়া খাতুনের বাবা আব্দুল আজিজ জানান, গুলি দেখার পর তারা পুলিশে খবর দেন।

জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘গুলিগুলো জীবননগর থানায় নেয়া হয়েছে। এগুলো মরিচা ধরা। এগুলো থ্রি নট থ্রি রাইফেলের গুলি। ধারণা করা হচ্ছে, এগুলো ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালীন।’

আরও পড়ুন:
পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলির পর ১৮ মামলার আসামি গ্রেপ্তার
কৃষিজমিতে মিলল ‘মুক্তিযুদ্ধকালীন’ গুলি
পুলিশের খোয়া যাওয়া অস্ত্র-গুলি উদ্ধার
রাস্তার কাজ নিয়ে দ্বন্দ্বে ‘গুলি’, আটক ১
আ. লীগ নেতার বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি

শেয়ার করুন

মন্তব্য

কঙ্কালসার ভবনটিই সেই বিশ্ব বিজ্ঞানাগার

কঙ্কালসার ভবনটিই সেই বিশ্ব বিজ্ঞানাগার

হেমায়েতপুরের শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের স্মৃতি বিজড়িত বিশ্ব বিজ্ঞানাগার ভবন দুটির বেহাল দশা। ছবি: নিউজবাংলা

শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র আশ্রমের ভক্তদের অভিযোগ, ভবন দুটির সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করা হলেও নেয়া হয়নি কোনো উদ্যোগ। উপরন্তু সেখানে প্রায়ই হানা দিচ্ছে চোর। তারা ভবনের রডসহ অবশিষ্ট সামগ্রী খুলে নিয়ে চলে যাচ্ছে।

পলেস্তারা খসে গেছে। সেখানে আশ্রয় নিয়েছে গুল্ম লতা। নেই দরজা কিংবা জানালা। আছে শুধু কঙ্কালসার দেহটি।

বলছি পাবনার হেমায়েতপুরের শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের স্মৃতি বিজড়িত বিশ্ব বিজ্ঞানাগার ভবন দুটির কথা। পাবনা মানসিক হাসপাতালের সামনে হলেও এগুলোর ভাগ্যে যেন শুধুই বঞ্চনা।

শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র আশ্রমের ভক্তদের অভিযোগ, ভবন দুটির সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করা হলেও নেয়া হয়নি কোনো উদ্যোগ। উপরন্তু সেখানে প্রায়ই হানা দিচ্ছে চোর। তারা ভবনের রডসহ অবশিষ্ট সামগ্রী খুলে নিয়ে চলে যাচ্ছে।

বিভিন্ন নথি ঘেঁটে জানা যায়, শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র ১৮৮৮ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর পাবনার হেমায়েতপুরে জন্ম নেন। ১৯২৯ সালে তিনি সেখানে অনুকূলচন্দ্র সৎসঙ্গ প্রতিষ্ঠা করেন।

তিনি একে একে গড়ে তোলেন সৎসঙ্গ তপোবন বিদ্যালয়, সৎসঙ্গ মেকানিক্যাল ও ইলেট্রিক্যাল ওয়ার্কসপ, প্রেস ও পাবলিকেশন হাউস, কুঠির বিভাগ, ব্যাংক, বিশ্ব বিজ্ঞানাগারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।

কঙ্কালসার ভবনটিই সেই বিশ্ব বিজ্ঞানাগার

১৯৪৬ সালে ঠাকুর অসুস্থতা হওয়ার পর বায়ু পরিবর্তনের জন্য স্বপরিবারে ভারতে যান। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে রেখে যান বিশাল কর্মযজ্ঞ। ১৯৪৭ সালে দেশভাগ হলে নানা জটিলতায় কারণে ঠাকুর আর ফিরেননি এ দেশে।

আশ্রম কর্তৃপক্ষ জানায়, ঠাকুরের জন্মস্থান, তার বাসগৃহ, মাতৃমন্দির, স্মৃতিমন্দির, নিভৃত নিবাস, অফিসসহ স্মৃতি বিজড়িত স্থানগুলো হেমায়েতপুর সৎসঙ্গকে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য ১৯৬১ সাল থেকে সরকারের কাছে আবেদন করা হয়। অনেকবার আবেদন করার পর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সুপারিশ পাঠানো হলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।

