আ.লীগের দুই পক্ষের হাতাহাতি, পুলিশের লাঠিচার্জ

আ.লীগের দুই পক্ষের হাতাহাতি, পুলিশের লাঠিচার্জ

মাদারীপুরে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের হাতাহাতির ঘটনায় পুলিশ লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ছবি: নিউজবাংলা

মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এহসানুল রহমান ভূঁইয়া বলেন, প্রতিবাদ থেকে একটা সময় উত্তেজিত নেতা-কর্মীরা পাশের বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ও ইসলামী ব্যাংকের ঘটকচর শাখা এবং বেশ কয়েকটি দোকান-ঘরবাড়ি ভাঙচুর করেন।

সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী ও মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য শাজাহান খানের বাবা মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক মৌলভি আছমত আলী খানকে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে মানববন্ধনে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত হয়েছেন তিন পুলিশসহ অন্তত ১৫ জন।

ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের সদর উপজেলার কলাবাড়ি এলাকায় শনিবার সকাল ১০টায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় মহাসড়কে ঘণ্টাখানেক যান চলাচল বন্ধ ছিল।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সম্প্রতি রাজৈরে এক অনুষ্ঠানে আছমত আলী খানকে নিয়ে কটূক্তি করে বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহাবুদ্দিন আহম্মেদ মোল্লা। এ জন্য তার পদত্যাগের দাবিতে সকালে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের কলাবাড়ি এলাকায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভের ডাক দেন শাজাহান খান সমর্থিত কর্মীরা।

একই সময় একই স্থানে সাহাবুদ্দিন আহম্মেদ মোল্লার সমর্থকরা প্রতিবাদ সভার আয়োজন করলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়।

পুলিশ জানায়, উত্তেজনার একপর্যায়ে দুই পক্ষের লোকেরা হাতাহাতি শুরু করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে উভয় পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এহসানুল রহমান ভূঁইয়া বলেন, প্রতিবাদ থেকে একটা সময় উত্তেজিত নেতা-কর্মীরা পাশের বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ও ইসলামী ব্যাংকের ঘটকচর শাখা এবং বেশ কয়েকটি দোকান-ঘরবাড়ি ভাঙচুর করেন।

তিনি আরও জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। এ সময় নেতা-কর্মীদের হামলায় তিন পুলিশও আহত হয়।

এখন ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
সাংগঠনিক স্থবিরতা কাটাতে চায় আওয়ামী লীগ
সাংগঠনিক টিম গঠনের নির্দেশ আ. লীগের
আ.লীগ নেতা ইউসুফজী খান আর নেই
চট্টগ্রামের ৫ উপজেলায় আওয়ামী লীগের সম্মেলন অক্টোবরের মধ্যে
দুই নেতা মুখোমুখি, সাদুল্লাপুর আ.লীগে কোন্দল

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে এক দিনে ১৭ মৃত্যু, সুস্থ ৫২

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে এক দিনে ১৭ মৃত্যু, সুস্থ ৫২

ফাইল ছবি

জেলা সিভিল সার্জন নজরুল ইসলাম জানান, জেলায় রোববার সকাল ৯টা থেকে সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ১ হাজার ৬৬৪টি নমুনা পরীক্ষা করে ৪৪৮ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এ নিয়ে জেলায় শনাক্ত রোগীর সংখ্যা হয়েছে ১৫ হাজার ৯৯৫।

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে এক দিনে উপসর্গ নিয়েই মারা গেছেন ১১ জন। করোনা শনাক্ত হওয়া রোগীদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের।

সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার এই হিসাব নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন করোনা ইউনিটের মুখপাত্র আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) মহিউদ্দিন খান মুন।

তিনি জানান, এই ২৪ ঘণ্টায় করোনা ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে ৮৮ জনকে। আর ৫২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি গিয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত ওই ইউনিটে চিকিৎসাধীন ৫৫১ জন, যার মধ্যে ২২ জন আছেন আইসিইউতে।

সিভিল সার্জন নজরুল ইসলাম জানান, জেলায় সোমবার সকাল ৯টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ১ হাজার ৬৬৪টি নমুনা পরীক্ষা করে ৪৪৮ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এ নিয়ে জেলায় শনাক্ত রোগীর সংখ্যা হয়েছে ১৫ হাজার ৯৯৫।

