চট্টগ্রামেও মিলেছে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট

চট্টগ্রামেও মিলেছে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট

গবেষকদের কয়েকজন

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগ এবং ঢাকার আইসিডিডিআরবি’র একটি যৌথ গবেষণায় চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্ত রোগীদের নমুনায় ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট তথা ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। একই সাথে নাইজেরীয় ইটা ভ্যারিয়েন্ট, যুক্তরাজ্যের আলফা ভ্যারিয়েন্ট এবং দক্ষিণ আফ্রিকান বিটা ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে।

এবার চট্টগ্রামেও করোনাভাইরাসের ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট তথা ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট পেয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকার ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ডাইরিয়াল ডিজিজ রিসার্চ, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) একদল গবেষক।

চট্টগ্রামের সাতটি করোনা পরীক্ষার ল্যাব থেকে ৪২ জন করোনা রোগীর নমুনা পরীক্ষা করে দুইজনের নমুনায় ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি পান তারা। তবে এই দুইজনের কেউই সম্প্রতি ভারতে যাননি বা ভারতফেরত কারও সরাসরি সংস্পর্শে আসেননি।

সোমবার দুপুরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগ এবং ঢাকার আইসিডিডিআরবির একটি যৌথ গবেষণায় চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্ত রোগীদের নমুনায় ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট তথা ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। একই সাথে নাইজেরীয় ইটা ভ্যারিয়েন্ট, যুক্তরাজ্যের আলফা ভ্যারিয়েন্ট এবং দক্ষিণ আফ্রিকান বিটা ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে। গবেষণায় অর্থায়ন করেছেন বাংলাদেশ চিকিৎসা গবেষণা পরিষদের (বিএমআরসি)।

চলতি বছরের মের শেষ সপ্তাহে চট্টগ্রামের সাতটি করোনা পরীক্ষাগার থেকে ৮২টি নমুনা সংগ্রহ করে জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য ঢাকার আইসিডিডিআরবিতে পাঠায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক দল। এর মধ্যে ৪২টি নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের ফলাফল পর্যালোচনা করে দুটি নমুনায় ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট তথা ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া যায়। পাশাপাশি ৩৩টি নমুনায় আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট, তিনটি নমুনায় নাইজেরীয় ভ্যারিয়েন্ট এবং চারটি নমুনায় যুক্তরাজ্যের ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া যায়। অর্থাৎ প্রাপ্ত ফলাফলে ৪২টি নমুনায় ৪.৮ শতাংশ ভারতীয়, ৭.২ শতাংশ নাইজেরীয়, ৯.৫ শতাংশ যুক্তরাজ্যের এবং ৭৮.৫ শতাংশ দক্ষিণ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে।

ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি পাওয়া দুজন রোগী সম্প্রতি ভারত যাননি, ভারতফেরত কারও সংস্পর্শেও আসেননি। তবু তাদের নমুনায় ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি পাওয়ায় চট্টগ্রামে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের কমিউনিটি সংক্রমণ শুরু হয়েছে বলে ধারণা করছেন গবেষকরা।

এ বিষয়ে গবেষণা দলের প্রধান এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এবং বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. আল ফোরকান নিউজবাংলাকে বলেন, ’এটি একটি চলমান গবেষণা। এই পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিভাগের সাতটি কোভিড-১৯ শনাক্তকরণ ল্যাব থেকে সংগ্রহ করা ৪২টি নমুনার ধরন বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে ২টি (৪.৮%) ভারতীয় (ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট), ৩টি (৭.২%) নাইজেরীয় (ইটা ভ্যারিয়েন্ট), ৪টি (৯.৫%) যুক্তরাজ্যের (আলফা ভ্যারিয়েন্ট) এবং বাকি ৩৩টি (৭৮.৫%) দক্ষিণ আফ্রিকার (বিটা ভ্যারিয়েন্ট) শনাক্ত হয়। ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত দুইজন রোগীর কেউই সম্প্রতি ভারতে যাননি এবং তাদের জানামতে ভারতফেরত কারও সংস্পর্শেও আসেননি।‘