এ বিষয়ে সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদ পাবনার সাধারণ সম্পাদক নরেশ মধু বলেন, ‘এটি ঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের স্মৃতি বিজড়িত স্থাপনাগুলোর একটি। অথচ এতটাই অবহেলায় ফেলে রাখা হয়েছে যে, ভবনটি দিনে দিনে মিলিয়ে যাচ্ছে।

‘মানসিক হাসপাতালের নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে থাকলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও কিছু জানে না। আমরা চাই দ্রুত সময়ের মধ্যে স্থাপনাটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের আওতায় নিয়ে সংরক্ষণ করা হোক।’

কঙ্কালসার ভবনটিই সেই বিশ্ব বিজ্ঞানাগার

ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র সৎসঙ্গ আশ্রমের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ সরকার বলেন, ‘মানসিক হাসপাতালের ভেতরে যেসব স্মৃতি রয়েছে, তা হাসপাতালের শুরু থেকেই দাঁড়িয়ে আছে। এইসব স্থাপনা মানসিক হাসপাতালের কার্যক্রমকে কখনো কোনো বাধার সৃষ্টি করেনি।

‘সৎসঙ্গ কর্তৃপক্ষ বহুবার বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সরকারপ্রধানের কাছে আবেদন জানিয়েছে যাতে করে ঠাকুরের ফেলে যাওয়া ভবনগুলোকে প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগের আওতায় নেয়া হয়। কিন্তু কেউ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।’

পাবনা মানসিক হাসপাতালের পরিচালক আবুল বাসার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘স্মৃতি বিজড়িত এ স্থাপনাটি ভাঙার বিষয়ে আমরা কিছুই জানি না। এটি ভেঙে ফেলার কোনো নির্দেশনাও আমাদের কাছে আসেনি।

হাসপাতালের সামনে বিজ্ঞানাগার ভাঙচুর হওয়া নিয়ে করা প্রশ্নের জবাবে পরিচালক বলেন, ‘এটি দেখভালের জন্য যথেষ্ট নিরাপত্তাকর্মী নেই। রাতের আঁধারে কে বা কারা ভেঙেছে তা আমরা কীভাবে জানব?’

কঙ্কালসার ভবনটিই সেই বিশ্ব বিজ্ঞানাগার

পাবনা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ারুল আজিম বলেন, ‘পাবনা মানসিক হাসপাতালের ভেতরে অনুকূলচন্দ্রের কোনো স্থাপনা ভেঙে ফেলার কোনো নির্দেশনা আমাদের কাছে নেই। আর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া আমাদের ভেঙে ফেলার কোনো ক্ষমতাও নেই।

‘আমি যতটুকু জানি, এটি সংরক্ষণের জন্য একটি নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’

এ বিষয়ে পাবনার জেলা প্রশাসক (ডিসি) বিশ্বাস রাসেল হোসেন বলেন, ‘এ ঘটনাটি আমি ভালোভাবে জানি না। বিষয়টি জেনে তারপর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলির পর ১৮ মামলার আসামি গ্রেপ্তার
কৃষিজমিতে মিলল ‘মুক্তিযুদ্ধকালীন’ গুলি
পুলিশের খোয়া যাওয়া অস্ত্র-গুলি উদ্ধার
রাস্তার কাজ নিয়ে দ্বন্দ্বে ‘গুলি’, আটক ১
আ. লীগ নেতার বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি

শেয়ার করুন

পুলিশ ‘হেফাজতে মৃত্যু’, লাশ নিয়ে সড়ক অবরোধ

পুলিশ ‘হেফাজতে মৃত্যু’, লাশ নিয়ে সড়ক অবরোধ

ঢাকায় পুলিশ হেফাজতে ট্রাকচালকের মৃত্যুর অভিযোগ এনে জড়িতদের শাস্তির দাবিতে লাশ নিয়ে বগুড়ায় মহাসড়ক অবরোধ করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা

জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল মান্নান আকন্দ বলেন, ‘এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার না হলে আগামী ৭ আগস্টের পর উত্তারাঞ্চলের ১৬টি জেলাসহ সারা দেশে কঠোর আন্দোলনের ডাক দেয়া হবে।’

ঢাকায় পুলিশ হেফাজতে ট্রাকচালকের মৃত্যুর অভিযোগ এনে জড়িতদের শাস্তির দাবিতে লাশ নিয়ে বগুড়ায় মহাসড়ক অবরোধ করা হয়েছে।

বগুড়া-রংপুর মহাসড়কের ভবের বাজার এলাকায় বুধবার বেলা ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত আন্তঃজেলা ট্রাক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন এ অবরোধ কর্মসূচি পালন করে।

মৃত ট্রাক চালকের নাম লিটন প্রামাণিক। তার গ্রামের বাড়ি বগুড়া কাহালু উপজেলায়।

সংগঠনের নেতাদের অভিযোগ, পুলিশ হেফাজতে নির্যাতন করে লিটনকে হত্যা করা হয়েছে। এ হত্যায় জড়িতদের বিচার করতে হবে। অন্যথায় দেশব্যাপী কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

সংগঠনের নেতাদের দাবি, লিটন ট্রাকে করে ৩০ জুলাই চট্টগ্রাম থেকে চাল নিয়ে নারায়ণগঞ্জের আড়াই হাজার উপজেলার সরকারি গুদামের উদ্দেশে রওনা হন। পথে (উত্তরা) তিনি তার ট্রাকটিকে রাস্তার পাশে দাঁড় করিয়ে একটি দোকানে যান।

সেখান থেকে র‌্যাব সদস্যরা তাকে আটক করে ঢাকার উত্তরা পূর্ব থানায় দেয়। সেখানে তাকে আটকে রেখে নির্যাতন করে হত্যা করে পুলিশ। পরে এটি আত্মহত্যা বলে অপপ্রচার চালানো হয়।

সমাবেশে আন্তঃজেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের জেলা সভাপতি আব্দুল মান্নান মন্ডল বলেন, ‘‘চালকের মৃত্যুকে ‘হত্যা’ উল্লেখ করে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। হত্যায় জড়িত পুলিশ সদস্যদের অপসারণসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।

‘‘যদি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে আমরা দেশব্যাপী কঠোর আন্দোলনের ডাক দিতে বাধ্য হব। এ জন্য পরিবহন সেক্টরে অচলাবস্থার সৃষ্টি হলে তার দায়-দায়িত্ব প্রশাসনকেই নিতে হবে।’’

জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল মান্নান আকন্দ বলেন, ‘এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার না হলে আগামী ৭ আগস্টের পর উত্তারাঞ্চলের ১৬টি জেলাসহ সারা দেশে কঠোর আন্দোলনের ডাক দেয়া হবে।’

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের ও শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সামছুদ্দিন শেখ হেলাল, জেলা মোটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, জেলা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল হামিদ মিটুল, আন্তঃজেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়ন বগুড়ার সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান খলিল, কার্যকরি সভাপতি রাসেল মন্ডল, সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন, শ্রমিক নেতা আব্দুস সোবহানসহ আরও অনেকে।

আরও পড়ুন:
পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলির পর ১৮ মামলার আসামি গ্রেপ্তার
কৃষিজমিতে মিলল ‘মুক্তিযুদ্ধকালীন’ গুলি
পুলিশের খোয়া যাওয়া অস্ত্র-গুলি উদ্ধার
রাস্তার কাজ নিয়ে দ্বন্দ্বে ‘গুলি’, আটক ১
আ. লীগ নেতার বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি

শেয়ার করুন

খুলনা ও সিলেটে ৫৫ মৃত্যু, সুস্থ ১৩৯৩

খুলনা ও সিলেটে ৫৫ মৃত্যু, সুস্থ ১৩৯৩

ফাইল ছবি

করোনা শনাক্ত হয়ে খুলনা বিভাগে এক দিনে ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ হাজার ৯০ জন। আর সিলেট বিভাগে এক দিনে করোনায় মারা গেছেন ২০ জন, যা এই বিভাগে এক দিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু।

