দুই‌ যুবকের মরদেহ উদ্ধার

দুই‌ যুবকের মরদেহ উদ্ধার

ভূঞাপুর থানার ওসি জানান, তিন থেকে চার‌ দিন আগের হওয়ায় স‌জিবের মরদেহ পচে গেছে। এদিকে সদর থানার এসআই মনির হোসেন জানান, ধারণা করা হচ্ছে, পাঁচ থেকে ছয় দিন আগে হত্যা করে মরদেহটি ফেলে গেছে দুর্বৃত্তরা।

টাঙ্গাই‌ল সদর ও ভূঞাপুর থে‌কে দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার ক‌রে‌ছে পু‌লিশ।

ভূঞাপুর থেকে শ‌নিবার বিকেলে এবং সদরে ঢাকা-টাঙ্গাই‌ল মহাসড়‌কের পাশ থেকে সন্ধ্যায় মরদেহ দুটি উদ্ধার ক‌রা হয়।

ভূঞাপুর উপ‌জেলার গাবসারা ইউ‌নিয়নের রাজাপুর থে‌কে উদ্ধার করা মরদেহ স‌জিব নামের ২৩ বছরের এক যুবকের।

স‌জিব ওই উপ‌জেলার ফলদা ইউ‌নিয়‌নের ধুব‌লিয়া গ্রা‌মের বাসিন্দা। তিনি মধুপু‌রে এক‌টি মাদ্রাসার ছাত্র ছিলেন।

স্থানীয় লোকজন জানান, বি‌কে‌লে রাজাপু‌রে কৃষকরা ক্ষে‌তে কাজ করার সময় মরদেহটি দেখে পু‌লি‌শে খবর দেন। এ সময় মরদেহটি থেকে দুর্গন্ধ ছ‌ড়ি‌য়ে প‌ড়ে‌। পু‌লিশ মরদেহটি উদ্ধার ক‌রে ময়নাতদ‌ন্তের জন‌্য টাঙ্গাইল জেনা‌রেল হাসপাতা‌লে পা‌ঠিয়েছে।

ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল ওহাব জানান, তিন থেকে চার‌ দিন আগের হওয়ায় স‌জিবের মরদেহ পচে গেছে। ময়নাতদ‌ন্তের পর প্রকৃ‌ত ঘটনা জানা যা‌বে।

এদিকে সদর উপ‌জেলার ঘা‌রিন্দায় ঢাকা-টাঙ্গাই‌ল মহাসড়‌কের পাশ থেকে সন্ধ্যায় আনুমানিক ৩৫ বছরের অজ্ঞাতপরিচয় যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মরদেহের পরিচয় এখনও শনাক্ত করা যায়‌নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সদর থানার এসআই মনির হোসেন জানান, ধারণা করা হচ্ছে, পাঁচ থেকে ছয় দিন আগে হত্যা করে মরদেহটি ফেলে গেছে দুর্বৃত্তরা। মরদেহ পচে গেছে। ময়নাতদ‌ন্তের জন‌্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনা‌রেল হাসপাতালের ম‌র্গে পাঠানো হ‌য়ে‌ছে।

আরও পড়ুন:
রেললাইনের পাশ থেকে অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার
নাফ নদীর তীরে শিশুসহ ৩ মরদেহ
পঞ্চগড়ে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার
সড়কের পাশে ডোবায় যুবকের মরদেহ
পরিত্যাক্ত ডোবায় মিলল যুবকের মরদেহ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

জমি নিয়ে দ্বন্দ্বে দায়ের কোপে যুবক নিহত

জমি নিয়ে দ্বন্দ্বে দায়ের কোপে যুবক নিহত

বুধবার বেলা ১১টার দিকে মাসুদ ওই বিরোধ চলা জমিতে ধানের চারা রোপণ করতে যান। এ সময় আব্দুল আজিজের ছেলে সুমন তাকে বাধা দেন। তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি থেকে সংঘর্ষ শুরু হয়। একপর্যায়ে মাসুদ দা দিয়ে সুমনকে কোপ দেন।

ময়মনসিংহের নান্দাইলে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের দায়ের কোপে এক যুবক নিহত হয়েছেন।

উপজেলার ৩ নম্বর নান্দাইল ইউনিয়নের উত্তর রসুলপুর গ্রামে বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সুমন আকন্দের বয়স ২৮ বছর। তার বাড়ি রসুলপুর গ্রামে।

