গারো পাহাড়ে উৎসবের আমেজ

গারো পাহাড়ে উৎসবের আমেজ

শেরপুরে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর। ছবি: নিউজবাংলা

গারো পাহাড়ের হলদিগ্রামে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে রোববার আশ্রয়ণ প্রকল্পের উপহারের ঘর হস্তান্তর করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ কারণে পাহাড়ে উৎসবের আমেজ। পাকা ঘর বুঝে পাওয়ার খবরে আনন্দে ভাসছে গৃহহীন পরিবারগুলো।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে শেরপুরে দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের উপহার হিসেবে আরও ১৬৭টি পরিবার পাচ্ছে দুই শতক করে জমি ও আধাপাকা ঘর।

গারো পাহাড়ের হলদিগ্রামে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে রোববার এসব ঘর হস্তান্তর করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ কারণে পাহাড়ে উৎসবের আমেজ।

মুজিববর্ষে বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না—প্রধানমন্ত্রীর এমন ঘোষণা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ভূমি ও গৃহহীনদের দ্বিতীয় পর্যায়ে ৬৪ জেলার ৪৫৯ উপজেলার ৫২ হাজার ৯৪৫ পরিবারকে ২ শতক জমি ও একটি করে আধাপাকা ঘর তুলে দেয়া হচ্ছে।

এবার শেরপুর জেলার ১৬৭টি ভূমি ও গৃহহীন পরিবার পাচ্ছে ঘর ও জমি।

শেরপুর সদরসহ পাঁচ উপজেলায় প্রতিটি বাড়ি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে এক লাখ ৯০ হাজার টাকা। মোট ব্যয় তিন কোটি ১৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা।

গৃহহীনদের একজন সালেহা বেগম বলেন, ‘আমাগো জাগা-জমি কিছুই নাই। ঢলে ঢলে ঘুরতাম। কেউ থাকবার এল্লাহানি জাগা দেয় নাই।

‘প্রধানমন্ত্রী আমাগো জাগা দিতাছে, ঘর দিল। আমরা খুব খুশি অইছি।’

আরেক গৃহহীন জমিলা বেগম বলেন, ‘আমাগো তো কিছুই আছিল না। প্রধানমন্ত্রী আমাগো নিজ হাতে ঘর ও জমি তুলে দিতাছে; আমরা খুশি অইছি। আমরা দোয়া করি প্রধানমন্ত্রী মেলা দিন বাইছা থাহুক।’

নিশা রানী হাজং বলেন, ‘পাহাড়ের ঢালুতে এডা ঝুপড়া ঘর তুইলা থাকতাম। হাতি আইসা ঘর ভাইঙ্গা দিছে। মেলা জায়গায় ঘুরছি। কেউ থাহার জাগা দেয় নাই।

‘প্রধানমন্ত্রী ঘরও দিতাছে; জাগাও দিব। তাও তিনি আমাগো এ হলদি গেরামের মানুষের ভিডিওর মাধ্যমে নিজের হাতে দিব। আমরা খুব খুশিতে আছি।’

জেলা প্রশাসক (ডিসি) আনার কলি মাহবুব বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী দেশের একজন মানুষকেও গৃহহীন রাখবেন না। এ জন্য তিনি ভূমিহীন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।’

আরও পড়ুন:
দুঃসহ জীবন অবসান হচ্ছে নীলফামারীর ১২৫০ পরিবারের
ঘর পেয়েছেন সচ্ছল ও অবিবাহিতরাও
ভারতকে করোনা চিকিৎসাসামগ্রী পাঠাল বাংলাদেশ
নামাজ পড়ে শিশুরা পেল সাইকেল উপহার
তিন শতাধিক অসহায়ের মুখে ঈদের হাসি

শেয়ার করুন

মন্তব্য