করোনা শনাক্ত হয়ে খুলনা বিভাগে এক দিনে ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এ হিসাব মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত রেকর্ড করা হয়েছে।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক জসিম উদ্দিন হাওলাদার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, এ ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছে আরও ৭৪৫ জন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ হাজার ৯০ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় দপ্তর সূত্রে জানা যায়, মৃত ৩৫ জনের মধ্যে আছেন খুলনার ৯ জন, যশোরের ৭, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়ার ৬ জন করে, মেহেরপুর ও মাগুরার ৩ জন করে ও ঝিনাইদহের ১ জন।

খুলনা বিভাগের মধ্যে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় চুয়াডাঙ্গায় গত বছরের ১৯ মার্চ। সে থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় মোট শনাক্ত হয়েছেন ৯৬ হাজার ৮৭৬ রোগী। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ৫২০ জনের।

সিলেট বিভাগে এক দিনে করোনায় মারা গেছেন ২০ জন, যা এই বিভাগে এক দিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু।

বুধবার সকাল ১০টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় এ মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় নতুন শনাক্ত হয়েছেন ৭১৫ করোনা রোগী; সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩০৩ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) হিমাংশু লাল রায় স্বাক্ষরিত করোনার দৈনিক প্রতিবেদন থেকে বুধবার দুপুরে এসব তথ্য জানা গেছে।

তাতে বলা হয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৫৭ নতুন রোগী। এ পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে বিভাগের ৪২ হাজার ৭৩০ জনের। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৭৪৮ জনের। এ ছাড়া করোনামুক্ত হয়েছেন ৩১ হাজার ৯৭৩ জন।

নতুন শনাক্ত হওয়া ৭১৫ জনের মধ্যে ৪১৬ জনই সিলেট জেলার বাসিন্দা। এ ছাড়া সুনামগঞ্জ জেলার ৯৭ জন, হবিগঞ্জের ৩৮ জন ও মৌলভীবাজার জেলার ১২৬ জন। এ ছাড়া সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ৩৮ জন রোগীর করোনা শনাক্ত হয়েছে।

২৪ ঘণ্টায় নতুন করে মারা যাওয়া ২০ জন রোগীর মধ্যে ৯ জন সিলেট জেলার, ৩ জন সুনামগঞ্জ ও ১ জন হবিগঞ্জের। এ ছাড়া সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ৭ রোগী করোনায় মারা গেছেন।

আরও পড়ুন:
পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলির পর ১৮ মামলার আসামি গ্রেপ্তার
কৃষিজমিতে মিলল ‘মুক্তিযুদ্ধকালীন’ গুলি
পুলিশের খোয়া যাওয়া অস্ত্র-গুলি উদ্ধার
রাস্তার কাজ নিয়ে দ্বন্দ্বে ‘গুলি’, আটক ১
আ. লীগ নেতার বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি

শেয়ার করুন

৭ বছর পরও পদ্মার পেটে পিনাক-৬

৭ বছর পরও পদ্মার পেটে পিনাক-৬

পিনাক-৬ ডুবিতে এখনও নিখোঁজ অন্তত ৬০ জন। ছবি: নিউজবাংলা

সময়ের পরিক্রমায় আবারও এলো ৪ আগস্ট। দিনটি মনে করিয়ে দিচ্ছে সাত বছর আগে পদ্মার তীরে এক শোকাতুর দিনের কথা। ঈদ শেষে পিকাক-৬ এ চড়ে ঢাকায় ফিরছিলেন আড়াই শতাধিক যাত্রী। কাওড়াকান্দি থেকে রওনা হয়ে মাওয়ার অদূরে উত্তাল পদ্মার ঢেউয়ের তোড়ে ডুবে যায় লঞ্চটি। এতে অন্তত ৪৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিখোঁজ কমপক্ষে ৬০ জন।

পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়ার সাত বছর পরও উদ্ধার করা হয়নি যাত্রীবাহী লঞ্চ পিনাক-৬। এর মধ্যে মারা গেছেন এ ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি। তাতে স্বজন হারানোদের হতাশা আরও ভারী হয়েছে।