স্থানীয় লোকজন জানান, একই গ্রামের আব্দুল আজিজ ও মাসুদ আকন্দের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। তারা সম্পর্কে চাচা-ভাতিজা।

বুধবার বেলা ১১টার দিকে মাসুদ ওই বিরোধ চলা জমিতে ধানের চারা রোপণ করতে যান। এ সময় আব্দুল আজিজের ছেলে সুমন তাকে বাধা দেন। তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি থেকে সংঘর্ষ শুরু হয়। একপর্যায়ে মাসুদ দা দিয়ে সুমনকে কোপ দেন।

স্থানীয় লোকজন তাকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে সুমনের মৃত্যু হয়।

নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান আকন্দ জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় সুমনের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আরও পড়ুন:
রেললাইনের পাশ থেকে অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার
নাফ নদীর তীরে শিশুসহ ৩ মরদেহ
পঞ্চগড়ে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার
সড়কের পাশে ডোবায় যুবকের মরদেহ
পরিত্যাক্ত ডোবায় মিলল যুবকের মরদেহ

শেয়ার করুন

কোরিয়ান ইপিজেডের পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ পরিবার

কোরিয়ান ইপিজেডের পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ পরিবার

কেইপিজেড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বৃষ্টির কারণে কেইপিজেডের হ্রদগুলোতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। পানির চাপ বাড়ায় একটি হ্রদের কালভার্টের মুখ খুলে গেলে মুহূর্তেই পানি প্রবেশ করে দৌলতপুর গ্রামে।

চট্টগ্রামের কোরিয়া রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চলের (কেইপিজেড) হ্রদের কালভার্টের মুখ খুলে গিয়ে লোকালয় প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় ২০০ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কেইপিজেডের গলফ মাঠের পূর্ব পাশে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কর্ণফুলীর বড়উঠান ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামে এই পানি ঢুকে পড়ে।

কেইপিজেড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বৃষ্টির কারণে কেইপিজেডের হ্রদগুলোতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। পানির চাপ বাড়ায় একটি হ্রদের কালভার্টের মুখ খুলে গেলে মুহূর্তেই পানি প্রবেশ করে দৌলতপুর গ্রামে। ওই সময় গ্রামের পুকুর, জলাশয় ভেসে যায়। ফাটল দেখা যায় মাটির ঘরে। খবর পেয়ে রাতেই কালভার্টটি বন্ধ করে কেইপিজেড কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় বড়উঠান ইউপির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ দিদারুল আলম জানান, এ ঘটনায় ৩৫০টি ঘর আংশিক ক্ষতি হয়েছে। সাতটি পুকুর ভেসে গেছে। এ ছাড়া ২৩টি মাটির ঘরের দেয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে। অন্তত ২০০ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা রুহুল আমিন বলেন, ‘পানিতে পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। আমার ফসলের ক্ষতি হয়েছে।’

কোরিয়ান রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চলের এজিএম মুশফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা ক্ষয়ক্ষতি চিহ্নিত করে ক্ষতিপূরণ দেব। বুধবার বিকেলে আপাতত ২০০ পরিবারের জন্য খাদ্যসামগ্রী দেয়া হয়েছে স্থানীয় চেয়ারম্যানের কাছে।’

এদিকে এ ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার সকালে কেইপিজেডের দৌলতপুর গেটে মানববন্ধন করেন স্থানীয়রা। এতে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ দিদারুল আলম।

আরও পড়ুন:
রেললাইনের পাশ থেকে অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার
নাফ নদীর তীরে শিশুসহ ৩ মরদেহ
পঞ্চগড়ে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার
সড়কের পাশে ডোবায় যুবকের মরদেহ
পরিত্যাক্ত ডোবায় মিলল যুবকের মরদেহ

শেয়ার করুন

ধঞ্চেক্ষেত থেকে মরদেহ উদ্ধার

ধঞ্চেক্ষেত থেকে মরদেহ উদ্ধার

মৃত ব্যক্তির নাম জয়নাল মিয়া। ৪০ বছরের জয়নাল একই ইউনিয়নের লোপাড়া গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

চুন্টা ইউনিয়নের ঘাগড়াজোর গ্রামের একটি ধঞ্চেক্ষেত থেকে বুধবার বেলা ১১টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

মৃত ব্যক্তির নাম জয়নাল মিয়া। ৪০ বছরের জয়নাল একই ইউনিয়নের লোপাড়া গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, জয়নাল মিয়া পেশায় রিকশাচালক ছিলেন। সুযোগ পেলে দিনমজুরের কাজ করতেন। তার দুই স্ত্রী। প্রথম স্ত্রী মোমরাজ বেগম দুই সন্তানকে নিয়ে সিলেটে বাস করেন।

