বিধিনিষেধ জারি

জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে শুক্রবার করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভায় খুলনা জেলায় এক সপ্তাহের বিধিনিষেধ জারির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ছবি: নিউজবাংলা

এক সপ্তাহের বিধিনিষেধে খুলনা

আঞ্চলিক তথ্য অফিস জানায়, খুলনায় বিকেল ৫টার পর দোকান, শপিংমল, রেস্তোরাঁ খোলা রাখা যাবে না। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ বাড়ির বাইরে যেতে পারবে না। ইজিবাইক চলবে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে। এ ছাড়া খুলনা সদর হাসপাতালকে করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে রূপান্তর করা হবে।

করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় খুলনা জেলায় এক সপ্তাহের বিধিনিষেধ জারি করেছে প্রশাসন। শনিবার ভোর ৬টা থেকে ১৮ জুন রাত ১২টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ কার্যকর থাকেব।

বিধিনিষেধের মধ্যে রয়েছে খুলনায় সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দোকান, শপিংমল, রেস্তোরাঁ খোলা রাখা যাবে। এরপর সেগুলো আর খোলা রাখা যাবে না। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ বাড়ির বাইরে যেতে পারবে না। ইজিবাইক চলবে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে। কাঁচাবাজার ও ওষুধের দোকান বিধিনিষেধের আওতামুক্ত থাকবে।

খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে শুক্রবার করোনাভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন এতে সভাপতিত্ব করেন। সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন। খুলনার বিভাগীয় কমিশনার ইসমাইল হোসেন ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।

রাস্তাঘাটে জটলা করে অযথা আড্ডা এবং স্বাস্থ্যবিধি না মানার বিরুদ্ধে কঠোর ভূমিকা পালনের জন্য খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র খালেক।

আঞ্চলিক তথ্য অফিস জানায়, সভায় আরও সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে খুলনা সদর হাসপাতালকে করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে রূপান্তর করা হবে। প্রয়োজনীয় জনবল ও লজিস্টিক সাপোর্টের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে শিগগিরই যোগাযোগ করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সভায় বলা হয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি আরটিপিসিআর ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে, সেখানে প্রতিদিন পাঁচ শ লোকের নমুনা পরীক্ষা করা যাবে।

এ ছাড়া স্বাস্থ্যবিধি মানাতে গত সাত দিনে ২২৩টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৩ লাখ ৬২ হাজার ৫৪৫ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

অন্যদের মধ্যে সভায় খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সরদার রকিবুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান, সিভিল সার্জন নিয়াজ মোহাম্মদ, খুলনা মেডিক্যাল কলেজের উপাধ্যক্ষ মেহেদী নেওয়াজ, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
সংক্রমণ এখন বেশি ঢাকার বাইরে
দৈবচয়নে ফ্রি অ্যান্টিজেন টেস্ট, বাড়ছে শনাক্ত
২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু রাজশাহীতে
করোনায় মৃত্যু ছাড়াল ১৩ হাজার

শেয়ার করুন

মন্তব্য

দ্বিতীয় বিয়ে ঠিক হওয়ায় সাবেক স্ত্রীকে হত্যা: র‍্যাব

দ্বিতীয় বিয়ে ঠিক হওয়ায় সাবেক স্ত্রীকে হত্যা: র‍্যাব

লাখী হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার জুয়েল, রফিক ও বাচ্চু। ছবি: নিউজবাংলা

প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে রোববার দুপুরে র‍্যাব জানায়, তালাকের পর স্ত্রীর দ্বিতীয় বিয়ের কথা জেনেই তাকের হত্যার পরিকল্পনা করেন জুয়েল।

ঢাকার সাভারে বাঁশঝাড় থেকে তরুণীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সাবেক স্বামীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

গাজীপুরের কাশিমপুর থানার মাটি মসজিদ এলাকা থেকে শনিবার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার তিনজন হলেন নিহত তরুণী লাখী আক্তারের স্বামী আশুলিয়ার সুবন্দি এলাকার মো. জুয়েল, তার বাবা মো. রফিক ও একই এলাকার বাচ্চু মিয়া।

প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে রোববার দুপুরে র‍্যাব জানায়, তালাকের পর স্ত্রীর দ্বিতীয় বিয়ের কথা জেনেই তাকের হত্যার পরিকল্পনা করেন জুয়েল।