সময়ের পরিক্রমায় আবারও এলো ৪ আগস্ট। দিনটি মনে করিয়ে দিচ্ছে সাত বছর আগে পদ্মার তীরে এক শোকাতুর দিনের কথা। ঈদ শেষে পিকাক-৬ এ চড়ে ঢাকায় ফিরছিলেন আড়াই শতাধিক যাত্রী। কাওড়াকান্দি থেকে রওনা হয়ে মাওয়ার অদূরে উত্তাল পদ্মার ঢেউয়ের তোড়ে ডুবে যায় লঞ্চটি।

সরকারি হিসাবে বলা হয়, ২০১৪ সালে ওই লঞ্চ ডুবিতে ৪৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ অন্তত ৬০ জন।

মরদেহগুলোর মধ্যে পাঁচ নারী, দুই পুরুষ, পাঁচ শিশুসহ ১২ জনের পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় তাদের মরদেহ শিবচরের পাচ্চর এলাকায় বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করে প্রশাসন।

দেশের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি সোনার মেশিন (সমুদ্রের তলদেশে জরিপ কাজে ব্যবহৃত) ব্যবহার করেও পদ্মায় ডুবে যাওয়া পিনাক-৬ লঞ্চটির কোনো সন্ধান করা সম্ভব হয়নি।

স্বজনদের দাবি, ডুবে যাওয়া পিনাক-৬-এর ভেতরে অনেক মরদেহ রয়েছে। লঞ্চটি উদ্ধার হলে ভেতরে আটকে থাকা যাত্রীদের দেহাবশেষ পাওয়া যেত।

পিনাক-৬ উদ্ধার অভিযান পরিত্যক্ত ঘোষণার পর স্বজন হারানোদের কেউ কেউ মরদেহের খুঁজে নিজ উদ্যোগে তল্লাশি চালান চাঁদপুর, শরীয়তপুর, বরিশাল, ভোলাসহ ভাটি অঞ্চলে। নদীর একূল-ওকূল তন্ন তন্ন করেও কোনো মরদেহ পাওয়া যায়নি।

পিনাক-৬ ডুবিতে স্বজন হারিয়েছেন মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ীর বেতকা ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার আমানুল হক। জানান, ওই লঞ্চে ঢাকার আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে পড়ুয়া তার নাতনি ইমা আক্তারও ছিল।

তিনি বলেন, ‘ঘটনার দিন থেকে বিভিন্ন স্থানে টানা ৯ দিন সন্ধান করেও নাতনির খোঁজ পাইনি। খুব আদরের নাতনি ছিল ইমা। ওই লঞ্চ ডুবির পর প্রতিবছর ঈদ এলেই আমাদের পরিবারে ফিরে আসে বিষাদের ছায়া।’

মাদারীপুরের শিবচরের দৌলতপুর গ্রামে ঈদ শেষে ঢাকার পথে পিনাক-৬ এ পদ্মা পারি দিচ্ছিলেন ফরহাদ মাতুব্বর, তার স্ত্রী শিল্পী, এক বছরের সন্তান ফাহিম ও শ্যালক বিল্লাল। এ চারজনের লাশ আজও উদ্ধার হয়নি।

ফরহাদের বোন প্রিয়া আক্তার জানালেন, ওই ঘটনার পর থেকে তাদের পরিবারে কোনো ঈদ নেই। প্রিয়জনের লাশ পাওয়ার আশা ছেড়ে দিয়ে এখন বিচারের অপেক্ষায় প্রিয়া।

পিনাক ডুবির পর লঞ্চের মালিক আবু বক্কর সিদ্দিক কালু, তার ছেলে ওমর ফারুক, কাঁঠালবাড়ী ঘাটের ইজারাদার আতাহার আলীসহ ছয়জনকে আসামি করে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং থানায় মামলা হয়। ওই মামলায় আবু বক্কর সিদ্দিক কালুকে চট্টগ্রাম থেকে এবং তার ছেলে ওমর ফারুককে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

ইতোমধ্যে মারা গেছেন প্রধান আসামি কালু। এ ছাড়া, লঞ্চটিও উদ্ধার করা যায়নি। তাতে বিচার কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে তৈরি হয়েছে আশঙ্কা।

