ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা

আদালত

শেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালত

মামলার বাদী জানান, খন্দকার শফিক আহাম্মেদ ২০ মার্চ নালিতাবাড়ী শহরের ছিটপাড়ার নিজের বাসায় নিয়ে এক কাজী ও দুজনকে সাক্ষী বানিয়ে তাকে বিয়ে করেন। ২০ মে সকালে শফিক ওই তরুণীকে বাড়ি থেকে বের করে দেন। এ ঘটনায় ওই তরুণী আদালতে ধর্ষণ মামলা করেন।

শেরপুরের নালিতাবাড়ীর মরিচপুরান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খন্দকার শফিক আহাম্মেদ শফিকের বিরুদ্ধে আদালতে ধর্ষণ মামলা করেছেন এক তরুণী।

শুক্রবার বিকেলে ওই তরুণী জানান, শেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে গত ২০ মে তিনি মামলাটি করেছেন।

উপজেলার ফকিরপাড়া এলাকার ৩৫ বছর বয়সী শফিক নালিতাবাড়ী উপেজলা কৃষকলীগের আহ্বায়ক।

মামলার বাদী জানান, খন্দকার শফিক আহাম্মেদ ২০ মার্চ নালিতাবাড়ী শহরের ছিটপাড়ার নিজের বাসায় নিয়ে এক কাজী ও দুজনকে সাক্ষী বানিয়ে তাকে বিয়ে করেন। তারপর থেকে তারা দুজন স্বামী-স্ত্রী হিসেবে সংসার করতে থাকেন।

২০ মে সকালে শফিক ওই তরুণীকে বাড়ি থেকে বের করে দেন। তখন তিনি তরুণীকে জানিয়ে দেন, তাদের বিয়ে হয়নি। এ ঘটনায় ওই দিনই তরুণী নিজেই বাদী হয়ে আদালতে ধর্ষণ মামলা করেন।

আদালত পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) মামলাটি তদন্তের নির্দেশ দেয়।

তরুণী জানান, ‘ঘটনার পর থেকেই শফিক আমাকে হুমকি দিয়ে আসছেন। আমি আমার বাড়িতে নিরাপদে থাকলেও আমার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এলাকায় নিরাপদ নই।’

এ ব্যাপারে জামালপুর পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার (এসপি) এমএম সালাহউদ্দীন শুক্রবার রাতে নিউজবাংলাকে জানান, আদালতের নির্দেশনা হাতে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তদন্ত করে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অভিযুক্ত খন্দকার শফিক নিউজবাংলাকে জানান, মামলার বাদী তার দ্বিতীয় স্ত্রী। তবে রাজনৈতিক কারণে তাকে দিয়ে এ মামলা করিয়েছেন নালিতাবাড়ী পৌর মেয়র আবু বক্কর সিদ্দিক।

এ অভিযোগের বিষয়ে পৌর মেয়র আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ‘এটি তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার। এ বিষয়ে আমি কারও পক্ষে বা বিপক্ষে কথা বলিনি। তবে কেউ দোষ করে থাকলে তার শাস্তি হওয়া উচিত।’

আরও পড়ুন:
শেরপুরে কিশোরী ধর্ষণের মামলায় গ্রেপ্তার ১
সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, তরুণ গ্রেপ্তার
রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে স্কুলছাত্রীকে ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণ’, মামলা
‘চাকরির প্রলোভনে’ আটকে রেখে ধর্ষণ, আটক ৪

শেয়ার করুন

মন্তব্য