আরও পড়ুন:
সাংগঠনিক স্থবিরতা কাটাতে চায় আওয়ামী লীগ
সাংগঠনিক টিম গঠনের নির্দেশ আ. লীগের
আ.লীগ নেতা ইউসুফজী খান আর নেই
চট্টগ্রামের ৫ উপজেলায় আওয়ামী লীগের সম্মেলন অক্টোবরের মধ্যে
দুই নেতা মুখোমুখি, সাদুল্লাপুর আ.লীগে কোন্দল

শেয়ার করুন

ধর্ষণ মামলায় সৎবাবা কারাগারে

ধর্ষণ মামলায় সৎবাবা কারাগারে

প্রতীকী ছবি

মামলায় বলা হয়, কিশোরীর মা প্রায় ১০ বছর আগে ওই ব্যক্তিকে বিয়ে করেন। গত ছয় মাস ধরে বিভিন্ন সময় কিশোরীকে একা পেয়ে ধর্ষণ করেন অভিযুক্ত ব্যক্তি। গত বৃহস্পতিবার রাতে ধর্ষণের বিষয়টি মাকে জানালে মামলার পর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠানো হয়।

কক্সবাজারের চকরিয়ায় ১৩ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ অভিযোগে সৎবাবাকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

উপজেলার বরইতলী ইউনিয়ন থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে সোমবার বিকেলে গ্রেপ্তার করে আদালতে তোলা হয়। তাকে মঙ্গলবার সকালে কারাগারে পাঠানো হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাকের মোহাম্মদ জুবায়ের।

মামলায় বলা হয়, কিশোরীর মা প্রায় ১০ বছর আগে ওই ব্যক্তিকে বিয়ে করেন। গত ছয় মাস ধরে বিভিন্ন সময় কিশোরীকে একা পেয়ে ধর্ষণ করেন অভিযুক্ত ব্যক্তি।

সবশেষ গত বৃহস্পতিবার রাতে ধর্ষণের ঘটনার পর বিষয়টি মাকে জানায় ওই কিশোরী। তার মা বাদী হয়ে সোমবার সকালে চকরিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করেন।

বিষয়টি আদালতে জবানবন্দি দেয় কিশোরী।
আরও পড়ুন:
সাংগঠনিক স্থবিরতা কাটাতে চায় আওয়ামী লীগ
সাংগঠনিক টিম গঠনের নির্দেশ আ. লীগের
আ.লীগ নেতা ইউসুফজী খান আর নেই
চট্টগ্রামের ৫ উপজেলায় আওয়ামী লীগের সম্মেলন অক্টোবরের মধ্যে
দুই নেতা মুখোমুখি, সাদুল্লাপুর আ.লীগে কোন্দল

শেয়ার করুন

আশ্রয়ণের ঘর নির্মাণে বাধা, ৩ ভাইয়ের কারাদণ্ড

আশ্রয়ণের ঘর নির্মাণে বাধা, ৩ ভাইয়ের কারাদণ্ড

শেরপুরে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণে বাধা দেয়ার অভিযোগে চার জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ছবি: নিউজবাংলা

উপজেলার আশ্রয়ণ প্রকল্পের তিনটি ঘরের জমি নিজের দাবি করে চার ব্যক্তি তাতে ঘর নির্মাণে বাধা দেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ইউএনও তাদের কারাদণ্ড দেন। এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) জানান, ওই জমি এরই মধ্যে ভূমিহীন তিনজনের নামে রেজিস্ট্রি করে দেয়া। তা নিজের দাবি করার সুযোগ নেই।

শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণে বাধা দেয়ার অভিযোগে তিন ভাইসহ চারজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হেলেনা পারভীন সোমবার রাতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদের সাজা দেন।

দণ্ড পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন কোন্নগর গ্রামের লিয়াকত আলী, তার ভাই এমতাজ আলী ও আবদুর রাজ্জাক এবং একই গ্রামের বকুল হোসেন। এদের মধ্যে লিয়াকত, এমতাজ ও বকুলকে দুই মাসের এবং রাজ্জাককে ২৮ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।

উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আবদুল হান্নান জানান, মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে উপজেলার মরিচপুরান ইউনিয়নের উত্তর কোন্নগরে প্রধানমন্ত্রীর উপহার দেয়া ঘরের ৬৩টির মধ্যে ৬০টির নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। অন্য তিনটির ৭০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে।