র‍্যাব জানায়, গত ৯ জুন সাভারের আশুলিয়ার সুবন্দির একটি বাঁশঝাড় থেকে লাখীর মরদেহ উদ্ধার করে আশুলিয়া থানা পুলিশ। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়। মামলার তদন্ত শুরু করে র‍্যাব।

তাদের তদন্তে জুয়েলের সম্পৃক্ততা পাওয়ায় তাকে ও তার বাবাকে শনিবার রাতে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী হত্যায় সহযোগিতার জন্য বাচ্চু মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার আসামিরা লাখী হত্যায় নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে।

দ্বিতীয় বিয়ে ঠিক হওয়ায় সাবেক স্ত্রীকে হত্যা: র‍্যাব
নিহত লাখী আক্তার

তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, জুয়েল মাদকসেবী। তিনি চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত। বিয়ের পর থেকেই লাখীকে শারীরিক নির্যাতন করতেন। চার বছর আগে পারিবারিকভাবে তাদের বিয়েবিচ্ছেদ হয়। এরপর থেকে লাখী আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের কোনাপাড়া এলাকায় বাবার বাড়িতে থাকা শুরু করে।

কিন্তু বিচ্ছেদের পর তিনি আবারও লাখীকে স্ত্রী হিসেবে নিতে চান কিন্তু পরিবারের কেউ রাজি না হওয়ায় লাখীকে হত্যার হুমকি দেন। এরপর গত ২ মে এক সিঙ্গাপুর প্রবাসীর সঙ্গে লাখীর বিয়ে ঠিক হওয়ার খবর পেয়ে আবারও হুমকি দেন।

৮ জুন তিনি কৌশলে লাখীকে বাড়ির পাশের জঙ্গলে ডেকে নেন। এরপর তিনি, তার বাবা ও বাচ্চু মিলে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পালিয়ে যান।

র‍্যাব-১-এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোর্শেদুল হাসান জানান, রোববার সকালে গ্রেপ্তার আসামিদের আশুলিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পরে দুপুরে তাদের ঢাকার মুখ্য বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
সংক্রমণ এখন বেশি ঢাকার বাইরে
দৈবচয়নে ফ্রি অ্যান্টিজেন টেস্ট, বাড়ছে শনাক্ত
২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু রাজশাহীতে
করোনায় মৃত্যু ছাড়াল ১৩ হাজার

শেয়ার করুন

ননদের বাড়িতে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ, হত্যার অভিযোগ

ননদের বাড়িতে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ, হত্যার অভিযোগ

কমলগঞ্জে ননদের বাড়ির রান্না ঘরের আড়া থেকে দীপা চৌধুরী নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

দীপার ভাই সুমন চৌধুরী বলেন, ‘সাইফুলের সঙ্গে দীপার বিয়ে হয় কোর্টে। কিছুদিন পর শুরু হয় পারিবারিক দ্বন্দ্ব। সাইফুল পরকিয়ায় লিপ্ত ছিলেন। তার পরকিয়া নিয়ে কয়েকবার বৈঠকও হয়েছে। আমার বোন আত্মহত্যা করতে পারেনা, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। মরদেহের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহৃ রয়েছে।’

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে স্বামীর বড় বোনের (ননদ) বাড়ির রান্না ঘরের আড়া থেকে দীপা চৌধুরী নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

ওড়না বেঁধে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার কথা বলা হলেও, দীপার ভাই বলছেন, পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।

উপজেলার শমশেরনগর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামে রোববার ভোরে এ ঘটনা ঘটে।

ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়েছে পুলিশ।

শমসেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক(এসআই) শাহ্ আলম নিউজবাংলাকে জানান, ভোরে গোবিন্দপুরের মঈনুল ইসলামের বাড়িতে ঘটনাটি ঘটে। ২৮ বছর বয়সী দীপা মুন্সি বাজার ইউনিয়নের বিক্রমকলস গ্রামের সাইফুল ইসলামের স্ত্রী। তিনি একই উপজেলার পতনউষা গ্রামের আব্দুল মতিন চৌধুরীর মেয়ে।

এসআই শাহ্ আলম বলেন, দীপার আগে একটি বিয়ে হয়েছিল, সেই সংসারের অপু নামের ১৪ বছরের একটি ছেলে আছে। দিপা চৌধুরী বেশ কিছু দিন লন্ডনে ছিলেন। প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর সাইফুলের সঙ্গে বিয়ে হয় তার।