৭ বছর পরও পদ্মার পেটে পিনাক-৬
অনেক চেষ্টা করেও উদ্ধার করা যায়নি পদ্মায় ডুবে যাওয়া পিনাক-৬ লঞ্চ। ফাইল ছবি

শিমুলিয়া বাংলাবাজার নৌরুটের মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শোকের মাস তার ওপর করোনাভাইরাস। তাই পিনাক-৬ ডুবি উপলক্ষে কোনো অনুষ্ঠান আয়োজন করতে পারিনি। এদিনটি আসলে শিমুলিয়া ঘাটে শোকের ছায়া চলে আসে; মনে হয় কালো অন্ধকার।’

পিনাক-৬ ডোবার পর শিমুলিয়া ঘাটে অনেক পরিবর্তন এসেছে বলে জানালেন মনির হোসেন। বললেন, আগে তিন ঘাটে দায়িত্বে ছিলেন বিআইডব্লিউটিএর একজন নৌ-ট্রাফিকের ইন্সপেক্টর। এখন তিনজন ইন্সপেক্টর ও একজন উপ-পরিচালক লঞ্চ ছাড়া এবং ধারণ ক্ষমতার ব্যাপারে তদারকি করেন। তাদের সঙ্গে সম্মিলিতভাবে কাজ করা হয়।

পিনাক-৬ ডুবির ঘটনায় মামলা প্রসঙ্গে মনির হোসেন জানালেন, লঞ্চটির মালিক আবু বক্কর সিদ্দিক কালু বেশ কিছুদিন আগে মারা গেছেন। মামলায় তার ছেলেই এখন একমাত্র আসামি।

শিমুলিয়া নদী বন্দরের সহকারি পরিচালক নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা মো. সাদাত হোসেন নিউজবাংলাকে জানান, পিনাক-৬ ডোবার আগে তিন ঘাটের দায়িত্ব একজন ইন্সপেক্টর ছিল। সারা রাত লঞ্চ চলত। তদারকি কম ছিল। ধারণক্ষমতার ব্যাপারেও বেশি কিছু বলা হতো না। এখন তিনজন ইন্সপেক্টর দায়িত্বে। এ ছাড়া, ঘাটে আরেকজন উপ-পরিচালক পদে দায়িত্বে রয়েছেন। সবসময় তদারকি চলে।

৭ বছর পরও পদ্মার পেটে পিনাক-৬
পিনাক-৬ ডুবিতে স্বজন হারানোদের কান্না এখনও থামেনি। ফাইল ছবি

তিনি জানান, লঞ্চগুলোর ফিটনেস রেজিস্ট্রেশন আছে কিনা তা যাছাইয়ে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এসবই হয়েছে পিনাক-৬ ডোবার পর। আগে রাতে ২৪ ঘণ্টায় লঞ্চ চলত, এখন সেটি রাত ৮টা পর্যন্ত করা হয়েছে।

লৌহজং থানার ওসি আলমগীর হোসাইন জানান, পিনাক-৬ ডোবার পর বেপরোয়া যান চলাচল, অতিরিক্ত যাত্রী বহন ও অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগ এনে বিআইডব্লিউটিএর পরিবহন পরিদর্শক জাহাঙ্গির ভূঁইয়া বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। তদন্ত শেষে ২০১৭ সালে আসামিদের বিরুদ্ধে মুন্সীগঞ্জের সংশ্নিষ্ট আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। বর্তমানে মামলাটি আদালতে বিচারাধীন।

মুন্সীগঞ্জ আদালত সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন কারাগারে থেকে পিনাক-৬ লঞ্চের মালিক আবু বক্কর সিদ্দিক কালু ও তার ছেলে ওমর ফারুকসহ আসামিরা জামিনে রয়েছেন। কালুর মৃত্যুর বিষয়টি তাদের জানা নেই।

আরও পড়ুন:
পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলির পর ১৮ মামলার আসামি গ্রেপ্তার
কৃষিজমিতে মিলল ‘মুক্তিযুদ্ধকালীন’ গুলি
পুলিশের খোয়া যাওয়া অস্ত্র-গুলি উদ্ধার
রাস্তার কাজ নিয়ে দ্বন্দ্বে ‘গুলি’, আটক ১
আ. লীগ নেতার বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি

শেয়ার করুন

৯৯৯-এ কল: তিন দিন পর সাগর থেকে উদ্ধার ১৭ জেলে

৯৯৯-এ কল: তিন দিন পর সাগর থেকে উদ্ধার ১৭ জেলে

বঙ্গোপসাগরে গিয়ে ইঞ্জিন বিকল হওয়া ফিশিং বোটে তিন দিন ধরে ভাসতে থাকে ১৭ জেলে। ছবি: সংগৃহীত

নৌবাহিনী জানায়, রোববার বোটের ইঞ্জিন বিকল হয়ে গেলে কুতুবদিয়া থেকে পাঁচ মাইল দূরে সাগরে সেটি ভাসতে থাকে। বোট মাস্টার মঙ্গলবার ৯৯৯-এ কল দিয়ে জানালে নৌবাহিনী উদ্ধারে যায়।

বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে ফিশিং বোটের ইঞ্জিন বিকল হওয়ায় সাগরে তিন দিন ধরে ভাসতে থাকা ১৭ জেলেকে উদ্ধার করেছে নৌবাহিনী।
কক্সবাজারের কুতুবদিয়া থেকে ৫ মাইল দূরে বঙ্গোপসাগরে ভাসমান ‘তামান্না মুন্সী-৪’ নামের ওই ফিশিং বোটের জেলেদের বুধবার ভোরে উদ্ধার করে সৈকতে আনা হয়। তাদের জরুরি ভিত্তিতে প্রাথমিক চিকিৎসা এবং খাবার দেয়া হয়েছে বলে জানান বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জনসংযোগ কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার বরুন।
তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘রোববার ওই ফিশিং বোট নিয়ে মাছ ধরতে যায় ১৭ জেলে। ওই দিনই বোটের ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। কুতুবদিয়া থেকে পাঁচ মাইল দূরে সাগরে ভাসমান অবস্থায় তিন দিন থাকেন জেলেরা ৷ পরে বোট মাস্টার মঙ্গলবার জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দিয়ে জানালে বিষয়টি নৌবাহিনীকে অবহিত করা হয়। এতে খবর পেয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ ওই ফিশিং বোটসহ জেলেদের উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসে।’
জেলেদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বোটমালিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান নৌবাহিনীর এই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলির পর ১৮ মামলার আসামি গ্রেপ্তার
কৃষিজমিতে মিলল ‘মুক্তিযুদ্ধকালীন’ গুলি
পুলিশের খোয়া যাওয়া অস্ত্র-গুলি উদ্ধার
রাস্তার কাজ নিয়ে দ্বন্দ্বে ‘গুলি’, আটক ১
আ. লীগ নেতার বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি

শেয়ার করুন

বরিশাল বিভাগে করোনায় ৫০০ মৃত্যু

বরিশাল বিভাগে করোনায় ৫০০ মৃত্যু

ফাইল ছবি

ব‌রিশাল শের-ই-বাংলা মে‌ডি‌ক্যাল ক‌লেজ হাসপাতা‌লে ৩০০ শয্যার ক‌রোনা ইউ‌নি‌টে বুধবার সকাল পর্যন্ত ৩৪৯ জন ভ‌র্তি। যার ম‌ধ্যে ১২৪ জনের ক‌রোনা প‌জি‌টিভ। গত ২৪ ঘণ্টায় এ ইউ‌নি‌টে ৫৩ নতুন রোগী ভ‌র্তি হ‌য়ে‌ছেন।

বরিশাল বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

করোনা শনাক্ত হয়ে ৬ ও উপসর্গ নিয়ে ১০ জন মারা গেছেন। তারা সবাই বরিশাল শের-ই-বাংলা মে‌ডিক্যাল ক‌লেজ হাসপাতা‌লে চি‌কিৎসা নিচ্ছিলেন।

মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টার মধ্যে তাদের মৃত্যু হয়েছে।