তিনি বলেন, ’বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী চীনের উহান থেকে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়া কোভিড-১৯ সংক্রমণের শুরু থেকে এই পর্যন্ত সার্স-কভ-২ (করোনাভাইরাস) মোট ১০ বার রূপ পরিবর্তন করেছে। এর মাধ্যমে মূলত ছয়টি দেশে (যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ আফ্রিকা, নাইজেরিয়া, ব্রাজিল এবং ভারত) অতিসংক্রমণ এবং মহামারি আকার ধারণ করে ভাইরাসটি।

‘আমাদের বর্তমান গবেষণায় চট্টগ্রামে ভারতীয়সহ চারটি ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। বিভিন্ন দেশ থেকে এ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণক্ষমতা অনেক বেশি এবং অতিসত্বর বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনাপূর্বক সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে এই ভ্যারিয়েন্ট দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে, যার পরিণতি ভারতের মতো ভয়াবহ হতে পারে।’

গবেষণা দলের সদস্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. লায়লা খালেদা বলেন, ‘করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ সময় নতুন করে চট্টগ্রামে করোনাভাইরাসের ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হওয়ার বিষয়টি খুব উদ্বেগজনক। এখনই সতর্ক না হলে সংক্রমণ কমানোর বিষয়টি অনিশ্চয়তার দিকে চলে যেতে পারে।’

আরও পড়ুন:
করোনা ইউনিটে ১৪ দিনে ১৩৬ মৃত্যু
করোনা: শনাক্ত ছাড়াল ৩ হাজার, মৃত্যু বেড়ে ৫৪
খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৭ মৃত্যু
করোনা: দিনাজপুরে ২৪ ঘণ্টায় ৬ মৃত্যু
দিনাজপুর সদরে ৭ দিনের সর্বাত্মক লকডাউন

শেয়ার করুন

মন্তব্য

৯৯৯-এ কল: তিন দিন পর সাগর থেকে উদ্ধার ১৭ জেলে

৯৯৯-এ কল: তিন দিন পর সাগর থেকে উদ্ধার ১৭ জেলে

বঙ্গোপসাগরে গিয়ে ইঞ্জিন বিকল হওয়া ফিশিং বোটে তিন দিন ধরে ভাসতে থাকে ১৭ জেলে। ছবি: সংগৃহীত

নৌবাহিনী জানায়, রোববার বোটের ইঞ্জিন বিকল হয়ে গেলে কুতুবদিয়া থেকে পাঁচ মাইল দূরে সাগরে সেটি ভাসতে থাকে। বোট মাস্টার মঙ্গলবার ৯৯৯-এ কল দিয়ে জানালে নৌবাহিনী উদ্ধারে যায়।

বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে ফিশিং বোটের ইঞ্জিন বিকল হওয়ায় সাগরে তিন দিন ধরে ভাসতে থাকা ১৭ জেলেকে উদ্ধার করেছে নৌবাহিনী।
কক্সবাজারের কুতুবদিয়া থেকে ৫ মাইল দূরে বঙ্গোপসাগরে ভাসমান ‘তামান্না মুন্সী-৪’ নামের ওই ফিশিং বোটের জেলেদের বুধবার ভোরে উদ্ধার করে সৈকতে আনা হয়। তাদের জরুরি ভিত্তিতে প্রাথমিক চিকিৎসা এবং খাবার দেয়া হয়েছে বলে জানান বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জনসংযোগ কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার বরুন।
তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘রোববার ওই ফিশিং বোট নিয়ে মাছ ধরতে যায় ১৭ জেলে। ওই দিনই বোটের ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। কুতুবদিয়া থেকে পাঁচ মাইল দূরে সাগরে ভাসমান অবস্থায় তিন দিন থাকেন জেলেরা ৷ পরে বোট মাস্টার মঙ্গলবার জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দিয়ে জানালে বিষয়টি নৌবাহিনীকে অবহিত করা হয়। এতে খবর পেয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ ওই ফিশিং বোটসহ জেলেদের উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসে।’
জেলেদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বোটমালিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান নৌবাহিনীর এই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
করোনা ইউনিটে ১৪ দিনে ১৩৬ মৃত্যু
করোনা: শনাক্ত ছাড়াল ৩ হাজার, মৃত্যু বেড়ে ৫৪
খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৭ মৃত্যু
করোনা: দিনাজপুরে ২৪ ঘণ্টায় ৬ মৃত্যু
দিনাজপুর সদরে ৭ দিনের সর্বাত্মক লকডাউন