দীপার ভাই সুমন চৌধুরী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সাইফুলের সঙ্গে দীপার বিয়ে হয় কোর্টে। কিছুদিন পর শুরু হয় পারিবারিক দ্বন্দ্ব। সাইফুল পরকিয়ায় লিপ্ত ছিলেন। সাইফুলের পরকিয়া সম্পর্ক নিয়ে কয়েকবার বৈঠকও হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘নিজ বাড়িতে সমস্যা হওয়ায় কয়েকদিন ধরে সাইফুল দীপাকে নিয়ে তার বড় বোনের বাড়িতে থাকছিলেন। সেখানে তারা দীপার ওপর নির্যাতন চালাত। আমার বোন আত্মহত্যা করতে পারেনা, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। মরদেহের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহৃ রয়েছে। ’

সুমন জানান, সাইফুল লোকজন নিয়ে কয়েকদিন ধরে পরিকল্পপনা করতেন বলে দীপা বিভিন্ন সময়ে তাকে জানিয়েছেন।

সাইফুলের বোন সেফি বেগম নিউজবাংলাকে জানান, সাইফুল রমজানের কয়েকদিন আগে থেকে দীপাকে নিয়ে তার বাড়িতে বাস করছেন। দীপা তার পাশে ঘুমাতেন, ভোরে উঠে তার লাশ দেখতে পান।

শমশেরনগর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মাসুক আলী পুলিশ ফাঁড়িকে জানালে তারা লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

এসআই শাহ আলম জানান, লাশের সুরতহাল তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছেন। প্রতিবেদন এলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শমশেরনগর ফাঁড়ির ওসি (তদন্ত) মোশাররফ হোসেন জানান, ময়নাতদন্তের রিপোর্টে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দিলে তদন্ত করে দেখা হবে।

আরও পড়ুন:
সংক্রমণ এখন বেশি ঢাকার বাইরে
দৈবচয়নে ফ্রি অ্যান্টিজেন টেস্ট, বাড়ছে শনাক্ত
২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু রাজশাহীতে
করোনায় মৃত্যু ছাড়াল ১৩ হাজার

শেয়ার করুন

এবার মাগুরা শহরে অনির্দিষ্টকালের লকডাউন

এবার মাগুরা শহরে অনির্দিষ্টকালের লকডাউন

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি জেলায় করোনার সংক্রমণ মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ায় মাগুরা শহরকে লকডাউন ঘোষণা করা হলো। পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত লকডাউন চলবে।

করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় দেশের বিভিন্ন এলাকার মতো এবার মাগুরা শহরে লকডাউন ঘোষণা করেছে স্থানীয় জেলা প্রশাসন।

জেলা প্রশাসক আশরাফুল আলম এক গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সোমবার থেকে লকডাউনের ঘোষণা দেন।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি জেলায় করোনার সংক্রমণ মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ায় মাগুরা শহরকে লকডাউন ঘোষণা করা হলো। পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত লকডাউন চলবে।

এ সময় জরুরি পরিষেবা ছাড়া সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। খাবার ও ওষুধের দোকান ছাড়া দোকানপাট ও শপিংমল সন্ধ্যা ছয়টার পর বন্ধ থাকবে।

জেলা সিভিল সার্জনের অফিস জানিয়েছে, গত এক সপ্তাহে মাগুরায় ৩৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে, যাদের অধিকাংশ জেলার পৌর এলাকার।

বর্তমানে বাড়িতে আইসোলেশনে আছে ৫৮ জন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পাঁচজন।

এ পর্যন্ত জেলায় করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৩০৯ জনের দেহে। মৃত্যু হয়েছে ২৪ জনের।

মাগুরার সিভিল সার্জন শহীদুল্লাহ দেওয়ান নিউজবাংলাকে জানান, এক সপ্তাহ ধরে মাগুরায় করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ। স্বাস্থ্যবিধি না মানাটাই এর প্রধান কারণ। এ ছাড়া পাশেই সীমান্তবর্তী জেলা যশোরের কারণে বাড়তি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
সংক্রমণ এখন বেশি ঢাকার বাইরে
দৈবচয়নে ফ্রি অ্যান্টিজেন টেস্ট, বাড়ছে শনাক্ত
২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু রাজশাহীতে
করোনায় মৃত্যু ছাড়াল ১৩ হাজার