এ নিয়ে বরিশাল বিভাগে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ৫০০ দাঁড়িয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক বাসুদেব কুমার দাস জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে নতুন করে ৭৭৩ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে বরিশালে শনাক্তের সংখ্যা ৩৩৭, ভোলায় ১৮২, পটুয়াখালী‌তে ৯৭, পি‌রোজপু‌রে ৪৭, বরগুনায় ৬৪ ও ঝালকা‌ঠি‌তে ৪৬।

ব‌রিশাল বিভা‌গে মোট ক‌রোনা শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৩৬ হাজার ১৪০।

এ‌দি‌কে ব‌রিশাল শের-ই-বাংলা মে‌ডি‌ক্যাল ক‌লেজ হাসপাতা‌লে ৩০০ শয্যার ক‌রোনা ইউ‌নি‌টে বুধবার সকাল পর্যন্ত ৩৪৯ জন ভ‌র্তি। যার ম‌ধ্যে ১২৪ জনের ক‌রোনা প‌জি‌টিভ।

গত ২৪ ঘণ্টায় এ ইউ‌নি‌টে ৫৩ নতুন রোগী ভ‌র্তি হ‌য়ে‌ছেন।

আরও পড়ুন:
পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলির পর ১৮ মামলার আসামি গ্রেপ্তার
কৃষিজমিতে মিলল ‘মুক্তিযুদ্ধকালীন’ গুলি
পুলিশের খোয়া যাওয়া অস্ত্র-গুলি উদ্ধার
রাস্তার কাজ নিয়ে দ্বন্দ্বে ‘গুলি’, আটক ১
আ. লীগ নেতার বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি

শেয়ার করুন

সুন্দরবনে ৮ মন চিংড়ি জব্দ

সুন্দরবনে ৮ মন চিংড়ি জব্দ

সুন্দরবন থেকে আট মণ চিংড়ি জব্দ করেছে বনবিভাগ।ছবি: নিউজবাংলা

সুন্দরবনে জুন মাস থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত পাস পারমিট বন্ধ রয়েছে। নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই আন্ধারিয়া খালে অনুপ্রবেশ করে মাছ শিকার করা হচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় বনবিভাগ। এ সময় খালে থাকা একটি নৌকা তল্লাশি করে ৮ মণ চাকা চিংড়ি, দুটি কর্কশিটের বাক্স ও কয়েকটি প্লাস্টিকের বস্তা জব্দ করা হয়।

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সুন্দরবনে অনুপ্রবেশ করে মাছ শিকারের সময় ৮ মণ চিংড়ি জব্দ করেছে বাগেরহাট পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বনরক্ষীরা।

তবে এ সময় কাউকে আটক করা যায়নি।

সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের আন্ধারিয়া খালে থেকে একটি নৌকা থেকে বুধবার ভোর রাতে চিংড়িগুলো জব্দ করা হয়।

পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের সহকারি বন সংরক্ষক (এসিএফ) এনামুল হক নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, সুন্দরবনে জুন মাস থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত পাস পারমিট বন্ধ রয়েছে। নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই আন্ধারিয়া খালে অনুপ্রবেশ করে মাছ শিকার করা হচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় বনবিভাগ।

এ সময় খালে থাকা একটি নৌকা তল্লাশি করে ৮ মণ চাকা চিংড়ি, দুটি কর্কশিটের বাক্স ও কয়েকটি প্লাস্টিকের বস্তা জব্দ করা হয়।

বনরক্ষিদের উপস্থিতি টের পেয়ে র্দূবৃত্তরা বনে পালিয়ে যায়।

জব্দ করা মাছগুলো কেরাসিন তেল দিয়ে মিশিয়ে মাটি চাপা দেয়া হয়েছে এবং নৌকাটি ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে বলেও জানান বনবিভাগের এই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলির পর ১৮ মামলার আসামি গ্রেপ্তার
কৃষিজমিতে মিলল ‘মুক্তিযুদ্ধকালীন’ গুলি
পুলিশের খোয়া যাওয়া অস্ত্র-গুলি উদ্ধার
রাস্তার কাজ নিয়ে দ্বন্দ্বে ‘গুলি’, আটক ১
আ. লীগ নেতার বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি

শেয়ার করুন