দ্বিতীয় স্ত্রী সুইটি বেগমের ঘরেও দুই সন্তান রয়েছে। তাদের নিয়ে চুন্টা ইউনিয়নের ঘাগড়াজোর গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে বাস করতেন জয়নাল।

সুইটি বেগমের পরিবারের সদস্যরা জানান, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি জয়নাল। বুধবার সকালে বাড়ির পাশের একটি ধঞ্চেক্ষেতে তার মরদেহ দেখতে পেয়ে তাদের খবর দেন এলাকাবাসী।

জয়নালের বাবা আব্দুল লতিফ ও শ্বশুর আসিদ মিয়া বলেন, ‘কাউকে সন্দেহ করতে পারছি না। তাকে খুন করার মতো শত্রু নেই।’

এ বিষয়ে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসলাম হোসেন বলেন, ‘জয়নালের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
রেললাইনের পাশ থেকে অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার
নাফ নদীর তীরে শিশুসহ ৩ মরদেহ
পঞ্চগড়ে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার
সড়কের পাশে ডোবায় যুবকের মরদেহ
পরিত্যাক্ত ডোবায় মিলল যুবকের মরদেহ

শেয়ার করুন

ট্রান্সফরমার বিকলে বিপাকে পঞ্চগড়বাসী

ট্রান্সফরমার বিকলে বিপাকে পঞ্চগড়বাসী

দুইটি ট্রান্সফরমারের মাঝে একটি বিকল হয়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ সংকটে ভুগছে পঞ্চগড়ের মানুষ। ছবি: নিউজবাংলা

পৌর মেয়র জাকিয়া খাতুন জানান, বারবার লোডশেডিং ও লো-ভোল্টেজের কারণে পৌরসভার পানির পাম্প সচল রাখা সম্ভব হচ্ছে না। জনগণ নিরবচ্ছিন্ন পানির সরবরাহ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এখন হঠাৎ করে ট্রান্সফরমার বিকল হওয়ায় পাম্প পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।

পঞ্চগড়ে জাতীয় গ্রিড থেকে সঞ্চালিত বিদ্যুৎ ধারণ করার দুটি ট্রান্সফরমারের মধ্যে একটি বিকল হয়ে যাওয়ায় জেলার বিদ্যুৎব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

ট্রান্সফরমারটি মঙ্গলবার দুপুরে বিকল হয়ে যায়। নেসকো কর্তৃপক্ষ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ট্রান্সফরমার মেরামতের কথা জানালেও এখনও সমস্যার সমাধান হয়নি।

একটি ট্রান্সফরমার থেকে ৬টি ফিডারে সরবরাহ করায় বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে বিদ্যুৎ যাচ্ছে। ভোল্টেজও থাকছে খুব কম।

পঞ্চগড় নেসকোর আবাসিক প্রকৌশলী আতিফুর রহমান জানান, মঙ্গলবার ৩৩ হাজার কেভির সঞ্চালন লাইনের ট্রান্সফরমারে ত্রুটি দেখা দিলে এটি রংপুর বিদ্যুৎ বিভাগের ডিপোতে পাঠানো হয়। এটি ঠিক করতে ২৪ ঘণ্টা মতো লাগার কথা থাকলেও এখনও কাজ শেষ হয়নি। বৃহস্পতিবারের মধ্যে হয়তো সংকট কেটে যাবে।

তিনি আরও জানান, একটি ট্রান্সফরমার দিয়ে পুরো জেলায় একসঙ্গে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব নয়। সচলটি দিয়ে কোনোমতে কাজ চালানো হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় জনবল, আধুনিক উপকরণসহ পরিবহনসংকটের কারণে জেলার মানুষ দীর্ঘদিন থেকেই নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎসুবিধা থেকে বঞ্চিত। লোডশেডিং প্রতিদিনের নিয়মিত ঘটনা। মিটারের রিডিং দেখে বিল না করায় মাঝেমাঝেই আসে অতিরিক্ত বিল।

জেলা শহরের কায়েতপাড়া গ্রামের সামসুন নাহার জানান, দিনের মধ্যে ১৫ থেকে ২০ বার বিদ্যুৎ যাওয়া-আসা করে। প্রতিদিন এই ভোগান্তি ভালো লাগে না।