সেই ঘরের জমি নিজেদের দাবি করে লিয়াকত, এমতাজ, রাজ্জাক ও বকুল আদালতে মামলা করেন। তারা ওই জমিতে ঘর নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন। উপজেলা ভূমি অফিস থেকে জমির কাগজপত্র জমা দেয়া হলে আদালত নিষেধাজ্ঞার আবেদন আমলে নেয়নি।

পিআইও হান্নান বলেন, সোমবার বিকেলে ওই তিন ঘরের চালা নির্মাণের জন্য পিআইও কার্যালয় থেকে কাঠ ও টিন পাঠানো হয়। এ সময় ওই চার ব্যক্তি কাজে বাধা দেন। বিষয়টি তখন ইউএনওকে জানানো হয়।

ইউএনও হেলেনা পারভীন ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সঞ্চিতা বিশ্বাস আনসার সদস্যদের নিয়ে সেখানে যান বিকেলে। ওই চারজন তাদেরও বলেন, এই জমিতে ঘর তুলতে দেবেন না।

পিআইও হান্নান জানান, রাত পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে ওই চারজন তর্ক চালিয়ে গেলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে সরকারি কাজে বাধা দেয়ায় অভিযোগ তুলে তাদের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) সঞ্চিতা বিশ্বাস জানান, যে জমি নিয়ে তর্ক, সেটি এরই মধ্যে ভূমিহীন তিনজনের নামে বরাদ্দ করা হয়েছে। জমির দলিল রেজিস্ট্রিও করে দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে ওই চারজন কিংবা তাদের পরিবারের কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বছির আহমেদ বাদল রাতে নিউজবাংলাকে জানান, দণ্ড পাওয়া চারজনকে থানায় হেফাজতে রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে তাদের শেরপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হবে।

আরও পড়ুন:
সাংগঠনিক স্থবিরতা কাটাতে চায় আওয়ামী লীগ
সাংগঠনিক টিম গঠনের নির্দেশ আ. লীগের
আ.লীগ নেতা ইউসুফজী খান আর নেই
চট্টগ্রামের ৫ উপজেলায় আওয়ামী লীগের সম্মেলন অক্টোবরের মধ্যে
দুই নেতা মুখোমুখি, সাদুল্লাপুর আ.লীগে কোন্দল

শেয়ার করুন

মরদেহ উদ্ধারের ৫ মাস পর শিশুকে ধর্ষণের আলামত

মরদেহ উদ্ধারের ৫ মাস পর শিশুকে ধর্ষণের আলামত

প্রতীকী ছবি

চকরিয়া থানার ওসি-তদন্ত জুয়েল ইসলাম জানান, এ বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি এক শিশু বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি বাড়ির কাছে একটি পুকুরে মরদেহ পাওয়া গেলে অপমৃত্যুর মামলা করেন শিশুটির বাবা। প্রায় পাঁচ মাস পর আসা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে ওই শিশুকে ধর্ষণের পরে শ্বাসরোধ করে হত্যার আলামত পাওয়া যায়।

কক্সবাজারের চকরিয়ায় পুকুর থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধারের পাঁচ মাস পর ময়নাতদন্তে জানা গেল তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছিল।

এ ঘটনায় ওই শিশুর প্রতিবেশী যুবককে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নে নিজ বাড়ি থেকে মঙ্গলবার বিকেলে তাকে গ্রেপ্তারের পর রাতেই কারাগারে পাঠানো হয়।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) জুয়েল ইসলাম জানান, এ বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি কোনাখালীর দক্ষিণ জঙ্গলকাটা গ্রামে সাড়ে তিন বছর বয়সী এক শিশু বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয়।

পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি বাড়ির কাছে একটি পুকুর থেকে ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা করেন শিশুটির বাবা।

ওসি আরও জানান, পুলিশ মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠায়। প্রায় পাঁচ মাস পর আসা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে ওই শিশুকে ধর্ষণ ও শ্বাসরোধ করে হত্যার আলামত পাওয়া যায়।

পরে অপমৃত্যুর মামলাটি হত্যা ও ধর্ষণ মামলা করা হয়।

ওসি বলেন, ‘ঘটনার পর থেকে প্রতিবেশী ওই যুবক পলাতক থাকায় তার বিষয়ে সন্দেহ হয় শিশুর পরিবারের। আমরা ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় ছিলাম।’