শেয়ার করুন

ক্যাম্প থেকে অপহৃত রোহিঙ্গা উদ্ধার

ক্যাম্প থেকে অপহৃত রোহিঙ্গা উদ্ধার

এপিবিএনের অভিযানে উদ্ধার মুজিবুল্লাহ। ছবি: নিউজবাংলা

শুক্রবার দুপুরে জাদিমুরা ক্যাম্প থেকে মুখোশ পরা ৮-৯ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি মুজিবুল্লাহকে জোরপূর্বক নেচারি পার্কের পাহাড়ের দিকে নিয়ে যায়। খবর পাওয়ার পর থেকেই জাদিমুড়া এপিবিএন ক্যাম্পের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।

কক্সবাজারের টেকনাফের জাদিমুড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে অপহরণের এক দিন পর মুজিবুল্লাহ নামের একজনকে উদ্ধার করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।

রোববার বেলা দুইটার দিকে হ্নীলার জাদিমুরা ২৭ নম্বর ক্যাম্পের সি-ব্লকের নেচারি পার্কসংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এপিবিএন-১৬-এর অধিনায়ক এসপি তারিকুল ইসলাম।

তিনি জানান, শুক্রবার দুপুরে জাদিমুরা ক্যাম্প থেকে মুখোশ পরা ৮-৯ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি মুজিবুল্লাহকে জোরপূর্বক নেচারি পার্কের পাহাড়ের দিকে নিয়ে যায়। খবর পাওয়ার পর থেকেই জাদিমুড়া এপিবিএন ক্যাম্পের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।

এপিবিএন কর্মকর্তা আরও জানান, রোববার দুপুর একটার দিকে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পার্ক এলাকা থেকে মুজিবুল্লাহকে উদ্ধার করা হয়। তিনি সুস্থ আছেন। পরিবারের জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
সংক্রমণ এখন বেশি ঢাকার বাইরে
দৈবচয়নে ফ্রি অ্যান্টিজেন টেস্ট, বাড়ছে শনাক্ত
২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু রাজশাহীতে
করোনায় মৃত্যু ছাড়াল ১৩ হাজার

শেয়ার করুন

দুই পক্ষের সংঘর্ষে সেনাবাহিনীর সাবেক সদস্য নিহত

দুই পক্ষের সংঘর্ষে সেনাবাহিনীর সাবেক সদস্য নিহত

প্রতীকী ছবি।

স্থানীয় ও পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সকালে বাড়ির পাশের পুকুরপাড়ে মাটি ফেলা নিয়ে প্রতিবেশী সুহেল ও কাইয়ুমের সঙ্গে শাহজাহান মিয়ার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। এতে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যান শাহজাহান মিয়া।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে শাহজাহান মিয়া নামের সাবেক সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন।

উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নের মনিয়ন্দ গ্রামে রোববার সকালে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শাহজাহান মনিয়ন্দ গ্রামের পূর্বপাড়ার মৃত সামসু মিয়ার ছেলে। তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৩ বেঙ্গলের করপোরাল ছিলেন।

স্থানীয় ও পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সকালে বাড়ির পাশের পুকুরপাড়ে মাটি ফেলা নিয়ে প্রতিবেশী সুহেল ও কাইয়ুমের সঙ্গে শাহজাহান মিয়ার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। এতে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যান শাহজাহান মিয়া।

নিহতের নাতি সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘গতকাল পুকুরপাড়ে মাটি ফেলা নিয়ে তার দাদা শাহজাহানের সঙ্গে সুহেল ও কাইয়ুমের তর্কাতর্কি হয়। পরে আজ সকালে সুহেল ও কাইয়ুমের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে নিহত হন শাহজাহান মিয়া। আমি এই হত্যার বিচার চাই।’

আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি ধস্তাধস্তিতে শাহজাহান মিয়ার মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
সংক্রমণ এখন বেশি ঢাকার বাইরে
দৈবচয়নে ফ্রি অ্যান্টিজেন টেস্ট, বাড়ছে শনাক্ত
২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু রাজশাহীতে
করোনায় মৃত্যু ছাড়াল ১৩ হাজার

শেয়ার করুন

ট্রাকের ধাক্কায় নারী শ্রমিকের মৃত্যু

ট্রাকের ধাক্কায় নারী শ্রমিকের মৃত্যু

বনপাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, হাসনা কাজে যাওয়ার সময় রাস্তা পার হতে গিয়ে দ্রুতগামী ট্রাকের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই মারা যান।

নাটোরের বড়াইগ্রামে ট্রাকের ধাক্কায় অটোরাইস মিলের শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ট্রাকচালককে আটক করেছে হাইওয়ে পুলিশ।