পৌর মেয়র জাকিয়া খাতুন জানান, বারবার লোডশেডিং ও লো-ভোল্টেজের কারণে পৌরসভার পানির পাম্প সচল রাখা সম্ভব হচ্ছে না। জনগণ নিরবচ্ছিন্ন পানির সরবরাহ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এখন হঠাৎ করে ট্রান্সফরমার বিকল হওয়ায় পাম্প পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।

লোডশেডিংয়ের বিষয়টি স্বীকার করে নেসকো কর্তৃপক্ষ জানায়, জাতীয় গ্রিড থেকে অর্ধেকেরও কম বিদ্যুৎ সরবরাহ করায় গ্রাহকের এই ভোগান্তি।

নির্বাহী প্রকৌশলী আতিফুর রহমান জানান, জনবলসহ পরিবহনসংক্রান্ত যে সংকটের মধ্য দিয়ে তারা যাচ্ছেন, তার জন্য কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে। অচিরেই এই সমস্যার সমাধান হবে।

তাদের অভিযোগ, এই জেলায় ছয়টি ফিডারে তাদের গ্রাহক প্রায় ৩১ হাজার। তাদের মধ্যে আবাসিক গ্রাহক ২৬ হাজার ৫৩১ জন ও বাণিজ্যিক ৪ হাজার ১৪৯ জন। গ্রাহকদের কাছ থেকে তাদের বকেয়া বিল প্রায় ৭ কোটি টাকা।

নেসকোর সহকারী প্রকৌশলী সত্যজিৎ দেব শর্মা বলেন, ‘সাধারণ গ্রাহকের সহযোগিতা পেলে অচিরেই সব সমস্যা দূর হবে।’

আরও পড়ুন:
রেললাইনের পাশ থেকে অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার
নাফ নদীর তীরে শিশুসহ ৩ মরদেহ
পঞ্চগড়ে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার
সড়কের পাশে ডোবায় যুবকের মরদেহ
পরিত্যাক্ত ডোবায় মিলল যুবকের মরদেহ

শেয়ার করুন

বজ্রপাতে একসঙ্গে এত মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ চাঁপাইনবাবগঞ্জ

বজ্রপাতে একসঙ্গে এত মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ চাঁপাইনবাবগঞ্জ

একসঙ্গে এতজন স্বজনকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে আছে মামুনের পরিবার। ছবি: নিউজবাংলা

নৌকা থেকে নামার পর বৃষ্টি শুরু হলে কয়েকজন দৌড়ে কনের বাড়ি চলে যান। প্রায় ২০ জন ঘাটের একটি টিনের ছাউনিতে আশ্রয় নেন। ওই টিনের ছাউনির ওপর বজ্রপাত হলে নিচে দাঁড়িয়ে থাকা ১৭ জনের মৃত্যু হয়। আহত হন বাকি তিনজন।

তিন দিন আগে বিয়ে হয় সুমি ও মামুনের। কথা ছিল, কয়েক দিন পরই আনুষ্ঠানিকভাবে বউকে নিয়ে আসা হবে শ্বশুরবাড়ি।

সুমি স্বামীর সঙ্গে শ্বশুরবাড়ি ফিরলেন ঠিকই, তবে এই ফেরায় ছিল না কোনো আনন্দ। নৌকায় স্বজনদের মরদেহ নিয়ে ফিরতে হয়েছে এই নবদম্পতিকে।

বর-বউ আনতে যাওয়ার সময় বজ্রাঘাত কেড়ে নিয়েছে ১৬ বরযাত্রীসহ ১৭ জনের প্রাণ। চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার পাকা ইউনিয়নের দক্ষিণ পাকার দুড়াউড়ি ঘাট এলাকায় বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

বরের মামা মাইদুল ইসলাম জানান, ১ আগস্ট পাকা ইউনিয়নের সুমির সঙ্গে বিয়ে হয় নারায়ণপুর ইউনিয়নের মো. মামুনের। বুধবার সকাল ১০টার দিকে ৫০ জন বরযাত্রী নারায়ণপুর আলীনগর ঘাট থেকে নৌকায় রওনা দেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পৌঁছান পাকা ইউনিয়নের দক্ষিণ পাকার দুড়াউড়ি ঘাটে।