শেয়ার করুন

বরিশাল বিভাগে করোনায় ৫০০ মৃত্যু

বরিশাল বিভাগে করোনায় ৫০০ মৃত্যু

ফাইল ছবি

ব‌রিশাল শের-ই-বাংলা মে‌ডি‌ক্যাল ক‌লেজ হাসপাতা‌লে ৩০০ শয্যার ক‌রোনা ইউ‌নি‌টে বুধবার সকাল পর্যন্ত ৩৪৯ জন ভ‌র্তি। যার ম‌ধ্যে ১২৪ জনের ক‌রোনা প‌জি‌টিভ। গত ২৪ ঘণ্টায় এ ইউ‌নি‌টে ৫৩ নতুন রোগী ভ‌র্তি হ‌য়ে‌ছেন।

বরিশাল বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

করোনা শনাক্ত হয়ে ৬ ও উপসর্গ নিয়ে ১০ জন মারা গেছেন। তারা সবাই বরিশাল শের-ই-বাংলা মে‌ডিক্যাল ক‌লেজ হাসপাতা‌লে চি‌কিৎসা নিচ্ছিলেন।

মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টার মধ্যে তাদের মৃত্যু হয়েছে।

এ নিয়ে বরিশাল বিভাগে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ৫০০ দাঁড়িয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক বাসুদেব কুমার দাস জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে নতুন করে ৭৭৩ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে বরিশালে শনাক্তের সংখ্যা ৩৩৭, ভোলায় ১৮২, পটুয়াখালী‌তে ৯৭, পি‌রোজপু‌রে ৪৭, বরগুনায় ৬৪ ও ঝালকা‌ঠি‌তে ৪৬।

ব‌রিশাল বিভা‌গে মোট ক‌রোনা শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৩৬ হাজার ১৪০।

এ‌দি‌কে ব‌রিশাল শের-ই-বাংলা মে‌ডি‌ক্যাল ক‌লেজ হাসপাতা‌লে ৩০০ শয্যার ক‌রোনা ইউ‌নি‌টে বুধবার সকাল পর্যন্ত ৩৪৯ জন ভ‌র্তি। যার ম‌ধ্যে ১২৪ জনের ক‌রোনা প‌জি‌টিভ।

গত ২৪ ঘণ্টায় এ ইউ‌নি‌টে ৫৩ নতুন রোগী ভ‌র্তি হ‌য়ে‌ছেন।

আরও পড়ুন:
করোনা ইউনিটে ১৪ দিনে ১৩৬ মৃত্যু
করোনা: শনাক্ত ছাড়াল ৩ হাজার, মৃত্যু বেড়ে ৫৪
খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৭ মৃত্যু
করোনা: দিনাজপুরে ২৪ ঘণ্টায় ৬ মৃত্যু
দিনাজপুর সদরে ৭ দিনের সর্বাত্মক লকডাউন

শেয়ার করুন

সাগরে ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল, ৮ ঘণ্টা পর উদ্ধার ৪৫ আরোহী

সাগরে ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল, ৮ ঘণ্টা পর উদ্ধার ৪৫ আরোহী