উপজেলার গড়মাটি এলাকায় রোববার সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

৪৭ বছর বয়সী নিহত হাসনা বেগমের বাড়ি বড়াইগ্রাম উপজেলার গড়মাটি গ্রামে। তিনি অটোরাইস মিলের শ্রমিক ছিলেন।

বনপাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম নিউজবাংলাকে জানান, হাসনা কাজে যাওয়ার সময় রাস্তা পার হতে গিয়ে ট্রাকের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই মারা যান। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় ট্রাকচালক শিবলু প্রামাণিককে আটক করা হয়েছে। তবে চালকের সহকারী পালিয়ে গেছে।

আরও পড়ুন:
সংক্রমণ এখন বেশি ঢাকার বাইরে
দৈবচয়নে ফ্রি অ্যান্টিজেন টেস্ট, বাড়ছে শনাক্ত
২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু রাজশাহীতে
করোনায় মৃত্যু ছাড়াল ১৩ হাজার

শেয়ার করুন

বঙ্গবন্ধু হাসপাতালে বাড়ছে করোনা রোগীর চাপ

বঙ্গবন্ধু হাসপাতালে বাড়ছে করোনা রোগীর চাপ

গত ১২ দিনে হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ২৮ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে মারা গেছেন ১৪ জন, সুস্থ হয়েছেন দুইজন। প্রতিদিনই আসছে রোগী, কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী শয্যা না থাকায় ভর্তি নিতে পারছে না কর্তৃপক্ষ।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর চাপ বাড়ছে ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।

গত ১২ দিনে হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ২৮ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে মারা গেছেন ১৪ জন, সুস্থ হয়েছেন দুইজন। প্রতিদিনই আসছে রোগী, কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী শয্যা না থাকায় ভর্তি নিতে পারছে না কর্তৃপক্ষ।

ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ছিদ্দীকুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন এক ব্যক্তি। আর নতুন শনাক্ত হয়েছে ২২ জন। জেলায় এ পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১০ হাজার ৯০৯ জন, মারা গেছেন ১৮৮ ব্যক্তি।

তিনি জানান, শতকরা হিসাবে করোনা পরীক্ষায় পজিটিভের হার ২০ দশমিক ৮০, মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৭২ এবং সুস্থতার হার ৯৪ দশমিক ৬৬।

ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রেজিস্ট্রার বই থেকে জানা যায়, গত ১ জুন থেকে ১৩ জুন পর্যন্ত চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৪ ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। যাদের মধ্যে ১১ জনই ৫০ ঊর্ধ্ব।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ১২ দিনে আইসিইউয়ে যারা মারা গেছেন তারা হলেন, ভাঙ্গার আমুদ আলী, রাজবাড়ীর শহিদুল রহমান ও আবুল হোসেন, বোয়ালমারীর রহিমা বেগম, শহরের ঝিলটুলির মোসলেমউদ্দিন ও এমএ মামুন, মাদারীপুরের মনোয়ারা বেগম ও নূরুল হক, গোয়ালন্দর খাদেজা বেগম, কালুখালীর রফিকুল ইসলাম, কানাইপুরের লাল মিয়া, গোপালগঞ্জের দুর্গা রানী, সালথার অঞ্জনা রানী ও চরভদ্রাসনের ইউসুফ হোসেন।

হাসপাতালের আইসিইউয়ে ১৬ শয্যা থাকলেও সচল রয়েছে ১৪টি। আইসিইউ ইনর্চাজ অনন্ত বিশ্বাস বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতি দুই সপ্তাহ ধরে অবনতির দিকে। রোগীর চাপ বাড়ছে অনেক। কিছু দিন আগেও ওয়ার্ডে রোগী ছিল ৩/৪ জন। এখন সেখানে সিট ফাঁকা নেই।’

তিনি জানান, করোনার এই দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধরন আগের থেকে ভিন্ন। কারণ এখন আইসিইউয়ে ভর্তি হয়ে সুস্থতার হার একেবারেই কম। মারা যাচ্ছে বেশি এবং তাও আবার দ্রুত।

আরও পড়ুন:
সংক্রমণ এখন বেশি ঢাকার বাইরে
দৈবচয়নে ফ্রি অ্যান্টিজেন টেস্ট, বাড়ছে শনাক্ত
২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু রাজশাহীতে
করোনায় মৃত্যু ছাড়াল ১৩ হাজার

শেয়ার করুন