মাইদুলসহ একে একে সবাই নামতে থাকেন ঘাটে। এ সময় বৃষ্টি শুরু হলে কয়েকজন দৌড়ে কনের বাড়ি চলে যান। প্রায় ২০ জন ঘাটের একটি টিনের ছাউনিতে আশ্রয় নেন। ওই টিনের ছাউনির ওপর বজ্রপাত হলে নিচে দাঁড়িয়ে থাকা ১৭ জনের মৃত্যু হয়। আহত হন বাকি তিনজন।

শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাকিব আল রাব্বি নিউজবাংলাকে জানান, মৃতদের মধ্যে পাঁচজন নারী। মরদেহ পরিবারকে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।

বজ্রপাতে একসঙ্গে এত মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ চাঁপাইনবাবগঞ্জ
বজ্রপাতে মৃতদের মরদেহ নৌকায় নিয়ে ফেরেন স্বজনরা

ছেলে মো. সজীবেরসহ ১৩ জনের মরদেহ একটি নৌকায় নিয়ে ফেরেন মামুনের চাচা দুরুল হুদা। আরেকটি নৌকায় বরের খালা ল্যাচন বেগম ও মামি টকিয়ারা খাতুনের মরদেহ নিয়ে ফেরেন নবদম্পতি। আরেকটি নৌকায় নেয়া হয় আরেক মৃত আত্মীয়র দেহ।

বরযাত্রীদের বাইরে যিনি মারা গেছেন তিনি হলেন উপজেলার পাকা গ্রামের মো. রফিক। তার মরদেহ আত্মীয়রা নিয়ে গেছেন।

মামুনের বাড়ি গিয়ে দেখা যায়, পাশাপাশি কবর খোঁড়া শেষ। চলছে দাফনের প্রস্তুতি।

একই সঙ্গে বাবা মো. শরীফুল ও এতজন স্বজন হারিয়ে নির্বাক মামুন। তার সঙ্গে এ বিষয়ে কোনো কথা বলা যায়নি।

পাশেই কাঁদছিলেন চাচা দুরুল হুদা। তিনি জানান, বজ্রপাতের পর আশপাশের লোকজন বলেছিল মুখে ফুঁ দিলে ছেলে হয়তো আবার শ্বাস নেবে। বারবার চেষ্টা করেছেন ছেলের মুখে ফুঁ দিয়ে তাকে আবার বাঁচিয়ে তোলার কিন্তু ছেলে আর ফেরেনি।

এ দুর্ঘটনায় আহত তিনজনের চিকিৎসা চলছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে। তাদের অবস্থা আশঙ্কামুক্ত।

আরও পড়ুন:
রেললাইনের পাশ থেকে অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার
নাফ নদীর তীরে শিশুসহ ৩ মরদেহ
পঞ্চগড়ে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার
সড়কের পাশে ডোবায় যুবকের মরদেহ
পরিত্যাক্ত ডোবায় মিলল যুবকের মরদেহ

শেয়ার করুন

‘অর্থ আত্মসাত’: ব্যাংক কর্মকর্তাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

‘অর্থ আত্মসাত’: ব্যাংক কর্মকর্তাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

এজাহারে বলা হয়েছে, ব্যাংকের দুই কর্মকর্তা ও তিন ব্যবসায়ী জালিয়াতির মাধ্যমে ১১ কোটি ৯৩ লাখ ৫ হাজার ৪২১ টাকা আত্মসাৎ করেন। তারা ব্যাংকের প্রকৃত বেনিফিশিয়ারির অ্যাকাউন্টে এই টাকা পাঠাননি। ২০১৯ সালের জুন থেকে ২০২১ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ১২২টি লেনদেনের মাধ্যমে ওই টাকা আত্মসাৎ করা হয়। 

১১ কোটি ৯৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চট্টগ্রামে ব্যাংক এশিয়ার দুই কর্মকর্তাসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১ এর সহকারী পরিচালক মো. ফজলুল বারী বুধবার বিকেল ৪টার দিকে মামলাটি করেন।

দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১ এর উপ পরিচালক লুৎফুল কবির চন্দন নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার আসামিরা হলেন ব্যাংক এশিয়া চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ শাখার ফাস্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভিপি ইফতেখার উদ্দিন আহমেদ, সিনিয়র অফিসার এহতেশাম উদ্দিন জাহান আনসারী, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পিঅ্যান্ড আর ট্রেডার্সের মালিক জাহান আনসারী, রিটজ মেরিন এন্টারপ্রাইজের মালিক এমদাদুল হাসান ও সেভেন সিজ বিডির মালিক তারেজকুজ্জামান।