৮ ঘণ্টা সাগরে আটকে থাকার পর সেন্টমার্টিন পৌঁছেছে দুই ট্রলার। ছবি: নিউজবাংলা

টেকনাফের ইউএনও পারভেজ চৌধুরী জানান, ওই ট্রলার যাত্রী নিয়ে সাগরে যায়। সেখানে চরে আটকা পড়ে এর ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। খবর পেয়ে মঙ্গলবার রাতে মাছ ধরার আরেকটি ট্রলার স্থানীয় জেলেদের নিয়ে সেটিকে উদ্ধার করতে যায়। জোয়ারে সেটিও আটকা পড়ে।

বঙ্গোপসাগরে গিয়ে ৪৫ আরোহীসহ আটকে পড়া মাছ ধরার দুটি ট্রলার ৮ ঘণ্টা পর উদ্ধার করে আনা হয়েছে সেন্টমার্টিনে।

কোস্টগার্ড জানায়, বুধবার ভোরে তাদের পাঠানো উদ্ধারকারী ট্রলার ওই দুই ট্রলারকে নিয়ে সকাল ৬টায় সেন্টমার্টিন পৌঁছেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোস্টগার্ডের টেকনাফ স্টেশন কমান্ডার এম নাইমুল হক।

তিনি জানান, মঙ্গলবার একটি মাছ ধরার ট্রলার প্রায় ৪০ আরোহী নিয়ে সাগরে যায়। গভীর রাতে জোয়ার এলে সেটি মিয়ানমার সীমান্ত ঘেঁষা নাইক্ষ্যং দ্বীপ এলাকার মাঝামাঝিতে একটি চরে আটকা পড়ে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পারভেজ চৌধুরী জানান, ওই ট্রলার যাত্রী নিয়ে সাগরে যায়। সেখানে চরে আটকা পড়ে এর ইঞ্জিনও বিকল হয়ে যায়। খবর পেয়ে মঙ্গলবার রাতে মাছ ধরার আরেকটি ট্রলার স্থানীয় জেলেদের নিয়ে সেটিকে উদ্ধার করতে যায়।

জোয়ারে ওই ট্রলারও আটকা পড়ে। এরপর কোস্টগার্ডের উদ্ধারকারী দল গিয়ে ওই দুই ট্রলার নিয়ে আসে সেন্টমার্টিনে।

ইউএনও জানান, দুই ট্রলারের আরোহীরা সুস্থ আছেন। বিধিনিষেধের মধ্যে তারা কেন সাগরে গিয়েছিলেন তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
করোনা ইউনিটে ১৪ দিনে ১৩৬ মৃত্যু
করোনা: শনাক্ত ছাড়াল ৩ হাজার, মৃত্যু বেড়ে ৫৪
খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৭ মৃত্যু
করোনা: দিনাজপুরে ২৪ ঘণ্টায় ৬ মৃত্যু
দিনাজপুর সদরে ৭ দিনের সর্বাত্মক লকডাউন

শেয়ার করুন

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে এক দিনে ২২ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে এক দিনে ২২ মৃত্যু

ফাইল ছবি

হাসপাতালের ফোকাল পারসন মহিউদ্দিন খান মুন জানান, বুধবার সকাল পর্যন্ত করোনা ইউনিটে ৫৫৩ জন চিকিৎসাধীন। ভর্তি হওয়া রোগীদের নমুনা পরীক্ষা করে ৩৭০ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে আইসিইউতে ভর্তি আছেন ২২ জন।

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে এক দিনে ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টার মধ্যে তাদের মৃত্যু হয়।

মৃতদের মধ্যে ১০ জন করোনা শনাক্ত ও ১২ জনের উপসর্গ ছিল। তাদের মধ্যে ৮ জন নারী ও ১৪ জন পুরুষ।