পরে এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
সাংগঠনিক স্থবিরতা কাটাতে চায় আওয়ামী লীগ
সাংগঠনিক টিম গঠনের নির্দেশ আ. লীগের
আ.লীগ নেতা ইউসুফজী খান আর নেই
চট্টগ্রামের ৫ উপজেলায় আওয়ামী লীগের সম্মেলন অক্টোবরের মধ্যে
দুই নেতা মুখোমুখি, সাদুল্লাপুর আ.লীগে কোন্দল

শেয়ার করুন

বিলে যুবকের হাত-পা বাঁধা মরদেহ

বিলে যুবকের হাত-পা বাঁধা মরদেহ

স্থানীয় লোকজন বিলে গলাকাটা মরদেহ ভাসতে দেখে থানায় খবর দেন। পুলিশ জানায়, মরদেহের হাত-পা বাঁধা ছিল। তার পরিচয় কেউ নিশ্চিত করেননি।

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে বিল থেকে এক যুবকের হাত-পা বাঁধা, গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উপজেলার নানুয়ার বাজারের দক্ষিণে ইন্দ্রবতী এলাকার ওই বিল থেকে মঙ্গলবার সকালে উদ্ধার করা হয় মরদেহটি।

বুড়িচং থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বিনোদ দস্তিদার জানান, মরদেহের হাতের রগও কাটা। নিহতের বয়স ২০ থেকে ২২ বছর হবে। তার পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

এসআই জানান, স্থানীয় লোকজন সকালে বিলে মরদেহ ভাসতে দেখে থানায় খবর দেন। মরদেহ উদ্ধারের পর এলাকার কেউ তার পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেননি।

এসআইয়ের ধারণা, ওই যুবককে সোমবার রাতে অন্য কোথাও হত্যা করে মরদেহ বিলে ফেলে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
সাংগঠনিক স্থবিরতা কাটাতে চায় আওয়ামী লীগ
সাংগঠনিক টিম গঠনের নির্দেশ আ. লীগের
আ.লীগ নেতা ইউসুফজী খান আর নেই
চট্টগ্রামের ৫ উপজেলায় আওয়ামী লীগের সম্মেলন অক্টোবরের মধ্যে
দুই নেতা মুখোমুখি, সাদুল্লাপুর আ.লীগে কোন্দল

শেয়ার করুন

খাবারে বিষক্রিয়ায় মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭

খাবারে বিষক্রিয়ায় মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭

নোয়াখালীর একটি মাদ্রাসায় রাতের খাবার খেয়ে বিষক্রিয়ায় অসুস্থ হয়ে এ ২ ছাত্র হাসপাতালে ভর্তি। ছবি: নিউজবাংলা

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল কর্মকর্তা সৈয়দ মহিউদ্দিন আব্দুল আজিম জানান, ধারণা করা হচ্ছে, খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণে রাতের খাবার খেয়ে ছাত্ররা অসুস্থ হয়ে পড়ে। অসুস্থদের মধ্যে নিশান নামে এক ছাত্রকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়। এ ছাড়া আরও ১৭ ছাত্র অসুস্থ হয়ে এখানে চিকিৎসাধীন।

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে একটি মাদ্রাসায় খাবার খেয়ে অসুস্থ হওয়ার পর এক ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অসুস্থ হয়ে আরও ১৭ ছাত্র হাসপাতালে ভর্তি।

উপজেলার ৭ নম্বর একলাশপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব একলাশপুর গ্রামের মদিনাতুল উলুম ইসলামিয়া মাদ্রাসা কমপ্লেক্স ও এতিমখানায় সোমবার রাতের খাবারের পর এ ঘটনা ঘটে।

মৃত ছাত্র নিশান নুর হাদী উপজেলার পূর্ব একলাশপুর গ্রামের আনোয়ার মিয়ার ছেলে। সে ওই মাদ্রাসার নুরানি বিভাগের প্রথম শ্রেণির ছাত্র ছিল।

মাদ্রাসার তত্ত্বাবধায়ক ইসমাইল হোসেন জানান, সোমবার দুপুরের দিকে মাদ্রাসায় মাংস রান্না করা হয়। এশার নামাজের পরে মাদ্রাসার আবাসিক বিভাগের ২০ ছাত্র ওই মাংস দিয়ে রাতের খাবার খায়। রাত সাড়ে ৯টার পর থেকে একে একে ১৮ ছাত্র অসুস্থ বোধ করতে থাকে। সবারই পেটে ব্যথা হয়; বমিও করে।