এজাহারে বলা হয়েছে, ব্যাংকের দুই কর্মকর্তা ও তিন ব্যবসায়ী জালিয়াতির মাধ্যমে ১১ কোটি ৯৩ লাখ ৫ হাজার ৪২১ টাকা আত্মসাৎ করেন। তারা ব্যাংকের প্রকৃত বেনিফিশিয়ারির অ্যাকাউন্টে এই টাকা পাঠাননি। ২০১৯ সালের জুন থেকে ২০২১ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ১২২টি লেনদেনের মাধ্যমে ওই টাকা আত্মসাৎ করা হয়।

ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্থানান্তর ও হস্তান্তরের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করায় তাদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইন ২০১২ এর ৪(২) এবং দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় মামলা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
রেললাইনের পাশ থেকে অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার
নাফ নদীর তীরে শিশুসহ ৩ মরদেহ
পঞ্চগড়ে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার
সড়কের পাশে ডোবায় যুবকের মরদেহ
পরিত্যাক্ত ডোবায় মিলল যুবকের মরদেহ

শেয়ার করুন

শাহজালাল সার কারখানায় ৩৮ কোটি টাকা ‘আত্মসাত’

শাহজালাল সার কারখানায় ৩৮ কোটি টাকা ‘আত্মসাত’

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে শাহজালাল সার কারখানা। ছবি: সংগৃহীত

মামলাগুলোর এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা এবং জালিয়াতির মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভুয়া বিল ও ভাউচার তৈরিসহ প্রকল্পের ৩৮ কোটি ৭১ লাখ ২৪ হাজার ৯০২ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের শাহজালাল সার কারখানা প্রকল্পের ৩৮ কোটি ৭১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ১০ জনের বিরুদ্ধে ১৫টি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মঙ্গলবার দুদকের সমন্বিত সিলেট জেলা কার্যালয়ে এসব মামলা করেন কমিশনের উপপরিচালক নূর ই আলম।

বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মদ আরিফ সাদেক।

তিনি জানান, মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে শাহজালাল ফার্টিলাইজার প্রকল্পের হিসাব বিভাগীয় প্রধান (বরখাস্ত) খোন্দকার মুহাম্মদ ইকবাল এবং প্রকল্পের সাবেক রসায়নবিদ (বরখাস্ত) নেছার উদ্দিন আহমদ।

অন্য আসামিরা হলেন খোন্দকার মুহাম্মদ ইকবালের স্ত্রী মেসার্স টিআই ইন্টারন্যাশনালের মালিক হালিমা আক্তার, মেসার্স রাফী এন্টারপ্রাইজের মালিক নূরুল হোসেন, ফালগুনী ট্রেডার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এএসএম ইসমাইল খান, মেসার্স আয়মান এন্টারপ্রাইজের মালিক সাইফুল হক, মেসার্স এন আহমদ অ্যান্ড সন্সের মালিক নাজির আহমদ, মেসার্স মা এন্টারপ্রাইজের মালিক হেলাল উদ্দিন, মেসার্স ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনালের মালিক জামশেদুর রহমান খন্দকার এবং মেসার্স সাকিব ট্রেডার্সের মালিক আহসান উল্লাহ চৌধুরী।

মামলাগুলোর এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা এবং জালিয়াতির মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভুয়া বিল ও ভাউচার তৈরিসহ প্রকল্পের ৩৮ কোটি ৭১ লাখ ২৪ হাজার ৯০২ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

অভিযোগের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া আসামিদের বিরুদ্ধে এসব মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুদক কর্মকর্তা আরিফ।

মামলার বিষয়ে শাহজালাল সার কারখানার কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে কারখানার একটি সূত্র জানিয়েছে, অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠার পরই দুই কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে জরাজীর্ণ হয়ে পড়া প্রাকৃতিক গ্যাস সার কারখানা (এনজিএলএফ) দীর্ঘ দিন লোকসান গোনায় ওই কারখানার পাশেই প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে শাহজালাল সার কারখানা নির্মাণ করা হয়।

২০১৭ সালে প্রথম বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে কারখানাটি। তবে নানা কারণেই উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

আরও পড়ুন:
রেললাইনের পাশ থেকে অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার
নাফ নদীর তীরে শিশুসহ ৩ মরদেহ
পঞ্চগড়ে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার
সড়কের পাশে ডোবায় যুবকের মরদেহ
পরিত্যাক্ত ডোবায় মিলল যুবকের মরদেহ

শেয়ার করুন