হাসপাতালের করোনা ইউনিটের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (ফোকাল পারসন) মহিউদ্দিন খান মুন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বুধবার সকাল পর্যন্ত করোনা ইউনিটে ৫৫৩ জন চিকিৎসাধীন। ভর্তি হওয়া রোগীদের নমুনা পরীক্ষা করে ৩৭০ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে আইসিইউতে ভর্তি আছেন ২২ জন।

এক দিনে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ১০০ রোগী। এ সময়ের মধ্যে ৮৩ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।

জেলা সিভিল সার্জন নজরুল ইসলাম জানান, নতুন করে ১ হাজার ৪৭৬টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩৮০ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

আরও পড়ুন:
করোনা ইউনিটে ১৪ দিনে ১৩৬ মৃত্যু
করোনা: শনাক্ত ছাড়াল ৩ হাজার, মৃত্যু বেড়ে ৫৪
খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৭ মৃত্যু
করোনা: দিনাজপুরে ২৪ ঘণ্টায় ৬ মৃত্যু
দিনাজপুর সদরে ৭ দিনের সর্বাত্মক লকডাউন

শেয়ার করুন

রূপগঞ্জে এবার লেদার কারখানায় আগুন

রূপগঞ্জে এবার লেদার কারখানায় আগুন

এই কারখানায় দুপুর সাড়ে ১২টায় আগুন লাগে। ছবি: নিউজবাংলা

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ‘ইউনাইটেড লেদার’ নামে একটি কারখানার গুদামঘরে আগুন লেগেছে।

উপজেলার রূপসী এলাকার এ কারখানায় বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আগুন লাগে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন।

তিনি জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ১৪টি ইউনিট।

ফায়ার সার্ভিসের ঢাকা বিভাগের সহকারী পরিচালক দেবাশীষ বর্ধন আছেন ঘটনাস্থলে। তিনি জানান, এখন পর্যন্ত কেউ হতাহত হয়নি বলে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘আগুন যেখানে লেগেছে, সেটি মূলত কারখানার গুদাম। কারখানা থেকে কিছুটা দূরে অবস্থিত দুই তলার এই ভবনটি। সেখানে নানা ধরণের রাসায়নিক ছিল।’

রূপগঞ্জে এবার লেদার কারখানায় আগুন

রূপগঞ্জেই গত ৮ জুলাই রাতে হাশেম ফুড লিমিটেডের কারখানায় আগুন লাগে। শুরুতে তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলেও পরের দিন উদ্ধার করা হয় ৪৯ জনের মরদেহ। মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়ায় ৫২।

সেই আগুনের সূত্রপাত গরমে বিদ্যুতের তার গলে হয়েছিল বলে জানায় ফায়ার সার্ভিস।

সংস্থাটির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাজ্জাদ হোসাইন জানান, কারখানার নিচতলা থেকে আগুনের সূত্রপাত। পাশাপাশি দুটি ভবনের এগজস্ট ফ্যান মুখোমুখি থাকায় নিচতলা বেশ গরম হয়ে উঠেছিল। এই গরমে বিদ্যুতের তার গলে আগুন লেগে যায়। ফায়ার সার্ভিসের তদন্তে এর প্রমাণ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় পুলিশ কারখানার মালিক আবুল হাশেম, তার চার ছেলেসহ আটজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করে। রিমান্ড শেষে হাশেম ও তার চার ছেলেকে জামিন দিয়েছে আদালত।

আরও পড়ুন:
করোনা ইউনিটে ১৪ দিনে ১৩৬ মৃত্যু
করোনা: শনাক্ত ছাড়াল ৩ হাজার, মৃত্যু বেড়ে ৫৪
খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৭ মৃত্যু
করোনা: দিনাজপুরে ২৪ ঘণ্টায় ৬ মৃত্যু
দিনাজপুর সদরে ৭ দিনের সর্বাত্মক লকডাউন

শেয়ার করুন

বরযাত্রায় বজ্রাঘাত, প্রাণ গেল ১৭ জনের

বরযাত্রায় বজ্রাঘাত, প্রাণ গেল ১৭ জনের

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে বজ্রাঘাতে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

শিবগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাকিব আল রাব্বি বলেন, ‘আলীনগর ঘাটে মরদেহগুলো রয়েছে। মৃতদের মধ্যে নারী রয়েছেন পাঁচজন। অল্প কিছুক্ষণের মধ্যে মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে বরযাত্রীদের ওপর বজ্রাঘাতে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

উপজেলার পাকা ইউনিয়নের দক্ষিণ পাকার দুড়াউড়ি ঘাট এলাকায় বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত ব্যক্তিদের ১৫ জনই চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা।

শিবগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

শিবগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাকিব আল রাব্বি বলেন, ‘আলীনগর ঘাটে মরদেহগুলো রয়েছে। মৃতদের মধ্যে নারী রয়েছেন পাঁচজন। অল্প কিছুক্ষণের মধ্যে মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’

বিস্তারিত আসছে...

আরও পড়ুন:
করোনা ইউনিটে ১৪ দিনে ১৩৬ মৃত্যু
করোনা: শনাক্ত ছাড়াল ৩ হাজার, মৃত্যু বেড়ে ৫৪
খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৭ মৃত্যু
করোনা: দিনাজপুরে ২৪ ঘণ্টায় ৬ মৃত্যু
দিনাজপুর সদরে ৭ দিনের সর্বাত্মক লকডাউন

শেয়ার করুন

রাজুর সোলার ফ্যানে বাতাসের সঙ্গে মেলে ছায়াও

রাজুর সোলার ফ্যানে বাতাসের সঙ্গে মেলে ছায়াও

সোলার ফ্যান নিয়ে মাঠে কাজ করার সময় রাজু। ছবি: নিউজবাংলা

রাজু বলেন, ‘আমি একদিন একটা ক্ষেতের সাইডে বইসে আছিলাম। দেখলাম, মেলা রইদের জন্যে এক কৃষক ফিড (অজ্ঞান) অয়ে (হয়ে) গেলো গা। পরে সবাই ধরাধরি কইরে মাথাত পানি দিল। তারপর ওই বেডা আস্তে আস্তে বালা (ভালো) অইলো (হলো)। এরপর আমি চিন্তা করলাম, কৃষকদের জন্যে কী করন যায়। পরে ৯ মাস গবেষণা কইরে কৃষকের ছায়া আর বাতাসের জন্যে আমি সোলার ফ্যান বানাই।’

জামালপুর সদরের শরিফপুর ইউনিয়নের বেপারীপাড়ার রাজু আহম্মেদ পড়াশোনা করেছেন পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত। এরপর টানা ২৫ বছর ধরে করছেন ইলেকট্রিশিয়ানের কাজ।

বৈদ্যুতিক পাখা বা ফ্যান ঠিক করা এবং এর কয়েল বাঁধানো রাজুর প্রধান কাজ হলেও কৃষিযন্ত্র নিয়ে কাজ করা তার নেশা।

এটি করতে গিয়ে রাজু এমন একটি ফ্যান তৈরি করেছেন, যা জীবন বাঁচাতে পারে তীব্র রোদে মাঠে কাজ করা কৃষকদের।

এ ফ্যানে বাতাস যেমন মেলে, সঙ্গে ছায়াও পাওয়া যায় রোদ থেকে। ফ্যান চলে সোলার প্যানেলের সূর্যের আলোর শক্তিতে। এ কারণে এর নাম দিয়েছেন ‘সোলার ফ্যান’। এতে বিদ্যুৎ সংযোগ যেমন লাগে না, পাশাপাশি সোলার প্যানেলটি এমনভাবে ব্যবহার করেছেন যাতে মাথায় ছায়াও পাওয়া যায়।

বহন করাও কষ্টদায়ক নয়। মাত্র আড়াই কেজির সোলার ফ্যানটি কাঁধে লাগিয়ে মাঠজুড়ে কাজ করতে পারেন কৃষক।