এ সময় এক পল্লি চিকিৎসককে মাদ্রাসায় ডেকে আনা হয়। তার পরামর্শে অসুস্থ ছাত্রদের নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়।

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) সৈয়দ মহিউদ্দিন আব্দুল আজিম জানান, ধারণা করা হচ্ছে, খাবারে বিষক্রিয়ার কারণে ছাত্ররা অসুস্থ হয়ে পড়ে। অসুস্থদের মধ্যে নিশান নামে এক ছাত্র হাসপাতালে আনার আগেই মারা যায়। অন্যদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

মাদ্রাসা সূত্র জানায়, সেখানে প্রতিদিন ৭০ ছাত্র খাবার খায়। রাতে ১৮ জন খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে অন্যদের তা আর দেয়া হয়নি।

অসুস্থ ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাংসে কিছুটা উটকো গন্ধ ছিল।

বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ কামরুজ্জামান সিকদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। রাতের ওই খাবারের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হচ্ছে। সেই পরীক্ষার ফল আসলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
সাংগঠনিক স্থবিরতা কাটাতে চায় আওয়ামী লীগ
সাংগঠনিক টিম গঠনের নির্দেশ আ. লীগের
আ.লীগ নেতা ইউসুফজী খান আর নেই
চট্টগ্রামের ৫ উপজেলায় আওয়ামী লীগের সম্মেলন অক্টোবরের মধ্যে
দুই নেতা মুখোমুখি, সাদুল্লাপুর আ.লীগে কোন্দল

শেয়ার করুন

পুকুরে নেমে আসামি ধরল পুলিশ

পুকুরে নেমে আসামি ধরল পুলিশ

ময়মনসিংহে অস্ত্র মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

এসআই সাইফুল ইসলাম জানান, পুলিশ দেখে পালানোর চেষ্টা করেন জসিম। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় পুলিশও তার পিছু নিলে তিনি একটি পুকুরে নেমে যান। পরে পুলিশের এক সদস্য পুকুরে নেমে জসিমকে আটক করেন।

ময়মনসিংহের নান্দাইলে পুকুরে নেমে অস্ত্র মামলায় সাজাপ্রাপ্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার সিংরইল ইউনিয়নের হরিপুর আলাবক্সপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

৪২ বছর বয়সী জসিম উদ্দিনের বাড়ি উপজেলার ৮ নম্বর সিংরইল ইউনিয়নের হরিপুর আলাবক্সপুর গ্রামে। তিনি অস্ত্র মামলায় ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি।

নান্দাইল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম জানান, সোমবার দুপুরে অন্য একটি ঘটনা তদন্ত করতে উপজেলার সিংরইল ইউনিয়নের হরিপুর আলাবক্সপুর গ্রামে যায় পুলিশের একটি দল। মোটরসাইকেলে করে যাওয়ার পথে জসিম পুলিশ দেখে পালানোর চেষ্টা করেন।

তিনি আরও জানান, বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে মোটরসাইকেল থেকে নামতেই জসিম দৌড় দেন। পুলিশও তার পিছু নিলে সে একটি পুকুরে নেমে পড়ে। আধাঘণ্টা পার হলেও পুকুর থেকে না উঠলে পুলিশের এক সদস্য পুকুরে নেমে তাকে আটক করেন।

পরে তাকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, জসিম অস্ত্র মামলায় ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি। ২০০৫ সালের ২৫ জানুয়ারি অবৈধ অস্ত্র মামলায় আদালত জসিমকে এ কারাদণ্ড দেয়। এরপর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।

এ ছাড়া ঢাকার দক্ষিণখান থানায় ২০১৪ সালের আরেকটি মামলায় তিনি পরোয়ানাভুক্ত আসামি।

আরও পড়ুন:
সাংগঠনিক স্থবিরতা কাটাতে চায় আওয়ামী লীগ
সাংগঠনিক টিম গঠনের নির্দেশ আ. লীগের
আ.লীগ নেতা ইউসুফজী খান আর নেই
চট্টগ্রামের ৫ উপজেলায় আওয়ামী লীগের সম্মেলন অক্টোবরের মধ্যে
দুই নেতা মুখোমুখি, সাদুল্লাপুর আ.লীগে কোন্দল

শেয়ার করুন