রাজুর সোলার ফ্যানে বাতাসের সঙ্গে মেলে ছায়াও

রাজু জানান, এ ধরনের ফ্যান তৈরির চিন্তা তার মাথায় আসে একটি ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে।

তিনি বলেন, ‘আমি একদিন একটা ক্ষেতের সাইডে বইসে আছিলাম। দেখলাম, মেলা রইদের জন্যে এক কৃষক ফিড (অজ্ঞান) অয়ে (হয়ে) গেলো গা। পরে সবাই ধরাধরি কইরে মাথাত পানি দিল। তারপর ওই বেডা আস্তে আস্তে বালা (ভালো) অইলো (হলো)।

‘এরপর আমি চিন্তা করলাম, কৃষকদের জন্যে কী করন যায়। পরে ৯ মাস গবেষণা কইরে কৃষকের ছায়া আর বাতাসের জন্যে আমি সোলার ফ্যান বানাই।’

রাজু কাজ করেন শরিফপুর বাজারে ছোট্ট একটি দোকানে ইলেকট্রিশিয়ানের সহযোগী হিসেবে। সেই দোকানেই তার সঙ্গে কথা হয় নিউজবাংলার।

রাজু বলেন, ‘কৃষি যন্ত্রপাতি নিয়ে গবেষণা কইরেই আমার দিন যাইতাছে। এরপরে যা কামাই করি তার অর্ধেক সংসারে দেই আর অর্ধেক গবেষণার জন্যে মাল (যন্ত্রপাতি) কিনি। আমি পয়লা ২০১১ সালে আম পাড়ার ডিজিটাল একটা যন্ত্র বানাই।

‘এইডেই প্রথম। এরপরে ২০১৬ সালে কইডা (কয়েকটা) মেশিন বানাইছিলাম। যেডে (যেটা) দিয়ে ঘাস কাটা যায়, মাটির ঢেলা পরিষ্কার করা যায়, ক্ষেত নিড়ানো যায়, হাল দেয়া যায়, মই দেয়া যায়, ভুট্টার বীজ বপন করা যায়।

‘এরপর ২০১৭ সালে মোবাইল দিয়ে পাখি তাড়ানোর এডা (একটা) মেশিন বানাই। সরকারি লোকেরা এডার নাম দিছিলো ডিজিটাল কাকতাড়ুয়া।’

রাজুর সোলার ফ্যানে বাতাসের সঙ্গে মেলে ছায়াও

তিনি জানান, ওই যন্ত্রগুলো এখন আর তার কাছে নেই। বিভিন্ন সময় সরকারি কর্মকর্তারা এসে নিয়ে গেছেন, কিন্তু পরে আর সাড়া পাননি।

এসব কারণে ২০১৭ সালে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। অভাবেও পড়েন। এরপর টানা তিন বছর এ ধরনের কাজ থেকে দূরে ছিলেন। এরপরই ক্ষেতের পাশে বসে থাকা অবস্থায় কৃষকের অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার ওই ঘটনাটি দেখেন।

তারপরই ফ্যানটি তৈরি করেন তিনি। যন্ত্রটি তৈরি করতে রাজু ২০ ওয়াটের একটি সোলার প্যানেল, ১২ ভোল্টের ডিসি দুটি ছোট ফ্যান, দুটি সুইচ, একটি বেল্ট ও বডি মেকানিক্যাল ব্যবহার করেছেন।

রাজু বলেন, ‘এইটা বানাইতে আমার অনেক খরচ হইছে। ব্যাটারি দিলে অনেক ওজন হয়, আর কারেন্টের বানাইলে কৃষকের খরচ বেশি হইব। তাই সোলার ফ্যান বানাইছি।

‘প্রথমে দুইটা ফ্যানের ওজন বেশি হওয়ায় বাদ দিয়ে দিছি। পরে এখন এইটা বানাইছি। এইটার ওজন আড়াই কেজি। এইডা বানাইতে আমার চৌদ্দ শ টাকা খরচ হইছে।’

সোলার ফ্যান নিয়ে পরিকল্পনার কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি যদি সরকারি সহায়তা পাই, তাহলে এই ফ্যানটি চারভাবে নির্মাণ করে বাজারে ছাড়মু। এর ফলে কৃষকরা অনেক উপকৃত হইব। যদি ভালোভাবে বানাতে পারি তাইলে কৃষকরা ৩০০ থাইকে শুরু কইরে ১ হাজার টাকার মধ্যে এই ফ্যান কিনতে পারব।’

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়ে রাজু বলেন, ‘আমি একটা ইঞ্জিন বানাইছি। যেইডে (যেটা) কোনো জ্বালানি ছাড়া শুধুমাত্র বাতাস দিয়ে চলব। এর কাজ ৯০ শতাংশ শেষ।

‘কিছু কাজ বাকি আছে। এর জন্যে অনেক টাকার প্রয়োজন, তাই সরকারি সহায়তার খুব প্রয়োজন।’

রাজুর সোলার ফ্যানে বাতাসের সঙ্গে মেলে ছায়াও

রাজুর ফ্যান ব্যবহারকারী এমদাদুল হক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আগে ক্ষেতে কাম করতে করতে ক্লান্ত হয়ে যাইতাম। ঘাম হইত, অসুখ হইত, মাতা বেন্দা (ব্যথা) করত। এহন এই ফ্যান ব্যবহার করলে অনেক বাতাসও লাগে আবার ছায়াও আসে। তাই আমি মাঝে মধ্যে রাজু ভাইরে ডাক দিয়ে আইনে এই ফ্যান ব্যবহার করি।’

শরিফপুর ইউনিয়নের আরেক কৃষক আব্দুল মান্নান বলেন, ‘রাজু যে ফ্যানডা বানাইছে। এইডে আমারসহ সব কৃষকেরই দরকার। কিন্তু রাজুর কাছে টাকা নাই। তাই চাহিদা থাকলেও ফ্যান সাপ্লাই দিবার পাইতাছে না।’

একই ইউনিয়নের বাসিন্দা মামুন আনসারী সুমন বলেন, ‘যাদের রৌদ্রে বের হতে সমস্যা হয়, তারা এই সোলার ফ্যানটি ব্যবহার করতে পারেন। এতে রোদ থেকে বাঁচা যাবে আর বাতাসও পাওয়া যাবে।’

শরিফপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘স্থানীয় জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমি ব্যক্তিগতভাবে এবং আমার পরিষদের পক্ষ থেকে রাজুকে যতটুকু সহযোগিতা করা দরকার করব। এতে দেশ ও জাতি উপকৃত হবে।’

রাজুর সোলার ফ্যান নিয়ে জামালপুর আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. মঞ্জুরুল কাদির নিউজবাংলাকে বলেন, ‘রাজু উদ্ভাবন পাগল একজন মানুষ। সে নতুন কিছু আবিষ্কার করতে খুবই ভালোবাসে। তবে সে অত্যন্ত গরিব বলে এই যন্ত্রটি উন্নত করতে পারছে না।’

তিনি জানান, কৃষি গবেষণা কেন্দ্র থেকে তারা জয়দেবপুরে কৃষি প্রকৌশল বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। রাজুকে প্রশিক্ষণ এবং আর্থিক সহযোগিতা করা যায় কি না সেই ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
করোনা ইউনিটে ১৪ দিনে ১৩৬ মৃত্যু
করোনা: শনাক্ত ছাড়াল ৩ হাজার, মৃত্যু বেড়ে ৫৪
খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৭ মৃত্যু
করোনা: দিনাজপুরে ২৪ ঘণ্টায় ৬ মৃত্যু
দিনাজপুর সদরে ৭ দিনের সর্বাত্মক লকডাউন

শেয়ার করুন